ভারতে আবার ভাইরাসের হানা! কীভাবে সংক্রমণ, কতটা ক্ষতিকর?

ওয়েস্ট নাইল ভাইরাসের সংক্রমণ সহজেই প্রতিরোধ করা যায় বেশ কিছু সাবধানতা অবলম্বন করলে। প্রথমেই তার জন্য মশার উৎপাত নিয়ন্ত্রণ করতে হবে।

Madhurima Pattanayak
৪ মিনিট
ভারতে আবার ভাইরাসের হানা! কীভাবে সংক্রমণ, কতটা ক্ষতিকর?

কতটা ক্ষতিকর ওয়েস্ট নাইল ভাইরাস? প্রতিকার কী? মে মাসের শেষেই ওয়েস্ট নাইল ভাইরাসে (West Nile Virus) আক্রান্ত হয়ে মারা গিয়েছিলেন কেরলের এক সাতচল্লিশ বছর বয়সি মহিলা। তবে ওয়েস্ট নাইল ভাইরাসের ঘটনা ভারতে প্রথম নয়। ২০১৯ সালেও কেরলের মল্লপুরমে ছয় বছর বয়সি এক বালক ঠিক এই ভাইরাসেই আক্রান্ত হয়ে মারা গিয়েছিল।

ওয়েস্ট নাইল ভাইরাসের জেনেটিক মেটেরিয়াল হিসেবে থাকে আর.এন.এ. (RNA) বা রাইবোনিউক্লিক অ্যাসিড (Ribonucleic Acid)। ওয়ার্ল্ড হেল্থ অর্গানাইজেশনের (World Health organization) সূত্রে জানা গেছে, ওয়েস্ট নাইল ভাইরাস, ফ্ল্যাভিভাইরাস (Flavivirus) প্রজাতির অন্তর্ভুক্ত।

আফ্রিকা, ইউরোপ, মধ্যপ্রাচ্য, উত্তর আমেরিকা-সহ পশ্চিম ও দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশে এই ভাইরাসের দেখা মেলে।

কীভাবে ছড়ায় ওয়েস্ট নাইল ভাইরাস?

ওয়ার্ল্ড হেলথ অর্গানাইজে়শনের (WHO) সূত্রে জানা যাচ্ছে, ওয়েস্ট নাইল ভাইরাস একটি মশা-বাহিত রোগ। ওয়েস্ট নাইলে আক্রান্ত মশা যখন মানুষকে কামড়ায়, তখনই এই ভাইরাস আমাদের শরীরে বাসা বাঁধে। WHO-র তরফ থেকে জানানো হচ্ছে, সাধারণত কিউলেক্স মশা থেকেই এই ভাইরাস ছড়ায়।

তবে ওয়েস্ট নাইলের সংক্রমণ চক্রে, প্রাথমিকভাবে আক্রান্ত হয় পাখিরা বা অন্য কোনো স্তন্যপায়ী প্রাণী (যেমন, ঘোড়া)। সেই পাখিদের বা স্তন্যপায়ী প্রাণীদের মশা কামড়ালে, ভাইরাসটি জমা হয় মশাদের লালাগ্রন্থিতে। ফলে মশার কামড়ের ফলে খুব সহজেই সেই ভাইরাস আমাদের শরীরে প্রবেশ করে।

মশার পাশাপাশি এই ভাইরাসে আক্রান্ত অন্য প্রাণীদের রক্ত বা কোশের সংস্পর্শেও ছড়াতে পারে এই ভাইরাস। সেন্টার ফর ড্রাগ কন্ট্রোল ও প্রিভেনশন (Centre for Drug Control and Prevention) বা সিডিসির (CDC) তরফে জানানো হচ্ছে, আক্রান্ত ব্যক্তির রক্তের মাধ্যমে বা সন্তানসম্ভবা মহিলারা সংক্রমিত হলে তাঁর থেকে শিশুর শরীরে সংক্রমিত হতে পারে এই ভাইরাস। এই ভাইরাসে আক্রান্ত মহিলা শিশুকে স্তন‍্যপান করানোর সময় শিশুটির আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে প্রবল।

তবে স্পর্শের কারণে সংক্রমিত ব্যক্তির থেকে সুস্থ ব্যক্তিদের মধ্যে এই ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার ঘটনা শোনা যায়নি আজ অবধি, জানা যাচ্ছে WHO-র সূত্রেই।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
এবার ওষুধেই সারবে ক্যানসার! ঐতিহাসিক আবিষ্কারের পিছনে কারা?

