যুদ্ধ কেড়েছে ঘর, সন্তানদের দূরে পাঠিয়ে গাজায় জেগে একা সাংবাদিক

Gaza-Israel Conflict: খাওলা আল-খলিদি, গাজার আরও অনেক সাংবাদিকের মতোই ঠাঁই নিয়েছে আল আকসা শহীদ হাসপাতালে। আপাতত ওই হাসপাতালই হয়ে উঠেছে তাঁদের অস্থায়ী ব্যুরো।

Sohini Das
৪ মিনিট
যুদ্ধ কেড়েছে ঘর, সন্তানদের দূরে পাঠিয়ে গাজায় জেগে একা সাংবাদিক

চাকরির প্রয়োজনে পরিবারের থেকে দূরে থাকতে বাধ্য হন অনেকেই। কিন্তু যুদ্ধক্ষেত্রে, যেখানে পরিবারের হাত ধরে দেশ ছাড়তে চাইছেন সবাই, সেখানে পরিবারকে ছেড়ে, প্রিয় সন্তান-স্বজনকে ছেড়ে শুধু কাজের জন্য গুলিবোমা বন্দুকের মুখে দাঁড়িয়ে থাকার লড়াইটা ঠিক কেমন? বিশেষত সেই যুদ্ধক্ষেত্রটা যদি হয় গাজা স্ট্রিপ হয়।

প্রায় চল্লিশ দিনেরও বেশি সময় ধরে গাজার উপর আগ্রাসন জারি রেখেছে ইজরায়েল। অন্তত এগারো হাজার নিরপরাধ ফিলিস্তিনির মৃত্যু হয়েছে ইতিমধ্যেই। তার মধ্যে অর্ধেকই শিশু। গত ৭ অক্টোবর অতর্কিতে গাজায় আক্রমণ করেছিল সশস্ত্র জঙ্গিগোষ্ঠী হামাস। তার পরেই গাজার বিরুদ্ধে যুদ্ধঘোষণা করে দেয় হামাস। তার পর থেকে শুধু রক্ত আর মৃত্যুস্রোত দেখছে গাজা। প্রতিমুহূর্তে হামলার মাত্রা বাড়িয়ে গিয়েছে ইজরায়েলি সেনা। বারবার নিশানা করে হয়েছে গাজার হাসপাতালগুলিকে। বাদ নেই শরণার্থী শিবিরগুলোও।

সারা শহর জুড়ে নেই বিদ্যুৎ সংযোগ। ইচ্ছা করে রকেট হামলা করে করে সমস্ত পৃথিবীর সঙ্গে গাজার সমস্ত যোগাযোগ নষ্ট করে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু তার মধ্যে থেকেই যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজার খবরাখবর বিশ্বের সামনে তুলে ধরতে কোনও কসুর বাকি রাখছেন না সেখানকার সাংবাদিকেরা। খাওলা আল-খলিদি, গাজার আরও অনেক সাংবাদিকের মতোই ঠাঁই নিয়েছে আল আকসা শহীদ হাসপাতালে। আপাতত ওই হাসপাতালই হয়ে উঠেছে তাঁদের অস্থায়ী ব্যুরো। কারণ একমাত্র ওই হাসপাতালেই বিদ্যুৎ সংযোগ রয়েছে। সচল রয়েছে ইন্টারনেট। ফোন-ল্যাপটপ চার্জ করা হোক বা খবর পাবলিশ,ভরসা ওই হাসপাতাল।

সাংবাদিকতাকে ভালোবেসেই এই পেশায় এসেছিলেন আলখলিদি। দেখতে দেখতে ১১ বছর হয়ে গেল এখানেই। প্যালেস্টাইন টিভি-র একটি সকালের শোয়ের উপস্থাপক হিসেবে কাজ করতেন তিনি। তবে যুদ্ধ লাগার পর কাজের ধরণ অনেকটাই পাল্টেছে। আরও অনেক দায়িত্ব এসে উঠেছে মাথায় বলা যায়। আপাতত প্যালেস্টাইন টিভি-র পাশাপাশি সৌদির মালিকাধীন আল হাদাত ও আল আরাবিয়া চ্যানেলের জন্যও কাজ করতে হচ্ছে তাঁকে।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
ওষুধ নেই, কেমোথেরাপি নেই! যেভাবে ধীরে ধীরে মৃত্যুর পথে এগোচ্ছেন গাজার ক্যান্সার আক্রান্তরা

