নাসরুল্লাহের মৃত্যুর পরে ইজরায়েলকে হুঁশিয়ারি! হিজবুল্লাহের শীর্ষে কে এই নঈম কাসেম?

Naim Qassem: নাসরুল্লাহের মৃত্যুর পরে ইজরায়েলকে হুঁশিয়ারি দিতে যাকে দেখা গিয়েছিল, তিনি নঈম। যিনি এতদিন হিজবুল্লাহের সশস্ত্র গোষ্ঠীর প্রধান তো ছিলেনই, তার পাশাপাশি ছিলেন হিজবুল্লাহের সেকেন্ড ইন কম্যান্ডও।

Sohini Das
৪ মিনিট
নাসরুল্লাহের মৃত্যুর পরে ইজরায়েলকে হুঁশিয়ারি! হিজবুল্লাহের শীর্ষে কে এই নঈম কাসেম?

গাজা, লেবানন এবং ইরান, তিন জায়গায় একসঙ্গে যুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছে ইজরায়েল। নিজেদের শক্তির খতিয়ান দিতে ইরানে শেষপর্যন্ত হামলা চালিয়েছে ইজরায়েল। তার প্রত্যাঘাত স্বরূপ ইরান পাল্টা কোন দায় দেয়, তা এখন আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগের বিষয়। দিন কয়েক আগেই লেবাননে হামলা চালিয়ে হিজবুল্লাহ প্রধান সৈয়দ হাসান নাসরুল্লাহকে হত্যা করেছে ইজরায়েলি সেনা। তার রেশ কাটতে না কাটতে গাজায় হামাসপ্রধান সিনওয়ার খুন হন ইজরায়েলি সেনার হাতে। এই ধারা চলছেই। নাসরুল্লাহের মৃত্যুর পরেই ইজরায়েলকে হুমকি দিয়েছিল ইরান। এমনকী ইজরায়েলকে সায়েস্তা করতে মাঠে নেমে পড়েছিল ইয়েমেনের জঙ্গি সংগঠন হাউথিরাও। এই পরিস্থিতিতে এতদিন খালিই ছিল হিজবুল্লাহ প্রধানের পদ। অবশেষে সেখানে অভিষিক্ত হলেন হিজবুল্লাহের সশস্ত্র গোষ্ঠীর প্রধান শেখ নঈম কাশেম।

জল্পনা ছিলই। নাসরুল্লাহের মৃত্যুর পরে ইজরায়েলকে হুঁশিয়ারি দিতে যাকে দেখা গিয়েছিল, তিনি নঈম। যিনি এতদিন হিজবুল্লাহের সশস্ত্র গোষ্ঠীর প্রধান তো ছিলেনই, তার পাশাপাশি ছিলেন হিজবুল্লাহের সেকেন্ড ইন কম্যান্ডও। গত ২৭ সেপ্টেম্বর লেবাননের রাজধানী বেইরুটে হিজবুল্লাহের সদর দফতরে হামলা চালায় ইজরায়েলি সেনা। সেই হামলাতেই হিজবুল্লাহ প্রধান হাসান নাসরুল্লাহের মৃত্যু হয়েছে বলে জানা যায়।

তাঁর মৃত্যুর পর হিজবুল্লাহের শীর্ষপদে বসতে পারেন নাসরুল্লাহের খুড়তুতো ভাই হাশেম সফিউদ্দিন, এমনও জল্পনা শুরু হয়েছিল। শোনা যায়, সেই ১৯৯০ সাল থেকেই নাকি তাঁকে নাসরুল্লাহের উত্তরসুরি হিসেবে মনোনীত করা রয়েছে। তখনও অবশ্য ইরানে পড়াশোনা করছিলেন তিনি। সে যাই হোক, শেষপর্যন্ত সেই জল্পনায় সিলমোহর পড়েনি। কারণ সপ্তাহ তিনেক আগে ইজরায়েলি হামলায় মৃত্যু হয় সেই হাশেমেরও। তাঁর পরিবর্তে হিজবুল্লাহের সশস্ত্র শাখার প্রধান ৭১ বছর বয়সী নঈমকেই বেছে নিয়েছে সংগঠন।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
ইজরায়েলের হামলায় নিহত নাসরাল্লাহ, এবার হিজবুল্লাহর দায়িত্ব সামলাবেন কে?

