দলে টানতে চেয়েছেন মমতা! শুভেন্দুর যে বিস্ফোরক দাবি ঘিরে হুলুস্থূল বঙ্গরাজনীতিতে

Suvendu Adhikari: শুভেন্দুই বলে ফেললেন 'সেটিং-কথা'। আর এই বিস্ফোরক অভিযোগের কেন্দ্রে আবার তিনিই, অর্থাৎ মমতা।

Ramen Das
৫ মিনিট
দলে টানতে চেয়েছেন মমতা! শুভেন্দুর যে বিস্ফোরক দাবি ঘিরে হুলুস্থূল বঙ্গরাজনীতিতে

সেটিং না ফিটিং! সমঝোতা, না কি কাছে ডাকা! রাজ্যে ৩ ডিসেম্বরের তথাকথিত মেগা দুই সভার সঙ্গেই উচ্চারিত হচ্ছে এই শব্দও। একদিকে 'ভাইপো-ভাইপো' ডাক, অন্যদিকে তুইতোকারি- 'তুই বেশি চোর!' কে কত বেশি খারাপ বা কে কতটা বেশি কার চেয়ে ভালো, সেই প্রশ্নের উত্তাপের মধ্যেই আবারও বঙ্গের রাজনীতি তাতিয়ে দিয়েছে 'সেটিং'।

এবার আর রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বৈঠকের খবরে নয়। এবার 'সেটিং তত্ত্ব' শোনা গিয়েছে, মোদির দলের বঙ্গমুখ শুভেন্দু অধিকারীর গলায়। কয়েক দিন আগেই যাঁর 'পুরনো বন্ধু দিদি'-র সঙ্গে সাক্ষাৎ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল বিস্তর। দলের অভ্যন্তরেও অস্বস্তিতে পড়েছিলেন শুভেন্দু। এবার সেই শুভেন্দুই বলে ফেললেন 'সেটিং-কথা'। আর এই বিস্ফোরক অভিযোগের কেন্দ্রে আবার তিনিই, অর্থাৎ মমতা।

কী বলেছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা অর্থাৎ বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী? বহু জল্পনা এবং বিতর্ক-অভিযোগ পেরিয়ে ডায়মন্ডহারবারের লাইটহাউস মাঠে সভা করলেন শুভেন্দু অধিকারী। সেই সভাস্থল থেকেই অভিষেকের একাধিক অভিযোগের জবাব প্রসঙ্গে শুভেন্দু বলেন, ''ওর কথার উত্তর আমি দেব না। ও আমার প্রতিপক্ষ নয়। ওর পিসিকে হারিয়েছি। ওকে কেন জবাব দেব!" এখানে না থেমেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম না-করে শুভেন্দু দাবি করেন, "সেদিন আমাকে কার্যত হাত ধরে সব মেটাতে চেয়েছিলেন, সেটিং করতে চাইছিলেন। বড় বলে পা ধরার কথা বলব না। তবে আমি সে সুযোগ দিইনি। আমি তিনজন বিজেপি বিধায়ক মনোজ টিগ্গা, অগ্নিমিত্রা পল, অশোক লাহিড়ীকে সঙ্গে নিয়ে গিয়ে সেই সুযোগ দিইনি। ভেস্তে দিয়েছি। আমি সেটিং করার লোক নই।''

সমগ্র রাজনৈতিক উত্তাপ থমকে গিয়েছে শুভেন্দু অধিকারীর এই দাবিকে কেন্দ্র করেই। সত্যিই কি সেদিন, অর্থাৎ নভেম্বরের ২৫ তারিখের সাক্ষাৎ ছিল সেটিংয়ের জন্যই? ঠিক কী ঘটেছিল সেদিন?

