মাথা নত স্বৈরতন্ত্রের, কট্টর ইরানে নিষিদ্ধ হল নীতিপুলিশ! আর হিজাব?

Iran Hijab Protest: ইরানের কেন্দ্রীয় সরকারের অ্যাটর্নি জেনারেল জানিয়েছেন, ইরান সরকার নীতিপুলিশ বাহিনী ‘গস্ত-এ-এরশাদ’-কে সম্পূর্ণ ভাবে প্রত্যাহার করে নিচ্ছে।”

Arunava Nag Roy
৪ মিনিট
মাথা নত স্বৈরতন্ত্রের, কট্টর ইরানে নিষিদ্ধ হল নীতিপুলিশ! আর হিজাব?

“সিংহাসন খালি করো, কী জনতা আতি হ্যায়”

সম্পূর্ণ ভিন্ন প্রেক্ষাপটে লেখা হলেও রামধারী সিং দিনকরের এই উক্তিটি যথার্থভাবে খেটে যায় ইরানের ক্ষেত্রে। স্বৈরতন্ত্র চূড়ান্ত পর্যায়ে গেলে, দেশে শুধু ‘গণ’ই থেকে যায়, ‘তন্ত্র’ আর থাকে না। কয়েক সপ্তাহ আগে পর্যন্ত ইরানের পরিস্থিতি সেরকমই ছিল। হিজাব বিরোধী আন্দোলনে সেখানে প্রাণ গিয়েছে অসংখ্য মানুষের। গত ১৬ সেপ্টেম্বর, হিজাববিরোধী আন্দোলনের অন্যতম মুখ মাহশা আমিনের মৃত্যু হয় পুলিশি হেফাজতে থাকাকালীন। পরিবারের তরফে দাবি করা হয়, হত্যা করা হয়েছে মাহশাকে। প্রতিবাদে গর্জে ওঠে সমগ্র ইরান। মাহশার মৃত্যুর চল্লিশ দিন উপলক্ষ্যে শোক সভার আয়োজন করেছিল তাঁর অনুগামীরা। সরকারি নির্দেশে নিরীহ মানুষদের ওপর নির্বিচারে গুলি চালায় বর্বর পুলিশ। তবে তাতে আন্দোলন কমা তো দূর, আরও জোরদার হয়।

সরকার বিরোধী আন্দোলনে পথে নেমে যায় তরুণ প্রজন্ম। নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে শতাধিক বিক্ষোভকারী প্রাণ হারালেও প্রতিবাদের আগুন নেভেনি। পুলিশি হেফাজতে কুর্দিশ তরুণী মাহশা আমিনির মৃত্যুর পর থেকেই দেশের মহিলারা কার্যত প্রাণ হাতে নিয়ে রাস্তায় নেমেছিলেন। ইতিমধ্যেই গত মাসের শুরুতে ইরানের খ্যাতনামা শেফ মেহরশাদ শাহিদিকে পিটিয়ে খুন করে ইরানের রেভলিউশনারি গার্ড ফোর্স। হিজাব-বিরোধী আন্দোলনে পথে নেমেছিলেন শাহিদি। ১৯ বছরের তরুণ শেফ শাহিদিকে ইরানের জেমি অলিভার বলা হত। মাহশার মৃত্যু দিয়ে যে বিক্ষোভ-প্রতিবাদ শুরু হয়েছিল, শাহিদির মৃত্যুতে সেই প্রতিবাদই হয়ে ওঠে আরও ভয়ডরহীন। পরিস্থিতি এমন যে এখন দেশের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেইয়ের মৃত্যু পর্যন্ত চাইছেন আন্দোলনকারীরা। ইরানের জায়গায় জায়গায় স্লোগান উঠছে ‘ডেথ টু দ্য ডিক্টেটর’। কয়েক মাস আগে পর্যন্তও এসব অসম্ভব মনে হচ্ছিল। পুলিশি অত্যাচারে বছর বাইশের তরুণী মাহশা এবং উনিশ বছরের তরুণ শাহিদির মৃত্যুতে ক্ষোভে ফুঁসছে দেশের জনগণ, বিশেষত তরুণ প্রজন্ম। দেশের নিরাপত্তা বাহিনীর নির্বিচার গুলিও তাঁদের থামাতে পারছে না।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
হিজাব নয়! কর্নাটক থেকে ইরান, আন্দোলনের মূল মন্ত্র নারীস্বাধীনতা

