চাঁদ এখন শ্মশান! কেন চাঁদের মাটিতে মানবভস্ম, ডিএনএ পাঠানোর এমন ধূম জানেন?

Space Funeral: যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে মাঝআকাশেই ফেটে যায় পেরেগ্রিন ল্যান্ডার। যার ফলে সমস্ত ডিএনএ ও দেহাশ্ম ছড়িয়ে পড়ল মহাকাশেই। আর চাঁদে পৌঁছনো হল না তাদের।

Sohini Das
৪ মিনিট
চাঁদ এখন শ্মশান! কেন চাঁদের মাটিতে মানবভস্ম, ডিএনএ পাঠানোর এমন ধূম জানেন?

চাঁদের মাটিতে নীল আর্মস্ট্রংরা আদৌ গিয়েছিলেন কিনা, তা নিয়ে বিতর্কের শেষ নেই। ফের চাঁদে মানুষ পাঠানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে নাসা। তার জন্য ইতিমধ্যেই প্রাথমিক পর্যায়ের পরীক্ষা সেরে ফেলেছে ওই মার্কিন গবেষণা সংস্থা। তবে জীবিত অবস্থায় মানুষ চাঁদে যেতে পারুক বা নাই পারুক, পৌঁছে যাবে ছাই। তেমন উদ্দেশ্য নিয়েই নামিদামী মানুষের দেহাশ্ম নিয়ে মহাকাশে উড়ে গিয়েছিল মার্কিন একটি ল্যান্ডার। তারপর?

ব্যাপারটা কল্পবিজ্ঞানের গল্পের মতো ঠাহর হলেও, এ কথা কিন্তু একশো শতাংশ সত্যি। পেরেগ্রিন ল্যান্ডার নামে একটি মার্কিন সংস্থা সেই গুরুভার মাথায় তুলে নিয়েছিল। কিছুদিন আগেই প্রখ্যাত কল্পবিজ্ঞান লেখক আর্থার সি. ক্লার্ক-সহ আরও বিখ্যাত বেশ কয়েক জনের দেহাংশ নিয়ে রওনা হয়েছিল চাঁদের উদ্দেশে। শুধু দেহাংশই নয়, ওই সংস্থার মাধ্যমে চাইলে নিজেদের স্মৃতিও চাঁদে পাঠাতে পারেন আগ্রহীরা। তবে যা খুশি পাঠালেই তো হল না। চাঁদে ক্যুরিয়ার করতে চাওয়া জিনিসটির দৈর্ঘ্য় নাকি হতে দুই থেকে আড়াই ইঞ্চির মধ্যে। তবে এই সব শর্ত মেনেই এন্তার দেহাশ্ম ও ডিএনএ পাড়ি দিয়েছিস চাঁদের উদ্দেশ্যে।

চাঁদে জমি কেনার ঘটনা তো আর নতুন কিছু নয়। প্রায়শই মানুষ কোটি কোটি টাকা খরচ করে চাঁদের মাটিতে জমি কিনতে উদ্যোগী হন। বলিউড তারকা শাহরুখ খানই তো প্রতি জন্মদিনে এক খণ্ড করে জমি উপহার পান এক ভক্তের কাছে। ফলে চাঁদ মোটামুটি এখন যেন মানুষের আয়ত্বের মধ্যেই। তবে এবার মানুষ সমাধি কিনতে চাইছেন চাঁদের মাটিতে। আস্ত মানুষ সেখানে পৌঁছে যেতে পারলে, মানুষের শেষ চিহ্নটুকু কেন নয়! সেই ভাবনা থেকেই কেউ কেউ নিজেদের শেষটুকু পৌঁছে দিতে চাইছেন ওই চাঁদের মাটিতে।

গত বছরেই চাঁদে পা রেখেছে ভারত। চাঁদ জয়ের নিরিখে ভারত চতুর্থ হলেও চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে পা রেখেছে ভারতই প্রথম। আর তার পরেই চাঁদ নিয়ে পড়ে গিয়েছে হুড়োহুড়ি। ৫০ বছর পর ফের চাঁদের মাটিতে ফিরতে চাইছে নাসা। ইতিমধ্যেই তারা সেরে ফেলেছে আর্টেমিস ওয়ান মিশনটি। চাঁদে মানুষ পাঠানোর আগে এ ছিল পরীক্ষামূলক একটি মিশন। চাঁদের চারপাশ প্রদক্ষিই করার জন্য ওরিয়ন ক্যাপসুলটিকে মহাকাশে পাঠিয়েছিল তারা। মহাকাশে প্রায় ২৬ দিন প্রদক্ষিণ করাক পর পৃথিবীতে ফিরে এসেছে সেই ওরিয়ন। তবে মানুষ ছাড়াও চাঁদে মানুষের স্মৃতি পৌঁছে দেওয়ার রাস্তা রয়েছে। পেনসিসলভেনিয়ার সংস্থা অ্যাস্ট্রোবিক, যারা চাঁদে মালপত্তর বহন করে। সেই উদ্দেশেই গত ৪ তারিখ যাত্রা করেছিল অ্যাস্ট্রোবিক। নাসার প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি থেকে শুরু করে অনেক কিছুই চাঁদে পৌঁছে দিয়ে আসার কথা ছিল অ্যাস্ট্রোবিকের। প্রায় ৬টি দেশ ও সেখানকার বিভিন্ন বৈজ্ঞানিক দলের তরফে বিজ্ঞানের যন্ত্রপাতি ছিল তালিকায়। শুধু যন্ত্রপাতিই নয়, ছিল দেহাশ্মও।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
বলিউড বাদশার জন্য পেড়ে এনেছেন চাঁদও! কে শাহরুখের এই 'জাবরা' ফ্যান?