সংবিধান দিবস। রাজ্য বিধানসভায় অধিবেশন চলছে। ঠিক সেদিনই বিধানসভায় মুখ্যমন্ত্রী ডাকেন শুভেন্দুকে। ২০২০ সালের ১৯ ডিসেম্বরের পর এই প্রথম দেখা হয় দু'জনের। সৌজন্য বিনিময় হয় শুভেন্দু এবং মমতার মধ্যে। মুখ্যমন্ত্রী খোঁজ নেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতার বাবার শরীরের। এরপর বিধানসভাতেও মমতার মুখে ওঠে 'শুভেন্দু ভাইয়ের মতো' প্রসঙ্গ, অধিকারী পরিবারের প্রসঙ্গ। ফের উত্তাল হয় বঙ্গের রাজনৈতিক মঞ্চ। কেউ কেউ দাবি করেন, তাহলে কি মকুলের পথেই তৃণমূলে ফিরছেন শুভেন্দু! আবার মমতা কি অন্য কোনও কৌশল নিয়েই এ-কাজ করলেন! একাধিক প্রশ্ন আর বিতর্কের আবহেই দলীয় অন্দরেও শুভেন্দুর এই হঠাৎ-সাক্ষাৎ ঘিরে ওঠে প্রশ্ন। যদিও সৌজন্য এবং সাংবিধানিক দায়বদ্ধতা বলে ঘটনাটি চাপা পড়তে পড়তেই শুভেন্দু অধিকারীর ভাই তমলুকের সাংসদ দিব্যেন্দু অধিকারী চায়ের আমন্ত্রণ জানিয়ে বসেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে।

এরপরেই জল্পনা বাড়ে আরও। ফের কি নয়া কোনও সমীকরণ দেখতে চলেছে বাংলা! কিন্তু এই রেশ বেশিদিন টেকেনি। ফের অভিষেক এবং তৃণমূল সরকারের বিরূদ্ধে স্বভাবসিদ্ধ ভঙ্গিতেই সরব হতে শুরু করেন শুভেন্দু অধিকারী। কিন্তু পা ছুঁয়ে প্রণাম থেকে শুরু করে দাবিদাওয়া- ঠিক কী হয়েছিল ওই ৪-৫ মিনিটের সাক্ষাতে। এই প্রশ্নের উত্তর যদিও পাওয়া যায়নি সেদিন। এবার নিজের অভিযোগের মধ্যেই বিতর্ক উসকে দিলেন মমতার মন্ত্রিসভার প্রাক্তন এই সদস্য। আর শুভেন্দুর এই দাবির পরেই শোরগোল পড়েছে রাজনৈতিক মহলে। অনেকেই বলছেন, যেখানে বারবার শুভেন্দু-বিরোধিতায় সরব হচ্ছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, তাঁকে মূল রাজনৈতিক শত্রু করে ফেলছেন তিনি, সেখানে দাঁড়িয়ে কি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় খেলছেন অন্য কোনও রাজনৈতিক খেলা! অস্বস্তির মূল উপজীব্য শুভেন্দুকেই কি নাগালে নিতে চাইছেন তৃণমূল নেত্রী!

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
কয়লা পাচার কাণ্ডের তদন্তে চাবিকাঠি অভিষেকের শ‍্যালিকা? কীভাবে ঘনাচ্ছে রহস্য

Coal Scam: কয়লা পাচার কাণ্ডের কিংপিন কে? এই প্রশ্নের উত্তর লুকিয়ে কি মেনকার মধ্যে!

যদিও শনিবারের সমাবেশ থেকে শুভেন্দু-গড়ে দাঁড়িয়েই বিজেপি ভাঙার আভাস দিয়েছেন অভিষেক। তিনি বলেছেন, ''ডিসেম্বরে একটু দরজা খুলব। তারপর আবার বন্ধ করে দেব। এঁদের দলে জায়গা দিলেও নিয়ন্ত্রণ করার দায়িত্ব আমার।'' তাহলে ডিসেম্বরের বড় ধামাকা কি তৃণমূল দেখাবে! যদিও শুভেন্দুর 'সেটিং-কথা' নজর কেড়েছে ফের।

