সইফ আলি খানের আক্রমণকারী পরিচয়ে বাংলাদেশি বলেই এত বিতর্ক?

Saif Ali Khan Bangladeshi Attack: সইফ আলি খানকে আক্রমণ করেছিলেন যে ব্যক্তি, তাঁর নাম মহম্মদ শরিফুল ইসলাম। তিনি আদতে বাংলাদেশের বাসিন্দা।

inscript
৪ মিনিট
সইফ আলি খানের আক্রমণকারী পরিচয়ে বাংলাদেশি বলেই এত বিতর্ক?

১৬ জানুয়ারি নিজেরই বাড়িতে দুষ্কৃতীর হামলায় ভয়ানকভাবে আহত হয়েছিলেন বলিউডের অভিনেতা সইফ আলি খান। খানিক সিনেমার পর্দায় দেখা দৃশ্যের মতো ঘটনাই ঘটে গিয়েছিল বাস্তবে। ডাকাতি রুখতে গিয়ে হামলাকারীর ছুরিতে ৬বার আহত হন সইফ। চলে হাতাহাতি। তারপর অবশ্য সদ্য সইফ খানিক সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন। সিসিটিভি দেখে দুষ্কৃতীকে গ্রেফতারও করা গেছে। তবে নতুন একটি বিষয় নিয়ে শুরু হয়েছে বিতর্ক। বিষয়টি আর কেবলই অভিনেতার নিরাপত্তা নিয়ে নয়, এর সঙ্গে জড়িয়ে গেছে আন্তর্জাতিক রাজনীতিও।

জানা গেছে, সইফ আলি খানকে আক্রমণ করেছিলেন যে ব্যক্তি, তাঁর নাম মহম্মদ শরিফুল ইসলাম। তিনি আদতে বাংলাদেশের বাসিন্দা। সাত মাস আগে ভারতে আসেন তিনি। অবৈধ উপায়ে ডাউকি নদী পাড়ি দিয়ে পশ্চিমবঙ্গে ঢুকে কয়েক সপ্তাহ কাটিয়েছিলেন তিনি। ভারতের মোবাইল সিম কার্ড পেতে এই রাজ্যের জনৈক বাসিন্দার আধার কার্ড ব্যবহার করেন এবং শেষমেশ চাকরির সন্ধানে মুম্বই চলে যান। মুম্বই পুলিশ বলছে, মহাম্মদ শরিফুল ইসলাম ওরফে বিজয় দাস যে সিম কার্ডটি ব্যবহার করেছিল তা পশ্চিমবঙ্গের 'খুকুমনি জাহাঙ্গীর সেখ'-এর নামে নথিভুক্ত করা হয়। এই নামের ব্যক্তির আধার কার্ডই ব্যবহার করা হয়েছিল বলে সন্দেহ পুলিশের।

পুলিশের দাবি, শরিফুল ইসলাম জানিয়েছেন যে তিনি বাংলাদেশে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত পড়াশোনা করেছেন। তাঁর দুই ভাই আছে এবং চাকরির সন্ধানেই তিনি ভারতে এসেছেন। শরিফুল দাবি করেছেন, ভারতে আসার জন্য মেঘালয়ের ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের ডাউকি নদী পার হয়েছিলেন তিনি। আর ভারতে এসে বিজয় দাস নামে জাল পরিচয় ব্যবহার করেছিলেন বলে অভিযোগ। পশ্চিমবঙ্গে কয়েক সপ্তাহ থাকার পর, শরিফুল মুম্বইয়ে এসে এমন জায়গায় কাজ করতে যান যেখানে নথিপত্রের প্রয়োজন ছিল না। শ্রমিকদের ঠিকাদার অমিত পাণ্ডে শরিফুলকে ওরলি এবং থানের পাব এবং হোটেলগুলিতে কাজ পেতে সাহায্য করেছিলেন বলে জানা গেছে।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
ফেলানি খাতুন থেকে স্বর্ণা দাস! যেভাবে সীমান্তে বারবার প্রাণ যায় সাধারণ বাংলাদেশিদের...

