সীমান্তে মায়ানমারের সশস্ত্র গেরিলা অভ্যুত্থান আদৌ বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্কিত? 

Arakan Army Myanmar: মংডু দখল করে, আরকান আর্মি বাংলাদেশের সঙ্গে প্রায় ২৭১ কিলোমিটার দীর্ঘ সীমান্ত দখল করেছে।

inscript
৪ মিনিট
সীমান্তে মায়ানমারের সশস্ত্র গেরিলা অভ্যুত্থান আদৌ বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্কিত? 

বাংলাদেশের সঙ্গে মায়ানমারের যে সীমান্ত রয়েছে, তা সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে নিয়ে ফেলেছে একটি সশস্ত্র গোষ্ঠী! পশ্চিম মায়ানমারের এই শক্তিশালী সশস্ত্র গেরিলা বাহিনীর দাবি, মংডু শহরে মায়ানমারের শেষতম সামরিক ঘাঁটিটি অতিক্রম করার পর এখন বাংলাদেশ-মায়ানমার সীমান্ত তাঁদের দখলে। সশস্ত্র গোষ্ঠী আরাকান আর্মি পশ্চিম মায়ানমারের রাখাইন জাতিগোষ্ঠীর জন্য একটি স্বায়ত্তশাসিত রাষ্ট্র গঠনের জন্য লড়াই করছে। গত রবিবার মংডুর কাছে বর্ডার গার্ড ৫ নম্বর পোস্ট নামে পরিচিত সামরিক ঘাঁটি দখল করে এই বাহিনী। মংডু দখলের মধ্যে দিয়ে আরকান আর্মি বাংলাদেশের সঙ্গে প্রায় ২৭১ কিলোমিটার দীর্ঘ সীমান্ত দখল করেছে।

এক বিবৃতিতে জানা গিয়েছে, মায়ানমার সেনাবাহিনীর সদস্যরা, যারা ওই ঘাঁটি রক্ষা করছিলেন তারা মোটরবোট এবং ক্যানো ব্যবহার করে নাফ নদী পেরিয়ে পালানোর চেষ্টা করেন। এই নাফ নদীটিই বাংলাদেশের সঙ্গে মায়ানমারের সীমান্ত। আরাকান আর্মির দাবি, সে দেশের সৈন্যদের সঙ্গে ছিল মুসলিম রোহিঙ্গা যোদ্ধারাও। আরাকান আর্মি জানিয়েছে, "সংঘর্ষ এখনও ঘটছে ... অতএব, সামরিক প্রয়োজনীয়তা এবং জননিরাপত্তাজনিত উদ্বেগের কারণে নাফ নদীতে সমস্ত নদী পরিবহন অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত করা হবে।"

সেদেশের সংবাদমাধ্যম দ্য ইরাবদি জানিয়েছে, আরাকান আর্মির ব্রিগেডিয়ার জেনারেল থুরেইন তুন, মিলিটারি অপারেশন কমান্ড ১৫-র কমান্ডার, ও সেনারা প্রায় ৮০ জন রোহিঙ্গা বিদ্রোহী সহ পালাচ্ছিলেন, গ্রেফতার হন ব্রিগেডিয়ার জেনারেল। আরাকান আর্মির দাবিগুলি কতখানি সত্য, তা যাচাই করা যাচ্ছে না কারণ মংডুর যুদ্ধ তীব্র হওয়ার কারণে এই অঞ্চলে ইন্টারনেট এবং মোবাইল ফোন পরিষেবা অধিকাংশই বন্ধ হয়ে গেছে। এই গেরিলা বাহিনী মংডু দখল করলেই রাখাইন রাজ্যের উত্তর অংশে তাদের নিয়ন্ত্রণ সম্পূর্ণ হবে। একটি স্বশাসিত রাখাইন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ এটি।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
উদ্বাস্তুদের মানচিত্র কোথায়? কীভাবে বাংলাদেশে ভিটেহারা হয়ে এলেন রোহিঙ্গারা?

