যৌনমিলনের জন্য লাল-নীল হয় কচ্ছপের মাথা! কেমন আছে চম্বলের বিলুপ্তপ্রায় প্রাণীরা?

বটাগুর কচ্ছপ পাওয়া যায় ভারত, বাংলাদেশ এবং নেপালের কিছু কিছু অঞ্চলে। চম্বল তাদের মধ্যে অন্যতম।

Sindhu Som
৪ মিনিট
যৌনমিলনের জন্য লাল-নীল হয় কচ্ছপের মাথা! কেমন আছে চম্বলের বিলুপ্তপ্রায় প্রাণীরা?

চম্বল বলতেই ফুলন দেবী, মান সিং, নির্ভয় সিং গুজ্জর, পান সিং তোমার, জগজীবন পরিহার– এঁদের নাম মনে আসে। ডাকাতদের সঙ্গে চম্বলের নাম ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে। মান সিংয়ের নামে খেরা রাঠোরে রয়েছে একটি মন্দিরও। কিন্তু আপনি কি জানেন, এছাড়াও একটি বিশেষ কারণে চম্বল বিশ্ববিখ্যাত? চম্বল নদীর উপত্যকা আধা-শুষ্ক প্রকৃতির। সেমি অ্যারিড অর্থে শুষ্ক, কিন্তু তুলনামূলকভাবে আর চার-পাঁচটা জায়গার থেকে বেশি বৃষ্টিপাত হয়। এই আদর্শ আবহাওয়ার জন্য নদী-তীরবর্তী গিরিখাত, উঁচু-নিচু জমি, বালির মধ্যে পাওয়া যায় অধুনা প্রায়-অবলুপ্ত বটাগুর কছুগা। সাধারণত এটি রেড ক্রাউনড রুফড কচ্ছপ নামেই বেশি পরিচিত। এই প্রজাতির পুরুষদের মধ্যে ডাইমর্ফিজম দেখা যায়। অর্থাৎ, পুরুষ কচ্ছপদের মাথায় লাল, নীল ও হলুদ রঙ দেখা যায়। বিশেষত যৌনমিলনের সময় স্ত্রী কচ্ছপকে আকৃষ্ট করতে পুরুষেরা এই রং ধারণ করে। তবে এই প্রজাতি প্রায়-অবলুপ্ত। ৫০০টিরও কম স্ত্রী কচ্ছপ বেঁচে রয়েছে এই অঞ্চলে।

চম্বল নদীর ৪২৫ কিলোমিটার দীর্ঘ উপত্যকাজুড়ে ন্যাশনাল চম্বল স্যাংচুয়ারি তৈরি হয় ১৯৭৯ সালে। এই অঞ্চলেই মিষ্টি জলের বাসিন্দা বড় বড় বটাগুর কচ্ছপ পাওয়া যায়। চম্বলের গতি মধ্যম। স্রোত খুব বেশি নেই। এই জলে মোট আট ধরনের কচ্ছপ রয়েছে। তাদের মধ্যে দু'টি বটাগুর প্রজাতির। ভারতের টার্টল সার্ভিল্যান্স অ্যালায়েন্স সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত শৈলেন্দ্র সিং জানান, তাঁর মতে এই নদী এবং পারিপার্শ্বিক বন্যপ্রাণ সংরক্ষণ কেন্দ্রের মতো বসতি সম্ভবত এই প্রজাতির কচ্ছপদের আর কোথাওই নেই তেমন। বটাগুরের অপর যে জাতটি এই অঞ্চলে পাওয়া যায়, তার নাম বটাগুর ঢোঙ্গোকা। এটি থ্রি স্ট্রাইপড রুফ টার্টল নামেই বেশি পরিচিত।

