আবারও গেরুয়া ঝড় দেখা যাবে রাজ্যে? প্রথম দফার পর অপেক্ষায় গুজরাতবাসী

Gujarat Election 2022 : আজ ছিল প্রথম দফার ভোট গ্রহণ। মোদি ক্যারিশ্মা কি কাজ করবে এবার, প্রশ্ন রাজ্যবাসীর...

Aritra Som
৪ মিনিট
আবারও গেরুয়া ঝড় দেখা যাবে রাজ্যে? প্রথম দফার পর অপেক্ষায় গুজরাতবাসী

টিভির চ্যানেল ঘোরালেই শুরু হচ্ছে বিশ্বকাপের উন্মাদনা। পাশাপাশি ২০২২-এর শেষ মাসটিও চলে এল। এতকিছুর মধ্যেও পৃথিবীর সবচেয়ে বড়ো গণতন্ত্রের দেশে উৎসবের কমতি নেই। এই ভারতে ভোট মানে নানাবিধ ঘটনার ঘনঘটা। নেতাদের হুংকার, শাসক-বিরোধী তরজা, হিংসা, সাধারণ মানুষের দিনযাপন সমস্ত কিছুই উঠে আসে সামনে। আজ, ১ ডিসেম্বর থেকে গুজরাতে সেরকমই উৎসব শুরু হল। শুরু হল গুজরাত বিধানসভা নির্বাচনের ভোটগ্রহণ পর্ব। বৃহস্পতিবার ছিল তারই প্রথম পর্যায়। মোট ৮৯ টি আসনে ৭৮৮ জন প্রার্থী লড়াইয়ে মুখোমুখি। আগামী ৫ ডিসেম্বর দ্বিতীয় ও শেষ পর্যায়ের ভোটগ্রহণ পর্ব হবে।

গুজরাত ভোটের দিকে গোটা দেশের সমস্ত রাজনৈতিক দল, সংবাদমাধ্যমের চোখ থাকে। প্রায় দুই দশক ধরে এই রাজ্যের ক্ষমতার আসনে রয়েছে কেন্দ্রীয় শাসকদল ভারতীয় জনতা পার্টি। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের রাজ্যে কেমন ফল করবে বিজেপি, সেদিকে বাড়তি নজর তো রয়েইছে। সেইসঙ্গে নজর রয়েছে কংগ্রেস ও আপের বিরোধী শিবিরে। নির্বাচনে জিতে কি ফের মুখ্যমন্ত্রীর আসনে বসবেন গেরুয়া শিবিরের ভুপেন্দ্র প্যাটেল? নাকি কংগ্রেসের জগদীশ ঠাকুর অথবা আম আদমি পার্টির ইসুদান গাধভি কালো ঘোড়া হয়ে এগিয়ে যাবেন? ২০২৪-এর লোকসভা নির্বাচনের আগে সেই শক্তি পরীক্ষার দিকেই তাকিয়ে আছে রাজনৈতিক মহল।

Voting for the first phase of

underway today. Visuals from VM Mehta College in Jamnagar as voters queue up to cast their votes.

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
আবারও নির্বাচনের দামামা, সোশ্যাল মিডিয়ায় কেমন লড়ছে বিজেপি থেকে বিরোধীরা

Gujarat Election 2022: হাতে আর মাত্র কয়েকদিন। তারপরই গুজরাটে সিংহাসনের লড়াই শুরু। সোশ্যাল মিডিয়ায় ইতিমধ্যেই সক্রিয় শাসক থেকে বিরোধী...

— ANI (@ANI)

