অরবিন্দ কেজরিওয়াল গ্রেফতার! বিজেপির দিল্লি দখলের মোক্ষম অস্ত্র এটিই?

CM Arvind Kejriwal Arrested by ED: আবগারি নীতিতে মদের হোম ডেলিভারি এবং দোকানগুলি রাত্রি ৩টে পর্যন্ত খোলা রাখার অনুমতি দেওয়া হয়। লাইসেন্স থাকলে বিক্রেতা যা ইচ্ছা ছাড়ও দিতে পারে।

inscript
৩ মিনিট
অরবিন্দ কেজরিওয়াল গ্রেফতার! বিজেপির দিল্লি দখলের মোক্ষম অস্ত্র এটিই?

সারা দিনের জিজ্ঞাসাবাদ, অভিযানের পর দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালকে গ্রেফতার করল ইডি। এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট বা ইডি-র একটি দল দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালের বাসভবনে পৌঁছে যায় বৃহস্পতিবার। দিল্লি আবগারি নীতি মামলার খাঁড়া ঝুলছে কেজরিওয়ালের উপর। তদন্তকারী সংস্থার দল বর্তমানে প্রিভেনশন অফ মানি লন্ডারিং অ্যাক্ট অর্থাৎ অর্থ তছরুপ আইনের ধারা ৫০-এর অধীনে দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য রেকর্ড করছে। অরবিন্দ কেজরিওয়ালের আইনি দল এই বিষয়ে জরুরি শুনানির জন্য সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে ইতিমধ্যেই।

ইডির প্রায় আটজন তদন্ত কর্মকর্তা কেজরিওয়ালের বাড়িতে উপস্থিত হন, বাসভবন জুড়ে তল্লাশি চালান। দিল্লি হাইকোর্ট আবগারি নীতির মামলায় অরবিন্দ কেজরিওয়ালকে গ্রেফতারি থেকে সুরক্ষা দিতে অস্বীকার করার কয়েক ঘণ্টা পরেই ইডির এই হানা। তারপরেই গ্রেফতার করা হয় মুখ্যমন্ত্রীকে।

আবগারি নীতি-সংযুক্ত অর্থি তছরুপের একটি মামলায় আপ আহ্বায়কের কাছে দশমতম সমন পাঠাতে তদন্তকারী সংস্থার দল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ার বাসভবনে যায়। উত্তর দিল্লির ডিসিপি মনোজ কুমার মীনাও সেখানে অন্যান্য এসিপি মর্যাদার আধিকারিকদের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন। মুখ্যমন্ত্রীর বাসভবনের বাইরে বিশাল পুলিশ মোতায়েন দেখা যায়।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
নিম্নমানের ওষুধ তৈরি করেও রেহাই! ১০০০ কোটির বন্ড কিনেছে কোন কোন ওষুধ কোম্পানি?

Pharmaceutical Firms Electoral Bond Donation: টরেন্ট ফার্মা ২০১৯ সালের মে মাস থেকে ২০২৪ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত ৭৭.৫ কোটি টাকার নির্বাচনী বন্ড কিনেছে

দিল্লির মন্ত্রী সৌরভ ভরদ্বাজ বলছেন, "যেভাবে পুলিশ ভিতরে রয়েছে এবং কাউকে ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না, দেখে মনে হচ্ছে ইডির অভিযান চালানো হচ্ছে। মনে হচ্ছে অরবিন্দ কেজরিওয়ালকে গ্রেপ্তার করার পরিকল্পনা করেছে তারা।" তাঁর আশঙ্কা সত্য হয়।

আম আদমি পার্টির প্রধান আবগারি নীতি কেলেঙ্কারির বিষয়ে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের জারি করা নয়টি সমন এড়িয়ে গেছেন। সোমবার, তিনি দিল্লি জল বোর্ডের বেনিয়মের সঙ্গে যুক্ত একটি অর্থ তছরুপের মামলাতেও জারি করা সমন এড়িয়ে গেছেন।

বিআরএস নেতা কে কবিতাকে আবগারি নীতির মামলায় গ্রেফতার করার এক সপ্তাহেরও কম সময়ে ইডির দল দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীর বাসভবনে গিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করছে। কে কবিতার গ্রেফতারির পর সেই প্রথম এই মামলায় ষড়যন্ত্রকারী হিসাবে নাম প্রকাশ্যে আসে কেজরিওয়ালের।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
দশ বছরে দেশের বেকার, চাকরিপ্রার্থীদের কী দিলেন নরেন্দ্র মোদি?

