বিজেপি না ইন্ডিয়া, দেশের রাশ শেষমেশ কার হাতে?

Lok Sabha Election Exit Poll: ২০১৪ ও ২০১৯ সালের লোকসভা ভোটের পরম্পরা মেনেই ২০২৪ লোকসভা ভোটেও যে ফের ক্ষমতায় ফিরতে চলেছে এনডিএ, সেই ভবিষ্যদ্বাণী করছে বুথফেরত অধিকাংশ সমীক্ষাই।

Sohini Das
৪ মিনিট
বিজেপি না ইন্ডিয়া, দেশের রাশ শেষমেশ কার হাতে?

দেশের আঠেরোতম লোকসভা ভোট শেষ। এখন অপেক্ষা ফলাফলের। আগামী ৪ জুন ভোটের রেজাল্ট। কার হাতে থাকবে দেশ শাসনের ভার? আপাতত সেটাই সবচেয়ে বড় প্রশ্ন। ভোট এবং ভোটের ফলাফল, এই দু'য়ের মাঝে যা পড়ে থাকে, তা হল এক্সিট পোল। গত ১ জুন, শনিবার শেষ হয়েছে দেশের সপ্তম দফার ভোট। প্রাকৃতিক দুর্যোগের ভ্রূকূটি সামলে মোটামুটি উতরে গিয়েছে লোকসভা ভোট। কী হতে চলেছে ২০২৪ সালের লোকসভা ভোটে? কী বলছে দেশের এক্সিট পোলগুলি?

ভোটের লড়াই শুরুর আগে থেকেই বিজেপি দাবি করেছিল, এই লোকসভা ভোটে চারশো আসন পেতে চলেছে বিজেপি। যত ভোট এগোতে থাকে, তত সেই দাবির তীব্রতা কমতে থাকে। লোকসভা ভোটের একাধিক জনসভা থেকে এবার সংখ্য়ালঘুদের বিরুদ্ধে ঘৃণাভাষণ দিতে দেখা গিয়েছে মোদিকে। সেই নিয়ে চর্চাও কম হয়নি। এবার বিজেপির সবচেয়ে বড় প্রতিপক্ষ ছিল জোট ইন্ডিয়া। বিজেপিকে হারাতে এ বার একজোট হয়েছিল দেশের একাধিক অবিজেপি দল। সাত দফা ভোটের পর কোথায় দাঁড়িয়ে রয়েছে সেই জোট ইন্ডিয়া? কোথায়ই বা দাঁড়িয়ে রয়েছে বিজেপি।

ভোট শুরুর আগেই ভোটকুশলী প্রশান্ত কিশোর বলেছিলেন, চারশো আসন সম্ভাবনা নেই বিজেপির। তবে গত বারের মতোই তিনশো বা তার চেয়ে সামান্য বেশি আসনে জিততে চলেছে বিজেপি। অবশেষে কি ফলতে চলেছে পিকের ভবিষ্যদ্বাণীই? তবে ভারতীয় গণতন্ত্রের ইতিহাস বলছে, বুথফেরত সমীক্ষার ইঙ্গিত যে সব সময় অক্ষরে অক্ষরে মিলে যায়, এমন নয়। এক্সিট পোল ভুল প্রমাণিত হওয়ার উদাহরণ রয়েছে ঝুড়ি ঝুড়িয। তা সত্ত্বেও ভোটফেরত সমীক্ষার যে আলাদা একটা আবেদন রয়েছে, তা অস্বীকার করার উপায় নেই। বিশেষজ্ঞদের অনেকে মনে করেন, এই ধরনের সমীক্ষার উপর নাকি ভোটারের মনের আভাস পাওয়ার সম্ভাবনা থাকে একটি। সে যাই হোক, ২০১৪ ও ২০১৯ সালের লোকসভা ভোটের পরম্পরা মেনেই ২০২৪ লোকসভা ভোটেও যে ফের ক্ষমতায় ফিরতে চলেছে এনডিএ, সেই ভবিষ্যদ্বাণী করছে বুথফেরত অধিকাংশ সমীক্ষাই।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
২৯২টিরও বেশি আসনে জিতছে জোট 'ইন্ডিয়া'! কীসের ভিত্তিতে বলছেন খাড়্গে?