ভোটের দামামা অবশ্য বেশ কয়েকমাস আগেই বেজে গিয়েছিল। নিজেদের ইস্তেহার প্রচার করতে গুজরাতের রাস্তায় রোবট নামিয়ে তাক লাগিয়ে দিয়েছিল গেরুয়া শিবির। অন্যদিকে শাসকের ভুলত্রুটি ও উন্নয়নের বার্তা নিয়ে নিজেদের অস্ত্রে শান দিচ্ছিল বিরোধীরা। কেবল মাঠে ময়দানে প্রচার নয়, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের আইটি সেলগুলিও ক্রমশ নিজেদের ‘থাবা’ বিস্তার করছিল। এমনিতেই ২০০২-এর স্মৃতি এখনও তাজা দেশবাসীর মনে। তার ওপর ভোটের আগেই বিভিন্ন জায়গা থেকে হিংসার বিচ্ছিন্ন ঘটনা সামনে আসতে থাকে। পাঠকদের হয়তো মনে পড়বে গত শুক্রবার, অর্থাৎ ২৫ নভেম্বরের কথা। গুজরাতে নির্বাচনী জনসভায় উপস্থিত হয়ে ফের ২০০২-এর প্রসঙ্গ তোলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তাঁর বক্তব্য ছিল, ২০০২ সালে ‘ওরা’ শিক্ষা পেয়েছিল। তারপর থেকেই গুজরাতে শান্তি বজায় আছে। তারপরই রাজনীতির ময়দানে তোলপাড় শুরু হয়। ‘ওরা’ মানে কারা? ২০০২ কি আজও গেরুয়া শিবিরের নির্বাচনী ‘প্রোপাগান্ডা’? বিরোধীদের তরফ থেকে এমন প্রশ্নই বারবার করা হয়েছিল। রাজ্যে সম্ভাব্য হিংসা আটকাতে রীতিমতো আসরে নামে নির্বাচন কমিশন। সোশ্যাল মিডিয়ার বিভিন্ন পোস্ট, ছবি, ভিডিওর ওপরও শুরু হয়েছে নজরদারি।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
হোয়াটসঅ্যাপে হম্বিতম্বি বিধানসভায় দিশেহারা, কেন নেতৃত্বহীন বঙ্গ বিজেপি?

হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে কোনও পরিষদীয় দল চলতে পারে না। এই দিকটাও বিজেপি-র রাজ্য নেতৃত্বকে ভেবে দেখতে হবে৷

এতকিছুর মধ্যেই শুরু হয়েছে গুজরাত নির্বাচন। তবে নির্বাচনের প্রাক্কালে অন্য মাত্রা যোগ করেছেন জাতীয় কংগ্রেসের নবনির্বাচিত সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়্গে। গুজরাটে ভোট প্রচারের শেষ লগ্নে তিনি নরেন্দ্র মোদিকে ‘রাবণ’ বলে বিতর্কের নয়া রাস্তা তৈরি করে দেন। তাঁর বক্তব্য ছিল, “আপনি সব জায়গায় বলেন আপনাকে দেখেই ভোট দিতে। মানুষ কতবার আপনার মুখ দেখবে? রাবণের মতো মাথা নাকি?” আক্রমণের রশি টেনে ধরতে এতটুকুও দেরি করেনি বিজেপি। বৃহস্পতিবার যখন ভাবনগর, জামনগর, মোরবি, দ্বারকা, কচ্ছ, সৌরাষ্ট্র ইত্যাদি জায়গায় ভোটগ্রহণ চলছে, তখন কালোলে দ্বিতীয় দফার নির্বাচনের জন্য জনসভা করছেন নরেন্দ্র মোদি। সেখানে কংগ্রেসকে আক্রমণ করার মূল রাস্তাই ছিল মল্লিকার্জুন খাড়্গের মন্তব্য। মোদি নিজের স্বভাবজাত ভঙ্গিতেই বলেন, “আমার সম্পর্কে খারাপ কথা বলার প্রতিযোগিতা শুরু করেছে কংগ্রেস নেতারা। পদ্মে ছাপ দিয়ে আপনারাই এর জবাব দিয়ে দিন।”

এছাড়াও মনে রাখতে হবে মোরবি সেতুর ঘটনা। মাচ্ছু নদীর ওপর থাকা এই ব্রিজটি চলতি বছরের ৩০ অক্টোবর ভেঙে পড়ে। সেই সময় ব্রিজের ওপর অনেকেই ছিলেন। এই ঘটনায় অন্তত ১৩৫ জন মারা গিয়েছিলেন। আহতের সংখ্যা আরও অনেক। সব মিলিয়ে এই ঘটনায় মুখ পুড়েছিল গুজরাট প্রশাসনের। স্বয়ং নরেন্দ্র মোদি এলেও সেই ক্ষোভ প্রশমিত হয়নি। তাই বিজেপি বিরোধী একটা হাওয়াও গুজরাতের অন্দরে খেলা করছে। কাজেই ফের ক্ষমতায় আসার জন্য মরিয়া চেষ্টা চালাবে বিজেপিও।

