‘কাঠিবাজী’ই কি কাঁটা জয়ের মুখে! কীসের আভাস দিতে চাইলেন বেসুরো দিলীপ

Dilip Ghosh: বুধবার সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে দিলীপ ঘোষ জানালেন, 'চক্রান্ত, কাঠিবাজি রাজনীতির অঙ্গ। আমি সেভাবেই নিয়েছি। আমি পুরো পরিশ্রম করেছি, কিন্তু সফলতা আসেনি।'

Sohini Das
৪ মিনিট
‘কাঠিবাজী’ই কি কাঁটা জয়ের মুখে! কীসের আভাস দিতে চাইলেন বেসুরো দিলীপ

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেছিলেন, এবার বাংলায় সবচেয়ে ভালো ফল করবে বিজেপি। কিন্তু মঙ্গলবার লোকসভা ভোটের ফল হাতে আসার পর দেখা গেল, বাংলায় ভালো ফলাফলের আশা তো দূর, নিজের অস্থিত্ব টিকিয়ে রাখতেও কালঘাম ছুটে গিয়েছে বিজেপির। বাংলায় সবুজ ঝড়ে কার্যত ধুয়েমুছে সাফ হয়ে গিয়ে অথচ এই অবস্থা যে বঙ্গে বিজেপির বরাবর ছিল, তা কিন্তু নয়। বিজেপির প্রাক্তন সভাপতি দিলীপ ঘোষের জমানাতেই পদ্ম ফুটেছিল এ রাজ্যে। ২০১৯ লোকসভা ভোটেই অন্তত ১৮টি আসন পেয়েছিল বিজেপি। সেই সংখ্যা এবার নেমে এসেছে ১২-য়। নেপথ্যে কী কারণ? বঙ্গ বিজেপির সংগঠনের গলদ নাকি অন্য কিছু।

প্রতিবার মেদিনীপুর আসন থেকেই লড়েন দিলীপ ঘোষ। তবে এবার সেই মেদিনীপুর থেকেই সরিয়ে দেওয়া হল তাঁকে। অথচ ওই মেদিনীপুরেরই ভূমিপুত্র তিনি। পশ্চিম মেদিনীপুরের গোপীবল্লভপুরে তাঁর জন্ম, ঝাড়গ্রামে তাঁর পড়াশোনা। সেই ভূমিপুত্রকে ভূমি থেকে উচ্ছেদ করে এনে ফেলা হল বর্ধমান-দুর্গাপুর লোকসভা কেন্দ্রে। অথচ লোকসভা ভোটকে কেন্দ্র করে যা হোমওয়ার্ক তিনি করেছিলেন, সবটাই মেদিনীপুর। গত এক বছরে এলাকার হাজার দেড়েক গ্রাম চষে ফেলা থেকে শুরু করে জনসংযোগের সবটাই। বর্ধমান-দুর্গাপুরে প্রচারে বেরিয়ে বারবার ক্ষোভের মুখে পড়তে হয়েছে দিলীপকে। সেই সমস্ত কিছুর উপর দিয়েই দলের নির্দেশ মেনে যাবতীয় চেষ্টা করেছেন দিলীপ। কিন্তু তবু পারেননি। ২০২৪ লোকসভা ভোটে হাতছাড়া হয়েছে তাঁর সাংসদ পদ। প্রথমে বিজেপির সভাপতি, তারপর দলের সাধারণ সম্পাদক। একের পর এক বিজেপির গুরুত্বপূর্ণ পদ হাত থেকে বালির মতোই খসে দিয়েছে দিলীপ ঘোষের। এবার গেল সাংসদ পদও।

