অরুণাভ-রা গর্জান, অভিজিৎ বর্ষান || যে ভাবে বারবার দুর্বলের পক্ষ নিলেন...

তাঁর জনপ্রিয়তা এমন জায়গায় পৌঁছেছে যে, তিনি বাজারে বেরলে লোকে নাকি অটোগ্রাফের জন্য তাঁকে ছেঁকে ধরছে।

tiasa gupta
৪ মিনিট
অরুণাভ-রা গর্জান, অভিজিৎ বর্ষান || যে ভাবে বারবার দুর্বলের পক্ষ নিলেন...

এজলাস ডুয়েল দেখেছে।

বুনো ওল-বাঘা তেঁতুলের লড়াই দেখেছে রাজ্য।

আইনজীবী, বিচারপতিকে বলেছেন, তিনি আইন জানেন না।

কে সেই বিচারপতি? খোদ অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। তিনি পাল্টা দেন যে, রুল জারি করে অরুণাভ ঘোষকে জেলে পাঠাবেন। পরে সেই বিবাদের পরিণতি এজলাসেই মধুরেণ সমাপয়েৎ! সে যাই হোক, মোদ্দা কথা হল, বারবার বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় প্রমাণ করেছেন, তিনি শুধু গর্জান না, বর্ষানও। তাই তাঁর দ্বারস্থ হয়ে বিচার পেয়েছেন রাজ্যের চাকরিপ্রার্থীরা। নিজের রায়ের মাধ্যমে ন্যায় প্রতিষ্ঠা করেছেন। এসএসসি দুর্নীতি নিয়ে তোলপাড় ফেলে দেওয়া নাম এই অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। এক সাঁওতাল পরিবারের ছেলের পড়াশুনো থেকে বসবাসের ব্যবস্থা করে দিয়েছিলেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ই। বারবার প্রমাণ করেছেন গরিব মানুষের 'মসিহা’ তিনি। তাঁর কণ্ঠে শোনা গেছে, 'ভারতে একটা জুডিশিয়ারি আছে।' আইনের দ্বারস্থ হওয়ার অসহায় মানুষদের এভাবেই ন্যায়ের ঠিকানা দেখিয়েছেন। সংবিধানে পিছিয়ে পড়া শ্রেণির সমস্যার সমাধান করা রাজ্যের দায়িত্ব। সেই দায়িত্ব পালন করে রাজ্যকে পাঠ দিয়েছেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়।

এক সন্তানের প্রতি তাঁর সৎ মায়ের বঞ্চনার ঘটনা যে এই মাত্রায় পৌঁছতে পারে, তা কোনওদিন ভাবতে পারেনি রাজ্য প্রশাসনের কেউ। তবে যে দায়িত্ব রাজ্য সরকারকে পালন করতে হতো, তা পালন করে দেখায় আদালত। সংবিধানে পিছিয়ে পড়া শ্রেণির সমস্যার সমাধান করা রাজ্যের দায়িত্ব। তবে এবারে সেই দায়িত্ব নিজের কাঁধে তুলে নেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। সাঁওতাল পরিবারের ছেলের পড়াশোনা থেকে বসবাসের সমস্ত বন্দোবস্ত করে দেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় নিজেই। পাশাপাশি সৎ মায়ের বিরুদ্ধে ওঠে বঞ্চনার অভিযোগ। কেন চার মাস ধরে সৎ মা পিঙ্কি কোনও টাকা দেননি, সেই নিয়ে প্রশ্ন উঠতেই সৎ মায়ের বেতন বন্ধর নির্দেশ দেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
পরেশ থেকে মানিক, যেভাবে একে একে রাঘববোয়ালকে জালে ফেলছেন অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়

নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে একের পর এক মামলায় তোলপাড় ফেলে দেওয়া নাম বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়।

