দূষণে নাভিশ্বাস, রাজধানী দিল্লি পরিত্যক্ত নগরীতে পরিণত হবে?

Air pollution in Delhi: ভারতের রাজধানীর ধোঁয়া চিত্র বদলাচ্ছে না। সাম্প্রতিক দূষণের পরিমাণ দেখে চমকে উঠছেন সাধারণ মানুষ।

Aritra Som
৪ মিনিট
দূষণে নাভিশ্বাস, রাজধানী দিল্লি পরিত্যক্ত নগরীতে পরিণত হবে?

ভোর হলেই চারিদিকে ঘন ধোঁয়া। আর এই ধোঁয়া গোটা এলাকা ঢেকে রেখেছে। গাড়ি চালানোই দায় হয়ে উঠছে। একপ্রকার প্রাণ হাতে নিয়েই রাস্তায় বেরোতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে। এই মুহূর্তে দিল্লির ছবিটা ঠিক এমনই। বিগত কয়েক বছরেও ভারতের রাজধানীর ধোঁয়া চিত্র বদলাচ্ছে না। রাজনীতি, অপরাধ, খুন ইত্যাদি ঘটনার পাশাপাশি দূষণের জন্যও খবরের শিরোনামে জায়গা করে নিচ্ছে দিল্লি। সাম্প্রতিক দূষণের পরিমাণ দেখে চমকে উঠছেন সাধারণ মানুষ। কোন জায়গার বাতাস কতটা দূষিত, সেটা জানতে এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্স বা একিউআইয়ের দিকে নজর থাকে বিজ্ঞানীদের। সেখানেই উঠে এসেছে ৪ ডিসেম্বর, রবিবারের হিসেব। দেখা যাচ্ছে, ২৪ ঘণ্টার গড় হিসেবে দিল্লির এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্স ৪০৭!

এই খবরেই নড়েচড়ে বসেছে প্রশাসন। গত নভেম্বর থেকে এই দূষণের ভয়াবহতা চিন্তায় রেখেছে আধিকারিকদের। তাই তড়িঘড়ি ব্যবস্থা নেওয়ার পথে হাঁটল তারা। কেন্দ্র সরকারের এয়ার কোয়ালিটি ম্যানেজমেন্ট কমিশন বা সিএকিউএম (Commision for Air Quality Management) একটি বিশেষ নির্দেশিকা জারি করেছে। সেখানে বলা হয়েছে, দিল্লিজুড়ে এই মুহূর্তে অনেক নির্মাণকাজ চলছে। যে কাজগুলি খুব গুরুত্বপূর্ণ, কেবলমাত্র সেগুলি বাদ দিয়ে বাকি যাবতীয় নির্মাণকাজ আপাতত বন্ধ করে দেওয়া হবে। পাশাপাশি কোথাও কোনও ইমারত ভাঙার কাজ চললে সেটাও বন্ধ করে দিতে হবে। গ্রেডেড রেসপন্স অ্যাকশন প্ল্যানের তৃতীয় পর্যায়ে যে কাজগুলি রয়েছে সেগুলির ওপর সাময়িক নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। রেল, মেট্রো, এয়ারপোর্ট, ডিফেন্স, হাইওয়ে এবং রাস্তা তৈরির মতো গুরুত্বপূর্ণ কিছু ক্ষেত্রে ছাড় দেওয়া হয়েছে।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
আর কিছুদিনেই পরিত্যক্ত নগরী হতে চলেছে রাজধানী দিল্লি! বিষের বাষ্পে যে ইঙ্গিত

Delhi Air Pollution: দিল্লির নিজস্ব দূষণ তো আছেই, তার সঙ্গে যোগ হয় পঞ্জাব, হরিয়ানা, রাজস্থান এবং উত্তরপ্রদেশের ফসলের গোড়া পোড়ানো ধোঁয়া।

তবে কেবল নির্মাণকাজই নয়। ইটভাটা থেকেও প্রবল দূষণ ছড়ায়, এই ব্যাপারটি অনেকেরই জানা। অভিযোগ, বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ইটভাটাগুলিতে পরিশ্রুত জ্বালানি ব্যবহার করা হয় না। ফলে দূষণের মাত্রা আরও বাড়ে। সেই ইটভাটাগুলোকেও অবিলম্বে সমস্ত কাজ বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সেইসঙ্গে যানবাহনের দিকেও বিশেষভাবে নজর দেওয়া হয়েছে। বিএস থ্রি পেট্রোল এবং বিএস ফোর ডিজেল গাড়িগুলির ক্ষেত্রে কড়া সিদ্ধান্তও নেওয়ার ভাবনায় প্রশাসন। ওই গাড়িগুলি থেকে অত্যাধিক দূষণ ছড়ায় বলে বারবার অভিযোগ এসেছে। রাজধানীর দূষণ কমাতে ভবিষ্যতে আরও অনেক পদক্ষেপ নেওয়ার পথে হাঁটতে পারে দূষণ নিয়ন্ত্রক কমিশন।

