শুকোচ্ছে ফুসফুস, আয়ু কমছে কলকাতার! অতিবৃষ্টিতে জল জমা নিয়ে ভয়াবহ তথ্য

Kolkata Water Logging: কলকাতার বহু অংশে, দক্ষিণ-উত্তর-মধ্য অংশেও এই জলাভূমি বুজিয়ে অট্টালিকা নির্মাণের কথা প্রকাশ্যে এসেছে। যা উত্তর ২৪ পরগনার রাজারহাটের বিস্তীর্ণ অংশেও প্রকাশিত হয়েছে বারবার।

Ramen Das
৪ মিনিট
শুকোচ্ছে ফুসফুস, আয়ু কমছে কলকাতার! অতিবৃষ্টিতে জল জমা নিয়ে ভয়াবহ তথ্য

“প্রাণপণে পৃথিবীর সরাব জঞ্জাল, এ বিশ্বকে এ শিশুর বাসযোগ্য করে যাব আমি।

নবজাতকের কাছে এ আমার দৃঢ় অঙ্গীকার।”

কবি সুকান্ত ভট্টাচার্যের অঙ্গীকার সফল হয়নি! আমরাও অপারগ বারবার। এই পৃথিবী শিশুর বাসযোগ্য ঠিক কতটা হয়েছে তা নিয়ে প্রশ্নের অবকাশের মধ্যেই অনুরণিত হয়েছে পৃথিবীর সব জঞ্জালের এক হয়ে থাকার কথা। ধ্বংসের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার কথা! পরিবেশ ধ্বংস হচ্ছে রোজ। প্রত্যেক মুহূর্তে শেষ হচ্ছে গাছ। বাসা হারাচ্ছে পাখি। জল ফুরনোর কালো ঘরে খাবি খাচ্ছে জলজরা। আর আমরা অর্থাৎ মানুষরা? শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত জীবনযাপনে পলিথিন এবং অপরিমিত অট্টালিকার আবহে শেষ করছি নিজেদেরই! অর্থাৎ নিজের পায়ে কি কুড়ুল মারছি নিজেরাই! এক একটি শহরকে কি হারিয়ে যেতে সাহায্য করছি আমরাই!

ফের শোনা যাচ্ছে বিপদে পড়েছে কলকাতা! সুন্দরী তিলোত্তমার আকাশে ঘনিয়ে আসছে ভয়ের মেঘ! তার নাকি ফুরোচ্ছে দিন! ক্রমে ক্রমে কমছে আয়ু! নষ্ট হচ্ছে ফুসফুস! ঘুণ ধরছে শরীরে! আর কলকাতার এই ঘোর বিপদের আবহে ভয় ধরিয়েছে সাম্প্রতিক কিছু ঘটনা। কেন? গত মাসেই বন্যায় বিপর্যস্ত হয়েছে বেঙ্গালুরু। বলা হচ্ছে, ওই শহর গত একশো বছরে এই রকম ভয়াবহ বন্যা দেখেনি। লক্ষাধিক মানুষের ক্ষতি হয়েছে। ভেঙেছে ঘর। ক্ষতি হয়েছে আসবাবের। গত মে মাসেই বন্যায় ডুবেছে অসম। গুয়াহাটি-সহ একাধিক এলাকা গিয়েছে জলের তলায়। বলা হচ্ছে, এমন জোরদার বন্যার কথা নাকি গত ৫০ বছরেও আঁচ করতে পারেনি অসম। অগাস্টে বন্যায় ডুবেছে পাকিস্তান। হাজারের বেশি মানুষের মৃত্যু ঘটেছে এই বন্যায়। বৃষ্টি, বাঁধ ভাঙার কবলে শেষ হয়েছে পাকিস্তানের একাধিক এলাকা। বন্যার কবলিত হয়েছে চিনও। অনেকেই বলছেন, বর্ষাকালে নদীবাঁধ ভাঙে অনেক জায়গায়, সেই কারণে বন্যার ইতিহাস পরিলক্ষিত হয় বারবার। প্লাবিত হয় এলাকার পর এলাকা।