Narendra Modi Unemployment:স্টেট অফ ওয়ার্কিং ইন্ডিয়া ২০২৩-এর প্রতিবেদনে দেখা গেছে, পর্যাপ্ত বেতনের চাকরির অভাবের কারণেই মানুষ 'সেলফ-এমপ্লয়েড' হচ্ছেন।

গত বছরের অক্টোবরে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট প্রথম সমন জারি করে। দিল্লির প্রাক্তন উপ-মুখ্যমন্ত্রী মনীশ সিসোদিয়াকেও গত বছরের ফেব্রুয়ারিতে এই মামলায় গ্রেফতার করা হয়েছিল, আপ রাজ্যসভার সাংসদ সঞ্জয় সিংকেও অক্টোবরে গ্রেফতার করা হয়েছিল।

এই আবগারি নীতির মামলাটি ঠিক কী? ২০২১ সালে দিল্লিতে মদ বিক্রি নিয়ে একটি নীতি প্রবর্তিত হয়, পরে তা প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়েছে। অন্য রাজ্যের আবগারি নীতির থেকে এই নীতি আলাদা। এই নীতির অধীনে মদ বিক্রির সঙ্গে সরকারের আর কোনও সম্পর্ক ছিল না এবং শুধুমাত্র ব্যক্তিগত দোকানগুলিই মদ বিক্রি করার অনুমতি পায়। এর লক্ষ্য ছিল কালোবাজারি বন্ধ করা, রাজস্ব বৃদ্ধি করা এবং গ্রাহকদের সুবিধা করে দেওয়া।

এই আবগারি নীতিতে মদের হোম ডেলিভারি এবং দোকানগুলি রাত্রি ৩টে পর্যন্ত খোলা রাখার অনুমতি দেওয়া হয়। লাইসেন্স থাকলে বিক্রেতা যা ইচ্ছা ছাড়ও দিতে পারে। সরকার জানায়, এই আবগারি নীতির ফলে সরকারের আয় ২৭ শতাংশ বেড়েছে, সরকার প্রায় ৮,৯০০ কোটি টাকা আয় করেছে। এই নীতি নিয়েই শুরু হয় দ্বন্দ্ব। প্রথমে দিল্লি পুলিশের অর্থনৈতিক অপরাধ শাখা বিষয়টি সরাসরি কেন্দ্রের বিজেপি সরকারকে জানাত। তারপর গোল বাঁধে দিল্লির নতুন লেফটেন্যান্ট গভর্নর ভি কে সাক্সেনার সঙ্গে, তিনিও কেন্দ্রীয় বিজেপি সরকারের প্রতিনিধি।

মণীশ সিসোদিয়ার বিরুদ্ধে নিয়ম ভঙ্গ করার এবং লাইসেন্স থাকা মদ বিক্রেতাদের অযৌক্তিক সুবিধা পাইয়ে দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। গ্রেফতার হওয়া পর্যন্ত কিন্তু মণীশ সিসোদিয়ার নাম সিবিআইয়ের অভিযোগপত্রে ছিল না। সিবিআই ২০২২ সালে তাঁর বাড়ি সহ ৩১টি জায়গায় অভিযান চালায়।