কোনও জায়গায় বায়ুদূষণের মাত্রা কতটা ভয়াবহ, সেটা নির্ণয় করার একটি বিশেষ স্কেল আছে। এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্সে সেই সূচকগুলিকেই চিহ্নিত করা হয়। এই সূচক ০ থেকে ৫০-এর মধ্যে থাকলে বাতাসের অবস্থা সবচেয়ে ভালো থাকে। ৫০-১০০ এর মধ্যে থাকলে সেটাকে ভালোর মধ্যেই ধরা হয়। তবে ২০০-র ওপরে গেলেই কপালে ভাঁজ পড়া শুরু হয় পরিবেশবিদদের। ২০১ থেকে ৩০০-র মধ্যে হলে খারাপ, ৩০১ থেকে ৪০০-র মধ্যে থাকলে বিপজ্জনক এবং ৪০০-র ওপরে থাকলে অতি বিপজ্জনক অবস্থা। এই শেষ ধাপটিতে রয়েছে দিল্লি।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
ধোঁয়ার জেরে জাঁকিয়ে বসছে অবসাদ! চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে আনলেন বিজ্ঞানীরা

Mental Health issue due to Pollution: যত দিন যাচ্ছে, দূষণে জেরবার হচ্ছে নগর থেকে মফস্বল। তবে কেবল ফুসফুস নয়, মস্তিস্কেও প্রভাব ফেলছে বায়ুদূষণ...

তবে ডিসেম্বরেই এমন অবস্থা প্রথম হল, এমনটা নয়। গত নভেম্বরের শুরুতে দিল্লির এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্স চলে যায় ৪৪৭-এর অঙ্কে। সেই সময়ও দিল্লি এনসিআর এলাকায় নির্মাণকাজ বন্ধের পথে হেঁটেছিল দূষণ নিয়ন্ত্রক কমিশন। উল্লেখ্য, সেই সময় ছিল দীপাবলি ও অন্যান্য উৎসবের মরসুম। দূষণ নিয়ন্ত্রণে কড়া মনোভাব দেখালেও আখেরে লাভের লাভ যে কিছু হয়নি, তা এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্সেই স্পষ্ট। সেই সময় দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল নির্মাণকাজের সঙ্গে যুক্ত শ্রমিকদের মাসিক ৫০০০ টাকা দেওয়ার ঘোষণা করেন। এবারও সেই ব্যবস্থা শুরু হবে কিনা, সেটাই দেখার।

বিগত কয়েক বছর ধরে বারবার বায়ুদূষণে জেরবার হয়েছে দেশের রাজধানী। কেবল বাতাসই নয়, যমুনা-সহ বেশকিছু নদী ক্ষতিকারক রাসায়নিক মিশ্রিত ফোমে ভরে গিয়েছিল। তার মধ্যেই স্থানীয় মানুষেরা নিজেদের কাজকর্ম করেছেন। নভেম্বরের দূষণে ফের ‘ওয়ার্ক ফ্রম হোম’ নীতি প্রয়োগ হয় দিল্লিতে। শিশুদের স্বাস্থ্যের কথা ভেবে বন্ধ করে দেওয়া হয় প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলি। শহরের রাস্তায় জল ছিটিয়ে, ধোঁয়া প্রতিরোধক মেশিন ব্যবহার করে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে। ডিসেম্বরের শুরুতেও একই পরিস্থিতি সম্মুখীন সেখানকার মানুষজন।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
মাতৃদুগ্ধেও প্লাস্টিক! রোজ যাচ্ছে শিশুর পেটে! ভয়াবহ তথ্য এবার সামনে

Plastic Pollution in India: বর্তমানে পৃথিবীর প্রায় ১৯২ টি উপকূলীয় দেশ থেকে প্লাস্টিক গিয়ে জমা হয়েছে সমুদ্রে যার পরিমাণ ৪.৮ থেকে ১২.৭ মিলিয়ন মেট্রিক টন!

