মাত্রাছাড়া দূষণ, গত তিন দশকে তিলে তিলে যে ভাবে মৃত্যুপুরী হয়ে উঠল দিল্লি

Delhi Pollution: বায়ু দূষণের জেরে ধোঁয়াশায় ঢেকে গিয়েছে রাজধানী। ফলে প্রচুর বিমান বাতিল করা হচ্ছে। দিল্লিগামী ট্রেনও দেরিতে চলছে।

Tanvia Barua
৪ মিনিট
মাত্রাছাড়া দূষণ, গত তিন দশকে তিলে তিলে যে ভাবে মৃত্যুপুরী হয়ে উঠল দিল্লি

গত কয়েকদিন ধরেই ভয়াবহ দূষণে বিপর্যস্ত দিল্লি। রাজধানীতে এই ঘটনা অবশ্য নতুন নয়। প্রতিবার শীত পড়তে না পড়তেই দূষণের মাত্রা বাড়তে থাকে দিল্লি জুড়ে। কার্যত বিষাক্ত গ্যাসচেম্বারে পরিণত হয় রাজধানী দিল্লি। গত কয়েকদিনে সেই দূষণের মাত্রা এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে দৈনন্দিন জীবনযাপনেও জারি করা হয়েছে বিধিনিষেধ। বায়ুদূষণের মাত্রা ক্রমাগত খারাপ হওয়ার কারণে সরকারি অফিসগুলিতে ভিন্ন ভিন্ন সময়সূচি করে দেওয়া হয়েছে, নির্মাণ কাজে নিষেধাজ্ঞা এবং গাড়ি চলাচলের নিয়মেও আনা হয়েছে কড়াকড়ি। প্রাইমারি স্কুলগুলিতে পাঠদানের প্রক্রিয়া চলছে অনলাইনে। দূষণের কারণে দিল্লির রাস্তাঘাটে দৃশ্যমানতা কমেছে। গোটা শহরই যেন কুয়াশায় ঢেকে গিয়েছে। যার জেরে বেড়েছে রাস্তাঘাটে দুর্ঘটনা। কেন প্রতিবার শীত এলেই এমন ভয়াবহ পরিস্থিতির মুখে পড়ে দিল্লি?

শীত এলেই কেন দূষণ?

শীতকালের ঠান্ডা আবহাওয়া ও বাতাস দূষিত কণাগুলিকে বায়ুমন্ডলেই রেখে দেয়, এতে দূষণ বেড়ে যায়। তাছাড়া দিল্লির আশপাশে প্রচুর কারখানা রয়েছে যেখানে নির্মাণ কাজ চলে, ফলে দূষণের মাত্রা বেড়ে যায় অনেকটাই। দিল্লির আশেপাশের রাজ্য যেমন পাঞ্জাব, হরিয়ানা এবং উত্তরপ্রদেশের কৃষকেরা প্রায়শই এ সময়টায় ফসলের গোড়া পুড়িয়ে থাকেন, যা ধোঁয়া তৈরি করে। এ সব কারণে প্রতিবছর শীত পড়তে না পড়তেই দিল্লিতে দূষণের মাত্রা বেড়ে যায়। এই সময় দিওয়ালি উপলক্ষে আতসবাজি পোড়ানোর জেরেও দূষণ ভয়াবহ রূপ নেয়। এ বছর ১২ অক্টোবর থেকে ৩ নভেম্বর পর্যন্ত একটি সমীক্ষা করেছিল সেন্টার ফর সায়েন্স অ্যান্ড এনভায়রমেন্ট। সেইসমীক্ষার তথ্য বলছে, দিল্লির দূষণের জন্য গাড়ির ধোঁয়া দায়ী ৫১.৫ শতাংশ, শহরটির পার্শ্ববর্তী এলাকা দায়ী ৩৪.৯৭ শতাংশ এবং ফসলের গোড়া পোড়ানোর ধোঁয়া দায়ী ৮ শতাংশ।

কবে থেকে দিল্লির দূষণের বাড়বাড়ন্ত?

