বিশ্বকাপ খেলার মাশুল, আড়াই হাজার সিগারেট 'খেতে' বাধ্য হল শ্রীলঙ্কা-বাংলাদেশ ক্রিকেট দল

Bangladesh vs Sri Lanka’s Cricket World Cup match in New Delhi: আন্তর্জাতিক ক্রিকেট মহলের কাছে প্রশ্ন রয়েই গেল, এমন একটা অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে কতটা ঠিক বিশ্বকাপের এমন একটা ম্যাচের আয়োজন!

Sohini Das
৪ মিনিট
বিশ্বকাপ খেলার মাশুল, আড়াই হাজার সিগারেট 'খেতে' বাধ্য হল শ্রীলঙ্কা-বাংলাদেশ ক্রিকেট দল

দিলওয়ালার শহর দিল্লি! কিন্তু সেই দিলওয়ালা শহরে খেলতে এসে যে অদৃশ্য ৩৩টি সিগারেটের বিষধোঁয়া যে ফুসফুসে ভরতে হবে তা কি ঘুণাক্ষরেও ভেবেছিলেন বাংলাদেশ বা শ্রীলঙ্কার ক্রিকেটারেরা? এমনিতেই ক্রিকেটারদের অনেক ধরনের বিধিনিষেধের মধ্যে থাকতে হয়। আর সেখানে ধূমপানের তো প্রশ্নই নেই। কিন্তু রাজধানীতে খেলতে আসার অন্যতম শর্তই হল সিগারেটের বিষাক্ত ধোঁয়া বুকের হাপরে টেনে নেওয়া! হ্যাঁ, এমন ঘটনা বিশ্বাস করা কঠিন তো বটেই! কিন্তু দিনের পর দিন ধরে দিল্লি এমনই এক বিষাক্তকূপে পরিণত হয়েছে, যেখানে একটা ম্যাচ খেলতে আসা সিগারেট খাওয়ায় হাফ সেঞ্চুরি হাঁকানোর শামিল।

গত কয়েকবছর ধরেই অসুস্থ রাজধানী। বিষাক্ত বাতাসে ভরেছে তার ফুসফুস। বাতাসের গুণগত মানের সূচক নেমে গিয়েছে বিপদসীমার নিচে। শীত আসতে এখনও দেরি। এরই মধ্যে দিল্লির আকাশ বাতাস ভরে রেখেছে ঘন ধোঁয়াশার আস্তরণে। ভরদুপুরেই ঘনাচ্ছে সন্ধের অন্ধকার। দূষণ আটকাতে কোমর বেঁধেছে সরকার। বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে স্কুল। লকডাউনের সময়ের মতোই নাকি ক্লাস হবে অনলাইনে। কমিয়ে দেওয়া হয়েছে অফিসের হাজিরাও। আরও একগুচ্ছ বিধিনিষেধ আরোপ হয়েছে দিল্লিতে। করোনার স্মৃতি ফিরিয়ে মুখে ইতিমধ্যেই চেপেছে মাস্ক। কাশি, শ্বাসকষ্টের মতো অনেক কিছুই সঙ্গী এখন দিল্লিবাসীর।

গত কয়েকদিন দিল্লির সমার্থক শব্দ হয়ে দাঁড়িয়েছে দূষণ, বাতাসের গুণগত মানের সূচকের মতো শব্দগুলি। খবরের পাতা থেকে সোশ্যাল মিডিয়া, দিল্লির মানেই দূষণের খবর। এই সবের মধ্যেই বাংলাদেশ, শ্রীলঙ্কার মধ্যে গ্রুপ পর্যায়ের বিশ্বকাপ ম্যাচ ছিল গত সোমবার, যার ভেন্যু হিসেবে ঠিক করা হয়েছিল দিল্লির ফিরোজ শাহ কোটলা স্টেডিয়াম তথা অরুণ জেটলি স্টেডিয়ামকে। কিন্তু সেই ম্যাচ আদৌ দিল্লিতে সম্ভব হবে কিনা, তা নিয়ে বেশ দোলাচলে ছিলেন কর্তৃপক্ষ। দিল্লিতে দাঁড়িয়ে এখন কয়েক মিটার দূরের জিনিস দেখাই অসম্ভব। সেখানে শূন্য দৃশ্যমানতা নিয়ে বোলারের বল দেখতে পাবেন কী করে ব্যাটার!

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
লকডাউনের স্মৃতি উস্কে বন্ধ স্কুল-কলেজ-অফিস! কোন পথে বাগে আসবে রাজধানীর মাত্রাতিরিক্ত দূষণ?

