জলপাই ক্ষেতে ছিটকে উঠল কৃষকের রক্ত, আর কত বিলালের নিথর দেহ দেখে থামবে ইজরায়েল?

Israel-Gaza War: হঠাৎ করেই ইজরায়েলি এক বসতিস্থাপনকারীর বন্দুক থেকে গুলি এসে ফুঁড়ে দিয়ে চলে গেল বিলালের বুক। মুহূর্তে লুটিয়ে পড়লেন বিলাল তাঁর সাধের জলপাই ক্ষেতে।

Sohini Das
৪ মিনিট
জলপাই ক্ষেতে ছিটকে উঠল কৃষকের রক্ত, আর কত বিলালের নিথর দেহ দেখে থামবে ইজরায়েল?

যে কোনও সময় মাটিতে মিশে যেতে পারে দেশ। নেই হয়ে যেতে পারেন সমস্ত বাসিন্দা। গাজায় এ সকলই এখন সত্য। মাথার উপর চক্কর কাটছে ইজরায়েলের বোমারু বিমান। যে কোনও মুহূর্তে রকেট হামলা নেমে আসতে পারে, ছাই করে দিতে পারে জাগতিক যা কিছু। তবু তার চেয়েও বড় সত্য বাঁচার আশা। যা মানুষকে এই ভয়ঙ্কর যুদ্ধের মধ্যেও ফসলের ক্ষেতে নিয়ে যায়।

প্যালেস্টাইনে এ সময়টা জলপাইয়ের সময়। পরিবারের সকলে মিলে এ সময়টা নেমে পড়েন চাষবাসের কাজে। শনিবার সকালে যেমন মাঠে গিয়েছিলেন ৪০ বছরের বিলাল মহম্মদ সেলাহ। ওয়েস্ট ব্যাঙ্কের দক্ষিণ নাবলুস থেকে ১৮ কিলোমিটার দূরে আল সাওইয়া গ্রামে বাসিন্দা বিলাল। উত্তরাধিকার সূত্রে পেয়েছিলেন এক ফালি জমি। সেই জমিতেই প্রতি বছর অলিভ চাষ করেন বিলাল। স্ত্রী ও তাঁর চার সন্তানও গিয়েছিলেন তাঁর সঙ্গে। ছিলেন তাঁর ভাইবোন ও অন্য পরিবারের লোকেরাও।

কিন্তু বিপদ যে ধূর্ত বাঘের মতো অপেক্ষা করে রয়েছে ওই চাষের ক্ষেতে, তা বোধহয় ঘুণাক্ষরেও জানতে পারেননি বিলাল ও তাঁর পরিবারের লোকজন। হঠাৎ করেই ইজরায়েলি এক বসতিস্থাপনকারীর বন্দুক থেকে গুলি এসে ফুঁড়ে দিয়ে চলে গেল বিলালের বুক। মুহূর্তে লুটিয়ে পড়লেন বিলাল তাঁর সাধের জলপাই ক্ষেতে। কাঁচা-পাকা সব জলপাইয়ের গায়ে ছিটে লাগল বিলালের রক্তের, যে ফসল বহু কষ্টে ফলিয়েছিলেন বিলাল তাঁর নিজের হাতে। রক্ত জল করেছিলেন রোদবৃষ্টি মাথায় করে।

বড় বড় যুদ্ধে এসব ছোট ছোট ক্ষয়ক্ষতি হতেই থাকে। যাকে বলে কোল্যাটারাল ড্য়ামেজ। আর সেই পারিপার্শ্বিক ক্ষতি হিসেবে ক্রমে ফাঁকা হয়ে যাচ্ছে গাজা শহরটা। হামাস জঙ্গিদের খতম করতে গিয়ে একের পর এক সাধারণ নিরপরাধ মানুষের শবদেহের মালা রচনা করে চলেছে ইজরায়েল সরকার। হাসপাতাল থেকে গির্জা, শরণার্থী শিবির, সেখানেও যখন-তখন নামছে ইজরায়েলি রকেট। মুহূর্তে নিশ্চিহ্ন হয়ে যাচ্ছে একের পর জনপদ। বাস্তুভিটে, আত্নীয় স্বজন হারিয়ে মানুষ ছুটছেন এখানে-ওখানে। কখন নেমে আসবে মৃত্য়ুর পরোয়ানা, কেউ জানেন না গাজায়।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
জয়ী না হওয়া অবধি যুদ্ধ চলবে! ৮,৩০০ মৃত্যুর পর কোন পথে এগোবে ইজরায়েল?