Bangladesh Border Killings: চলতি বছরের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বিএসএফের হাতে অন্তত ১৮ জন বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন। ২০২৩ সালে এই সংখ্যা ছিল ২৮, ২০২২ সালে ২৩ এবং ২০২১ সালে ১৬।

পুলিশ বলছে, জিজ্ঞাসাবাদে শরিফুল ইসলাম প্রথমে দাবি করেছিলেন যে তিনি কলকাতার বাসিন্দা। পুলিশ তাঁর মোবাইল তল্লাশি করতে গিয়ে দেখে বাংলাদেশের নম্বরে বেশ কয়েকটি ফোন করা হয়েছে। পুলিশ তখন শরিফুলের পরিবারকে ফোন করে এবং বাংলাদেশে শরিফুলের এক ভাইয়ের সঙ্গে কথা হয়। সেখান থেকেই মেলে পরিচয়পত্র, যে নথিপত্রে শরিফুল যে আসলে বাংলাদেশি নাগরিক তা নিশ্চিত করা রয়েছে।

পুলিশ আরও বলছে, সইফ আলি খানের বাড়িতে ঢোকার আগে শরিফুল ইসলাম নাকি প্রতিবেশী বলিউডের আরেক সুপারস্টারের একটি বাংলোতেও ঢোকার চেষ্টা করেন। সেখানে কুকুরের আওয়াজে তিনি পালিয়ে যান। সইফের বাড়িতে যাওয়ার সময় একটি ছুরি ও অন্য কিছু সরঞ্জাম সঙ্গে নেন শরিফুল। জানা গেছে, সইফ আলি খানের বাড়ি থেকে পালানোর পর, অভিযুক্তরা বান্দ্রার একটি কলেজের কাছে একটি বাগানে ঘুমিয়ে পড়ে। সেখানেই তাঁরা পোশাকও পরিবর্তন করেন। তারপর সিসিটিভি ফুটেজ দেখে তন্নতন্ন করে খুঁজে রবিবার গ্রেফতার করা হয় শরিফুলকে।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
৫০ বছর পর প্রকাশ্যে মুজিবের হত্যাকারী মেজর ডালিম! ফিরবেন বাংলাদেশে?

Bangladesh Major Dalim: মেজর ডালিম এখন কোথায়? কোন দেশে? তা জানা যায়নি। শুধু সমাজমাধ্যমে দেখা গেছে জামাত সমর্থক এক সংবাদিককে সাক্ষাৎকার দিচ্ছেন তিনি।

কিন্তু কেন শরিফুল সইফের বাড়িতে চুরি করতে গিয়েছিলেন? পুলিশের দাবি, শরিফুল জানিয়েছেন, তাঁর মা অসুস্থ। মাকে সাহায্য করার জন্য কিছু টাকা লুঠ করে নিয়ে বাংলাদেশে পালিয়ে যেতে চেয়েছিলেন তিনি। সইফের বাড়ি বাছার পিছনে কোনও নির্দিষ্ট কারণ নেই। কোনও একজন বড়লোকের বাড়িতে চুরি করাই ছিল লক্ষ্য। শরিফুল এখানে এসে একটি কাজ জুটিয়েছিলেন ঠিকই কিন্তু যে রেস্তোরাঁয় কাজ করছিলেন, সেই রেস্তোরাঁর সঙ্গে জিতেন্দ্র পাণ্ডের ম্যানপাওয়ার এজেন্সির চুক্তি শেষ হয়ে যায়। ফলে কাজও চলে যায়। গত বছরের সেপ্টেম্বরে থানের একটি রেস্তোরাঁয় কাজ শুরু করেন শরিফুল। এর আগে ওরলির একটি রেস্তোরাঁয় কাজ করতেন তিনি। মাসে ১৩,০০০ টাকা পেতেন। মায়ের চিকিৎসার জন্য ১২,০০০ টাকা পাঠাতেন বাংলাদেশে। অগাস্ট মাসে তিনি চুরি করতে গিয়ে ধরা পড়েন এবং তাঁর চাকরি চলে যায়। এরপর থানের এক রেস্তোরাঁয় কম বেতনে একটি কাজ পান।