Hezbollah Hashem Safieddine: কার্যনির্বাহী পরিষদের প্রধান হিসাবে, সাফিউদ্দিন হিজবুল্লাহর রাজনৈতিক বিষয়গুলি তত্ত্বাবধান করেন।

সেই ১৯৯১ সাল থেকে হিজ়বুল্লার দ্বিতীয় শীর্ষ পদে রয়েছেন কাশেম। তখন লেবাননের এই গোষ্ঠীর প্রধান ছিলেন আব্বাস আল্‌-মুসায়ি। সেই আব্বাসেরও মৃত্যু হয়েছিল ইজ়রায়েলি হানায়। পরবর্তী সময়ে হিজবুল্লাহের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব যায় নাসরুল্লাহের হাতে। কাশেম পালন করেছেন সংগঠনের দ্বিতীয় শীর্ষ পদে দায়িত্ব। হিজ়বুল্লার অন্যতম মুখপাত্র হিসাবে দীর্ঘদিন দায়িত্ব সামলেছেন তিনি। ২০০৬ সালে নাসরুল্লাহ আন্ডারগ্রাউন্ডে যাওয়ার পর থেকে বিভিন্ন বিদেশি সংবাদমাধ্যমকে সাক্ষাৎকার দেওয়ার দায়িত্বও ছিল তাঁরই উপর।

১৯৫৩ সালে লেবাননের দক্ষিণে, বেইরুটে জন্ম কাশেমের। শিয়া আমাল আন্দোলনের মাধ্যমে রাজনৈতিক ময়দানে ক্রমে সক্রিয় হতে থাকেন কাশেম। যদিও ১৯৭৯ সালে সেই দলই ত্য়াগ করে বেরিয়ে আসেন কাশেম। ১৯৮২ সালে হিজবুল্লাহের জন্ম হয় লেবাননে। এই নঈম কাশেম ছিল প্রতিষ্ঠাতা সদস্যদের অন্যতম। ১৯৯২ সালে প্রথম বার সংসদীয় রাজনীতিতে অংশগ্রহণ করে হিজবুল্লাহ। সে সময় হিজবুল্লাহের সংসদীয় নির্বাচনী প্রচারণার সাধারণ সমন্বয়কারীর ভূমিকায় ছিলেন কাশেম।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
হিজবুল্লাহর গোপন বাঙ্কারে বিপুল সোনাদানা, ধনরাশির খোঁজ! হাসপাতালের নীচে কেন মজুত এত অর্থ?

Israel-Hezbollah War: হিজবুল্লাহের গোপন বাঙ্কারে লুকানো রয়েছে ৫০০ মিলিয়ন ডলারের নগদ এবং সোনাদানা। বেইরুটের একটি হাসপাতালের নিচে রয়েছে হিজবুল্লাহের সেই গোপন বাঙ্কার।

নাসরুল্লাহের মৃত্যুর সংবাদমাধ্যমের সামনে এসে ইজরায়েলকে হুঁশিয়ারি দিতে দেখা গিয়েছিল কাশেমকে। ইজরায়েলের বিরুদ্ধে যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার কথা শোনা গিয়েছিল তাঁর মুখে। নাসরুল্লাহ জমানাতেও হিজ়বুল্লার অন্দরে কাশেমের গুরুত্ব ছিল যথেষ্ট। জানা যায়, উপপ্রধান পদে থাকার সময়ে সংগঠনের গুরুত্বপূর্ণ সামরিক অভিযানগুলির পরিকল্পনার পাশাপাশি ধর্মীয় কার্যকলাপগুলি পরিচালনা করতেন তিনি। সেই কাশেমকেই এবার প্রধান নেতা হিসেবে বেছে নিল হিজবুল্লাহ।

গত কয়েক মাসে ইজরায়েল-হিজবুল্লাহ দ্বন্দ্বের মধ্যে নিহত হয়েছেন অসংখ্য হিজবুল্লাহ কম্যান্ডার। লেবাননে যেখানে লাগাতার হামলা চালিয়ে যাচ্ছে ইজরায়েল, সে সময় হিজবুল্লাহের শীর্ষপদ ফাঁকা থাকাটা মোটেই ভালো বার্তা দিচ্ছিল না শত্রু দেশগুলিকে। অবশেষে কাশেমকেই অভিভাবক বেছে নিল হিজবুল্লাহ। এদিকে লেবাননে তো বটেই, গাজাতেও লাগাতার হামলা চালিয়ে যাচ্ছে ইজরায়েল। উত্তর গাজায় ইজরায়েলের সাম্প্রতিক হামলায় প্রায় একশোর কাছাকাছি মানুষ নিহত হয়েছেন বলে খবর। এর সঙ্গেই গাজায় সাহায্যকারী রাষ্ট্রসঙ্ঘের সংস্থা UNRWA-কে নিষিদ্ধ করেছে ইজরায়েল। খুব শিগগিরই তাদের বিরুদ্ধে আইনও আনতে চলেছে নেতানিয়াহুর দেশ। সংস্থার কর্মীদের বিরুদ্ধে ইজরায়েলবিরোধী কার্যকলাপের অভিযোগ এনেছে ইজরায়েল। এই বিষয়টি নিয়ে গভীর ভাবে ক্ষুব্ধ রাষ্ট্রপুঞ্জ। এই বিষয়টি অমানবিক বলেই দাবি তাদের।

