মেয়েদের জন্য আর নিরাপদ শহর নয় বেঙ্গালুরু! কেন বাড়ছে ভয়ঙ্কর হত্যার ঘটনা?

Unsafe City Bengaluru: দিল্লিকে ভারতের ধর্ষণের রাজধানী বলা হয় কিন্তু মেয়েদের নিরাপত্তার ক্ষেত্রে দিল্লি এবং বেঙ্গালুরু তেমন আলাদা কিছু নয়

inscript
৪ মিনিট
মেয়েদের জন্য আর নিরাপদ শহর নয় বেঙ্গালুরু! কেন বাড়ছে ভয়ঙ্কর হত্যার ঘটনা?

শ্রদ্ধা ওয়ালকারকে মনে আছে? প্রেমিক ৩৫ টুকরো করে প্রেমিকাকে কেটে দিল্লিতে ছড়িয়ে দিয়েছিল। এই ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটে কিছুদিন আগেই। কেটে টুকরো টুকরো করা দেহ। রক্তে ভেসে যাচ্ছে রেফ্রিজারেটর। খুন হয়েছেন এক যুবতী, মহালক্ষ্মী। তবে এবার দিল্লি নয়, বেঙ্গালুরু। নির্ভয়ার আগে থেকেই দিল্লি মেয়েদের খুব একটা নিরাপত্তা দিতে পারেনি। নির্ভয়ার পরে মহিলারা আর দিল্লিকে নিরাপদ বলে ভাবেনই না! তবে বেঙ্গালুরু বরাবরই ছিল এগিয়ে। মহিলারা গভীর রাত অব্দি কাজ করেছেন, ফিরেছেন, আড্ডা মেরেছেন, একা থেকেছেন। বেঙ্গালুরু ভারতের মধ্যে মেয়েদের জন্য নিরাপদতম শহরের একটি ছিল। বেঙ্গালুরুতে এই মুহূর্তে সারা ভারতের নানা রাজ্যের মানুষের বাস। কিন্তু এতটা ভয়াবহ হয়ে উঠল কেন এই শহর? বিশেষ করে মেয়েদের জন্য?

২০২২ সালের মে মাসে শ্রদ্ধা ওয়াকারকে তার লিভ-ইন পার্টনার আফতাব পুনাওয়ালা খুন করে মৃতদেহ ৩৫ টুকরো করে কেটেছিলেন, মুখ পুড়িয়ে দিয়েছিলেন এবং কাটা অংশগুলিকে একটি ফ্রিজে রেখেছিলেন। ২০২৩ সালের ডিসেম্বরে বেঙ্গালুরুতে প্রেমিক তথা লিভ-ইন পার্টনারের হাতে খুন হন আরেক যুবতী। ২০২১ সালে বেঙ্গালুরুতে একটি অ্যাড-টেক কোম্পানিতে চাকরি পেয়েছিলেন দিল্লির ওই যুবতী। তারপর ২০২৪ সালের ২২ সেপ্টেম্বর মহালক্ষ্মীর দেহ মেলে। ফ্রিজে রাখা কাটা কাটা দেহ। বেঙ্গালুরুতে প্রেম এবং বিশ্বাসঘাতকতার সঙ্গে সম্পর্কিত খুনের ঘটনা এত বাড়ল কেন?

গত কয়েক দশক ধরেই ভারতের সিলিকন ভ্যালি বেঙ্গালুরু কমবয়সি চকুরিজীবী মহিলাদের জন্য সবচেয়ে নিরাপদ শহরের মধ্যে একটি ছিল। বিশ্বব্যাপী এক সমীক্ষায় দেখা গেছে বসবাসের জন্য সেরা ভারতীয় শহর হিসাবে তালিকায় স্থান পেয়েছিল বেঙ্গালুরু, ২০১১ সালের কথা। এখন, প্রশাসন পুলিশ নিরাপত্তা নিয়েই চিন্তিত। গত তিন বছরে বেঙ্গালুরুর এই নিরাপত্তার খ্যাতি চরম ধাক্কা খেয়েছে। এই শহরে প্রাণবন্ত যুব সম্প্রদায়ের বাস। পরিযায়ী চাকুরিজীবীদের জনসংখ্যার যত বাড়ছে, শহরের চরিত্র বদলে যাচ্ছে। লিভ-ইন বাড়ছে, বাড়ছে অপরাধও।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
ফ্ল্যাটের ফ্রিজে তরুণীর টুকরো টুকরো দেহ! শ্রদ্ধাকাণ্ডের ছায়া বেঙ্গালুরুতেও?

