আন্দোলনের চরিত্রের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা রুখে দিতে হবেই

Bangladesh Unrest: এই মুহূর্তে দেশে কোনও দায়িত্বশীল প্রশাসন নেই। সামরিক বাহিনী আসলে কোনও রকমে কতগুলো স্থাপনা আগলে রেখেছে। বিভিন্ন জায়গায় আগুন লাগানো হচ্ছে, আর এটা আন্দোলনের গণতান্ত্রিক চরিত্রের অনুরূপ নয়।

Salimullah Khan
৪ মিনিট
আন্দোলনের চরিত্রের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা রুখে দিতে হবেই

এত এত প্রাণের বিনিময়, এই দীর্ঘকালীন গণবিক্ষোভ শেষপর্যন্ত বাংলাদেশের সরকারকে টলিয়ে দিতে সফল হয়েছে। সোমবার গণবিক্ষোভের মুখে পদত্যাগ করে দেশ ছেড়ে পালাতে বাধ্য হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সাফল্য মিললেও এখনও যথেষ্ট অস্পষ্টতা রয়েছে। ছাত্রদের প্রথমে দাবি ছিল, তথাকথিত সরকারি চাকরিতে সংরক্ষণ অর্থাৎ কোটা সংস্কার। ন'দফা দাবি যেভাবে ক্রমে এক দফা দাবিতে পরিণত হল, সেটা প্রাথমিক সাফল্য। গত পনেরো বছরের একনায়কীয় শাসনের ফলে দেশ জুড়ে যে সমস্ত সমস্যা, বিক্ষোভ দেখা গিয়েছে, তারই একটা বড়সড় বহিঃপ্রকাশ এই আন্দোলন। সেই জায়গা থেকে দেশকে পুনর্গঠিত করার দিকে এগিয়ে গিয়েছে বাংলাদেশের জনগণ সেটা যেমন ভালো দিক, তার একটা আশঙ্কার জায়গা রয়েছে। জনরোষে ভেঙে দেওয়া হচ্ছে বহু ঐতিহাসিক স্থাপনা। বিভিন্ন জায়গায় বিরোধীদের বাড়ি জ্বালিয়ে দেওয়া হচ্ছে। ঢাকা-সহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে আগুন দেওয়া হচ্ছে থানা-সহ বিভিন্ন প্রশাসনিক কেন্দ্রে। বহু ক্ষেত্রেই দেখা যাচ্ছে ধর্ম-সম্প্রদায় ধরে দাঙ্গা বাঁধানোর চেষ্টা করছে কেউ কেউ। আর এটাকে অত্যন্ত বিপজ্জনক। কার্যত আন্দোলনের মূলচরিত্রের সঙ্গে এ একধরনের বিশ্বাসঘাতকতা।

তরুণ ছাত্রেরা বারবার বলছেন, আমাদের দেশে সংখ্যাগুরু, সংখ্যালঘু এই বোধ যেন না থাকে। সবাই সমান নিরাপত্তা পাবে। কোটা বিরোধী আন্দোলনের মূল নীতিই ছিল মেধার ভিত্তিতে সরকারি চাকরিতে নিয়োগ। একমাত্র অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর জন্যই কিছু কিছু কিছু সংরক্ষণ থাকতে পারে দাবি তুলেছিল তারা। সেখানে মুক্তিযোদ্ধাদের সন্তান-সন্ততি এমনকী তাঁদের নাতিপুতিদের জন্যেও ৩০ শতাংশ কোটা রাখা হয়েছিল— সেই সমস্ত কিছুও কাজ করেছে এই বিক্ষোভের নেপথ্যে। একই সঙ্গে দেশের জনগণকে ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত করে কৌশলগত ভাবে নির্বাচনবিহীন সরকার গঠন করার যে ধারা চলছিল বাংলাদেশে, সেটাও একই রকম ভাবে মানুষকে ক্ষুব্ধ করেছে। আসলে ভোটাধিকার বা নির্বাচন তো একভাবে গণতন্ত্রের মূল ভিত্তি। যেখানে জনগণের মতামতে শাসক নির্বাচিত হয়, সেই জায়গাটাকে এতদিন ধরে অস্বীকার করা হয়েছে দেশে।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
অন্তর্বর্তী সরকার গড়ে আপাতত চলবে দেশ, জাতির উদ্দেশে ভাষণে যে বার্তা বাংলাদেশের সেনাপ্রধানের

