মস্কোয় মোদি! হিংসাদীর্ণ মণিপুরে বিধ্বস্তদের পাশে সেই রাহুলই

Rahul Gandhi at Manipur: ইতিমধ্যেই মণিপুরের জিরিবামে পৌঁছেছেন রাহুল। সেখানকার একটি ত্রাণ শিবিরেও যান তিনি। হিংসা ছড়ানোর পর থেকে যেখানে রয়েছেন অসংখ্য বাস্তুচ্যুত মেইতেই সম্প্রদায়ের মানুষ।

Sohini Das
৪ মিনিট
মস্কোয় মোদি! হিংসাদীর্ণ মণিপুরে বিধ্বস্তদের পাশে সেই রাহুলই

জাতিহিংসায় উত্তাল মণিপুরে ফের পৌঁছে গেলেন বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধি। বছর ঘুরলেও পায়ের ধুলো পড়েনি প্রধানমন্ত্রীর নরেন্দ্র মোদির। ভোট ঘুরে নতুন সরকার গঠন হয়েছে। লোকসভা ভোটে মণিপুরে আশানুরূপ ফল তো দূরের, কার্যত উত্তর-পূর্বের ছোট্ট রাজ্যটি প্রত্যাখ্য়ান করেছে বিজেপি সরকারকে। তার পরেও টনক নড়েনি মোদি সরকারের। লোকসভা অধিবেশনে একের পর এক বিরোধী সাংসদদের সমালোচনার মুখে পড়েছেন, মণিপুরের কংগ্রেস সাংসদ ক্ষোভে ফেটেছেন, তবে তাতেও কিছু আসে যায়নি গেরুয়া শিবিরের। মোদি তৃতীয়বার প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর থেকে একের পর এক বিদেশ সফর সেরে চলেছেন। কখনও ইটালি, তো কখনও রাশিয়া। কিন্তু নিজের দেশের ছোট্ট রাজ্য মণিপুরের জন্য কোনও উদ্বেগ নেই প্রধানমন্ত্রী। সেখানে যাওয়ার সময় এখনও পর্যন্ত করে উঠতে পারেননি তিনি। সেই নিয়েই বিরোধীদের বারবার তোপের মুখে পড়তে হয়েছে নরেন্দ্র মোদিকে।

প্রায় এক দশক পরে বিরোধী দলনেতা পেয়েছে সংসদ। সেখানে মণিপুরের বর্তমান পরিস্থিতির জন্য প্রধানমন্ত্রীকেই দুষেছেন রাহুল গান্ধি। কংগ্রেস নেতার দাবি, মণিপুর বিজেপির নীতি এবং রাজনীতির জন্যই ছাড়খার হয়ে গিয়েছে। অথচ বিজেপি এমন ভাব করছে, যেন মণিপুরে কিছুই নেই। বারবার তিনি প্রধানমন্ত্রীকে অনুরোধ করেন, যাতে তিনি মণিপুরে একটি বার যান। মোদি যাননি। তবে গিয়েছেন রাহুল। চলতি বছরের গোড়ায় মণিপুর থেকেই ভারত জোড়ো ন্যায় যাত্রা শুরু করেছিলেন রাহুল। সেখানকার মানুষের অবস্থা নিজের চোখে দেখেছিলেন, শুনেছিলেন নিজের কানে তাঁদের কথা। ফের একবার মণিপুরে রাহুল। বিরোধী দলনেতা নির্বাচিত হওয়ার পর এটাই তাঁর প্রথম মণিপুর সফর।

