আজও বাঘের চোখে চোখ রেখে জঙ্গলে পা ফেলেন সুন্দরবনের 'বাঘ বিধবা'-রা

একদিকে বাঘের উৎপাত, সরকারি উদ্যোগের অভাব, অন্যদিকে জনবসতির বিপুল চাপ- সব নিয়েই একা নিজেদের পরিবারের মুখে অন্ন জোগানোর লড়াই করে চলেছেন ‘বাঘ বিধবা'-রা।

Aritra Dasgupta
৪ মিনিট
আজও বাঘের চোখে চোখ রেখে জঙ্গলে পা ফেলেন সুন্দরবনের 'বাঘ বিধবা'-রা

বাঘের সঙ্গে যুদ্ধ করিয়া আমরা বাঁচিয়া আছি

-সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত

নদীর ধার ঘেঁষে একের পর এক জনপদ। কুলতলি, গোসাবা, সাতজেলিয়া, পাথরপ্রতিমা। এখানকার মানুষের জীবন-জীবিকা-উপার্জন বাঘের সঙ্গে যুদ্ধ করেই। বেশিরভাগ সময়েই বাঘ-মানুষের টানাটানিতে বাঘ জিতে যায়। ‘ভয়ংকর সুন্দর’ সুন্দরবনে এই নিয়তি মেনে নিয়েই দিন কাটাচ্ছেন শিখা মন্ডল, নমিতা মন্ডল এবং আরও অনেকে। সুন্দরবনের স্থানীয় মানুষের ভাষায় এরা ‘বাঘ বিধবা’। প্রান্তিক জীবনের এক নিরবচ্ছিন্ন লড়াইয়ের নাম বাঘ বিধবা। গত কয়েক বছরে বাঘের আক্রমণে সুন্দরবনে প্রাণ হারিয়েছেন বহু মানুষ। সেই সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বেড়েছে বাঘ বিধবাদের সংখ্যা। পরিবারের একমাত্র রোজগেরে পুরুষ বাঘের হাতে প্রাণ খোয়ানোয় সন্তান-সন্ততি নিয়ে বাঘ বিধবাদের বেশিরভাগই বুকফাটা হাহাকার নিয়ে কোনওরকমে দিন কাটাচ্ছেন।

২০১৫ সালের নভেম্বর মাস। নদীতে মাছ ধরতে গিয়েছিলেন গোসাবার শিখা মন্ডলের স্বামী অসিত মন্ডল। আর ফেরেননি। শিখার কথায়, ‘আরও দুজনের সঙ্গে বাগানবাড়ি জঙ্গলের গড়াল নদীতে কাঁকড়া ধরতে গিয়েছিলেন আমার স্বামী। ওখানেই ওকে বাঘে ধরে নিয়ে গেছে। আমার স্বামীই ছিলেন আমাদের পরিবারের একমাত্র রোজগেরে সদস্য’। স্বামী অসিত মন্ডলের মৃত্যুর পর দুই নাবালক পুত্র সন্তানকে নিয়ে বেঁচে থাকার লড়াই করছেন ‘বাঘ বিধবা’ শিখা মন্ডল। স্বামীর মৃত্যুর পর সরকারের কাছে ক্ষতিপূরণ দাবি করেছিলেন শিখা মন্ডল। কিন্তু আইনি জটিলতায় টাকা পাওয়া হয়ে ওঠেনি তার। বর্তমানে কাঁকড়া ও চিংড়ি ধরে সন্তানদের লেখাপড়া চালিয়ে যাচ্ছেন শিখা।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
শত সংঘাতের পরেও সুন্দরবন জানে, বাঘ না বাঁচলে বাঁচবে না সাধের জঙ্গল

একটি 'আমব্রেলা স্পিসিস' ( যে প্রাণীটি জঙ্গলকে ছাতার মতো আগলে রাখে, সুরক্ষা দেয়, স্থায়িত্ব দেয়) কেবলমাত্র জঙ্গল নয়, জনজীবন ও তাদের লৌকিক কথকতাকেও কীভাবে প্রভাবিত করে চলেছে যুগে যুগে কালে কালে।

এই একই ছবি সুন্দরবনের বেশিরভাগ অংশের। প্রায় ৪২০০ বর্গ কিমি জায়গাজুড়ে বিস্তৃত সুন্দরবন পৃথিবীর দীর্ঘতম এবং গভীরতম ম্যানগ্রোভ অরণ্য। সঙ্গে রয়েছে রয়্যাল বেঙ্গল টাইগার। সুন্দরবনে বর্তমানে ৯৬টি বাঘ রয়েছে। হিঙ্গলগঞ্জ, গোসাবা, কুলতলি, পাথরপ্রতিমা এবং বাসন্তী এলাকার মানুষের জীবনস-জীবিকার সঙ্গে জড়িয়ে আছে জঙ্গল। এই প্রত্যেকটি এলাকাই সুন্দরবনের মূল জঙ্গলের খুব কাছাকাছি। সুন্দরবনের প্রায় ১৭০০ বর্গ কিমি এলাকা জঙ্গলের কোর এরিয়া আর বাকি ৯০০ বর্গ কিমি হলো বাফার এরিয়া।

