ধূপগুড়ি ছিনিয়ে নিল তৃণমূল! বিজেপির দখল কি তবে দুর্বল হচ্ছে উত্তরবঙ্গে?

Dhupguri Bypoll Result 2023: গত বিধানসভা নির্বাচনের পর থেকে একটি উপনির্বাচনেও জিততে পারেনি বিজেপি।

inscript
৩ মিনিট
ধূপগুড়ি ছিনিয়ে নিল তৃণমূল! বিজেপির দখল কি তবে দুর্বল হচ্ছে উত্তরবঙ্গে?

২০২৪-এ কে? এই প্রশ্নের উত্তর খোঁজার বুনিয়াদি ধাপ ছিল ছয়টি রাজ্যের সাতটি বিধানসভা আসনের উপনির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার দিনটি। সারা দেশ এনডিএ আর ইন্ডিয়া দ্বন্দ্বে বিভক্ত। এরই মাঝে এই উপনির্বাচনগুলিকে এই বছরের শেষের দিকে পাঁচটি রাজ্যের বিধানসভা এবং ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনের আগে বড় একটি পরীক্ষা হিসেবেই দেখা হচ্ছিল। এই ফলাফলের উপরে অনেকটাই নির্ভর করছে বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ-র বিরুদ্ধে বিরোধী জোট ইন্ডিয়া আদৌ ততটা বড় সঙ্কট তৈরি করতে পারবে কিনা। বিজেপি যে নিশ্চিন্তে ঘুমোতে পারবে না তা খানিক প্রমাণ করে দিয়েছে বাংলাই। সাতটি বিধানসভা আসনের মধ্যে রয়েছে, উত্তরাখণ্ডের বাগেশ্বর, উত্তরপ্রদেশের ঘোসি, কেরলের পুথুপ্পল্লী, পশ্চিমবঙ্গের ধূপগুড়ি, ঝাড়খণ্ডের ডুমরি এবং ত্রিপুরার বক্সানগর ও ধনপুর। এই আসনগুলিতে ৫ সেপ্টেম্বর ভোটগ্রহণ হয়েছে। ফলাফল ঘোষণা হতেই দেখা যায় ধূপগুড়ি আসনটি ছিনিয়ে নিয়েছে তৃণমূল!

উত্তরপ্রদেশের ঘোসি নির্বাচনী এলাকায় ভোট পড়েছিল মাঝারি, ৫০.৭৭%। ঝাড়খণ্ডের ডুমরিতে ২.৯৮ লাখ ভোটারের মধ্যে মোট ৬৪.৮৪% মানুষ ভোট দিয়েছিলেন। সাতটি আসনের মধ্যে তিনটি ছিল বিজেপির দখলে। ধনপুর, বাগেশ্বর এবং ধূপগুড়ি। একটি করে আসন ছিল সমাজবাদী পার্টি (ঘোসি), সিপিআই(এম) (বক্সানগর), জেএমএম (ডুমরি) এবং কংগ্রেসের (পুথুপ্পল্লী)। বিজেপির হাতে থাকা ধূপগুড়ি বিধানসভা কেন্দ্রটি উপনির্বাচনে চলে এল শাসকদল তৃণমূলের কাছে। বিজেপি প্রার্থী তাপসী রায়কে ৪,২১৩ ভোটে হারিয়ে জিতলেন শাসকদল তৃণমূলের নির্মলচন্দ্র রায়। পোস্টাল ব্যালট এবং প্রথম কয়েক রাউন্ডের গণনায় বিজেপি এগিয়ে থাকলেও ধীরে ধীরে ব্যবধান কমতে থাকে তৃণমূলের।

I thank the people of Dhupguri for reposing faith in us and voting decisively in our favour in the critical by-election to the Assembly constituency.

People in North Bengal have been with us, and trust our strategy of growth, inclusiveness and empowerment.

Bengal has shown its…

— Mamata Banerjee (@MamataOfficial)

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
'ইন্ডিয়া' বদলে 'ভারত'! কেন দেশের নাম বদলাতে মরিয়া বিজেপি?