Bangladesh Unrest: শেখ হাসিনার  পদত্যাগের পরই সেনাপ্রধান জাতির উদ্দেশে ভাষণে জানিয়েছেন, বাংলাদেশে এই আন্দোলনে প্রতিটি হত্যার বিচার হবে।

এখানে আসলে অনেকগুলি সমস্যা একসঙ্গে এসেছে। তরুণ ছাত্রছাত্রী, বিক্ষোভকারী যাঁদের সমন্বয়কের সংখ্যা এখন প্রায় শ-খানেকেরও বেশি। তাঁদের মধ্যে বিভিন্ন মতের লোক যে থাকবেনই, ,সেটাই স্বাভাবিক। সবচেয়ে বড় কথা, এই তরুণেরা চেষ্টা করেছেন, দিকনির্দেশনা দিয়েছেন— কী ভাবে এই জগদ্দল পাথর থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। আর সেটা প্রথম পদক্ষেপ মাত্র। এর পরের পদক্ষেপ কী হবে, তা দেখার জন্য এখানে অনেক রকম গোষ্ঠীর মানুষজন রয়েছেন। আবার তাঁদের মধ্যে এমনও কেউ কেউ রয়েছেন, যারা নিজেরা সুযোগ-সুবিধা পাওয়ার জন্য ছাত্রছাত্রীদের উপর প্রভাব বিস্তার করার চেষ্টা করবেন। এমনকী তাঁদের বিপথগামীও করতে পারেন। সেই জায়গাটা যাতে তৈরি না হয়, তা দেখতে হবে।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
ফ্যাসিস্টদের বিচার চাই বাংলাদেশের মাটিতেই! বিক্ষোভের শিখাকে জ্বালিয়ে রাখার বার্তা বৈষম্যবিরোধীদের

Bangladesh Protest: সোমবার হাসিনার পদত্যাগের পর বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের তরফ থেকে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, অভ্যুত্থানকারী ছাত্র নাগরিকের প্রস্তাবিত অন্তর্বর্তীকালীন জাতীয় সরকারের কাছেই ক্ষমতা হস্তান্তর করতে হবে।

তবে দেশে এখন প্রাথমিক প্রয়োজন একটা প্রশাসন গড়া। এই মুহূর্তে দেশে কোনও দায়িত্বশীল প্রশাসন নেই। সামরিক বাহিনী আসলে কোনও রকমে কতগুলো স্থাপনা আগলে রেখেছে। বিভিন্ন জায়গায় জায়গায় আগুন লাগানো হচ্ছে, আর এটা আন্দোলনের গণতান্ত্রিক চরিত্রের একেবারেই অনুরূপ নয়। এই আন্দোলন যেহেতু বহুদলীয়, বহুশ্রেণির এবং বহুগোষ্ঠীর, ফলে সেখানে নেতৃত্বের জন্য প্রতিযোগিতা থাকবেই। অসীম সাহস ও বীরত্ব দেখিয়ে যে সমস্ত ছাত্রনেতারা আন্দোলনে সামিল হয়েছেন, যাঁদের বেশিরভাগেরই বয়স পঁচিশেরও কম। সেখানে নারী-পুরুষ উভয়েরই প্রাধান্য রয়েছে। রয়েছে হিন্দু-মুসলিম, বৌদ্ধ-খ্রিস্টান সকলের প্রতিনিধিত্বও। তার পরেও কোনও কোনও গোষ্ঠী সঙ্ঘবদ্ধ, এমনকী এই আন্দোলনের শেষে দাঁড়িয়ে রয়েছে বিএনপি ও জামাত-ইসলামের মতো বেশ কিছু সংগঠিত রাজনৈতিক দলও। যে জামাতকে কিছুদিন আগেই হাসিনা সরকার আইনগত ভাবে নিষিদ্ধ ঘোষণা করার চেষ্টা করেছিলেন। স্বাভাবিক ভাবেই তাদের ক্রোধ এবং তাঁদের নীতিগত পদ্ধতিগুলো যে তারা প্রয়োগ করার চেষ্টা করবে। তবে আন্দোলন হাইজ্যাক হয়ে যাচ্ছে, এই কথাটা এখনই বলা বোধহয় বেশিই তাড়াহুড়ো হয়ে যাবে। কিন্তু দেশে বিভিন্ন শক্তি আছে তা ভুললে চলবে না। এই পরিস্থিতিতে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠন করাই প্রথম পদক্ষেপ বাংলাদেশে। একই সঙ্গে এখনও সংসদ বিলুপ্ত করা হয়নি। ফলে বলাই যায়, এখনও অনেকগুলি বিষয় অমীমাংসিত রয়েছে।

