আর দেড় ডিগ্রি তাপমাত্রা বাড়লেই সমূহ সর্বনাশ! কী আশঙ্কা করছেন বিজ্ঞানীরা?

হিমবাহগুলো দ্রুত গলতে শুরু করবে। তার জেরে সমুদ্রের জলস্তর বৃদ্ধি পাবে, এবং তা গিলে ফেলবে অনেকাংশের স্থলভাগকে।

Satyaki Tat
৩ মিনিট
আর দেড় ডিগ্রি তাপমাত্রা বাড়লেই সমূহ সর্বনাশ! কী আশঙ্কা করছেন বিজ্ঞানীরা?

সাল ২০১৫। প্যারিসে রাষ্ট্রনেতারা একত্র হলেন, মানুষ এবং সমস্ত প্রাণীদের জলবায়ু পরিবর্তনের হাত থেকে বাঁচাতে। একজোট হয়ে সিদ্ধান্ত নিলেন যে, তাঁরা সমস্ত ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন, যাতে কার্বন নিঃসরণ কমে এবং আমাদের পৃথিবীর তাপমাত্রা বৃদ্ধি যাতে ১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে রাখা যায়। এই তাপমাত্রার বৃদ্ধিটা ধরা হয় শিল্পবিপ্লবের পর থেকে, যখন থেকে মানবজাতির উন্নয়ন কর্মযজ্ঞর ঐতিহাসিক সূত্রপাত বলে ধরে নেওয়া হয়। শুরু হয় জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহার।

আজ ২০২২ সালে দাঁড়িয়ে বিজ্ঞানীরা জানাচ্ছেন যে, আগামী পাঁচ বছরের মধ্যেই পৃথিবীর গড় তাপমাত্রা বৃদ্ধি দেড় ডিগ্রি ছুঁতে চলেছে। হ্যাঁ, সেই বৃদ্ধি সাময়িক হবে, কিন্তু পৃথিবীবাসী প্রত্যক্ষ করতে চলেছে সেই বৃদ্ধির ফলে ঠিক কীভাবে পৃথিবীর সমস্ত প্রাণী আক্রান্ত হতে চলেছে।

গ্রেট ব্রিটেনের মেট অফিসের বিজ্ঞানীরা এক প্রকার নিশ্চিত হয়ে জানাচ্ছেন যে, ২০২২ থেকে ২০২৬ সালের গ্রীষ্ম রেকর্ড গড়তে চলেছে। এখানে মনে করিয়ে দেওয়া প্রয়োজন, পৃথিবীর তাপমাত্রা এখন শিল্পবিপ্লব-পরবর্তী সময়ের থেকে ১.১ ডিগ্রি বেশি। তাতেই আমরা দেখেছি, তাপপ্রবাহ, অতি বৃষ্টি, খরা, ঘন ঘন ঘূর্ণিঝড়, বন্যা, দাবানল। খুব সহজেই বোধগম্য, তাপমাত্রা বৃদ্ধি যদি দেড় ডিগ্রি ছাড়িয়ে যায়, তাহলে কী হতে চলেছে।

খুব সংক্ষেপে বললে, হিমবাহগুলি দ্রুত গলতে শুরু করবে। তার জেরে সমুদ্রের জলস্তর বৃদ্ধি পাবে, এবং তা গিলে ফেলবে অনেক স্থলভাগকে। ভিটেহারা হবেন কোটি কোটি মানুষ। তৈরি হবে সাংঘাতিক খাদ্য সংকট, কারণ সমুদ্রের জলস্তর বৃদ্ধির সঙ্গে বাড়বে অতি বৃষ্টি, বন্যা, ঘূর্ণিঝড়। সেই সঙ্গে বিশ্বের অন্য প্রান্তে বাড়বে গ্রীষ্মের দাবদাহ, খরা, দাবানল। বাড়বে রোগ, মহামারী। তৈরি হবে পানীয় জলের সংকট, বাসস্থানের সংকট। বাস্তুতন্ত্রের সমস্ত ভারসাম্য নষ্ট হতে থাকবে।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
মানুষের বাসস্থান মিশে যাচ্ছে সমুদ্রগর্ভে, কতটা বিপদ আছে সামনে?