চম্বলের এই অঞ্চলে কচ্ছপ সংরক্ষণের কাজ শুরু হয় ২০০৬ নাগাদ। টিএসএ-র অধীনে কাজ শুরুর পর পরই দেখা গিয়েছিল দশটি প্রজাতির মিষ্টি জলের কচ্ছপ অধুনা-বিপন্ন। এদের এক্ষুনি দেখভাল শুরু করা প্রয়োজন। তার মধ্যে তিনটি অতি-বিপন্ন লুপ্তপ্রায় প্রজাতিই চম্বলে পাওয়া যায়। গত ষোলো বছরে কচ্ছপদের আটটি বড় আকারের বসতি খুঁজে পাওয়া গিয়েছে নদীর দু'ধারে। সেখানে প্রায় ৫০০০-এরও বেশি বটাগুরের বাসা সংরক্ষণ করেন টিএসএ-র লোকজন। যেসব বাসার অবস্থা ভালো না, সেখান থেকে ডিম নিয়ে গিয়ে রাখা হয় হ্যাচারিতে, ডিম ফুটে বাচ্চা বেরোলেও কিছুদিন তাদের তত্ত্বাবধানে রাখা হয়। বাচ্চা একটু বড় হলে, তাদের গায়ে ট্রান্সমিটার লাগিয়ে ফের জলে ছেড়ে দেওয়া হয়, যাতে কচ্ছপের গতিবিধির ওপরে নজর রাখা যায়। সিং-এর বয়ানে, “২০১৩ সালে এই ট্রান্সমিটারেই দেখা গিয়েছিল ছেড়ে দেওয়ার পরে এই কচ্ছপেরা পাড়ি দেয় প্রায় ২০০ কিমির বেশি পথ। বোঝাই যাচ্ছে উত্তরপ্রদেশ, রাজস্থান এবং মধ্যপ্রদেশের মধ্যে বোঝাপড়া আরও ভালো হওয়া দরকার। চম্বল নদী তো আর রাজ্যের সীমানা মেনে চলে না!”

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
প্রলয় আসছে, দায়ী আপনি, রাষ্ট্রনেতার চোখে চোখ রেখে বলে যান গ্রেটা

স্টকহোমের চেয়ে অনেক বেশি দূষিত শহর আমাদের দেশে অন্তত কয়েক ডজন আছে। বল্টিক সমুদ্রের চেয়ে বঙ্গোপসাগর বা আরব সাগরের দূষণ নিশ্চয়ই কম নয়। এ দেশে বায়ুদূষণে অফিস, স্কুল ছুটি দিতে হয়, ক্রিকেটাররা মুখোশ পরে মাঠে নামে। এ দেশের ছেলেমেয়েরাও টিভি চ্যানেলে ক্রমশ আরও উষ্ণ-হয়ে-ওঠা এই গ্রহটার পরিবেশের নানা বিপর্যয় সংক্রান্ত ছবি দেখে। কিন্তু দিল্লি, কানপুর বা কলকাতার কোনও ১৫ বছরের মেয়েকে স্কুল স্ট্রাইক করে প্ল্যাকার্ড হাতে দিনের পর দিন পার্লামেন্ট বা বিধানসভার সামনে বসে থাকতে দেখব, এ এক প্রকার অবাস্তব ভাবনা-চিন্তা।

সাম্প্রতিককালে টিএসএ নজর রাখার জন্য একটি বিশেষ যন্ত্র আমদানি করেছে। একটি অ্যাপের মাধ্যমেই এখন নির্ণয় করা সম্ভব, কোন অঞ্চল কচ্ছপদের বাসের জন্য উপযুক্ত নয়। সেখান থেকে অন্য জায়গায় সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে কচ্ছপদের। এতেই পেশ করা যাবে বনবিভাগ ও টিএসএ কর্মচারীদের রিপোর্টও। এই অ্যাপ নিয়ে আশাবাদী টিএসএ।

বটাগুর কচ্ছপ পাওয়া যায় ভারত, বাংলাদেশ এবং নেপালের কিছু কিছু অঞ্চলে। চম্বল তাদের মধ্যে অন্যতম। যদিও সংরক্ষণের ব্যবস্থা এখানে রয়েছে, তবে এই এলাকার কিছু বিশেষ প্রতিকূলতা রয়েছে। প্রথমত, চম্বলের পাড় থেকে বেআইনিভাবে প্রচুর বালি তোলা হয়। এই বালি পাচারের জন্য জন্তুগুলো বিপদে পড়ে। পাড়ের বালিতে এরা সাধারণত রোদ পোহায়, বাসা করে। খোঁড়াখুঁড়িতে তাদের স্বাভাবিক জীবন ব্যহত হয়। এমনকী, মারাও যেতে পারে কচ্ছপরা। এছাড়া গরমের সময় নদীর জল তুলে চাষবাস এবং প্রচুর পরিমাণে মাছ ধরা কচ্ছপগুলিকে বিপদের মুখে ঠেলে দেয়। সঙ্গে রয়েছে পাড়ের বালিতে তরমুজ, শশা, খরমুজ ইত্যাদির চাষ। ফলে কচ্ছপদের স্থান অকুলান। আবদেশ কুমার রাজপুত এমনই এক চাষি। তাঁর বাড়ি উত্তরপ্রদেশের এটাওয়ায়। এই অঞ্চল চম্বল উপত্যকার মধ্যেই পড়ে। জানুয়ারি থেকে মে মাস পর্যন্ত নদীতীরে চলে এই চাষবাস। এই অঞ্চলে তিন প্রজন্ম ধরে চাষ করছেন তাঁরা। তিনি জানালেন, এই গ্রামে এমন আরও ষাট ঘর চাষা রয়েছে। ১৩ একর জমিজুড়ে এমন চাষ হয়। মে মাসের পরে বন্যায় আশপাশের জমি ডুবে গেলে আর চাষ করা যায় না। তাঁর মতে পাড়ের বালিতে ফলানো তরমুজের এক বিশেষ স্বাদ হয়, যা মাটিতে হওয়া সম্ভব নয়। সেই জন্যই এই অঞ্চলে চাষবাস থাকবেই। তবে তিনি নিজে অত্যন্ত যত্নের সঙ্গে কচ্ছপদের দেখভাল করেন। যে অঞ্চলে বাসা রয়েছে, ডিম রয়েছে, সেই জায়গা বাদ দিয়ে চাষ করেন। কচ্ছপরা সাধারণত উঁচু জমিতে বাসা করে, চাষের ক্ষেতের আশেপাশে তাদের খুব একটা দেখা যায় না।