গত বছর মে মাসে হিংসায় উত্তাল হয়ে উঠেছিল মণিপুর। মেইতেই আর কুকিদের সংঘর্ষে প্রাণ গিয়েছে অন্তত আড়াইশো জনের। জখম ১৫ হাজারেরও বেশি। অসংখ্য মেয়ের সম্মান নিয়ে ছিনিমিনি খেলা হয়। ঘরবাড়ি ছেড়ে পালিয়ে যেতে বাধ্য় হন অসংখ্য মানুষ। এখনও মণিপুরে গৃহহীন প্রায় ৬০ হাজার মানুষ। লোকসভা অধিবেশনে মণিপুরের কংগ্রেস সাংসদ অঙ্গোমচা বিমল অকোইজম তাঁর ভাষণে উল্লেখ করেছেন সেই তথ্য। বিরোধীদের একের পর এক অভিযোগ সত্ত্বেও মোদির মুখ থেকে শোনা গিয়েছে মণিপুর সম্পর্কে মাত্র দু-একটি কথা। ভোটের আগেও তিনি দাবি করেছিলেন, মণিপুরে শান্তি ফিরেছে। তার কৃতিত্বও তিনি দিয়েছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ও বিজেপি শাসিত মণিপুরের মুখ্যমন্ত্রী বীরেন সিংকে। রাজ্যসভায় ভাষণ দিতে উঠে তিনি আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে এ-ও বলেন,মণিপুর নিয়ে যাঁরা ঘৃতাহুতি দিচ্ছেন, মণিপুর একদিন নাকি তাঁদের প্রত্যাখ্যান করবে। এ-ও দাবি করেন, বিজেপি নাকি মণিপুরে শান্তি ফেরাতে ক্রমাগত কাজ করে চলেছে।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
মণিপুর নিয়ে লাগাতার প্রশ্ন রাহুল-মহুয়াদের! বাধ্য হয়েই দায়সারা উত্তর মোদির?

Modi on Manipur: লোকসভা ভোটের আগে-পরে মণিপুর নিয়ে মুখ খোলেননি প্রধানমন্ত্রী। অবশেষে বিরোধীদের চাপে বুধবার সংসদে শেষপর্যন্ত মুখ খুলতে বাধ্য হয়েছেন নরেন্দ্র মোদি।

প্রধানমন্ত্রীর এ সমস্ত মিথ্যাভাষণের মধ্যেই ফের মণিপুরে রাহুল গান্ধি। ২০২৩ সালে হিংসা উস্কে ওঠার পরেও তিনি পৌঁছেছিলেন মণিপুরে। তার পরে ভারত জোড়ো যাত্রার সময় মণিপুরে পৌঁছয় তার কনভয়। এবং বিরোধী দলনেতা হয়ে আরও একবার। সেই হিসেবে এই নিয়ে তিন বার মণিপুর সফরে গেলেন রাহুল। ইতিমধ্যেই মণিপুরের জিরিবামে পৌঁছেছেন রাহুল। সেখানকার একটি ত্রাণ শিবিরেও যান তিনি। হিংসা ছড়ানোর পর থেকে যেখানে রয়েছেন অসংখ্য বাস্তুচ্যুত মেইতেই সম্প্রদায়ের মানুষ। তাদের সঙ্গে দেখা করে কথা বলেন রাহুল। তাঁদের দাবিদাওয়া থেকে শুরু করে সুবিধা-অসুবিধা জানার চেষ্টা করেন। মণিপুরে যাওয়ার আগে অসমে গিয়েছিলেন বিরোধী দলনেতা। সেখানে বাস্তুচ্যুত কুকিদের শরণার্থী শিবিরটি ঘুরে দেখেন। অসমে বন্যা পরিস্থিতির জন্য বহু বিপর্যস্তই ওই ত্রাণ শিবিরটিতে এসে আশ্রয় নিয়েছেন। এরই মধ্যে সোমবার ভোরে জিরিবামের গুলরথাল এলাকায় অজ্ঞাত পরিচয় বন্দুকবাজদের সঙ্গে গুলিবিনিময় হয় নিরাপত্তা বাহিনীর। তবে সেই অশান্তির পরোয়া না করেই সোমবার রাহুল পৌঁছন মণিপুরে। নিজের চোখে প্রত্যক্ষ করেন রাজ্যের পরিস্থিতি।