যদিও তথ্য বলছে অন্য কথা। এই বন্যা আর নদীর বাঁধ ভাঙার ঘটনা, অতিবৃষ্টির সঙ্গে উঠে আসছে কিছু চাঞ্চল্যকর তথ্য। কী বলা হচ্ছে ওই তথ্যে? ইউনাইটেড ইন সায়েন্সের পক্ষে ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২২-এ প্রকাশিত একটি রিপোর্টে বলা হচ্ছে, জলবায়ুর পরিবর্তন এবং প্রত্যেক বছর উষ্ণতা বৃদ্ধির জন্য এই অবস্থা। শহরগুলোতে অতিবৃষ্টি হচ্ছে, যার ফলে বন্যায় ডুবছে শহর।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
হাথরাস থেকে লখিমপুর- আইনের জটে কেন আজও আটকে দলিত ধর্ষণের মামলা?

Uttar Pradesh Rape: ভারতে ২০২০ সালে প্রতিদিন গড়ে ১০ জন দলিত নারী ধর্ষণের শিকার হয়েছেন বলে সরকারি তথ্যেই দেখা গেছে।

গত মে মাসে অসমের বন্যা নিয়ে উঠে এসেছে একটি বিস্ফোরক তথ্য। বলা হচ্ছে, একে একে প্রাকৃতিক উপায়ে তৈরি জলাভূমির আয়তন কমছে। যেখানে একাধিক বিল বা জলাভূমি বুজিয়ে দেওয়া হয়েছে। আয়তন কমেছে ‘ডিপোর বিলে’র মতো জলাভূমির। একটি রিপোর্টে উল্লেখ করা হচ্ছে; ১৯৯২ থেকে ২০১৯- এই ২৭ বছরের গবেষণায় দেখা গিয়েছে, অসমের খামরঙা বিলের আয়তন কমেছে প্রায় ২২ শতাংশ। অসমের আদমশুমারি বিভাগের কর্তা জয়ন্ত গোস্বামী এবং তাঁর দলের তরফে গবেষণায় উঠে আসে যে, নগরায়ন, নির্মাণের ফলে ক্রমেই কমেছে এই জলাভূমির আয়তন। রামসার কভেনশনের রিপোর্ট বলছে, অসমের ডিপোর বিলে জলধারণ ক্ষমতা কমেছে। ঠিক এই পরিস্থিতিতে দাঁড়িয়ে কলকাতার মতো শহরের অবস্থাও প্রায় একই। কলকাতার একাধিক বেঁচে থাকা জলাশয়ের আয়তনও কমেছে।

কলকাতা হাইকোর্টে ২০১৯-এর একটি মামলার প্রেক্ষিতে জানা যায়, মূলত পূর্ব কলকাতার একাধিক জায়গায় জলাভূমি ভরাট হয়েছে বারবার। যদিও প্রায় একই বিষয়ে বারবার সরব হয়েছেন পরিবেশকর্মী সুভাষ দত্ত। জলাভূমি ভরাটের ঘটনায়, ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন তৎকালীন পরিবেশমন্ত্রী সৌমেন মহাপাত্র। এছাড়া কলকাতার বহু অংশে, দক্ষিণ-উত্তর-মধ্য অংশেও এই জলাভূমি বুজিয়ে অট্টালিকা নির্মাণের কথা প্রকাশ্যে এসেছে। যা উত্তর ২৪ পরগনার রাজারহাটের বিস্তীর্ণ অংশেও প্রকাশিত হয়েছে বারবার। সেখানেও উঠেছে একই অভিযোগ। এখানেই ‘ইন্টারডিসিপ্লিনারি স্টাডি অব ক্লাইমেট চেঞ্জেস’, বম্বে-র তরফে একটি উদ্যোগ নেওয়া হয়। টুইটারকে ব্যবহার করে বলা হয়, বন্যা বা জল জমা এলাকার ছবি দিতে। যা তাজ্জব করে পরিবেশবিদদের। দেখা যায়, দেশজুড়ে একাধিক জায়গায় অল্প বৃষ্টিতেও জল জমছে। আবার অতিবৃষ্টিতে সেই সমস্ত এলাকায় বন্যা হচ্ছে। যার মধ্যে কলকাতার ছবি ছিল প্রথম সারিতে অর্থাৎ জল জমার ইতিহাস কলকাতার থাকলেও তা যে খুব শীঘ্রই ভয়ঙ্কর অবস্থায় পৌঁছচ্ছে সেই ইঙ্গিত পাওয়া যায় ওই রিপোর্টে।