কী সেটিং হতে পারে সেদিন? রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, "কী হয়েছে কী হয়নি আমরা কেউ জানি না। যদি ধরা হয়, শুভেন্দু অধিকারী ঠিক বলছেন, কিন্তু সেক্ষেত্রেও রাজনৈতিকভাবে খুব একটা ভুল কিছু করেননি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কারণ, রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে দাঁড়িয়ে প্রতিপক্ষকে নাগালে আনতে চেষ্টা করেন অনেকেই। এক্ষেত্রে তো শুভেন্দু তাঁরই দলের প্রাক্তন।'' যদিও সেদিন ঠিক কী কারণে এই সাক্ষাৎ ছিল, তা নিয়ে শুভেন্দুর অভিযোগ ছাড়া এখনও পর্যন্ত কিছুই জানা যায়নি।

সেটিং-অভিযোগের ইতিহাস

ভগ্নপ্রায় বিজেপি-র রাজনৈতিক অক্সিজেন বাড়ানোর অন্যতম কারিগর হয়ে উঠেছিলেন তৃণমূলের মুকুল রায়। দিল্লি গিয়ে গেরুয়া-পথের শরিক হন তিনিও। ঠিক তার আগের পরিস্থিতিতেই মুকুলকে ঘরে নিতে দিলীপ ঘোষদের 'সেটিং' চলছে, বারবার এই জল্পনা শোনা যেত। অতীতে একাধিক 'সেটিং কাণ্ড' থাকলেও এই রাজ্যে ২০১৪-র লোকসভা নির্বাচনের আগে থেকেই এই বিষয়টি মাথাচাড়া দেয় অনেক বেশি।

সেটিং এবং মমতা-মোদি বৈঠক

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাজ্যের বিভিন্ন দাবিদাওয়া নিয়ে বারবার দেখা করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে। মমতার দিল্লি সফরে একাধিকবার দেখা হয়েছে দু'জনের। ফুলের তোড়া থেকে শুরু করে সন্দেশ। পাঞ্জাবি থেকে শাল। মোদি-র জন্য মমতার উপহারের বহরও কম থাকেনি একবারও। ভার্চুয়াল বৈঠকও হয়েছে যুযুধান এই দুই পক্ষের। কিন্তু একটি বৈঠকও প্রশ্নাতীত থাকেনি কখনও। মমতা এবং মোদি-র বৈঠক নিয়ে উঠেছে 'সেটিং' তত্ত্বর অভিযোগ। বিশেষত, রাজ্যের সিপিআইএম নেতৃত্ব প্রচার করতে উদ্যত হয়েছে বিজেমূল তত্ত্ব। মুখ্যমন্ত্রী এবং প্রধানমন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ ঘিরেই উঠে এসেছে আসল সেটিং-অভিযোগ। ইডি-সিবিআই থেকে বাঁচতে মোদির সঙ্গে সমঝোতার রাস্তা খুঁজতে বেরিয়েছেন মমতা, এই প্রশ্নেও উত্তাল হয়েছে বঙ্গের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট। উঠেছে মিটিয়ে নেওয়ার কৌশল অবলম্বন করার অভিযোগও। যদিও স্বাভাবিকভাবেই বামেদের এই অভিযোগ বা দাবি নস্যাৎ করেছেন তৃণমূল নেতারা। এই ইস্যুতে বিপক্ষের কথা বলছেন বঙ্গের বিজেপি নেতারাও।

২৪ নভেম্বর, ২০২১

দিল্লি যাওয়ার পরে নরেন্দ্র মোদির বাসভবনে বৈঠকে মোদির সঙ্গে সাক্ষাৎ হয় মমতার। কেন্দ্রীয় বঞ্চনা থেকে করোনা, একাধিক ইস্যুতে বৈঠকে বসেন দু'জনে। প্রায় ২০ মিনিট কথা হয় মোদি-মমতার। কিন্তু ওই বৈঠক নিয়েও ওঠে প্রশ্ন। সিপিআইএম নেতারা দাবি করেন, সিবিআই তদন্তের গতি বাড়াতেই বাঁচার জন্য মোদির সঙ্গে দেখা করেছেন মমতা!