প্রত্যেক আন্দোলন নিজের বৈধতা নিজেই উৎপাদন করে। অনেকে পুরনো সংবিধানের দোহাই দেবেন। আমাদের সংবিধানের মূল ভিত্তি ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ। আরেকটু বাড়িয়ে বলব, এটা ব্রিটিশ-বিরোধী স্বাধীনতার সংগ্রামের ঐতিহ্য থেকেও আমরা মুক্তিযুদ্ধের প্রেরণা সংগ্রহ করেছি। ১৯৪৭ থেকে ১৯৭১ পর্যন্ত বাংলাদেশের যে প্রাদেশিক অবস্থান পাকিস্তানের ভিতরে, তা থেকেও আমরা অনেক অনুপ্রেরণা নিয়েছি। যেমন ভাষা আন্দোলন, ঊনসত্তরের গণআন্দোলন, একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ— এগুলি অবলম্বন করে বলব, মানুষের মূল আকাঙ্ক্ষা ছিল সামাজিক সাম্য। শুধু হাসিনার পনেরো বছরে নয়, উন্নয়নের নামে গত ৫০ বছরে যা হয়েছে, সেটাকে বলা হয় অসাম্যের রাজনীতি। কার্যত মানবিক মর্যাদাকে ভূলুন্ঠিত করা হয়েছে। গোষ্ঠীগত ভাবে সমাজে উত্তরাধিকার প্রথা চালু করা যাবে না। এর নাম প্রজাতন্ত্র হলেও কার্যক্ষেত্রে রাজতন্ত্রে পরিণত হয়েছিল। ফ্রান্সের বিপ্লবের সময় যেমন দুটো গোষ্ঠী ছিল, বুরবো ও অরলিন্স, বাংলাদেশেও ঠিক তেমনটাই হয়েছে। একটা শেখ মুজিবর রহমানের বংশ, অন্যটা জিয়াউর রহমানের বংশ। এই দ্বিধাবিভক্তি বাংলাদেশের রাজনীতিকে দুই পারিবারিক ঐতিহ্য়ের মধ্যে বিভক্ত করে রেখেছে। কিন্তু এটা তো রাজতন্ত্রের লক্ষণ। গণতন্ত্রের লক্ষণ হওয়া উচিত এমন, যেখানে জনগণের সঙ্গে সম্পৃক্ততা আছে। তিনি বা তাঁরাই নেতৃত্ব দেবেন, যাদের সেই জনগণের সঙ্গে নিবিড় যোগ রয়েছে। আশা করি সেই নতুন অধ্যায় আমরা খোলার চেষ্টা করতে পারব

(লেখক ইউনিভার্সিটি অব লিবারেল আর্টসের (ইউল্যাব) অধ্যাপক এবং বাংলাদেশের বিশিষ্ট গণবুদ্ধিজীবী)

লিখেছেন
Salimullah Khan
Salimullah Khan
0 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

এসআইআর বির্তক: যে খবর স্বাভাবিক হওয়ার কথা, সেটাই আজ বিস্ময়

Gyanesh Kumar, SIR and Election Commission: এসআইআর নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে আপত্তি থাকা সত্ত্বেও কেন প্রক্রিয়া চালানো হল? জ্ঞানেশ কুমার কীভাবে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার হলেন? ২০২৩ সালে আইন বদলে প্রধান বিচারপতিকে নির্বাচন কমিশনার বাছাইয়ের কমিটি থেকে সরানো হল কেন? এতদিন এই প্রশ্নগুলি গণমাধ্যম তুলল না কেন?

এসআইআর: বিশুদ্ধ ভোটার তালিকা তৈরির নামে যা পেল বাঙালি

Real Effect of SIR in bengal: ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় পশ্চিমবঙ্গে ৯১ লক্ষ ভোটার বাদ যান, যারা ছিলেন মোট ভোটারের ১২ শতাংশ। যাদের মধ্যে ৩৪% ছিলেন মুসলিম , নারীরা সংখ্যায় ছিলেন ৬১.৮%, এছাড়াও ছিলেন, মতুয়া ও রাজবংশী সম্প্রদায়ের মানুষেরা, যারা অসামঞ্জস্যপূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন। ফর্ম-৭-এর অপব্যবহার, অ্যালগরিদম-নির্ভর যাচাই, ১৯টি আপিল ট্রাইব্যুনালে ১ লক্ষ মামলা, সব মিলিয়ে ২০২৬-এর ভোটে যোগ্য নাগরিকরাও বাদ পড়েছিলেন।

‘সব নির্বাচনেই কারচুপি’, কেন এমন দাবি রাহুল গান্ধীর?