ঘটনার শুরু ২০১৫ সালে। সেই বছর রোগাক্রান্ত হয়ে মারা গিয়েছিলেন সাঁওতাল পরিবারের এক ছেলে বামাপদর (নাম পরিবর্তিত) মা রমা। তারপর হঠাৎ রহস্যজনকভাবেই মারা গিয়েছিলেন বাবা বংশী টিঙ্গুয়া। মা মারা যাওয়ার পর পেশায় স্কুলের শিক্ষাকর্মী হিসেবে কর্মরত বাবা দ্বিতীয়বার বিয়ে করেন। পরে বাবা মারা যাওয়ার পর সেই চাকরি পান তাঁর সৎ মা। শর্ত ছিল, চাকরি পাওয়ার পর পরিবারের দায়িত্ব নেবেন। কিন্তু কিছুদিন পর থেকেই সৎ মায়ের বঞ্চনার শিকার হতে শুরু করেন বামাপদ। একই সঙ্গে অসহায় হয়ে পড়েন তাঁর বৃদ্ধ ঠাকুরদাদা। অবশেষে দাদু এবং নাতি গিয়ে ওঠেন গাছ তলায়। ত্রিপল টাঙিয়ে দাদু-নাতির সংসার। কিন্তু সংসার চালানো বৃদ্ধ দয়ানাথের পক্ষে সম্ভব ছিল না।

এই কারণে আদালতে গিয়ে খোরপোষের দাবি করে মামলা দায়ের করেন ওই বৃদ্ধ। গত বছর ডিসেম্বর মাসে ওই সংক্রান্ত মামলায় বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় জানতে চান নাতি এবং দাদু এই মুহূর্তে কোথায় থাকেন? তাঁদের দু’জনের বাসস্থানের ছবি দেখে তিনি একেবারে স্তব্ধ হয়ে যান। পূর্ব মেদিনীপুরের প্রত্যন্ত কোনও একটি গ্রামে বটগাছের তলায় তাঁরা কোনক্রমে ত্রিপল খাটিয়ে রয়েছেন। সাঁওতাল সম্প্রদায় ভুক্ত হওয়ার কারণে বিশেষ সুবিধা তাঁরা পান না বলে অভিযোগ। এরপরেই জেলা শাসককে ডেকে আদালত নির্দেশ দিয়েছে প্রকল্প অনুযায়ী বাড়ি বানিয়ে দিতে। শুধু তাই নয়, সেই সময় ওই ছেলেটিকে স্কুলে ভর্তি করেছিলেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। সম্প্রতি ৮০ শতাংশর বেশি নম্বর পেয়ে মাধ্যমিক পাশ করেছে ওই ছেলেটি। এদিন ভরা এজলাসে এই শুনে অত্যন্ত আপ্লুত বিচারপতি। বামাপদর উদ্দেশ্যে বিচারপতি বলেন, "ভালো করে পড়াশোনা করো, আমরা সকলে তোমার পাশে আছি।" তার সঙ্গেই আদালত জানিয়েছে সাবালক না হওয়া পর্যন্ত এই মামলা আদালতের নজরদারিতে থাকবে।

নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে একের পর এক মামলায় তোলপাড় ফেলে দেওয়া নাম বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। তিনি হয়ে উঠেছেন সাধারণ মানুষের ভরসার পীঠস্থান। বিভিন্ন দুর্নীতি মামলায় তিনি ঝড় তুলেছেন। এর জেরে খোদ রাজ্য সরকারের আসনে চিড় ধরেছে। কারণ এসএসসি দুর্নীতি নিয়ে তিনি পরের পর চাঞ্চল্যকর রায় দিতেই আসরে নামে খোদ ইডি। নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় গ্রেফতার করা হয় প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রীকে। তাঁর ঘনিষ্ঠর বাড়ি থেকে উদ্ধার হয় টাকার পাহাড়। এরপর ঝুলি থেকে একের পর এক বেড়াল বেরতে থাকে। অনুব্রতর দুর্নীতির পর্দাও ফাঁস হচ্ছে ধীরে ধীরে।

জুন মাসে তিনি প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের সভাপতি মানিক ভট্টাচার্যকে সরিয়ে দেন। এই নিয়ে বেশ কিছু অসংগতি তাঁর সামনে আসতেই তিনি পদক্ষেপ করেন। এদিকে রাজ্য বিভিন্ন দুর্নীতি ইস্যুতে জেরবার হতেই গৌতম পালকে মানিকের জায়গায় বসায়।

বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের এযাবৎ সবচেয়ে বড় উল্লেখযোগ্য নির্দেশ হলো, এসএসসি মামলায় মন্ত্রী পরেশ অধিকারীর মেয়ে অঙ্কিতা অধিকারীর শিক্ষকতার চাকরি কেড়ে নেওয়া এবং ৪১ মাসের বেতন ফিরিয়ে দেওয়ার নির্দেশ। এসএসসি সংক্রান্ত মামলা কেবলমাত্র সিবিআইয়ের হাতে তুলে দেওয়া নয়, এর পাশাপাশি মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের মতো ব্যক্তিত্বকেও বেকায়দায় ফেলে দিয়েছেন তিনি।