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে এই ওষুধের ট্রায়ালে একশো শতাংশ সাফল্য মিলেছে। আর তাতেই চর্চায় উঠে এসেছে 'ডোস্টারলিম্যাব' নামক ওষুধটি।

সংক্রমণের লক্ষণ কী?

আশি শতাংশ ক্ষেত্রে ওয়েস্ট নাইল ভাইরাসে আক্রান্ত হলে সেই ব্যক্তির শরীরে কোনও লক্ষণ দেখা যায় না। অর্থাৎ, বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই ব্যক্তি অ্যাসিম্পটোম্যাটিক থাকেন।

তবে কুড়ি শতাংশ ক্ষেত্রে, আক্রান্ত ব্যক্তি ওয়েস্ট নাইল ফিভারে আক্রান্ত হন। সঙ্গে দেখা যায় গায়ে ব্যথা, মাথা যন্ত্রণা, গাঁটে-গাঁটে ব্যথা, বমি বমি ভাব বা বমি হওয়া, ডায়েরিয়া, গায়ে ফুসকুড়ি বেরনোর মতো লক্ষণ। জ্বর-সমেত এই লক্ষণগুলি দেখা গেলে, এই অসুখকে ফিব্রাইল ইলনেস বলে। তাই ওয়েস্ট নাইলের ফলে দেখা যেতে পারে অ্যাকিউট ফিব্রাইল ইলনেস।

বেশ কিছু ক্ষেত্রে রোগের লক্ষণ খুব ভয়াবহ হতে পারে। পঞ্চাশ জনের মধ্যে অন্তত এক জনের ক্ষেত্রে এই ঘটনা ঘটে থাকে। যদিও যে কোনও বয়সের মানুষ এই রোগে আক্রান্ত হতে পারে, তবে ষাটোর্ধ্ব ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে শারীরিক অবস্থা সংকটজনক অবস্থায় পৌঁছনোর আশঙ্কা বেশি। রোগ খুব ভায়াবহ রূপ নিলে প্যারালাইসিস, এনসেফালাইটিস, মেনিনজাইটিস, হাত-পা কাঁপা (Tremor), খিঁচুনি (Convulsion), শারীরিক অসড়তা (Numbness), দৃষ্টিশক্তি হারানো, চিন্তাভাবনার ক্ষমতা লোপ পাওয়ার মতো ঘটনা দেখা যায়। দশ জনের মধ্যে এক জন ব্যক্তির ক্ষেত্রে, ওয়েস্ট নাইল ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার ফলে স্নায়ুতন্ত্র ক্ষতিগ্রস্থ হয়।

এখানে উল্লেখ্য, এনসেফালাইটিসে (Encephalitis) মস্তিষ্কে প্রদাহ হয়। অন্যদিকে, মেনিনজাইটিসে (meningitis) মস্তিষ্ক এবং কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রর আবরণ, অর্থাৎ, মেনিনজেসে (Meninges) প্রদাহ (Inflammation) হয়।

সেন্টার ফর ড্রাগ কন্ট্রোল ও প্রিভেনশন (Centre for Drug Control and Prevention) বা সিডিসি-র (CDC) তরফে জানানো হচ্ছে, যে সমস্ত রোগীর বিশেষ কিছু শারীরিক অবস্থা, যেমন ডায়াবেটিস, হাইপারটেনশন, কিডনির অসুখ, বা ক্যানসারের মতো রোগ রয়েছে, পাশাপাশি যাদের শরীরের কোনও অঙ্গ প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, তাদের ক্ষেত্রেও খুব সাবধান থাকা জরুরি।

কীভাবে বুঝবেন এই ভাইরাসে আক্রান্ত?

ওয়েস্ট নাইল ভাইরাসে আক্রান্ত হলে এলাইজা টেস্ট এবং আরটি-পিসিআরের মাধ্যমে তা শনাক্ত করা যায়।

কী চিকিৎসা?