Rahul Gandhi election rigging claim: রাহুল গান্ধী কেন দাবি করলেন, ভারতের সব নির্বাচনেই কারচুপি হচ্ছে? নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে কী প্রশ্ন তুলেছেন তিনি? সরকারবিরোধী মনোভাব বা অ্যান্টি-ইনকামবেন্সি কীভাবে ভোটের রাজনীতিতে কাজ করে? তাঁর অভিযোগের পক্ষে কী কী তথ্য ও প্রমাণ তুলে ধরা হয়েছে?

সিজেপির তিন দাবি, জ্ঞানেশ কুমার না সরলে ফের বড় আন্দোলন

Election Commission of India: নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা, নির্বাচন পরিচালনার পদ্ধতি এবং ২০২৩ সালের আইনের বৈধতা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের কাছে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি জানিয়েছে সিজেপি। তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ, নির্বাচন প্রক্রিয়া স্থগিত করা এবং ২০২৩ সালের নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ সংক্রান্ত আইন প্রত্যাহার।

থানার গেটেই মারধর প্রাক্তন আইপিএস হুমায়ুন কবীরকে, সাধারণ মানুষ কতটা নিরাপদ?

Humayun Kabir: ঘটনার পর এখনও পর্যন্ত তিনি কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের করতে পারেননি বলেও জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, শারীরিক অসুস্থতার কারণে তখন অভিযোগ করা সম্ভব হয়নি। সুস্থ হয়ে তিনি লিখিত অভিযোগ করবেন।

দুই কমিশনারের আপত্তিতে ফের আলোচনায় সীমা খান্না, কমিশনে ঠিক কী দায়িত্ব তাঁর?

Seema Khanna and ECINet: ভোটার তালিকা ও ইসিআইনেট (ECINet) নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক। দুই নির্বাচন কমিশনারের আপত্তিতে সামনে এসেছে আইটি বিভাগের ভূমিকা এবং ডিরেক্টর জেনারেল (IT) সীমা খান্নার নাম। কে এই সীমা খান্না? নির্বাচন কমিশনে তাঁর দায়িত্ব কী? ভোটার তালিকা পরিচালনায় তাঁর ভূমিকা নিয়েই বা কেন উঠছে প্রশ্ন?

সরকারকে ৪ দিনের সময়সীমা বেধে দিল চা-শ্রমিকরা, ঠিক কী কী দাবি?

Dooars tea workers: ২২ সেপ্টেম্বর বকেয়া মজুরি ও অন্যান্য পাওনা মেটানোর দাবিতে হাঁটাপাড়া, ধুমচিপাড়া ও গারগান্ডার চা-শ্রমিকরা মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পদযাত্রা শুরু করেন। একই দিনে তোর্সার প্রস্তাবিত ল্যান্ড পোর্ট প্রকল্পে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষও জমি ও অধিকার রক্ষার দাবিতে পদযাত্রা করেন। দুই পদযাত্রাই পুলিশ আটকে দেয়।

বিশাখাপত্তনমে গুগলের ডেটা সেন্টার: ডিজিটাল উন্নয়নের দাম দেবে জল ও পরিবেশ?

Digital Thirst of vizag ai data centres: গুগল-আদানি-এয়ারটেলের যৌথ উদ্যোগে বিশাখাপত্তনমে গড়ে উঠছে ১ গিগাওয়াটের এআই ডেটা সেন্টার, বিনিয়োগ ১.২৫ লক্ষ কোটি টাকা। কিন্তু শহরের জলসংকট, কাম্বালাকোন্ডা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যের নৈকট্য আর পরিবেশবাদীদের বিক্ষোভ এই প্রকল্পকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে। 'স্টপ বিশাগ ডেটা সেন্টারস'-এর ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট পর্যন্ত নিষিদ্ধ করেছে ভারত সরকার।