Bengaluru Murder: বেঙ্গালুরুর ভিয়ালিকাভাল এলাকার ওই ফ্ল্যাটে একাই থাকতেন মহালক্ষ্মী নামে ২৯ বছরের ওই তরুণী। সূত্রের খবর, মল্লেশ্বরামের একটি পোশাকের দোকানে কাজ করতেন।

বেঙ্গালুরু ক্রাইম ব্রাঞ্চের তথ্য অনুসারে, এই বছরের প্রথম আট মাসেই, কর্ণাটকে ৭০২টি খুনের ঘটনা ঘটেছে। যাদের মধ্যে ২৩ জনকে তাদের প্রেমিক বা লিভ-ইন পার্টনাররা হত্যা করেছে। ক্রাইম ব্রাঞ্চ আরও জানাচ্ছে, ২০২৩ সালে, রাজ্যে প্রেমিকদের হাতে খুনের ৪১টি ঘটনা ঘটেছিল। ২০২২ সালে এমন ঘটনা ছিল ২০টি। গোঁড়া রাজনীতিবিদরা হামেশাই বলে থাকেন, এসব ঘটনার জন্য মহিলাদের উচ্ছৃঙ্খলতা, ‘ওয়েস্টার্ন কালচার', মেয়েদের চাকরি করাই দায়ী।

এমন ঘটনার সাম্প্রতিকতম শিকার মহালক্ষ্মী। সেপ্টেম্বরে তাঁর এক প্রতিবেশী ফ্ল্যাট থেকে দুর্গন্ধ পেয়ে পুলিশে জানান। পুলিশ এসে দেখে যুবতীর টুকরো টুকরো দেহ ফ্রিজে রাখা। তাঁর প্রেমিক ওড়িশায় নিজের গ্রামে পালিয়ে যায়, যেখানে সে আত্মহত্যা করে মারাও যায়।

২০২৩ সালে যে যুবতীর মৃত্যু ঘটে তাঁর আর মহালক্ষ্মীর ঘটনার মধ্যে মিল হচ্ছে, দুই মহিলাই আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী এবং ৩০-এর মধ্যে বয়স। আর তারা বেঙ্গালুরুর বাসিন্দা নন। এরা দু'জনেই তাঁদের সম্পর্ককে এগিয়ে নিতে চাননি। ওই একই বছরে প্রেসার কুকার দিয়ে পিটিয়ে হত্যা করা হয় এক মহিলাকে; অন্য আরেকজনকে কলেজ ক্যাম্পাসে ছুরি মেরে হত্যা করা হয়। এই অপরাধগুলিতে মিশে আছে প্রতিশোধ, প্রত্যাখ্যান এবং হতাশা।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
যৌনাঙ্গে রড, দেহ ৩৫ টুকরো! অপরাধীকে নৃশংসতা শেখায় আসলে কারা?

India's Daughter: জ্যোতির যৌনাঙ্গ দিয়ে ভেতরে হাত ঢুকিয়ে দিয়েছিল তারা। "ভেতর থেকে কিছু লম্বা লম্বা জিনিস বেরোল। নাড়িভুঁড়িই হবে," যেমন করে মুরগি কাটা হলে বেরিয়ে আসে, যেন ততটাই স্বাভাবিক

কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের জেন্ডার এবং সেক্সুয়ালিটির সহকারী অধ্যাপক শ্যানন ফিলিপ বলছেন, “দিল্লিকে ভারতের ধর্ষণের রাজধানী বলা হয় কিন্তু মেয়েদের নিরাপত্তার ক্ষেত্রে দিল্লি এবং বেঙ্গালুরু তেমন আলাদা কিছু নয়। বেঙ্গালুরুর সামাজিক কাঠামোতেও মহিলাদের বিরুদ্ধে ভয়ঙ্কর অপরাধগুলি নিজের জায়গা তৈরি করে নিচ্ছে। এই অপরাধগুলি প্রেম বা আবেগ বিষয়ক নয়, টক্সিক ম্যাসকুলিনিটিই এর কারণ।"