ভারতের সমুদ্রতটবর্তী অঞ্চলে প্রায় দেড়শো মিলিয়ন লোকের বাস বর্তমানে। জনবিস্ফোরণের প্রভাবে আগামী বছরগুলিতে সেই সংখ্যা বাড়ার প্রবণতাই বেশি। স্বাভাবিকভাবেই সমুদ্রতীরবর্তী বাসিন্দাদের ভবিষ্যৎ এখন প্রশ্নের মুখে।

খুবই আশঙ্কার নয় কি বিষয়টা? প্যারিসে যখন বিশ্বনেতারা একত্র হয়েছিলেন, তখন নিশ্চয়ই এই সব কিছু জেনেই তাঁরা ২০১৫ প্যারিস এগ্রিমেন্টে সাক্ষর করেছিলেন। কিন্তু সেই চুক্তিকে সম্মান করে যথাযথ পদক্ষেপ দেশগুলি নিচ্ছে কি? বিজ্ঞানীরা বলছেন, এই মুহূর্তে পৃথিবী সমস্ত দেশ, বিশেষত ধনী দেশগুলি, যারা এই বিশ্ব উষ্ণায়নের জন্য মূলত দায়ী, তাদের যা নীতি এবং কার্বন নিঃসরণের হার, তাতে এই শতকের শেষে তাপমাত্রা বৃদ্ধির হার দাঁড়াবে ৩.২ ডিগ্রিতে।

এই মুহূর্তেই যদি গ্রিন হাউস গ্যাস নিঃসরণ কমানো না হয়, যদি বিশ্বনেতারা জীবাশ্ম জ্বালানি নিয়ে কোনও সর্দথক নীতি না নেন, তাহলে সমগ্র বিশ্ববাসী এবং পৃথিবীর সমস্ত প্রাণীর জন্য আগামী দিনগুলি অস্তিত্ব রক্ষার হয়ে উঠতে চলেছে।

২০১৫ সালে প্যারিসে রাষ্ট্রনেতারা একত্র হলেন, বিশ্বের মানুষ এবং সমস্ত প্রাণীদের জলবায়ু পরিবর্তনের হাত থেকে বাঁচাতে। একজোট হয়ে সিদ্ধান্ত নিলেন যে, তাঁরা সমস্ত ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন যাতে কার্বন নিঃসরণ কমে এবং আমাদের পৃথিবীর তাপমাত্রা বৃদ্ধি যাতে ১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে রাখা যায়। এই তাপমাত্রার বৃদ্ধিটা ধরা হয় শিল্পবিপ্লবের পর থেকে, যখন থেকে মানবজাতির উন্নয়ন কর্মযজ্ঞ শুরু হয়। শুরু হয় জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহার।

আজ ২০২২ সালে দাঁড়িয়ে বিজ্ঞানীরা জানাচ্ছেন যে, আগামী পাঁচ বছরের মধ্যেই পৃথিবীর গড় তাপমাত্রা বৃদ্ধি দেড় ডিগ্রি ছুঁতে চলেছে। হ্যাঁ, সেই বৃদ্ধি সাময়িক হবে, কিন্তু পৃথিবীবাসী প্রত্যক্ষ করতে চলেছে সেই বৃদ্ধির ফলে ঠিক কীভাবে পৃথিবীর সমস্ত প্রাণী আক্রান্ত হতে চলেছে।

গ্রেট ব্রিটেনের মেট অফিসের বিজ্ঞানীরা এক প্রকার নিশ্চিত হয়ে জানাচ্ছেন যে, ২০২২ থেকে ২০২৬ সালের গ্রীষ্ম রেকর্ড গড়তে চলেছে। এখানে মনে করিয়ে দেওয়া প্রয়োজন, পৃথিবীর তাপমাত্রা এখন শিল্প বিপ্লব পরবর্তী সময়ের থেকে ১.১ ডিগ্রি বেশি। তাতেই আমরা দেখেছি, তাপপ্রবাহ, অতি বৃষ্টি, খরা, ঘন ঘন ঘূর্ণিঝড়, বন্যা, দাবানল। তাহলে খুব সহজেই বোধগম্য, তাপমাত্রা বৃদ্ধি যদি দেড় ডিগ্রি ছাড়িয়ে যায়, তাহলে কী হতে চলেছে।

