শঙ্কুর শেষ গল্পে লুকিয়ে ছিল বাবরি মসজিদ ভাঙার অশনি সংকেত?

Satyajit Ray Professor Shanku: শঙ্কুর শেষ কাহিনিতে যখন স্বৈরতান্ত্রিক শাসন-ব্যবস্থার বিরোধিতা করছিলেন সত্যজিৎ, তখন তাঁর দেশের রাজনীতির অবস্থা কী?

Biswajit Ray
৪ মিনিট
শঙ্কুর শেষ গল্পে লুকিয়ে ছিল বাবরি মসজিদ ভাঙার অশনি সংকেত?

গিরিডি-নিবাসী ত্রিলোকেশ্বর শঙ্কুকে শেষ পর্যন্ত রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বে রূপান্তরিত করেছিলেন সত্যজিৎ। শঙ্কু যা ছিলেন, আর শেষ অবধি শঙ্কু যা হলেন- দুয়ের মধ্যে অনেক পার্থক্য। সে তো হতেই পারে। লিখতে লিখতে কোনও একটা চরিত্র সম্বন্ধে লেখকের মনোভঙ্গি অনেক সময় বদলে যায়। শঙ্কুর ক্ষেত্রেও তাই হয়েছিল। ‘ব্যোমযাত্রীর ডায়রি’ শঙ্কু সিরিজের প্রথম লেখা, ধারাবাহিকভাবে তিন কিস্তিতে প্রকাশিত হয়েছিল সন্দেশ পত্রিকায়– আশ্বিন, কার্তিক, অগ্রহায়ণ ১৩৬৮ সংখ্যায়। শঙ্কুর শেষ পূর্ণাঙ্গ কাহিনি ‘স্বর্ণপর্ণী’ প্রকাশ পেল পূজাবার্ষিকী আনন্দমেলার ১৩৯৭ সংখ্যায়। 'ব্যোমযাত্রীর ডায়রি'-তে শঙ্কু প্রোফেসর চ্যালেঞ্জারের মতোই রাগী। বাড়ির কাজের লোক প্রহ্লাদকে নস্যাস্ত্র মেরে তেত্রিশ ঘণ্টা হাঁচিয়ে মেরেছিলেন। 'স্বর্ণপর্ণী'-র শঙ্কু একেবারেই এজাতীয় ‘অনৈতিক’ কাজের পক্ষপাতী নন। সত্যজিৎ যখন ‘স্বর্ণপর্ণী’ লিখছিলেন, সেই সময়েই ‘আগন্তুক’ ছবির কাজ করছিলেন। সত্যজিতের ‘আগন্তুক’ গভীর অর্থে রাজনৈতিক ছবি। এই ছবিতে বামপন্থী উৎপল দত্তকে সত্যজিৎ প্রধান চরিত্র হিসেবে ব্যবহার করেছিলেন। তিনি সচেতনভাবে কতগুলি কথা সত্যজিতের হয়ে দর্শকদের কাছে পৌঁছে দেন। সেই চরিত্র, মনমোহন মনে করে, পুঁজিকেন্দ্রিক প্রযুক্তিনির্ভর নগরসভ্যতা যে রাষ্ট্রতন্ত্রের জন্ম দিয়েছে, সেই রাষ্ট্রতন্ত্র প্রাকৃতিক ভারসাম্য নষ্ট করছে। প্রকৃতি-সংলগ্ন জনজাতিগুলো যে জীবনযাপনে অভ্যস্ত, তার মধ্যে শিল্প-সংস্কৃতি-বিজ্ঞানের নানা চিহ্ন খুঁজে পাওয়া সম্ভব, অথচ আধুনিক সভ্যতা সেকথা স্বীকার করে না। ভেষজ উদ্ভিদের জ্ঞানে ও প্রয়োগে আধুনিক মানুষের ভরসা নেই। প্রকৃতি-সংলগ্ন জনজাতির শৈল্পিকতা ছবিতে, নৃত্যে, গীতে প্রকাশিত– এই চলচ্চিত্রের শেষের দিকের দৃশ্যে শান্তিনিকেতন-সংলগ্ন সাঁওতাল পল্লিতে সেই শিল্প-সংস্কৃতির পরিচয় মেলে।

