পাহাড় ধ্বংস করে উন্নয়নের ছক ঠেলছে কোন বিপদের মুখে?

Shimla Development Plan 2041: হিমাচল প্রদেশ সরকারের অনুমোদিত সিমলা ড্রাফট ডেভেলপমেন্ট প্ল্যান ২০৪১-কে সম্পূর্ণভাবে বেআইনি বলে আখ্যা দিল গ্রিন ট্রাইব্যুনাল।

Satyaki Tat
৩ মিনিট
পাহাড় ধ্বংস করে উন্নয়নের ছক ঠেলছে কোন বিপদের মুখে?

বাতিল হয়ে গেল সিমলা ড্রাফট ডেভেলপমেন্ট প্ল্যান। ন্যাশনাল গ্রিন ট্রাইব্যুনাল ঘোষণা করল এই সিদ্ধান্ত। হিমাচল প্রদেশ সরকারের অনুমোদিত সিমলা ড্রাফট ডেভেলপমেন্ট প্ল্যান ২০৪১-কে সম্পূর্ণভাবে বেআইনি বলে আখ্যা দিল গ্রিন ট্রাইব্যুনাল। সেই সঙ্গে জানাল, সিমলায় যত্রতত্র বেআইনি নির্মাণের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে বলার পূর্ববর্তী নির্দেশও হিমাচল প্রদেশের সরকার মানার প্রয়োজন মনে করেনি। স্বাভাবিকভাবেই ভোটের আগে চরম বিপাকে রাজ্যের শাসক দল।অভিযোগ, বিজেপি সরকারের পরিকল্পনা ছিল বেআইনি নির্মাণগুলিকে মান্যতা দিয়ে ব্যালট বাক্সে তার ফায়দা তোলা। কিন্তু দেশে এখনও পরিবেশকে রক্ষা করতে কিছু মানুষ, কিছু সংগঠন এবং কিছু সাংবিধানিক কর্তৃপক্ষ সচেষ্ট।

বিচারক আদর্শ গোয়েল তাঁর কুড়ি পাতার রায়ে জানিয়েছেন, হিমাচল প্রদেশ সরকারের এই পরিকল্পনা ট্রাইব্যুনালের ২০১৭ রায়ের বিরুদ্ধাচরণ করা। সরকার তাদের রায়কে অমান্য করার ধৃষ্টতা দেখিয়েছে। তিনি প্রশ্ন তুলেছেন, ঠিক কীসের ভিত্তিতে হিমাচল প্রদেশের মন্ত্রিসভা এমন এক প্রকল্পের অনুমোদন দিল?

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
১৯০ কোটি বছর ধরে মহাকাশের পথ পেরিয়ে পৃথিবীতে কোন বার্তা এসে পৌঁছল?

NASA GRB Signal: ১৯০ কোটি আলোকবর্ষ দূরে স্যাগিত্তা নক্ষত্রপুঞ্জ থেকে এই সিগন্যালের উৎপত্তি হয়েছে।

এই সরকারের পাহাড়ের প্রাকৃতিক সম্পদ ধ্বংস করে নির্মাণ কাজ করা, পরিকাঠামো তৈরি করার প্রবণতা নিয়ে পরিবেশবিদ এবং আন্দোলনকারীরা বিশেষভাবে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়ছেন। গত এক দশকে বহুবার দেখা গিয়েছে, কীভাবে ধস নেমে, হড়পা বান এসে সবকিছু তছনছ করে দিয়েছে। সামান্য বৃষ্টিতেই পাহাড়জুড়ে এখন ধস নামছে। তার পিছনে কারণ খুব স্পষ্ট। যত্রতত্র আইন না মেনে নির্মাণকাজ করতে করতে এবং নির্বিচারে গাছ কেটে পাহাড়ের মাটি আলগা করে দেওয়া হয়েছে। সেই সঙ্গে অতিমারীর পর একটি নতুন প্রবণতার জন্ম নিয়েছে। পর্যটন কেন্দ্র থেকে কাজ করার- Work From Destination। হ্যাঁ, এখন আর পর্যটন শিল্পের সঙ্গে যুক্ত ব্যবসায়ীরা শুধুমাত্র পর্যটকদের কথা ভেবে বিনিয়োগ করছেন না। তাঁরা পাখির চোখ করছেন এক থেকে দুই মাস, বা তার থেকেও বেশি সময়ের জন্যে থাকতে আসা কর্পোরেট চাকুরিজীবীদের। সেই কারণে পাহাড়ে, বিশেষ করে উত্তর ভারতের হিমালয়ান বেল্টে এখন কংক্রিটের জঙ্গল আরও বেশি করে গজিয়ে উঠছে। মুনাফা এবং ক্ষমতা ধরে রাখার লোভে শাসক দলও তাতে যথেষ্ট পরিমাণে মদত দিচ্ছে। এমনিতেও এই রাজনৈতিক দলের পরিবেশ সচেতনতার বা পরিবেশ রক্ষার্থে কোনও কাজ করার বিশেষ উদাহরণ নেই। সুতরাং, তাদের বিশেষ অসুবিধাও হচ্ছে না। বরং তাদের মাথা ব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে পরিবেশ আন্দোলনকারীরা এবং গ্রিন ট্রাইবুনালের মতো প্রতিষ্ঠান গুলি, কারণ সরকারের যে কাজ করার কথা, তা তারা করছে এবং চোখে আঙুল দিয়ে সরকারের ভূমিকা দেখিয়ে দিচ্ছে। বেআব্রু করে দিচ্ছে তাদের জনতার সামনে।