এতকিছুর মধ্যেই ঘটনার ঘনঘটায় এগিয়ে যাচ্ছে গুজরাত বিধানসভা নির্বাচন। বিজেপি আর আপের লড়াইয়ের দিকেই তাকিয়ে রয়েছেন অনেকে। দিল্লির পর পাঞ্জাব বিধানসভায় জায়গা করে নেওয়ার পর অরবিন্দ কেজরিওয়ালের দলের পালে হাওয়া লেগেছে। উপরন্তু, বিজেপির মতোই কংগ্রেসমুক্ত ভারতের অঙ্গীকার নিয়েই নিজের যাত্রা শুরু করেছিল আপ। গুজরাত ভোটে সেই বিজেপি আর আপের লড়াই অন্যতম বিষয় হবে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। অবশ্য হিংসার রেশ প্রথম পর্বের ভোটে দেখা গিয়েছে। ভনসদা বিধানসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী পীযূষ প্যাটেলের ওপর হামলার অভিযোগ সামনে আসে। তাঁর গাড়ির ওপর কয়েকজন আক্রমণ চালায়। গাড়ির কাচ ভাঙার পাশাপাশি পীযূষ প্যাটেলের মাথাও ফেটে যায় বলে অভিযোগ। গেরুয়া শিবিরের বক্তব্য, এই কেন্দ্রের কংগ্রেস প্রার্থীর আশ্রিত দুষ্কৃতীরাই এই কাজ করেছে। এদিকে বিরোধীদের অভিযোগ, ভোট হওয়ার পর ইভিএমের সুরক্ষার দায়িত্বে রয়েছেন গুজরাত পুলিসের হোমগার্ডরা। বিরোধীদের দাবি, এসব আইনবিরুদ্ধ। অথচ কিছুই করা হচ্ছে না।

এর পাশাপাশি আপের বিরুদ্ধেও নতুন অভিযোগ এনেছে বিজেপি। গুজরাত নির্বাচন ইতিমধ্যেই এই দু’টি দলের সম্মুখ সমরের জেরে উত্তপ্ত। তারইমধ্যে অভিযোগ, গ্রামে গঞ্জে মানুষদের মধ্যে মদ বিলি করছে আপ। বিজেপির মুখপাত্র শেহজাদ পুনাওয়ালা তাঁর টুইটার অ্যাকাউন্টে একটি ভিডিও ক্লিপিং শেয়ার করেছেন। সেখানে আপ বিধায়ক ও নেতা সৌরভ ভরদ্বাজকে দেখা যাচ্ছে। তিনিই গ্রামবাসীদের ‘মদ বিলির’ কথা বলছেন। এও বলছেন, এই সম্পর্কে পুলিস ও নির্বাচন কমিশনকে কিছু জানানো হবে না। যদিও এই ভিডিওর সত্যতা যাচাই করা হয়নি। শেহজাদ পুনাওয়ালার দাবি, আপ নেতা গুজরাতের গ্রামবাসীদের মদ্যপ বলে মনে করছেন। সেটা গুজরাতের অপমান।

Shocker! huge insult of people who live in villages & of Diwali / Holi- Saurabh Bharadwaj says during elections “Gaon vale “set” ho jaate hai”- they don’t ask for water but for soda! Insults Holi & Diwali too

This man is a MLA & openly encouraging use of Sharab in elections! 1/2

— Shehzad Jai Hind (@Shehzad_Ind)

অভিযোগ, পাল্টা অভিযোগের মধ্যেই চলছে গুজরাতের ভোটগ্রহণ পর্ব। বিকেল ৫টার হিসেব অনুযায়ী, প্রথম দফায় ভোট পড়েছে ৫৬.৮৮ শতাংশ। অন্যদিকে চলছে দ্বিতীয় পর্যায়ের প্রচারপর্ব। গুজরাতের রঙ আবার গেরুয়া হবে, নাকি পরিবর্তন ঝড় তুলবে মোদির রাজ্যে, তা তো সময়ই বলবে। আগামী ৮ ডিসেম্বর ভোট গণনার দিন। আপাতত সেদিকেই তাকিয়ে আম জনতা।

লিখেছেন
Aritra Som
Aritra Som
0 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

‘সব নির্বাচনেই কারচুপি’, কেন এমন দাবি রাহুল গান্ধীর?

Rahul Gandhi election rigging claim: রাহুল গান্ধী কেন দাবি করলেন, ভারতের সব নির্বাচনেই কারচুপি হচ্ছে? নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে কী প্রশ্ন তুলেছেন তিনি? সরকারবিরোধী মনোভাব বা অ্যান্টি-ইনকামবেন্সি কীভাবে ভোটের রাজনীতিতে কাজ করে? তাঁর অভিযোগের পক্ষে কী কী তথ্য ও প্রমাণ তুলে ধরা হয়েছে?

সিজেপির তিন দাবি, জ্ঞানেশ কুমার না সরলে ফের বড় আন্দোলন

Election Commission of India: নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা, নির্বাচন পরিচালনার পদ্ধতি এবং ২০২৩ সালের আইনের বৈধতা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের কাছে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি জানিয়েছে সিজেপি। তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ, নির্বাচন প্রক্রিয়া স্থগিত করা এবং ২০২৩ সালের নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ সংক্রান্ত আইন প্রত্যাহার।

থানার গেটেই মারধর প্রাক্তন আইপিএস হুমায়ুন কবীরকে, সাধারণ মানুষ কতটা নিরাপদ?