অসমের কাছাড় জেলার কুম্ভিগ্রাম বিমানবন্দর থেকে সড়কপথে মণিপুরের জন্য রওনা হন তিনি। মণিপুর যাওয়ার পথে লখিপুরের বন্যাত্রাণ শিবিরও যান তিনি। এদিন বেলায় রাহুল পৌঁছবেন চুরাচাঁদপুর ও বিষ্ণুপুরের মইরাংয়ের ত্রাণশিবিরগুলোয়। তেমনটাই কথা রয়েছে। অশান্তির সময় হিংসার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছিল ওই জায়গাগুলি। এদিন সন্ধে বেলার দিকে মণিপুরে নির্বাচিত সংসদদের সঙ্গে দেখা করার কথা রয়েছে রাহুলের। মণিপুর সংকট নিয়ে নিয়ে সে রাজ্যের রাজ্যপাল অনুসুইয়া উইকেইয়ের সঙ্গেও আলোচনায় বসার কথা রয়েছে কংগ্রেস নেতার।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
মণিপুরে চুপ থাকা মানে মেরি-রতন থিয়ামদের অপমান করা! মোদির উদ্দেশ্যে মণিপুরের সাংসদ

Lok Sabha Session 2024: মণিপুরের পরিস্থিতি নিয়ে মোদি সরকারকে তীব্র আক্রমণ করেন সে রাজ্যের সাংসদ আঙ্গোমচা বিমল আকোইজাম। রাজ্যের ভয়াবহ ট্র্যাজেডির নীরব দর্শক হয়ে থেকেছে মোদি সরকার, সেই অভিযোগও তোলেন তিনি।

মণিপুর প্রসঙ্গে উত্তাল হয়ে উঠেছিল সাম্প্রতিক এই লোকসভা অধিবেশন। প্রধানমন্ত্রী বক্তৃতা দিতে উঠলে বিরোধীদের 'মণিপুর' 'মণিপুর' স্লোগানে কেঁপে উঠেছিল সংসদ। তার পরেও মণিপুরের জন্য অতিরিক্ত একটাও শব্দ খরচ করতে চাননি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বিরোধীদের চাপে গা বাঁচানোর মতো দু-একটা কথা বলেই মুখে কুলুপ এঁটেছেন তিনি। এই মুহূর্তে রাশিয়া গিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানে গিয়ে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে বৈঠকের কথা রয়েছে তাঁর। দু-দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক ছাড়াও যে ইউক্রেন যুদ্ধের কথা উঠে আসতে চলেছে তাঁদের আলোচনায়, তাতে সংশয় নেই। অথচ নিজের দেশের ক্ষুদ্র একটি রাজ্যের অশান্তি নিয়ে মাথাব্যথা নেই বিজেপির। এদিন মণিপুর সফরে গিয়ে সেই বিষয় নিয়েই ফের তোপ দাগেন বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধি। ভোটের আগে নিজের অযোনীজাত এবং ভগবানের সৃষ্টি বলে দাবি করে বেশ হইচই ফেলে দিয়েছিলেন মোদি। সেই বিষয়টি নিয়ে বারবার কটাক্ষ করতে দেখা গিয়েছে বিরোধীদের। এবারের লোকসভা অধিবেশনেও প্রধানমন্ত্রীকে বারবার 'নন-বায়োলজিক্যাল' বলে কটাক্ষ করেছেন রাহুল। এদিন কংগ্রেস নেতা জয়রাম রমেশ নিজের এক্স হ্যান্ডলে দাবি করেছেন, "দেশের 'নন-বায়োলজিক্যাল' প্রধানমন্ত্রী যখন মস্কো যান, তখন বিরোধী দলনেতা যান অসম এবং মণিপুরের দিকে।" লোকসভা ভোটের আগে বিজেপি বেশ কিছু প্রচারমূলক বিজ্ঞাপনে দাবি করেছিল, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি নাকি ইউক্রেন-রাশিয়ার যুদ্ধ থামিয়ে দিয়েছেন। সেই বিজ্ঞাপন নিয়েও বহু দিন ধরে কটাক্ষ করে আসছে কংগ্রেস। এদিন কংগ্রেস নেতা জয়রাম রমেশ ফের সেই বিজ্ঞাপনের কথা তুলে ধরে বিজেপির বিরুদ্ধে তোপ দাগেন।