কেন এই অবস্থা হয় কলকাতার? উত্তর দিয়েছেন পরিবেশবিদ মোহিত রায়। তিনি ইনস্ক্রিপ্টকে জানান, “এই বন্যা কবলিত হওয়ার কারণ হিসেবে এই মুহূর্তে বিশ্ব উষ্ণায়ন বা গ্লোবাল ওয়ার্মিংয়ের প্রভাবই সব, একথা আমি বলছি না। কলকাতায় ভয়ঙ্কর বন্যার ইতিহাস ১৯৭৮ সাল থেকেই আছে। কিন্তু এই অযাচিত বন্যার কারণ অবশ্যই পরিবেশের অবনমন। দায়ী অপরিকল্পিত নগরায়ন। নির্মাণে পরিকল্পনার অভাব। জল নিকাশিতে দুর্বল পরিকল্পনা। যা বন্যা যেমন বাড়াবে তেমনই পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার ক্ষেত্রেও ক্ষতি করে বিপদ বাড়াবে। কলকাতার ক্ষেত্রেও তাই। তবে কলকাতার জন্য যে ভয়ঙ্কর আশঙ্কা রয়েছে, তা বলার সময় আসেনি।”

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
অর্থনীতির মরা গাঙে বান আনছে দুর্গাপুজো, ছোট ব‍্যবসায়ীদের মুখে হাসি ফুটবে?

Durgapuja 2026: দুর্গাপুজো, ধর্মীয় আচার, উৎসবে পরিণত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই কীভাবে অর্থনীতির ক্ষেত্রেও ক্রমশ সেরা?

সাম্প্রতিক সময়ের একাধিক ক্ষেত্রে দেখা গিয়েছে বন্যা আর শহরের গতিপথে সংঘর্ষ হয়েছে বারবার। মুহূর্তেই তলিয়েছে একের পর এলাকা। এর কারণ কী, এই বিষয়ে উল্লিখিত আলোচনার পাশাপাশি যা বলছেন পরিবেশবিদরা;

পরিকল্পনা ছাড়া যেখানে সেখানে নগরায়ন। পাশাপাশি জলাভূমি ভরাট। নিকাশির অনুন্নতি যে কারণে, বৃষ্টির জল ধারণ ক্ষমতা কমছে। একের পর এক জলাভূমির শূন্যতায় বাধা প্রাপ্ত হচ্ছে জল যাওয়ার গতিপথ। নিষ্ক্রিয় ভূমিকা পালন করছেন প্রশাসনের একটা বড় অংশ।

এর সঙ্গেই কারণ হিসেবে বলা হচ্ছে নদীর নাব্যতা হ্রাস। পলি জমা। জল ধরে রাখার ক্ষেত্রে নদীর ভূমিকা অন্যতম। সেখানে দাঁড়িয়ে হুগলি নদী-সহ একাধিক নদীতে নাব্যতা হ্রাস পাচ্ছে। পলি জমছে। যা দূষণের ফলেই হচ্ছে বলে দাবি। এর ফলে বাড়ছে বন্যার প্রকোপ।