এদিকে নাসরুল্লাহের মৃত্যুর পরেই ইজরায়েলের রাজধানী-সহ একাধিক শহরে হামলা চালিয়েছিল ইরান। সেই হামলার পর ছেড়ে কথা বলতে চায়নি ইজরায়েলও। তারা জানিয়ে দেয়, ইরানকে যদি যথাযথ উত্তর দিতে না পারে, তাহলে গোটা বিশ্ব তাকে দুর্বল ভাববে। আর সেই পথে হেঁটেই ইরানে সাহস করে হামলা চালিয়ে বসেছে ইজরায়েল। শনিবার ভোর থেকে ইরানে একের পর এক হামলা চালিয়েছে নেতানিয়াহু সেনা। রোববার প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বলেছেন, ইসরায়েল ইরানের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এবং ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদন সিস্টেম বিকল করে দিয়েছে। তিনি বলেন হামলায় ইরানের প্রতিরক্ষা এবং ক্ষেপণাস্ত্র বানানোর সক্ষমতার মারাত্মক ক্ষতি হয়েছে। ইরানের কর্মকর্তারা প্রকাশ্যে ইসরায়েলের হামলার প্রভাবকে খুব একটা গুরুত্ব দেননি। তারা বলেছেন বেশীরভাগ ক্ষেপণাস্ত্রকে রুখে দেয়া হয়েছে। আর যেগুলো ঠেকানো যায়নি সেগুলো আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার সামান্য ক্ষতি করেছে। যদিও ওই হামলার পর প্রথমবারের মতো মন্তব্য করেছেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লাহ আলি খামেনেই। তিনি বলেছেন, “কর্তৃপক্ষ নির্ধারণ করবেন, তারা কীভাবে ইরানি জনগণের ইচ্ছে ও শক্তিকে ইসরায়েলি সরকারের কাছে পৌঁছে দেবেন এবং দেশ ও জাতির স্বার্থরক্ষায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবেন”। ইরানের প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ানও তার দেশের সর্বোচ্চ নেতার সুরেই কথা বলেছেন। মন্ত্রিসভার বৈঠকে তিনি বলেছেন: “আমরা যুদ্ধ চাই না, কিন্তু আমাদের দেশ ও জাতির অধিকারকে সুরক্ষিত রাখব”।

ইরানের মদতপুষ্ঠ জঙ্গি সংগঠন হিজবুল্লাহেরা এতদিন অভিভাবকহীন অবস্থায় বেশ খানিকটা ছড়িয়ে ছিটিয়ে ছিল। অবশেষে তখতে রয়েছেন প্রধান। সেই জোরে ভর করেই কি এবার লেবাননে তো বটেই, পাশাপাশি ইরান এবং গাজায় ইজরায়েলের হামলার প্রত্যাঘাত ফিরিয়ে দেবে হিজবুল্লাহ? ঠিক কী পরিকল্পনা আঁটছে তারা? একই সঙ্গে ইরানই বা কী ব্যবস্থা নেবে ইজরায়েলের বিরুদ্ধে? আপাতত গোটা বিশ্ব তাকিয়ে রয়েছে সে দিকেই।

লিখেছেন
Sohini Das
Sohini Das
0 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

এসআইআর বির্তক: যে খবর স্বাভাবিক হওয়ার কথা, সেটাই আজ বিস্ময়

Gyanesh Kumar, SIR and Election Commission: এসআইআর নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে আপত্তি থাকা সত্ত্বেও কেন প্রক্রিয়া চালানো হল? জ্ঞানেশ কুমার কীভাবে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার হলেন? ২০২৩ সালে আইন বদলে প্রধান বিচারপতিকে নির্বাচন কমিশনার বাছাইয়ের কমিটি থেকে সরানো হল কেন? এতদিন এই প্রশ্নগুলি গণমাধ্যম তুলল না কেন?