অথচ দিলীপ ঘোষের এলাকা মেদিনীপুরে যাঁকে দাঁড় করাল দল, তিনিও কিন্তু গো-হারা হারলেন মেদিনীপুর কেন্দ্রে। জিততে পারলেন না দিলীপও। অর্থাৎ দলের সিদ্ধান্তে এক সঙ্গে দু'টি আসন হাতছাড়া হল তাঁর। বর্ধমান-দুর্গাপুরে প্রার্থী হওয়ার ব্যাপারে যে দিলীপবাবুও খুব সম্মত ছিলেন, এমনটা নয়। মঙ্গলবার লোকসভা ভোটের ফলপ্রকাশ হতেই দেখা গেল প্রায় দেড় লক্ষ ভোটে হেরেছেন দিলীপ। হেরেছেন তৃণমূল প্রার্থী তথা প্রাক্তন ক্রিকেটার কীর্তি আজাদের কাছে। যাঁকে কিনা গোড়া থেকেই বহিরাগত বলে কোণঠাসা করার চেষ্টা করে গিয়েছেন দিলীপ। একসময় বিজেপির হয়ে প্রার্থী হয়েছিলেন কীর্তি। ২০২৪ ভোটে তৃণমূল প্রার্থী করে তাঁকে। এবং বাংলার পোড় খাওয়া রাজনীতিক দিলীপ ঘোষকে হারিয়ে বর্ধমান-দুর্গাপুর আসনটি জিতেও নেন কীর্তি।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
বহিরাগতর কাছে শোচনীয় পরাজয়! অধীর আর দিলীপকে হারাল তাঁদের দলই?

Adhir Chowdhury Dilip Ghosh: এত বছরে অধীরের মূল প্রতিপক্ষ কখনও সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ছিলেনই না।

আরএসএসের দীর্ঘদিনের কর্মী দিলীপ। ভূমিস্তরে ঘুরে ঘুরে বহু অভিজ্ঞতা পুরেছেন ঝুলিতে। বিজেপি নেতা ও বঙ্গ বিজেপির সভাপতি হিসেবে একদিন দলকে রাজ্যে যে স্থানে নিয়ে যেতে পেরেছিলেন দিলীপ, সেই জায়গাটা ক্রমেই অপসৃয়মান। সঙ্ঘের অনুশাসন তাঁকে শিখিয়েছে প্রশ্নহীন হতে, বিশেষত দলের প্রতি তো বটেই। সেই শিক্ষা থেকেই দলের সিদ্ধান্তকে মাথা পেতে নিয়ে দিলীপকে বলতে শোনা গিয়েছে, গোটা বাংলাই বিজেপির এলাকা। তিনি যেখানে যান জেতার জন্যই যান। সেই চেষ্টাও নতুন কেন্দ্রে করেছিলেন দিলীপ। কিন্তু ফল মেলেনি। বর্ধমান-দুর্গাপুর কেন্দ্রের এই হার কি দিলীপের দলীয় আনুগত্যে কোথাও চিড় ধরাবে। মঙ্গলবার হারের পর কথা বলতে গিয়ে বহু চেষ্টার পরেও যেন চাপা রইল না সেই ক্ষোভ।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
'ভূমিপুত্রে' আস্থা নেই? মেদিনীপুর থেকে কেন দিলীপ ঘোষকে প্রার্থী করল না বিজেপি?

Dilip Ghosh BJP: জনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশ বলছেন, বিজেপির অন্তর্দ্বন্দ্বের শিকার হয়েছেন দিলীপ।

বুধবার সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে দিলীপ ঘোষ জানালেন, 'চক্রান্ত, কাঠিবাজি রাজনীতির অঙ্গ। আমি সেভাবেই নিয়েছি। আমি পুরো পরিশ্রম করেছি, কিন্তু সফলতা আসেনি।' এর প্রেক্ষিতে ঠিক কার 'কাঠিবাজি'র কথা তিনি বলতে চেয়েছেন, সেই প্রশ্নের উত্তরে দিলীপ বলেন, 'রাজনীতিতে যা হয়, সবাই কাঠি নিয়ে ঘুরতে থাকে।' তবে কি দিলীপের এই কেন্দ্রবদলের নেপথ্যে রয়েছে দলেরই কারওর হাত? উঠেছে প্রশ্ন। যদিও হারের জন্য সেভাবে কাউকে দোষারোপ করেননি দিলীপ। জানিয়েছেন, "পার্টি নতুন ছিল, আমি নতুন ছিলাম, লড়াই করেছি। তখন পরিবেশ তৈরি হয়েছিল। সারা ভারতে বিজেপির ফল খারাপ হয়েছে। নরেন্দ্র মোদি সামনে ছিলেন, তাঁর ফলও আগের মতো ভাল হয়নি। আমি লড়াই করেছি, পরিশ্রম করেছি। সফল হতে পারিনি।"

