যুদ্ধবিধ্বস্ত প্যালেস্টাইনের হাতে জয়ের পুরস্কার তুলে দিলেন টেনিস তারকা

Israel-Palestine conflict: এই পরিস্থিতিতে নিজের সামর্থ থেকে যতটুকু সম্ভব, গাজাবাসীর উদ্দেশ্যে দিয়ে দিলেন তিউনিশিয়ার টেনিস তারকা ওনস জাবেউর।

Sohini Das
৪ মিনিট
যুদ্ধবিধ্বস্ত প্যালেস্টাইনের হাতে জয়ের পুরস্কার তুলে দিলেন টেনিস তারকা

সাতাশ দিন ধরে চলছে রক্তক্ষয়ী যুদ্ধটা। লাগাতার রকেট হামলা, বোমা হামলায় জেরবার গাজা। বহু দেশই যুদ্ধ থামানোর কথা বলছে কিন্তু আদৌ গাজার সাহায্যে এগিয়ে আসছে না তেমন কেউই! ইজরায়েলের বন্ধু দেশ যারা, তারা যুদ্ধবিরোধীতার কথাটুকুও মুখ ফুটে বলতে পারছে না। জল নেই, খাবার নেই, বিদ্যুৎ পরিষেবা নেই, নেই ইন্টারনেট। শুধু রক্ত আর ধ্বংস সঙ্গী এখন গাজার। কোথায় যাবেন বাসিন্দারা? কোথায় গিয়ে মাথা গুঁজবেন? মিশর বলেছে আশ্রয় দেওয়ার কথা। মিশরের কাছে বারবার আশ্রয় চাইছে গাজা। কিন্তু সেই দরজা যে কবে খুলবে, তা জানা নেই কারওর। গাজার সাহায্যে এগিয়ে আসছে না যখন তাবড় দেশ ও তাদের রাষ্ট্রনেতারা, সে সময় ছোট্ট ক্ষমতা থেকে সাহায্যের হাতটুকু বাড়িয়ে দিলেন টেনিস তারকা।

সেই ৭ অক্টোবর ইজরায়েলে আচমকা হামলা চালিয়েছিল জঙ্গিগোষ্ঠী হামাস। তার পরেই সরাসরি গাজার বিরুদ্ধে যুদ্ধঘোষণা করে দেয় ইজরায়েল। হামাসকে খতম করতে যে কোনও পর্যায়ে যেতে রাজি নেতানিয়াহু সেনা। সেই থেকে ভয়ানক পরিস্থিতিতে রয়েছে গাজা। গত সাতাশ দিনে গাজায় সাত হাজারেরও বেশি রকেট হামলা চালিয়েছে ইজরায়েলি সেনা। প্রায় ৯ হাজার ছুঁই ছুঁই গাজায় মৃতের সংখ্যা। যার মধ্যে অর্ধেকই শিশু। হাসপাতাল থেকে শুরু করে একের পর এক শরণার্থী শিবিরে পড়ছে বোমা। বাদ যাচ্ছে না গির্জাও। মুহূর্তের মধ্যে মাটিতে মিশে যাচ্ছে একের পর এক জনপদ।

অবশ্য এই অগণিত মৃত্যুমিছিল বিশেষ নাড়া দিচ্ছে না ইজরায়েলকে। তারা হামাস দমনে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ। আর সেই পথে যদি কয়েক হাজার সাধারণ নিরপরাধ মানুষ মারা পড়ে, তাতে বিশেষ কিছু যায় আসে না তাদের। কারণ এমন বড় বড় যুদ্ধে এসব সামান্য কোল্যাটারাল ড্যামেজ ঘটেই থাকে, সে কথা তো কারওর অজানিত নয়। রাষ্ট্রপুঞ্জে যুদ্ধবিরতি প্রস্তাব পাশ হয়েছিল ঠিকই। বিপক্ষে ১৪টি দেশ আর ভোটদান থেকে ৪৫টি দেশ বিরত থাকলেও ১২০টি দেশের ভোট নিয়ে পাশ হয়েছিল সেই প্রস্তাব। যাই হয়ে যাক, মারণ এই যুদ্ধ থামাক ইজরায়েল, এই আর্জি কার্যত গোটা বিশ্বের। তবে ইজরায়েল সে কথা কানে তোলার প্রয়োজনবোধ করেনি। বরং দিন দিন আরও বাড়িয়ে গিয়েছে হামলার মাত্রা। প্রতিদিন আরও আরও ধ্বংসের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে গাজা।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
ফিলিস্তিনি কণ্ঠস্বরকে চেপে রাখছে ফেসবুক, টিকটক! কতটা সত্যি মালয়েশিয়ার অভিযোগ?