INDIA Bloc Exit Poll: গত ১ জুন মল্লিকার্জুন খাড়্গের বাড়িতে বৈঠকে বসেছিল জোট ইন্ডিয়া। যেখানে আমন্ত্রিত ছিল সবক'টি শরিক দলই। সেখানেই এই লোকসভা ভোট নিয়ে বেশ আত্মবিশ্বাসী দেখায় খাড়্গেকে।

মোদি বলেছেন, এবার লোকসভা ভোটে চারশো পেরোচ্ছে এনডিএ জোট। ইন্ডিয়া টুডে-অ্যাক্সিস মাই ইন্ডিয়া ও নিউজ় ২৪- টুডেজ় চাণক্যের বুথ ফেরত সমীক্ষায় কিন্তু দেখা যাচ্ছে, হেসেখেলেই চারশো পেরোচ্ছেন গেরুয়া শিবিরের জোট। তবে নিউজ সি ভোটার অবশ্য তেমনটা বলছে না। চারশো পারের কথা মোটেও বলছে না তারা। কিন্তু ৩৫৩-৩৮৩টি আসন নিয়ে যে ক্ষমতায় ফিরতে চলেছে বিজেপিই, তা মনে করছে তারাও। নিউজ সি ভোটার বলছে, ইন্ডিয়া জোট পেতে চলেছে ১৫২ থেকে ১৮২টি ভোট। আর বাদবাকিরা পাবে ৪-১২টি আসন। নিউজ টুডেজ চাণক্য বলছেন, এনডিএ জোট পাচ্ছে ৪০০। ইন্ডিয়া পাচ্ছে ১০৭। অন্যরা পাবে ৩৬টি আসন। ইন্ডিয়া টুডে-অ্যাক্সিস মাই ইন্ডিয়া মনে করছে, এনডিএ পাচ্ছে ৩৬১-৪০১টি ভোট, ‘ইন্ডিয়া’জোট পাবে ১৩১-১৬৬টি ভোট। এবং অন্যেরা পাচ্ছে ৮-২০টি ভোট।

ইন্ডিয়া নিউজ ডি ডায়নমিক্সের সমীক্ষা বলছে, ৩৭১টি আসন পাবে বিজেপি। ইন্ডিয়া জোট পাচ্ছে ১৩৯-১৮৯টি ভোট, এবং অন্যান্যরা পেতে চলেছে ৪৭টি আসন। নিউজ নেশনের হিসেব বলছে, ৩৪২ থেকে ৩৭৮টি আসন পেতে চলেছে বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ জোট। ইন্ডিয়া পাবে ১২৫টি ভোট। অন্যান্যরা পাচ্ছে ২১-২৩টি ভোট। রিপাবলিক ভারত ম্যাট্রিজের বুথ ফেরত সমীক্ষা বলছে, এনডিএ পাচ্ছে ৩৬৮টি ভোট। ইন্ডিয়া জোট পাচ্ছে ১২৫টি এবং অন্যান্য পাচ্ছে ৫০টি ভোট। রিপাবলিক টিভি-পি মার্ক বলছে, বিজেপি পাচ্ছে ৩৫৯টি ভোট। ১৫৪টি আসন পাচ্ছে ইন্ডিয়া জোট এবং অন্যান্য়রা পাচ্ছে ৩০টি।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
বিজেপি হারলে শেয়ার বাজারে বিপুল পতন! কী করা উচিত এখন?

BJP and Stock Market: বিশ্লেষকদের মতে, আগামী দিনে অস্থিরতা আরও বাড়তে চলেছে। ফলে, এই মুহূর্তে ভেবেচিন্তে বিনিয়োগ না করতে পারলে সমূহ ক্ষতি।

যদিও এসব সমীক্ষায় বিশ্বাস করছে না জোট ইন্ডিয়া। কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়্গে অবশ্য বলছেন, ২৯২টিরও বেশি আসন নিয়ে ক্ষমতায় আসতে চলেছে ইন্ডিয়া জোটই। সত্য়ি কি মিথ্যে হতে চলেছে তবে বুথ ফেরত সমীক্ষার হিসেব? কিন্তু এ তো গেল দেশের কথা। একই সঙ্গে বাংলার ফলাফলের উপরেও কিন্তু রয়েছে গোটা দেশের নজর। বাংলাতেও কি বাকি দেশের মতোই ফলাফল করতে চলেছে বিজেপি? নাকি সেখানে তৃণমূলকে টেক্কা দিতে হাবুডুবু খাবে গেরুয়া শিবির? ইন্ডিয়া জোটের সঙ্গে থাকলেও কংগ্রেসের সঙ্গে আসন সমঝোতা করতে রাজি হয়নি তৃণমূল। বরং এ রাজ্যে একা লড়ার নীতিই নিয়েছে তারা। এখনও পর্যন্ত বাংলার মাটিতে তেমন ভাবে দাঁত বসাতে পারেনি বিজেপি। ২০২৪ লোকসভা ভোটে কি সেই হিসেব নিকেশ পাল্টে যেতে চলেছে? কী বলছে এ রাজ্যের বুথ ফেরত সমীক্ষা?