এসআইআর: বিশুদ্ধ ভোটার তালিকা তৈরির নামে যা পেল বাঙালি

Real Effect of SIR in bengal: ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় পশ্চিমবঙ্গে ৯১ লক্ষ ভোটার বাদ যান, যারা ছিলেন মোট ভোটারের ১২ শতাংশ। যাদের মধ্যে ৩৪% ছিলেন মুসলিম , নারীরা সংখ্যায় ছিলেন ৬১.৮%, এছাড়াও ছিলেন, মতুয়া ও রাজবংশী সম্প্রদায়ের মানুষেরা, যারা অসামঞ্জস্যপূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন। ফর্ম-৭-এর অপব্যবহার, অ্যালগরিদম-নির্ভর যাচাই, ১৯টি আপিল ট্রাইব্যুনালে ১ লক্ষ মামলা, সব মিলিয়ে ২০২৬-এর ভোটে যোগ্য নাগরিকরাও বাদ পড়েছিলেন।

‘সব নির্বাচনেই কারচুপি’, কেন এমন দাবি রাহুল গান্ধীর?

Rahul Gandhi election rigging claim: রাহুল গান্ধী কেন দাবি করলেন, ভারতের সব নির্বাচনেই কারচুপি হচ্ছে? নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে কী প্রশ্ন তুলেছেন তিনি? সরকারবিরোধী মনোভাব বা অ্যান্টি-ইনকামবেন্সি কীভাবে ভোটের রাজনীতিতে কাজ করে? তাঁর অভিযোগের পক্ষে কী কী তথ্য ও প্রমাণ তুলে ধরা হয়েছে?

সিজেপির তিন দাবি, জ্ঞানেশ কুমার না সরলে ফের বড় আন্দোলন

Election Commission of India: নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা, নির্বাচন পরিচালনার পদ্ধতি এবং ২০২৩ সালের আইনের বৈধতা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের কাছে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি জানিয়েছে সিজেপি। তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ, নির্বাচন প্রক্রিয়া স্থগিত করা এবং ২০২৩ সালের নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ সংক্রান্ত আইন প্রত্যাহার।

থানার গেটেই মারধর প্রাক্তন আইপিএস হুমায়ুন কবীরকে, সাধারণ মানুষ কতটা নিরাপদ?

Humayun Kabir: ঘটনার পর এখনও পর্যন্ত তিনি কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের করতে পারেননি বলেও জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, শারীরিক অসুস্থতার কারণে তখন অভিযোগ করা সম্ভব হয়নি। সুস্থ হয়ে তিনি লিখিত অভিযোগ করবেন।

দুই কমিশনারের আপত্তিতে ফের আলোচনায় সীমা খান্না, কমিশনে ঠিক কী দায়িত্ব তাঁর?

Seema Khanna and ECINet: ভোটার তালিকা ও ইসিআইনেট (ECINet) নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক। দুই নির্বাচন কমিশনারের আপত্তিতে সামনে এসেছে আইটি বিভাগের ভূমিকা এবং ডিরেক্টর জেনারেল (IT) সীমা খান্নার নাম। কে এই সীমা খান্না? নির্বাচন কমিশনে তাঁর দায়িত্ব কী? ভোটার তালিকা পরিচালনায় তাঁর ভূমিকা নিয়েই বা কেন উঠছে প্রশ্ন?

সরকারকে ৪ দিনের সময়সীমা বেধে দিল চা-শ্রমিকরা, ঠিক কী কী দাবি?

Dooars tea workers: ২২ সেপ্টেম্বর বকেয়া মজুরি ও অন্যান্য পাওনা মেটানোর দাবিতে হাঁটাপাড়া, ধুমচিপাড়া ও গারগান্ডার চা-শ্রমিকরা মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পদযাত্রা শুরু করেন। একই দিনে তোর্সার প্রস্তাবিত ল্যান্ড পোর্ট প্রকল্পে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষও জমি ও অধিকার রক্ষার দাবিতে পদযাত্রা করেন। দুই পদযাত্রাই পুলিশ আটকে দেয়।

বিশাখাপত্তনমে গুগলের ডেটা সেন্টার: ডিজিটাল উন্নয়নের দাম দেবে জল ও পরিবেশ?

Digital Thirst of vizag ai data centres: গুগল-আদানি-এয়ারটেলের যৌথ উদ্যোগে বিশাখাপত্তনমে গড়ে উঠছে ১ গিগাওয়াটের এআই ডেটা সেন্টার, বিনিয়োগ ১.২৫ লক্ষ কোটি টাকা। কিন্তু শহরের জলসংকট, কাম্বালাকোন্ডা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যের নৈকট্য আর পরিবেশবাদীদের বিক্ষোভ এই প্রকল্পকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে। 'স্টপ বিশাগ ডেটা সেন্টারস'-এর ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট পর্যন্ত নিষিদ্ধ করেছে ভারত সরকার।