Hijab Movement: প্রশ্নটা আসলে হিজাবের নয়, প্রশ্নটা নারীস্বাধীনতার।

মাহশা আমিনি

এই আন্দোলনকে ইরান সরকার নাম দিয়েছিল দাঙ্গার। সরকারের তরফে কড়া ভাষায় জানিয়ে দেওয়া হয় আন্দোলন না থামালে আরও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এর মধ্যেই দেখা দেয় সেই নৃশংস ‘ব্যবস্থা’। ১৬ নভেম্বর বিকেলবেলা, মেট্রোযাত্রীদের লক্ষ্য করে নির্বিচারে গুলি চালায় নিরাপত্তারক্ষীরা। ইরানের রাজধানী তেহরানের মেট্রো স্টেশনে নিরাপত্তারক্ষীদের বিরুদ্ধে গুলি চালানোর অভিযোগ ওঠে। সেই ভিডিও সামনে আসতে বিক্ষোভ শুরু হয় গোটা বিশ্বজুড়ে। সরকারের এমন জঘন্য মানসিকতার বিরোধিতা করে বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে জাতীয় সংগীত গাইতে অস্বীকার করে ইরানের ফুটবল দল। তার মধ্যেই ইরানের প্রধান ধর্মীয় নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেই এবং তাঁর নেতৃত্বাধীন প্রশাসনের বিরুদ্ধে সরব হন তাঁরই ভাইঝি ফারিদেহ মোরাদখানি। ইরানে তাঁর কাকার উগ্র ইসলামি শাসনকে ‘খুন এবং শিশু খুনের রাজত্ব’ বলে অভিহিত করেছেন তিনি। ফলত গ্রেপ্তার হতে হয় তাঁকে। ফারিদেহের গ্রেফতারির প্রতিবাদে বোরখা খুলে, নিরাভরণ হয়ে, চুল কেটে প্রতিবাদে সরব হন দেশের মেয়েরা। ইরানের বিদ্রোহীদের সমর্থন জানান বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের সাধারণ মহিলা-পুরুষ, এমনকী খ্যাতনামা ব্যক্তিত্বরাও। ইরান প্রশাসন চরম বলপ্রয়োগের পথে হাঁটলেও নিয়ন্ত্রণে আনা যায়নি বিক্ষোভকে। ১৯৭৯ সালের পর এত বড় রাজনৈতিক সংকট এর আগে কখনও আসেনি ইরানে।

আয়াতোল্লা আলি খামেনেই

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
হিজাবের আগুনে পুড়ছে ইরান! কেমন ছিল ইরানের মহিলাদের অতীত

Hijab Protest in Iran: মাহশা হিজাব না পরে রাস্তায় বেরোন। তাই তাঁকে শিক্ষা দিতেই দেশের নীতি পুলিশ আমিনিকে গ্রেফতার করে। এরপরেই রহস্যজকভাবে কোমায় চলে যায় আমিনি।

পরিস্থিতি যেদিকে এগোচ্ছে তাতে আয়াতোল্লা আলি খামেনেই বুঝতে পারেন সিংহাসন ‘খালি’ করার সময় অগ্রসর। তবে তেহরানের সিংহাসন এক্ষুনি খালি না হলেও, তাতে যে বেশ জোরে একটা ধাক্কা লেগেছে তা বলাই বাহুল্য। সরকারের বেঁধে দেওয়া হিজাববিধির বিরুদ্ধে গত দু’মাস ধরেই আন্দোলন চালাচ্ছিলেন ইরানের তরুণ প্রজন্ম। পথে নেমে হিজাব ছিঁড়ে ফেলে প্রতিবাদ জানাচ্ছিলেন হাজার হাজার ইরানি মহিলা। অকথ্য অত্যাচার, হত্যার হুমকি, পুলিশের গুলি কিছুই থামাতে পারেনি বিদ্রোহকে। মানবাধিকার কমিশনের রিপোর্ট অনুযায়ী প্রায় পাঁচশোর বেশি বিদ্রোহী মারা গিয়েছেন বিগত আড়াই মাসে, যার মধ্যে প্রায় ৬৭ জন নাবালক। তবে এবার আন্দোলনকারীদের সামনে মাথা নত করতে হল ইরানের সরকারকে। রবিবার জানা যায়, এই আন্দোলনকে স্বীকৃতি দিয়ে ইরানের উগ্র, কট্টর, অমানবিক নীতি পুলিশকে পাকাপাকিভাবে বরখাস্ত করে দিয়েছে সে দেশের সরকার। আশ্বস্ত করা হয়েছে শীঘ্রই পরিবর্তন আনা হবে হিজাব নীতিতে। ইরানের কেন্দ্রীয় সরকারের অ্যাটর্নি জেনারেল মহম্মদ জাফর মন্তেজারি জানিয়েছেন, “ওই নীতিপুলিশ কোনও দিনই ইরানের কেন্দ্রীয় বিচারব্যবস্থার অন্তর্গত ছিল না। ইরান সরকার ওই নীতিপুলিশ বাহিনী ‘গস্ত-এ-এরশাদ’-কে সম্পূর্ণ ভাবে প্রত্যাহার করে নিচ্ছে।”

