একটা গাড়িও নেই, এক চিলতে ঘরেই জীবনটা কাটিয়ে দিলেন 'ডাক্তারবাবু' সূর্যকান্ত মিশ্র

tiasa gupta
৪ মিনিট
একটা গাড়িও নেই, এক চিলতে ঘরেই জীবনটা কাটিয়ে দিলেন 'ডাক্তারবাবু' সূর্যকান্ত মিশ্র

পাম অ্যাভিনিউয়ের ছোট ফ্ল্যাটে জীবন কাটালেন বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য।

আলিমুদ্দিন স্ট্রিটের ছাদে একটা ছোট্ট ঘরে থাকেন বিমান বসু।

একদিকে যখন শাসকদলের চুনোপুটি নেতাদের জাহাজবাড়ি দেখে আঁতকে উঠতে হচ্ছে, যখন অহরহ দুর্নীতির খবরে মাথা ঘুরে যাচ্ছে, তখনই সামনে আসছে এই নেতাদের ছবিটাও। যারা ভিড়ের মধ্যে অন্যরকম আজও। যারা অনাড়ম্বর জীবনকেই বেছে নিয়েছেন স্বেচ্ছায়, এমনকী তা নিয়ে ঢাক পেটাতেও জাননি। সেই তালিকায় বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য, বিমান বসুর পাশেই সংযোজিত নাম সিপিএম-এর প্রাক্তন রাজ্য সম্পাদক সূর্যকান্ত মিশ্র। এই বাম নেতাদের অনাড়ম্বর জীবন কি হয়ে উঠতে পারে না আজকের নেতা-মন্ত্রীদের জন্য সহজপাঠ?

এসএসসি দুর্নীতি সামনে নিয়ে এসেছে প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় কীভাবে কুবেরের বিষয় আশয় তৈরি করেছেন, তার হালহকিকত। এরপর এই তালিকায় ফলাও করে উঠে আসে অনুব্রত মণ্ডলের লামাগহীন সম্পত্তির ঠিকানা। প্রকাশ্যে আসে তৃণমূলের ছোট বড় সব নেতা মন্ত্রী এই কয়েক বছরে কীভাবে গুছিয়ে নিয়েছেন ভবিষ্যতের কথা ভেবে। রাজ্যের নানা প্রান্তে ইমারত, গ্যারেজে বিলাসবহুল গাড়ির লাইন, বছরে নিয়ম করে বিদেশ ভ্রমণ এবং অবশ্যই কালো টাকা। তৃণমূলের মা-মাটি-মানুষের সরকারের বিভিন্ন স্তরীয় নেতা মন্ত্রী, আমলাদের জীবনধারা এভাবেই চর্চায় উঠে আসছে। সৌজন্যে পার্থ ও অনুব্রত। (এখনও পর্যন্ত, শেষ কোথায় কে জানে!) । আজ যখন রাজ্য দুর্নীতির পচা পাঁকে মুখ লুকোচ্ছে তখন বারবার উঠে আসছে বাম নেতাদের অনাড়ম্বর জীবন যাপনের কথা।

সম্প্রতি সূর্যকান্ত মিশ্রর জীবনধারার যে ছবি সামনে এসেছে, তাতে তৃণমূলের নেতা মন্ত্রীরা ভাবতেই পারেন, এসব হল নীতি কথার সহজপাঠ। কী ছবি প্রকাশ্যে?

কতটা সাদামাটা সূর্যকান্ত মিশ্রর জীবন

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
৪০০ স্কোয়ার ফিটের ফ্ল্যাটে জীবন কাটল বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের, সততার সহজপাঠ ছিল হাতের কাছেই

Buddhadeb Bhattacharjee: পশ্চিমবঙ্গের আদ্যন্ত `ভদ্রলোক মুখ্যমন্ত্রী’র কথা কি বেশি করে মনে পড়ছে না রাজ্যবাসীর?