জঙ্গলের মূল অংশ বা কোর এরিয়ায় গ্রামবাসীদের প্রবেশ কঠোরভাবে নিষিদ্ধ। এমনকী, বাফার এরিয়ায় প্রবেশ করতে এলে নিতে হয় বন দফতরের লিখিত অনুমতি। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই গ্রামের মানুষ জীবিকার টানে জঙ্গলের মূল অংশে ঢুকে পড়ে। জঙ্গলের ওইসব অংশে বাঘের উপস্থিতি তুলনামূলক বেশি। ফলে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই বাঘের আক্রমণে প্রাণ হারান সুন্দরবনের বেশিরভাগ মৎস্যজীবী বা মধু সংগ্রহকারী। এখানেই তৈরি হয় আইনি জটিলতা। সরকারি নিয়ম অনুযায়ী যেসব মৎস্যজীবী বা মধু সংগ্রাহক জঙ্গলের কোর এরিয়ায় যাবেন, বাঘের আক্রমণে তাঁদের মৃত্যু হলে কোনও সরকারি ক্ষতিপূরণ মিলবে না। আবার বাফার এরিয়ায় যেসব মৎস্যজীবী যাবেন, তাদের ক্ষেত্রে থাকতে হবে বন দফতরের অনুমতি এবং বোটের ক্ষেত্রে থাকতে হবে সরকারি লাইসেন্স। সুন্দরবনের বেশিরভাগ মৎস্যজীবী বন দফতরের থেকে লিখিত অনুমতি নেয় না এবং তাদের বোটের লাইসেন্সও সঠিকভাবে দেখাতে পারে না। ফলে বাঘের আক্রমণে স্বামী প্রাণ হারালেও বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই ক্ষতিপূরণ জোটে না ‘বাঘ বিধবা'-দের।

শিখা মন্ডলের মতোই এক পরিস্থিতি বিজয়নগর গ্রামের নমিতা মন্ডলের। নমিতা মন্ডলের স্বামী অরুণ মন্ডল মাছ ধরতে গিয়েছিলেন নদীতে। সেখানেই বাঘের আক্রমণে মারা যান তিনি। বাঘের আক্রমণে স্বামীকে হারালেও জীবিকার জন্য জঙ্গল যাওয়া তখনই ছাড়তে পারেননি নমিতা। নিজের তিন মেয়ের মুখে ভাত জোটাতে কাঁকড়া ধরতে গভীর জঙ্গলে যেতেই হতো নমিতাকে। নমিতার কথায়, "আমার তিন মেয়েই খুব ছোট। জঙ্গলে যাওয়ার আগে সবসময়ই মাথায় বাঘের আক্রমণের চিন্তা থাকত। কিন্তু খাবার জোটাতে গেলে জঙ্গলে যাওয়া ছাড়া আমার কাছে আর কোনও উপায় ছিল না।" অবশেষে একদিন এক বেসরকারি এনজিও তাকে মাছের চারা কিনে স্থানীয় পুকুরে মাছ ধরা শেখায়। তার পর থেকে নমিতা মন্ডল মাছ ধরে এবং বিক্রি করেই সংসার চালান। কিন্তু স্বামীর মৃত্যুর পর আইনি জটিলতায় ক্ষতিপূরণ মেলেনি নমিতারও। নমিতার পাশেই থাকেন আরেক বাঘ বিধবা সুবলা মন্ডল। স্বামী মারা যাওয়ার পর তাকেও মাছ ধরতে, মধু আনতে গভীর জঙ্গলে যেতে হতো। কিন্তু এক স্বনির্ভর গোষ্ঠীর সহায়তায় বর্তমানে মৌমাছি প্রতিপালন করেন সুবলা। সুবলা বলেন, "স্বামী মারা যাওয়ার পর প্রথম প্রথম পেটের টানে আমাকে জঙ্গলে কাঁকড়া শিকার করতে যেতে হতো। কিন্তু তারপর মৌমাছি প্রতিপালনের কাজ শিখলাম। এখন এখান থেকেই মাসে ছয়-সাত হাজার টাকা রোজগার হয়। আমাকে আর এখন জঙ্গলে যেতে হয় না।"