ইন্দিরানগর এবং চার্চ স্ট্রিট সহ বেঙ্গালুরুর অন্যতম জনপ্রিয় পার্টি হাব কোরামঙ্গলার কয়েক কিলোমিটার দূরেই আছে পেয়িং গেস্ট থাকার জায়গা। ২৪ বছর বয়সি কৃতি কুমারীকে জুলাই মাসে খুন করা হয়েছিল এখানেই। “এই ঘটনার পর, আমি আমার ঘনিষ্ঠ মহিলা বন্ধুদের ছাড়া অন্য কাউকে বিশ্বাস করি না,” দু প্রিন্টকে বলেছেন "অন্ধ্রপ্রদেশের বিজয়ওয়াড়ার ২২ বছরের কলেজ ছাত্রী অভিরামি কুমারী। মিডিয়া স্টাডিজে স্নাতকোত্তর করার জন্য দুই বছর আগে বেঙ্গালুরুতে আসেন তিনি। কৃতিকে খুন করেছিল তাঁর ঘনিষ্ঠ বন্ধুর প্রাক্তন প্রেমিক! ওই প্রেমিকের অভিযোগ ছিল, তাদের সম্পর্কের তিক্ততার জন্য কৃতিই দায়ী।

এই মুহূর্তের প্রেম ও যৌনতা নানা ডেটিং অ্যাপ নির্ভরও হয়ে উঠছে। বিশেষ করে এই মহানগরগুলিতে। বাম্বলেই দেখা হয়েছিল ওয়াকার ও পুনাওয়ালার। ডেটিংয়ের ক্ষেত্রে বেশিরভাগ পুরুষই মহিলার বাড়ি আসতে চান, বিশেষ করে সেই মহিলা যদি একা থাকেন। পরিচিত প্রেমিক বা বন্ধু যেখানে খুন করতে পারে, সেখানে একজন অপরিচিত পুরুষকে বিশ্বাস কীভাবেই বা করা যায়! ফলস্বরূপ, অনেকেই লিভ-ইন পার্টনার বা বয়ফ্রেন্ডদের হাতে খুন হওয়ার ঘটনার পর থেকে সমস্ত ডেটিং অ্যাপ আনইনস্টল করেছেন৷

বৈষ্ণব আর পদ্মাদেবীর বন্ধুত্ব কলেজ থেকে। সেখান থেকে লিভ ইন। সেখান থেকে বিয়ের দিকে যাচ্ছিল সম্পর্ক। গত বছরের অগাস্টে প্রেশার কুকার দিয়ে পদ্মাদেবীকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগে বৈষ্ণবকে গ্রেফতার করা হয়। বৈষ্ণবের বাড়ি কোল্লাম, পদ্মাদেবীর তিরুবনন্তপুরমে। দুই বছর আগে তারা কাজের জন্য বেঙ্গালুরুতে আসেন এবং একসঙ্গে থাকতে শুরু করেন। তারপরেই কিছুকাল বাদে খুন। এই কমবয়সি প্রেমিক প্রেমিকারা রাগের কারণে এক সেকেন্ডের মধ্যে বড় কিছু ঘটিয়ে ফেলেন। ভুল বোঝাবুঝি থেকে ধরে নেন যে তাদের সঙ্গে প্রতারণা হচ্ছে। এই যুগলরা নিজেদের সঙ্গীকে খুব বেশিদিন না জেনেই লিভ-ইন সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ছেন। পুলিশরাও লিভ-ইন কাপলদের হত্যার মামলা নিয়ে আগে থেকেই যেন মাথায় একটি ধারণা করে নেন। পুরুষতান্ত্রিক মানসিকতা থেকেই মহিলার উপরই দোষ চাপিয়ে দেন, নীতি পুলিশি শুরু করে দেন। বহু রাজনীতিবিদদের পথে হেঁটেই তারাও বলতে থাকেন পশ্চিমি মূল্যবোধের কারণেই শিক্ষিত এবং চাকুরিজীবী মহিলারা বেশি 'স্বাধীনতা পেয়ে গেছেন'। সেই কারণেই ইউনিফর্ম সিভিল কোড (ইউসিসি) অ্যাক্ট বাস্তব হয়ে যাচ্ছে দেশে। উত্তরাখণ্ড দেখিয়েছে কীভাবে এই আইনে লিভ-ইন দম্পতিদের আরও আইনি বেড়াজালে বাঁধতে পারে।

