সরষের মধ্যেই ভূত! কেন মানুষের আস্থা হারাচ্ছে দেশের সবচেয়ে শক্তিশালী গোয়েন্দা সংস্থা?

সিবিআই-এর তদন্ত অভিযান আদৌ প্রকৃত অনুসন্ধান নাকি প্রহেলিকামাত্র, এমন প্রশ্নকে একেবারেই অবান্তর বলা যায় না।

pampii adhikari
৫ মিনিট
সরষের মধ্যেই ভূত! কেন মানুষের আস্থা হারাচ্ছে দেশের সবচেয়ে শক্তিশালী গোয়েন্দা সংস্থা?

সংগঠনের মাথায় কে থাকবেন, কোন তদন্ত কোন পথে এগোবে, নেতা-মন্ত্রীরাই সব ঠিক করে দেন বলে অভিযোগ দীর্ঘ দিনের। বেছে বেছে নির্বাচনের সময় আচমকা শীতঘুম থেকে জেগে ওঠা, পাঁচিল টপকে বিরোধী নেতার বাড়িতে লম্ফঝম্ফ, শাসকের অঙ্গুলিহেলনেই তাদের যাবতীয় নড়নচড়ন বলেও দাবি করেন নিন্দুকেরা। সেই অভিযোগ বরাবর অস্বীকার করে এলেও, এবার কার্যত নিজের ঘরের লোকই নাম ডোবাল কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার (CBI)। দল বেঁধে চণ্ডীগড়ে এক ব্যবসায়ীর দফতরে ভুয়া তল্লাশি চালানো থেকে তোলাবাবদ ২৫ লক্ষ টাকা দাবি করার অভিযোগ সামনে এসেছে সংস্থার চার আধিকারিকের বিরুদ্ধে। চাকরি থেকে চার জনকে বহিষ্কার করে কোনওরকমে যদিও মুখরক্ষা করেছে সিবিআই, কিন্তু প্রশাসনের অন্দরেই অনেকে বলতে শুরু করেছে যে, নতুন করে নাম ডোবানোর কিছু নেই। এই একটি ঘটনা হয়তো সামনে এল। খবরের শিরোনামে হয়তো জায়গা পায় না এমন কতশত ঘটনা।

ক্ষমতার অপব্যবহার করে ভুয়া তল্লাশি চালানো এবং দুর্নীতির অভিযোগে ওই চার অফিসার, সুমিত গুপ্ত, প্রদীপ রানা, অঙ্কুর কুমার এবং আকাশ আলাওয়াতকে গ্রেফতার করেছে সিবিআই। চাকরি থেকে বহিষ্কারও করা হয়েছে সকলকে। সংস্থার তরফে বলা হয়েছে, যত বড় আধিকারিকই হোন না কেন, দুর্নীতি-সহ কোনও অপরাধ কাউকে ছাড় দেওয়ার প্রশ্নই ওঠে না। যদিও বছর তিনেক আগে সিবিআই-এর এই নিরপেক্ষতা চোখে পড়েনি। সেই সময় সিবিআই-এর তদানীন্তন সিবিআই ডিরেক্টর অলোক ভার্মা নিজের অধস্তন হিসেবে, সিবিআই-এর স্পেশ্যাল ডিরেক্টর পদে রাকেশ আস্থানার নিযুক্তিতে আপত্তি তোলেন। স্টার্লিং বায়োটেক নামের একটি সংস্থার বিরুদ্ধে তছরুপের তদন্তে রাকেশ আস্থানার নাম উঠে আসে। তাঁর বিরুদ্ধে ঘুষবাবদ ৩ কোটি ৮০ লক্ষ টাকা নেওয়ার অভিযোগ ছিল।