বিজয়নগর গ্রামের বেশিরভাগ অংশজুড়েই জঙ্গল। এখানে প্রতি মুহূর্তেই বাঘের সঙ্গে লড়ে জীবনধারণ করতে হচ্ছে মানুষকে। যত জঙ্গলে বসতির চাপ বাড়ছে, মানুষ তত বেশি জঙ্গলে যাচ্ছে। সেই সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে 'বাঘ বিধবা'-র সংখ্যা। শেষ কয়েক বছরের পরিসংখ্যান বলছে, বর্তমানে সুন্দরবন অঞ্চলে বাঘ বিধবার সংখ্যা প্রায় ৩০০০ জন, অর্থাৎ প্রত্যেক বছর গড়ে ১০০ জন করে মহিলা বাঘের কারণে বৈধব্যের স্বীকার হচ্ছেন।

এই পরিস্থিতিতে সরকারি পুনর্বাসন প্রয়োজন। এই প্রসঙ্গে বাংলা ওয়েব প্ল্যাটফর্ম হইচই-এর একটি সিরিজ ‘সুন্দরবনের বিদ্যাসাগর'-এর চিত্রনাট্যকার অর্কদীপ নাথ বলেন, "আমি এই ওয়েব সিরিজের সূত্রে দীর্ঘদিন ধরে সুন্দরবনের বিভিন্ন অঞ্চলে গিয়েছি। কিন্তু বাঘ বিধবাদের পুনর্বাসনের ক্ষেত্রে সরকারের কোনও জোরালো উদ্যোগ চোখে পড়েনি। তবে কিছু বেসরকারি এনজিও নিজেদের উদ্যোগে এই মহিলাদের জন্য বেশ কিছু ভালো কাজের ব্যবস্থা করেছে। আবার সব এনজিও যে বিশ্বস্ত, এমনটাও নয়। তবে আগের থেকে অবস্থা বদলাচ্ছে।"

প্রত্যেক বছর কীভাবে এত মানুষ মরছে, বাঘের বিষয়ে সেখানে গ্রামবাসীদের সচেতনতার পাঠ কত দূর, এই বিষয়ে অর্কদীপ নাথ বলছেন, "সুন্দরবনে যেভাবে জনবসতি বাড়ছে, বাঘের জন্য বরাদ্দ জঙ্গল কমছে, তাতে ভবিষ্যতে এই আক্রমণ আরও বাড়বে। ট্যুরিজমের চাপে সুন্দরবনের নাভিশ্বাস উঠেছে। সরকার জঙ্গলে যাওয়ার জন্য নিষেধ করলেও বিকল্প রুটি-রুজির ব্যবস্থা না হলে মানুষ তো জঙ্গলে যাবেই‌।"

একদিকে বাঘের উৎপাত, সরকারি উদ্যোগের অভাব, অন্যদিকে জনবসতির বিপুল চাপ- সব নিয়েই একা নিজেদের পরিবারের মুখে অন্ন জোগানোর লড়াই করে চলেছেন ‘বাঘ বিধবা'-রা।

লিখেছেন
Aritra Dasgupta
Aritra Dasgupta
1 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

সাত দিনের ব্যবধানে দুটো ঘূর্ণিঝড়: জলবায়ু পরিবর্তনের নতুন বাস্তবতা কি এটাই?

Climate change impact on cyclone: ২৮ অক্টোবরে অন্ধ্র উপকূলে আছড়ে পড়ে অতি তীব্র ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’, ঠিক সাত দিন পর ৩ নভেম্বরে ল্যান্ডফল করে ‘মুরাসু’। আবহাওয়াবিদদের ভাষায়, এই পিঠোপিঠি ঝড়ের ঘটনাকে বলা হয় ‘ক্লাইমেটোলজিক্যাল অ্যানোমালি'। বঙ্গোপসাগরের এই ‘ওভার-এনার্জাইজড’ অবস্থাই, এখন জলবায়ু পরিবর্তনের নতুন বাস্তবতা।

কোথায় আছড়ে পড়ল ঘূর্ণিঝড় মুরাসু, কতটা ক্ষয়ক্ষতি, বাংলায় কী প্রভাব?

Cyclone Murasu: ঘূর্ণিঝড় অর্ণবের প্রভাব কাটতে না কাটতেই বঙ্গোপসাগরে তৈরি হয় ঘূর্ণিঝড় মুরাসু। মঙ্গলবার ভোরে অন্ধ্রপ্রদেশের উপকূলে আছড়ে পড়ে শক্তিশালী এই ঘূর্ণিঝড়। নেল্লোর, প্রকাশম ও বাপটলা জেলায় গাছ উপড়ে পড়েছে, নিচু এলাকা জলমগ্ন হয়েছে। তামিলনাড়ু ও ওড়িশাতেও ভারী বৃষ্টি ও ঝোড়ো হাওয়ার সতর্কতা জারি হয়েছে। বাংলায় কতটা প্রভাব ফেলবে মুরাসু?