কেন বায়ু দূষণের এমন সমস্যা? কেবল দিল্লি নয়, উত্তর ভারতের একটা বড়ো অংশের সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে এটি। সেইসঙ্গে রয়েছে চাষের ইস্যুও। দিল্লি, পাঞ্জাব, হরিয়ানার একটা বড়ো অংশ জুড়ে রয়েছে কৃষিক্ষেত। শীতের ঠিক আগে আগে ফসল কাটা হয়ে যায় কৃষকদের। সমস্ত কিছু ঘরে তুলে শীতের চাষের প্রস্তুতি শুরু হয়। মূলত এই সময়ই বিপত্তির সূত্রপাত। ফসল কাটার পর তার অবশিষ্ট অংশ এক জায়গায় জড়ো করে পুড়িয়ে ফেলেন কৃষকরা। এই বিপুল বর্জ্য, জঞ্জাল পোড়ানোর ফলে তৈরি হয় ক্ষতিকারক ধোঁয়া। সেই ধোঁয়াই ক্রমশ গ্রাস করে দিল্লি সহ উত্তর ভারতের একটা বড়ো অংশকে।

সেইসঙ্গে থাকে কারখানা, গাড়ির বিষাক্ত ধোঁয়া। নির্মাণকাজের ফলে ছোটো ছোটো মাইক্রো পার্টিকলও ধোঁয়ায় মিশে যায়। ফলে এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্স নিজের মাত্রা ছাড়িয়ে যায়। বিজ্ঞানীরা বলছেন, এই ধোঁয়ায় থাকে ক্ষতিকারক গ্যাস সহ অসংখ্য ছোট ছোট ধূলিকণা। শ্বাস নেওয়ার সঙ্গে যা শরীরের ভেতর ঢুকে পড়ে। কেবল শ্বাসযন্ত্র নয়, এই দূষণের ফলে ক্ষতিগ্রস্ত হয় মস্তিস্কও। অরবিন্দ কেজরিওয়ালের বক্তব্য, এই সমস্যা আজকের নয়, বহুদিনের। এর জন্য কৃষকদেরও সম্পূর্ণ দায়ী করা ঠিক নয়। বৈজ্ঞানিক উপায়ে এই সমস্যার সমাধান করতে হবে। কৃষকদের কাছেও সেই সমাধান পৌঁছে দিতে হবে। এর ফলে তাঁরাও উপকৃত হবেন, দূষণের সমস্যাও কমবে। আপাতত এই সমাধান খোঁজার চেষ্টাতেই প্রশাসন। নয়তো এই দূষণ সমস্যা স্বাভাবিক জনজীবন নষ্ট করে দেবে, পরিত্যক্ত করে দেবে দিল্লিকে, এমনটাই আশঙ্কা পরিবেশবিদদের।

লিখেছেন
Aritra Som
Aritra Som
0 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

কোথায় আছড়ে পড়ল ঘূর্ণিঝড় মুরাসু, কতটা ক্ষয়ক্ষতি, বাংলায় কী প্রভাব?

Cyclone Murasu: ঘূর্ণিঝড় অর্ণবের প্রভাব কাটতে না কাটতেই বঙ্গোপসাগরে তৈরি হয় ঘূর্ণিঝড় মুরাসু। মঙ্গলবার ভোরে অন্ধ্রপ্রদেশের উপকূলে আছড়ে পড়ে শক্তিশালী এই ঘূর্ণিঝড়। নেল্লোর, প্রকাশম ও বাপটলা জেলায় গাছ উপড়ে পড়েছে, নিচু এলাকা জলমগ্ন হয়েছে। তামিলনাড়ু ও ওড়িশাতেও ভারী বৃষ্টি ও ঝোড়ো হাওয়ার সতর্কতা জারি হয়েছে। বাংলায় কতটা প্রভাব ফেলবে মুরাসু?

ভুটানে হড়পা বানের জেরে উত্তরবঙ্গে আতঙ্ক, কী পরিস্তিতি এখন?

Bhutan Flash Flood: ভুটানের শিনতাফু হ্রদ ভেঙে হড়পা বানে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে রাস্তা ও পর্যটনকেন্দ্রের পরিকাঠামো। বন্যার আশঙ্কায় আলিপুরদুয়ারের কুমারগ্রামে ১০ হাজারেরও বেশি মানুষকে নিরাপদ জায়গায় সরানোর উদ্যোগ নেয় প্রশাসন। শুক্রবার সকালে সংকোশ নদীর জলস্তর না বাড়ায় কিছুটা স্বস্তি ফেরে। পরিস্থিতি এখন কেমন?