কিন্তু অলোক ভার্মার আপত্তি খাটেনি। শাসক দলের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতার সুবাদে দিব্যি পদে আসীন হয়ে যান তিনি। শুধু তাই নয়, সেকেন্ড ইন কম্যান্ড হওয়া সত্ত্বেও অলোক ভার্মার অনুমতির তোয়াক্কা না করে রাকেশ আস্থানা নিজের মতো করে বৈঠক ডাকা থেকে শুরু করে ডিরেক্টরের কাজকর্মও নিজের হাতে তুলে নেন বলে অভিযোগ সামনে আসে। সেই নিয়ে টানাপোড়েন বেশিদিন চাপা থাকেনি। রাকেশে আস্থানার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ নিয়ে প্রকাশ্যেই সরব হন অলোক ভার্মা। পাল্টা তাঁর বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ তোলেন রাকেশ আস্থানাও। সেই নিয়ে সিবিআই-এরঅন্দরেই অন্তর্দ্বন্দ্ব দেখা দেয়।

কিন্তু ১৯৮৪ ব্যাচের গুজরাত ক্যাডারের আইপিএস অফিসার রাকেশ আস্থানা, যিনি অতীতে লালুপ্রসাদ যাদবের বিরুদ্ধে পশুখাদ্য মামলার তদন্ত থেকে ২০০২ সালের গোধরা কাণ্ড, ২০০৮ সালের আমেদাবাদ বিস্ফোরণ কাণ্ড, কংগ্রেস বিশেষ করে অগুস্তা ওয়েস্টল্যান্ড কাণ্ডে গান্ধী পরিবারের ভূমিকার মতো হাই প্রোফাইল মামলার তদন্তভার সামলেছেন, সহজেই অলোক ভার্মার বিরুদ্ধে বাজিমাত করেন। উল্টোদিকে, রাফাল দুর্নীতি নিয়ে তদন্তের দাবি খারিজ না করায় অলোক ভার্মা আগেই কেন্দ্রীয় সরকারের বিরাগভাজন হয়েছিলেন বলে শোনা যায়। ফলে কোপে পড়তে হয় তাঁকেই। মধ্যরাতে তাঁকে ছুটিতে পাঠিয়ে দেওয়া হয় প্রথমে। আইনি লড়াইয়ে যাহবা জবরদস্তি মাথায় চাপিয়ে দেওয়া সেই ছুটি কাটিয়ে কাজে ফেরেন অলোক বর্মা, দিনেরদিনই তাঁকে বদলি করা হয় দমকলের ডিজি পদে।

উপায়ান্তর না দেখে তাই আগাম অবসর নেন তিনি। পরে কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে সরব হন। এমনকী, পেগাসাস স্পাইওয়্যার বসিয়ে তাঁর পাশাপাশি গোটা পরিবারের ফোনে আড়ি পাতার অভিযোগও আনেন। তাতে কাজ হয়নি যদিও। বরং অবসর নেওয়ার পরই তাঁর বিরুদ্ধে রাকেশ আস্থানার তোলা একাধিক অভিযোগের ভিত্তিতে তদম্ত শুরু হয়। শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগে তাঁর বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থার সুপারিশ করে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। অন্য দিকে, অলোক বর্মার নির্দেশে শুরু হওয়া সমস্ত তদন্ত থেকেই নিস্তার পেয়ে যান রাকেশ আস্থানা। বর্তমানে দিল্লি পুলিশের কমিশনার পদে নিযুক্ত তিনি। সংস্থার দুই শীর্ষ আধিকারিকের মধ্যেকার সংঘাত নিরসনেই যেখানে স্বাতন্ত্র্য দেখাতে পারেনি সিবিআই, অন্যত্র তাদের নিরপেক্ষতা এবং বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে স্বভাবতই প্রশ্ন ওঠা স্বাভাবিক।