খুব সংক্ষেপে বললে, হিমবাহগুলো দ্রুত গলতে শুরু করবে। তার জেরে সমুদ্রের জলস্তর বৃদ্ধি পাবে, এবং তা গিলে ফেলবে অনেকাংশের স্থলভাগকে। ভিটেহারা হবেন কোটি কোটি মানুষ। তৈরি হবে সাংঘাতিক খাদ্য সংকট, কারণ সমুদ্রের জলস্তর বৃদ্ধির সঙ্গে বাড়বে অতি বৃষ্টি, বন্যা, ঘূর্ণিঝড়। সেই সঙ্গে বিশ্বের অন্য প্রান্তে বাড়বে গ্রীষ্মের দাবদাহ, খরা, দাবানল। বাড়বে রোগ, মহামারী। তৈরি হবে পানীয় জলের সংকট, বাসস্থানের সংকট। বাস্তুতন্ত্রের সমস্ত ভারসাম্য নষ্ট হতে থাকবে।

খুবই আশঙ্কার নয় কি বিষয়টা? প্যারিসে যখন বিশ্বনেতারা একত্র হয়েছিলেন তখন নিশ্চয়ই এই সব কিছু জেনেই তাঁরা ২০১৫ প্যারিস এগ্রিমেন্টে সাক্ষর করেছিলেন। কিন্তু সেই চুক্তিকে সম্মান করে যথাযথ পদক্ষেপ দেশগুলি নিচ্ছে কি? বিজ্ঞানীরা বলছেন, এই মুহূর্তে পৃথিবী সমস্ত দেশ, বিশেষত ধনী দেশগুলি, যারা এই বিশ্ব উষ্ণায়নের জন্যে মুলত দায়ী, তাদের যা নীতি এবং কার্বন নিঃসরণের হার, তাতে এই শতকের শেষে তাপমাত্রা বৃদ্ধির হার দাঁড়াবে ৩.২ ডিগ্রিতে।

এই মুহূর্তেই যদি গ্রিন হাউস গ্যাস নিঃসরণ কমানো না হয়, যদি বিশ্বনেতারা জীবাশ্ম জ্বালানি নিয়ে কোনও সর্দথক নীতি না নেন, তাহলে সমগ্র বিশ্ববাসী এবং পৃথিবীর সমস্ত প্রাণীর জন্যে আগামী দিনগুলি অস্তিত্বরক্ষার লড়াই হয়ে উঠতে চলেছে।

লিখেছেন
Satyaki Tat
Satyaki Tat
0 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

বিশাখাপত্তনমে গুগলের ডেটা সেন্টার: ডিজিটাল উন্নয়নের দাম দেবে জল ও পরিবেশ?

Digital Thirst of vizag ai data centres: গুগল-আদানি-এয়ারটেলের যৌথ উদ্যোগে বিশাখাপত্তনমে গড়ে উঠছে ১ গিগাওয়াটের এআই ডেটা সেন্টার, বিনিয়োগ ১.২৫ লক্ষ কোটি টাকা। কিন্তু শহরের জলসংকট, কাম্বালাকোন্ডা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যের নৈকট্য আর পরিবেশবাদীদের বিক্ষোভ এই প্রকল্পকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে। 'স্টপ বিশাগ ডেটা সেন্টারস'-এর ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট পর্যন্ত নিষিদ্ধ করেছে ভারত সরকার।

সিভিল সার্ভিস ছেড়ে বাঘের টানে রণথম্ভোরে, ৩৫ একর জমিতে তৈরি করলেন বন

Ranthambore tiger conservation: তাঁরা কেবল চেয়েছিলেন সংরক্ষিত বনের বাইরে বাঘেদের জন্য একটি নিরাপদ আশ্রয় গড়ে তুলতে। তারপর কুড়ি বছর পর্যটন লজ থেকে যেটুকু আয় হতো, তার প্রায় সবটাই তাঁরা সঞ্চয় করতেন ভাদলাভে কৃষকদের কাছ থেকে এক এক করে জমি কেনার জন্য। প্রায় দুই দশক ধরে একটু একটু করে ৩৫ একরেরও বেশি জমি তাঁরা কিনে নেন, যার মোট খরচ ছিল সে সময়ের হিসাবে এক কোটি টাকারও বেশি।

জলবায়ু বদল শুধু প্রকৃতির বিপদ নয়, ভারতের অর্থনীতির ভিতও নড়বড়ে করে দিচ্ছে

climate change and economy: ১৯৯০ থেকে ২০১৮ সালের মধ্যে ২১টি উন্নয়নশীল দেশের অর্থনীতি খতিয়ে দেখে একটি সমীক্ষায় উঠে এসেছে এক চমকে দেওয়ার মতো তথ্য। দেখা যাচ্ছে, বার্ষিক গড় তাপমাত্রা যদি মাত্র ১ ডিগ্রি সেলসিয়াসও বাড়ে, তবে দীর্ঘমেয়াদে সামগ্রিক উৎপাদন দক্ষতা কমে যায় প্রায় ৩.২২ শতাংশ।

নেপাল বিপর্যয়ের ক্ষতিপূরণ দেবে কে?