Israel Hamas War : অপহৃতা শানি লুককে পিকআপ ট্রাকেই মুখ থুবড়ে পড়ে থাকতে দেখা গেছে।

গত তিন সপ্তাহে আট হাজার সাধারণ নাগরিকের মৃত্য়ু হয়েছে গাজায়। তার মধ্যে অর্ধেকেরও বেশি শিশু। আইনে বলে, অপরাধীর সাজা পেতে যতই দেরি হোক না কেন, একজনও নিরপরাধ যাতে সাজা না পায়। অথচ গাজায় হামাস জঙ্গিদের খতম করার নামে হাজারে হাজারে নিরপরাধ শিশু, কিশোর, নারী-পুরুষ, বৃদ্ধকে শেষ করে দিয়েছে নেতানিয়াহু সেনা। কখনও হাতে মেরে, তো কখনও ভাতে মেরে। যুদ্ধ ঘোষণার পরেই গাজায় খাদ্য, পানীয় জল সরবরাহ এবং বিদ্যুৎ বন্ধ করে দিয়েছিল ইজরায়েল। এবার বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে ইন্টারনেট পরিষেবা। যাতে বাইরের কেউ ঘুনাক্ষরেও জানতে না পারে, আদতে কী চলছে গাজায়।

কার্যত গণহত্যার সমস্ত ছকই কষে ফেলেছে ইজরায়েল। দিন কয়েক আগে ইজরায়েলি সেনা সতর্ক করেছে গাজার বাসিন্দাদের। তাদের দেশ ছেড়ে চলে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছে। কারণ যে কোনও সময় ইজরায়েলের হানা রকেটে সম্পূর্ণ ভাবে নিশ্চিহ্ন হয়ে যেতে পারে গোটা শহর। পড়ে থাকবে শুধু ধ্বংসস্তূপ আর ছাই। আরে সেই ছাইয়ের নিচে নিশ্চুপে ঘুমোবেন হাজার হাজার সাধারণ মানুষ। যাদের আসলে কোথাও পালানোর নেই। চারদিকে সব রাস্তা বন্ধ। অন্য দেশে যে শরণার্থী হয়ে সিঁধিয়ে যাবেন, সেই পথটুকুও নেই। খোলা আছে শুধু মৃতদেহ হয়ে যাওয়ার রাস্তাটুকুই।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
এক ইশারায় উড়ে যাবে গোটা গাজা! বাসিন্দাদের পালানোর নির্দেশ দিচ্ছে ইজরায়েলি সেনা

Israel-Hamas war: নতুন করে এসেছে হুমকি। আর তার পর থেকেই আশঙ্কা করা হচ্ছে গাজার আল-কুদস হাসপাতালে রকেট হামলা চালাতে পারে ইজরায়েলি সেনা।

তাঁর গোটা পরিবারের সামনে বিলালকে বুকে গুলি করা হল। না, তার হাতে অস্ত্র ছিল না। হামাস জঙ্গির পরিচয়ও তাঁর বা তাঁর পরিবারের কারওর ছিল না। চাষের মাঠে অলিভ ফলাতে এসেছিল সে কেবল। যে অলিভ যুদ্ধের কাজে লাগত না কোনওদিনই। তবু ইজরায়েলি সৈন্যর গুলি ফুঁড়ে দিল তাঁর বুক। বিলালের কাকা ইয়াসির শাহিন জানান, এই পৃথিবীর গরিব, পরিশ্রমীতম মানুষ ছিলেন বিলাল। গোটা জীবনটা বাঁচার জন্য লড়াই করতে হয়েছে তাঁকে। ছোটবেলায় বাবা-মাকে হারান। সেই থেকে চলছে জীবনের যুদ্ধ। আর সেই জীবনযুদ্ধের ময়দান থেকে তাঁকে কেড়ে নিয়ে গেল দু-দেশের যুদ্ধ, যে যুদ্ধে বিলালদের মতো সাধারণ মানুষের ভূমিকা শুধু মরে যাওয়াটুকুই।

শনিবার সকালে ইজরায়েলি সেনা বন্দুক বাগিয়ে হুঙ্কার দিয়েছিল, বিলালদের হাতে মাত্র তিন মিনিট সময় রয়েছে। এর মধ্যে জমি ছেড়ে চলে যাক বিলাল ও তাঁর পরিবার। এরই মধ্যে সেই ইজরায়েলি বসতিস্থাপনকারীর বন্দুকে ছুটল ঘোড়া, বিলালের বুক ফুঁড়ে দিল গুলি। অথচ ইজরায়েলি সেনা জানত, গুলি ছুটতে পারে। তারা কিছুই করল না।