শুধুমাত্র অন্তর্দ্বন্দ্ব বা অভ্যন্তরীণ দুর্নীতি নয়, তদন্তকারী সংস্থা হিসেবে সিবিআই-এর নিরপেক্ষতা এবং বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে সংশয় বিস্তর। এর মূল কারণ হল প্রশাসন তথা ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত শাসকের পক্ষপাতমূলক আচরণ এবং তদন্তকে প্রভাবিত করতে ক্ষমতার অপব্যবহার। বেশ কয়েকটি হাই প্রোফাইল মামলার দিকে দৃষ্টিপাত করলেই তা স্পষ্ট হয়ে যায়। ন্যাশনাল স্টক এক্সচেঞ্জ দুর্নীতি মামলায় ২০১৮ সাল থেকে তদন্ত করছে সিবিআই। কিন্তু মূল অভিযুক্ত চিত্রা রামকৃষ্ণের ‘পরামর্শদাতা’ সাধু শিরোমণির পরিচয় জানতেই চার বছর কাটিয়ে দেন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা। ২০২২-এর ফেব্রুয়ারিতে জানা যায়, ওই ‘সাধু' আর কেউ নন, ন্যাশনাল স্টক এক্সচেঞ্জেরই প্রাক্তন মুখ্য কার্যনির্বাহী আনন্দ সুব্রহ্মণ্যম। তদন্তের এই শ্লথ গতি নিয়ে আদালতে তিরস্কৃতও হয় সিবিআই। অভিযুক্তদের অপরাধস্থলে নিয়ে গিয়ে তদন্তে ঝাঁপিয়ে পড়ার বদলে দফতরে বসে গোয়েন্দারা 'হাওয়া খাচ্ছিলেন' বলে কটাক্ষ করে আদালত। কিন্তু বিশেষজ্ঞ মহলের দাবি, সব জেনেও এই নিয়ে এতদিন নীরব ছিল কেন্দ্রীয় সরকার। নর্থ ব্লক থেকে তদন্তের গতি বাড়ানোর ইঙ্গিত না পেয়েই সিবিআই গায়ে হাওয়া লাগিয়ে বেড়াচ্ছিল। কিন্তু বছরের শুরু থেকে যেভাবে বিদেশি বিনিয়োগকারীরা ভারতের বাজার থেকে হাজার হাজার কোটি টাকা তুলে নিতে শুরু করেছে, তাতে উদ্বিগ্ন হয়েই কেন্দ্রের তরফে তৎপরতা শুরু হয়, আর তাতেই সিবিআই নড়েচড়ে বসে।

আইএনএক্স মামলাতেও সিবিআই-এর বিরুদ্ধে কেন্দ্রীয় সরকারের হাতের পুতুল হয়ে কাজ করার অভিযোগ ওঠে। ২০১৭-র ফেব্রুয়ারি মাসে কংগ্রেসের সমালোচনার জবাব দিতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে বলতে শোনা যায়, ‘জিভ সামলে রাখুন। আপনাদের ঠিকুজি-কুষ্ঠি আমার হাতে রয়েছে।’ এর একমাস পরই তাঁর উপস্থিতিতে ইজরায়েলে পেগাসাস স্পাইওয়্যার কেনার চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় বলে অভিযোগ।তার তিন মাস পর ২০১৭-র মে মাসে আইএনএক্স মামলায় দেশের প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী তথা বর্ষীযান কংগ্রেস নেতা পি চিদাম্বরমের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করে। বিগত কয়েক বছরে এভাবেই সিবিআই, ইডি, এনআইএ, এনসিবি, আয়কর দপ্তরের মতো সংস্থা সরকারের দলদাসে পরিণত হয়েছে বলে অভিযোগ। সিবিআই এবং ‘র’-র মতো গুপ্তচর সংস্থার প্রধানদের কার কতদিন মেয়াদ হবে, কাকে কখন বরখাস্ত করা হবে, কার মেয়াদ বাড়ানো হবে, রাষ্ট্রপতিকে দিয়ে বিশেষ অর্ডিন্যান্স পাস করিয়ে সেই ক্ষমতাও নিজের হাতে তুলে নিয়েছে কেন্দ্র।