Gaza Cancer Patients : লিউকেমিয়া রোগী সালেম খরেইস জানাচ্ছেন, কোন ওষুধ নেই, চিকিত্সা নেই। যন্ত্রণা কতটা ভয়াবহ তা বলে বোঝাতে পারার অবস্থাতেও নেই তিনি।

সংবাদমাধ্যমকে রোখার জন্য যুগে যুগে দিকে দিকে নানা ধরনের চেষ্টা হয়েছে। ব্যতিক্রমী নয় আল-খলিদির চ্যানেলও। কিন্তু নিজের জায়গা থেকে টলেননি খলিদি । কাজ বন্ধ করেননি তিনি। এরই মধ্যে গাজা উপত্যাকায় বিমান হামলার হুমকি দিল ইজরায়েলি বাহিনী। রাতারাতি প্যালেস্টাইন টিভি-র অফিস ছেড়ে উঠে যেতে হল গোটা টিমকে। তবে কাজ থামল না। প্রাথমিক ভাবে বাড়ি থেকেই কাজ চলছিল ফোনে ফোনে। ফোনে ফোনে মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ করা, ইন্টারভিউ নেওয়া। এমনই একদিন ফোনে যখন ইন্টারভিউ নিতে ব্যস্ত খলিদি, স্বামী বাহের তাঁকে হঠাৎ জানান, বাড়ি ছাড়তে হবে এখনই। ইজরায়েলি বাহিনীর পরবর্তী নিশানা হতে চলেছে তাঁদের এলাকাটাই।

হাতে মাত্র মিনিট কুড়ি সময়। তার মধ্যে জীবনের সমস্ত কিছু গুছিয়ে নিয়ে বাড়ি ছাড়া সহজ নয়। খলিদির মাথা ভালো করে কাজ করছিল না। তড়িঘড়ি ফোন নামিয়ে ঘরের মধ্যেই পাগলের মতো পায়চারি করতে থাকেন তিনি। স্বামী ও চার সন্তানকে নিয়ে যে বাড়িটিতে বাস করতেন খলিদিরা, সেই বাড়িটি দশ বছরের চেষ্টায় তিল তিল করে গড়ে তুলেছিলেন তাঁরা। একটা মাত্রা রকেট হামলায় তাসের ঘরের মতো ধুলোয় মিশে গিয়েছে সেই ঘর। তাঁর হাতে আঁকা ছবি, যা যত্ন করে ঘরের দেওয়ালে টাঙিয়ে দিয়েছিলেন বাহের, তা ছাই হয়ে গিয়েছে। ছাই হয়ে গিয়ছে সমস্ত স্বপ্ন। সেই ধ্বংসস্তূপের দিকে তাকিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েছিলেন খলিদি। তার পর অদ্ভুত রকম শান্ত হয়ে যান।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
সন্তানের মৃতদেহও আসবে যে কোনওদিন! রোজ ২০০ লাশকে কাফন পরাচ্ছেন গাজার এই বৃদ্ধ

Gaza Death toll : "আমি বাচ্চাদের টুকরো টুকরো অঙ্গগুলি একটি কাফনে যখন রাখি, হৃদয়-মস্তিষ্ক সব গুঁড়িয়ে যায়। এই বাচ্চাদের কী দোষ?” প্রশ্ন আল-মাঘরির।

প্রতিবার এভাবেই বাস্তুচ্যুত হয়ে যান গাজার মানুষ। যেমন হয়েছেন খলিদিরা। এইভাবেই একদিন ভয়ঙ্কর বোমার শব্দে ঘুম ভেঙে ওঠেন তাঁরা। তাকিয়ে দেখেন চারদিক যেন এক নিমেষে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। আল-খলিদির পরিবার সিদ্ধান্ত নেন গাজার কেন্দ্রে থারা আল মাগাজি শরণার্থী শিবিরে চলে যাওয়ার। তবে শরণার্থী শিবিরে পৌঁছেও বন্ধ হয়নি কাজ। নিজের দেশের প্রতি, নিজের পেশার প্রতি দায়বদ্ধতা থেকে সরে আসতে পারেননি খলিদির মতো অনেকেই।