Delhi Air Pollution: শহরের বর্তমান দূষণের কথা মাথায় রেখে রাজ্যের সমস্ত স্কুলের পঠনপাঠন ১০ নভেম্বর পর্যন্ত বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

রবিবার দুপুরের দিকে একটু রোদ উঠেছিল দিল্লিতে। আশার আলো দেখতে পান আয়োজকেরা। ঠিক হয় সোমবার ম্যাচ শুরুর আগে পরিস্থিতির উন্নতি না হলে শেষ মুহূর্তে বাতিলও হয়ে যেতে পারে ম্যাচটি। সেক্ষেত্রে অবশ্য দুটি দলই এক এক করে পয়েন্ট পেয়ে যেত। কিন্তু শেষপর্যন্ত ম্যাচ হল দিল্লির অরুণ জেটলি স্টেডিয়ামে। কাকতালীয় ভাবে সেই দিনই দিল্লি জুড়ে আংশিক লকডাউন ঘোষণা করল কেন্দ্র সরকার। গত বুধবার থেকেই পাঁচশো-ছশোর আশেপাশে ঘোরাফেরা করেছে বাতাসের গুণগত মানের সূচক। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার স্কেলে যা অতি বিপজ্জনক বলে চিহ্নিত করা হয়। বর্ষা কাটতে না কাটতেই প্রতিবছর দিল্লির বুকের হাপরে ভরে উঠতে থাকে দূষিত বাতাস। দিল্লি সংলগ্ন পঞ্জাব এলাকায় প্রচুর পরিমাণে ফসলের নাড়া পোড়ানো থেকে শুরু হয় সেই দূষণের। তার সঙ্গে যানবাহনের ধোঁয়া, কলকারখানার ধোঁয়া এসব মিশতে মিশতে বাতাসের একিউআই নেমে যায় বিপদসীমার নিচে। যার ফলে দিল্লির দখল নেয় বিষাক্ত ধোঁয়াশা। দৃশ্যমানতা কমে যায় শূন্য়ের নিচে। মানুষের নিঃশ্বাস নেওয়া কঠিন হয়ে পড়ে।

পরালি অর্থাৎ ফসলের গোড়া উপড়ানোর আধুনিক যেসব পদ্ধতি রয়েছে, তাতে দূষণের ঝুঁকি নেই বললেই চলে। তবে তা বেশ খরচসাপেক্ষ। তাই কৃষকেরা সনাতন পদ্ধতিই ব্যবহার করে চলে এখনও। শরৎ শেষ হতে না হতেই ঢালাও পরালি জ্বালানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়ে যায় পঞ্জাব এলাকায়। রাস্তা ঢাকে সাদা ধোঁয়ায়, যা ভয়াবহ বিষাক্ত বললেও কম বলা হয়। শুধুমাত্র এ কারণেই এ বছর বিশ্বকাপে পঞ্জাবের মোহালি স্টেডিয়ামে কোনও ম্যাচ আয়োজম করা হয়নি। অথচ ভারতের সেরা স্টেডিয়াম হিসেবে যথেষ্ট নামডাক আছে সেটির। আর এ যে নাড়া জ্বালানোর সমস্যা, তার ক থেকে চন্দ্রবিন্দু, সবটাই জানে ও বোঝে প্রশাসন। অতঃপর পরালি জ্বালাবেন না- এইটুকু বলেই থেমে যায় প্রশাসন। ওই সব চাষীদের জন্য কম খরচে ফসলের গোড়া নিকেশের বিকল্প পথ খুঁজে না দেওয়া পর্যন্ত এই অবস্থাটা বদলাবে বলে মনে হয় না। কমবে না পরিবেশ দূষণও।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
দূষণে নাভিশ্বাস, রাজধানী দিল্লি পরিত্যক্ত নগরীতে পরিণত হবে?

Air pollution in Delhi: ভারতের রাজধানীর ধোঁয়া চিত্র বদলাচ্ছে না। সাম্প্রতিক দূষণের পরিমাণ দেখে চমকে উঠছেন সাধারণ মানুষ।

সোমবার বিশ্বকাপের ৩৮তম ম্যাচ ছিল শ্রীলঙ্কা-বাংলাদেশের দ্বৈরথ। বহু অনিশ্চয়তা নিয়েই শেষপর্যন্ত দিল্লির ফিরোজ শাহ কোটলা স্টেডিয়াম তথা অরুণ জেটলি স্টেডিয়ামেই শুরু হল খেলা। তবে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট মহলের কাছে প্রশ্ন রয়েই গেল, এমন একটা অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে কতটা ঠিক এমন একটা ম্যাচের আয়োজন? সোমবার খেলতে গিয়ে দূষণের যে প্রভাব ক্রিকেটারদের শরীরে পড়ল, তার জন্য যে ভোগান্তি হচ্ছে খেলোয়াড়দের, তা আদৌ কাম্য কিনা, উঠেছে সেই প্রশ্নও। বহু ক্রিকেটারই সেই অস্বস্তির কথা স্বীকার করে নিয়েছেন প্রকাশ্যে।

