নাগাসাকির নামই ছিল না মার্কিন-তালিকায়, তবু 'ফ্যাট ম্যান' ধ্বংস করেছিল গোটা শহর

World Nagasaki Day 2023: আজও সেই পারমাণবিক বোমার ভয়বহতা বুকে নিয়ে বসে রয়েছে জাপান। আজও তেজস্ক্রিয়তার প্রভাবে জন্ম হয় বিকলাঙ্গ শিশুর। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের যে ভয়াবহতা বিশ্ব দেখেছিল, তা মুছে ফেলা কঠিন ছিল।

Sohini Das
৪ মিনিট
নাগাসাকির নামই ছিল না মার্কিন-তালিকায়, তবু 'ফ্যাট ম্যান' ধ্বংস করেছিল গোটা শহর

মাত্র একদিনের ব্যবধানে ধ্বংস হয়ে গেল দু-দু'টি শহর। হিরোসিমায় যখন আঘাত হানল লিটল বয়, তখনও জাপান জানত না, তার ঠিক দু'দিনের মাথায় ফের একই ঘটনার রদেভু দেখতে চলেছে দেশ। যুদ্ধ-যুদ্ধ খেলা শেষে আর কিছু নয়, শুধু নেই হয়ে গেল দু'টো শহর। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের এমন ভয়াবহ পরিসমাপ্তি বোধহয় ভাবতে পারেনি গোটা বিশ্ব। আমেরিকার বিশ্বস্ত সেনাপতির মতো সমস্ত খেলা পাল্টে দিল 'ফ্যাট ম্যান'। নাগাসাকিতে ৯ অগস্ট সকালে আঘাত হানল যে পারমাণবিক বোমা, তার কোডনেম ছিল ওটাই।

প্লুটোনিয়াম দিয়ে তৈরি ফ্যাট ম্যানের ডিজাইন ছিল লিটল বয়ের থেকেও জটিল। আরও বড় ক্ষতি, আরও বড় সর্বনাশের আয়োজন বুকে নিয়ে নাগাসাকির রাত্তিরে নেমে এসেছিল সে। আমেরিকার কাছে প্রাথমিক তালিকায় ছিল জাপানের পাঁচটি শহরের নাম। কোকুরা, হিরোসিমা, ওকোহামা ও কোয়োতো। অদ্ভুত ভাবে সেই তালিকায় নাগাসাকির নাম ছিলই না কখনও। তবু কপাল পুড়ল নাগাসাকির। বোমা পড়ার কথা ছিল কোয়োতোতে। কিন্তু মার্কিন ওয়্যার সেক্রেটারি হেনরি স্টিমসনের আবার জাপানের সেই প্রাচীন শহরটি ভারী পছন্দের ছিল। ফলে সচিবের ইচ্ছায় বাদ পড়ল শহরটি। হাঁড়ি ভাঙল নাগাসাকির মাথায়।

মিত্রশক্তি আর অক্ষশক্তির লড়াইয়ে প্রাণ গেল কয়েক লক্ষ নিরপরাধ বাসিন্দার। যারা মিত্রশক্তি বোঝে না, অক্ষশক্তি বোঝে না। বোঝে না কীসের লড়াই। বিশ্বের একদল সেরার সেরা বিজ্ঞানী মাথার ঘাম পায়ে ফেলে দিনরাত এক করে বানিয়ে ফেললেন পরমাণু বোমা। যার পরে মিত্রশক্তির বিজয় একরকম নিশ্চিত ছিল। এমন ভয়াবহ একখানা সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে নাকি জাপানকে সতর্কও করেছিল আমেরিকা। বোমা পড়ার আগে জাপানের বেশ কিছু শহরে পড়েছিল প্যামফ্লেট। না, বিস্ফোরণের সতর্কতা সেখানে ছিল না, বরং অসামারিক নাগরিকদের পালিয়ে যাওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছিল মিত্রশক্তির সবচেয়ে বড় দেশ আমেরিকা। তবে কোন শহরে বোমা পড়তে চলেছে, এমন কোনও দিকনির্দেশ সেখানে ছিল না।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
এদেশেই মিলেছিল পারমাণবিক বোমার রসদ! ভারতের এই রাজ্যই ছিল ব্রিটিশদের পাখির চোখ

Travancore Thorium Politics: মজার বিষয় হল, যে থোরিয়ামের ভাণ্ডার নিয়ে এত ঝামেলা, ১৯৫০ সালে সেই থোরিয়াম উত্তোলনের জন্য আমেরিকাকে অনুমতি দিয়ে দেয় খোদ ভারত সরকার।