ওয়েস্ট নাইলের ফলে জ্বর এবং গায়ে, হাতে, পায়ে ব্যথা বা গাঁটে ব্যথার জন্য প্যারাসিটামল-জাতীয় ওষুধ খাওয়া যেতে পারে। তবে শারীরিক অবস্থা সংকটজনক হলে যত দ্রুত সম্ভব রোগীতে নিকটবর্তী স্বাস্থ্য কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া জরুরি। সেক্ষেত্রে ইন্টারভেনাস ফ্লুইড (যেমন, স্যালাইন), ব্যথার ওষুধ দিয়ে রোগের প্রতিকার সম্ভব। এই ভাইরাসের ফলে ডায়েরিয়া এবং বমি হলে, ওআরএস, পর্যাপ্ত পরিমাণ জল এবং ফলের রস খাওয়া উচিত। তবে প্রয়োজনে ইন্টারভেনাস ফ্লুইডের প্রয়োজন হতে পারে।

কী করে প্রতিরোধ করবেন সংক্রমণ?

ওয়েস্ট নাইল ভাইরাসের সংক্রমণ সহজেই প্রতিরোধ করা যায় বেশ কিছু সাবধানতা অবলম্বন করলে। প্রথমেই তার জন্য মশার উৎপাত নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। মশা ডিম পাড়তে পারে, এমন জায়গাগুলোকে জলমুক্ত রাখা অত্যাবশ্যক। বাড়ির চারপাশ পরিষ্কার রাখা, মশারির ব্যবহার করা, মশা-অধ্যুষিত জায়গা এড়িয়ে চলা বা প্রয়োজনে সেই জায়গায় যেতে হলে শরীর ভালোভাবে ঢেকে রাখবে এমন পোশাক পরা জরুরি।

মশার উৎপাত নিয়ন্ত্রণে আনার পাশাপাশি, প্রাণীদের থেকেও সংক্রমণের পথ বন্ধ করা উচিত। অসুস্থ প্রাণীদের চিকিৎসা করার সময়ে বা ব্যবসায়িক ক্ষেত্রে প্রাণীদের কাটার সময়ে খেয়াল রাখতে হবে প্রাণীদের রক্ত যাতে শরীরে প্রবেশ না করতে পারে। সেই সময় গ্লাভস পরে প্রাণীদের ছোঁয়াই শ্রেয়।

রক্তদান বা অঙ্গদানের সময়ে চিকিৎসকদের খেয়াল রাখতে হবে, রক্ত বা অঙ্গদাতা এই ভাইরাসে আক্রান্ত কি না। সেক্ষেত্রে রক্তদান বা অঙ্গদান থেকে বিরত থাকা উচিত।

লিখেছেন
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

বিশাখাপত্তনমে গুগলের ডেটা সেন্টার: ডিজিটাল উন্নয়নের দাম দেবে জল ও পরিবেশ?

Digital Thirst of vizag ai data centres: গুগল-আদানি-এয়ারটেলের যৌথ উদ্যোগে বিশাখাপত্তনমে গড়ে উঠছে ১ গিগাওয়াটের এআই ডেটা সেন্টার, বিনিয়োগ ১.২৫ লক্ষ কোটি টাকা। কিন্তু শহরের জলসংকট, কাম্বালাকোন্ডা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যের নৈকট্য আর পরিবেশবাদীদের বিক্ষোভ এই প্রকল্পকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে। 'স্টপ বিশাগ ডেটা সেন্টারস'-এর ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট পর্যন্ত নিষিদ্ধ করেছে ভারত সরকার।

চিনির বিকল্প স্টেভিয়া! ঘরের বাগানে রাখা যায় যে ‘মধু পাতা’

Stevia benefits: গাছ থেকে সদ্য তোলা কাঁচা পাতা কিংবা রোদে শুকিয়ে নেওয়া পাতা সরাসরি চা বা যেকোনো পানীয়ের সঙ্গে মিশিয়ে ব্যবহার করা যায়। এতে চিনির মতো একই রকম মিষ্টতা পাওয়া যায়। স্টিভিয়ার নির্যাস থেকে তৈরি মিষ্টান্ন ডায়াবেটিস রোগীরা খেলে রক্তে শর্করার মাত্রা বৃদ্ধির ঝুঁকি থাকে না বললেই চলে।

ফুটপাথের ধারের সেই খাবার যেভাবে হয়ে উঠল কলকাতার সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য

Kolkata Street food history: সুতানুটি-গোবিন্দপুর-কলিকাতার শ্রমজীবী মানুষের তৃপ্তির জন্য জন্ম হয়েছিল ফুটপাতের খাবারের। ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তের 'সংবাদ প্রভাকর' থেকে হুতোম প্যাঁচার নকশা, এফএও সমীক্ষা থেকে এফএসএসএআই আইন হয়ে ২০২৫ সালে রাসেল স্ট্রিটে প্লাস্টিক-মুক্ত ফুড হাবের জন্ম। কলকাতার স্ট্রিট ফুড আজও এই শহরের প্রাণ। এই শহরের অন্যতম ঐতিহ্য।

জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি কেন আরশোলার মৃত্যুতে দুঃখ পেয়েছিলেন?

