মধ্যাহ্নভোজে ইলিশ, যন্ত্রণায় শিশুর মতো কান্না! কেমন ছিল স্বামীজির শেষের সেই দিন?

Swami Vivekananda Death: দেহ দাহ করার অনুমতি মেলেনি, ডেথ সার্টিফিকেট পাওয়া যায়নি— এমন নানা অপমান বিবেকানন্দকে সহ্য করতে হয়েছে মৃত্যুর পরেও। কিন্তু তিনি মহামানব।

Sindhu Som
৪ মিনিট
মধ্যাহ্নভোজে ইলিশ, যন্ত্রণায় শিশুর মতো কান্না! কেমন ছিল স্বামীজির শেষের সেই দিন?

তখন আর কীই-ই বা বয়স স্বামীজির। অথচ রোগে ভুগতে ভুগতে ক্লান্ত। একদিকে অ্যালবুমিন ইউরিয়াতে পেড়ে ফেলেছে। সর্দিকাশি প্রায় লেগেই রয়েছে। ডান চোখ প্রায় অকেজো। সেই চোখ দেখাতে কলকাতাও যাওয়া হচ্ছে না তাঁর। অন্যদিকে ড্রপসির উপদ্রব। তার প্রকোপ যখন বাড়ে, তখন হাঁটা-চলাও করতে পারেন না। কমলে মঠের মধ্যেই পায়চারি করেন। মঠে থাকলে বেশিরভাগ সময় শুধু কৌপিন পরেই দেখা যায় তাঁকে। আবার কখনও দীর্ঘ আলখাল্লায় শরীর ঢেকে পাড়ার অলিতে-গলিতে ঘুরে বেড়ান।

সারাক্ষণ শারীরিক পীড়ার কারণে মন খিটখিটে হয়ে যাচ্ছে ক্রমশ। কাছের মানুষদের যখন তখন বকে ফেলছেন খুব রুক্ষ-শুষ্ক ভাবে, সেই ধমকে কেঁদেও ফেলছে কেউ কেউ। এই গ্লানি মনের মধ্যে ঘুরপাক খাচ্ছে, সতর্ক-অসতর্ক মুহূর্তে ঠোক্কর দিচ্ছে ভেতরে। মানুষের কাছ থেকে ধীরে ধীরে নিজেকে গুটিয়ে নিচ্ছিলেন স্বামীজি। চিনে হাঁস, রাজহাঁস, পাতিহাঁস পুষছেন, গরু, ছাগল, ভেড়া, পায়রা- পুষছেন এসবও। হরিণ জুটছে, জুটছে কুকুর, বেড়াল, সারস। একবার বেড়ালে পায়রা মেরে ফেলায় স্বামীজি এত জোরে বেড়ালটাকে ঘুষি মারতে গেছিলেন, যে তাঁর নিজের হাতই থেঁতলে গিয়েছিল। পশুপাখিগুলো তখন স্বামীজির প্রাণ। একটা ছাগলছানা বড় প্রিয়, নাম দিয়েছিলেন মটরু। সেই মটরুর গলায় ঘণ্টা বেঁধে দিয়েছিলেন। মিষ্টি আওয়াজ হতো। ঘুরতও পায়ে পায়ে। বলতেন, “মটরু নিশ্চয়ই আর জন্মে আমার কেউ হত!” সেইটাও মারা গেল অদ্ভুতভাবে। চৌবাচ্চায় মাছ ছাড়া হয়েছিল। সেই মাছের চৌবাচ্চাতেই পড়ে গিয়ে ডুবে মারা গেল ছাগলছানাটা। স্বামীজি আরও ভেঙে পড়লেন। “কী আশ্চর্য! আমি যেটাকেই একটু আদর করতে যাই, সেটাই যায় মরে!” চাষবাস এবং বাগানের পরিচর্যা চলছে তখন মঠের ভেতরে। প্রিয় কুকুর বাঘা তখন সঙ্গে থাকত সর্বক্ষণ।

এভাবেই কাটছিল। সবাই বুঝতে পারছিলেন, স্বামীজি আর খুব বেশিদিন বাঁচবেন না। তিনি নিজেও বুঝতে পেরেছিলেন। মঠে পায়চারি করতে করতে বেলতলার কাছে দাঁড়িয়ে স্বামী সারদানন্দকে বলেছিলেন, “ওই দেখ শরৎ, সামনেই ঠাকুরের চিতাস্মৃতি শ্মশান। আমার মনে হয় সমস্ত মঠভূমির মধ্যে এই স্থানটিই সর্বোৎকৃষ্ট। আমার দেহ এখানেই সৎকার করবি।”