হিরোসিমায় যখন বোমাটি পড়েছিল, তখন সবে জাগতে শুরু করেছে শহর। ঘুম-তন্দ্রা ফেলে কাজে নামতে প্রস্তুত, ইনোলা বে নামে যুক্তরাষ্ট্রের বি-২৯ বোমারু বিমান বর্ষণ করল 'লিটল বয়'টিকে। বিশ্বের ইতিহাসে এই প্রথমবার পরমাণু অস্ত্র ব্যবহার করা হল যুদ্ধে। ১২ থেকে ১৫ হাজার টন টিএনটি বিস্ফোরণে যে প্রভাব পড়তে পারে, তার চেয়েও বড় ছিল এই আঘাত। প্রায় পাঁচ বর্গমাইল জায়গা ধ্বংস হয়ে গেল পুরোপুরি। দেড় লক্ষেরও বেশি মানুষ নেই হয়ে গেল সেই হামলায়। আর তার চেয়েও বড় সংখ্যক মানুষ বেচে রইলেন পুড়ে যাওয়া ত্বক, উড়ে যাওয়া পা আর ক্ষতবিক্ষত শরীর নিয়ে। রক্তে ক্রমাগত মিশতে লাগল তেজস্ক্রিয়তার বিষ, যা আগামী কয়েক প্রজন্ম, তার চেয়েও বেশি সংখ্যক মানুষের জিনকে লালন করতে থাকবে। মাথার ভিতর জেগে থাকবে ভয়াবহ বিস্ফোরণের স্মৃতি।

এতটুকুতে 'সবক' শেখানো গেল না জাপানকে। মাথা মাটিতে মিশিয়ে দিতে আরও বড় পরিকল্পনা, আরও বড় ষড়যন্ত্রের নীল নকশা তৈরি ছিল আমেরিকার হাতেই। তাই ৬-এর পরেই ৯। কী ঘটে গেল, তা তখনও ঠিক ভালো করে বুঝে উঠতে পারেনি জাপান। ৯ অগস্ট সকাল ১১টা ২ নাগাদ ফের আরও একটি বোমা নেমে এল নাগাসাকি শহরের মাথায়। এবার আরও বড় বিস্ফোরণ, আরও বড় ক্ষতি অর্থাৎ আরও বড় জয়। ২৩ শতাংশ বাড়ি ঘর আর প্রায় ৭০ শতাংশ শিল্পাঞ্চল ধ্বংস হয়ে গেল এই হামলায়। মারা গেল কয়েক হাজার মানুষ। এই হামলায় জনসংখ্যার প্রায় ২৩ শতাংশ মানুষই 'খতম' হয়ে গেলেন। যারা বেঁচে রইলেন, তাঁদেরও পুরোপুরি জ্যান্ত বলা যায় না।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
নেহাত সাধনা নাকি ঈশ্বরত্বের হাতছানি, কেন সর্বঘাতী পরমাণু বোমা বানিয়েছিলেন ওপেনহাইমার?

Oppenheimer: সদ্যোজাত সন্তানের মুখের দিকে তাকিয়ে কি একবারও কেঁপে ওঠেনি ওপেনহাইমারের পিতৃহৃদয়। একবারও মনে হয়নি, এ কোন পৃথিবী রেখে যাচ্ছেন তিনি আগামীর জন্য!

আজও সেই পারমাণবিক বোমার ভয়বহতা বুকে নিয়ে বসে রয়েছে জাপান। আজও তেজস্ক্রিয়তার প্রভাবে জন্ম হয় বিকলাঙ্গ শিশুর। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের যে ভয়াবহতা বিশ্ব দেখেছিল, তা মুছে ফেলা কঠিন ছিল। যুদ্ধের ময়দানে জাপানও কিছু কম ছিল না। জাপানের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে ব্রিটেন এবং কমনওয়েলথভুক্ত দেশগুলোর মোট ৭১ হাজার সৈনিক নিহত হয়েছিল। তার মধ্যে ১২ হাজার সৈনিক মারা যায় কেবল জাপানের হাতে যুদ্ধবন্দী অবস্থায়। বারবার মিত্রশক্তি বেধে দিচ্ছিল আত্মসমর্পণের সময়সীমা। তার পরেও বারবার তা এড়িয়ে যাচ্ছিল জাপান। জার্মান সরে আসার পর কোণঠাসা হয়েও ময়দান ছাড়তে রাজি ছিল না জাপান। আর তার পরেই জাপানের বুকে নেমে এল আমেরিকায় ভয়ানক ব্রহ্মাস্ত্র। ১৯৪৫ সালের ১৪ অগস্ট নিঃশর্ত ভাবে আত্মসমর্পণ করল জাপান। থামল রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ। সমবেত জনতার উদ্দেশ্যে গর্বিত ভাষণ দিলেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হ্যারি ট্রুম্যান। জানালেন, ফ্যাসিবাদ পরাস্ত হয়েছে অবশেষে। অন্যদিকে, রেডিওতে দেওয়া বক্তৃতায় জাপানের সম্রাট হিরোহিত হারের জন্য দায়ী করলেন নিষ্ঠুর ওই বোমাকে। জানালেন, এর পরেও লড়াই চালানো মানে আসলে মানবসভ্যতার পতন ডেকে আনা, মানচিত্র থেকে জাপানকে মুছে ফেলা।