এমনিতে সত্যজিৎ মৃণাল সেনের মতো প্রত্যক্ষ রাজনৈতিকতার ছবি করেন না বটে, কিন্তু তাঁর ছবিতে বড় অর্থে রাজনীতির নানা স্তর চোখে পড়ে। তাঁর ‘প্রতিদ্বন্দ্বী’ ছবিটি যে অর্থে রাজনৈতিক, ‘কাঞ্চনজঙ্ঘা’ ছবিটি সে অর্থে রাজনৈতিক নয়। 'কাঞ্চনজঙ্ঘা' ছয়ের দশকের গোড়ায় মুক্তি পেয়েছিল, সেই ছবিতে পারিবারিকতার গল্প, সম্পর্কের টানাপড়েন এসবের মাঝেও পক্ষীপরিদর্শক ভালোমানুষটির মুখে পাখির যাত্রাপথ ভুলিয়ে দেওয়া মারণাস্ত্র পরীক্ষারত রাষ্ট্রব্যবস্থার কথা উচ্চারিত হয়েছিল। সেই অংশটুকু ‘আগন্তুক’ ছবিতে আরেকটু বিস্তারে পুনরাবৃত্ত। ‘প্রতিদ্বন্দ্বী’ ছবিতে রাজনীতি আরও প্রত্যক্ষ– বিশেষ করে ইন্টারভিউয়ের দৃশ্যে। চাকরি-প্রত্যাশী রাগী যুবকটিকে ইন্টারভিউ বোর্ডের টাই-পরিহিত কর্তারা জিজ্ঞাসা করেন, "আর ইউ এ কমিউনিস্ট?" মানুষের চন্দ্রাভিযানের চাইতে ভিয়েতনামের যুদ্ধ তার কাছে অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ বলে এই জিজ্ঞাসা তার প্রতি ধেয়ে আসে।

কেবল বড়দের ছবিতে নয়, ছোটদের ছবি নিহিতার্থে রাজনৈতিক করে তুলতে সত্যজিতের জুড়ি মেলা ভার। উপেন্দ্রকিশোরের গুপী-বাঘা তাঁর হাতে যুদ্ধবিরোধী রূপকথায় রূপান্তরিত। আর ‘হীরক রাজার দেশে’ তো রাজনৈতিক প্রক্রিয়ার নানা পর্যায়কে তুলে ধরছে। স্বৈরাচারী শাসক হিরের খনির শ্রমিক আর মজুরদের খাটিয়ে মারেন। গণতন্ত্রহীন ব্যবস্থায় মানুষের মগজধোলাই করে ইচ্ছেমতো কথা বসান। অন্য দেশের অতিথিদের নিজের রাজ্যের ভালো দিকগুলোকেই দেখান। মুক্তচিন্তার বিদ্যালয় বন্ধ করে দেন। এই ছবিতে গুপী-বাঘা কৌশলে মগজ ধোলাইয়ের যন্ত্রে রাজা ও তাঁর মন্ত্রীদের বদলে দেন। তাঁরা ছবির শেষ দৃশ্যে হীরক রাজা স্বয়ং নিজের বিরুদ্ধে স্লোগান দেন। হীরক রাজা নিজেই নিজের মূর্তি ভেঙে খানখান করতে সাহায্য করেন। স্বৈরাচারী শাসকের মগজ ধোলাইয়ের এই গল্প ফিরে এল শঙ্কুর একটি গল্পে। আর শেষ গল্পে ফিরে এল দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ-পূর্ববর্তী জার্মানির কথা– যুদ্ধের সলতে পাকানো তখন শুরু হয়েছে।

শঙ্কুর শেষ গল্পে সত্যজিৎ এই ভারতীয় বিজ্ঞানীর জীবনকথা পাঠকের সামনে তুলে ধরলেন। শঙ্কু যে সর্বরোগহর ওষুধটি আবিষ্কার করেছিলেন, তার পিছনে একটি ভারতীয় ভেষজের অবদান রয়েছে। সেই ভেষজটির সন্ধান তিনি পেয়েছিলেন এক ভারতীয় সন্ন্যাসীর কাছ থেকে। এই ওষুধের গুণেই তাঁর বন্ধু সন্ডার্সের ক্যান্সার নিরাময় হয়েছিল। ১৯৩৭ সালে শঙ্কু এলেন হ্যাম্পস্টেডে সন্ডার্সের বাড়ি। প্রত্যক্ষ করলেন নাৎসি জার্মানির চরিত্র।

ডরথির কথা শুনে এটা বুঝলাম যে, ভারতবর্ষে বসে শুধু খবরের কাগজ পড়ে ইউরোপে কী ঘটছে না ঘটছে সে সম্বন্ধে স্পষ্ট ধারণা করা যায় না। গত কয়েক বছরে জার্মানিতে হিটলারের অভ্যুত্থান ও নাৎসি পার্টি সংগঠনের কথা অবিশ্যি জানতাম, কিন্তু সেটা যে কী ভয়ংকর চেহারা নিয়েছে এবং হিটলারের আত্মম্ভরিতা ও তার শাসনতন্ত্রের যথেচ্ছচারিতা যে কোন স্তরে পৌঁছেছে, সেটা দেশে বসে বুঝতে পারিনি।