যেমন এই সিমলা ডেভেলপমেন্ট প্ল্যানের কথাই ধরা যাক। এই প্ল্যান অনুযায়ী নির্মাণ কাজ হওয়ার কথা ছিল সিমলার একদম কোর অঞ্চলে। এখানেই শেষ নয়, ১৭টি সংরক্ষিত গ্রিন বেল্টেও নির্মাণ করার পরিকল্পনা ছিল রাজ্য সরকারের। যে স্থানগুলিতে নির্মাণ কার্য নিষিদ্ধ হয়ে গিয়েছিল ২০০০ সালে। সিমলা শহরকে এখনও সম্প্রসারণ করা হচ্ছে ১৯৭৯ সালের Interim Development Plan অনুসারে। রাজ্য সরকারের দাবি অনুযায়ী, ২০৪১ সাল নাগাদ এই শহরের জনসংখ্যা গিয়ে দাঁড়াবে প্রায় সাড়ে ছয় লক্ষে। সেই কারণেই তারা এই প্রকল্প নিয়ে এগোচ্ছিল। কিন্তু গ্রিন বেঞ্চে তাদের এই যুক্তি ধোপে টেকেনি। মামলাকারী যোগেন্দ্রমোহন সেনগুপ্তর পক্ষেই রায় গিয়েছে।

কিন্তু এইভাবে কতদিন পরিবেশ আদালতকে ঢাল হয়ে দাঁড়াতে হবে? কেন সরকারের প্রতিনিধিরা, জনপ্রতিনিধিরা পরিবেশ রক্ষার গুরুত্ব বুঝবেন না? বারবার পাহাড়ে প্রাকৃতিক বিপর্যয় হয়, প্রচুর মানুষ প্রাণ হারান, ক্ষয়ক্ষতি হয় কোটি কোটি টাকার। প্রত্যেকবারই বিশেষজ্ঞরা কারণ হিসেবে মানুষের কার্যকলাপ, যত্রতত্র নির্মাণকেই দায়ী করেন। তা সত্ত্বেও তাদের টনক নড়ার কোনও চিহ্ন নেই। ঠিক কোন মূল্যে এই পরিস্থিতির পরিবর্তন হয়, সেটাই দেখার। সেই দিন পর্যন্ত অপেক্ষা করারও সময় হয়তো আমাদের হাতে নেই। উত্তরাখণ্ডে বছর বছর দাবানলের নামে আগুন লেগে যাওয়া হোক, বা মধ্যপ্রদেশের পান্নার জঙ্গল আমেরিকার মাইনিং প্রকল্পের হাতে তুলে দেওয়ার পরিকল্পনা করা, সরকারি বিভিন্ন পরিকল্পনার সঙ্গে পরিবেশের স্বার্থের সংঘাত এই নতুন নয়। নয়া পরিবেশ বিল, যা গত বছর পাশ হয়ে আইনে রূপান্তরিত, সেখানে সরাসরি বড় শিল্পকে পরিবেশ ধ্বংসের ছাড় দেওয়া হচ্ছে। এর মাশুল গুনতে হবে, একথা কি বুঝছে না সরকার?