শুক্রবার, ৪ জুলাই, ১৯০২ সাল। এল সেই অভিশপ্ত দিন। এইদিন খুব সকালে ঘুম থেকে উঠে স্বামীজি মন্দিরে গেলেন উপাসনার জন্য। অসুস্থতার কোনও লক্ষ্মণই নেই। একেবারে সুস্থ, স্বাভাবিক শরীর। সকালে জলখাবার খেতে বসে সবার সঙ্গে হাসি-ঠাট্টা চলল অনেকক্ষণ। গরম দুধ, ফলটল খেলেন। স্বামী প্রেমানন্দকে বললেন, আজ প্রাণ খুলে খেতে ইচ্ছে করছে। অনেকরকম খাবারই খেতে ইচ্ছে করছিল। কবিরাজও মাসদুয়েক আগে মাছ, তেল, নুন– এইসব খাওয়ার অনুমতি দিয়েছেন।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
তুঘলক থেকে বিবেকানন্দ, ইলিশ মানে মৃত্যু? উত্তর রয়েছে বাংলা সাহিত্যে

ইলিশ নিয়ে বাংলা সাহিত্যে লেখালিখি কিছু কম হয়নি। ২০১১ সালে হঠাৎ বাজার করতে বেরিয়ে ছশো-সাতশো টাকা দাম দেখে সুনীলের পিলে চমকানোর কথা মনে পড়েছিল। ভাগ্যিস এখনকার অবস্থা তাঁকে দেখে যেতে হয়নি।

বর্ষার মাঝামাঝি। রসিয়ে ঝাল ঝাল খাবার খাওয়ার ইচ্ছে সেদিন। ঠিক হলো, সেদিন ভাত, মাছ, তরকারি সবই খাবেন স্বামীজি। চা-কফি শেষ হল। প্রেমানন্দ বেরলেন। গঙ্গার ইলিশের কিছু খোঁজ পাওয়া গেল। সদ্য তোলা সেই ইলিশের জৌলুসই আলাদা। সেই খবর শুনে স্বামীজিও পৌঁছলেন সেখানে। সেই নিয়েও রঙ্গ-রসিকতা হল। মঠের এক তরুণ শিষ্যের সঙ্গে রহস্য করছিলেন, তার বাড়ি ওপার বাংলায়, তাই স্বামীজি বলছিলেন, “তোরা নতুন ইলিশ পেলে নাকি পুজো করিস? কী দিয়ে পুজো করতে হয়, কর।”

এরপর হাঁটতে বেরলেন। প্রেমানন্দ সঙ্গে ছিলেন। তাঁকে বললেন, “আমায় কেন নকল করবি? ঠাকুর নকল কত্তে বারণ করতেন। আমার মতন উড়নচড়ে হবি নে।” প্রেমানন্দ অবাক! হঠাৎ একথা! সাড়ে আটটা নাগাদ ধ্যান শুরু করলেন। প্রেমানন্দকে বললেন, “আমার আসন ঠাকুরের শয়নঘরে করে চারিদিকের দরজা বন্ধ করে দে।”

সেদিন প্রায় আড়াই ঘণ্টা ধ্যান করে এগারোটা নাগাদ উঠলেন। নিজে হাতে ঠাকুরের বিছানা ঝেড়ে দিচ্ছেন। সঙ্গে সঙ্গে শোনা যাচ্ছে গুনগুন— মা কি আমার কালো, কালোরূপা এলোকেশী, হৃদিপদ্ম করে আলো।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
ধূম জ্বর গায়েই পুজো! বেলুড় মঠের দুর্গাপুজোয় দ্বিতীয়বার রইতে পারেননি খোদ স্বামীজিই

Belur Math Durgapuja: স্বামীজির খুব ইচ্ছে পশুবলি হয়। কিন্তু সারদার প্রবল অমতে সেটি বাদ দিতে হল। এখনও বেলুড় মঠের পুজোতে ফলবলি হয়, কিন্তু পশুবলি নিষিদ্ধ।