পাল্টা সোশ্যাল মিডিয়ায় তোপ দেগেছে বিজেপিও। রাহুল গান্ধির এই অসম ও মণিপুর সফরকে 'সিক ট্র্যাজেডি টুরিজম' বলেও কটাক্ষ করেন তারা। কংগ্রেস আমলে মণিপুরের অশান্তির কথা উল্লেখ করে তারা বিরোধী দলকে চাপে ফেলারও চেষ্টা করেছে সর্বৈব ভাবে। এবার লোকসভা অধিবেশনে রাহুল গান্ধিকে 'বালক-বুদ্ধি' বলে খোঁচা দিয়েছেন মোদি। সেই শব্দবন্ধ ব্যবহার করেই বিজেপি নেতারা পাল্টা তোপ ফিরিয়ে দিয়েছেন রাহুলকে। গত কয়েক দিন ধরে দিল্লির বিভিন্ন প্রান্তে ঘুরে ঘুরে শ্রমিকদের সঙ্গে দেখা করেছেন রাহুল। তাঁদের কাজে হাত লাগিয়েছেন। বোঝার চেষ্টা করেছেন তাঁদের আর্থিক ও সামাজিক সমস্যাগুলিকে। একেবারে তৃণমূল স্তরে নেমে দারিদ্রসীমার নীচে থাকা এবং কায়িক শ্রমের মাধ্যমে উপার্জন করা মানুষকে বোঝার চেষ্টা করছেন রাহুল। তার পরেই তাঁর এই মণিপুর সফর।

লিখেছেন
Sohini Das
Sohini Das
0 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

এসআইআর: বিশুদ্ধ ভোটার তালিকা তৈরির নামে যা পেল বাঙালি

Real Effect of SIR in bengal: ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় পশ্চিমবঙ্গে ৯১ লক্ষ ভোটার বাদ যান, যারা ছিলেন মোট ভোটারের ১২ শতাংশ। যাদের মধ্যে ৩৪% ছিলেন মুসলিম , নারীরা সংখ্যায় ছিলেন ৬১.৮%, এছাড়াও ছিলেন, মতুয়া ও রাজবংশী সম্প্রদায়ের মানুষেরা, যারা অসামঞ্জস্যপূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন। ফর্ম-৭-এর অপব্যবহার, অ্যালগরিদম-নির্ভর যাচাই, ১৯টি আপিল ট্রাইব্যুনালে ১ লক্ষ মামলা, সব মিলিয়ে ২০২৬-এর ভোটে যোগ্য নাগরিকরাও বাদ পড়েছিলেন।

‘সব নির্বাচনেই কারচুপি’, কেন এমন দাবি রাহুল গান্ধীর?

Rahul Gandhi election rigging claim: রাহুল গান্ধী কেন দাবি করলেন, ভারতের সব নির্বাচনেই কারচুপি হচ্ছে? নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে কী প্রশ্ন তুলেছেন তিনি? সরকারবিরোধী মনোভাব বা অ্যান্টি-ইনকামবেন্সি কীভাবে ভোটের রাজনীতিতে কাজ করে? তাঁর অভিযোগের পক্ষে কী কী তথ্য ও প্রমাণ তুলে ধরা হয়েছে?