Humayun Kabir: ঘটনার পর এখনও পর্যন্ত তিনি কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের করতে পারেননি বলেও জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, শারীরিক অসুস্থতার কারণে তখন অভিযোগ করা সম্ভব হয়নি। সুস্থ হয়ে তিনি লিখিত অভিযোগ করবেন।

দুই কমিশনারের আপত্তিতে ফের আলোচনায় সীমা খান্না, কমিশনে ঠিক কী দায়িত্ব তাঁর?

Seema Khanna and ECINet: ভোটার তালিকা ও ইসিআইনেট (ECINet) নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক। দুই নির্বাচন কমিশনারের আপত্তিতে সামনে এসেছে আইটি বিভাগের ভূমিকা এবং ডিরেক্টর জেনারেল (IT) সীমা খান্নার নাম। কে এই সীমা খান্না? নির্বাচন কমিশনে তাঁর দায়িত্ব কী? ভোটার তালিকা পরিচালনায় তাঁর ভূমিকা নিয়েই বা কেন উঠছে প্রশ্ন?

সরকারকে ৪ দিনের সময়সীমা বেধে দিল চা-শ্রমিকরা, ঠিক কী কী দাবি?

Dooars tea workers: ২২ সেপ্টেম্বর বকেয়া মজুরি ও অন্যান্য পাওনা মেটানোর দাবিতে হাঁটাপাড়া, ধুমচিপাড়া ও গারগান্ডার চা-শ্রমিকরা মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পদযাত্রা শুরু করেন। একই দিনে তোর্সার প্রস্তাবিত ল্যান্ড পোর্ট প্রকল্পে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষও জমি ও অধিকার রক্ষার দাবিতে পদযাত্রা করেন। দুই পদযাত্রাই পুলিশ আটকে দেয়।

বিশাখাপত্তনমে গুগলের ডেটা সেন্টার: ডিজিটাল উন্নয়নের দাম দেবে জল ও পরিবেশ?

Digital Thirst of vizag ai data centres: গুগল-আদানি-এয়ারটেলের যৌথ উদ্যোগে বিশাখাপত্তনমে গড়ে উঠছে ১ গিগাওয়াটের এআই ডেটা সেন্টার, বিনিয়োগ ১.২৫ লক্ষ কোটি টাকা। কিন্তু শহরের জলসংকট, কাম্বালাকোন্ডা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যের নৈকট্য আর পরিবেশবাদীদের বিক্ষোভ এই প্রকল্পকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে। 'স্টপ বিশাগ ডেটা সেন্টারস'-এর ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট পর্যন্ত নিষিদ্ধ করেছে ভারত সরকার।

এসআইআর নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরেই আপত্তি, ১০ মাসে দুই কমিশনারের ১৪ বার প্রশ্ন

Election Commission SIR: এসআইআর ঘিরে নির্বাচন কমিশনের অন্দরেই তৈরি হয়েছে মতপার্থক্য। গত ১০ মাসে দুই নির্বাচন কমিশনার ১৪ বার আপত্তি জানিয়েছেন বলে দাবি দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস-এর এক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে। ফর্ম ৬ বদল, ভোটার তথ্যভান্ডারের কেন্দ্রীয়করণ, পশ্চিমবঙ্গের আপিল এবং প্রযুক্তিগত ব্যবস্থাপনা নিয়েও উঠেছে একাধিক প্রশ্ন। ভোটার তালিকা সংশোধনের প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও আইন মেনে চলার বিষয়টি ফের আলোচনায়।

হুথিরা যেভাবে স্থানীয় বিদ্রোহী থেকে মধ্যপ্রাচ্যের শক্তিতে পরিণত হলো

Houthi Expansion in Yemen: ইয়েমেনে ফের কেন যুদ্ধের আশঙ্কা তৈরি হচ্ছে? হুথিরা কীভাবে স্থানীয় জায়দি আন্দোলন থেকে শক্তিশালী সামরিক-রাজনৈতিক শক্তিতে পরিণত হল? ইরানের সঙ্গে তাদের সম্পর্ক কতটা গভীর? মোখা ও হানিশ দ্বীপপুঞ্জ দখলের পর কেন গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে বাব আল-মান্দাব? এই সংঘাতের প্রভাব কি শেষ পর্যন্ত বিশ্ব বাণিজ্য, জ্বালানি পরিবহণ ও মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-রাজনীতিতে পড়বে?