সাড়ে এগারোটা নাগাদ মঠে দুপুরের খাওয়াদাওয়া হতো। এই ক'দিন তাঁকে নিজের ঘরে আলাদা করে খেতে দেওয়া হতো। সেদিন বসলেন সবার সঙ্গে। প্রেমানন্দকে বলেছিলেন, শুধু ঝোল নয়, গোটাকতক মাছভাজা করতে বলো, ভাজা ইলিশের স্বাদই অপূর্ব। আর একটু মাছের টক করতে বলো। সেদিন মঠের সবার জন্য তাই হয়েছিল। সবার সঙ্গে গল্প করতে করতে ইলিশের তেল দিয়ে অনেকখানি ভাত খেলেন। ডাল দিয়ে মাছভাজা। ঝোলে তেমন নাকি ঝাল হয়নি। ফলে কাঁচালঙ্কা ডলে নিলেন অনেকটা। তারপর শান্তি। শেষ পাতে মাছের অম্বল। বহুদিন পরে সেই খাওয়া দেখে শিষ্যেরা বেজায় খুশি। বললেন, “একাদশী করে খিদেটা খুব বেড়েছে, ঘটিবাটিগুলো ছেড়েছি কষ্টে।”

খাওয়াদাওয়া শেষে মিনিট পনেরো-কুড়ি আরাম করলেন। তারপর উঠে পড়লেন। প্রেমানন্দকে নাকি বলেছিলেন, “আমার আজ ঘুম হল না। একটু ধ্যান করে মাথাটা খুব ধরেছে— ব্রেন উইক হয়েছে দেখছি।” সেদিন দুপুর একটা থেকে চারটে, অর্থাৎ প্রায় ঘণ্টাতিনেক ক্লাস নিলেন লাইব্রেরি ঘরে। সাধু-ব্রহ্মচারীদের পাণিনির ব্যাকরণ পড়ালেন। এই দীর্ঘ ক্লাসের পর স্বামীজিকে বোধহয় একটু ক্লান্তই দেখাচ্ছিল।

এককাপ গরম দুধ খেয়ে একটু হাঁটতে বেরলেন ফের। প্রেমানন্দকে নিয়ে বেলুড় বাজার পর্যন্ত গিয়েছিলেন সেদিন। প্রায় মাইলদুয়েকের দূরত্ব। এতটা হাঁটতেন না তখন। ঘণ্টাখানেক পরে মঠে ফিরলেন। আমগাছের তলায় বেঞ্চে বসে বলেছিলেন, আজ শরীর যেমন সুস্থ বহুদিন এমন বোধ করি না। তামাক খেলেন। রামকৃষ্ণানন্দের পিতা ঈশ্বরচন্দ্র চক্রবর্তীর সঙ্গে কিছু কথাবার্তা হলো।

সাতটা নাগাদ হঠাৎ অস্বস্তি শুরু হল। সন্ধ্যারতি বাজতেই নিজের ঘরে চলে গেলেন। ব্রজেন্দ্রর কাছে দু'ছড়া মালা চেয়ে নিয়ে কাউকে আসতে বারণ করলেন ঘরে। মিনিট পঁয়তাল্লিশের মধ্যে অস্বস্তি খুব বেড়ে গেল। বললেন, “খুব গরম লাগছে, জানলা খুলে দাও।” জানলা খুলে দেওয়া হলো, মেঝেতে শুয়ে পড়লেন, তখনও হাতে জপমালা। বাতাস করছিল শিষ্যেরা। একটু পরে বললেন, “আর বাতাস করতে হবে না, একটু পা টিপে দে।” ঘণ্টাখানেক এমন চলল। চিৎ হয়ে শুয়েছিলেন, হঠাৎ বাঁপাশে ফিরলেন। ডান হাত তখন কাঁপছে। মাথায় ঘামের ফোঁটা। সঙ্গে শিশুর মতো কান্না। ধীরে ধীরে শ্বাস উঠল। মিনিটদশেকের মাথায় বালিশ থেকে মাথা পড়ে গেল। বোধানন্দ কিছুক্ষণ নাড়ি দেখে কেঁদে ফেললেন। মহেন্দ্র ডাক্তারকে ডাকা হলো। ডাক্তার মজুমদার তখন বরানগরে নদীর ওপারে থাকেন। ব্রহ্মানন্দ, সারদানন্দ এবং ডাক্তার মজুমদারের মঠে পৌঁছতে পৌঁছতে প্রায় সাড়ে দশটা বেজে গেল। বেশ কিছুক্ষণ হার্ট সচল করার চেষ্টা করার পর রাত বারোটা নাগাদ ডাক্তার স্বামীজিকে মৃত ঘোষণা করলেন।