তাই কেন্দ্রের সরকারের তাঁবেদারি করা ছাডা় সংস্থাগুলিরও উপায় নেই বলে মনে করছেন অনেকে। বিশেষ করে বাংলায় সম্প্রতি একের পর এক মামলা সিবিআই-এর হাতে যাওয়ার পিছনেও সিবিআই-কে রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহারের অভিযোগ উঠছে। রাজ্যের তদন্তকারী সংস্থা সিট রিপোর্ট পেশ করার আগেই সিবিআই-এর হাতে কোন যুক্তিতে মামলা তুলে দেওয়া হচ্ছে, সেই নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। এক বছরেরও কম সময়ে বাংলার মতো অন্য কোনও রাজ্যে এত মামলা সিবিআই-এর হাতে যায়নি বলে মেনে নিতে শোনা গিয়েছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকেও। অথচ বাংলার মাটিতে তাপসী মালিক থেকে সারদা, নারদ, কয়লাকাণ্ড, গরুপাচার কাণ্ডের মতো হেভিওয়েট মামলায় গুটিকয়েক নেতা, তাঁদের শাগরেদকে কিছুদিন জেলবন্দি করে রাখার চেয়ে বেশি কিছু করে দেখাতে পারেনি সিবিআই। স্বাভাবিক গতিতে তদন্ত চলার পরিবর্তে সময়বিশেষে জোয়ার-ভাটার মতো ওঠানামা করেছে। প্রায় দু’দশক কাটতে চললেও, আজও বিশ্বভারতী থেকে চুরি যাওয়া রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নোবেল উদ্ধার করতে পারেনি তারা। আবার তদন্তেও ইতি টানেনি।

তাই সিবিআই-এর তদন্ত অভিযান আদৌ প্রকৃত অনুসন্ধান নাকি প্রহেলিকামাত্র, এমন প্রশ্নকে একেবারেই অবান্তর বলা যায় না। তাই কোনওরকম রাখঢাক না করে প্রধান বিচারপতি এনভি রমণাও জানিয়ে দেন, শুরুর দিকে সিবিআই-এর ওপর অগাধ আস্থা ছিল মানুষের। নিরপেক্ষতা এবং স্বতন্ত্রতার প্রতিমূর্তি ছিল সিবিআই। তাই সিবিআই তদন্তের অনুরোধে খাতা ভরেছে সুপ্রিম কোর্টের। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে অন্য সংস্থার মতো সিবিআই-ও মানুষের আস্থা হারিয়েছে। সময়বিশেষে এর অতিসক্রিয়তা এবং নিষ্ক্রিয়তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। কিছু ক্ষেত্রে সিবিআই-এর বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়েও যে প্রশ্ন রয়েছে, সেকথাও স্পষ্ট করে দেন প্রধান বিচারপতি।

লিখেছেন
pampii adhikari
pampii adhikari
0 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

সরবোন থেকে যন্তরমন্তর: যে আগুন বারবার বদলে দেয় পৃথিবীকে

May 1968 France student protests: এই যে ছেলেমেয়েরা যন্তরমন্তরের রাস্তায় স্লোগান দিচ্ছে, ধারাশ্রাবণের ভয় পিছনে ফেলে পার্লামেন্ট স্ট্রিটের দিকে এগিয়ে গেল, দক্ষিণী এক বৃদ্ধ তার ধুতি সামলাতে সামলাতে ছুটছেন তাদের সঙ্গে—কী মনোরম এই বারিপাত! কেমন যেন একটা দুর্দান্ত ফ্ল্যাশব্যাকে ঘুরে গেল সময়।