Rohingya refugees in Bangladesh: পদ্মাবতী কাব্যগ্রন্থেও ‘রোসাঙ্গ’ শব্দের উপস্থিতি লক্ষণীয়। রোসাঙ্গ শব্দটি স্থানীয় ভাষা ‘রোহাঙ্গ’ বলে উচ্চারিত হয় বলে ধারণা করা হয়।

আরাকান আর্মির সাম্প্রতিক প্রচারে রোহিঙ্গাদের উপর হিংসার আতঙ্ক ফিরেছে। মুসলিম রোহিঙ্গা সংখ্যালঘুদের সদস্যদের বিরুদ্ধে সংগঠিত হিংসা যে আবারও বাড়তে পারে সেই আশঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। রোহিঙ্গা জাতিকে নির্মূল করার যে অভিযান চালানো হয়েছিল সেই অভিযানের ফলেই ২০১৭ সালে প্রায় ৭ লক্ষ ৪০ হাজার রোহিঙ্গা মুসলিম সীমান্ত পেরিয়ে বাংলাদেশে চলে আসতে বাধ্য হন। দক্ষিণ-পূর্ব মায়ানমারের একটি শহর বুথিডাং দখলের পর সেখানে ব্যাপক অগ্নিসংযোগ চলে, চলে অভাবনীয় হামলা। হাজারে হাজারে সাধারণ নাগরিক বাস্তুচ্যুত হন। এদের বেশিরভাগই ছিলেন মুসলিম রোহিঙ্গা। মানবাধিকার সংস্থাগুলিও আরাকান আর্মির বিরুদ্ধে গত অগাস্টে মংডুতে একদল রোহিঙ্গা নাগরিককে গণহত্যার অভিযোগ এনেছে।

আরাকান আর্মি স্বাভাবিকভাবেই এসব দাবি অস্বীকার করেছে। রোহিঙ্গা সম্প্রদায়ের উপর বিভিন্ন স্তরে তারা যে আক্রমণ শুরু করেছে সেই তথ্য ভুল বলে উড়িয়ে দিয়েছে এই গেরিলা বাহিনী। তবে আরাকান আর্মি ক্রমাগত বলে চলেছে যে, বিপুল সংখ্যক রোহিঙ্গা যোদ্ধা মায়ানমারের সেনাবাহিনীতে যোগ দিয়েছে। এদের মধ্যে কেউ কেউ নাকি আরাকান রোহিঙ্গা স্যালভেশন আর্মি (এআরএসএ) এবং অন্যান্য জঙ্গি গোষ্ঠীরও অন্তর্ভুক্ত। আরাকান আর্মির আরও দাবি, অনেক রোহিঙ্গাই জোর করে মায়ানমারের সামরিক বাহিনীতে নানা পদে আসীন।

আরাকান আর্মি বা AA রাখাইন সম্প্রদায়ের সামরিক শাখা। ২০০৯ সালে প্রাক্তন ছাত্র কর্মী ত্বোয়ান মারত নাইং এই গোষ্ঠী প্রতিষ্ঠা করেন এবং নেতৃত্ব দেন। বিদ্রোহী এই গোষ্ঠী জেডপাথরের খনিতে কাজ করা পুরুষদের মধ্যে প্রথম নিজের যোদ্ধাদের নিয়োগ করেছিল। এই সেনাদল উত্তর মায়ানমারে কাচিন ইন্ডিপেন্ডেন্স আর্মির কাছে আশ্রয় চেয়েছিল। ২০১৯ সালে, আরাকান আর্মি রাখাইন রাজ্যের স্বাধীনতা দিবসে চারটি পুলিশ স্টেশনে আক্রমণ করেছিল। এর পরেই আন সান সু কি সামরিক বাহিনীকে নির্দেশ দিয়েছিলেন জঙ্গীদের নিকেশ করার, যদিও পরে দুই পক্ষই যুদ্ধবিরতির ডাক দেয়।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
চক্ষু চিকিৎসক থেকে স্বৈরশাসক! অবাক করবে সিরিয়ার বাশার আল-আসাদের উত্থান

Bashar Al-Assad: ২০০০ সালে হাফেজ মারা গেলে সংসদ রাষ্ট্রপতি হওয়ার বয়স ৪০ থেকে কমিয়ে করে দেয় ৩৪ এবং দেশব্যাপী গণভোটের মাধ্যমে বাশার একমাত্র প্রার্থী হয়ে রাষ্ট্রপতি হয়ে যান

রাখাইন রাজ্য কেন এত গুরুত্বপূর্ণ? রাখাইন মায়ানমারের গৃহযুদ্ধের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। এখানে গণতন্ত্রপন্থী গেরিলা এবং সংখ্যালঘু সশস্ত্র বাহিনী স্বায়ত্তশাসনের জন্য দেশটির সামরিক শাসকদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করছে। ২০২১ সালে সেনাবাহিনী আন সান সু কি-র নির্বাচিত সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করার পর এই দেশের ক্ষমতা গ্রহণ করে।