বিলাল, রামাল্লা শহরের অনেক পথচারীর কাছেই চেনা মুখ। ওই রাস্তাতেই বসে ফল বিক্রি করতেন বিলাল। ছোট ক্ষেতে বেশ কিছু ফল সে চাষ করতেন নিজের হাতে। তারপর ক্ষেত থেকে সেইসব সুমিষ্ট ফল ছেনে বেছে বিক্রি করে আসতেন সে রামাল্লা শহরের কেন্দ্রস্থলের এক বাজারে। কখনও পুদিনা তো কখনও ডুমুর, কখনও আবার ন্যাসপাতি। আর জলপাইয়ের মরসুমে নিজের চাষ করা জলপাই, হাসি মুখে তুলে দিতেন ক্রেতাদের হাতে। পড়াশোনা শেষ করতে পারেননি বিলাল। সংসারের জোয়াল টানতে তার আগেই নেমে পড়তে হয় রুজিরোজগারের আশায়। পাহাড়ে ঘুরে ঘুরে নানা পাতা, ভেষজ গাছ সংগ্রহ করে বেচত সে বাজারে গিয়ে। আর নিজের ক্ষেতের চাষ করা ফলমূল তো আছেই। সেই জলপাই ক্ষেতে যাওয়াই কাল হল তাঁর।

এমন বিলালদের নিথর দেহ আজ গাজার সমস্ত রাস্তা জুড়ে। আল সাওইয়ার মতো অসংখ্য এলাকাই ঘিরে রেখেছে অজস্র অবৈধ ইজরায়েলি বসতিস্থাপনকারী। তাদের হাতজোড়া অস্ত্রশস্ত্র। যা যে কোনও সময় এসে ফুঁড়ে দিচ্ছে অসংখ্য নিরপরাধ ফিলিস্তিনির বুক। ইজরায়েলি সেনা সব জানে। অথচ তাদের রোখার চেষ্টা করে না।

বাসিন্দারাও জানেন, বাড়ির বাইরে মৃত্যুফাঁদ। যে কোনও সময় যা কিছু হতে পারে। বাড়ির ভিতরেও যে খুব নিরাপদ তা নয়। রকেট হামলার ভয়ও কম নয়। কিন্তু এ সমস্ত ভয় নিয়ে তো জীবন থমকে থাকে না। তাই জলপাইয়ের মরসুমে জীবনধারনের আশায় ক্ষেতের দিকে ছোটেন গাজাবাসী। সেই সুযোগ নিয়ে তাঁদের উত্যক্ত করে অবৈধ ইজরায়েলি বসতিস্থাপনকারীরা। জলপাই ক্ষেত নষ্ট করে দেওয়ার চেষ্টা করে, তছনছ করে। আর তাদের মদত দেয় ইজরায়েবি সেনা। নিজভূমে এখন যেন পরবাসী গাজাবাসীরা নিজেই। তাই ফসলের ক্ষেতে যেতে হয় বাসিন্দাদের গোপনে। জলপাই পাড়তে মইয়ে উঠেছিলেন বিলাল। সে সময় হামলা। গুলিবিদ্ধ বিলালকে নিয়ে হাসপাতালে ছুটেছিলেন পরিবারের লোকেরা। কিন্তু বাঁচানো যায়নি তাঁকে। বিলালকে হারিয়ে যেন সর্বহারা তাঁর পরিবার। কী করবেন, কোথায় যাবেন, তা বুঝতে পারছেন না।

শুধু বিলালের পরিবার নয়, গোটা গাজাবাসীর অবস্থাই একই রকম। ইজরায়েলের আগ্রাসনের মধ্যে পড়ে তাঁরা শুধুই মরে যাচ্ছেন। এত এত প্রাণ কেড়েও থামছে না ইজরায়েল। রাষ্ট্রপুঞ্জের যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব পড়ে আছে টেবিলেই। আর ক্রমশ নিভে যাচ্ছে গাজার একে একে সমস্ত দেউটি।

লিখেছেন
Sohini Das
Sohini Das
0 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

এসআইআর: বিশুদ্ধ ভোটার তালিকা তৈরির নামে যা পেল বাঙালি

Real Effect of SIR in bengal: ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় পশ্চিমবঙ্গে ৯১ লক্ষ ভোটার বাদ যান, যারা ছিলেন মোট ভোটারের ১২ শতাংশ। যাদের মধ্যে ৩৪% ছিলেন মুসলিম , নারীরা সংখ্যায় ছিলেন ৬১.৮%, এছাড়াও ছিলেন, মতুয়া ও রাজবংশী সম্প্রদায়ের মানুষেরা, যারা অসামঞ্জস্যপূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন। ফর্ম-৭-এর অপব্যবহার, অ্যালগরিদম-নির্ভর যাচাই, ১৯টি আপিল ট্রাইব্যুনালে ১ লক্ষ মামলা, সব মিলিয়ে ২০২৬-এর ভোটে যোগ্য নাগরিকরাও বাদ পড়েছিলেন।

‘সব নির্বাচনেই কারচুপি’, কেন এমন দাবি রাহুল গান্ধীর?