নেই এসি, ঘুপচি রান্নাঘর, রংচটা দেওয়াল-ভাইরাল সূর্যকান্ত মিশ্রর বাড়ির এই ছবি। সিপিআইএম নেতাদের দাবি, একজন প্রাক্তন মন্ত্রী এবং একটি দলের প্রাক্তন রাজ্য সম্পাদকের যে এরকম ছিমছাম বাড়ির অন্দর হতে পারে, তা তৃণমূল জমানার নেতা মন্ত্রীদের পক্ষে সত্যিই বিশ্বাস করা কঠিন। অনেকেই বলছেন, আসলে এর সঙ্গে তো তাঁরা পরিচিতই নন। গত বুধবার ১০ অগাস্ট সৌম্যশুভ্র চট্টোপাধ্যায় নামে এক বাম সমর্থক ফেসবুকে সূর্যকান্তকে নিয়ে একটি লেখা পোস্ট করেন। যা `পটাশপুর কমিউনিস্ট পার্টি-সিপিআইএম’ একটি পেজেও পোস্ট করা হয়। সেই পোস্ট সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে।

পোস্টে কী লেখা

পোস্টে লেখা- `দরজায় বেল বাজাতেই ওঁর স্ত্রী কমরেড ঊষা মিশ্র দরজা খুলে দিলেন। না আছে নিরাপত্তার বেষ্টনী, না আছে দরজার ভেতর থেকে কে এসেছে জিজ্ঞাসা করার বালাই। মেহানতি মানুষের নেতার বাড়ি। সবসময় সকলের অবাধ প্রবেশ। একনজরে দেখে মনে হল, ৬০০-৮০০ স্কোয়ার ফুটের ছোট্ট একটা আবাসন, দু’টো ছোট্ট ছোট্ট রুম, ঘুপচি একটা রান্নাঘর, রান্নাঘরের পাশেই ফাইবারের একটা ডাইনিং টেবিল, হাজার তিনেক দাম হবে হয়তো। তাতে আবার জলের বোতলে অর্ধেকটা ভর্তি। ঠিক যে রুমটায় কমরেড সূর্যমিশ্র বিশ্রাম নেন, সেই রুমের দরজার সোজাসুজি ৩/৫ ফুটের একটা বাথরুম।‘

এটাই প্রাক্তন মন্ত্রীর বাড়ির ইন্টিরিয়ার। এবার কীভাবে কাটান তিনি? বাম সমর্থকের কথায়,

নিজের চোখকে আর বিশ্বাস করতে পারছি না। পরনে গোলগলা একটা গেঞ্জি আর লুঙ্গি। ব্রাত্য বসুদের কথায় (সম্প্রতি তৃণমূলের তরফে অভিযোগ করা হয় সূর্যকান্ত মিশ্র অনেক সম্পত্তি করেছেন) কোটিপতি সূর্য মিশ্র তখন ফ্যানের নিচে। তখন বই পড়ছেন। ঘর জুড়ে বইয়ের ভাণ্ডার। স্প্লিট এসি, উইন্ডো এসি? থাক সেটা আর বললাম না, দেওয়ার থেকে রং খসে পড়ছে। ওঁর বাবার ছবি, ওঁর পুরস্কার পাওয়ার ছবি-জানলার ওপর একটা তাক বানিয়ে সেখানে সাজিয়ে রাখা। কাঁচের অভাবে তাতে ধুলো জমেছে। শ্রদ্ধার পাহাড়টা যেন হিমালয়ে চেয়ে উঁচু হয়ে যাচ্ছে।

কত সম্পত্তির মালিক সূর্যকান্ত মিশ্র?

বামকর্মীর ফেসবুক পোস্টে দাবি করা হচ্ছে, সূর্যকান্ত মিশ্রর সম্পত্তি বলতে দেশের বাড়িতে প্রায় ১০ কাঠা জায়গা পৈতৃক উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত। ২০১১ সালে যার বাজারদর ছিল প্রায় ৭-৮ লাখ টাকা। ২০১১ সালে নির্বাচন কমিশনকে দেওয়া তার স্থাবর ও অস্থাবর (উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত সম্পত্তির পরিমাণ ধরে) সম্পত্তির পরিমাণ সর্বসাকুল্যে ১৫ লাখ টাকা। কলকাতা পুরসভার সামনে যখন তৃণমূলের কাউন্সিলরদের কোটি টাকার গাড়ি দাঁড়িয়ে থাকে, তখন সূর্য মিশ্রর মতো মানুষের মোটর সাইকেল বা চারচাকাও নেই।

মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার সময় হলফনামায় জানাতে হয় প্রার্থীর সম্পত্তির পরিমাণ, ২০১৬ সালে সেই সূত্রে জানা যায়, নারায়ণগড়ের জোটপ্রার্থী সূর্যকান্ত মিশ্রর সম্পত্তির পরিমাণ বেড়েছে সাড়ে সাত লক্ষের কাছাকাছি।