আরাকান আর্মি হচ্ছে থ্রি ব্রাদারহুড অ্যালায়েন্সের সদস্য। গত বছরের অক্টোবরে অপারেশন ১০২৭ শুরুর পর থেকে উত্তর শান রাজ্যের বিশাল এলাকা দখল করেছে। এর শরিকরা লাশিওতে সামরিক বাহিনীর উত্তরপূর্ব আঞ্চলিক কমান্ডের ঐতিহাসিক পরাজয় ঘটিয়েছে। পাশাপাশি শান রাজ্যের উত্তরাঞ্চলে জান্তাও দখল করেছে। আর ২০২৩ সালের নভেম্বর থেকে আরাকান আর্মি রাখাইন রাজ্যে উল্লেখযোগ্য সাফল্যের মুখ দেখেছে।

মংডুতে প্রতিরোধ কাটিয়ে ওঠার পর, আরাকান আর্মি এখন রাজ্যের ১৭টি শহরের মধ্যে ১১টির উপর প্রাথমিক নিয়ন্ত্রণ কায়েম করেছে বলেই মনে করা হচ্ছে। এই গেরিলা বাহিনী বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী তিনটি শহরও দখল করেছে যার মধ্যে রাখাইন রাজ্যের বুথিডাং-ও রয়েছে। গত বছরের মে মাসে দখল হয় বুথিডাং। প্রতিবেশি চিন রাজ্যের পালেতওয়া শহরটি জানুয়ারিতে দখল হয়ে যায়।

আরাকান আর্মি বর্তমানে রাখাইন রাজ্যের দক্ষিণ অংশে তিনটি শহর গ্বা, তাউংগুপ এবং আন দখল করার জন্য লড়াই করছে। স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, আরাকান আর্মির সৈন্যরা ৩০টিরও বেশি জান্তা ঘাঁটিসহ আন শহরের বেশিরভাগটাই দখল করে নিয়েছে। এই শহরটিতে মায়ানমারের সেনাবাহিনীর পশ্চিম আঞ্চলিক কমান্ডের সদর দফতরও রয়েছে। পরিস্থিতি যেদিকে এগোচ্ছে, তাতে স্পষ্ট হচ্ছে যে, এখন সম্ভবত দক্ষিণ অংশেও সৈন্য পাঠাবে আরাকান আর্মি। অর্থাৎ রাখাইন রাজ্যে মায়ানমারের সেনাবাহিনীর অবস্থান পুরোপুরি ভেঙে যাওয়া কেবল সময়ের অপেক্ষা। তবে বাংলাদেশ ও ভারতের সাম্প্রতিক উত্তেজনার মধ্যে আরাকান আর্মির যে ভূমিক নিরন্তর প্রচার করে চলেছে গোদি মিডিয়া, তা যে অবান্তর, বলার অপেক্ষা রাখে না। আরাকান আর্মির উত্থানে ইউনূসের 'মহাবিপদে'-র কথা প্রচার করা হচ্ছে, চটুল শিরোনামে 'আসছে আরাকান, ইউনূস পালান' জাতীয় সংবাদ পরিবেশন হচ্ছে, যার কোনও ভিত্তিই নেই। তা যে সত্যের অপলাপ, বলা বাহুল্য!

লিখেছেন
inscript
inscript
16 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

এসআইআর: বিশুদ্ধ ভোটার তালিকা তৈরির নামে যা পেল বাঙালি

Real Effect of SIR in bengal: ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় পশ্চিমবঙ্গে ৯১ লক্ষ ভোটার বাদ যান, যারা ছিলেন মোট ভোটারের ১২ শতাংশ। যাদের মধ্যে ৩৪% ছিলেন মুসলিম , নারীরা সংখ্যায় ছিলেন ৬১.৮%, এছাড়াও ছিলেন, মতুয়া ও রাজবংশী সম্প্রদায়ের মানুষেরা, যারা অসামঞ্জস্যপূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন। ফর্ম-৭-এর অপব্যবহার, অ্যালগরিদম-নির্ভর যাচাই, ১৯টি আপিল ট্রাইব্যুনালে ১ লক্ষ মামলা, সব মিলিয়ে ২০২৬-এর ভোটে যোগ্য নাগরিকরাও বাদ পড়েছিলেন।

‘সব নির্বাচনেই কারচুপি’, কেন এমন দাবি রাহুল গান্ধীর?