পাওয়ার-ম্যাড হিটলারের দলবলের সঙ্গে কীভাবে মোকাবিলা করেছিলেন শঙ্কু, তাই সেই গল্পের বিষয়। শঙ্কু কৌশলে শেষ পর্যন্ত নাৎসিদের হাত থেকে মুক্তি পেলেন। তাঁর সর্বরোগহর নাৎসিদের হাতে যায়নি।

হিটলারের কথা যে কেবল শঙ্কুর এই শেষ গল্পেই এসেছে, তা কিন্তু নয়। নব্য নাৎসিদের কথা এসেছিল আরেকটি গল্পে। ‘শঙ্কু ও ফ্র্যাঙ্কেন্সটাইন’ গল্পে জানা যায় ‘হিটলারের চিন্তাধারা আবার জনসাধারণের মধ্যে প্রচার করার’ চেষ্টা চলছে। সেই গল্পে নব্য নাৎসিদের নেতার মগজ ধোলাই করেছিলেন শঙ্কু। নব্য-নাৎসি রেডেলের মাথায় তিনি ঢুকিয়ে দিয়েছিলেন বোরিস অ্যারনসনের মগজ। ফলে নাৎসি নেতা উলটো কথা বলতে শুরু করেন। মগজ ধোলাইয়ের পর যেমন হীরক রাজা নিজেই নিজের মূর্তি খান খান করার পক্ষে, তেমনই রেডেল বলে তার নাৎসি অনুচরদের, "তোমরা সব শয়তানের দল।"

শঙ্কুর শেষ কাহিনিতে যখন স্বৈরতান্ত্রিক শাসন-ব্যবস্থার বিরোধিতা করছিলেন সত্যজিৎ, তখন তাঁর দেশের রাজনীতির অবস্থা কী? ভারতীয় রাজনীতিতে বাবরি মসজিদ বিতর্কের সূত্রপাতের কিছুটা পূর্ববর্তী সে সময়। হিন্দুত্ববাদী স্বৈরতন্ত্রের, এক ভাষা এক দেশের, এক ধর্ম এক দেশের উপসর্গগুলো উঁকি মারছে। সেই বিতর্কের পথ বেয়ে তারপর আজকের ভারতের রাজনীতি এত দূর। শঙ্কুর বদলে দেওয়া মগজের গুণে রেডেল বলে চলে, "তোমাদের জন্যই জার্মানি আবার জাহান্নমে যেতে চলেছে। এক্ষুনি চলে যাও আমার সামনে থেকে।" শঙ্কুর শেষ গল্প ‘স্বর্ণপর্ণী’-তে নাৎসি গোয়রিং বলে, "এ ওষুধ ব্যবহার করবে শুধু আমাদের পার্টির লোক। যারা পার্টির মাথায় রয়েছে তারাও নানান রোগে ভুগছে।" শঙ্কু হতে দেয়নি তা। ভেষজের সন্ধান দিয়েছিলেন যে প্রকৃতিপ্রেমী সন্ন্যাসী, সেই ভেষজের খবর যাঁদের হাতে, তাঁরা কেউ ক্ষমতা ও সম্পদকে কুক্ষিগত করে রাখতে চান না।

শঙ্কু জার্মানিতে যা করতে পেরেছিল, প্রয়োজনে তো তা সব দেশের স্বৈরাচারীদের বিরুদ্ধেই করা উচিত। শাস্তি একটাই– মগজ ধোলাই।

লিখেছেন
Biswajit Ray
Biswajit Ray
6 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

ক্লাইভের মুখে দুগ্গা দুগ্গা, কেমন ছিল শোভাবাজার রাজবাড়ির প্রথম দুর্গাপুজো

Shobhabazar Rajbari Durgapuja: শোভাবাজারের গর্ব সাবেকী এক চালার প্রতিমা। প্রতিমা শিল্পী, মোদক, ঢাকি বংশ পরম্পরায় জড়িয়ে আছেন এই পুজোর সঙ্গে। দশমীর পুজোর অন্যতম নিয়ম ‘কনকাঞ্জলি প্রথা’। লেখাটি প্রথম প্রকাশিত হয় ২০২১ সালের ১১ অক্টোবর।