অন্যদিকে, এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটও আলাদা করে দিল্লির আবগারি কেলেঙ্কারির তদন্ত শুরু করে।অর্থ তছরুপের অভিযোগ ওঠে। ইডি দাবি করে, 'সাউথ গ্রুপ' নামে পরিচিত একটি আবগারি লবি গোয়ায় নির্বাচনী প্রচারের জন্য আম আদমি পার্টিকে অন্তত ১০০ কোটি টাকা দিয়েছে। আবগারি নীতি মামলার অন্যতম অভিযুক্ত বিজয় নায়ারও প্রায়ই কেজরিওয়ালের অফিসে যেতেন এবং সেখানে বেশিরভাগ সময় কাটাতেন বলে দাবি ইডির। ইডির দাবি, এই বিজয় নায়ারই ইন্দোস্পিরিটের মালিক সমীর মহেন্দ্রুকে কেজরিওয়ালের সঙ্গে দেখা করিয়ে দেন। সাউথ লবির প্রথম অভিযুক্ত রাঘব মাগুন্তা, যিনি এখন একজন সাক্ষী, তিনি বলেছিলেন তাঁর বাবা, ওয়াইএসআর কংগ্রেস পার্টির সাংসদ, আবগারি নীতি সম্পর্কে আরও জানতে কেজরিওয়ালের সঙ্গে দেখা করেছিলেন।

ইডি তেলেঙ্গানার মুখ্যমন্ত্রী কে চন্দ্রশেখর রাওয়ের কন্যা বিজেপির তীব্র সমালোচক কে কবিতাকে এবং তাঁর প্রাক্তন হিসাবরক্ষককেও গ্রেফতার করে। এবার লোকসভা নির্বাচনের আগে কেজরিওয়ালকে গ্রেফতার করার ঘটনা সারা দেশের রাজনীতিতে এর ব্যাপক প্রভাব ফেলবে। শুধু মুখ্যমন্ত্রীর গ্রেফতারিই নয় বিষয়টি, বিষয়টি বিজেপি বিরোধী শক্তিকে খোদ দিল্লি থেকে উপড়ে ফেলা। সরকার প্রতিষ্ঠাকে নিষ্কণ্টক করতে কোন পর্যায়ে যেতে পারে বিজেপি তাই এখন দেখার। অন্যদিকে এও প্রশ্ন উঠছে, অরবিন্দ কেজরিওয়াল কি নিজের সমর্থনকে আবেগের দিক থেকে বিজেপির বিরুদ্ধে ব্যবহার করতে পারবেন?

লিখেছেন
inscript
inscript
16 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

এসআইআর বির্তক: যে খবর স্বাভাবিক হওয়ার কথা, সেটাই আজ বিস্ময়

Gyanesh Kumar, SIR and Election Commission: এসআইআর নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে আপত্তি থাকা সত্ত্বেও কেন প্রক্রিয়া চালানো হল? জ্ঞানেশ কুমার কীভাবে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার হলেন? ২০২৩ সালে আইন বদলে প্রধান বিচারপতিকে নির্বাচন কমিশনার বাছাইয়ের কমিটি থেকে সরানো হল কেন? এতদিন এই প্রশ্নগুলি গণমাধ্যম তুলল না কেন?

এসআইআর: বিশুদ্ধ ভোটার তালিকা তৈরির নামে যা পেল বাঙালি

Real Effect of SIR in bengal: ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় পশ্চিমবঙ্গে ৯১ লক্ষ ভোটার বাদ যান, যারা ছিলেন মোট ভোটারের ১২ শতাংশ। যাদের মধ্যে ৩৪% ছিলেন মুসলিম , নারীরা সংখ্যায় ছিলেন ৬১.৮%, এছাড়াও ছিলেন, মতুয়া ও রাজবংশী সম্প্রদায়ের মানুষেরা, যারা অসামঞ্জস্যপূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন। ফর্ম-৭-এর অপব্যবহার, অ্যালগরিদম-নির্ভর যাচাই, ১৯টি আপিল ট্রাইব্যুনালে ১ লক্ষ মামলা, সব মিলিয়ে ২০২৬-এর ভোটে যোগ্য নাগরিকরাও বাদ পড়েছিলেন।

‘সব নির্বাচনেই কারচুপি’, কেন এমন দাবি রাহুল গান্ধীর?