India Renamed Bharat: বিজেপির মূল বক্তব্য হচ্ছে, ব্রিটিশরা ভারতের নাম পরিবর্তন করে ইন্ডিয়া করে।

২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে এই ধূপগুড়ি আসনে জয়ী হন বিজেপির বিষ্ণুপদ রায়। তাঁর মৃত্যু হওয়ায় উপনির্বাচনের প্রয়োজন পড়ে। এই আসনের ভোটারদের বড় অংশই রাজবংশী। তাই তিন রাজবংশী প্রার্থী নামেন সরাসরি লড়াইয়ে। তৃণমূলের প্রার্থী হন অধ্যাপক নির্মলচন্দ্র রায়। কংগ্রেস সমর্থিত সিপিএম প্রার্থী হন ভাওয়াইয়া গানের শিল্পী তথা প্রাক্তন শিক্ষক ঈশ্বরচন্দ্র। আর বিজেপির প্রার্থী হন কাশ্মীরে নিহত জওয়ানের স্ত্রী তাপসী রায়।

গত বিধানসভা নির্বাচনের পর থেকে একটি উপনির্বাচনেও জিততে পারেনি বিজেপি। বিধানসভা ভোটে দিনহাটা এবং শান্তিপুর আসন জিতলেও উপনির্বাচনে হার হয়। রাজ্যে একের পর এক উপনির্বাচনে তৃণমূলের জয়ই হয়েছিল। একমাত্র সাগরদিঘিতে জিতেছিল কংগ্রেস। তবে সেই জয়ের আনন্দ কংগ্রেস পুরোপুরি উপভোগ করার আগেই বিধায়ক বাইরন বিশ্বাস তৃণমূলে যোগ দিয়ে ফেলেন।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
এনডিএ বনাম ইন্ডিয়া, দেশের নামে বিজেপির আসন টলাতে পারবে কি বিরোধী মহাজোট?

NDA VS INDIA: ২০২৪ লোকসভা ভোটে বিজেপির বিরুদ্ধে বিরোধীদের ব্রহ্মাস্ত্র 'ইন্ডিয়া'। ইন্ডিয়ান ন্যাশনাল ডেভেলপমেন্টাল ইনক্লুসিভ অ্যালায়ান্স, যেখানে এক ছাদের তলায় এসেছে অন্তত ২৬টি বিজেপি বিরোধী দল।

সপ্তম রাউন্ডের শেষে দেখা যায় ধূপগুড়ির তৃণমূলের প্রার্থী পেয়েছেন ৭২ হাজার ৪৪০ ভোট। আর বিজেপি প্রার্থী পেয়েছেন ৬৯ হাজার ৫০৯ ভোট। সিপিএম প্রার্থীর প্রাপ্ত ভোট ১০ হাজারের সামান্য বেশি। ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে বিজেপির জয়ন্ত রায় জলপাইগুড়ি আসনে ১,৮৪,০০৪ ভোটে জেতেন। ধূপগুড়ি বিধানসভাতেও বিজেপিই এগিয়ে ছিল। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি জেতে ৪,৩৫৫ ভোটে। তৃণমূল পেয়েছিল ৪৩.৭৫ % ভোট। এবারের পঞ্চায়েত নির্বাচনে সমীকরণ বদলে গেছে বেশ। তৃণমূলের ভোট আর সিপিএমের ভোট বাড়ার ঘটনা ঘটেছে।

তবে উত্তরাখণ্ডের বাগেশ্বর বিধানসভা উপনির্বাচনে জিতেছেন বিজেপির পার্বতী দাস। বিজেপির পার্বতী দাস কংগ্রেসের বসন্ত কুমারকে ২,৪০০ ভোটে হারিয়েছেন। পার্বতী দাস পেয়েছেন ৩৩,২৪৭ ভোট পেয়েছেন এবং বসন্ত কুমার পেয়েছেন ৩০,৮৪২ ভোট।