তাঁকে আইনজীবী অরুণাভ, আইন জানেন না বলে কটাক্ষ করেন। তিনি কিন্তু এজলাসে বারবার ন্যায় প্রতিষ্ঠা করেছেন। যাঁদের হয়ে বিচারের বাণী নিভৃতে কেঁদে গেছে, তাঁদের কাছে কি মসিহা নন এই বিচারপতি?

বিচারপতি, আইনজীবী, আমলা- এত গুরুত্বপূর্ণ সব দায়িত্ব সামলানোর আগে কম বয়সে সাংবাদিকতাও করেছেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়। ৬০ ছুঁয়েছেন। কিন্তু বয়স তাঁকে কাবু করতে পারেনি। অনেকের ধারণা, ব্যক্তিগত জীবনে খুব রাশভারী এবং গুরুগম্ভীর। মন্ত্রী থেকে দাপুটে নেতা- যে কাউকে অন্যায়ের হদিশ পেলে পাঠিয়ে দেন সিবিআই দফতরে। পরপর গুরুত্বপূর্ণ মামলার মানবিক রায় দিয়ে সাধারণের মুখে মুখে তাঁর নাম। শোনা যাচ্ছে, তাঁর জনপ্রিয়তা এমন জায়গায় পৌঁছেছে যে, তিনি বাজারে বেরলে লোকে নাকি অটোগ্রাফের জন্য তাঁকে ছেঁকে ধরছে।

এই কথার মধ্যে সত্যি কতটা, কতটা জল মেশানো, সেই বিতর্কে না গিয়েও বলা যায় সাধারণ মানুষকে যিনি আইনের ভরসা জুগিয়েছেন, তিনি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়।

লিখেছেন
tiasa gupta
tiasa gupta
0 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

ছ’বছর ধরে জেলবন্দি, আন্তর্জাতিক মানবাধিকার রক্ষক সম্মান পেলেন উমর খালিদ

Umar Khalid Human Rights Award: এ বছর তাঁর সঙ্গে আরও চার জন মানবাধিকারকর্মী এই সম্মান পেয়েছেন। তাঁরা হলেন ইরানের মৃত্যুদণ্ড-বিরোধী আন্দোলনকর্মী আহমদরেজা হায়েরি, অ্যাঙ্গোলার গণতন্ত্রকর্মী লরিন্ডা ম্যানুয়েল গুভেইয়া, ব্রাজিলের ব্ল্যাক ট্রান্স নারী ও অধিকারকর্মী আদ্দা ভিক্টোরিয়া কায়েতানো এবং সার্বিয়ার শান্তি ও নারীবাদী আন্দোলনের কর্মী লিলিয়ানা নেশিচ।

তিন দিনে তিনবার আটক রাহুল, রাজঘাটে বিরোধীদের ধর্না: SIR নিয়ে সংঘাত কোথায় গিয়ে ঠেকল?

Rahul Gandhi SIR protest: গত তিন দিন ধরে রণক্ষেত্রের চেহারা নিয়েছে দিল্লি। মঙ্গলবার সংসদ থেকে নির্বাচন কমিশনের সদর দপ্তরের দিকে পদযাত্রা দিয়ে শুরু হয় এই প্রতিরোধ। পুলিশ বাধা দিলে রাহুল গান্ধী ব্যারিকেডে উঠে জাতীয় পতাকা নাড়ান এবং সহকর্মীদের নিয়ে ঢুকে পড়েন সংলগ্ন আকাশবাণী ভবনে।

বেঙ্গালুরুতে জনতার ট্রাইব্যুনাল, এসআইআর-এর বিরুদ্ধে সরব প্রকাশ রাজ-ধ্রুব রাঠী

Bengaluru Protest Against SIR: এসআইআর-এর বিরুদ্ধে বেঙ্গালুরুর ফ্রিডম পার্কে পথে নামলেন নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ দাবি করলেন প্রকাশ রাজ, ধ্রুব রাঠী-সহ প্রতিবাদীরা। ‘পিপলস ট্রাইব্যুনাল’-এ নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে কী কী অভিযোগ উঠল?

