স্যাটেলাইটকেও ফাঁকি! নজরদারি এড়িয়ে যে কৌশলে ফসলের গোড়া পোড়াচ্ছেন চাষিরা

Burning Crops Pollution: দুপুর ১.৩০টার পর থেকে ‘অ্যাকোয়া’ ও ‘সুওমি-এনপিপি’ স্যাটেলাইটের নজর এড়িয়ে কৃষকরা ফসলের গোড়া পোড়াচ্ছেন।

Shamim Haque Mondal
৪ মিনিট
স্যাটেলাইটকেও ফাঁকি! নজরদারি এড়িয়ে যে কৌশলে ফসলের গোড়া পোড়াচ্ছেন চাষিরা

এ বছর নভেম্বরের প্রথম থেকেই দেশের রাজধানীর অবস্থা খারাপ। বাতাসের গুণগত মান সূচক এত নীচে নেমে এসেছিল যে দৈনন্দিন কাজ চালিয়ে যাওয়াও একপ্রকার দুষ্কর হয়ে ওঠে। সুপ্রিম কোর্টের কড়া ধমকের পর দিল্লি সরকার নড়েচড়ে বসে। সেই সময় প্রশাসন ও পরিবেশকর্মীরা আঙুল তুলছিলেন পড়শি রাজ্য পঞ্জাব, হরিয়ানার কৃষকদের দিকে। মাঠ থেকে ফসল ঘরে তোলার পর, চাষের জমিতে পড়ে থাকা ফসলের গোড়া (চলতি ভাষায় যাকে আমরা ন্যাড়া বলি) পোড়ানোর ধোঁয়ায় নাকি দূষিত হচ্ছে দিল্লির আকাশ বাতাস। হ্যাঁ, খারিফ শস্য সংগ্রহের পর, সস্তায় দ্রুত মাঠ পরিষ্কারের জন্য পঞ্জাব হরিয়ানার চাষিরা প্রথাগতভাবে ফসলের গোড়া পোড়ান এবং দেশের উত্তর কেন্দ্রীয় অঞ্চলের বায়ুর সৌজন্যে সেই আগুনের ক্ষতিকারক পদার্থ নতুন দিল্লির বাতাসে মিশছে ঠিকই কিন্তু এটিই একমাত্র রাজধানীকে বসবাসের অযোগ্য করে তুলছে, বললে সিকিভাগ সত্যি কথাও বলা হবে না।

ঠিক কোথায় কোথায় পোড়ানো হচ্ছে ফসলের গোড়া, তা খুঁজতে স্যাটেলাইটের সাহায্য নিচ্ছে সরকার। ‘অ্যাকোয়া’ আর ‘সুওমি এনপিপি’ নামক নাসার দুটো স্যাটেলাইটের থেকে তথ্য সংগ্রহ করছে ভারত সরকার। পৃথিবীর বায়ুমণ্ডল বিষয়ক তথ্য সংগ্রহের জন্য ২০০২ সালে নাসা ‘অ্যাকোয়া’ নামক স্যাটেলাইটটি উৎক্ষেপণ করে, যার ভেতরে একটি মডারেট ইমেজিং স্পেকট্রোরেডিওমিটার (MODIS) আছে, যার কাজ হলো নিম্ন বায়ুমণ্ডলীয় অঞ্চলের যেকোনও পরিবর্তন পর্যবেক্ষণ করা। MODIS-এর উন্নত ভার্সন হচ্ছে ভিসিবল ইনফ্রারেড রেডিওমিটার সুট (VIIRS), যেটি ‘সুওমি-এনপিপি’ স‍্যাটেলাইটের মধ্যে ইনস্টল করা আছে, এটি নাসা ২০১১ সালে উৎক্ষেপণ করে পৃথিবীর বায়ুমণ্ডল পর্যবেক্ষণের জন্য। এই স‍্যাটেলাইট দু'টি স্থানীয় সময় দুপুর দেড়টা ও রাত দেড়টায় কোনও জায়গাকে পর্যবেক্ষণ করে। ফলে, তাদের মধ্যে থাকা MODIS ও VIIRS যন্ত্র দু'টি নির্দিষ্ট সময় অন্তর ওই সব জায়গার দৃশ্যমান

এবং অবলোহিত ছবি সংগ্রহ করে, যেগুলো বিশ্লেষণ করে আগুন ও ধোঁয়ার অবস্থান সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়। ‘সুওমি-এনপিপি’-তে থাকা ওজোন ম্যাপিং এবং প্রোফাইলার স্যুট বায়ুমণ্ডলে অ্যারোসলের উপস্থিতি শনাক্ত করতে পারে, যা আগুন থেকে সৃষ্ট ধোঁয়া এবং বায়ু দূষণে তাদের ভূমিকাও নির্ধারণ করতে সক্ষম।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
দরিদ্র দেশের উপর দূষণের অভিশাপ চাপিয়ে দিচ্ছে ধনী দেশ

Climate Change Conference: বিশ্বের উন্নত ধনী দেশগুলি তাদের তৈরি করা পরিবেশ দূষণের ধ্বংসাত্মক প্রভাব মোকাবিলায় উন্নয়নশীল গরিব দেশগুলিকে ৩০ হাজার কোটি ডলার দিতে সম্মত হয়েছে।

গণ্ডগোল বাঁধে অন্য জায়গায়। নাসার গডার্ড স্পেস ফ্লাইট সেন্টারের এক বিজ্ঞানী, হিরেন জেথভা ২ অক্টোবর এক্স হ্যান্ডেলে লেখেন, ২০২৩ সালে আগের বছরের তুলনায় ৪০% কম ন্যাড়া পোড়ার ঘটনা ঘটেছে এবং তিনি আশাবাদী এবছরও সেই প্রবণতা অব্যাহত থাকবে৷ সপ্তাহ তিনেক পরে, ২৪ অক্টোবর তিনি আবার লেখেন, “২০২৪ সালে শস‍্যের মাঠে আগুনের সংখ্যা গত দশকের মধ্যে সর্বনিম্ন বলে মনে হচ্ছে।" তিনি আরও অনুমান করেন যে, "প্রশাসনের সক্রিয়তায় ন‍্যাড়া পোড়ানোর ঘটনা কমেছে বা স্যাটেলাইট পর্যবেক্ষণ এবং ওভারপাসের পর পোড়ানোর কাজ সংঘটিত হচ্ছে, তবে নিশ্চিত হওয়ার জন্য আরও স্থানীয় তথ্য সংগ্রহের প্রয়োজন”। অর্থাৎ

তাঁর বক্তব্য থেকে এটা স্পষ্ট যে, দুপুর ১.৩০টার পর থেকে ‘অ্যাকোয়া’ ও ‘সুওমি-এনপিপি’ স্যাটেলাইটের নজর এড়িয়ে কৃষকরা ফসলের গোড়া পোড়াচ্ছেন।

এদিকে দক্ষিণ কোরিয়া ২০১৮ সালে GEO-KOMPSAT 2A নামক একটি "জিওস্টেশনারি ওয়েদার স্যাটেলাইট" (ভূসমলয় উপগ্রহ) উৎক্ষেপণ করে, যার কাজ পৃথিবীতে আবহাওয়া বিষয়ক তথ্য পাঠানো। জেথভা এটি থেকে প্রাপ্ত তথ্যের সঙ্গে ‘অ্যাকোয়া’ ও

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
গ্লোবাল ওয়ার্মিংয়ের জিয়নকাঠি! যেভাবে পরিবেশের সর্বনাশ করছে কার্বন ডাই অক্সাইড

Global Warming: সভ্যতার বিকাশের সঙ্গে সঙ্গে নিত্য নতুন কলকারখানা বাড়তে থাকল, আর পাল্লা দিয়ে বাড়ল গ্রিনহাউস গ্যাসের উৎপাদন, বিশেষত কার্বন ডাই অক্সাইড।

‘সুওমি-এনপিপির’ তথ্যের তুলনামূলক পর্যালোচনা করে দেখেন যে পঞ্জাব ও হরিয়ানার ফসলি জমির উপর ধোঁয়ার আবরণ ক্রমাগত ঘন হয়ে আসছে। অর্থাৎ অ্যাকোয়া এবং সুওমি-এনপিপির পর্যবেক্ষণের পরে, কৃষকরা মাঠে আগুন জ্বালাচ্ছেন। এই প্রবীণ বিজ্ঞানী আরও লেখেন যে, বাতাসে অ্যারোসলের পরিমাণ মোটামুটি আগের বছরগুলির মতোই ছিল কিন্তু অ্যাকোয়া এবং সুওমি-এনপিপি অনেক কম সংখ্যক আগুনের ঘটনার ইঙ্গিত দিয়েছিল।

এখন প্রশ্ন হচ্ছে এই গরমিল কেন? এটা কতটা বাস্তবসম্মত?

২০২০ সালে, ভারত সরকার একটি কমিশন গঠন করে এবং ২০২১ সালে দিল্লি ও তার পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে বায়ুর গুণমান নিয়ন্ত্রণের জন‍্য সংসদে আইন করে CAQM নামে একটি কমিশন গঠন করে, যার কাজ হলো বায়ুর উন্নতির জন্য সমস্যাগুলি আলোচনা করা, শনাক্ত করা এবং তাদের সমাধানের উপায় বের করা। এই কমিশন জনসাধারণের মধ্যে প্রচার চালিয়ে যাচ্ছে যে, ফসলের মাঠে আগুনের সংখ্যা কমে গেছে আগের চেয়ে। যদিও স্থানীয় চাষিদের থেকে জানা গেছে, কিছু সরকারি কর্মকর্তা তাদের বিকাল চারটের পর ফসলের গোড়া পোড়াতে বলেছিলেন। এই CAQM সুপ্রিম কোর্টে জানিয়েছে, ২০২২ থেকে ২০২৩ সালের মধ্যে ২৬.৪% আগুন লাগানোর ঘটনা কমেছে। ওদিকে পঞ্জাব সরকার এবং ভারতীয় কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের প্রাপ্ত তথ্য বলছে আগুন লাগার ঘটনা যথাক্রমে ২৪% ও ১৫% কমেছে।

সুপ্রিম কোর্টের কাছে অভিযোগ আগে থেকেই ছিল যে স্যাটেলাইটগুলির পর্যবেক্ষণের সময় কৃষকরা আগে থেকেই জানতেন এবং এই ঘটনার সঙ্গে কিছু সরকারি আধিকারিক জড়িত। বছরের পর বছর ধরে আগুনের ফলে সৃষ্ট বায়ু দূষণ প্রশমিত করতে ব্যর্থ হওয়ায় সুপ্রিম কোর্ট CAQM-কে সম্প্রতি তিরস্কার করেছে। এসবের মধ্যে আবার কেন্দ্রীয় কৃষিমন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহান দাবি করেন, খড় পোড়ানোর ঘটনা অন্য বছরের তুলনায় এ বছর কমেছে। সুপ্রিম কোর্টে CAQM আরও জানিয়েছে যে, তারা ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থার (ISRO) অধীনস্থ সংস্থা, NRSC-কে পোড়া এলাকা পরিমাপের জন্য একটি স্ট্যান্ডার্ড প্রোটোকল তৈরি করতে বলেছে। বর্তমানে,

পোড়া এলাকার তথ্য প্রতি পাঁচদিনে একবার আসে CAQM-এর কাছে, যেটি থেকে সঠিক পর্যালোচনা করা কঠিন।

লিখেছেন
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

বিশাখাপত্তনমে গুগলের ডেটা সেন্টার: ডিজিটাল উন্নয়নের দাম দেবে জল ও পরিবেশ?

Digital Thirst of vizag ai data centres: গুগল-আদানি-এয়ারটেলের যৌথ উদ্যোগে বিশাখাপত্তনমে গড়ে উঠছে ১ গিগাওয়াটের এআই ডেটা সেন্টার, বিনিয়োগ ১.২৫ লক্ষ কোটি টাকা। কিন্তু শহরের জলসংকট, কাম্বালাকোন্ডা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যের নৈকট্য আর পরিবেশবাদীদের বিক্ষোভ এই প্রকল্পকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে। 'স্টপ বিশাগ ডেটা সেন্টারস'-এর ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট পর্যন্ত নিষিদ্ধ করেছে ভারত সরকার।

সিভিল সার্ভিস ছেড়ে বাঘের টানে রণথম্ভোরে, ৩৫ একর জমিতে তৈরি করলেন বন

Ranthambore tiger conservation: তাঁরা কেবল চেয়েছিলেন সংরক্ষিত বনের বাইরে বাঘেদের জন্য একটি নিরাপদ আশ্রয় গড়ে তুলতে। তারপর কুড়ি বছর পর্যটন লজ থেকে যেটুকু আয় হতো, তার প্রায় সবটাই তাঁরা সঞ্চয় করতেন ভাদলাভে কৃষকদের কাছ থেকে এক এক করে জমি কেনার জন্য। প্রায় দুই দশক ধরে একটু একটু করে ৩৫ একরেরও বেশি জমি তাঁরা কিনে নেন, যার মোট খরচ ছিল সে সময়ের হিসাবে এক কোটি টাকারও বেশি।

জলবায়ু বদল শুধু প্রকৃতির বিপদ নয়, ভারতের অর্থনীতির ভিতও নড়বড়ে করে দিচ্ছে

climate change and economy: ১৯৯০ থেকে ২০১৮ সালের মধ্যে ২১টি উন্নয়নশীল দেশের অর্থনীতি খতিয়ে দেখে একটি সমীক্ষায় উঠে এসেছে এক চমকে দেওয়ার মতো তথ্য। দেখা যাচ্ছে, বার্ষিক গড় তাপমাত্রা যদি মাত্র ১ ডিগ্রি সেলসিয়াসও বাড়ে, তবে দীর্ঘমেয়াদে সামগ্রিক উৎপাদন দক্ষতা কমে যায় প্রায় ৩.২২ শতাংশ।

নেপাল বিপর্যয়ের ক্ষতিপূরণ দেবে কে?

Climate Justice for nepal: ২৬ অগাস্ট লাংটাং লিরুং-এর হিমবাহ ধসে নেপালের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় বিপর্যয়—নিহত ১,৩৪৪, নিখোঁজ ৪,৮৮৭। পুনর্গঠনে প্রয়োজন ৪-৫ বিলিয়ন ডলার। কিন্তু লস অ্যান্ড ড্যামেজ ফান্ডে আছে মাত্র ৮২২ মিলিয়ন ডলার।নেপালের দাবি, চিন-ভারত-মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ঐতিহাসিক দায় আছে। জলবায়ু ন্যায়বিচারের প্রশ্ন এখন আন্তর্জাতিক কাঠগড়ায়।

নেপালের হড়পা বান থেকে বেঁচে ফিরলেন যাঁরা, তাঁদের চোখে ২৬ অগাস্ট

Nepal flash floods 2026: ২৬ অগাস্ট, ২০২৬-এ নেপালের হড়পা বানে ধ্বংসস্তূপের মাঝেও কিছু মানুষ বেঁচে ফিরেছেন। কেউ এক কাপ চায়ের বিরতির জন্য, কেউ গাড়ির একটা রিভার্স গিয়ারের কারণে, কেউ ডালপালা ছড়ানো একটা আমগাছ আঁকড়ে ধরে, আবার কেউ কেবল ১৫ সেকেন্ডের দৌড়ে ছিনিয়ে এনেছেন নিজের শ্বাস। মৃত্যু খুব কাছ থেকে অনুভব করে ফেরা সেই মানুষগুলির অভিজ্ঞতায় রইল রাসুয়া আর নুয়াকোটের সেই সকালের কথা।

হিমালয়ের বরফ গলছে দ্বিগুণ হারে, নেপালের বিপর্যয়ের বিজ্ঞান কী বলছে?

Nepal Flood 2026: বিজ্ঞানীরা সতর্ক করে দিয়েছিলেন, ৪৫০০ থেকে ৬০০০ মিটার উচ্চতার মধ্যে থাকা হিমবাহ অঞ্চলের অন্তত ৭৮ শতাংশ উচ্চতা-নির্ভর উষ্ণায়নের জন্য অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। পাঁচ মাস পর সেই সতর্কবাণীই যেন সত্যি হয়ে উঠল নেপালের উপত্যকায়।

ছয় দশকে কতটা সফল ভারত-নেপাল গান্ডাকচুক্তি?

Gandak dam history: নেপালের হিমবাহ থেকে পাথর ধসের পর জল নেমেছে ত্রিশূলী-কালীগণ্ডক হয়ে বিহারে। বাল্মীকিনগর বাঁধের ৩৬টি গেট খুলে প্রাণ বাঁচল বহু মানুষের। কিন্তু, ১৯৫৯ সালের গান্ডাক চুক্তি কি সত্যিই নেপাল ভারত দুই দেশের ‘সমন্বিত স্বার্থ’ রক্ষা করল? নেপালের তরাইয়ে জল মেলে না, ক্ষতিপূরণ মেলে না কৃষকদের। ৬০ বছরের পুরনো বাঁধ প্রকল্পকে নিয়েও নতুন করে ভাবার সময় এসেছে।

নেপালের বন্যায় সবচেয়ে বেশি বিপন্ন মহিলারাই, ঝুঁকিতে ১.৬ লক্ষ নারীর জীবন

Nepal Flash Floods: নেপালের ভয়াবহ হড়পা বানে প্রায় ১.৬ লক্ষ নারীর জীবন ঝুঁকিতে। বন্যার পর তাঁদের সামনে কী কী স্বাস্থ্য, নিরাপত্তা, খাদ্য ও জীবিকার সংকট তৈরি হয়েছে? রাষ্ট্রপুঞ্জের সতর্কবার্তা অনুযায়ী, নারীদের সুরক্ষায় কী পদক্ষেপ জরুরি?