Israel-Hamas war: ইচ্ছা করেই প্যালেস্টাইনের কণ্ঠস্বর রোধ করার চেষ্টা করছে মেটা। সম্প্রতি এমনই অভিযোগ এনেছে মালয়েশিয়ার কমিউনিকেশন মন্ত্রী ফাহমি ফাদজিল।

এই পরিস্থিতিতে নিজের সামর্থ থেকে যতটুকু সম্ভব, গাজাবাসীর উদ্দেশ্যে দিয়ে দিলেন তিউনিশিয়ার টেনিস তারকা ওনস জাবেউর। সম্প্রতি ওমেনস টেনিস অ্যাসোসিয়েশন (WTA)ফাইনাল জেতেন ওনস। মেক্সিকোর ক্যানকুনে চেক টেনিস খেলোয়ার মার্কেটা মার্কেটা ভনড্রোসোভাকে হারান ওনস। জিতে নেন খেতাবও। পুরস্কার গ্রহণের মঞ্চে উঠে ওনস জানান, তিনি একই সঙ্গে আনন্দিত এবং দুঃখিত। একদিকে যেমন এই জয় তাঁকে এনে দিয়েছে অপরিসীম আনন্দ, তেমনই গাজার পরিস্থিতি তাঁকে ক্ষতবিক্ষত করে দিচ্ছে। বলতে বলতেই কান্নায় ভেঙে পড়েন ওনজ।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
ইজরায়েল গাজা যুদ্ধে ভারত কী চায়? উত্তর লুকিয়ে ৭৩ বছর আগের এই ঘটনায়...

India Supports Israel : ভারত আর ইজরায়েলের এত ভাব হলো কীভাবে? ভারত তো ইজরায়েলের জন্ম হোক তাই চায়নি এককালে!

গোটা মেক্সিকো শহর ভাসছে তখন সমর্থক ও সহ-খেলোয়ারদের হাততালির শব্দে। তিনবার গ্র্যান্ড স্ল্যাম ফাইনালিস্ট ওনজ জানান, তাঁর পুরস্কারমূল্যের একটি অংশ যাবে যুদ্ধবিধ্বস্ত ফিলিস্তিনিদের কাছে। যাতে তাঁদের জীবনধারনটা আগের চেয়ে একটু সহজ হতে পারে। ওনজ জানান, প্রতিদিন এই এত এত শিশুর মারা যাওয়া দেখাটা ভয়ঙ্কর কঠিন। তিনি এ-ও জানান, কোনও রাজনৈতিক পক্ষের হয়ে নয়, শুধু মানুষ হিসেবেই যুদ্ধবিধ্বস্ত প্যালেস্টাইনের পাশে দাঁড়াতে চান ওনজ।

গাজায় এখন যা পরিস্থিতি, তাতে বাসিন্দাদের টিকে থাকাটাই যেন একটা চ্যালেঞ্জ। খাবারদাবার নেই, ওষুধপত্র নেই। ন্যূনতম জলটুকু পর্যন্ত নেই। সবচেয়ে খারাপ অবস্থায় আছে শিশু ও মহিলারা। শরীর তো নিজের নিয়মে চলে। সে তো যুদ্ধ, খারাপ সময় বোঝে না। যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজায় মহিলাদের কাছে ঋতুস্রাবের সময়টুকুও তাই এখন এক লড়াই। জল নেই, স্যানিটারি ন্যাপকিন বা ট্যাম্পনটুকুও জুটছে না। ন্যূনতম সুস্বাস্থ্যটুকু বজায় রাখা কঠিন হয়ে পড়ছে তাঁদের পক্ষে। মাথার উপর ছাদ নেই, বিদ্যুৎ নেই। কিন্তু বোমা, রকেট হামলা, ছুটে আসা গুলি আছে লাগাতার। শরণার্থী শিবিরগুলিতে আশ্রয় নিয়েও নিস্তার নেই। একাধিক শরণার্থী শিবিরগুলিকে নিশানা করেই হামলা চালাচ্ছে ইজরায়েলি সেনা। প্রতিদিন বাড়াছে শবদেহের ভিড়। সেই শবের পাশে বসেই মৃত্যুর দিন গুনছে গাজা।