হেরে যাওয়া দেশ সই করল আত্মসমর্পণের দলিলে। জয়ের আনন্দে মাতল মিত্রশক্তির আওতায় থাকা দেশগুলি। বিজয় উৎসব পালিত হল ব্রিটেন, যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া ও কানাডায়। ঘোষণা হল দু'দিনের জাতীয় ছুটি। রাস্তায় নামল কুচকাওয়াজ, মোড়ে মোড় অনুষ্ঠান।

কীসের বিনিময়ে ফিরল এই যুদ্ধশান্তি! তার প্রতিটি কণার হিসেব রাখা রইল পারমাণবিক বোমার স্মৃতি বুকে নিয়ে বেঁচে যাওয়া মানুষগুলোর কাছে। যে মেয়েটি বোমায় রক্তাক্ত মানুষগুলোর জন্য নদীতে ছুটে গিয়েছিল জল আনতে, যে জল মুখে দিতে না দিতে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েছিল মানুষ, সেই স্মৃতির কাছে তোলা রইল সব হিসেব। বোমার শিকার হয়েও যারা বেঁচে রইলেন আরও অপরিসীম যন্ত্রণা সহ্য করবেন বলে, তারা জাপানে 'হিবাকুশা' নামে পরিচিত। কয়েক দিন, কয়েক মাস এমনকী কয়েক বছর পরেও বিস্ফোরণের জেরে টপাটপ মরে যাচ্ছিল মানুষ। শুধু কয়েক বছর নয়, কয়েক প্রজন্ম পরেও শরীরে থেকে গিয়েছিল ভয়ানক নেই পারমানবিক বিষ। সেই মাশরুমের মতো বিস্ফোরণ আজও বসে রয়েছে মানুষের চোখে। ইতিহাসের সবচেয়ে নির্লজ্জতম পর্ব যদি কিছু থেকে থাকে, তা বোধহয় এই পারমাণবিক হামলা।

দেখতে দেখতে ৭৮ বছর কেটে গেল এই ভয়ঙ্কর ঘটনার। আজও এর ভয়াবহতা কমেনি একচুলও। এ বছর ভয়াবহ টাইফুনের প্রকোপে পড়েছে জাপান। তার মধ্যেই পালিত হয়েছে ইতিহাসের এই অভিশপ্ত দিন। বিজ্ঞান, ধ্বংস ও রাজনীতির যে ভয়াবহ রূপ সেদিন বিশ্ব দেখেছিল, তা বোধহয় নজিরবিহীন। অনেকেই মনে করেন, এই ভয়ঙ্কর হামলার কারণ ছিল তৎকালীন জাপান প্রশাসনের ব্যর্থতা। তারাই যুদ্ধপরিস্থিতিতে ঠিক ভাবে সামলাতে পারেনি। কূটনীতিগত বেশ কিছু ভুল পদক্ষেপের জন্যই জাপানের মাথায় নেমে এসেছিল এই প্রত্যাঘাত। তবে পারমাণবিক বোমার চেয়েও কি বেশি ছিল সেই ভুল! কয়েক লক্ষ নিরপরাধ মানুষের প্রাণের চেয়েও বড়! আসলে রাজাদের যুদ্ধে এমনটা হয়। উলু-খাগড়া, ঘুমচোখ মানুষ, শিশু-বৃদ্ধের এমন কত প্রাণই না যায়! আর এখানে তো লড়াই বিশ্বের সবচেয়ে ক্ষমতাসম্পন্ন দেশগুলির মধ্যে। যার ছাপ আজন্ম থেকে যাবে এই অগস্ট মাস জুড়ে।

লিখেছেন
Sohini Das
Sohini Das
0 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

আবের কাওয়াস: প্রথম ফিলিস্তিনি-আমেরিকান মুসলিম মহিলা নিউ ইয়র্কের সিনেটে

Aber Kawas: নিউ ইয়র্কের ১২ নম্বর সিনেট ডিস্ট্রিক্ট থেকে জয়ী হয়ে ইতিহাস গড়লেন আবের কাওয়াস। নিউ ইয়র্ক স্টেট আইনসভায় তিনি প্রথম ফিলিস্তিনি-আমেরিকান এবং প্রথম হিজাব পরিহিত মুসলিম মহিলা প্রতিনিধি।