২০২১ সালের বিধানসভা ভোটে কোনও বুথফেরত সমীক্ষাই মেলেনি এই বাংলায়। এই ভোটেও কি তেমন কিছুই হতে চলেছে? বাংলায় এই লোকসভা ভোটে বুথফেরত সমীক্ষা বলছে, সংখ্যাগরিষ্ঠ দল হতে চলেছে বিজেপি। সি-ভোটার ও এবিপি আনন্দের বুথ ফেরত সমীক্ষা তো অন্তত তেমনটাই বলছে। তাদের সমীক্ষা অনুযায়ী, রাজ্যে ৪২টি আসনের মধ্যে বিজেপি পেতে পারে ২৩-২৭টি। তৃণমূল পেতে পারে ১৩-১৭টি আসন। বাম-কংগ্রেস জোট পেতে পারে ১-৩টি আসন। রিপাবলিক টিভি-পি মার্ক বলছে, বাংলায় বিজেপি পাচ্ছে ২২টি। তৃণমূল পাচ্ছে ২০টি ভোট। বাম-কংগ্রেস একটিও ভোট পাচ্ছে না তাদের সমীক্ষায়। রিপাবলিক টিভি ম্যাট্রিজের হিসেবে বাংলায় তৃণমূল পাচ্ছে ১৬-২০টি ভোট। বিজেপি পাচ্ছে ২১-২৫টি ভোট। বাম-কংগ্রেস পাচ্ছে বড়জোর ১টি আসন। টিভি নাইন অবশ্য এ রাজ্যে জিতছে তৃণমূলই। তারা পাচ্ছে ২৪টি আসন, বিজেপি পাচ্ছে ১৭টি আসন। বাম-কংগ্রেস পাচ্ছে একটি আসন। জন কি বাতের সমীক্ষা বলছে, তৃণমূল ১৬ থেকে ১৮টি আসন, বিজেপি পাচ্ছে ২১ থেকে ২৬টি আসন এবং বাম কংগ্রেস পাচ্ছে ০-১টি আসন। নিউজ নেশনের হিসেবে তৃণমূল ২২টি, বিজেপি ১৯টি এবং বাম-কংগ্রেস জোট পাচ্ছে ১টি ভোট। টুডেজ চাণক্য বলছে, তৃণমূল পাচ্ছে ১২-২২টি আসন। বিজেপি পাবে ১৯-২৯টি আসন। বাম-কংগ্রেস পাচ্ছে খুব বেশি হলে ২টি আসন।

ভোটের আগেই সি ভোটারের জনমত সমীক্ষায় , বাংলায় এ বার বিজেপি ও তৃণমূলের হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের কথা বলা হয়েছে। এমনকী আসনের নিরিখে দু'দলের আসনসংখ্যা হতে পারে একই। বাম-কংগ্রেসকে সে সময় ধর্তব্যেই রাখেনি সমীক্ষা। সেই সংস্থারই সমীক্ষা অবশ্য বুথ ফেরত সমীক্ষায় বলছে, বিজেপি টপকে যেতে পারে তৃণমূলকে। এমনকী বুথ ফেরত সমীক্ষায় বাম কংগ্রেসের অবস্থান মজবুত হবে বলেও ইঙ্গিত দিচ্ছে সমীক্ষা। তবে সত্যিই কি মিলবে এই সমীক্ষার ফলাফল। ইতিহাস অবশ্য ঢের ব্যতিক্রম দেখেছে এর। একাধিক সমীক্ষক সংস্থাই জানিয়েছে, রাজ্য স্তরে তাদের সমীক্ষার সঙ্গে বাস্তব ফলের ৩ শতাংশ এদিক ওদিক হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সত্যিই কী হতে চলেছে দেশের ১৮তম লোকসভা ভোটের ফলাফল, তা জানতে জানতে অবশ্য আগামী ৪ তারিখ। সেদিনই জানা যাবে, তৃতীয় বার ভোটে জিতে ক্ষমতায় আসবে বিজেপিই, নাকি নতুন জোটের হাতে গিয়ে পড়বে দেশ শাসনের ভার।

লিখেছেন
Sohini Das
Sohini Das
0 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

এসআইআর: বিশুদ্ধ ভোটার তালিকা তৈরির নামে যা পেল বাঙালি

Real Effect of SIR in bengal: ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় পশ্চিমবঙ্গে ৯১ লক্ষ ভোটার বাদ যান, যারা ছিলেন মোট ভোটারের ১২ শতাংশ। যাদের মধ্যে ৩৪% ছিলেন মুসলিম , নারীরা সংখ্যায় ছিলেন ৬১.৮%, এছাড়াও ছিলেন, মতুয়া ও রাজবংশী সম্প্রদায়ের মানুষেরা, যারা অসামঞ্জস্যপূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন। ফর্ম-৭-এর অপব্যবহার, অ্যালগরিদম-নির্ভর যাচাই, ১৯টি আপিল ট্রাইব্যুনালে ১ লক্ষ মামলা, সব মিলিয়ে ২০২৬-এর ভোটে যোগ্য নাগরিকরাও বাদ পড়েছিলেন।

‘সব নির্বাচনেই কারচুপি’, কেন এমন দাবি রাহুল গান্ধীর?