Rahul Gandhi election rigging claim: রাহুল গান্ধী কেন দাবি করলেন, ভারতের সব নির্বাচনেই কারচুপি হচ্ছে? নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে কী প্রশ্ন তুলেছেন তিনি? সরকারবিরোধী মনোভাব বা অ্যান্টি-ইনকামবেন্সি কীভাবে ভোটের রাজনীতিতে কাজ করে? তাঁর অভিযোগের পক্ষে কী কী তথ্য ও প্রমাণ তুলে ধরা হয়েছে?

সিজেপির তিন দাবি, জ্ঞানেশ কুমার না সরলে ফের বড় আন্দোলন

Election Commission of India: নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা, নির্বাচন পরিচালনার পদ্ধতি এবং ২০২৩ সালের আইনের বৈধতা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের কাছে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি জানিয়েছে সিজেপি। তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ, নির্বাচন প্রক্রিয়া স্থগিত করা এবং ২০২৩ সালের নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ সংক্রান্ত আইন প্রত্যাহার।

থানার গেটেই মারধর প্রাক্তন আইপিএস হুমায়ুন কবীরকে, সাধারণ মানুষ কতটা নিরাপদ?

Humayun Kabir: ঘটনার পর এখনও পর্যন্ত তিনি কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের করতে পারেননি বলেও জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, শারীরিক অসুস্থতার কারণে তখন অভিযোগ করা সম্ভব হয়নি। সুস্থ হয়ে তিনি লিখিত অভিযোগ করবেন।

দুই কমিশনারের আপত্তিতে ফের আলোচনায় সীমা খান্না, কমিশনে ঠিক কী দায়িত্ব তাঁর?

Seema Khanna and ECINet: ভোটার তালিকা ও ইসিআইনেট (ECINet) নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক। দুই নির্বাচন কমিশনারের আপত্তিতে সামনে এসেছে আইটি বিভাগের ভূমিকা এবং ডিরেক্টর জেনারেল (IT) সীমা খান্নার নাম। কে এই সীমা খান্না? নির্বাচন কমিশনে তাঁর দায়িত্ব কী? ভোটার তালিকা পরিচালনায় তাঁর ভূমিকা নিয়েই বা কেন উঠছে প্রশ্ন?

সরকারকে ৪ দিনের সময়সীমা বেধে দিল চা-শ্রমিকরা, ঠিক কী কী দাবি?

Dooars tea workers: ২২ সেপ্টেম্বর বকেয়া মজুরি ও অন্যান্য পাওনা মেটানোর দাবিতে হাঁটাপাড়া, ধুমচিপাড়া ও গারগান্ডার চা-শ্রমিকরা মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পদযাত্রা শুরু করেন। একই দিনে তোর্সার প্রস্তাবিত ল্যান্ড পোর্ট প্রকল্পে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষও জমি ও অধিকার রক্ষার দাবিতে পদযাত্রা করেন। দুই পদযাত্রাই পুলিশ আটকে দেয়।

বিশাখাপত্তনমে গুগলের ডেটা সেন্টার: ডিজিটাল উন্নয়নের দাম দেবে জল ও পরিবেশ?

Digital Thirst of vizag ai data centres: গুগল-আদানি-এয়ারটেলের যৌথ উদ্যোগে বিশাখাপত্তনমে গড়ে উঠছে ১ গিগাওয়াটের এআই ডেটা সেন্টার, বিনিয়োগ ১.২৫ লক্ষ কোটি টাকা। কিন্তু শহরের জলসংকট, কাম্বালাকোন্ডা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যের নৈকট্য আর পরিবেশবাদীদের বিক্ষোভ এই প্রকল্পকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে। 'স্টপ বিশাগ ডেটা সেন্টারস'-এর ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট পর্যন্ত নিষিদ্ধ করেছে ভারত সরকার।