একদিন কর্মসূত্রে রাফাহ সীমান্ত ক্রসিংয়ে যান খলিদি। ওই পথেই গাজা থেকে চিকিৎসার জন্য মিশরে নিয়ে যাওয়া হয় রোগীদের। সে সময় রেডিওতে তিনি জানতে পারেন, আল মাগাজিতে যে শরণার্থী শিবিরে তাঁরা থাকতেন, সেইখানেও হামলা চালিয়েছে ইজরায়েলি সেনা। পরিবারের লোকেদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও পারা যায়নি। ততক্ষণে সবচেয়ে খারাপটাই ভেবে নিয়েছেন খলিদি। ফিরে গিয়ে স্বামী-সন্তান বা ভাই আর কারওকে দেখতে পাবেন না ভেবেই গাড়ি ঘোরান। পৌঁছন আল আকসা শহীদ হাসপাতালে। কিন্তু হাসপাতালের দরজায় গিয়েই বাহেরের সঙ্গে দেখা হয় তাঁর। জানতে পারেন, মোটামুটি ভালোই আছে সকলে। শুধু ছেলে করমের মাথায় কয়েকটি সেলাই পড়েছে। এই ঘটনার পরেই খলিদিরা সিদ্ধান্ত নেন, আর গাজায় নয়। চার সন্তানকে রাফাহর দেইর এল বালাহতে তাদের ঠাকুমা-দাদুর কাছে পাঠিয়ে দেওয়াই স্রেয়।

সেই মতোই নিজের সন্তানদের নিজের কাছ থেকে দূরে পাঠিয়ে দিতে বাধ্য হলেন খলিদি। গত বারো দিন কাছে নেই সন্তানেরা। দিনে ৬-৭ বার ছেলেমেয়েদের সঙ্গে কথা বলেন। তারা সারা দিনের সমস্ত কিছু মাকে বলে। কী খেয়েছে, কী করেছে, সমস্ত কিছু। আপাতত তাদের একটাই অসুবিধা, স্নান করতে পারছে না তারা। খলিদি আর তাঁর স্বামী এখনও রয়ে গিয়েছেন গাজায়। প্রতিদিন সকালে উঠে আরও একটা দিনের আয়ুপ্রার্থনা করে হাসপাতালের উদ্দেশ্যে রওনা হন। ভোর আটটায় আল আরাবিয়া চ্যানেলের জন্য লাইভ হন খলিদি। বিকেল চারটে পর্যন্ত চলতে থাকে কাজ। অন্ধকার হওয়ার আগে হাসপাতাল চত্বর ছাড়ার নিয়ম। বাড়িতে এসেও কাজ চালিয়ে যেতে হয় খলিদিকে। গাজার নানা প্রান্তের মানুষদের খবরাখবর নেন, ইন্টারভিউ নেন।

খলিদির স্বামী বাহের পেশায় একজন আইনজীবী। যবে থেকে যুদ্ধ শুরু হয়েছে, লাটে উঠেছে আইনআদালত। ফলে কর্মহীন বাহের। খলিদি যেভাবে এই যুদ্ধপরিস্থিতিতে কাজ করে চলেছেন, তাতে পুরোমাত্রায় সমর্থন করে গিয়েছেন বাহের। প্রতিমুহূর্তে সাহস জুগিয়েছেন। সব সফল নারীর নেপথ্যেও যে একজন করে পুরুষ থাকেন, তা বারবার মনে করিয়ে দিয়েছেন খলিদি। কাজ আর সন্তানের মধ্যে গাজায় বসে কাজকেই বেছে নিয়েছেন খলিদি। এই যুদ্ধের পরিমণ্ডলে সাংবাদিক হওয়ার দায়িত্ব পালন করে চলেছেন লাগাতার। আদৌ কোনওদিন আর সন্তানদের দেখতে পাবেন কিনা জানেন না। কোনও একদিন ভোরে ইজরায়েলি রকেট যে ছিন্নবিচ্ছিন্ন করে দিয়ে যাবে না তাদের শরীর, এমন কোনও ভরসা নেই গাজায়। এর মধ্যেই তাঁদের জাগিয়ে রাখছে শুধু ছেলেমেয়েদের কণ্ঠস্বরটুকু। যুদ্ধের প্রহর পেরিয়ে কতক্ষণে পৌঁছবেন তাঁরা সন্তানদের কাছে।

লিখেছেন
Sohini Das
Sohini Das
0 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

আবের কাওয়াস: প্রথম ফিলিস্তিনি-আমেরিকান মুসলিম মহিলা নিউ ইয়র্কের সিনেটে

Aber Kawas: নিউ ইয়র্কের ১২ নম্বর সিনেট ডিস্ট্রিক্ট থেকে জয়ী হয়ে ইতিহাস গড়লেন আবের কাওয়াস। নিউ ইয়র্ক স্টেট আইনসভায় তিনি প্রথম ফিলিস্তিনি-আমেরিকান এবং প্রথম হিজাব পরিহিত মুসলিম মহিলা প্রতিনিধি।