Rahul Gandhi election rigging claim: রাহুল গান্ধী কেন দাবি করলেন, ভারতের সব নির্বাচনেই কারচুপি হচ্ছে? নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে কী প্রশ্ন তুলেছেন তিনি? সরকারবিরোধী মনোভাব বা অ্যান্টি-ইনকামবেন্সি কীভাবে ভোটের রাজনীতিতে কাজ করে? তাঁর অভিযোগের পক্ষে কী কী তথ্য ও প্রমাণ তুলে ধরা হয়েছে?

সিজেপির তিন দাবি, জ্ঞানেশ কুমার না সরলে ফের বড় আন্দোলন

Election Commission of India: নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা, নির্বাচন পরিচালনার পদ্ধতি এবং ২০২৩ সালের আইনের বৈধতা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের কাছে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি জানিয়েছে সিজেপি। তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ, নির্বাচন প্রক্রিয়া স্থগিত করা এবং ২০২৩ সালের নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ সংক্রান্ত আইন প্রত্যাহার।

থানার গেটেই মারধর প্রাক্তন আইপিএস হুমায়ুন কবীরকে, সাধারণ মানুষ কতটা নিরাপদ?

Humayun Kabir: ঘটনার পর এখনও পর্যন্ত তিনি কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের করতে পারেননি বলেও জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, শারীরিক অসুস্থতার কারণে তখন অভিযোগ করা সম্ভব হয়নি। সুস্থ হয়ে তিনি লিখিত অভিযোগ করবেন।

দুই কমিশনারের আপত্তিতে ফের আলোচনায় সীমা খান্না, কমিশনে ঠিক কী দায়িত্ব তাঁর?

Seema Khanna and ECINet: ভোটার তালিকা ও ইসিআইনেট (ECINet) নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক। দুই নির্বাচন কমিশনারের আপত্তিতে সামনে এসেছে আইটি বিভাগের ভূমিকা এবং ডিরেক্টর জেনারেল (IT) সীমা খান্নার নাম। কে এই সীমা খান্না? নির্বাচন কমিশনে তাঁর দায়িত্ব কী? ভোটার তালিকা পরিচালনায় তাঁর ভূমিকা নিয়েই বা কেন উঠছে প্রশ্ন?

সরকারকে ৪ দিনের সময়সীমা বেধে দিল চা-শ্রমিকরা, ঠিক কী কী দাবি?

Dooars tea workers: ২২ সেপ্টেম্বর বকেয়া মজুরি ও অন্যান্য পাওনা মেটানোর দাবিতে হাঁটাপাড়া, ধুমচিপাড়া ও গারগান্ডার চা-শ্রমিকরা মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পদযাত্রা শুরু করেন। একই দিনে তোর্সার প্রস্তাবিত ল্যান্ড পোর্ট প্রকল্পে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষও জমি ও অধিকার রক্ষার দাবিতে পদযাত্রা করেন। দুই পদযাত্রাই পুলিশ আটকে দেয়।

বিশাখাপত্তনমে গুগলের ডেটা সেন্টার: ডিজিটাল উন্নয়নের দাম দেবে জল ও পরিবেশ?

Digital Thirst of vizag ai data centres: গুগল-আদানি-এয়ারটেলের যৌথ উদ্যোগে বিশাখাপত্তনমে গড়ে উঠছে ১ গিগাওয়াটের এআই ডেটা সেন্টার, বিনিয়োগ ১.২৫ লক্ষ কোটি টাকা। কিন্তু শহরের জলসংকট, কাম্বালাকোন্ডা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যের নৈকট্য আর পরিবেশবাদীদের বিক্ষোভ এই প্রকল্পকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে। 'স্টপ বিশাগ ডেটা সেন্টারস'-এর ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট পর্যন্ত নিষিদ্ধ করেছে ভারত সরকার।

এসআইআর নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরেই আপত্তি, ১০ মাসে দুই কমিশনারের ১৪ বার প্রশ্ন

Election Commission SIR: এসআইআর ঘিরে নির্বাচন কমিশনের অন্দরেই তৈরি হয়েছে মতপার্থক্য। গত ১০ মাসে দুই নির্বাচন কমিশনার ১৪ বার আপত্তি জানিয়েছেন বলে দাবি দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস-এর এক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে। ফর্ম ৬ বদল, ভোটার তথ্যভান্ডারের কেন্দ্রীয়করণ, পশ্চিমবঙ্গের আপিল এবং প্রযুক্তিগত ব্যবস্থাপনা নিয়েও উঠেছে একাধিক প্রশ্ন। ভোটার তালিকা সংশোধনের প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও আইন মেনে চলার বিষয়টি ফের আলোচনায়।