হলফনামা সূত্রে জানা যায়, এই বছরে সূর্যকান্ত মিশ্রর স্থাবর সম্পত্তির পরিমাণ ছিল ১৮,০২,৫০০ টাকা। তাঁর অস্থাবর সম্পত্তি ৫,৭৭,৯৫৯ টাকা। তাঁর স্ত্রীর অস্থাবর সম্পত্তির পরিমাণ ২,০০,০০০ টাকা। চলতি বছরে স্থাবর ও অস্থাবর মিলিয়ে তাঁর মোট সম্পত্তির পরিমাণ ২৫,৮০,৪৫৯ টাকা। গতবছর সূর্যকান্ত মিশ্রর মোট সম্পত্তির পরিমাণ ছিল ১৮,৩৩,৮৭৩টাকা। তাঁর সম্পত্তি বেড়েছে ৭,৪৬,৫৮৬ টাকা।

সূর্যকান্ত মিশ্র একজন বামপন্থী রাজনীতিবিদ। ২০১১ সালের নির্বাচনে পশ্চিমবঙ্গে ৩৪ বছরের বাম-শাসনের অবসান হলেও তিনি তার আসন ধরে রাখতে সক্ষম হন। বাম আমলে সূর্যকান্ত মিশ্র গ্রাম ও গ্রামীণ উন্নয়ন এবং স্বাস্থ্য মন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছেন। ২০১১ সালের নির্বাচনের পর থেকে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় তিনি বিরোধী দলীয় নেতা হিসেবে নির্বাচিত হন। রাজনীতির আবর্তে কম ক্ষমতাশালী ছিলেন না সূর্যকান্ত মিশ্র। তাহলে এখন প্রশ্ন হল মেহানতি মানুষের নেতা বলেই কি বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য, বিমান বসু, সূর্যকান্ত মিশ্ররা মানুষের কাছে দায়বদ্ধ? তাই এমন আড়ম্বহীন, আদর্শে মোড়া প্রাত্যহিক জীবন। শুধু তাই নয়, রাজনৈতিক গুরুদায়িত্ব ঘাড়ে চাপার আগে লম্বা সময় একটাকায় রোগী দেখতেন, গ্রামে গ্রামে চিকিৎসার জন্য ঘুরে বেড়াতেন তিনি। একবার আলিমুদ্দিনে রাজ্যসম্পাদক মণ্ডলীর সদস্য এক কমরেডকে কার্ডিয়াক ম্যাসাজ দিয়ে প্রাণে বাঁচান তিনি। সে ঘটনা আজও অনেকে মনে করতে পারেন।

এখন নিন্দুকেরা বলতে পারেন, সূর্যকান্ত মিশ্রর জীবনধারা নিয়ে এসব তো সিপিএম সমর্থকের দাবি। জল মেশানো নেই তো? এর জবাবে বলা যায়, ছবি তো আর মিথ্যে বলে না। সূর্যকান্ত মিশ্রর গোলগলা গেঞ্জি পরা যে ছবি সামনে এসেছে, তাতে বুঝে নিতে অসুবিধা হয় না যে, তিনি জীবনযাপনে অনাড়ম্বর সত্তা বজায় রেখে অন্য বাম নেতাদের ধারা ধরে রেখেছন। প্রাক্তন বামফ্রন্ট চেয়ারম্যান প্রয়াত প্রমোদ দাশগুপ্তরা যে সাদামাটা জীবনের আদর্শ ধরে রেখেছিলেন, তার উত্তরাধিকার বহন করছেন সূর্যকান্ত মিশ্রও।

লিখেছেন
tiasa gupta
tiasa gupta
0 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

সরবোন থেকে যন্তরমন্তর: যে আগুন বারবার বদলে দেয় পৃথিবীকে

May 1968 France student protests: এই যে ছেলেমেয়েরা যন্তরমন্তরের রাস্তায় স্লোগান দিচ্ছে, ধারাশ্রাবণের ভয় পিছনে ফেলে পার্লামেন্ট স্ট্রিটের দিকে এগিয়ে গেল, দক্ষিণী এক বৃদ্ধ তার ধুতি সামলাতে সামলাতে ছুটছেন তাদের সঙ্গে—কী মনোরম এই বারিপাত! কেমন যেন একটা দুর্দান্ত ফ্ল্যাশব্যাকে ঘুরে গেল সময়।