ঝাড়খণ্ডের ডুমরি উপনির্বাচনে জয়ী হয়েছেন ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চার প্রার্থী বেবি দেবী। জেএমএম প্রার্থী বেবি দেবী AJSU-P-এর যশোদা দেবীকে হারিয়ে ঝাড়খণ্ডের ডুমরি আসনটি ১৭০০০ ভোটে জিতেছেন। গণনা শেষ হওয়ার পরে দেখা যায়, বেবি পেয়েছেন ১,৩৫,৪৮০ টি ভোট। যশোদা পেয়েছেন ১,১৮,৩৮০ টি ভোট। বেবি ছিলেন জেএমএম-কং-আরজেডি, ইন্ডিয়া ব্লকের প্রার্থী। তাঁর স্বামী জগন্নাথ মাহতো ছিলেন হেমন্ত সোরেনের মন্ত্রিসভার মন্ত্রী। তাঁর মৃত্যুর পরেই আসনটি শূন্য হয়।

ত্রিপুরায় কমিউনিস্টদের রাস্তা শেষ। উপনির্বাচনে জয়ের পর সদর্পে ঘোষণা করেছে বিজেপি। ত্রিপুরার ধনপুর এবং বক্সানগর বিধানসভা আসনের উপনির্বাচনে বিজেপি জিতেছে, এককালে বামদুর্গ ছিল এই এলাকাগুলি। ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) তফাজ্জল হোসেন বক্সনগর আসনে ৩০,২৩৭ ভোটে জয়ী হয়েছেন, যেখানে প্রায় ৬৬ শতাংশ সংখ্যালঘু ভোটার রয়েছেন। তাফাজ্জল হোসেন পেয়েছেন ৩৪,১৪৬ ভোট এবং ভারতের কমিউনিস্ট পার্টির (মার্কসবাদী) মিজান হোসেন পেয়েছেন ৩,৯০৯ ভোট।

পুথুপ্পল্লী উপনির্বাচনে ইউডিএফ-এর চান্ডি ওমেন জয়ী হয়েছেন। বিরোধী কংগ্রেস-ইউডিএফের প্রার্থী চান্ডি ওমেন উপনির্বাচনে ৩৬,০০০ ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন। সিপিআই(এম)-এর নেতৃত্বাধীন এলডিএফ প্রার্থী জ্যাক সি থমাস ছিলেন বেশ পিছিয়ে। আর গোটা ছবিতেই ছিলেন না বিজেপি প্রার্থী লিজিন লাল।

লিখেছেন
inscript
inscript
16 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

EXCLUSIVE: শেষদিকে দল পরিচালনায় গ্যাপ ছিল, অভিষেকের অফিসও ঠিকঠাক ম্যানেজ করা হয়নি: কুণাল

Kunal Ghosh on Abhishek Banerjee: ইন্সক্রিপ্টের ‘অনিন্দ্য এবং’ পডকাস্টে অভিষেক প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে কুণাল জানিয়েছেন, শেষ পর্যায়ের দল পরিচালনায় আরও ‘সতর্কতা’ প্রয়োজন ছিল। তাঁর দাবি, অভিষেকের অফিসও সব সময় ঠিকভাবে পরিচালিত হয়নি।

মমতা-অভিষেকের দল পরিচালনায় বিরাট গ্যাপ তৈরি হয়েছিল: ইনস্ক্রিপ্ট পডকাস্টে আর কী বললেন কুণাল?

Kunal Ghosh Interview: বিধানসভা ভোটে বিপর্যয়ের পরে প্রতীক, নাম হারিয়ে কার্যত দিশাহারা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন তৃণমূল। তার মধ্যেও ঘুরে দাঁড়ানোর লড়াই জারি রয়েছে। যদিও দলের অভ্যন্তরীণ বিদ্রোহে মমতার কাছাকাছির বৃত্ত ক্রমশ সঙ্কুচিত হয়েছে। নন্দীগ্রামের উপনির্বাচনে মুখ পুড়েছে। এই প্রেক্ষিতে আসন্ন পুরভোটে কেমন করবে তৃণমূল? ঘুরে দাঁড়ানোর কোনও সম্ভাবনা আছে? অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ কী? বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে যা বললেন দলের বিধায়ক এবং অন্যতম মুখপাত্র কুণাল ঘোষ।