এই ধরনের সচেতনতা যাতে আরও বাড়ে, সেদিকে নজর রাখা উচিত। এটাওয়াতে একটি কচ্ছপ সংরক্ষণ কেন্দ্র প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে এই অঞ্চলে সচেতনতা বাড়াতে সক্ষম হয়েছে টিএসএ। টিএসএ-র প্রোজেক্ট অফিসার পওন পারিক জানালেন, আগে কচ্ছপরা ডিম ফুটে বাচ্চা বেরনোর পর পরই বর্ষাকালীন বন্যায় বাসা ভেসে গিয়ে বহু কচ্ছপ মারা যেত। এখন সংরক্ষণ কেন্দ্রে তাদের বড় করা হয়। বছরদুয়েকের মধ্যে কিলোখানেক ওজন হলে এদের আবার জলে ছেড়ে দেওয়া হয়। নদীতে থাকাকালীন একটি কচ্ছপের ওজন হতে পারে তিরিশ থেকে পঁয়ত্রিশ কিলো পর্যন্ত।

লিখেছেন
Sindhu Som
Sindhu Som
0 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

সাত দিনের ব্যবধানে দুটো ঘূর্ণিঝড়: জলবায়ু পরিবর্তনের নতুন বাস্তবতা কি এটাই?

Climate change impact on cyclone: ২৮ অক্টোবরে অন্ধ্র উপকূলে আছড়ে পড়ে অতি তীব্র ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’, ঠিক সাত দিন পর ৩ নভেম্বরে ল্যান্ডফল করে ‘মুরাসু’। আবহাওয়াবিদদের ভাষায়, এই পিঠোপিঠি ঝড়ের ঘটনাকে বলা হয় ‘ক্লাইমেটোলজিক্যাল অ্যানোমালি'। বঙ্গোপসাগরের এই ‘ওভার-এনার্জাইজড’ অবস্থাই, এখন জলবায়ু পরিবর্তনের নতুন বাস্তবতা।

কোথায় আছড়ে পড়ল ঘূর্ণিঝড় মুরাসু, কতটা ক্ষয়ক্ষতি, বাংলায় কী প্রভাব?

Cyclone Murasu: ঘূর্ণিঝড় অর্ণবের প্রভাব কাটতে না কাটতেই বঙ্গোপসাগরে তৈরি হয় ঘূর্ণিঝড় মুরাসু। মঙ্গলবার ভোরে অন্ধ্রপ্রদেশের উপকূলে আছড়ে পড়ে শক্তিশালী এই ঘূর্ণিঝড়। নেল্লোর, প্রকাশম ও বাপটলা জেলায় গাছ উপড়ে পড়েছে, নিচু এলাকা জলমগ্ন হয়েছে। তামিলনাড়ু ও ওড়িশাতেও ভারী বৃষ্টি ও ঝোড়ো হাওয়ার সতর্কতা জারি হয়েছে। বাংলায় কতটা প্রভাব ফেলবে মুরাসু?

ভুটানে হড়পা বানের জেরে উত্তরবঙ্গে আতঙ্ক, কী পরিস্তিতি এখন?