Rahul Gandhi election rigging claim: রাহুল গান্ধী কেন দাবি করলেন, ভারতের সব নির্বাচনেই কারচুপি হচ্ছে? নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে কী প্রশ্ন তুলেছেন তিনি? সরকারবিরোধী মনোভাব বা অ্যান্টি-ইনকামবেন্সি কীভাবে ভোটের রাজনীতিতে কাজ করে? তাঁর অভিযোগের পক্ষে কী কী তথ্য ও প্রমাণ তুলে ধরা হয়েছে?

সিজেপির তিন দাবি, জ্ঞানেশ কুমার না সরলে ফের বড় আন্দোলন

Election Commission of India: নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা, নির্বাচন পরিচালনার পদ্ধতি এবং ২০২৩ সালের আইনের বৈধতা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের কাছে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি জানিয়েছে সিজেপি। তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ, নির্বাচন প্রক্রিয়া স্থগিত করা এবং ২০২৩ সালের নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ সংক্রান্ত আইন প্রত্যাহার।

থানার গেটেই মারধর প্রাক্তন আইপিএস হুমায়ুন কবীরকে, সাধারণ মানুষ কতটা নিরাপদ?

Humayun Kabir: ঘটনার পর এখনও পর্যন্ত তিনি কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের করতে পারেননি বলেও জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, শারীরিক অসুস্থতার কারণে তখন অভিযোগ করা সম্ভব হয়নি। সুস্থ হয়ে তিনি লিখিত অভিযোগ করবেন।

দুই কমিশনারের আপত্তিতে ফের আলোচনায় সীমা খান্না, কমিশনে ঠিক কী দায়িত্ব তাঁর?

Seema Khanna and ECINet: ভোটার তালিকা ও ইসিআইনেট (ECINet) নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক। দুই নির্বাচন কমিশনারের আপত্তিতে সামনে এসেছে আইটি বিভাগের ভূমিকা এবং ডিরেক্টর জেনারেল (IT) সীমা খান্নার নাম। কে এই সীমা খান্না? নির্বাচন কমিশনে তাঁর দায়িত্ব কী? ভোটার তালিকা পরিচালনায় তাঁর ভূমিকা নিয়েই বা কেন উঠছে প্রশ্ন?

সরকারকে ৪ দিনের সময়সীমা বেধে দিল চা-শ্রমিকরা, ঠিক কী কী দাবি?

Dooars tea workers: ২২ সেপ্টেম্বর বকেয়া মজুরি ও অন্যান্য পাওনা মেটানোর দাবিতে হাঁটাপাড়া, ধুমচিপাড়া ও গারগান্ডার চা-শ্রমিকরা মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পদযাত্রা শুরু করেন। একই দিনে তোর্সার প্রস্তাবিত ল্যান্ড পোর্ট প্রকল্পে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষও জমি ও অধিকার রক্ষার দাবিতে পদযাত্রা করেন। দুই পদযাত্রাই পুলিশ আটকে দেয়।

বিশাখাপত্তনমে গুগলের ডেটা সেন্টার: ডিজিটাল উন্নয়নের দাম দেবে জল ও পরিবেশ?

Digital Thirst of vizag ai data centres: গুগল-আদানি-এয়ারটেলের যৌথ উদ্যোগে বিশাখাপত্তনমে গড়ে উঠছে ১ গিগাওয়াটের এআই ডেটা সেন্টার, বিনিয়োগ ১.২৫ লক্ষ কোটি টাকা। কিন্তু শহরের জলসংকট, কাম্বালাকোন্ডা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যের নৈকট্য আর পরিবেশবাদীদের বিক্ষোভ এই প্রকল্পকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে। 'স্টপ বিশাগ ডেটা সেন্টারস'-এর ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট পর্যন্ত নিষিদ্ধ করেছে ভারত সরকার।

এসআইআর নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরেই আপত্তি, ১০ মাসে দুই কমিশনারের ১৪ বার প্রশ্ন

Election Commission SIR: এসআইআর ঘিরে নির্বাচন কমিশনের অন্দরেই তৈরি হয়েছে মতপার্থক্য। গত ১০ মাসে দুই নির্বাচন কমিশনার ১৪ বার আপত্তি জানিয়েছেন বলে দাবি দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস-এর এক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে। ফর্ম ৬ বদল, ভোটার তথ্যভান্ডারের কেন্দ্রীয়করণ, পশ্চিমবঙ্গের আপিল এবং প্রযুক্তিগত ব্যবস্থাপনা নিয়েও উঠেছে একাধিক প্রশ্ন। ভোটার তালিকা সংশোধনের প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও আইন মেনে চলার বিষয়টি ফের আলোচনায়।