প্রযুক্তি-অর্থ-ক্ষমতা, সবেতেই এগিয়ে NASA, তবু কোথায় টেক্কা দিতে পারে ISRO?

Space Research: শুরুর দিকে অবশ্য ISRO নয়, নাম ছিল INCOSPAR অর্থাৎ ইন্ডিয়ান ন্যাশনাল কমিটি ফর স্পেস রিসার্চ।

Ahana Das
৪ মিনিট
প্রযুক্তি-অর্থ-ক্ষমতা, সবেতেই এগিয়ে NASA, তবু কোথায় টেক্কা দিতে পারে ISRO?

সালটা ১৯৪৭, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ঠিক দু’বছর পর। ক্রমাগতই বিতর্ক বেড়ে উঠছিল আমেরিকা ও সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যে। এই দু’টি দেশই দুই মহাশক্তি হয়ে উঠে এসেছিল যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে। আর এই দুই দেশের মধ্যেই রাজনৈতিক মতাদর্শের বিভেদও পাল্লা দিয়ে বাড়তে থাকে। যার ফলে দু’ দেশের মধ্যে শুরু হয় ঠান্ডা যুদ্ধ বা ‘কোল্ড ওয়ার’। বিশ্বযুদ্ধের ঘা মেখেই এই দুই দেশ নিউক্লিয়ার অস্ত্র তৈরির কাজে উঠে পড়ে লাগে। দুই দেশই আন্তঃমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র তৈরিতে ব্যস্ত হয়ে ওঠে। এটি এমন একটি ক্ষেপণাস্ত্র, যার ব্যবহার হবে নিউক্লিয়ার অস্ত্রকে একটি মহাদেশ থেকে অন্য মহাদেশে পৌঁছে দিতে।

সোভিয়েত ইউনিয়ন থেকে আমেরিকা, আবার আমেরিকা থেকে সোভিয়েত ইউনিয়ন এই ICBM-কে এতটা দূরত্ব অতিক্রম করতে মহাকাশে রকেট পাঠানোর প্রয়োজন। এমতাবস্থায় কোনও দেশ যদি এমন প্রযুক্তি আবিষ্কার করতে পারে, যাতে করে মহাকাশে পাড়ি দেওয়া সম্ভব তাহলে সেই দেশ নির্দ্বিধায় পৃথিবীর সব চেয়ে শক্তিশালী দেশ হিসাবে বিবেচিত হবে। এই সম্ভাবনার আভাস পেয়েই দুই দেশই তেড়েফুঁড়ে শুরু করল মহাকাশে পাড়ি দেওয়ার প্রায় অভাবনীয় চিন্তাকে বাস্তবের রূপ দিতে।

১৯৫৫ সাল। আমেরিকা ঘোষণা করল, খুব শিগগিরই মহাকাশে কৃত্রিম উপগ্রহ পাঠাতে চলেছে তারা। এই ঘোষণার কিছুদিনের মধ্যেই সোভিয়েত ইউনিয়নও পালটা ঘোষণা করল তারাও কৃত্রিম উপগ্রহ পাঠাতে চলছে মহাকাশের বুকে। এই ঘোষণার দু’বছর পর অর্থাৎ ১৯৫৭ সালে সোভিয়েত ইউনিয়ন আমেরিকাকে পিছনে ফেলে নিজেদের প্রথম কৃত্রিম উপগ্রহ তৈরি করে ইতিহাসের পাতায় নিজেদের পরিচয় কায়েম করে। এটিই বিশ্বের প্রথম কৃত্রিম উপগ্রহ যার নাম দেওয়া হলো স্পুটনিক। তার ঠিক একমাস বাদেই সোভিয়েত আবারও একটি কৃত্রিম উপগ্রহ মহাকাশে পাঠায়, যার নাম স্পুটনিক ২। তবে এবার একা উপগ্রহ নয়, তার সঙ্গেই মহাকাশে পাড়ি দেয় ছোট্টো প্রাণও, লাইকা। সারমেয় লাইকা মহাকাশে যাওয়া প্রথম প্রাণী হিসেবে রেকর্ড গড়ে।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
সংস্কৃত শিখে গঙ্গার পুজো করেছিলেন বাংলায় প্রথম মসজিদের নির্মাতা এই তুর্কি সেনাপতি!