শরিফুল বাংলাদেশি, এই পরিচয় প্রকাশ্যে আসার পরেই, সাম্প্রতিক প্রেক্ষাপটের বিচারে ব্যাপক বিতর্ক চলছে। শরিফুল অপরাধ করেছেন। বিচার হবে। কিন্তু তাঁর বাংলাদেশি পরিচয়কে নিয়ে রাজনৈতিক ঘোলাজলে নিজের নিজের পছন্দের মাছ ধরতে ব্যস্ত হয়ে পড়েছে সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক দলগুলি। এই ঘটনার প্রেক্ষিতে শিবসেনার (উদ্বভ শিবির) সাংসদ সঞ্জয় রাউত বিজেপিকে আক্রমণ করেছেন। সঞ্জয় রাউত বলছেন, সব বাংলাদেশিকে দেশ থেকে 'সরিয়ে' দিতে হবে। আআর শুরুটা করতে হবে শেখ হাসিনাকে দিয়ে। গত বছরের অগাস্টে বাংলাদেশে গণ অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত হয়ে ভারতে পালিয়ে আসেন হাসিনা। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের পদত্যাগও দাবি করেছে শিবসেনা।

মহারাষ্ট্রের বিরোধীরা মুম্বইয়ের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির জন্য শাসক মহাযুতি সরকারের নিন্দা করেছে। প্রতিবেশী দেশ থেকে অবৈধ অভিবাসীদের এই দেশে আসা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। আর সোশ্যাল মিডিয়ার বিচারে ইতিমধ্যেই বাংলাদেশি=অপরাধী তা প্রমাণ করে প্রায় সাজা ঘোষণাও হয়ে গেছে। বাংলাদেশিরা অবৈধভাবে এই দেশে ঢুকে অপরাধের সঙ্গে যুক্ত হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠছে। কীভাবে নিরাপত্তা নিয়ে এত ঢাকঢাক-গুড়গুড় সত্ত্বেও নথিপত্র ছাড়া সীমান্ত পার হচ্ছেন ওপারের মানুষ? কাগজপত্র পাওয়া, চাকরি পাওয়া এবং তারপর অপরাধের সঙ্গে যুক্ত হওয়াতে কি রাষ্ট্রীয় মদতই আছে তবে? বিজেপি আইটি সেলের প্রধান অমিত মালব্য অবশ্য চেনা পরিচিত মুসলিম-তাসই খেলেছেন। অমিত মালব্য বলছেন, সাইফ আলি খানকে যিনি আক্রমণ করেছিলেন তিনি বাংলাদেশি মুসলিম যিনি হিন্দু পরিচয় ভাঁড়িয়েছিলেন। "হিন্দুদের অপমান করার জন্য ক্ষমা চাওয়া উচিত," বলেও নিদান তাঁর।

শরিফুলের জবানবন্দি অনুযায়ী তিনি একজন দরিদ্র বাংলাদেশি। তাঁর কাজ নেই, বাড়িতে অসুস্থ মা। টাকা রোজগার করতে গিয়ে অনিশ্চয়তা এবং অল্প সময়ে অধিক উপার্জনের লোভ তাঁকে অপরাধের পথে নিয়ে গেছে। এই অপরাধে বিচার কাম্য। কিন্তু শরিফুল একে মুসলিম, তায় বাংলাদেশি! ফলে সোশ্যাল মিডিয়াতে বহু 'শিক্ষিত'দের নিদানও সঞ্জয় রাউতের মতোই। বাংলাদেশিদের বের করে দেওয়াটাই নিরাপত্তা রক্ষার একমাত্র উপায় যেন। ভারতে বিভিন্ন মহানগরে বাংলাদেশের নাগরিকের সংখ্যা কম নয়। তা সাম্প্রতিক অভ্যুত্থানের ঢের আগে থেকেই। পড়াশোনা, চাকরি, সম্পর্ক নানা কারণেই দুই দেশের মানুষের বোঝাপড়া আছে। তবে এই মুহূর্তে দুই দেশের সম্পর্কই অস্থির। সেই আবহে মুসলিম ও বাংলাদেশি দুই পরিচয়ই ভীষণভাবে রাজনৈতিক। সেই পাকেচক্রে শরিফুলের ভবিতব্য নিছক কোনও চোর বা ডাকাতের মতো রইল না আর।

লিখেছেন
inscript
inscript
16 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

নিষিদ্ধ নয়, বিক্রিতে নিষেধাজ্ঞা, কী আছে ফিলিস্তিনপন্থী স্যালি রুনির বইয়ে

Sally Rooney: ফিলিস্তিনপন্থী সংগঠন প্যালেস্টাইন অ্যাকশনকে রয়্যালটি দেওয়ার ইচ্ছাপ্রকাশের পর ব্রিটেনে স্যালি রুনির বই সরবরাহ বন্ধ করেছে ফ্যাবার।