মাত্র ১০০ বই থেকে ১০ হাজার! অসমের চা-বাগানের শিশুদের ভবিষ্যৎ গড়ছেন অনিন্দিতা

Assam Library Initiative: মাত্র ১০০টি বই নিয়ে ২০২০ সালে অসমের চা-বাগান এলাকার শিশুদের জন্য লাইব্রেরি শুরু করেছিলেন অনিন্দিতা গগৈ। আজ তিনটি লাইব্রেরিতে বইয়ের সংখ্যা প্রায় ১০ হাজার। পরিবারের ৪০ লক্ষ টাকারও বেশি বিনিয়োগে এগিয়ে চলেছে এই উদ্যোগ। কীভাবে শিশুদের পড়াশোনা ও সৃজনশীলতার সুযোগ তৈরি করছেন অনিন্দিতা?

Cyclone Arnab: কোথায় আছড়ে পড়ল অর্ণব, কতটা ক্ষয়ক্ষতি? বাংলায় কতটা প্রভাব?

Cyclone Arnab: অন্ধ্রপ্রদেশের উপকূলে আছড়ে পড়েছে ঘূর্ণিঝড় অর্ণব। ঘণ্টায় ১৫০ কিলোমিটার বেগে দমকা হাওয়া, ভারী বৃষ্টি ও জল জমার জেরে বিপর্যস্ত একাধিক এলাকা। ৮৪ হাজারেরও বেশি মানুষকে নিরাপদ আশ্রয়ে সরানো হয়েছে। বাংলার কোন কোন জেলায় ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস, আর কতটা প্রভাব পড়তে পারে ঘূর্ণিঝড়ের?

অ্যানথ্রোপিকের মতো এআই সংস্থাগুলি যেভাবে হয়ে দাঁড়াচ্ছে জলবায়ু সংকটের কারণ

The AI Carbon Bill: অ্যানথ্রোপিকের আইপিও ফাইলিংয়ে জলবায়ু পরিবর্তনকে বড় ব্যবসায়িক ঝুঁকি হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হলো। ডেটা সেন্টার ঠান্ডা করতে বিদ্যুৎ-জলের ব্যয় বাড়ছে। ২০২৫-এ ডেটা সেন্টারগুলিতে ঘণ্টা প্রতি বিদ্যুৎ ব্যবহার, ৪৪৮ টেরাওয়াটে পৌঁছবে।

লুলার জয়ের পরেও কেন স্বস্তিতে নেই 'পৃথিবীর ফুসফুস' আমাজন?

lula's amazon policy: প্রথম পর্বে পিছিয়ে থাকার পর, কুড়ি দিনে এক কোটিরও বেশি ভোট বাড়িয়ে লুলা দা সিলভা চতুর্থবার ব্রাজিলের রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হলেন। লুলার আমলে, আমাজনের জঙ্গল উজাড় হওয়া ৭১% কমেছে, তবু আইনসভায় ডানপন্থীদের শক্তিবৃদ্ধি হওয়ায়, আমাজনের সংকটজনক সীমার খুব কাছাকাছি পৌঁছে যাওয়ার আশঙ্কা রয়ে গেলই।

ঘূর্ণিঝড় অর্ণব : কোথায় রয়েছে, বাংলায় কতটা দুর্যোগের আশঙ্কা?

Cyclone Arnab: বঙ্গোপসাগরে শক্তি বাড়িয়ে অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হয়েছে অর্ণব। বুধবার অন্ধ্রপ্রদেশ উপকূলে আছড়ে পড়তে পারে এই ঝড়। সরাসরি বাংলায় আঘাত না হানলেও মঙ্গলবার থেকে দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় ভারী বৃষ্টি ও ঝোড়ো হাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। উত্তরবঙ্গেও বৃষ্টি হতে পারে। কোন কোন জেলায় দুর্যোগের আশঙ্কা সবচেয়ে বেশি?

রেকর্ড ভাঙা সমুদ্রের উষ্ণতা: কতটা বিপদের মুখে পৃথিবী?

super el nino 2026: অক্টোবরে নিনো ৩.৪ অঞ্চলে সমুদ্রপৃষ্ঠের তাপমাত্রার পার্থক্য, ২০১৫-১৬-র রেকর্ড ভেঙে ৩.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছাড়াতে চলেছে। ডব্লিউএমও বলছে, এই এল নিনো ২০২৭ পর্যন্ত প্রভাব ফেলবে। ভারতে বর্ষায় ১৩% ঘাটতি, ৩৯.৮% কৃষিজমিতে খরা, ফসল উৎপাদন ৪% কমার আশঙ্কা রয়েছে।