মোদির ২৫ বছর: গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী থেকে ভারতের দীর্ঘতম সরকারপ্রধান

Modi's Quarter Century in Power: ৭ অক্টোবর ২০২৬, গুজরাটের ভূমিকম্পোত্তর পুনর্গঠন থেকে ক্ষমতার শীর্ষে, টানা ২৫ বছর সরকারপ্রধানের পদে রেকর্ড গড়লেন নরেন্দ্র মোদি। গত ১০ জুন, তিনি প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী নেহরুর ৪,৩৯৮ দিনের রেকর্ড ছাড়িয়ে গিয়েছেন। তাঁর আমলে ভারতের জিডিপি হয়েছে তিনগুণ, বৈদেশিক রফতানি পৌঁছেছে বিলিয়ন ডলারের হিসাবে, কিন্তু শিক্ষিত যুবদের বেকারত্বও হয়েছে আকাশছোঁয়া, তাঁর করা নোটবাতিলে দরিদ্রতমরা হয়েছেন ক্ষতিগ্রস্ত, একাডেমিক ফ্রিডমের প্রশ্নে দেশের নাম ডুবেছে বারবার। এক নজরে দেখে নেওয়া যাক, মোদিযুগের অর্জন, ব্যর্থতা ও গণতান্ত্রিক অবক্ষয়ের হিসাব।

গাজা ধ্বংসের তিন বছর: স্কুল নেই, শিক্ষক নেই, হারিয়ে যাচ্ছে একটি প্রজন্ম

Gaza education crisis: ইউনিসেফের হিসেব অনুযায়ী, গাজার ৪ থেকে ১৭ বছর বয়সি প্রায় ৭ লক্ষ শিশু টানা তিন শিক্ষাবর্ষ ধরে নিয়মিত স্কুলশিক্ষা থেকে বঞ্চিত হয়েছে। ২০২৬ সালের মাঝামাঝি সময়েও গাজার প্রায় ৪ লক্ষ ২০ হাজার শিশু সরাসরি স্কুলে গিয়ে পড়াশোনার সুযোগ থেকে বঞ্চিত ছিল।

এসআইআর: সর্বোচ্চ আদালতের ভূমিকা নিয়েও কথা হোক

SIR controversy: নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে যখন একের পর এক অভিযোগ উঠছে, তখন সুপ্রিম কোর্টের নিষ্ক্রিয়তা নিয়েও কি প্রশ্ন উঠবে না? ফর্ম ৬, ভোটার তালিকা থেকে বাদ এবং ট্রাইবুনালে দীর্ঘসূত্রিতার মতো ঘটনায় সর্বোচ্চ আদালত কি তার সাংবিধানিক দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হয়েছে?

নেহা বোরার সভার পরেই যাদবপুরে কমিটি ভাঙল! রাজনৈতিক অনুষ্ঠান ঘিরে কেন তুঙ্গে বিতর্ক?

Neha Bora Jadavpur University: আয়োজক ছাত্র সংগঠন আইসার যাদবপুর ইউনিট দাবি করেছে যে তারা যথাযথ নিয়ম মেনে ২০ সেপ্টেম্বরই আবেদনপত্র জমা দিয়েছিল এবং ২৫ সেপ্টেম্বর সংশ্লিষ্ট কমিটি থেকে অনুষ্ঠানটির অনুমোদনও পেয়েছিল। অন্যদিকে, বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার দেবজিৎ দত্ত দাবি করেন, এই ধরনের কোনো ফাইল বা অনুমতির চিঠি তাঁর দপ্তরে পৌঁছয়নি।

এসআইআর ফর্ম ৭ বিতর্ক, ৩০ জন মুসলিম ভোটারের নাম বাদের অভিযোগে এফআইআর

SIR Form 7 Controversy: হায়দরাবাদে এসআইআর-এ ফর্ম ৭ নিয়ে বিতর্ক। ৩০ জন মুসলিম ভোটারের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার আবেদন করার অভিযোগে বিজেপির এক বুথ এজেন্টের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের হয়েছে। নির্বাচন আধিকারিকদের যাচাইয়ে ওই ভোটারদের ঠিকানায় থাকার প্রমাণ মেলে। অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। ঘটনায় ভোটার তালিকার স্বচ্ছতা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে।