মানুষ বড় সস্তা! ফের প্রমাণ করল ২০২৩-এর পঞ্চায়েত ভোট

Panchayat Poll 2023: বছরের পর বছর ধরে এমন অসংখ্য ভোট পার করে এসেছে বাংলা। রাজায় রাজায় লড়াই বেঁধেছে। আর রাস্তায় কেটে ছড়িয়ে পড়ে থেকেছে হাজার হাজার 'সস্তা' মানুষের শরীর। এ দৃশ্যের কোনও বদল নেই।

Sohini Das
৬ মিনিট
মানুষ বড় সস্তা! ফের প্রমাণ করল ২০২৩-এর পঞ্চায়েত ভোট

আজ থেকে নয়। গত এক দশক ধরেই রাজ্য-রাজনীতিকে কার্যত নিয়ন্ত্রণ করেছে পূর্ব মেদিনীপুরের একটি জায়গা। মানুষের ক্ষোভের আগুন কীভাবে গদি উল্টে দিতে পারে দেখিয়ে দিয়েছিল ২০১০ সাল। পালাবদল থেকে ভোলবদল, অনেক কিছুই লেখা রয়েছে তার ইতিহাসে ইতিহাসে। সেই নন্দীগ্রাম। যাকে বঙ্গ-রাজনীতির ভাগ্যদেবতা বললেও খুব ভুল বলা হয় না।

শিল্প আনার নামে কৃষিজমির জবরদখল, নির্বিচারে গুলি, গড়ে ওঠা প্রতিরোধ, বুদ্ধিজীবীদের একজোট হওয়া বদলে দিয়েছিল ৩৪ বছরের একটা ইতিহাসকে। সরকার পতনের শব্দ শোনা গিয়েছিল বহু দূর থেকে। অস্ত গেছিল বামজমানার সূর্য। 'বদলা নয়, বদল'-এর মন্ত্র নিয়ে ময়দানে এল তৃণমূল। জানিয়ে দিল, তাঁরা নাকি 'মা-মাটি-মানুষে'র সরকার। 'শ্রমজীবীদের সরকার' থেকে রাজ্য পৌঁছে গেল 'মা-মাটি-মানুষে'র সরকারে। তারপর কেটে গিয়েছে তিনটি মেয়াদ। এর মধ্যে ভোট এসেছে, ভোট গেছে। আর ফের প্রমাণ হয়ে গিয়েছে রাজনীতির সেই সারসত্যখানা। 'যে যায় লঙ্কায়, সে-ই হয় রাবণ'। প্রমাণ হয়ে গিয়েছে, 'রাজা আসে যায়, রাজা বদলায়, লাল জামা গায়ে নীল জামা গায়ে..' কিন্তু পঞ্চায়েত ভোটকে কেন্দ্র করে হিংসার ছবিটা বদলায় না। ছাপ্পা বদলায় না, গোলাগুলি বদলায় না, খুনোখুনি বদলায় না। রক্তে সেদিনও ভিজেছিল নন্দীগ্রামের মাটি, আজও ভিজছে। ভিজছে গোটা বাংলা।

বাংলার ভোট মানেই ত্রাস। আর তা যদি পঞ্চায়েত হয়, তাহলে তো কথাই নেই। যারা ভোট দেবেন ভয় তাঁদের, যাঁরা ভোট নেবেন, ভয় তাঁদেরও। ভয় সেসব পরিবারের, যাঁদের ঘরের ছেলেমেয়েরা গণপ্রতিনিধি হওয়ার দৌড়ে নেমেছে ব্যালটের লড়াইয়ে। প্রতিবছর ভোটের আগে যুযুধান হয়ে ওঠে কেন্দ্র-রাজ্য ও নির্বাচন কমিশন। তৈরি হয় স্পর্শকাতর এলাকার লম্বা তালিকা। একপক্ষ চায় পুলিশ, তো অন্যপক্ষ কেন্দ্রীয় বাহিনী। আদালতে দর কষাকষি চলে তা নিয়ে। ওই পর্যন্তই। তার পর এত বড় রাজ্যে কোনও মতে কয়েকশো কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে ভেড়ি বাজিয়ে হাল্লা চলে ভোটযুদ্ধে।

বাম আমলেও পঞ্চায়েত ভোট খুব সুখকর ছিল না। বাম জমানার তৃতীয় বারের ভোট থেকেই শুরু সন্ত্রাসের। তৃণমূল ক্ষমতায় আসার পর ২০১৩-র পঞ্চায়েত ভোট তেমন ঘটনাবহুল ছিল না। কারণ প্রধান বিরোধীদল বামেরা তখন বেশ কোণঠাসা। ইতিমধ্যেই রাজ্য-রাজনীতিতে মাথা চাড়া দিয়ে উঠল বিজেপি। গত কয়েক বছর ধরেই পঞ্চায়েত ভোট আর আতঙ্ক কথাটি প্রায় সমার্থক হয়ে উঠেছে। সরকারি হিসেব বলছে, ২০১৮ সালে পঞ্চায়েত ভোটে মৃত্যু হয়েছিল ১৮ জনের। কিন্তু বেসরকারি খাতায় সেই সংখ্যাটা পৌঁছেছিল তিরিশে। এ বছরও অন্যথা হল না তার। ভোটগ্রহণের আগেই রাজ্যের নিহতের সংখ্যা ছুঁয়ে ফেল দুই অঙ্ক। তবে বেসরকারি হিসেব যে তার থেকে কয়েকগুণ বেশি, তা আর নতুন করে বলে দিতে হয় না। ভোটের আগেই ভোট কেড়েছে প্রায় আঠারোটি প্রাণ। জখম বহু। ভোটের দিন সেই সংখ্যাটা বেড়ে হয়েছে প্রায় ডবল।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
হিংসায় শুরু পঞ্চায়েত ভোটের সকাল? বেলা বাড়ছে রক্তপাতে

West Bengal Panchayat Election 2023: সমস্ত নিরাপত্তা সতর্কতার মুখে ছাই দিয়ে রেজিনগরে সকাল সকাল আরেক মৃত্যু প্রমাণ করে দিল, রক্ত থামবে না।

শনিবার আরও এক রক্তময় পঞ্চায়েত ভোটের সাক্ষী রইল বাংলা। জায়গায় জায়গায় অশান্তি, রক্তপাত দিয়েই শুরু হয়েছিল দিন। এর মধ্যে বারবার উত্তপ্ত হয়ে উঠল এপিসেন্টার নন্দীগ্রাম। মনোনয়ন পর্ব থেকেই চর্চায় ছিল জায়গাটি। সেটাই স্বাভাবিক। গত কয়েক বছরে সবচেয়ে বেশি রাজনৈতিক নাটকের দেখা মিলেছে এই জায়গা থেকেই। স্বভাবতই এই ভোটেও নজরে ছিল নন্দীগ্রাম। এদিন সেখানকার বেশ কিছু বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনী না দেখতে পেয়ে সকাল সকালই বিক্ষোভ শুরু করে দেয় বিজেপি। বহু ভোটকেন্দ্রেই বন্ধ হয় ভোটগ্রহণ। এদিকে বুথের বাইরে গণপ্রতিনিধি বেছে নিতে চেয়ে রোদ-বৃষ্টি মাথায় করে দাঁড়িয়ে মানুষ। তা অবশ্য দাঁড়ানোরই কথা। নিজেদের প্রতিনিধি বাছার মতো কাজ করতে এসেছেন তাঁরা। রাজনৈতিক কোন্দল দেখা এবং হাসিমুখে সহ্য করা তো 'বুরবাক' নাগরিকদের নৈতিক কর্তব্য বটেই। এরই মধ্যে বিষের বোতল হাতে আত্মহত্যার হুমকি দিয়ে বসেন বেশ কয়েকজন ভোটার। দাবি তোলেন কেন্দ্রীয় বাহিনীর। এলাকার স্থানীয় তৃণমূলনেতাকে ভোট দিতে বাধা দেওয়া হয়। ঘণ্টার পর ঘণ্টা বন্ধ থাকে বেশ কয়েকটি বুথে ভোটগ্রহণ। শুধু একটা-দুটো নয়, নন্দীগ্রামের একাধিক বুথের ছবিটা এমনই অশান্তির। কোথাও ভোট বয়কটের ডাক, তো কোথাও ব্যালটবাক্স ফেলে দেওয়ার অভিযোগ। জ্যাংড়ায় বুথ দখলের চেষ্টার অভিযোগ ওঠে শাসকদলের বিরুদ্ধে। সিপিএম ও বিজেপি এজেন্টদের মেরে বুথ থেকে বের করে দেওয়া হয় বলেও নালিশ। কোথাও আবার কেন্দ্রীয় বাহিনী চেয়ে পুলিশের পায়ে পড়লেন ভোটাররা। এদিকে, শাসক দল সিভিক ভলেন্টিয়ার দিয়েই ভোট করানোর পক্ষে। কিন্তু আসল সময়ে কী দেখা গেল? অশান্তির বাজারে কার্যত ঠুঁটো জগন্নাথ হয়ে ৫০ মিটার দূরে দাঁড়িয়ে রইল সিভিক ভলিন্টিয়ার বাহিনী। আতঙ্কিত পুলিশ বুথ থেকে দূরে গিয়ে মাথা লোকালেন একটি বাড়িতে। প্রাণ বড় বালাই। কিছুদিন আগে উন্মত্ত জনতার যে রূপ দেখেছিল কালিয়াগঞ্জ পুলিশ, তা স্মৃতি থেকে মুছে ফেলা কঠিন! ফলে চাচা আপন প্রাণ বাঁচা। নন্দীগ্রামেরই কোনও কোনও বুথে আবার উঠল ব্যালট চুরির অভিযোগও। সব মিলিয়ে অশান্তি-রক্তে জমে উঠল ২০২৩-এর পঞ্চায়েত ভোট।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
দেওয়ালে অধিকার নেই রাজনৈতিক দলের! পঞ্চায়েত ভোটের আগে দাবিতে কেন অনড় রাজ্যের কুড়মিরা?

Kurmi Protest Joy Goram: কুরমি নেতাদের সাফ কথা, 'আগে দাবিপূরণ, তার পরে রাজনীতি।' রাজ্য যেভাবে গড়িমসি করে কুড়মিদের দাবি এড়িয়ে চলছেব দিনের পর দিন, তার দায় এড়াতে পারবে না এ রাজ্যের বিরোধীরাও।

প্রত্যাশা অবশ্য এর চেয়ে বেশি কিছু ছিল না। শান্তিপূর্ণ পঞ্চায়েত ভোট এ রাজ্যে অনেকটাই সোনার পাথরবাটি। যার আসলে কোনও অস্তিত্ব নেই। ইতিমধ্যেই পঞ্চায়েত যজ্ঞে আহূতি হয়েছে তিরিশটির বেশি প্রাণ। এর পরেও গল্প বাকি রয়েছে। ভোট পরবর্তী হিংসাতে সেই সংখ্যাটা কোথায় যাবে বলা মুশকিল। শুধু নন্দীগ্রাম বলে নয়, রাজ্যের প্রায় প্রতিটি আনাচ-কানাচেই ছবিটা কার্যত একই। তারই মধ্যে নন্দীগ্রাম অতিস্পর্শকাতর এলাকা বলেই পরিচিত। সেই ২০১০ সাল থেকেই। এই একটা জায়গাই ধ্বসিয়ে দিয়েছিল বামসাম্রাজ্য। আবার এই জায়গা থেকেই ২০২১ সালের ভোটে নিজের বিশ্বস্ত সেনাপতির কাছে ভোটে হেরেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নন্দীগ্রামে ভোটে হেরে ফের উপ-নির্বাচনে লড়তে বাধ্য হয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। যে শুভেন্দু অধিকারীর কাঁধে ভর রেখে একদিন বাংলার গড় দখল করেছিলেন মমতা, সেই শুভেন্দুই আজ তাঁর দলের প্রধান বিরোধী নেতা। এ বারের ভোটেও মমতার বিরুদ্ধে সবচেয়ে বড় তোপটি দেগেছেন তিনি। একবার নয়, একাধিক বার। এমনকী রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে ক্ষোভও উগরে দিয়েছেন বাংলার রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসের কাছে।

ভোটের ঠিক আগেই রাজ্যের কাছে শান্তিপূর্ণ ভোট করার আবেদন জানিয়েছিলেন রাজ্যপাল। গণতন্ত্রের অবক্ষয়ের কথাও বারবার তিনি তুলে ধরেছিলেন তাঁর বক্তব্যে। রাজ্য-রাজ্যপাল সংঘাতের যে ছবি গত কয়েক বছর ধরে বাংলা দেখে আসছে, তা তো আর নতুন নয়। রাজ্যপাল বদলে তার উপর খানিকটা পলি পড়েছে বটে, কিন্তু ছবিটা একেবারে বদলায়নি। ভোট নিয়ে রাজ্যপালের বিবৃতির পরেই পাল্টা দেন তৃণমূল মুখপাত্র কুণাল ঘোষ। তিনি সাফ জানিয়ে দেন, তৃণমূল শান্তিপূর্ণ ভোট চাইলেও উস্কানি দিয়ে অশান্তি সৃষ্টি করার চেষ্টা চালাচ্ছে বিজেপি। তবে ভোটের দিন কার্যত দেখা গেল, শান্তিপূর্ণ ভোটের পাশে নেই কোনও পক্ষই। তাই দিনভর পঞ্চায়েত ভোট ঘিরে বিক্ষিপ্ত অশান্তি, রক্তপাত লেগেই রইল রাজ্য জুড়ে।

ভোটপূর্ব প্রচারেই বারবার মমতা বয়কটের ডাক তুলেছেন শুভেন্দু। ভোট রুখে দাঁড়ানোর জন্য মানুষকে এগিয়ে আসার আহ্বানও জানান তিনি। এমনকী এলাকায় বহিরাগত ঢোকানো হচ্ছে বলেও বিস্ফোরক দাবি করেন বিরোধী নেতা। এখানেই শেষ নয়, বহিরাগত প্রসঙ্গে পাল্টা হুমকিও দিয়েছিলেন শুভেন্দু। এরপরেই বিরোধী নেতার গতিবিধি নিয়ন্ত্রণে তাঁকে নোটিস পাঠায় কাঁথি থানা। সেই নোটিস চ্যালেঞ্জ করে শুভেন্দু অধিকারী তৎক্ষণাৎ হাইকোর্টে যান বটে কিন্তু সেখানেও মেলেনি স্বস্তি। তাই বলে দমানো যায়নি বিজেপি নেতাকে। ভোটের দিনও একই ভাবে মমতার সরকারের দিকে বিরোধিতা শানিয়েছেন শুভেন্দু। এমনকী রাজ্যের নির্বাচন কমিশনার রাজীব সিনহাকে 'সুপারি কিলার' বলেও তোপ দেগেছেন তিনি। এদিন সকালেই টুইটারে পঞ্চায়েত ভোটকে গণতন্ত্র নয়, 'রাক্ষসতন্ত্রের উৎসব' বলে কটাক্ষ করেন শুভেন্দু । 'আর কত রক্ত চাই আপনার?'শনিবার নির্বাচন কমিশনার রাজীববাবুকে ফোন করে সরাসরি এই প্রশ্নও করে বসেন বিজেপি নেতা শুভেন্দু।