ইরানের কেন্দ্রীয় সরকার গস্ত-এ-এরশাদ থেকে গা ঝেড়ে ফেললেও এই বাহিনীর প্রতিষ্ঠা করেছিলেন ইরানেরই প্রেসিডেন্ট। ২০০৬ সালে ইরানের প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আহমাদিনেজাদ প্রতিষ্ঠা করেছিলেন এই নীতিপুলিশ বাহিনীর। তখন সরকারের তরফে সরাসরি জানানো হয়েছিল, এই বাহিনীর লক্ষ্য হবে ইরানে হিজাব সংস্কৃতি যথাযথ ভাবে পালিত হচ্ছে কিনা, তা নিশ্চিত করা। মেয়েদের ‘শালীনতা’-র পাঠ দেওয়া। সোজা ভাষায় যাকে বলে নীতিপুলিশি। ইরানের সরকারের না-মঞ্জুর কিছু করলেই জুটবে ভয়ঙ্কর শাস্তি। হিজাব না পরায় মাহশাকে তুলে নিয়ে যায় এরাই। এর কয়েকদিন পর পুলিশি হেফাজতে মৃত্যু হয় তাঁর। এর প্রতিবাদে গত সেপ্টেম্বরের শেষ সপ্তাহ থেকেই টানা চলছিল আন্দোলন। যার ফল অবশেষে হাতে পেলেন ইরানের মহিলারা। ১৬ বছর পর নিষিদ্ধ হল এই গস্ত-এ-এরশাদ বাহিনী।

একটা সময় হিজাব ছাড়াই নির্বিঘ্নে ঘুরে বেড়াতেন ইরানের মহিলারা। ঘন, লম্বা চুল উড়ত ইরানের আকাশে। অনেকে স্বেচ্ছায় হিজাব পরতেন। তবে হিজাব পরার পাশাপাশি জিন্স, মিনি স্কার্ট এবং শর্ট-হাতা টপ পরেও ইরানের রাস্তায় স্বচ্ছন্দে ঘুরে বেড়াতে পারতেন সেই দেশের মহিলারা। সত্তরের দশকের ইরানের ছবি দেখলে বোঝা যায়, সেই সময় বিকিনি পরে সমুদ্র সৈকতে নির্দ্বিধায় ঘুরে বেড়াতেন ইরানের মহিলারা। স্কুল-কলেজে উল্লেখযোগ্য ছিল ছাত্রী সংখ্যা। তবে ১৯৭৯ সালে আয়াতোল্লা রুহুল্লাহ খোমেইনি ক্ষমতায় আসার পরই নির্দেশ দেন, জাতি-ধর্ম নির্বিশেষে দেশের সব মহিলাকে হিজাব পরে থাকতে হবে। তারপর ১৯৮৯ সালে ক্ষমতায় আসীন হয়ে একই নীতি বজায় রেখেছিলেন আয়াতোল্লা আলি খামেনেই। ফলত এগিয়ে যাওয়ার বদলে, আরও পিছিয়ে যায় ইরান। এখন দেখার বিষয়, নিজেদের কট্টর-রক্ষণশীল নীতি কতটা প্রত্যাহার করে সে দেশের সরকার। স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন ওঠে, ইরান কি আবার ফিরে যাবে সেই আগের সময়ে? উত্তর দেবে সময়ই।

লিখেছেন
Arunava Nag Roy
Arunava Nag Roy
0 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

নিষিদ্ধ নয়, বিক্রিতে নিষেধাজ্ঞা, কী আছে ফিলিস্তিনপন্থী স্যালি রুনির বইয়ে

Sally Rooney: ফিলিস্তিনপন্থী সংগঠন প্যালেস্টাইন অ্যাকশনকে রয়্যালটি দেওয়ার ইচ্ছাপ্রকাশের পর ব্রিটেনে স্যালি রুনির বই সরবরাহ বন্ধ করেছে ফ্যাবার।