মানবাধিকার সংগঠনগুলির ন্যূনতম ত্রাণ আসছে বটে, তবে তা বাড়ন্ত এই যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজায়। মিশর সামান্য সংখ্যক গাজা শরণার্থীকে জায়গা দেবে বলে কথা দিয়েছে বটে। তবে তা যে কবে সত্যি হবে, কেউ জানে না। ত্রাণ সামগ্রী পাঠানোর কথাও বলেছিল মিশর। তা-ও আদৌ পৌঁছেছে কিনা পরিষ্কার নয়। এই পরিস্থিতিতে গাজার কাছে যে কোনও ধরনের সাহায্যই কম। তাবড় প্রথম বিশ্বের দেশ যারা রাষ্ট্রপুঞ্জে শান্তিকামী বলে বড়াই করে, তারা দিব্যি মুখে কুলুপ এঁটেছে। কারণ তাঁদের অনেকেই ফিলিস্তিনিদের তেমন পছন্দ করে না। বলা ভালো, প্যালেস্টাইন তাদের বন্ধুরাষ্ট্র নয়। তাই বন্ধুতার খাতিরে ইজরায়েলকেই সমর্থন করে চলে তারা।

যুদ্ধ মানেই তো আসলে রক্ত রক্ত খেলা। যে যুদ্ধে কোনওদিন কারওর ভালো হয়নি। সে কথা সাধারণ মানুষ বোঝেন, বোঝেন ওনসের মতো বিশ্বনেতারাও। বোঝেন না কেবল রাষ্ট্রনেতারা। যারা গাজার জন্য সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেওয়া তো দূরের, তাদের হয়ে কথাটুকু বলে না। অথচ দেখুন, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের সময় কিন্তু ছবিটা তেমন ছিল না। যুদ্ধক্লান্তদের প্রতি সোশ্যাল মিডিয়া জুড়ে এই ভয়াবহ ঘৃণার প্রকাশ বোধহয় আমরা আগে দেখিনি কখনও। তা সত্ত্বেও গাজা মাথা তুলে বেঁচে থাকার চেষ্টা করছে। আর সেই চেষ্টার পাশে যেখানে বিশ্বের তাবড় সব দেশের থাকার কথা ছিল, সেখানে গাজাবাসীর পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছেন তিউনিশিয়ার এক খেলোয়ার। না, প্যালেস্টাইনের সঙ্গে তাঁর তেমন কোনও সম্পর্ক নেই বটে। কিন্তু মানুষ হয়ে মানুষের পাশে দাঁড়াতে গেলে যে সম্পর্কের প্রয়োজন হয় না, তা বুঝে গিয়েছেন টেনিস তারকা। দুর্বলকে প্রহারে প্রহারে শেষ করে দেওয়ার মধ্যে যে কোনও বীরত্ব নেই, তা ইজরায়েল বুঝবে না! যুদ্ধশান্তির পক্ষে একজোট হবে না বিশ্বের বাহুবলী সব দেশ! সাহায্য় করবে না গাজাকে?

লিখেছেন
Sohini Das
Sohini Das
0 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

এসআইআর বির্তক: যে খবর স্বাভাবিক হওয়ার কথা, সেটাই আজ বিস্ময়

Gyanesh Kumar, SIR and Election Commission: এসআইআর নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে আপত্তি থাকা সত্ত্বেও কেন প্রক্রিয়া চালানো হল? জ্ঞানেশ কুমার কীভাবে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার হলেন? ২০২৩ সালে আইন বদলে প্রধান বিচারপতিকে নির্বাচন কমিশনার বাছাইয়ের কমিটি থেকে সরানো হল কেন? এতদিন এই প্রশ্নগুলি গণমাধ্যম তুলল না কেন?

এসআইআর: বিশুদ্ধ ভোটার তালিকা তৈরির নামে যা পেল বাঙালি

Real Effect of SIR in bengal: ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় পশ্চিমবঙ্গে ৯১ লক্ষ ভোটার বাদ যান, যারা ছিলেন মোট ভোটারের ১২ শতাংশ। যাদের মধ্যে ৩৪% ছিলেন মুসলিম , নারীরা সংখ্যায় ছিলেন ৬১.৮%, এছাড়াও ছিলেন, মতুয়া ও রাজবংশী সম্প্রদায়ের মানুষেরা, যারা অসামঞ্জস্যপূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন। ফর্ম-৭-এর অপব্যবহার, অ্যালগরিদম-নির্ভর যাচাই, ১৯টি আপিল ট্রাইব্যুনালে ১ লক্ষ মামলা, সব মিলিয়ে ২০২৬-এর ভোটে যোগ্য নাগরিকরাও বাদ পড়েছিলেন।

‘সব নির্বাচনেই কারচুপি’, কেন এমন দাবি রাহুল গান্ধীর?