৫ অগাস্ট, ২০২২

বহু টালবাহানার পর, একাধিক বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ এড়িয়ে গেলেও এদিন ফের বহুদিন পরে মুখোমুখি হন মোদি এবং মমতা। দিল্লিতে বৈঠকে বসেন তাঁরা। রাজ্যের তরফে জানানো হয়, একশো দিনের কাজের প্রকল্প থেকে শুরু করে একাধিক বঞ্চনা নিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি দিয়েছেন মমতা। যদিও মোদিকে দেওয়া হলুদ রঙের ফুলের তোড়ার অন্দরেই রাজনীতি খুঁজে পান এই রাজ্যের বাম নেতারা। এখানেও সেটিং তত্ত্ব খাড়া করেন তাঁরা। দাবি করা হয়, অনুব্রত থেকে অভিষেক। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা এবং দুর্নীতির ফাঁস থেকে বাঁচতে মোদির সঙ্গে দেখা করেছেন মমতা। প্রায় ৪০ মিনিটের ওই বৈঠকে বাঁচার আকুতি করেছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী! এমনই দাবি করা যায় রাজ্যের সিপিআইএম নেতাদের তরফে। যদিও পুরোটাই মিথ্যা বলে উড়িয়ে দেয় তৃণমূল। এই প্রশ্নে একই কথা বলে বঙ্গের বিজেপি-ও।

মমতা-মোদির একাধিক বৈঠক এবং অন্যান্যদের তরফে সেটিং তত্ত্বের মধ্যেই ফের তৈরি হয়েছে বৈঠক জল্পনা। জানা গিয়েছে, আগামী ৫ ডিসেম্বর ফের মুখোমুখি হতে পারেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং নরেন্দ্র মোদি।

সামগ্রিকভাবে, এক একটি সাক্ষাৎ প্রশ্ন তোলে নিরন্তর। দুই যুযুধান পক্ষের রাজনীতি ছাড়িয়ে সৌজন্যের বাতাবরণেও থাকে একাধিক প্রশ্ন আর বিতর্ক। সেখানেই উঠে আসে বহু কথকতা আর উত্তেজনার রসদ। সাম্প্রতিক সভাতেও শুভেন্দু করলেন সেই একই কাজ। এক সাক্ষাতকে ঘিরে থাকা একাধিক প্রশ্নের দাবানলে খানিকটা ফুঁ দিয়ে বাড়িয়ে দিলেন সেই জল্পনার আগুনের তেজ, বলছেন কেউ কেউ।

লিখেছেন
Ramen Das
Ramen Das
0 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

যন্তর মন্তরে ঢুকে বিক্ষোভ, পাঁচ দিনের বিচারবিভাগীয় হেফাজতে সিজেপি-র দুই নেতা

Jantar Mantar protest: যন্তর মন্তরে বিক্ষোভের জেরে সিজেপি নেতা সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কাকে পাঁচ দিনের বিচারবিভাগীয় হেফাজতে পাঠাল আদালত। নির্বাচন কমিশন, এসআইআর এবং প্রতিবাদের অধিকার ঘিরে বাড়ছে বিতর্ক।

দিল্লিতে মহিলা বিক্ষোভকারীদের হেনস্থার অভিযোগ, পুলিশের ভূমিকা নিয়ে উঠছে যে সব প্রশ্ন

Delhi protest: দিল্লিতে জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে বিক্ষোভ ঘিরে মহিলা আন্দোলনকারীদের একাংশ পুলিশের বিরুদ্ধে হেনস্থা ও দুর্ব্যবহারের অভিযোগ তুলেছেন। এই ঘটনায় পুলিশের ভূমিকা ও প্রতিবাদের অধিকার নিয়ে উঠছে একাধিক প্রশ্ন।