মঙ্গলবার দিলীপ ও কীর্তির ভোটের ব্যবধান বাড়তে শুরু করতেই ভোটকেন্দ্রের সামনে ব্যাপক বিরোধিতার মুখে পড়েন দিলীপ। চারপাশের লোকজন ঘিরে ধরে দিলীপ ঘোষের বিরুদ্ধে স্লোগান দিতে থাকে। যদিও স্বভাবসিদ্ধ ভঙ্গিতে হাত নেড়ে বেরিয়ে গিয়েছেন দিলীপ। দিলীপের এই হার কি কোথাও তাঁর ভাবমুর্তিতে আঁচড় ফেলল? সেই প্রশ্নের উত্তরে বিজেপি নেতা জানান, 'রাজনীতিতে ওঠানামা হয়। এটা চলতে থাকে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পার্টি কোথায় ছিল, নীচে চলে গিয়েছিল। আবার দাড়িয়েছেন, সরকার গঠন করেছেন। লোকসভায় হেরেছেন, আবার উঠেছেন। আপডাউন মেনে নিতে হবে। বিশ্লেষণ করতে হবে।" কিন্তু সত্যিই কি এই হার মন থেকে মানতে পেরেছেন দিলীপ? কারণ নির্বাচনী লড়াইয়ের কেন্দ্র বদল নিয়ে কথা বলতে গিয়ে দিলীপকে বলতে শোনা গিয়েছে, 'ভূমিকা তো থাকেই পার্টির। কার ভূমিকা আমি জানি না। খোঁজ করারও কথা নয়। পার্টি বলেছে, আমি শৃঙ্খলাবদ্ধ কর্মী। আমায় পার্টি ইলেকশন লড়তে বলেছে, আমি লড়েছি,জিতেছি- তখন অনেককিছু আমার হাতে ছিল। এখন খালি লড়াইটা আমার হাতে ছিল।' এমনকী দিলীপ এ-ও বলেন, "সবে নির্বাচন শেষ হয়েছে। আমি পূর্ণসময়ের কর্মী। সভাপতি বানিয়েছে, সাধারণ সম্পাদক বানিয়েছে। কেন্দ্রের সহ সভাপতি বানিয়েছে। পার্টি ডিসিশন নেবে আমাকে নিয়ে, নয়তো আমি ডিসিশন নেব।"

আসলে এই ভূমিকা প্রসঙ্গে কার কথা বলতে চাইলেন দিলীপ। নিন্দুকেরা বলছেন, দিলীপ ঘোষকে ক্রমে দলের দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়ার নেপথ্যে কোথাও না কোথাও হাত রয়েছে শুভেন্দু অধিকারী ও দলের বর্তমান সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের। দিলীপ দলের পুরনো লোক। তাঁর হাতেই একদিন সোনালি দিনের মুখ দেখেছিল বাংলার বিজেপি। অথচ সেই দিলীপকেই খাটো করে বিজেপি ভরসা রেখেছে দলবদলু শুভেন্দুতে। তাতে কি বিজেপিমনস্ক জনগণের আস্থাও কোথাও কমেছে বঙ্গ বিজেপির প্রতি? যার ফলাফলই বাংলায় ভুগছে গেরুয়া শিবির? অনেকে অবশ্য মনে করছেন, ২০২৪ ভোটে ধাক্কার পর ফের পুরনো দিলীপেই আস্থা রাখতে চাইবে দল? সে ক্ষেত্রে পুরনো ফর্মে ফিরতে পারবেন তো দিলীপ। যদি তা না হয়, তাহলে কি দলীয় রাজনীতি থেকে বিদায় নিয়ে সঙ্ঘের ছেলে ফের সঙ্ঘেই ফিরে যাবেন? থাকছে সেই প্রশ্নও।

লিখেছেন
Sohini Das
Sohini Das
0 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

আবের কাওয়াস: প্রথম ফিলিস্তিনি-আমেরিকান মুসলিম মহিলা নিউ ইয়র্কের সিনেটে

Aber Kawas: নিউ ইয়র্কের ১২ নম্বর সিনেট ডিস্ট্রিক্ট থেকে জয়ী হয়ে ইতিহাস গড়লেন আবের কাওয়াস। নিউ ইয়র্ক স্টেট আইনসভায় তিনি প্রথম ফিলিস্তিনি-আমেরিকান এবং প্রথম হিজাব পরিহিত মুসলিম মহিলা প্রতিনিধি।