দেহ দাহ করার অনুমতি মেলেনি, ডেথ সার্টিফিকেট পাওয়া যায়নি— এমন নানা অপমান বিবেকানন্দকে সহ্য করতে হয়েছে মৃত্যুর পরেও। কিন্তু তিনি মহামানব। একা একটা যুগ নিজের কাঁধে বয়ে নীরবে চলে গিয়েছেন। কীভাবে মৃত্যু হয়েছিল তাঁর? এই নিয়ে মতবিরোধ রয়েছে। চোখগুলি নাকি জবাফুলের মতো লাল হয়ে গিয়েছিল, নাক-মুখ দিয়ে অল্প রক্ত বেরনোর চিহ্ন ছিল। বিপিন ঘোষ বলেছিলেন, সন্ন্যাসরোগে মৃত্যু। মহেন্দ্র ডাক্তার বলেছিলেন, হৃৎক্রিয়া বন্ধ হওয়াই প্রধান কারণ। আবার কেউ কেউ বলেছিলেন, “মাথার ভেতর কোনও শিরা ছিঁড়ে গিয়েছে।” ডেথ সার্টিফিকেট না থাকায় এই রহস্যেরও কোনও সমাধান সম্ভব হয়নি।

লিখেছেন
Sindhu Som
Sindhu Som
0 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

২০২৫ যে শব্দগুলির সঙ্গে পরিচয় করাল

Word of the year: গুগল ইন্ডিয়ার তথ্য অনুযায়ী, ভারতীয়রা ২০২৫ সালে যেসব শব্দের অর্থ সবচেয়ে বেশি খুঁজেছে, তা তাদের মানসিক অবস্থার প্রতিফলন। যেমন—সিজফায়ার অর্থাৎ যুদ্ধবিরতি, মক ড্রিল অর্থাৎ নিরাপত্তার জন্য মহড়া।

জ্যোতির্ময় দত্ত: লেখালেখির বাইরে এক খ্যাপাটে মানবতাবাদী

Jyotirmoy Dutta: বামপন্থার সমালোচক ছিলেন জ্যোতির্ময় দত্ত। তাঁর আদর্শ ছিল রবীন্দ্রনাথ ও মহাত্মা গান্ধীর মানবতা।

ঘৃণার রাজনীতি: এখন লক্ষ্য খ্রিস্টান?

Anti-Christian violence India: মিচেলের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালে দেশে খ্রিস্টান নিগ্রহের ঘটনা ঘটেছে ৮৩৪টি (গড়ে মাসে ৭০ টি)। ২০২৫ সালে নভেম্বর মাস পর্যন্ত নিগ্রহের ঘটনা ঘটেছে ৭০৬ টি।

এক বাঙালির জেদে জুড়ল দুই বাংলা: টেলিগ্রাফ ম্যান শিবচন্দ্র নন্দী

Seebchunder Nandy: ১৮৫১ সালে কলকাতা-ডায়মন্ড হারবার লাইনের প্রথম সংকেত প্রেরণের সময় শিব চন্দ্র নন্দী ডায়মন্ড হারবার থেকে বার্তা পাঠান, অন্য প্রান্তে ও'শাগনেসির সঙ্গে ছিলেন লর্ড ডালহৌসি।

অন্যের দুঃখে কেন আমাদের মিষ্টি হাসি? শ্যাডনফ্রয়ডার মনস্তত্ত্ব

Schadenfreude: বর্তমান যুগে এই অনুভূতি আগুনের মতো ছড়িয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ার হাত ধরে। আমরা এখন যাকে 'ট্রোলিং' বলি, তার মূলে রয়েছে এই শ্যাডনফ্রয়ডা।

দেশে দেশে নানাবেশে আছেন সে এক সান্তা ক্লজ

Santa Claus Across Cultures: ১৮৬৯ সালে প্রকাশিত রঙিন চিত্র সংকলনে জর্জ ওয়েবস্টার লিখেছিলেন, সান্তা ক্লজের বাড়ি "নর্থ পোলের নিকটে"।

বিপন্ন ভারতের প্রাচীন পর্বতমালা‍! যেভাবে ধ্বংসের মুখে আরাবল্লী

Aravalli Hills Under Threat: পরিবেশবিদদের মতে, আরাবল্লী কেটে ফেললে দিল্লির দূষণ পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ আকার নেবে।

শৈশবের ‘রিওয়্যারিং’: স্ক্রিনের নীল আলো গিলে খাচ্ছে ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে?

Screen Addiction Destroying the Mental Health: বাস্তব জগত থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে ডিজিটাল জগতে ডুবে থাকায় শিশুদের মানসিক কাঠামোর এক আমূল পরিবর্তন ঘটে যাচ্ছে।