Zafar Khan Mosque of Bengal: জাফর খান ও তাঁর স্ত্রী ছাড়া আরও দু’টি কবরের দেখা মেলে। সেগুলি জাফর খানের দুই ছেলে আইন খান গাজী এবং ঘাইন খান গাজীর কবর। প্রসঙ্গত, মনে করা হয় জাফর খান গাজীর পুত্রবধূ ছিলেন হুগলির রাজকন্যা।

ঠিক পরের বছরই, অর্থাৎ ১৯৫৮ সালে আমেরিকা নিজের প্রথম স্যাটেলাইট মহাকাশে পাঠায়। যার নাম ছিল ‘এক্সপ্লোরার ১’। এই দুই দেশের মধ্যেই প্রতিযোগিতা এতই চরমে ছিল যে খুব অল্প সময়ের মধ্যেই মহাকাশ বিজ্ঞানের বেশ উন্নতি হয়। ভারতীয় বিজ্ঞানী ড. বিক্রম সারাভাইকে অনুপ্রাণিত করে মহাকাশ বিজ্ঞানের এই প্রযুক্তিগত উন্নতি। বিশেষত স্পুটনিক আবিষ্কার হলে তিনি উপলব্ধি করেন, দেশের উন্নতির জন্য মহাকাশ বিষয়ক গবেষণার আশু প্রয়োজন। ১৯৬২ সালে, শেষমেশ প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহেরুকে এ বিষয়ে রাজিও করিয়ে ফেলেন তিনি। জন্ম নেয় ISRO।

শুরুর দিকে অবশ্য ISRO নয়, নাম ছিল INCOSPAR অর্থাৎ ইন্ডিয়ান ন্যাশনাল কমিটি ফর স্পেস রিসার্চ। প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরু এর সূচনা করেন, যার চেয়ারম্যান হন ড. বিক্রম সারাভাই। প্রথমদিকে স্বাভাবিকভাবেই প্রযুক্তি, পরিকাঠামো এবং সম্পদের অভাবে ভুগতে থাকে ISRO। কিন্তু এত অভাবের মধ্যেও INCOSPAR চালু হওয়ার মাত্র এক বছরের মধ্যে এই সংস্থা মহাকাশে নিজেদের প্রথম রকেট পাঠায়। এর পরে NASA সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেয় INCOSPAR-এর দিকে। এরপর ১৯৬৭ সালে ২০ নভেম্বর INCOSPAR স্বতন্ত্রভাবে নিজেদের রকেট উৎক্ষেপণ করে, যার নাম ছিল রোহিনী ৭৫। এর পর ১৯৬৯ সালের ১৫ অগাস্ট অর্থাৎ স্বাধীনতার ২২ বছর পর INCOSPAR-এর নাম পরিবর্তন করে রাখা হয়ে ISRO।

১৯৭৫ সালে ভারত নিজেদের প্রথম স্যাটেলাইট লঞ্চ করে, যার নাম দেওয়া হয় আর্যভট্ট। যদিও এই বিশেষ মুহূর্তের সাক্ষী হতে পারেননি ড. বিক্রম সারাভাই। তাঁর মৃত্যুর পর চেয়ারম্যান হন সতীশ ধাওয়ান। এরপর ধীরে ধীরে আরও স্বতন্ত্র হয়ে ওঠে ইসরো। এবং ASLV, PSLV, GSLV-র মতো বিভিন্ন স্যাটেলাইট নির্মাণের কাজ চলতে থাকে পুরোদমে। এরপর ১৯৮৩ সালে ইসরো ফের নাসার সাহায্য নেয় INSAT-এর নির্মাণ কার্যে। INSAT-এর মূল উদ্দেশ্য ছিল বেতার তরঙ্গের মাধ্যমে যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে তোলা। এর হাত ধরেই ভারতে টেলিভিশনের সূচনা, আবহাওয়ার পূর্বাভাস জানার গোড়াপত্তন ঘটে এই বেতার তরঙ্গের সাহায্যে।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
আমাদের শরীরে লুকিয়ে প্রাচীন ভাইরাসের জিন! নতুন গবেষণায় তোলপাড় বিশ্বজুড়ে

Viral Genome: নতুন গবেষণা বলছে, মানব-শরীরের ভিতরে থাকা ভাইরাসের অংশবিশেষ বাইরের ভাইরাস দ্বারা আক্রমণের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে সাহায্য করে।

মজার বিষয়, যখন সোভিয়েত ইউনিয়ন ও আমেরিকা নিজেদের মধ্যে প্রতিযোগিতায় ব্যস্ত, সেই সময়ই ভারত ক্রমাগত এই দুই দেশের থেকে সাহায্য নিয়ে মহাকাশ বিদ্যায় নিজের ভিত শক্ত করে চলেছিল। ১৯৮৪ সাল, ফের রেকর্ড গড়ে ভারত। এয়ার ফোর্স অফিসার হয়েও, প্রথম ভারতীয় হিসেবে মহাকাশে পাড়ি দেন রাকেশ শর্মা। সোভিয়েত ইউনিয়নের রকেট Soyuz 11-এই মহাকাশে পাড়ি দেন রাকেশ এবং ৮ দিন সেখানে ছিলেনও।

কেন নাসা মহাকশ বিজ্ঞানের সমস্ত ক্ষেত্রে আজও শীর্ষস্থানে?