প্রতিবেশীর ধর্ম দেখব না! গির্জায় হামলায় যা বলছে বাসন্তী

Basanti church: গির্জার সদস্য প্রদীপ মণ্ডল ইনস্ক্রিপ্টকে জানিয়েছেন, শনিবার সকাল সাড়ে ১০টা নাগাদ চার্চ অফ নর্থ ইন্ডিয়ার (CNI) বিশপ সুব্রত চক্রবর্তী পার্শ্ববর্তী এলাকার কয়েকটি গির্জার যাজকদের নিয়ে শান্তিপূর্ণ শোভাযাত্রা করে নারায়ণতলার নবনির্মিত গির্জায় পৌঁছন। তাঁদের স্বাগত জানাতে গির্জার ভিতরে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল। প্রার্থনা শুরুর ঠিক আগে ৩০-৩৫ জনের একটি দল জোর করে গির্জায় ঢুকে পড়ে বলে দাবি তাঁর।

পাঁচ খুনের 'বদলা'? এবার গুয়াহাটিতে এনকাউন্টার পুলিশের

Guwahati Encounter: গুয়াহাটিতে হোটেলে ঢুকে পাঁচ জনকে খুনের অভিযোগে ধৃত ঘনকান্ত গগৈ পুলিশের গুলিতে নিহত। পুলিশের দাবি, হেফাজত থেকে পালিয়ে সার্ভিস রিভলভার ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেছিল সে। একই সময়ে মধ্যপ্রদেশের দেওয়াস ও ভোপালে পৃথক এনকাউন্টারে তিন অভিযুক্ত গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। কয়েক দিন আগেই বাংলায় গাইঘাটা ও সামশেরগঞ্জে দুই অভিযুক্তের মৃত্যু হয়েছিল।

আমেরিকার প্রথম মুসলিম সেনেটর, ট্রাম্পের ইসলামবিদ্বেষী প্রচারকে হারিয়ে ইতিহাস গড়লেন আবদুল এল-সায়েদ

Abdul El-Sayed: নির্বাচনের আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং তাঁর দলের একাধিক নেতা এল-সায়েদের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে ইসলামবিদ্বেষী প্রচার চালিয়েছিলেন। তাঁর ধর্মীয় পরিচয়কে সামনে এনে তাঁকে আমেরিকার নিরাপত্তার পক্ষে বিপজ্জনক হিসেবে তুলে ধরার চেষ্টা হয়েছিল।

কেন মিডটার্ম নির্বাচনে ট্রাম্পের ভরাডুবি? এরপর কোন পথে ওয়াশিংটন?

US Midterm Elections 2026: মার্কিন মিডটার্ম নির্বাচনে রিপাবলিকানদের বড় ধাক্কা। কেন ট্রাম্পের ভরাডুবি? এরপর কোন পথে ওয়াশিংটন?

মিডটার্ম নির্বাচন: সংখ্যাগরিষ্ঠ আসন পেতে চলেছে ট্রাম্পের বিরোধী ডেমোক্র্যাটরা

US Midterm Elections 2026: ভোটের লড়াইয়ে ট্রাম্পের রিপাবলিকান পার্টিকে পিছনে ফেলে এগিয়ে যেতে শুরু করেছে বিরোধী ডেমোক্র্যাটরা।

রামলীলার পর কী? কী করবেন বিরোধীরা?

INDIA bloc Unity Under strain: ‘ভোট বাঁচাও, দেশ বাঁচাও’ স্লোগানে ১ নভেম্বর রামলীলা ময়দানে ২১ দল একজোট হলেও মঞ্চ শেষেই ভেতরের টানাপোড়েন স্পষ্ট। বাম নেতাদের বক্তৃতায় প্রাধান্য, ‘ফ্যাসিবাদ’ বিরোধী সুর। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘জাতীয় ভূমিকা’র সতর্কবার্তা। প্রিয়াঙ্কা, সুপ্রিয়া সুলে, সঞ্জয় রাউত বক্তৃতার সুযোগ না পাওয়ায় শরিক-অসন্তোষ।

ট্রাম্পের অভিবাসন নীতিতে বিপাকে ভারতীয়রা, মিডটার্ম নির্বাচনে কতটা প্রভাব পড়বে?

US Midterm Elections 2026: ২০২৬ সালের মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনে ভারতীয় বংশোদ্ভূত ভোটারদের ৬২% ডেমোক্র্যাটদের পক্ষে। ট্রাম্পের এইচ-১বি ভিসা কড়াকড়ি ও অর্থনৈতিক নীতির জেরে ক্ষোভ বাড়ছে বলে জানাল কার্নেগির সমীক্ষা।