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
গ্লোবাল ওয়ার্মিংয়ের জিয়নকাঠি! যেভাবে পরিবেশের সর্বনাশ করছে কার্বন ডাই অক্সাইড

Global Warming: সভ্যতার বিকাশের সঙ্গে সঙ্গে নিত্য নতুন কলকারখানা বাড়তে থাকল, আর পাল্লা দিয়ে বাড়ল গ্রিনহাউস গ্যাসের উৎপাদন, বিশেষত কার্বন ডাই অক্সাইড।

তিন দশক আগে থেকেই দিল্লিতে বায়ুদূষণের সমস্যা ছিল। সম্প্রতি সুপ্রিম কোর্ট দূষণ নিয়ে দিল্লির সরকারকে সতর্ক করেছে। তবে তথ্য বলছে, এর আগেও সুপ্রিম কোর্ট-কে দিল্লির দূষণ নিয়ে হস্তক্ষেপ করতে হয়েছে। ডাউন টু আর্থের তথ্য অনুযায়ী, ১৯৯০ সাল থেকেই রাজধানী দিল্লিতে দূষণের মাত্রা বাড়ে। এর পর ১৯৮৬ সালের পরিবেশ আইন এবং ১৯৮১ সালের দূষণ প্রতিরোধ আইন কার্যকর করা হয়। ১৯৯৬ সালেই সেন্টার ফর সায়েন্স অ্যান্ড এনভায়রমেন্ট 'স্লো মার্ডার' নামে একটি রিপোর্ট প্রকাশ করেছিল। সেই রিপোর্টের ভিত্তিতে সুপ্রিম কোর্ট সে সময়ে স্বতপ্রণোদিত হয়ে একটি মামলা জারি করে দিল্লি সরকারকে নির্দেশ দিয়েছিল, বায়ু দূষণ কমাতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করার। তখনই শীর্ষ আদালত শিল্প-কারখানা বন্ধ করার নির্দেশ দিয়েছিল। ১৯৯০ সালে শীর্ষ আদালত দূষণ কমাতে দিল্লি সরকারকে দিয়ে একটি মাস্টার প্ল্যানও তৈরি করিয়েছিল।

১৯৯০ সালের মাস্টার প্ল্যানে কী ছিল?

  1. নির্দেশ ছিল, দূষণ তৈরি করে এমন সকল শিল্প-কারখানা ৩ বছরের মধ্যে বন্ধ করতে হবে। ১৯৯৭ সালের মধ্যেই এই কারখানাগুলির কাজ অন্য এলাকায় করতে হবে।

  2. শহরের সমস্ত বাণিজ্যিক যানবাহনগুলিকে সিএনজি-তে রূপান্তরিত করার নির্দেশ ছিল। যে সব নতুন চার চাকার গাড়ি তৈরি হচ্ছে তাতে ক্যাটালিক কনভার্টার (গাড়ির দূষিত গ্যাস তুলনায় কম ক্ষতিকর গ্যাস হয়ে নিঃসৃত হয়) লাগানোর কথা বলা ছিল।

  3. পেট্রোল ও ডিজেলে সালফার কনটেন্ট কমানোর কথা বলা হয়েছিল।

  4. গণপরিবহণ বাড়াতে বাসের সংখ্যা বাড়ানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
ভারতে এক বছরে ১৬ লাখ মানুষের মৃত্যু দূষণে! যেসব ভয়াবহ সত্য প্রকাশ রিপোর্টে

Air pollution deaths India: ২০২১ সালে ভারতে বায়ু দূষণের কারণে ১৬ লাখ মানুষের মৃত্যু হয়েছে!

মাস্টার প্ল্যান মেনে কতটা কাজ হয়েছে?