প্রথমত, সোভিয়েত ইউনিয়ন ও আমেরিকার মধ্যে তীব্র প্রতিযোগিতার জেরে খুব কম সময়ের সময়েই নাসার আবিষ্কারের তালিকা দীর্ঘ হতে থাকে। দ্বিতীয়ত, নাসা জানিয়েছে তাদের উদ্দেশ্য মানবজাতির জ্ঞানের বৃদ্ধি ঘটানো এবং মহাকাশে মানুষের অস্তিত্ব সৃষ্টি ও বৃদ্ধি করা। অন্যদিকে, কোনও দেশের সঙ্গে প্রতিযোগিতার জেরে তৈরি হয়নি ইসরো। ইসরোর উদ্দেশ্য ছিল মহাকাশ প্রযুক্তিবিদ্যার উন্নয়ন ঘটানো, দেশের উন্নতির জন্য। দুই সংস্থার কাজ এক বিষয়ে, ভিন্ন পথে। প্রযুক্তি নিয়ে পরীক্ষা করার প্রবণতা নাসার বরাবরই বেশি। তৃতীয়ত এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় দুই সংস্থার অর্থনৈতিক তহবিল। যেখানে NASA-র বাজেট ছিল বার্ষিক ২৪ বিলিয়ন, সেখানে ISRO-র খরচের ক্ষমতা ছিল ১.৭ বিলিয়নের কাছাকাছি। সুতরাং, অর্থের জোর NASA-কে আরও বেশি প্রযুক্তি পরীক্ষার সুযোগ দিয়েছে তা বলাবাহুল্য।

কিন্তু এমনও কিছু বিষয়ে আছে যেখানে ISRO এগিয়ে রয়েছে NASA-র থেকে। যেমন, দক্ষতা, সম্পদ এবং খরচের কার্যকাতা। ২০০৫ সালে NASA, XSTEREO নামে একটি সোলার মিশন লঞ্চ করে যার খরচ পড়েছিল ৫৫০ মিলিয়ন ডলার। ISRO একইরকম একটি সোলার মিশনের পরিকল্পনা করেছে যার খরচ পড়বে মাত্র ৫৫ মিলিয়ন ডলার।

অর্থ-উদ্দেশ্য-ক্ষমতা নিয়ে তুলনা চললেও ISRO, NASA বা অন্য কোনও সংস্থাকে নিয়ে আলোচনা করতে গেলে এখন সর্বাগ্রে বিবেচ্য মহাকাশবিদ্যার উন্নয়ন। প্রথম বিশ্ব হোক বা তৃতীয় বিশ্ব, প্রতিযোগিতা নয় সহযোগিতাই যে উন্নয়নের পথ এঁকে দিতে পারে।

লিখেছেন
Ahana Das
Ahana Das
0 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

শেয়ারবাজারে বিনিয়োগের আগে যে ভুলগুলি এড়ানো জরুরি

Stock Market Psychology: শেয়ারবাজারে একজন বিনিয়োগকারীর সবচেয়ে বড় সমস্যা অনেক সময় সে নিজেই। আজকের তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর আর্থিক বাজারে এই পর্যবেক্ষণের গুরুত্ব আরও বেড়েছে। কারণ এখন সমস্যা তথ্যের অভাব নয়, বরং তথ্যের অতিরিক্ত প্রবাহ।

মহাবিশ্বকে বুঝতে গিয়ে সমাজকে ভুলে যাননি অশোক সেন

পিএইচডির প্রথম প্রায় তিন বছর তাঁর গবেষণায় কোনো কাঙ্ক্ষিত অগ্রগতিই হয়নি। চারদিকে শুধু স্থবিরতা। বেশিরভাগ শিক্ষার্থী যেখানে এমন পরিস্থিতিতে ধৈর্য হারিয়ে ফেলেন বা হতাশ হয়ে পড়েন, অশোক সেন তা করেননি।

মেষ নয়, হায়াডিস? ভ্যান গগের ‘স্টারি নাইট’ নিয়ে কী বলছে নতুন গবেষণা?