সিজেপির কর্মসূচির আগে ৬ হাজার পুলিশ, দুর্ভেদ্য দুর্গ কনট প্লেস

Connaught Place protest: সিজেপির কর্মসূচির আগে কনট প্লেস এবং তার আশপাশের এলাকায় ব্যাপক নিরাপত্তার ব্যবস্থা করেছে দিল্লি পুলিশ। কনট প্লেসের আশপাশে ৬ হাজারেরও বেশি পুলিশকর্মী মোতায়েন করা হয়েছে।

সরবোন থেকে যন্তরমন্তর: যে আগুন বারবার বদলে দেয় পৃথিবীকে

May 1968 France student protests: এই যে ছেলেমেয়েরা যন্তরমন্তরের রাস্তায় স্লোগান দিচ্ছে, ধারাশ্রাবণের ভয় পিছনে ফেলে পার্লামেন্ট স্ট্রিটের দিকে এগিয়ে গেল, দক্ষিণী এক বৃদ্ধ তার ধুতি সামলাতে সামলাতে ছুটছেন তাদের সঙ্গে—কী মনোরম এই বারিপাত! কেমন যেন একটা দুর্দান্ত ফ্ল্যাশব্যাকে ঘুরে গেল সময়।

অঙ্কিতা ভাণ্ডারী মামলা: তিন অভিযুক্তের সাজা হয়েও মেটেনি ‘ভিআইপি’ রহস্য

Ankita Bhandari case highlights :অঙ্কিতার বাবা-মা অভিযোগ করেছেন, গৌতমই সেই ভিআইপি, যিনি তাঁদের মেয়েকে হত্যার ষড়যন্ত্রে জড়িত ছিলেন। তাঁরা রাষ্ট্রপতির কাছে গৌতমের রাজ্যপাল নিয়োগকে চ্যালেঞ্জ করে আদালতে গিয়েছেন, এই যুক্তিতে যে এই ‘ভিআইপি’কে কোনো পদে বহাল থাকার অনুমতি দেওয়ার আগে সিবিআই তদন্ত শেষ হওয়া উচিত।

জিডিপির বাইরে উন্নয়নের হিসাব, ভারতের অর্থনীতিকে অন্য চোখে দেখতে শিখিয়েছেন জঁ দ্রেজ

Economist Jean Drèze: দিল্লিতে সিজেপি বিক্ষোভের সময় পুলিশ আটক করল অর্থনীতিবিদ জঁ দ্রেজকে। অমর্ত্য সেনের সহযোগী এই অর্থনীতিবিদ MGNREGA ও জাতীয় খাদ্য সুরক্ষা আইনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন। ২০২৬- এ পেয়েছেন গ্লোবাল ইনইকুয়ালিটি রিসার্চ অ্যাওয়ার্ড।

জ্ঞানেশ বিরোধী আন্দোলন: তারুণ্য যা শেখালো ইন্ডিয়া জোটকে

Youth Protests and Opposition Unity: সংসদীয় রাজনীতিতে যেখানে প্রবীণ নেতারা ঐক্যের পথ খুঁজতে গিয়ে হোঁচট খাচ্ছিলেন, সেখানেই নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে ভোটার তালিকা ও বিভিন্ন অনিয়ম সংক্রান্ত ক্ষোভকে কেন্দ্র করে রাজপথে নামা তরুণ প্রজন্ম বিরোধীদের নতুন করে এক ছাতার তলায় আসার পথ তৈরি করছে।

কেন তুলে দিতে হচ্ছে মাদ্রাসা কমিশন? প্রশ্ন শিক্ষামহলের

West Bengal decides to merge Madrasah Service Commission: ১৩ অক্টোবর ২০২৬ জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ৫ অক্টোবরের মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১৯৯৭ সালের পশ্চিমবঙ্গ স্কুল সার্ভিস কমিশনের সঙ্গে মাদ্রাসা সার্ভিস কমিশনকে একীভূত করার উদ্যোগ নিয়েছে রাজ্য সরকার।

আমার উৎসব, ওঁদের আরও একটা দীর্ঘ কাজের দিন

Durga Puja for Gig Workers: গিগ কর্মীদের দুর্গাপুজোর চার দিন কীভাবে কাটে? বাড়তি উপার্জনের আশায় ব্যক্তিগত আনন্দ, উৎসবের আমেজ আর প্রিয়জনদের সঙ্গে কাটানোর সময় থেকে কতটা বিসর্জন দিতে হয় তাঁদের?