প্রতিবেশীর ধর্ম দেখব না! গির্জায় হামলায় যা বলছে বাসন্তী

Basanti church: গির্জার সদস্য প্রদীপ মণ্ডল ইনস্ক্রিপ্টকে জানিয়েছেন, শনিবার সকাল সাড়ে ১০টা নাগাদ চার্চ অফ নর্থ ইন্ডিয়ার (CNI) বিশপ সুব্রত চক্রবর্তী পার্শ্ববর্তী এলাকার কয়েকটি গির্জার যাজকদের নিয়ে শান্তিপূর্ণ শোভাযাত্রা করে নারায়ণতলার নবনির্মিত গির্জায় পৌঁছন। তাঁদের স্বাগত জানাতে গির্জার ভিতরে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল। প্রার্থনা শুরুর ঠিক আগে ৩০-৩৫ জনের একটি দল জোর করে গির্জায় ঢুকে পড়ে বলে দাবি তাঁর।

পাঁচ খুনের 'বদলা'? এবার গুয়াহাটিতে এনকাউন্টার পুলিশের

Guwahati Encounter: গুয়াহাটিতে হোটেলে ঢুকে পাঁচ জনকে খুনের অভিযোগে ধৃত ঘনকান্ত গগৈ পুলিশের গুলিতে নিহত। পুলিশের দাবি, হেফাজত থেকে পালিয়ে সার্ভিস রিভলভার ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেছিল সে। একই সময়ে মধ্যপ্রদেশের দেওয়াস ও ভোপালে পৃথক এনকাউন্টারে তিন অভিযুক্ত গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। কয়েক দিন আগেই বাংলায় গাইঘাটা ও সামশেরগঞ্জে দুই অভিযুক্তের মৃত্যু হয়েছিল।

আমেরিকার প্রথম মুসলিম সেনেটর, ট্রাম্পের ইসলামবিদ্বেষী প্রচারকে হারিয়ে ইতিহাস গড়লেন আবদুল এল-সায়েদ

Abdul El-Sayed: নির্বাচনের আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং তাঁর দলের একাধিক নেতা এল-সায়েদের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে ইসলামবিদ্বেষী প্রচার চালিয়েছিলেন। তাঁর ধর্মীয় পরিচয়কে সামনে এনে তাঁকে আমেরিকার নিরাপত্তার পক্ষে বিপজ্জনক হিসেবে তুলে ধরার চেষ্টা হয়েছিল।

কেন মিডটার্ম নির্বাচনে ট্রাম্পের ভরাডুবি? এরপর কোন পথে ওয়াশিংটন?

US Midterm Elections 2026: মার্কিন মিডটার্ম নির্বাচনে রিপাবলিকানদের বড় ধাক্কা। কেন ট্রাম্পের ভরাডুবি? এরপর কোন পথে ওয়াশিংটন?

মিডটার্ম নির্বাচন: সংখ্যাগরিষ্ঠ আসন পেতে চলেছে ট্রাম্পের বিরোধী ডেমোক্র্যাটরা

US Midterm Elections 2026: ভোটের লড়াইয়ে ট্রাম্পের রিপাবলিকান পার্টিকে পিছনে ফেলে এগিয়ে যেতে শুরু করেছে বিরোধী ডেমোক্র্যাটরা।

রামলীলার পর কী? কী করবেন বিরোধীরা?

INDIA bloc Unity Under strain: ‘ভোট বাঁচাও, দেশ বাঁচাও’ স্লোগানে ১ নভেম্বর রামলীলা ময়দানে ২১ দল একজোট হলেও মঞ্চ শেষেই ভেতরের টানাপোড়েন স্পষ্ট। বাম নেতাদের বক্তৃতায় প্রাধান্য, ‘ফ্যাসিবাদ’ বিরোধী সুর। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘জাতীয় ভূমিকা’র সতর্কবার্তা। প্রিয়াঙ্কা, সুপ্রিয়া সুলে, সঞ্জয় রাউত বক্তৃতার সুযোগ না পাওয়ায় শরিক-অসন্তোষ।

ট্রাম্পের অভিবাসন নীতিতে বিপাকে ভারতীয়রা, মিডটার্ম নির্বাচনে কতটা প্রভাব পড়বে?

US Midterm Elections 2026: ২০২৬ সালের মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনে ভারতীয় বংশোদ্ভূত ভোটারদের ৬২% ডেমোক্র্যাটদের পক্ষে। ট্রাম্পের এইচ-১বি ভিসা কড়াকড়ি ও অর্থনৈতিক নীতির জেরে ক্ষোভ বাড়ছে বলে জানাল কার্নেগির সমীক্ষা।