Rahul Gandhi election rigging claim: রাহুল গান্ধী কেন দাবি করলেন, ভারতের সব নির্বাচনেই কারচুপি হচ্ছে? নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে কী প্রশ্ন তুলেছেন তিনি? সরকারবিরোধী মনোভাব বা অ্যান্টি-ইনকামবেন্সি কীভাবে ভোটের রাজনীতিতে কাজ করে? তাঁর অভিযোগের পক্ষে কী কী তথ্য ও প্রমাণ তুলে ধরা হয়েছে?

সিজেপির তিন দাবি, জ্ঞানেশ কুমার না সরলে ফের বড় আন্দোলন

Election Commission of India: নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা, নির্বাচন পরিচালনার পদ্ধতি এবং ২০২৩ সালের আইনের বৈধতা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের কাছে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি জানিয়েছে সিজেপি। তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ, নির্বাচন প্রক্রিয়া স্থগিত করা এবং ২০২৩ সালের নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ সংক্রান্ত আইন প্রত্যাহার।

থানার গেটেই মারধর প্রাক্তন আইপিএস হুমায়ুন কবীরকে, সাধারণ মানুষ কতটা নিরাপদ?

Humayun Kabir: ঘটনার পর এখনও পর্যন্ত তিনি কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের করতে পারেননি বলেও জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, শারীরিক অসুস্থতার কারণে তখন অভিযোগ করা সম্ভব হয়নি। সুস্থ হয়ে তিনি লিখিত অভিযোগ করবেন।

দুই কমিশনারের আপত্তিতে ফের আলোচনায় সীমা খান্না, কমিশনে ঠিক কী দায়িত্ব তাঁর?

Seema Khanna and ECINet: ভোটার তালিকা ও ইসিআইনেট (ECINet) নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক। দুই নির্বাচন কমিশনারের আপত্তিতে সামনে এসেছে আইটি বিভাগের ভূমিকা এবং ডিরেক্টর জেনারেল (IT) সীমা খান্নার নাম। কে এই সীমা খান্না? নির্বাচন কমিশনে তাঁর দায়িত্ব কী? ভোটার তালিকা পরিচালনায় তাঁর ভূমিকা নিয়েই বা কেন উঠছে প্রশ্ন?

সরকারকে ৪ দিনের সময়সীমা বেধে দিল চা-শ্রমিকরা, ঠিক কী কী দাবি?

Dooars tea workers: ২২ সেপ্টেম্বর বকেয়া মজুরি ও অন্যান্য পাওনা মেটানোর দাবিতে হাঁটাপাড়া, ধুমচিপাড়া ও গারগান্ডার চা-শ্রমিকরা মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পদযাত্রা শুরু করেন। একই দিনে তোর্সার প্রস্তাবিত ল্যান্ড পোর্ট প্রকল্পে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষও জমি ও অধিকার রক্ষার দাবিতে পদযাত্রা করেন। দুই পদযাত্রাই পুলিশ আটকে দেয়।

বিশাখাপত্তনমে গুগলের ডেটা সেন্টার: ডিজিটাল উন্নয়নের দাম দেবে জল ও পরিবেশ?

Digital Thirst of vizag ai data centres: গুগল-আদানি-এয়ারটেলের যৌথ উদ্যোগে বিশাখাপত্তনমে গড়ে উঠছে ১ গিগাওয়াটের এআই ডেটা সেন্টার, বিনিয়োগ ১.২৫ লক্ষ কোটি টাকা। কিন্তু শহরের জলসংকট, কাম্বালাকোন্ডা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যের নৈকট্য আর পরিবেশবাদীদের বিক্ষোভ এই প্রকল্পকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে। 'স্টপ বিশাগ ডেটা সেন্টারস'-এর ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট পর্যন্ত নিষিদ্ধ করেছে ভারত সরকার।