কয়েক বছর আগে গোয়ার সাংবাদিক জেরার্ড ডি সুজা তাঁর বই ক্রাইমস অফ প্যাশন: হোয়েন ডিজায়ার টার্নস ডেডলি-র জন্য গবেষণা করতে গিয়ে দেখেন বেঙ্গালুরুতে এই জাতীয় অপরাধ নেই। মুম্বইয়ের নীরজ গ্রোভার-মারিয়া সুসাইরাজ কাণ্ড, দিল্লির প্রিয়দর্শিনী মাট্টু-সন্তোষ কুমার সিং কাণ্ড এবং গোয়ার স্যামসন ডি'সুজা-স্কারলেট কিলিং কেস তিনি তাঁর বইতে লেখেন। ১১টি প্যাশন কিলিং-এর ঘটনা চেয়েছিলেন তিনি যা গত ২০ বছরে এই দেশে ঘটেছে। আশ্চর্যের বিষয় হলো, তাঁর গবেষণাকালে, অর্থাৎ ২০২০-২১ সালে বেঙ্গালুরুতে এমন ঘটনা একটিও ঘটেনি। মহালক্ষ্মীর হত্যার পর বেঙ্গালুরু শহরে পুরুষ বন্ধু বা সহকর্মীকে বিশ্বাস করে একা থাকা মেয়েদের পরিবারগুলিও চিন্তায়। কেন এত অসহিষ্ণুতা, এত নির্ভীকভাবে খুন করে চলেছেন এমন মানুষরা যাদের হয়তো আগে থেকে অপরাধের কোনও ইতিহাসও নেই। নিরাপদ শহর বেঙ্গালুরু কি ক্রমেই মহিলাদের মৃত্যুপুরীই হয়ে উঠছে?

লিখেছেন
inscript
inscript
16 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

২০২৫ যে শব্দগুলির সঙ্গে পরিচয় করাল

Word of the year: গুগল ইন্ডিয়ার তথ্য অনুযায়ী, ভারতীয়রা ২০২৫ সালে যেসব শব্দের অর্থ সবচেয়ে বেশি খুঁজেছে, তা তাদের মানসিক অবস্থার প্রতিফলন। যেমন—সিজফায়ার অর্থাৎ যুদ্ধবিরতি, মক ড্রিল অর্থাৎ নিরাপত্তার জন্য মহড়া।

জ্যোতির্ময় দত্ত: লেখালেখির বাইরে এক খ্যাপাটে মানবতাবাদী

Jyotirmoy Dutta: বামপন্থার সমালোচক ছিলেন জ্যোতির্ময় দত্ত। তাঁর আদর্শ ছিল রবীন্দ্রনাথ ও মহাত্মা গান্ধীর মানবতা।

ঘৃণার রাজনীতি: এখন লক্ষ্য খ্রিস্টান?

Anti-Christian violence India: মিচেলের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালে দেশে খ্রিস্টান নিগ্রহের ঘটনা ঘটেছে ৮৩৪টি (গড়ে মাসে ৭০ টি)। ২০২৫ সালে নভেম্বর মাস পর্যন্ত নিগ্রহের ঘটনা ঘটেছে ৭০৬ টি।

এক বাঙালির জেদে জুড়ল দুই বাংলা: টেলিগ্রাফ ম্যান শিবচন্দ্র নন্দী

Seebchunder Nandy: ১৮৫১ সালে কলকাতা-ডায়মন্ড হারবার লাইনের প্রথম সংকেত প্রেরণের সময় শিব চন্দ্র নন্দী ডায়মন্ড হারবার থেকে বার্তা পাঠান, অন্য প্রান্তে ও'শাগনেসির সঙ্গে ছিলেন লর্ড ডালহৌসি।

অন্যের দুঃখে কেন আমাদের মিষ্টি হাসি? শ্যাডনফ্রয়ডার মনস্তত্ত্ব

Schadenfreude: বর্তমান যুগে এই অনুভূতি আগুনের মতো ছড়িয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ার হাত ধরে। আমরা এখন যাকে 'ট্রোলিং' বলি, তার মূলে রয়েছে এই শ্যাডনফ্রয়ডা।

দেশে দেশে নানাবেশে আছেন সে এক সান্তা ক্লজ

Santa Claus Across Cultures: ১৮৬৯ সালে প্রকাশিত রঙিন চিত্র সংকলনে জর্জ ওয়েবস্টার লিখেছিলেন, সান্তা ক্লজের বাড়ি "নর্থ পোলের নিকটে"।

বিপন্ন ভারতের প্রাচীন পর্বতমালা‍! যেভাবে ধ্বংসের মুখে আরাবল্লী

Aravalli Hills Under Threat: পরিবেশবিদদের মতে, আরাবল্লী কেটে ফেললে দিল্লির দূষণ পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ আকার নেবে।

শৈশবের ‘রিওয়্যারিং’: স্ক্রিনের নীল আলো গিলে খাচ্ছে ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে?

Screen Addiction Destroying the Mental Health: বাস্তব জগত থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে ডিজিটাল জগতে ডুবে থাকায় শিশুদের মানসিক কাঠামোর এক আমূল পরিবর্তন ঘটে যাচ্ছে।