সম্প্রতি দিল্লির কাছে গুরুগ্রামের মেদান্তা হাসাপাতালের এক কার্ডিওলজিস্ট অরবিন্দ কুমার জানান, এই মুহূর্তে দিল্লির বাতাসে শ্বাসপ্রশ্বাস নেওয়া মানে রোজ অন্তত ২৫-৩০টি করে সিগারেট সেবন করা। একই ক্ষতি দু'ক্ষেত্রেই। আর এ কথা তিনি বলেছেন রাজধানীয় ধোঁয়াশা ও একিউআইয়ের পরিসংখ্যান বিচার করে। আর সেই প্রভাব কি পড়ল না এ দেশে বিশ্বকাপ খেলতে আসা প্রতিবেশী রাজ্যের খেলোয়াড়দের উপরে।

সাধারণত ম্য়াচের দিন তিনেক আগেই ভেন্যুতে এসে পৌঁছন ক্রিকেটারেরা। আর সেই হিসেবে সোমবার ম্যাচ পর্যন্ত প্রায় পাঁচদিন দিল্লিতে কাটিয়েছেন তাঁরা। ওই পরিসংখ্যান অনুযায়ী, দিল্লির বাতাসে বর্তমানে একদিন নিঃশ্বাস নেওয়া যদি ২৮টি সিগারেট খাওয়ার শামিল হয়, তাহলে প্রথম এগারোর ক্রিকেটারেরা সবাই মিলে প্রায় দেড় হাজারেরও বেশি সিগারেট খেয়ে ফেললেন একটা ম্যাচ খেলতে এসে। কারণ ইডেনে ম্যাচ খেলে টিম বাংলাদেশ দিল্লিতে পৌঁছয় গত বুধবার নাগাদ। হ্যাঁ, শুনতে মজার হলেও, পরিস্থিতিটা কিন্তু ভয়ঙ্কর। মুম্বইয়ে ম্যাচ খেলে শ্রীলঙ্কা দিল্লি পৌঁছয় শুক্রবার। সেই হিসেবে পিছিয়ে নেই তাঁরাও। হাজারখানেক সিগারেটে বিষাক্ত বাতাস তারা বুক ভরে নিয়ে সিগারেট না ছুঁয়েই।

ফলে সব মিলিয়ে দুদলের ২২ জন ক্রিকেটার যেভাবে আড়াই হাজার সিগারেটের সমান বিষপান করলেন অনিচ্ছাকৃত ভাবে, তার দায় কে নেবে? উঠে গিয়েছে প্রশ্ন। সত্যিই আন্তর্জাতিক দলের ভারতের মাটিতে খেলতে এসে এই ধরনের পরিস্থিতির মুখোমুখি হওয়াটা দেশের পক্ষে লজ্জার নয়। ভয়াবহ এই দূষণ ঠেকাতে কী পদক্ষেপ করবে কেন্দ্র সরকার? গ্রেডেট রেসপন্স অ্যাকশন প্ল্যান কি কাজ দেবে আদৌ। জনজীবন স্থগিত করে দিয়ে কি আদৌ ফিরবে দিল্লির দিলে প্রাণবায়ু, সে উত্তরটা বোধহয় নেই তাবড় পরিবেশবিদদের কাছেও।

লিখেছেন
Sohini Das
Sohini Das
0 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

নারী টেস্টে এত অনীহা কেন, লর্ডসের ইতিহাসও বদলাবে না সেই ছবি?

Women’s Test Cricket: লর্ডসে ভারতের নারী ক্রিকেট দলের ঐতিহাসিক জয় নারী টেস্ট ক্রিকেটের ভবিষ্যৎ বদলানোর সুযোগ এনে দিয়েছে? এত সাফল্য ও জনপ্রিয়তার পরও কেন এই ফরম্যাটে নিয়মিত ম্যাচ নেই?

শিব-পরশুরামের যুদ্ধবিদ্যা কালারিপায়াট্টু থেকেই জন্ম কুংফুর!

Kalaripayattu Indian Martial Art: ভারতীয় পৌরাণিক ঐতিহ্যে কালারিপায়াট্টুকে স্রেফ যুদ্ধের কৌশল হিসেবে দেখা হয়নি, বরং এটিকে মানব শরীরের অভ্যন্তরীণ প্রাণশক্তিকে জাগিয়ে তোলার এক মহান সাধনা বলে মনে করা হয়।

দু'হাজার বছর পুরনো ‘আত্য পাত্যা’: এই খেলাই শিখিয়েছিল যুদ্ধের কৌশল!