এসআইআর: বাংলায় ভোটার যাচাইয়ের প্রভাব মুসলিম এলাকাগুলিতে ছ’গুণ বেশি, বলছে পরিসংখ্যান

Bengal Voter List Review: পশ্চিমবঙ্গের ভোটার তালিকা যাচাইয়ে বিচারাধীন ভোটারদের ক্ষেত্রে মুসলিম অধ্যুষিত এলাকাগুলিতেই প্রভাব বেশি পড়েছে। পরিসংখ্যান বলছে, এই এলাকাগুলিতে ভোটার যাচাইয়ের প্রভাব অন্যান্য এলাকার তুলনায় প্রায় ছ’গুণ বেশি। এই পার্থক্য কীভাবে তৈরি হলো, কোন এলাকার ভোটাররা বেশি প্রভাবিত হলেন এবং এর পিছনে কী কারণ রয়েছে?

এসআইআর বির্তক: যে খবর স্বাভাবিক হওয়ার কথা, সেটাই আজ বিস্ময়

Gyanesh Kumar, SIR and Election Commission: এসআইআর নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে আপত্তি থাকা সত্ত্বেও কেন প্রক্রিয়া চালানো হল? জ্ঞানেশ কুমার কীভাবে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার হলেন? ২০২৩ সালে আইন বদলে প্রধান বিচারপতিকে নির্বাচন কমিশনার বাছাইয়ের কমিটি থেকে সরানো হল কেন? এতদিন এই প্রশ্নগুলি গণমাধ্যম তুলল না কেন?

এসআইআর: বিশুদ্ধ ভোটার তালিকা তৈরির নামে যা পেল বাঙালি

Real Effect of SIR in bengal: ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় পশ্চিমবঙ্গে ৯১ লক্ষ ভোটার বাদ যান, যারা ছিলেন মোট ভোটারের ১২ শতাংশ। যাদের মধ্যে ৩৪% ছিলেন মুসলিম , নারীরা সংখ্যায় ছিলেন ৬১.৮%, এছাড়াও ছিলেন, মতুয়া ও রাজবংশী সম্প্রদায়ের মানুষেরা, যারা অসামঞ্জস্যপূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন। ফর্ম-৭-এর অপব্যবহার, অ্যালগরিদম-নির্ভর যাচাই, ১৯টি আপিল ট্রাইব্যুনালে ১ লক্ষ মামলা, সব মিলিয়ে ২০২৬-এর ভোটে যোগ্য নাগরিকরাও বাদ পড়েছিলেন।

‘সব নির্বাচনেই কারচুপি’, কেন এমন দাবি রাহুল গান্ধীর?

Rahul Gandhi election rigging claim: রাহুল গান্ধী কেন দাবি করলেন, ভারতের সব নির্বাচনেই কারচুপি হচ্ছে? নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে কী প্রশ্ন তুলেছেন তিনি? সরকারবিরোধী মনোভাব বা অ্যান্টি-ইনকামবেন্সি কীভাবে ভোটের রাজনীতিতে কাজ করে? তাঁর অভিযোগের পক্ষে কী কী তথ্য ও প্রমাণ তুলে ধরা হয়েছে?

সিজেপির তিন দাবি, জ্ঞানেশ কুমার না সরলে ফের বড় আন্দোলন

Election Commission of India: নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা, নির্বাচন পরিচালনার পদ্ধতি এবং ২০২৩ সালের আইনের বৈধতা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের কাছে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি জানিয়েছে সিজেপি। তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ, নির্বাচন প্রক্রিয়া স্থগিত করা এবং ২০২৩ সালের নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ সংক্রান্ত আইন প্রত্যাহার।

থানার গেটেই মারধর প্রাক্তন আইপিএস হুমায়ুন কবীরকে, সাধারণ মানুষ কতটা নিরাপদ?

Humayun Kabir: ঘটনার পর এখনও পর্যন্ত তিনি কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের করতে পারেননি বলেও জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, শারীরিক অসুস্থতার কারণে তখন অভিযোগ করা সম্ভব হয়নি। সুস্থ হয়ে তিনি লিখিত অভিযোগ করবেন।