সিজেপির তিন দাবি, জ্ঞানেশ কুমার না সরলে ফের বড় আন্দোলন

Election Commission of India: নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা, নির্বাচন পরিচালনার পদ্ধতি এবং ২০২৩ সালের আইনের বৈধতা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের কাছে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি জানিয়েছে সিজেপি। তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ, নির্বাচন প্রক্রিয়া স্থগিত করা এবং ২০২৩ সালের নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ সংক্রান্ত আইন প্রত্যাহার।

থানার গেটেই মারধর প্রাক্তন আইপিএস হুমায়ুন কবীরকে, সাধারণ মানুষ কতটা নিরাপদ?

Humayun Kabir: ঘটনার পর এখনও পর্যন্ত তিনি কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের করতে পারেননি বলেও জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, শারীরিক অসুস্থতার কারণে তখন অভিযোগ করা সম্ভব হয়নি। সুস্থ হয়ে তিনি লিখিত অভিযোগ করবেন।

দুই কমিশনারের আপত্তিতে ফের আলোচনায় সীমা খান্না, কমিশনে ঠিক কী দায়িত্ব তাঁর?

Seema Khanna and ECINet: ভোটার তালিকা ও ইসিআইনেট (ECINet) নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক। দুই নির্বাচন কমিশনারের আপত্তিতে সামনে এসেছে আইটি বিভাগের ভূমিকা এবং ডিরেক্টর জেনারেল (IT) সীমা খান্নার নাম। কে এই সীমা খান্না? নির্বাচন কমিশনে তাঁর দায়িত্ব কী? ভোটার তালিকা পরিচালনায় তাঁর ভূমিকা নিয়েই বা কেন উঠছে প্রশ্ন?

সরকারকে ৪ দিনের সময়সীমা বেধে দিল চা-শ্রমিকরা, ঠিক কী কী দাবি?

Dooars tea workers: ২২ সেপ্টেম্বর বকেয়া মজুরি ও অন্যান্য পাওনা মেটানোর দাবিতে হাঁটাপাড়া, ধুমচিপাড়া ও গারগান্ডার চা-শ্রমিকরা মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পদযাত্রা শুরু করেন। একই দিনে তোর্সার প্রস্তাবিত ল্যান্ড পোর্ট প্রকল্পে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষও জমি ও অধিকার রক্ষার দাবিতে পদযাত্রা করেন। দুই পদযাত্রাই পুলিশ আটকে দেয়।

বিশাখাপত্তনমে গুগলের ডেটা সেন্টার: ডিজিটাল উন্নয়নের দাম দেবে জল ও পরিবেশ?

Digital Thirst of vizag ai data centres: গুগল-আদানি-এয়ারটেলের যৌথ উদ্যোগে বিশাখাপত্তনমে গড়ে উঠছে ১ গিগাওয়াটের এআই ডেটা সেন্টার, বিনিয়োগ ১.২৫ লক্ষ কোটি টাকা। কিন্তু শহরের জলসংকট, কাম্বালাকোন্ডা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যের নৈকট্য আর পরিবেশবাদীদের বিক্ষোভ এই প্রকল্পকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে। 'স্টপ বিশাগ ডেটা সেন্টারস'-এর ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট পর্যন্ত নিষিদ্ধ করেছে ভারত সরকার।

এসআইআর নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরেই আপত্তি, ১০ মাসে দুই কমিশনারের ১৪ বার প্রশ্ন

Election Commission SIR: এসআইআর ঘিরে নির্বাচন কমিশনের অন্দরেই তৈরি হয়েছে মতপার্থক্য। গত ১০ মাসে দুই নির্বাচন কমিশনার ১৪ বার আপত্তি জানিয়েছেন বলে দাবি দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস-এর এক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে। ফর্ম ৬ বদল, ভোটার তথ্যভান্ডারের কেন্দ্রীয়করণ, পশ্চিমবঙ্গের আপিল এবং প্রযুক্তিগত ব্যবস্থাপনা নিয়েও উঠেছে একাধিক প্রশ্ন। ভোটার তালিকা সংশোধনের প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও আইন মেনে চলার বিষয়টি ফের আলোচনায়।