The Starry Night mystery: এর আগে দীর্ঘকাল ধরে ধারণা করা হতো যে ভ্যান গগের আঁকা ছবিটির উপরের অংশটি মেষ রাশির কোনো তারামণ্ডল। তবে, সায়েন্টিফিক রিপোর্টস জার্নালে প্রকাশিত 'দ্য অ্যাকচুয়াল স্কাই অফ ভ্যান গগস স্টারি নাইট: এ মাল্টিডিসিপ্লিনারি রিঅকনস্ট্রাকশন' নামক গবেষণাটিতে বলা হয়েছে, ভ্যান গগের ছবির কেন্দ্রীয় পাঁচ তারার বিন্যাস মেষ রাশির সঙ্গে নয়, বরং হায়াডিস নক্ষত্রপুঞ্জের সঙ্গে নিখুঁতভাবে মেলে।

ডার্কওয়েবে SBI-র তথ্য ফাঁস, কতটা সুরক্ষিত আপনার সঞ্চয়? যা জানাচ্ছেন সাইবার বিশেষজ্ঞ

সন্দীপ সেনগুপ্তের পরামর্শ, যাঁদের তথ্য ফাঁস হয়েছে বলে আশঙ্কা রয়েছে, তাঁদের আরও সতর্ক হওয়া প্রয়োজন। তিনি এমনকি ব্যাঙ্কে রেজিস্টার্ড মোবাইল নম্বর পরিবর্তন এবং নতুন ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট খোলার কথাও বলেছেন।

আইনস্টাইনের কাল্পনিক পরীক্ষা এবার বাস্তবে, কোয়ান্টাম জগতের কণা-তরঙ্গ রহস্যের কী হলো?

Einstein Bohr quantum debate: সম্প্রতি ১০০ বছর আগের আইনস্টাইনের সেই কাল্পনিক পরীক্ষাটি ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি অব চায়না (USTC)-এর বিখ্যাত কোয়ান্টামবিজ্ঞানী জিয়ান-উই প্যান (Jian-Wei Pan) এবং তাঁর সহকর্মীরা ল্যাবরেটরিতে বাস্তবে রূপ দিয়েছিলেন।

AI-এর যুগে মানুষ কি নিজের বুদ্ধিটাই মেশিনের হাতে তুলে দিচ্ছে?

Artificial Intelligence: ছোটবেলায় অনেকেই ভাবত রোবট এসে মানুষের কায়িক শ্রমের কাজগুলি করে দেবে। মানুষ অবসর পেয়ে গান শুনবে, কবিতা লিখবে কিংবা বারান্দায় বসে কফি খাবে। বাস্তবে দেখা গেল ঠিক তার উল্টো চিত্র। রোবট এখন কবিতা লিখছে, ছবি আঁকছে আর কোড তৈরি করছে। অন্যদিকে মানুষ সকাল থেকে রাত ল্যাপটপের সামনে বসে শিখছে প্রম্পট ইঞ্জিনিয়ারিং।

মহাকাশে রওনা নাসার টেলিস্কোপের, বদলে দিতে পারে মহাবিশ্বকে দেখার দৃষ্টিভঙ্গি?

NASA’s Roman Space Telescope: নাসার নতুন ন্যান্সি গ্রেস রোমান স্পেস টেলিস্কোপ বদলে দেবে মহাবিশ্বকে দেখার দৃষ্টিভঙ্গি? হাবল ও জেমস ওয়েবের পর কেন প্রয়োজন হলো এই নতুন মহাকাশ-চোখের? ডার্ক ম্যাটার, ডার্ক এনার্জি, গ্যালাক্সি ও এক্সোপ্ল্যানেট সম্পর্কে কি নতুন তথ্য দেবে রোমান? মহাবিশ্বের প্রসারণের ইতিহাস বুঝতে কতটা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে এই অত্যাধুনিক টেলিস্কোপ?

সৌরপৃষ্ঠ আসলে কেমন? ৩৩ বছর পর মিলল উত্তর

Sun’s surface mystery: সূর্যের পৃষ্ঠকে এতদিন দূর থেকে তুলোর মতো নরম ও শান্ত দেখালেও, তা কি সত্যিই এমন? বিশ্বের বৃহত্তম সৌর টেলিস্কোপ ড্যানিয়েল কে ইনোয়ের তোলা সর্বোচ্চ-রেজোলিউশনের ছবিতে দেখা গেল ছোট ছোট হিংস্র প্লাজমার ঘূর্ণি। ৩৩ বছর আগে করা জোয়ান কার্পেনের সেই ভবিষ্যদ্বাণী কি অবশেষে সত্যি প্রমাণিত হলো? এই আবিষ্কার কি বদলে দেবে সৌরপৃষ্ঠ সম্পর্কে ধারণা?