Climate Justice for nepal: ২৬ অগাস্ট লাংটাং লিরুং-এর হিমবাহ ধসে নেপালের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় বিপর্যয়—নিহত ১,৩৪৪, নিখোঁজ ৪,৮৮৭। পুনর্গঠনে প্রয়োজন ৪-৫ বিলিয়ন ডলার। কিন্তু লস অ্যান্ড ড্যামেজ ফান্ডে আছে মাত্র ৮২২ মিলিয়ন ডলার।নেপালের দাবি, চিন-ভারত-মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ঐতিহাসিক দায় আছে। জলবায়ু ন্যায়বিচারের প্রশ্ন এখন আন্তর্জাতিক কাঠগড়ায়।

নেপালের হড়পা বান থেকে বেঁচে ফিরলেন যাঁরা, তাঁদের চোখে ২৬ অগাস্ট

Nepal flash floods 2026: ২৬ অগাস্ট, ২০২৬-এ নেপালের হড়পা বানে ধ্বংসস্তূপের মাঝেও কিছু মানুষ বেঁচে ফিরেছেন। কেউ এক কাপ চায়ের বিরতির জন্য, কেউ গাড়ির একটা রিভার্স গিয়ারের কারণে, কেউ ডালপালা ছড়ানো একটা আমগাছ আঁকড়ে ধরে, আবার কেউ কেবল ১৫ সেকেন্ডের দৌড়ে ছিনিয়ে এনেছেন নিজের শ্বাস। মৃত্যু খুব কাছ থেকে অনুভব করে ফেরা সেই মানুষগুলির অভিজ্ঞতায় রইল রাসুয়া আর নুয়াকোটের সেই সকালের কথা।

হিমালয়ের বরফ গলছে দ্বিগুণ হারে, নেপালের বিপর্যয়ের বিজ্ঞান কী বলছে?

Nepal Flood 2026: বিজ্ঞানীরা সতর্ক করে দিয়েছিলেন, ৪৫০০ থেকে ৬০০০ মিটার উচ্চতার মধ্যে থাকা হিমবাহ অঞ্চলের অন্তত ৭৮ শতাংশ উচ্চতা-নির্ভর উষ্ণায়নের জন্য অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। পাঁচ মাস পর সেই সতর্কবাণীই যেন সত্যি হয়ে উঠল নেপালের উপত্যকায়।

ছয় দশকে কতটা সফল ভারত-নেপাল গান্ডাকচুক্তি?

Gandak dam history: নেপালের হিমবাহ থেকে পাথর ধসের পর জল নেমেছে ত্রিশূলী-কালীগণ্ডক হয়ে বিহারে। বাল্মীকিনগর বাঁধের ৩৬টি গেট খুলে প্রাণ বাঁচল বহু মানুষের। কিন্তু, ১৯৫৯ সালের গান্ডাক চুক্তি কি সত্যিই নেপাল ভারত দুই দেশের ‘সমন্বিত স্বার্থ’ রক্ষা করল? নেপালের তরাইয়ে জল মেলে না, ক্ষতিপূরণ মেলে না কৃষকদের। ৬০ বছরের পুরনো বাঁধ প্রকল্পকে নিয়েও নতুন করে ভাবার সময় এসেছে।

নেপালের বন্যায় সবচেয়ে বেশি বিপন্ন মহিলারাই, ঝুঁকিতে ১.৬ লক্ষ নারীর জীবন

Nepal Flash Floods: নেপালের ভয়াবহ হড়পা বানে প্রায় ১.৬ লক্ষ নারীর জীবন ঝুঁকিতে। বন্যার পর তাঁদের সামনে কী কী স্বাস্থ্য, নিরাপত্তা, খাদ্য ও জীবিকার সংকট তৈরি হয়েছে? রাষ্ট্রপুঞ্জের সতর্কবার্তা অনুযায়ী, নারীদের সুরক্ষায় কী পদক্ষেপ জরুরি?