Sanae Takaichi cockroach story: ঘটনাটি আপাতদৃষ্টিতে খুব সাধারণ। সরকারি বাসভবনে গভীর রাতে একা কাজ করতে গিয়ে তিনি একটি আরশোলা দেখতে পেয়েছিলেন। সচরাচর আরশোলা দেখলে তিনি চিৎকার করে ওঠেন, কিন্তু সেদিন তিনি সেটিকে মারেননি।

স্ট্রেস কি সবসময় খারাপ? কখন স্বাভাবিক চাপ হয়ে ওঠে মানসিক স্বাস্থ্যের ঝুঁকি?

mental stress: একটি ইঁদুরের উপর পরীক্ষা করতে গিয়ে তারা দেখেছেন, একটি নির্দিষ্ট সীমা পর্যন্ত ইঁদুরটির মধ্যে স্ট্রেস বাড়ানোর সঙ্গে তার কাজকর্মের মান আরও উন্নত হয়েছে। কিন্তু নির্দিষ্ট সীমা পার করবার পর পরই তার ফলাফল করার সর্বোচ্চ সম্ভাবনা ক্রমশ কমতে কমতে শেষে সেটা প্রায় শূন্যতে নেমে গিয়েছে।

নিজের সর্বস্ব দিয়ে হাসপাতাল গড়েছিলেন রাধাগোবিন্দ কর

History of RG Kar Medical College and Hospital: আজ যে আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল বারবার খবরের শিরোনামে, তার দীর্ঘ ইতিহাস কী? কে ছিলেন রাধাগোবিন্দ কর, যিনি নিজের সম্পত্তি বিক্রি করে গরিব মানুষের চিকিৎসার জন্য হাসপাতাল গড়ে তুলেছিলেন? প্লেগের সময় মানুষের পাশে দাঁড়ানো, বাংলায় চিকিৎসাবিজ্ঞান চর্চা ও সমাজসেবায় তাঁর অবদান আজ কতটা মনে রাখা হয়েছে?

হিরোশিমা-নাগাসাকির আগুন থেকে বেঁচে যাঁরা, কেমন ছিল তাঁদের পরের জীবন?

Hiroshima, Nagasaki: বিস্ফোরণের বহু বছর পর এমিকোর ঘরে মেয়ে এল, আর তারও পর জন্ম নিল এমিকোর নাতনি কাজুমি কুওয়াহারা। নবজাতক নাতনিকে দেখে চিকিৎসকেরা পরিষ্কার জানিয়ে দিলেন, "এই বাচ্চা তিন দিনের বেশি বাঁচবে না।" জিনের ভিতরে লুকিয়ে থাকা কোনো অজানা দুর্বলতা যেন জন্ম থেকেই জাপটে ধরেছিল ছোট কাজুমিকে।

কেন কম ঘুমেও কেউ সুস্থ, কেউ হারাচ্ছেন স্মৃতি? জানালেন গবেষকরা

sleep deprivation and brain health: গবেষণার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে AQP4 (Aquaporin-4) নামে একটি জিন। এই জিনকে অনেকটা মস্তিষ্কের 'সাফাই কর্মী' বলা যায়। আমরা যখন গভীর ঘুমে থাকি, তখন মস্তিষ্কে শুরু হয় এক বিশেষ পরিষ্কার করার কাজ। সারাদিনে জমে থাকা বর্জ্য এবং আলঝাইমার্স রোগের সঙ্গে যুক্ত ক্ষতিকর প্রোটিন এই সময় ধীরে ধীরে শরীর থেকে বেরিয়ে যেতে সাহায্য করে। আর সেই গুরুত্বপূর্ণ কাজে বড় ভূমিকা পালন করে AQP4 জিন।