অঙ্কিতা ভাণ্ডারী মামলা: তিন অভিযুক্তের সাজা হয়েও মেটেনি ‘ভিআইপি’ রহস্য

Ankita Bhandari case highlights :অঙ্কিতার বাবা-মা অভিযোগ করেছেন, গৌতমই সেই ভিআইপি, যিনি তাঁদের মেয়েকে হত্যার ষড়যন্ত্রে জড়িত ছিলেন। তাঁরা রাষ্ট্রপতির কাছে গৌতমের রাজ্যপাল নিয়োগকে চ্যালেঞ্জ করে আদালতে গিয়েছেন, এই যুক্তিতে যে এই ‘ভিআইপি’কে কোনো পদে বহাল থাকার অনুমতি দেওয়ার আগে সিবিআই তদন্ত শেষ হওয়া উচিত।

জিডিপির বাইরে উন্নয়নের হিসাব, ভারতের অর্থনীতিকে অন্য চোখে দেখতে শিখিয়েছেন জঁ দ্রেজ

Economist Jean Drèze: দিল্লিতে সিজেপি বিক্ষোভের সময় পুলিশ আটক করল অর্থনীতিবিদ জঁ দ্রেজকে। অমর্ত্য সেনের সহযোগী এই অর্থনীতিবিদ MGNREGA ও জাতীয় খাদ্য সুরক্ষা আইনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন। ২০২৬- এ পেয়েছেন গ্লোবাল ইনইকুয়ালিটি রিসার্চ অ্যাওয়ার্ড।

জ্ঞানেশ বিরোধী আন্দোলন: তারুণ্য যা শেখালো ইন্ডিয়া জোটকে

Youth Protests and Opposition Unity: সংসদীয় রাজনীতিতে যেখানে প্রবীণ নেতারা ঐক্যের পথ খুঁজতে গিয়ে হোঁচট খাচ্ছিলেন, সেখানেই নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে ভোটার তালিকা ও বিভিন্ন অনিয়ম সংক্রান্ত ক্ষোভকে কেন্দ্র করে রাজপথে নামা তরুণ প্রজন্ম বিরোধীদের নতুন করে এক ছাতার তলায় আসার পথ তৈরি করছে।

কেন তুলে দিতে হচ্ছে মাদ্রাসা কমিশন? প্রশ্ন শিক্ষামহলের

West Bengal decides to merge Madrasah Service Commission: ১৩ অক্টোবর ২০২৬ জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ৫ অক্টোবরের মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১৯৯৭ সালের পশ্চিমবঙ্গ স্কুল সার্ভিস কমিশনের সঙ্গে মাদ্রাসা সার্ভিস কমিশনকে একীভূত করার উদ্যোগ নিয়েছে রাজ্য সরকার।

আমার উৎসব, ওঁদের আরও একটা দীর্ঘ কাজের দিন

Durga Puja for Gig Workers: গিগ কর্মীদের দুর্গাপুজোর চার দিন কীভাবে কাটে? বাড়তি উপার্জনের আশায় ব্যক্তিগত আনন্দ, উৎসবের আমেজ আর প্রিয়জনদের সঙ্গে কাটানোর সময় থেকে কতটা বিসর্জন দিতে হয় তাঁদের?

বাংলাদেশে রবীন্দ্র-বিরোধিতা নিয়ে কী বলছেন বুদ্ধিজীবীরা?

Tagore graffiti vandalism Bangladesh: বাংলাদেশে কেন টার্গেট রবীন্দ্রনাথ? বুদ্ধিজীবীরা কী বলছেন?

রবীন্দ্রনাথ সত্যিই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করেছিলেন?

The Tagore Myth: ঢাকার শিল্পকলা একাডেমির সামনে রবীন্দ্রনাথের গ্রাফিতিতে চুনকালি দেওয়ার ঘটনায় জামায়াতে ইসলামীর দাবি, 'রবীন্দ্রনাথ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় চাননি।' ফ্যাক্ট-ওয়াচ ও প্রয়াত অধ্যাপক আনিসুজ্জামানের মতে, দাবিটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। ইতিহাসের তথ্য ও তর্কের পরিপ্রেক্ষিতে, দেখে নেওয়া যাক, এই দাবিগুলি কতটা মিথ, কতটা মিথ্যা।