Rahul Gandhi election rigging claim: রাহুল গান্ধী কেন দাবি করলেন, ভারতের সব নির্বাচনেই কারচুপি হচ্ছে? নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে কী প্রশ্ন তুলেছেন তিনি? সরকারবিরোধী মনোভাব বা অ্যান্টি-ইনকামবেন্সি কীভাবে ভোটের রাজনীতিতে কাজ করে? তাঁর অভিযোগের পক্ষে কী কী তথ্য ও প্রমাণ তুলে ধরা হয়েছে?

সিজেপির তিন দাবি, জ্ঞানেশ কুমার না সরলে ফের বড় আন্দোলন

Election Commission of India: নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা, নির্বাচন পরিচালনার পদ্ধতি এবং ২০২৩ সালের আইনের বৈধতা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের কাছে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি জানিয়েছে সিজেপি। তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ, নির্বাচন প্রক্রিয়া স্থগিত করা এবং ২০২৩ সালের নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ সংক্রান্ত আইন প্রত্যাহার।

থানার গেটেই মারধর প্রাক্তন আইপিএস হুমায়ুন কবীরকে, সাধারণ মানুষ কতটা নিরাপদ?

Humayun Kabir: ঘটনার পর এখনও পর্যন্ত তিনি কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের করতে পারেননি বলেও জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, শারীরিক অসুস্থতার কারণে তখন অভিযোগ করা সম্ভব হয়নি। সুস্থ হয়ে তিনি লিখিত অভিযোগ করবেন।

দুই কমিশনারের আপত্তিতে ফের আলোচনায় সীমা খান্না, কমিশনে ঠিক কী দায়িত্ব তাঁর?

Seema Khanna and ECINet: ভোটার তালিকা ও ইসিআইনেট (ECINet) নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক। দুই নির্বাচন কমিশনারের আপত্তিতে সামনে এসেছে আইটি বিভাগের ভূমিকা এবং ডিরেক্টর জেনারেল (IT) সীমা খান্নার নাম। কে এই সীমা খান্না? নির্বাচন কমিশনে তাঁর দায়িত্ব কী? ভোটার তালিকা পরিচালনায় তাঁর ভূমিকা নিয়েই বা কেন উঠছে প্রশ্ন?

সরকারকে ৪ দিনের সময়সীমা বেধে দিল চা-শ্রমিকরা, ঠিক কী কী দাবি?

Dooars tea workers: ২২ সেপ্টেম্বর বকেয়া মজুরি ও অন্যান্য পাওনা মেটানোর দাবিতে হাঁটাপাড়া, ধুমচিপাড়া ও গারগান্ডার চা-শ্রমিকরা মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পদযাত্রা শুরু করেন। একই দিনে তোর্সার প্রস্তাবিত ল্যান্ড পোর্ট প্রকল্পে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষও জমি ও অধিকার রক্ষার দাবিতে পদযাত্রা করেন। দুই পদযাত্রাই পুলিশ আটকে দেয়।

বিশাখাপত্তনমে গুগলের ডেটা সেন্টার: ডিজিটাল উন্নয়নের দাম দেবে জল ও পরিবেশ?

Digital Thirst of vizag ai data centres: গুগল-আদানি-এয়ারটেলের যৌথ উদ্যোগে বিশাখাপত্তনমে গড়ে উঠছে ১ গিগাওয়াটের এআই ডেটা সেন্টার, বিনিয়োগ ১.২৫ লক্ষ কোটি টাকা। কিন্তু শহরের জলসংকট, কাম্বালাকোন্ডা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যের নৈকট্য আর পরিবেশবাদীদের বিক্ষোভ এই প্রকল্পকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে। 'স্টপ বিশাগ ডেটা সেন্টারস'-এর ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট পর্যন্ত নিষিদ্ধ করেছে ভারত সরকার।

এসআইআর নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরেই আপত্তি, ১০ মাসে দুই কমিশনারের ১৪ বার প্রশ্ন

Election Commission SIR: এসআইআর ঘিরে নির্বাচন কমিশনের অন্দরেই তৈরি হয়েছে মতপার্থক্য। গত ১০ মাসে দুই নির্বাচন কমিশনার ১৪ বার আপত্তি জানিয়েছেন বলে দাবি দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস-এর এক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে। ফর্ম ৬ বদল, ভোটার তথ্যভান্ডারের কেন্দ্রীয়করণ, পশ্চিমবঙ্গের আপিল এবং প্রযুক্তিগত ব্যবস্থাপনা নিয়েও উঠেছে একাধিক প্রশ্ন। ভোটার তালিকা সংশোধনের প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও আইন মেনে চলার বিষয়টি ফের আলোচনায়।