পঞ্চায়েত ভোটের দিনক্ষণ ঠিক হওয়ার পর থেকেই অশান্তি বাড়তে থাকে। এমনকী বহু জায়গাতেই বিরোধী প্রার্থীদের মনোনয়ন জমাতেও বাধা দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ। ভোটের দিন সপ্তমে উঠেছে অশান্তি। বারাসাতে নির্দল প্রার্থীর সমর্থককে পিটিয়ে খুন করার অভিযোগ উঠেছে। তুফানগঞ্জে খুন হয়েছেন এক টিএমসি কর্মী। এছাড়াও মুর্শিদাবাদ, বীরভূম, নদিয়া, দুই ২৪ পরগনাতে একের পর এক হিংসার ঘটনা সামনে এসেছে শনিবার সকাল থেকেই। বোমাবাজি, ভোট লুটের অভিযোগ তো রয়েইছে। অশান্তি হয়েছে ভাঙড়েও। বল ভেবে খেলতে গিয়ে বোমা ফেটে আহত হয় দুই শিশু। এমন অসংখ্য মৃত্যু, রক্তপাতের ঘটনা নথিভুক্ত হয়ে চলেছে শনিবার সকাল থেকেই।

গণতান্ত্রিক দেশের সবচেয়ে বড় উৎসব ভোট। যেখানে মানুষ বেছে নেন নিজের প্রতিনিধিকে। সামনের পাঁচ বছরের জন্য মানুষের মুখ হয়ে উঠবেন যিনি। আদায় করে আনবেন আম-আদমির দাবিদাওয়া, তুলে ধরবেন তাঁদের কষ্ট-দুর্দশা। কিন্তু সত্যিই কি এই রক্তপাতের ভোট কোনও সুস্থ, গণতান্ত্রিক দেশের লক্ষণ? পৃথিবীর আরও কোনও জায়গায় ভোটের নামে এই বর্বরতা চলে কিনা বলা মুশকিল। তবে এই বাংলা বছরের পর বছর ধরে এমন অসংখ্য ভোট পার করে এসেছে। রাজায় রাজায় লড়াই বেঁধেছে। আর রাস্তায় কেটে ছড়িয়ে পড়ে থেকেছে হাজার হাজার 'সস্তা' মানুষের শরীর। এ দৃশ্যের কোনও বদল নেই এতগুলো বছরে। পঞ্চায়েত পেরিয়ে বিধানসভা, বিধানসভা পেরিয়ে লোকসভা, ভোট আসবে যাবে। সরকার বদল হবে। কিন্তু ভোট বদলাবে না! এ বাংলায় ভোট মানেই কি রক্তপাত। প্রশ্নগুলো সহজ আর উত্তরও...!

লিখেছেন
Sohini Das
Sohini Das
0 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

আবের কাওয়াস: প্রথম ফিলিস্তিনি-আমেরিকান মুসলিম মহিলা নিউ ইয়র্কের সিনেটে

Aber Kawas: নিউ ইয়র্কের ১২ নম্বর সিনেট ডিস্ট্রিক্ট থেকে জয়ী হয়ে ইতিহাস গড়লেন আবের কাওয়াস। নিউ ইয়র্ক স্টেট আইনসভায় তিনি প্রথম ফিলিস্তিনি-আমেরিকান এবং প্রথম হিজাব পরিহিত মুসলিম মহিলা প্রতিনিধি।

প্রতিবেশীর ধর্ম দেখব না! গির্জায় হামলায় যা বলছে বাসন্তী

Basanti church: গির্জার সদস্য প্রদীপ মণ্ডল ইনস্ক্রিপ্টকে জানিয়েছেন, শনিবার সকাল সাড়ে ১০টা নাগাদ চার্চ অফ নর্থ ইন্ডিয়ার (CNI) বিশপ সুব্রত চক্রবর্তী পার্শ্ববর্তী এলাকার কয়েকটি গির্জার যাজকদের নিয়ে শান্তিপূর্ণ শোভাযাত্রা করে নারায়ণতলার নবনির্মিত গির্জায় পৌঁছন। তাঁদের স্বাগত জানাতে গির্জার ভিতরে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল। প্রার্থনা শুরুর ঠিক আগে ৩০-৩৫ জনের একটি দল জোর করে গির্জায় ঢুকে পড়ে বলে দাবি তাঁর।