সিজেপির কর্মসূচির আগে ৬ হাজার পুলিশ, দুর্ভেদ্য দুর্গ কনট প্লেস

Connaught Place protest: সিজেপির কর্মসূচির আগে কনট প্লেস এবং তার আশপাশের এলাকায় ব্যাপক নিরাপত্তার ব্যবস্থা করেছে দিল্লি পুলিশ। কনট প্লেসের আশপাশে ৬ হাজারেরও বেশি পুলিশকর্মী মোতায়েন করা হয়েছে।

সরবোন থেকে যন্তরমন্তর: যে আগুন বারবার বদলে দেয় পৃথিবীকে

May 1968 France student protests: এই যে ছেলেমেয়েরা যন্তরমন্তরের রাস্তায় স্লোগান দিচ্ছে, ধারাশ্রাবণের ভয় পিছনে ফেলে পার্লামেন্ট স্ট্রিটের দিকে এগিয়ে গেল, দক্ষিণী এক বৃদ্ধ তার ধুতি সামলাতে সামলাতে ছুটছেন তাদের সঙ্গে—কী মনোরম এই বারিপাত! কেমন যেন একটা দুর্দান্ত ফ্ল্যাশব্যাকে ঘুরে গেল সময়।

অঙ্কিতা ভাণ্ডারী মামলা: তিন অভিযুক্তের সাজা হয়েও মেটেনি ‘ভিআইপি’ রহস্য

Ankita Bhandari case highlights :অঙ্কিতার বাবা-মা অভিযোগ করেছেন, গৌতমই সেই ভিআইপি, যিনি তাঁদের মেয়েকে হত্যার ষড়যন্ত্রে জড়িত ছিলেন। তাঁরা রাষ্ট্রপতির কাছে গৌতমের রাজ্যপাল নিয়োগকে চ্যালেঞ্জ করে আদালতে গিয়েছেন, এই যুক্তিতে যে এই ‘ভিআইপি’কে কোনো পদে বহাল থাকার অনুমতি দেওয়ার আগে সিবিআই তদন্ত শেষ হওয়া উচিত।

জিডিপির বাইরে উন্নয়নের হিসাব, ভারতের অর্থনীতিকে অন্য চোখে দেখতে শিখিয়েছেন জঁ দ্রেজ

Economist Jean Drèze: দিল্লিতে সিজেপি বিক্ষোভের সময় পুলিশ আটক করল অর্থনীতিবিদ জঁ দ্রেজকে। অমর্ত্য সেনের সহযোগী এই অর্থনীতিবিদ MGNREGA ও জাতীয় খাদ্য সুরক্ষা আইনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন। ২০২৬- এ পেয়েছেন গ্লোবাল ইনইকুয়ালিটি রিসার্চ অ্যাওয়ার্ড।

জ্ঞানেশ বিরোধী আন্দোলন: তারুণ্য যা শেখালো ইন্ডিয়া জোটকে

Youth Protests and Opposition Unity: সংসদীয় রাজনীতিতে যেখানে প্রবীণ নেতারা ঐক্যের পথ খুঁজতে গিয়ে হোঁচট খাচ্ছিলেন, সেখানেই নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে ভোটার তালিকা ও বিভিন্ন অনিয়ম সংক্রান্ত ক্ষোভকে কেন্দ্র করে রাজপথে নামা তরুণ প্রজন্ম বিরোধীদের নতুন করে এক ছাতার তলায় আসার পথ তৈরি করছে।

কেন তুলে দিতে হচ্ছে মাদ্রাসা কমিশন? প্রশ্ন শিক্ষামহলের

West Bengal decides to merge Madrasah Service Commission: ১৩ অক্টোবর ২০২৬ জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ৫ অক্টোবরের মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১৯৯৭ সালের পশ্চিমবঙ্গ স্কুল সার্ভিস কমিশনের সঙ্গে মাদ্রাসা সার্ভিস কমিশনকে একীভূত করার উদ্যোগ নিয়েছে রাজ্য সরকার।

আমার উৎসব, ওঁদের আরও একটা দীর্ঘ কাজের দিন

Durga Puja for Gig Workers: গিগ কর্মীদের দুর্গাপুজোর চার দিন কীভাবে কাটে? বাড়তি উপার্জনের আশায় ব্যক্তিগত আনন্দ, উৎসবের আমেজ আর প্রিয়জনদের সঙ্গে কাটানোর সময় থেকে কতটা বিসর্জন দিতে হয় তাঁদের?