অতিবৃষ্টি আর জল ধারকের অন্যতম আধার সমুদ্রের জলসীমা বাড়ছে। যার কারণ হিসেবে উঠে আসছে বিশ্ব উষ্ণায়নের প্রভাবও।

মানুষের দ্বারা পরিবেশের ক্ষতি অর্থাৎ অতিরিক্ত পলিথিনের ব্যবহার জল নিকাশীর ক্ষেত্রে বাধা হচ্ছে বলেও দাবি করা হয়। যা এই সমস্ত শহরে আকস্মিক বন্যার অন্যতম কারণ।

ঠিক এই প্রেক্ষাপটে দাঁড়িয়েই প্রশ্ন উঠছে আসলে কি সব জেনেও সর্বনাশের দিকে কলকাতাকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছি আমরা! নাকি সচেতন নাগরিক হিসেবে বারবার দায়িত্ব পালনের ঘাটতি আর প্রশাসনিক অবহেলায় অচিরেই শেষ হচ্ছে সবটা! প্রশ্ন উঠছে কিন্তু উত্তরও তো রয়েছে সকলের কাছেই!

লিখেছেন
Ramen Das
Ramen Das
0 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

সাত দিনের ব্যবধানে দুটো ঘূর্ণিঝড়: জলবায়ু পরিবর্তনের নতুন বাস্তবতা কি এটাই?

Climate change impact on cyclone: ২৮ অক্টোবরে অন্ধ্র উপকূলে আছড়ে পড়ে অতি তীব্র ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’, ঠিক সাত দিন পর ৩ নভেম্বরে ল্যান্ডফল করে ‘মুরাসু’। আবহাওয়াবিদদের ভাষায়, এই পিঠোপিঠি ঝড়ের ঘটনাকে বলা হয় ‘ক্লাইমেটোলজিক্যাল অ্যানোমালি'। বঙ্গোপসাগরের এই ‘ওভার-এনার্জাইজড’ অবস্থাই, এখন জলবায়ু পরিবর্তনের নতুন বাস্তবতা।

কোথায় আছড়ে পড়ল ঘূর্ণিঝড় মুরাসু, কতটা ক্ষয়ক্ষতি, বাংলায় কী প্রভাব?

Cyclone Murasu: ঘূর্ণিঝড় অর্ণবের প্রভাব কাটতে না কাটতেই বঙ্গোপসাগরে তৈরি হয় ঘূর্ণিঝড় মুরাসু। মঙ্গলবার ভোরে অন্ধ্রপ্রদেশের উপকূলে আছড়ে পড়ে শক্তিশালী এই ঘূর্ণিঝড়। নেল্লোর, প্রকাশম ও বাপটলা জেলায় গাছ উপড়ে পড়েছে, নিচু এলাকা জলমগ্ন হয়েছে। তামিলনাড়ু ও ওড়িশাতেও ভারী বৃষ্টি ও ঝোড়ো হাওয়ার সতর্কতা জারি হয়েছে। বাংলায় কতটা প্রভাব ফেলবে মুরাসু?

ভুটানে হড়পা বানের জেরে উত্তরবঙ্গে আতঙ্ক, কী পরিস্তিতি এখন?

Bhutan Flash Flood: ভুটানের শিনতাফু হ্রদ ভেঙে হড়পা বানে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে রাস্তা ও পর্যটনকেন্দ্রের পরিকাঠামো। বন্যার আশঙ্কায় আলিপুরদুয়ারের কুমারগ্রামে ১০ হাজারেরও বেশি মানুষকে নিরাপদ জায়গায় সরানোর উদ্যোগ নেয় প্রশাসন। শুক্রবার সকালে সংকোশ নদীর জলস্তর না বাড়ায় কিছুটা স্বস্তি ফেরে। পরিস্থিতি এখন কেমন?