Atya Patya Traditional Indian Game: আনুমানিক ১০০ থেকে ৩০০ খ্রিস্টাব্দের মধ্যে রচিত প্রাচীন তামিল সাঙ্গম সাহিত্য ‘নাটতৃণৈ’-তে এই খেলার প্রথম লিখিত প্রমাণ পাওয়া যায়। অতএব, এই খেলার বয়স প্রায় দুই হাজার বছরেরও বেশি। সেখানে বলা আছে, প্রাচীন চোল রাজবংশের সেনারা যুদ্ধক্ষেত্রে যাওয়ার আগে নিজেদের ক্ষিপ্রতা, দ্রুত দৌড়ানোর ক্ষমতা আর শরীরকে এক নিমেষে বাঁকানোর চপলতা বাড়াতে এই খেলায় মেতে উঠত।

১৬ বছর পর ফের ভারতের পথে ললিত মোদী

Lalit Modi return to India: দীর্ঘ সময় পর দিল্লির আপিল ট্রাইব্যুনাল তাঁর বিরুদ্ধে থাকা আর্থিক অনিয়মের বড় অভিযোগ ও জরিমানা বাতিল করে দেওয়ার পরেই এই আলোচনার সূত্রপাত। সোশ্যাল মিডিয়ায় ললিত মোদী নিজেই স্পষ্ট করেছেন, সমস্ত বড়সড় আইনি জটিলতা কাটার পর ২০২৬ সালের শেষ দিকে অথবা ২০২৭-এর শুরুতেই ফের তিনি ভারতে পা রাখতে চলেছেন।

গোলের আড়ালে ঘৃণার খেলা: ২০২৬ বিশ্বকাপে ট্রাম্প, ফিফা আর ফুটবলের পরাজয়

Trump FIFA World Cup: এই বিশ্বকাপ শুধুই একটি ক্রীড়া প্রতিযোগিতা নয়; মাঠের লড়াই ছাপিয়ে তা হয়ে উঠেছে ভূ-রাজনীতি, বর্ণবিদ্বেষ এবং বাণিজ্যিক আধিপত্যের এক জটিল ময়দান।

একটা রাজপুত্তুর যার মুকুট হারিয়ে গিয়েছে

Lionel Messi Retirement: তিনটে ফাইনালের বোঝা। একে একে ছেড়ে যায় সহযোদ্ধারা। রক্তাক্ত মাসচেরানো চলে যান, কুন আগুয়েরোর অসুখ... তবু লিও পড়ে থাকে, আমরা পড়ে থাকি আর কিছুদিন। বৃত্ত সম্পূর্ণ করতে প্রয়োজন ছিল একজন স্ক্যালোনির, তিনি সেটুকু সেতু নির্মাণের দায়িত্ব নিলেন। আমরা অপেক্ষা করলাম লুসাইলে। আমরা তো কবেই হেরে গিয়েছিলাম, সৌদি আরব শুধু চিনিয়ে দিয়েছিল আশপাশটা।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬: যেভাবে ১৫ বিলিয়ন ডলারের ব্যবসায় পরিণত হল ফুটবল

FIFA Revenue 2026: 'কুইন্টেট প্রাইভেট ব্যাংক'-এর সাম্প্রতিক একটি বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, শেয়ারবাজারের দীর্ঘমেয়াদি পরিবর্তনের অনুঘটক হওয়ার চেয়ে বিশ্বকাপ আসলে একটি শক্তিশালী স্বল্পমেয়াদি বাণিজ্যিক উদ্দীপক হিসেবেই বেশি কাজ করে। ফিফা, সম্প্রচারকারী সংস্থা, স্পোর্টসওয়্যার ব্র্যান্ড এবং আতিথেয়তা (হসপিটালিটি) ক্ষেত্রগুলি বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার আয় করলেও, কোম্পানির শেয়ারের দামে সেই ইতিবাচক প্রভাব দীর্ঘ সময় ধরে রাখা বেশ কঠিন।

যখন ইউরোপে নারীরা গৃহবন্দি, তখন অসমে মেয়েরা খেলছিলেন ধোপখেল

Dhop Khel Assam: আহোম রাজাদের রাজপ্রাসাদ থেকে বিহুর মেঠো মাঠ—অসমের মাটিতে একসময় গমগম করত ধোপখেলের আওয়াজ। ফুটবল, কাবাডি আর দূরন্ত নিশানার এই অদ্ভুত রোমাঞ্চকর খেলাটি শুধু পুরুষদের বীরত্ব প্রমাণের লড়াই ছিল না; যখন ইউরোপে নারীদের জীবন ছিল চার দেওয়ালে বন্দি, তখন অসমে মেয়েরাও মাঠে নেমে মেতে উঠতেন ধোপখেলে।