মাস্টার প্ল্যান অনেকটাই কার্যকর হয়েছে বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা। অবশ্য তার পরেও রাজধানী দিল্লিতে বায়ু দূষণের ভয়াবহতা কমেনি। প্রতিবছরই এই সময় দিল্লির দূষণের মাত্রা ভয়ঙ্কর ভাবে বেড়ে যায়। পিআইবি-র তথ্য অনুযায়ী, ২০১৮ সাল থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত গড় একিউআই সবচেয়ে বেশি ছিল অক্টোবর থেকে জানুয়ারির, এই সময়টায়। রাজধানী দিল্লির বাতাসে ক্ষুদ্র কণা PM 2.5-এর মাত্রা, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নিরাপত্তা নির্দেশনায় যত মাত্রায় থাকার কথা উল্লেখ করেছে, তার চাইতেও বেশি। সোমবার দিল্লিতে PM 2.5 (মাইক্রোস্কোপিক দূষক) সবচেয়ে বেশি মাত্রায় পৌঁছেছিল। দুপুর ১২টা নাগাদ প্রতি কিউবিক মিটার বায়ুতে এই দূষক ৮২০ মাইক্রোগ্রামে পর্যন্ত পৌঁছেছিল। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) দূষকের যে মাত্রা নির্ধারণ করেছিল তার থেকে যা ছিল প্রায় ১৬৪ গুণ বেশি।

ক্ষতির খতিয়ান

মঙ্গলবার সকালে দিল্লির একিউআই ছিল ৫০০-র বেশি। ২০২১ সালে একিউআই-এর মাত্রা ৪০০-র কাছাকাছি পৌঁছেছিল। বায়ুর গুণগত মানের সূচক বা একিউআই অনুসারে, বাতাসে এই কণার মাত্রা শূন্য থেকে ৫০ হলে তাকে 'ভালো' এবং যদি ৫১ থেকে ১০০ হয়, তাহলে তা 'সন্তোষজনক' বলে ধরে নেওয়া হয়। এই ক্ষুদ্র কণা মানব শরীরে গেলে ফুসফুসের গুরুতর সমস্যা হতে পারে। বায়ুদূষণের কারণে শ্বাসযন্ত্রের রোগ, হৃদরোগ, স্ট্রোক, ডায়াবেটিস, ফুসফুসের ক্যান্সার এবং অকাল মৃত্যুর ঝুঁকি বাড়ে।

বাড়ছে পথ দুর্ঘটনা

বায়ু দূষণের জেরে ধোঁয়াশায় ঢেকে গিয়েছে রাজধানী। ফলে প্রচুর বিমান বাতিল করা হচ্ছে। দিল্লিগামী ট্রেনও দেরিতে চলছে। শহরের হাইওয়েগুলিতে ভোরের দিকে এবং রাতে কুয়াশায় দৃশ্যমানতা কমে যাচ্ছে। যার জেরে সামান্য দূরে থাকা জিনিসও স্পষ্ট করে দেখা যাচ্ছে না। এর ফলে একের পর এক দুর্ঘটনা হচ্ছে। নয়ডা এবং পশ্চিম উত্তরপ্রদেশের এলাকাগুলিতে সড়ক দুর্ঘটনায় ২ বাইক আরোহীর মৃত্যু হয়েছে এবং ৩৬ জন আহত হয়েছেন। একইভাবে বুলন্দশহর ও মৈনপুরীতে ট্রাকের ধাক্কায় ২ বাইক আরোহীর মৃত্যু হয়েছে। ধোঁয়াশার জেরে দৃশ্যমানতা কমে যাওয়ায় রাস্তা ভালো করে দেখতে পারেননি চালক, যার জেরেই এই দুর্ঘটনা। অন্য আরেকটি ঘটনায় ১২ জন যাত্রী আহত হয়েছেন। একটি খারাপ ট্রাক ইস্টার্ন পেরিফেরিয়াল এক্সপ্রেসওয়েতে দাঁড়িয়ে ছিল, ধোঁয়াশায় দেখতে না পেয়ে বাসটি গিয়ে ট্রাকটিকে ধাক্কা মারে। ধোঁয়াশার কারণেই ফিরোজাবাদে ৬টি গাড়ি ধাক্কা খায়। আগ্রা-লখনউ এক্সপ্রেসওয়েতেও গাড়ি ধাক্কার ঘটনা ঘটেছে।