পাঁচ খুনের 'বদলা'? এবার গুয়াহাটিতে এনকাউন্টার পুলিশের

Guwahati Encounter: গুয়াহাটিতে হোটেলে ঢুকে পাঁচ জনকে খুনের অভিযোগে ধৃত ঘনকান্ত গগৈ পুলিশের গুলিতে নিহত। পুলিশের দাবি, হেফাজত থেকে পালিয়ে সার্ভিস রিভলভার ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেছিল সে। একই সময়ে মধ্যপ্রদেশের দেওয়াস ও ভোপালে পৃথক এনকাউন্টারে তিন অভিযুক্ত গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। কয়েক দিন আগেই বাংলায় গাইঘাটা ও সামশেরগঞ্জে দুই অভিযুক্তের মৃত্যু হয়েছিল।

আমেরিকার প্রথম মুসলিম সেনেটর, ট্রাম্পের ইসলামবিদ্বেষী প্রচারকে হারিয়ে ইতিহাস গড়লেন আবদুল এল-সায়েদ

Abdul El-Sayed: নির্বাচনের আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং তাঁর দলের একাধিক নেতা এল-সায়েদের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে ইসলামবিদ্বেষী প্রচার চালিয়েছিলেন। তাঁর ধর্মীয় পরিচয়কে সামনে এনে তাঁকে আমেরিকার নিরাপত্তার পক্ষে বিপজ্জনক হিসেবে তুলে ধরার চেষ্টা হয়েছিল।

কেন মিডটার্ম নির্বাচনে ট্রাম্পের ভরাডুবি? এরপর কোন পথে ওয়াশিংটন?

US Midterm Elections 2026: মার্কিন মিডটার্ম নির্বাচনে রিপাবলিকানদের বড় ধাক্কা। কেন ট্রাম্পের ভরাডুবি? এরপর কোন পথে ওয়াশিংটন?

মিডটার্ম নির্বাচন: সংখ্যাগরিষ্ঠ আসন পেতে চলেছে ট্রাম্পের বিরোধী ডেমোক্র্যাটরা

US Midterm Elections 2026: ভোটের লড়াইয়ে ট্রাম্পের রিপাবলিকান পার্টিকে পিছনে ফেলে এগিয়ে যেতে শুরু করেছে বিরোধী ডেমোক্র্যাটরা।

রামলীলার পর কী? কী করবেন বিরোধীরা?

INDIA bloc Unity Under strain: ‘ভোট বাঁচাও, দেশ বাঁচাও’ স্লোগানে ১ নভেম্বর রামলীলা ময়দানে ২১ দল একজোট হলেও মঞ্চ শেষেই ভেতরের টানাপোড়েন স্পষ্ট। বাম নেতাদের বক্তৃতায় প্রাধান্য, ‘ফ্যাসিবাদ’ বিরোধী সুর। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘জাতীয় ভূমিকা’র সতর্কবার্তা। প্রিয়াঙ্কা, সুপ্রিয়া সুলে, সঞ্জয় রাউত বক্তৃতার সুযোগ না পাওয়ায় শরিক-অসন্তোষ।

ট্রাম্পের অভিবাসন নীতিতে বিপাকে ভারতীয়রা, মিডটার্ম নির্বাচনে কতটা প্রভাব পড়বে?

US Midterm Elections 2026: ২০২৬ সালের মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনে ভারতীয় বংশোদ্ভূত ভোটারদের ৬২% ডেমোক্র্যাটদের পক্ষে। ট্রাম্পের এইচ-১বি ভিসা কড়াকড়ি ও অর্থনৈতিক নীতির জেরে ক্ষোভ বাড়ছে বলে জানাল কার্নেগির সমীক্ষা।