ভুটানে হড়পা বানের জেরে উত্তরবঙ্গে আতঙ্ক, কী পরিস্তিতি এখন?

Bhutan Flash Flood: ভুটানের শিনতাফু হ্রদ ভেঙে হড়পা বানে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে রাস্তা ও পর্যটনকেন্দ্রের পরিকাঠামো। বন্যার আশঙ্কায় আলিপুরদুয়ারের কুমারগ্রামে ১০ হাজারেরও বেশি মানুষকে নিরাপদ জায়গায় সরানোর উদ্যোগ নেয় প্রশাসন। শুক্রবার সকালে সংকোশ নদীর জলস্তর না বাড়ায় কিছুটা স্বস্তি ফেরে। পরিস্থিতি এখন কেমন?

মাত্র ১০০ বই থেকে ১০ হাজার! অসমের চা-বাগানের শিশুদের ভবিষ্যৎ গড়ছেন অনিন্দিতা

Assam Library Initiative: মাত্র ১০০টি বই নিয়ে ২০২০ সালে অসমের চা-বাগান এলাকার শিশুদের জন্য লাইব্রেরি শুরু করেছিলেন অনিন্দিতা গগৈ। আজ তিনটি লাইব্রেরিতে বইয়ের সংখ্যা প্রায় ১০ হাজার। পরিবারের ৪০ লক্ষ টাকারও বেশি বিনিয়োগে এগিয়ে চলেছে এই উদ্যোগ। কীভাবে শিশুদের পড়াশোনা ও সৃজনশীলতার সুযোগ তৈরি করছেন অনিন্দিতা?

Cyclone Arnab: কোথায় আছড়ে পড়ল অর্ণব, কতটা ক্ষয়ক্ষতি? বাংলায় কতটা প্রভাব?

Cyclone Arnab: অন্ধ্রপ্রদেশের উপকূলে আছড়ে পড়েছে ঘূর্ণিঝড় অর্ণব। ঘণ্টায় ১৫০ কিলোমিটার বেগে দমকা হাওয়া, ভারী বৃষ্টি ও জল জমার জেরে বিপর্যস্ত একাধিক এলাকা। ৮৪ হাজারেরও বেশি মানুষকে নিরাপদ আশ্রয়ে সরানো হয়েছে। বাংলার কোন কোন জেলায় ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস, আর কতটা প্রভাব পড়তে পারে ঘূর্ণিঝড়ের?

অ্যানথ্রোপিকের মতো এআই সংস্থাগুলি যেভাবে হয়ে দাঁড়াচ্ছে জলবায়ু সংকটের কারণ

The AI Carbon Bill: অ্যানথ্রোপিকের আইপিও ফাইলিংয়ে জলবায়ু পরিবর্তনকে বড় ব্যবসায়িক ঝুঁকি হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হলো। ডেটা সেন্টার ঠান্ডা করতে বিদ্যুৎ-জলের ব্যয় বাড়ছে। ২০২৫-এ ডেটা সেন্টারগুলিতে ঘণ্টা প্রতি বিদ্যুৎ ব্যবহার, ৪৪৮ টেরাওয়াটে পৌঁছবে।

লুলার জয়ের পরেও কেন স্বস্তিতে নেই 'পৃথিবীর ফুসফুস' আমাজন?

lula's amazon policy: প্রথম পর্বে পিছিয়ে থাকার পর, কুড়ি দিনে এক কোটিরও বেশি ভোট বাড়িয়ে লুলা দা সিলভা চতুর্থবার ব্রাজিলের রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হলেন। লুলার আমলে, আমাজনের জঙ্গল উজাড় হওয়া ৭১% কমেছে, তবু আইনসভায় ডানপন্থীদের শক্তিবৃদ্ধি হওয়ায়, আমাজনের সংকটজনক সীমার খুব কাছাকাছি পৌঁছে যাওয়ার আশঙ্কা রয়ে গেলই।

ঘূর্ণিঝড় অর্ণব : কোথায় রয়েছে, বাংলায় কতটা দুর্যোগের আশঙ্কা?

Cyclone Arnab: বঙ্গোপসাগরে শক্তি বাড়িয়ে অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হয়েছে অর্ণব। বুধবার অন্ধ্রপ্রদেশ উপকূলে আছড়ে পড়তে পারে এই ঝড়। সরাসরি বাংলায় আঘাত না হানলেও মঙ্গলবার থেকে দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় ভারী বৃষ্টি ও ঝোড়ো হাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। উত্তরবঙ্গেও বৃষ্টি হতে পারে। কোন কোন জেলায় দুর্যোগের আশঙ্কা সবচেয়ে বেশি?