মাত্র ১০০ বই থেকে ১০ হাজার! অসমের চা-বাগানের শিশুদের ভবিষ্যৎ গড়ছেন অনিন্দিতা

Assam Library Initiative: মাত্র ১০০টি বই নিয়ে ২০২০ সালে অসমের চা-বাগান এলাকার শিশুদের জন্য লাইব্রেরি শুরু করেছিলেন অনিন্দিতা গগৈ। আজ তিনটি লাইব্রেরিতে বইয়ের সংখ্যা প্রায় ১০ হাজার। পরিবারের ৪০ লক্ষ টাকারও বেশি বিনিয়োগে এগিয়ে চলেছে এই উদ্যোগ। কীভাবে শিশুদের পড়াশোনা ও সৃজনশীলতার সুযোগ তৈরি করছেন অনিন্দিতা?

Cyclone Arnab: কোথায় আছড়ে পড়ল অর্ণব, কতটা ক্ষয়ক্ষতি? বাংলায় কতটা প্রভাব?

Cyclone Arnab: অন্ধ্রপ্রদেশের উপকূলে আছড়ে পড়েছে ঘূর্ণিঝড় অর্ণব। ঘণ্টায় ১৫০ কিলোমিটার বেগে দমকা হাওয়া, ভারী বৃষ্টি ও জল জমার জেরে বিপর্যস্ত একাধিক এলাকা। ৮৪ হাজারেরও বেশি মানুষকে নিরাপদ আশ্রয়ে সরানো হয়েছে। বাংলার কোন কোন জেলায় ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস, আর কতটা প্রভাব পড়তে পারে ঘূর্ণিঝড়ের?

অ্যানথ্রোপিকের মতো এআই সংস্থাগুলি যেভাবে হয়ে দাঁড়াচ্ছে জলবায়ু সংকটের কারণ

The AI Carbon Bill: অ্যানথ্রোপিকের আইপিও ফাইলিংয়ে জলবায়ু পরিবর্তনকে বড় ব্যবসায়িক ঝুঁকি হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হলো। ডেটা সেন্টার ঠান্ডা করতে বিদ্যুৎ-জলের ব্যয় বাড়ছে। ২০২৫-এ ডেটা সেন্টারগুলিতে ঘণ্টা প্রতি বিদ্যুৎ ব্যবহার, ৪৪৮ টেরাওয়াটে পৌঁছবে।

লুলার জয়ের পরেও কেন স্বস্তিতে নেই 'পৃথিবীর ফুসফুস' আমাজন?

lula's amazon policy: প্রথম পর্বে পিছিয়ে থাকার পর, কুড়ি দিনে এক কোটিরও বেশি ভোট বাড়িয়ে লুলা দা সিলভা চতুর্থবার ব্রাজিলের রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হলেন। লুলার আমলে, আমাজনের জঙ্গল উজাড় হওয়া ৭১% কমেছে, তবু আইনসভায় ডানপন্থীদের শক্তিবৃদ্ধি হওয়ায়, আমাজনের সংকটজনক সীমার খুব কাছাকাছি পৌঁছে যাওয়ার আশঙ্কা রয়ে গেলই।

ঘূর্ণিঝড় অর্ণব : কোথায় রয়েছে, বাংলায় কতটা দুর্যোগের আশঙ্কা?

Cyclone Arnab: বঙ্গোপসাগরে শক্তি বাড়িয়ে অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হয়েছে অর্ণব। বুধবার অন্ধ্রপ্রদেশ উপকূলে আছড়ে পড়তে পারে এই ঝড়। সরাসরি বাংলায় আঘাত না হানলেও মঙ্গলবার থেকে দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় ভারী বৃষ্টি ও ঝোড়ো হাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। উত্তরবঙ্গেও বৃষ্টি হতে পারে। কোন কোন জেলায় দুর্যোগের আশঙ্কা সবচেয়ে বেশি?