শুধু রাজধানী দিল্লিতেই যে ভয়াবহ রূপ নিয়েছে, তা নয়। দূষণের তালিকায় নাম রয়েছে আরও বেশ কিছু রাজ্যের। বলে রাখা ভাল, আন্তজার্তিক সংস্থাগুলি বায়ুদূষণের তালিকা বের করলে প্রায় প্রতিবারই ভারতের বিভিন্ন রাজ্যের নাম থাকে। WHO যে মাত্রার দূষণকে গ্রহণযোগ্য বলে বিবেচনা করে, ভারতের বেশ কিছু এলাকায় দূষণের মাত্রা তার থেকে অনেক বেশি। ২০১৮ সালে গ্রিনপিসের এক সমীক্ষায় বলা হয়েছিল, বিশ্বের সবচেয়ে দূষিত ৩০টি শহরের মধ্যে ২২টিই ভারতের। যুক্তরাষ্ট্রের একটি গবেষণা সংস্থা এবং শিকাগো বিশ্ববিদ্যালয়ের এনার্জি পলিসি ইন্সটিটিউট-এর তথ্য বলছে, ভারতে প্রায় ১০ লক্ষের বেশি মানুষ মারা যান বায়ু দূষণের কারণে। ভারতের ছোট থেকে বড় যে কোনও শহরেই সারা বছর ধরে যে পরিমাণ বহুতল নির্মাণের কাজ চলে, তাতেও বায়ু দূষণ অনেকটাই বেড়ে যায়। বায়ুদূষণ থেকে নিস্তার পেতে তাই এখন কড়া পদক্ষেপ করা একান্তই জরুরি। গণপরিবহণ বাড়ানো, বহুতল নির্মাণে নিয়ন্ত্রণ-সহ প্রয়োজনীয় পদক্ষেপের জন্য যে যে নীতি নির্ধারণ করা এই পরিস্থিতিতে জরুরি, তা আদৌ সরকার করবে কি না সেটাই এখন দেখার।

লিখেছেন
Tanvia Barua
Tanvia Barua
7 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

এসআইআর বির্তক: যে খবর স্বাভাবিক হওয়ার কথা, সেটাই আজ বিস্ময়

Gyanesh Kumar, SIR and Election Commission: এসআইআর নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে আপত্তি থাকা সত্ত্বেও কেন প্রক্রিয়া চালানো হল? জ্ঞানেশ কুমার কীভাবে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার হলেন? ২০২৩ সালে আইন বদলে প্রধান বিচারপতিকে নির্বাচন কমিশনার বাছাইয়ের কমিটি থেকে সরানো হল কেন? এতদিন এই প্রশ্নগুলি গণমাধ্যম তুলল না কেন?

এসআইআর: বিশুদ্ধ ভোটার তালিকা তৈরির নামে যা পেল বাঙালি

Real Effect of SIR in bengal: ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় পশ্চিমবঙ্গে ৯১ লক্ষ ভোটার বাদ যান, যারা ছিলেন মোট ভোটারের ১২ শতাংশ। যাদের মধ্যে ৩৪% ছিলেন মুসলিম , নারীরা সংখ্যায় ছিলেন ৬১.৮%, এছাড়াও ছিলেন, মতুয়া ও রাজবংশী সম্প্রদায়ের মানুষেরা, যারা অসামঞ্জস্যপূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন। ফর্ম-৭-এর অপব্যবহার, অ্যালগরিদম-নির্ভর যাচাই, ১৯টি আপিল ট্রাইব্যুনালে ১ লক্ষ মামলা, সব মিলিয়ে ২০২৬-এর ভোটে যোগ্য নাগরিকরাও বাদ পড়েছিলেন।

‘সব নির্বাচনেই কারচুপি’, কেন এমন দাবি রাহুল গান্ধীর?

Rahul Gandhi election rigging claim: রাহুল গান্ধী কেন দাবি করলেন, ভারতের সব নির্বাচনেই কারচুপি হচ্ছে? নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে কী প্রশ্ন তুলেছেন তিনি? সরকারবিরোধী মনোভাব বা অ্যান্টি-ইনকামবেন্সি কীভাবে ভোটের রাজনীতিতে কাজ করে? তাঁর অভিযোগের পক্ষে কী কী তথ্য ও প্রমাণ তুলে ধরা হয়েছে?

সিজেপির তিন দাবি, জ্ঞানেশ কুমার না সরলে ফের বড় আন্দোলন

Election Commission of India: নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা, নির্বাচন পরিচালনার পদ্ধতি এবং ২০২৩ সালের আইনের বৈধতা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের কাছে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি জানিয়েছে সিজেপি। তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ, নির্বাচন প্রক্রিয়া স্থগিত করা এবং ২০২৩ সালের নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ সংক্রান্ত আইন প্রত্যাহার।

থানার গেটেই মারধর প্রাক্তন আইপিএস হুমায়ুন কবীরকে, সাধারণ মানুষ কতটা নিরাপদ?

Humayun Kabir: ঘটনার পর এখনও পর্যন্ত তিনি কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের করতে পারেননি বলেও জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, শারীরিক অসুস্থতার কারণে তখন অভিযোগ করা সম্ভব হয়নি। সুস্থ হয়ে তিনি লিখিত অভিযোগ করবেন।

দুই কমিশনারের আপত্তিতে ফের আলোচনায় সীমা খান্না, কমিশনে ঠিক কী দায়িত্ব তাঁর?

Seema Khanna and ECINet: ভোটার তালিকা ও ইসিআইনেট (ECINet) নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক। দুই নির্বাচন কমিশনারের আপত্তিতে সামনে এসেছে আইটি বিভাগের ভূমিকা এবং ডিরেক্টর জেনারেল (IT) সীমা খান্নার নাম। কে এই সীমা খান্না? নির্বাচন কমিশনে তাঁর দায়িত্ব কী? ভোটার তালিকা পরিচালনায় তাঁর ভূমিকা নিয়েই বা কেন উঠছে প্রশ্ন?

সরকারকে ৪ দিনের সময়সীমা বেধে দিল চা-শ্রমিকরা, ঠিক কী কী দাবি?

Dooars tea workers: ২২ সেপ্টেম্বর বকেয়া মজুরি ও অন্যান্য পাওনা মেটানোর দাবিতে হাঁটাপাড়া, ধুমচিপাড়া ও গারগান্ডার চা-শ্রমিকরা মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পদযাত্রা শুরু করেন। একই দিনে তোর্সার প্রস্তাবিত ল্যান্ড পোর্ট প্রকল্পে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষও জমি ও অধিকার রক্ষার দাবিতে পদযাত্রা করেন। দুই পদযাত্রাই পুলিশ আটকে দেয়।

বিশাখাপত্তনমে গুগলের ডেটা সেন্টার: ডিজিটাল উন্নয়নের দাম দেবে জল ও পরিবেশ?

Digital Thirst of vizag ai data centres: গুগল-আদানি-এয়ারটেলের যৌথ উদ্যোগে বিশাখাপত্তনমে গড়ে উঠছে ১ গিগাওয়াটের এআই ডেটা সেন্টার, বিনিয়োগ ১.২৫ লক্ষ কোটি টাকা। কিন্তু শহরের জলসংকট, কাম্বালাকোন্ডা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যের নৈকট্য আর পরিবেশবাদীদের বিক্ষোভ এই প্রকল্পকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে। 'স্টপ বিশাগ ডেটা সেন্টারস'-এর ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট পর্যন্ত নিষিদ্ধ করেছে ভারত সরকার।