লিখেছেন
Satyaki Tat
Satyaki Tat
0 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

জলবায়ু বদলেছে, নদীর প্রবাহ বদলেছে: ৩০ বছরের পুরনো ভারত-বাংলাদেশ গঙ্গা জলবণ্টন চুক্তিতে কোন কোন পরিবর্তন দরকার?

A Flawed Pact of Farakka: ডিসেম্বরে শেষ হচ্ছে ১৯৯৬ সালের গঙ্গা জলবণ্টন চুক্তির ৩০ বছরের মেয়াদ। বাংলাদেশের নদী বিশেষজ্ঞ মনজুর এ চৌধুরীর মতে, চুক্তিটি 'ত্রুটিপূর্ণ', এতে নেই গ্যারান্টি ক্লজ, নেই পরিবেশগত প্রবাহের হিসাব, নেই জলবায়ু পরিবর্তনের বিধান। তাঁর প্রস্তাব, তিন বছরের নতুন অন্তর্বর্তী চুক্তি হোক, তারপর নেপালকে যুক্ত করে তৈরি করা হোক ত্রিপাক্ষিক কাঠামো।

থালায় খাবার, নাকি বিষ? খাদ্যব্যবস্থার ভিতরে যেভাবে ঢুকছে কীটনাশক ও কর্পোরেট নিয়ন্ত্রণ

Poison on the Plate: বায়ার-মনসান্টো ও সিনজেনটার মতো 'বিগ সিক্স' কর্পোরেটের নিয়ন্ত্রণে চলে গিয়েছে বিশ্বের বীজ বাজার। ২০২৩ সালে ভারতে ১০,৭৮৬ জন খাদ্য উৎপাদক কৃষক ও কৃষিশ্রমিকের আত্মহত্যার ঘটনা ঘটেছে। ২৮ শতাংশ খাদ্য নমুনায় কীটনাশকের অবশিষ্টাংশ পাওয়া যাচ্ছে। কৃষিকাজে ব্যবহৃত গ্লাইফোসেটকে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ক্ষতিকারক ‘সম্ভাব্য কার্সিনোজেন’ হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে, তবুও এর ব্যবহার থামেনি। অন্যদিকে, প্রচারের অন্তরালে সিকিম আমাদের দেশের প্রথম শতভাগ জৈব কৃষির রাজ্য হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে। সারা বিশ্বজুড়ে কৃষিবিদ বন্দনা শিবার ‘পয়জন-ফ্রি ফুড অ্যান্ড ফার্মিং ২০৩০’ অভিযানের ডাক আমাদের খাবারের থালাকে বিষমুক্ত করার আহ্বান জানাচ্ছে।

তেলের বদলে বিদ্যুৎ! আরব সাগরের তলায় ভারত-সৌদির ৯ বিলিয়ন ডলারের মহাপ্রকল্প

India Saudi Arabia submarine power link: আরব সাগরের তলদেশ দিয়ে ভারত ও সৌদি আরবের মধ্যে প্রস্তাবিত ২১০০ কিলোমিটার দীর্ঘ সাবমেরিন বিদ্যুৎ সংযোগের একটি প্রকল্প প্রস্তাব করা হচ্ছে, যার ক্ষমতা থাকবে ৩ গিগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের। প্রযুক্তি হিসাবে ব্যবহৃত হবে HVDC, এর ফলে প্রকল্পের ব্যয় বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯ বিলিয়ন ডলার। আজ, ৫ অক্টোবর, দুই দেশের উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে আলোচনা হবে প্রকল্পটির ব্যয় কমানো, অর্থায়ন মডেল ও ঝুঁকি ভাগাভাগি নিয়ে। অনেক বিশেষজ্ঞের মতে, ভারতের ওয়ান সান ওয়ান ওয়ার্ল্ড ওয়ান গ্রিড প্রকল্প ও জি-২০ তে প্রস্তাবিত ইন্ডিয়া-মিডল ইস্ট-ইউরোপ ইকোনমিক করিডোরের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ এই প্রকল্পটিকে চিনের বেল্ট এন্ড রোড ইনিশিয়েটিভের বিকল্প হিসেবে দেখা যেতে পারে।

কয়লার দেশ হয়েও কেন বিদ্যুৎ সংকটে ভারত?