প্রতিবেশীর ধর্ম দেখব না! গির্জায় হামলায় যা বলছে বাসন্তী

Basanti church: গির্জার সদস্য প্রদীপ মণ্ডল ইনস্ক্রিপ্টকে জানিয়েছেন, শনিবার সকাল সাড়ে ১০টা নাগাদ চার্চ অফ নর্থ ইন্ডিয়ার (CNI) বিশপ সুব্রত চক্রবর্তী পার্শ্ববর্তী এলাকার কয়েকটি গির্জার যাজকদের নিয়ে শান্তিপূর্ণ শোভাযাত্রা করে নারায়ণতলার নবনির্মিত গির্জায় পৌঁছন। তাঁদের স্বাগত জানাতে গির্জার ভিতরে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল। প্রার্থনা শুরুর ঠিক আগে ৩০-৩৫ জনের একটি দল জোর করে গির্জায় ঢুকে পড়ে বলে দাবি তাঁর।

পাঁচ খুনের 'বদলা'? এবার গুয়াহাটিতে এনকাউন্টার পুলিশের

Guwahati Encounter: গুয়াহাটিতে হোটেলে ঢুকে পাঁচ জনকে খুনের অভিযোগে ধৃত ঘনকান্ত গগৈ পুলিশের গুলিতে নিহত। পুলিশের দাবি, হেফাজত থেকে পালিয়ে সার্ভিস রিভলভার ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেছিল সে। একই সময়ে মধ্যপ্রদেশের দেওয়াস ও ভোপালে পৃথক এনকাউন্টারে তিন অভিযুক্ত গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। কয়েক দিন আগেই বাংলায় গাইঘাটা ও সামশেরগঞ্জে দুই অভিযুক্তের মৃত্যু হয়েছিল।

আমেরিকার প্রথম মুসলিম সেনেটর, ট্রাম্পের ইসলামবিদ্বেষী প্রচারকে হারিয়ে ইতিহাস গড়লেন আবদুল এল-সায়েদ

Abdul El-Sayed: নির্বাচনের আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং তাঁর দলের একাধিক নেতা এল-সায়েদের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে ইসলামবিদ্বেষী প্রচার চালিয়েছিলেন। তাঁর ধর্মীয় পরিচয়কে সামনে এনে তাঁকে আমেরিকার নিরাপত্তার পক্ষে বিপজ্জনক হিসেবে তুলে ধরার চেষ্টা হয়েছিল।

কেন মিডটার্ম নির্বাচনে ট্রাম্পের ভরাডুবি? এরপর কোন পথে ওয়াশিংটন?

US Midterm Elections 2026: মার্কিন মিডটার্ম নির্বাচনে রিপাবলিকানদের বড় ধাক্কা। কেন ট্রাম্পের ভরাডুবি? এরপর কোন পথে ওয়াশিংটন?

মিডটার্ম নির্বাচন: সংখ্যাগরিষ্ঠ আসন পেতে চলেছে ট্রাম্পের বিরোধী ডেমোক্র্যাটরা

US Midterm Elections 2026: ভোটের লড়াইয়ে ট্রাম্পের রিপাবলিকান পার্টিকে পিছনে ফেলে এগিয়ে যেতে শুরু করেছে বিরোধী ডেমোক্র্যাটরা।

রামলীলার পর কী? কী করবেন বিরোধীরা?

INDIA bloc Unity Under strain: ‘ভোট বাঁচাও, দেশ বাঁচাও’ স্লোগানে ১ নভেম্বর রামলীলা ময়দানে ২১ দল একজোট হলেও মঞ্চ শেষেই ভেতরের টানাপোড়েন স্পষ্ট। বাম নেতাদের বক্তৃতায় প্রাধান্য, ‘ফ্যাসিবাদ’ বিরোধী সুর। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘জাতীয় ভূমিকা’র সতর্কবার্তা। প্রিয়াঙ্কা, সুপ্রিয়া সুলে, সঞ্জয় রাউত বক্তৃতার সুযোগ না পাওয়ায় শরিক-অসন্তোষ।

ট্রাম্পের অভিবাসন নীতিতে বিপাকে ভারতীয়রা, মিডটার্ম নির্বাচনে কতটা প্রভাব পড়বে?

US Midterm Elections 2026: ২০২৬ সালের মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনে ভারতীয় বংশোদ্ভূত ভোটারদের ৬২% ডেমোক্র্যাটদের পক্ষে। ট্রাম্পের এইচ-১বি ভিসা কড়াকড়ি ও অর্থনৈতিক নীতির জেরে ক্ষোভ বাড়ছে বলে জানাল কার্নেগির সমীক্ষা।