অঙ্কিতা ভাণ্ডারী মামলা: তিন অভিযুক্তের সাজা হয়েও মেটেনি ‘ভিআইপি’ রহস্য

Ankita Bhandari case highlights :অঙ্কিতার বাবা-মা অভিযোগ করেছেন, গৌতমই সেই ভিআইপি, যিনি তাঁদের মেয়েকে হত্যার ষড়যন্ত্রে জড়িত ছিলেন। তাঁরা রাষ্ট্রপতির কাছে গৌতমের রাজ্যপাল নিয়োগকে চ্যালেঞ্জ করে আদালতে গিয়েছেন, এই যুক্তিতে যে এই ‘ভিআইপি’কে কোনো পদে বহাল থাকার অনুমতি দেওয়ার আগে সিবিআই তদন্ত শেষ হওয়া উচিত।

জিডিপির বাইরে উন্নয়নের হিসাব, ভারতের অর্থনীতিকে অন্য চোখে দেখতে শিখিয়েছেন জঁ দ্রেজ

Economist Jean Drèze: দিল্লিতে সিজেপি বিক্ষোভের সময় পুলিশ আটক করল অর্থনীতিবিদ জঁ দ্রেজকে। অমর্ত্য সেনের সহযোগী এই অর্থনীতিবিদ MGNREGA ও জাতীয় খাদ্য সুরক্ষা আইনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন। ২০২৬- এ পেয়েছেন গ্লোবাল ইনইকুয়ালিটি রিসার্চ অ্যাওয়ার্ড।

জ্ঞানেশ বিরোধী আন্দোলন: তারুণ্য যা শেখালো ইন্ডিয়া জোটকে

Youth Protests and Opposition Unity: সংসদীয় রাজনীতিতে যেখানে প্রবীণ নেতারা ঐক্যের পথ খুঁজতে গিয়ে হোঁচট খাচ্ছিলেন, সেখানেই নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে ভোটার তালিকা ও বিভিন্ন অনিয়ম সংক্রান্ত ক্ষোভকে কেন্দ্র করে রাজপথে নামা তরুণ প্রজন্ম বিরোধীদের নতুন করে এক ছাতার তলায় আসার পথ তৈরি করছে।

কেন তুলে দিতে হচ্ছে মাদ্রাসা কমিশন? প্রশ্ন শিক্ষামহলের

West Bengal decides to merge Madrasah Service Commission: ১৩ অক্টোবর ২০২৬ জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ৫ অক্টোবরের মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১৯৯৭ সালের পশ্চিমবঙ্গ স্কুল সার্ভিস কমিশনের সঙ্গে মাদ্রাসা সার্ভিস কমিশনকে একীভূত করার উদ্যোগ নিয়েছে রাজ্য সরকার।

আমার উৎসব, ওঁদের আরও একটা দীর্ঘ কাজের দিন

Durga Puja for Gig Workers: গিগ কর্মীদের দুর্গাপুজোর চার দিন কীভাবে কাটে? বাড়তি উপার্জনের আশায় ব্যক্তিগত আনন্দ, উৎসবের আমেজ আর প্রিয়জনদের সঙ্গে কাটানোর সময় থেকে কতটা বিসর্জন দিতে হয় তাঁদের?

বাংলাদেশে রবীন্দ্র-বিরোধিতা নিয়ে কী বলছেন বুদ্ধিজীবীরা?

Tagore graffiti vandalism Bangladesh: বাংলাদেশে কেন টার্গেট রবীন্দ্রনাথ? বুদ্ধিজীবীরা কী বলছেন?

রবীন্দ্রনাথ সত্যিই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করেছিলেন?

The Tagore Myth: ঢাকার শিল্পকলা একাডেমির সামনে রবীন্দ্রনাথের গ্রাফিতিতে চুনকালি দেওয়ার ঘটনায় জামায়াতে ইসলামীর দাবি, 'রবীন্দ্রনাথ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় চাননি।' ফ্যাক্ট-ওয়াচ ও প্রয়াত অধ্যাপক আনিসুজ্জামানের মতে, দাবিটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। ইতিহাসের তথ্য ও তর্কের পরিপ্রেক্ষিতে, দেখে নেওয়া যাক, এই দাবিগুলি কতটা মিথ, কতটা মিথ্যা।