২৩ দিনের অনশন থেকে জ্ঞানেশ বিরোধী আন্দোলন, রাজপথই নেহা বোরার হয়ে ওঠার সাক্ষী

Neha Bora: ২৩ দিন ধরে অনশন করে যেমন তিনি সংবাদমাধ্যমের নজরে এসেছিলেন, তেমনই সম্প্রতি দিল্লির রাজপথে পুলিশের বাধা অতিক্রম করে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টাও তাঁকে নতুন করে আলোচনায় এনেছে।

বরফের গভীরে নিউট্রিনোর খোঁজ: মহাবিশ্বের রহস্য উন্মোচনে এবারের পদার্থবিদ্যায় নোবেল

IceCube Neutrino Observatory: অ্যান্টার্কটিকার বরফের গভীরে কীভাবে কাজ করে আইসকিউব টেলিস্কোপ? কীভাবে অদৃশ্য নিউট্রিনো কণার সংকেত ধরে কৃষ্ণগহ্বর, ব্ল্যাজার এবং মহাবিশ্বের গভীর রহস্য উন্মোচন করছেন বিজ্ঞানীরা?

ইন্ডিয়া জোটের মিছিলে বাধা, সুপ্রিম কোর্টে দায়ের হলো রিট

INDIA bloc's march towards supreme court: সোমবার কনট প্লেস থেকে সুপ্রিম কোর্ট অভিমুখে ইন্ডিয়া ব্লকের ‘চলো দিল্লি’ মিছিল অনুষ্ঠিত হলো। রাহুল গান্ধীর দুই পাশে ছিলেন, প্রিয়াঙ্কা গান্ধী ও নেহা বোরা। মিছিলে অংশ নেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, অখিলেশ যাদব, তেজস্বী যাদব, ডি রাজা, সুপ্রিয়া সুলে। ভগবান দাস রোডে মিছিল পুলিশি বাধার সম্মুখীন হয়। শেষমেশ সুপ্রিম কোর্টে ‘রাহুল গান্ধী বনাম নির্বাচন কমিশন অফ ইন্ডিয়া’ নামে একটি রিট পিটিশন দাখিল হয়।

ব্যারিকেড ঘেরা দিল্লি, নজরদারির চোখে নাগরিক: নিরাপত্তা নাকি নিয়ন্ত্রণ?

Delhi Under Siege: জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে সিজেপির বিক্ষোভ ঘিরে দিল্লি কার্যত দুর্গে পরিণত হয়েছে। ৩৫ হাজার পুলিশ, কাঁটাতারের ব্যারিকেড, ড্রোন নজরদারি, ৪৫টি মেট্রো স্টেশন বন্ধ, ২৪ ঘণ্টার ইন্টারনেট শাটডাউন, ৭ হাজারের বেশি আটক। ওমর আব্দুল্লাহ ও মেহবুবা মুফতির অভিযোগ তুলেছেন, দিল্লিতে 'কাশ্মীর মডেল'-এর প্রয়োগ চলছে।

প্রতিবাদের মানচিত্র থেকে মুছে গেল যন্তর মন্তর

Jantar Mantar protest site: আঠারো শতকে নির্মিত যন্তর মন্তর মূলত একটি জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক পর্যবেক্ষণকেন্দ্র। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ঐতিহাসিক এই স্থাপনার পাশের রাস্তা হয়ে ওঠে দেশের নানা প্রান্ত থেকে আসা প্রতিবাদীদের মিলনস্থল।

‘দুই নেহা’-র কাণ্ডে বিভ্রান্ত দিল্লি পুলিশ! AISA নেত্রী-কে আটকানো যাচ্ছে না কোনোভাবেই

AISA-র সর্বভারতীয় সভাপতি নেহা বোরাকে আটক করতে গিয়ে তাঁরই মতো দেখতে এক মেয়েকে আটক করল দিল্লি পুলিশ। অথচ সেই সময় আসল নেহা বোরা দিল্লির কনট প্লেসে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে পুলিশের ব্যারিকেড পেরিয়ে সামনের দিকে এগোচ্ছিলেন।