জিতাষ্টমী থেকে শুরু দেবীর আরাধনা, ঝাড়গ্রাম রাজবাড়ির পুজো চলে পনেরো দিন

Jhargram Rajbari Durga Puja: রাজপুতানার ফতেহপুর সিক্রি থেকে আসা চৌহান বংশের ক্ষত্রিয় বীর সর্বেশ্বর সিংহ চৌহান। মুঘল সেনাপতি মানসিংহের বাংলা অভিযানের সময় তিনি জঙ্গলখণ্ডে আসেন। স্থানীয় জংলি মাল রাজাকে দ্বন্দ্বযুদ্ধে পরাজিত করে তিনি এই জঙ্গলমহলে নিজের রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেন। নামের সঙ্গে জুড়ে নেন 'মল্লদেব' উপাধি। আর ঘন জঙ্গলে ঘেরা সেই জায়গার নাম দেন ঝাড়গ্রাম।

রবীন্দ্রনাথ সত্যিই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করেছিলেন?

The Tagore Myth: ঢাকার শিল্পকলা একাডেমির সামনে রবীন্দ্রনাথের গ্রাফিতিতে চুনকালি দেওয়ার ঘটনায় জামায়াতে ইসলামীর দাবি, 'রবীন্দ্রনাথ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় চাননি।' ফ্যাক্ট-ওয়াচ ও প্রয়াত অধ্যাপক আনিসুজ্জামানের মতে, দাবিটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। ইতিহাসের তথ্য ও তর্কের পরিপ্রেক্ষিতে, দেখে নেওয়া যাক, এই দাবিগুলি কতটা মিথ, কতটা মিথ্যা।

থিম নেই, জাঁকজমক নেই: মানুষের ভালবাসায় গড়া আমার গ্রাম কেশাতড়ার দুর্গাপুজো

Keshatara village Durga Puja: পুজোর সম্পূর্ণ খরচ বহন করেন গ্রামের মানুষই। ইদানীং সরকারি অনুদান মেলে ঠিকই, কিন্তু পুজোর ভোগের চালটা আজও আসে গ্রামের মানুষের দেওয়া টাকা থেকেই।

দুর্গা মুখ তুলে তাকাবেন হকারদের দিকে?

Durga Puja Economy in Bengal: কর্পোরেট পুঁজির প্রভাব, অসংগঠিত অর্থনীতির সংকট, হকার উচ্ছেদ এবং ধর্মীয় বিধিনিষেধের আবহে কতটা সুরক্ষিত থাকবে শারদোৎসবের নিজস্ব চরিত্র? পুজোর জৌলুস বাড়লেও নাগরিক স্বাধীনতা, শিল্পের স্বতঃস্ফূর্ততা এবং সাধারণ মানুষের জীবিকার জায়গা ক্রমশ সংকুচিত হবে?

দুর্গাপুজোর উৎসব, অসুরের শোক: বাংলার ইতিহাসে কার জয়, কার পরাজয়?

Mahishasur Puja: ২০১১-র পুরুলিয়া পার করে ২০১৪-র মালদার গাজল। নিত্যানন্দ হেমব্রমরা শুরু করলেন অসুর আন্দোলন। ততদিনে উত্তরবঙ্গ ও জঙ্গলমহলে অসুর পুজোর সংখ্যা ৬৫০ ছাড়িয়েছে। কেউ মূর্তি বানিয়ে মহিষাসুর স্মরণ করেন, কেউ ফ্লেক্স বানিয়ে আলোচনা সভা।

প্রতিদিন বদলায় মেনু, বদলায় খাবারের দাম: তবু স্বাদে অটুট কলকাতার সিদ্ধেশ্বরী আশ্রম

Hotel Siddheswari Ashram: সিঁড়ি দিয়ে উঠতে উঠতে চোখ পড়বে সুবিশাল মেনু বোর্ডে, যাতে মুদ্রিত আছে হোটেলটির সামগ্রিক খাদ্য সমাহার। বোর্ডটিতে সেই দিনের প্রাপ্ত পদের পাশে চকখড়িতে হাতে লেখা সেই দিনের দাম। আর অতি অবশ্যই বাংলা ও ইংরাজিতে লেখা থাকে তারিখ।

যে দুর্গাবাড়ির পঞ্চমুণ্ডির আসনে আজও বসেন দেবী, সেখানেই একদিন শপথ নিতেন বিপ্লবীরা

Gangarampur Durgabari,: তন্ত্রশাস্ত্র অনুসারে, পঞ্চমুণ্ডি আসন সাধারণ কোনো বেদি নয়। পাঁচটি নির্দিষ্ট খুলি বা করোটি—যেমন চণ্ডাল বা ডোমের, শিয়ালের, বেজি বা নেউলের, বিষধর সাপের এবং হনুমানের খুলি মাটির নিচে নির্দিষ্ট নিয়মে পুঁতে এই আসন তৈরি করা হয়।