India's energy crisis 2026: হরমুজ প্রণালী অবরুদ্ধ হওয়ায়, ভারতের ৮০ শতাংশের বেশি জ্বালানি আমদানি ধাক্কা খেয়েছে। বিদেশমন্ত্রী জয়শঙ্কর এক সময় জ্বালানিক্ষেত্রে ‘ঘাটতি নেই’ বললেও সেপ্টেম্বরে স্বীকার করলেন, জ্বালানির পরিস্থিতি বর্তমানে ‘টানটান’। ৭৬টি তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র সংকটজনক ভাবে মজুত করা কয়লায় চলছে। চলছে এলপিজির কালোবাজারি। ডিসকমগুলির বকেয়া জমে রয়েছে প্রায়, ৩,৩৩০ কোটি টাকা।

প্রকৃতির কোলে পিকনিক, শেষে প্লাস্টিকের পাহাড়: মানুষ কি সত্যিই প্রকৃতিকে ভালোবাসে?

Environmental Pollution: প্রশাসনের তরফে অতিরিক্ত দূষণ ছড়ানো কলকারখানা সিল করে দেওয়ার মতো প্রশাসনিক পদক্ষেপ হয়তো নেওয়া হচ্ছে। কিন্তু এতেই কি সমস্যার সমাধান মিলবে? কারণ জনসংখ্যা বৃদ্ধির সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে ব্যক্তিগত যানবাহনের দাপট এবং বৈদ্যুতিন বর্জ্য। শ্রমবিমুখ হয়ে সবকিছু প্রস্তুত পাওয়ার মানসিকতা এবং দেশে সংস্কারের লড়াই না করে সহজে অন্য দেশে পাড়ি দেওয়ার প্রবণতাও স্পষ্ট। এই দায় এড়িয়ে কি সার্বিক সমাধান সম্ভব?

বিশাখাপত্তনমে গুগলের ডেটা সেন্টার: ডিজিটাল উন্নয়নের দাম দেবে জল ও পরিবেশ?

Digital Thirst of vizag ai data centres: গুগল-আদানি-এয়ারটেলের যৌথ উদ্যোগে বিশাখাপত্তনমে গড়ে উঠছে ১ গিগাওয়াটের এআই ডেটা সেন্টার, বিনিয়োগ ১.২৫ লক্ষ কোটি টাকা। কিন্তু শহরের জলসংকট, কাম্বালাকোন্ডা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যের নৈকট্য আর পরিবেশবাদীদের বিক্ষোভ এই প্রকল্পকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে। 'স্টপ বিশাগ ডেটা সেন্টারস'-এর ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট পর্যন্ত নিষিদ্ধ করেছে ভারত সরকার।

সিভিল সার্ভিস ছেড়ে বাঘের টানে রণথম্ভোরে, ৩৫ একর জমিতে তৈরি করলেন বন

Ranthambore tiger conservation: তাঁরা কেবল চেয়েছিলেন সংরক্ষিত বনের বাইরে বাঘেদের জন্য একটি নিরাপদ আশ্রয় গড়ে তুলতে। তারপর কুড়ি বছর পর্যটন লজ থেকে যেটুকু আয় হতো, তার প্রায় সবটাই তাঁরা সঞ্চয় করতেন ভাদলাভে কৃষকদের কাছ থেকে এক এক করে জমি কেনার জন্য। প্রায় দুই দশক ধরে একটু একটু করে ৩৫ একরেরও বেশি জমি তাঁরা কিনে নেন, যার মোট খরচ ছিল সে সময়ের হিসাবে এক কোটি টাকারও বেশি।

জলবায়ু বদল শুধু প্রকৃতির বিপদ নয়, ভারতের অর্থনীতির ভিতও নড়বড়ে করে দিচ্ছে

climate change and economy: ১৯৯০ থেকে ২০১৮ সালের মধ্যে ২১টি উন্নয়নশীল দেশের অর্থনীতি খতিয়ে দেখে একটি সমীক্ষায় উঠে এসেছে এক চমকে দেওয়ার মতো তথ্য। দেখা যাচ্ছে, বার্ষিক গড় তাপমাত্রা যদি মাত্র ১ ডিগ্রি সেলসিয়াসও বাড়ে, তবে দীর্ঘমেয়াদে সামগ্রিক উৎপাদন দক্ষতা কমে যায় প্রায় ৩.২২ শতাংশ।