Bhutan Flash Flood: ভুটানের শিনতাফু হ্রদ ভেঙে হড়পা বানে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে রাস্তা ও পর্যটনকেন্দ্রের পরিকাঠামো। বন্যার আশঙ্কায় আলিপুরদুয়ারের কুমারগ্রামে ১০ হাজারেরও বেশি মানুষকে নিরাপদ জায়গায় সরানোর উদ্যোগ নেয় প্রশাসন। শুক্রবার সকালে সংকোশ নদীর জলস্তর না বাড়ায় কিছুটা স্বস্তি ফেরে। পরিস্থিতি এখন কেমন?

মাত্র ১০০ বই থেকে ১০ হাজার! অসমের চা-বাগানের শিশুদের ভবিষ্যৎ গড়ছেন অনিন্দিতা

Assam Library Initiative: মাত্র ১০০টি বই নিয়ে ২০২০ সালে অসমের চা-বাগান এলাকার শিশুদের জন্য লাইব্রেরি শুরু করেছিলেন অনিন্দিতা গগৈ। আজ তিনটি লাইব্রেরিতে বইয়ের সংখ্যা প্রায় ১০ হাজার। পরিবারের ৪০ লক্ষ টাকারও বেশি বিনিয়োগে এগিয়ে চলেছে এই উদ্যোগ। কীভাবে শিশুদের পড়াশোনা ও সৃজনশীলতার সুযোগ তৈরি করছেন অনিন্দিতা?

Cyclone Arnab: কোথায় আছড়ে পড়ল অর্ণব, কতটা ক্ষয়ক্ষতি? বাংলায় কতটা প্রভাব?

Cyclone Arnab: অন্ধ্রপ্রদেশের উপকূলে আছড়ে পড়েছে ঘূর্ণিঝড় অর্ণব। ঘণ্টায় ১৫০ কিলোমিটার বেগে দমকা হাওয়া, ভারী বৃষ্টি ও জল জমার জেরে বিপর্যস্ত একাধিক এলাকা। ৮৪ হাজারেরও বেশি মানুষকে নিরাপদ আশ্রয়ে সরানো হয়েছে। বাংলার কোন কোন জেলায় ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস, আর কতটা প্রভাব পড়তে পারে ঘূর্ণিঝড়ের?

অ্যানথ্রোপিকের মতো এআই সংস্থাগুলি যেভাবে হয়ে দাঁড়াচ্ছে জলবায়ু সংকটের কারণ

The AI Carbon Bill: অ্যানথ্রোপিকের আইপিও ফাইলিংয়ে জলবায়ু পরিবর্তনকে বড় ব্যবসায়িক ঝুঁকি হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হলো। ডেটা সেন্টার ঠান্ডা করতে বিদ্যুৎ-জলের ব্যয় বাড়ছে। ২০২৫-এ ডেটা সেন্টারগুলিতে ঘণ্টা প্রতি বিদ্যুৎ ব্যবহার, ৪৪৮ টেরাওয়াটে পৌঁছবে।

লুলার জয়ের পরেও কেন স্বস্তিতে নেই 'পৃথিবীর ফুসফুস' আমাজন?

lula's amazon policy: প্রথম পর্বে পিছিয়ে থাকার পর, কুড়ি দিনে এক কোটিরও বেশি ভোট বাড়িয়ে লুলা দা সিলভা চতুর্থবার ব্রাজিলের রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হলেন। লুলার আমলে, আমাজনের জঙ্গল উজাড় হওয়া ৭১% কমেছে, তবু আইনসভায় ডানপন্থীদের শক্তিবৃদ্ধি হওয়ায়, আমাজনের সংকটজনক সীমার খুব কাছাকাছি পৌঁছে যাওয়ার আশঙ্কা রয়ে গেলই।

ঘূর্ণিঝড় অর্ণব : কোথায় রয়েছে, বাংলায় কতটা দুর্যোগের আশঙ্কা?

Cyclone Arnab: বঙ্গোপসাগরে শক্তি বাড়িয়ে অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হয়েছে অর্ণব। বুধবার অন্ধ্রপ্রদেশ উপকূলে আছড়ে পড়তে পারে এই ঝড়। সরাসরি বাংলায় আঘাত না হানলেও মঙ্গলবার থেকে দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় ভারী বৃষ্টি ও ঝোড়ো হাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। উত্তরবঙ্গেও বৃষ্টি হতে পারে। কোন কোন জেলায় দুর্যোগের আশঙ্কা সবচেয়ে বেশি?