Shah Rukh Khan Birthday: প্রিয় অভিনেতার জন্য সেই অমূল্য উপহার প্রতিবছর দিয়ে থাকেন তাঁর এক 'জাবরা' ফ্যান। প্রতি বছরই নাকি জন্মদিনে চাঁদের একটি করে অংশ তাঁর নামে নথিভুক্ত হয়।

তবে পেরেগ্রিন একা নয়। সাবঅরবিটাল ও আর্থ অরবিটাল ফ্লাইটে বিভিন্ন সময়ে এই কাজটি করা হয়েছে। দুটি মাত্র মার্কিন সংস্থা এই পরিষেবা দিত এতদিন। তার মধ্যে একটি সেলেস্টিস ও দ্বিতীয়টি এলিসিয়াম স্পেস। তবে প্রথম বেসরকারি বাণিজ্যিক ভাবে চাঁদে মালপত্তর পৌঁছে দেওয়া সংস্থা কিন্তু পেরেগ্রিনই। 'সেলেস্টিস' ও 'এলিসিয়াম স্পেস'-এর মাধ্যমে চাঁদে জিনিসপত্র পৌঁছনোর ক্ষেত্রে শুধু দৈর্ঘ্যই নয়, আরও বেশ কিছু শর্ত ছিল।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
মোবাইলের চেয়েও সস্তা চাঁদের জমি! সত্যিই কি চাঁদের মালিক হতে পারেন আপনি?

Buy Land on Moon: চাঁদে বেশ কয়েকটি বিক্রয়যোগ্য অঞ্চল রয়েছে। তাদের নামও এই ধরাধামের তাক লাগানো রিয়েল এস্টেটের মতোই।

নতুন বছরের শুরুতেই রওনা হয়েছিল অ্যাস্ট্রোবিকের পেরেগ্রিন ল্যান্ডার। কিন্তু সেই যাত্রা সম্পূর্ণ হল না শেষপর্যন্ত। শুরুটা হয়েছিল ঠিকঠাক ভাবেই। তবে পরে প্রপেলান্টে ফুটো ধরা পড়ে। যার দরুণ মাঝআকাশে ফেটে গিয়েছিল ওই মহাকাশযানের ট্যাঙ্কারটি। শেষপর্যন্ত আর চাঁদে পৌঁছনো হয়নি পেরেগ্রিনের। গত বৃহস্পতিবার প্রশান্ত মহাসাগরের উপর ভেঙে পড়ে সেটি। জানা গিয়েছে, প্রায় কুড়িটিরও বেশি পেলোড বহন করছিল পেরেগ্রিন ল্যান্ডারটি। যার মধ্যে নাসা থেকে পাঠানো বৈজ্ঞানিক পরীক্ষানিরিক্ষার কিছু জিনিস যেমন ছিল, তার সঙ্গে ছিল বেশ কিছু মানব ডিএনএ ও মৃত মানুষের দেহাশ্ম। ডিএনএ নমুনাগুলির ডেটা একটি স্টোরেজ ডিস্কে ভরে চাঁদে পাঠানোর কথা ছিল। সেই ছোট্ট নিকেল ডিস্কে প্রায় ৬০ মিলিয়নেক বেশি ছবি, তথ্য রাখা ছিল। আগামী কয়েক হাজার বছর ধরে চন্দ্রপৃষ্ঠে সুরক্ষিত রাখার কথা ছিল সেটিকে। এর আগেও এমন বেশ কিছু ডিস্ক চাঁদের মাটিতে সুরক্ষিত রাখা হয়েছে। ইজরায়েল নির্মিত বেয়ারশিট ল্যান্ডারটি ২০১৯ সালে ধ্বংস হয়ে যায়। এগুলিকে লুনার লাইব্রেরি বলা হয়।

তবে যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে মাঝআকাশেই ফেটে যায় পেরেগ্রিন ল্যান্ডার। যার ফলে সমস্ত ডিএনএ ও দেহাশ্ম ছড়িয়ে পড়ল মহাকাশেই। আর চাঁদে পৌঁছনো হল না তাদের। বেশ কিছু বিখ্যাত ব্যক্তির দেহাশ্ম ও ডিএনএ ছিল সেই ল্যান্ডারে। ছিল আমেরিকার প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট জর্জ ওয়াশিংটন, জন এফ কেনেডি-র মতো ব্যক্তিত্বের ডিএনএ। প্রায় ৬৯ জনের দেহাশ্ম ছিল ওই মহাকাশযানে, যাঁদের প্রত্যেকের গন্তব্য ছিল চাঁদে। ওই ল্যান্ডারটির তিনটি ইঞ্জিনই পুড়ে গিয়েছে দুর্ঘটনায়।

তবে এই পেরেগ্রিন ছিল নাসার বাণিজ্যিক লুনার পেলোড সার্ভিসেস প্রোগ্রামের আওতায় প্রথম মিশন। চাঁদে বৈজ্ঞানিক গবেষণা চালিয়ে যাওয়ার জন্য অ্যাস্ট্রোবেটিকের মতো বেসরকারি সংস্থাগুলোর সঙ্গে জুটি বাঁধছে নাসা। ২০২৫ সালের শেষের দিকেই মানুষ নিয়ে চাঁদের উদ্দেশে রওনা হবে নাসা। ইতিমধ্যেই সেই আর্টেমিস মিশনের পরিকল্পনা সারা। বিজ্ঞানীদের আশা, পরবর্তী শতাব্দীতে চাঁদ মানুষের নিত্যগন্তব্য হয়ে উঠবে।

আর সেই শুরুটা কি তবে শুরু হচ্ছে শ্মশান দিয়েই! যেভাবে বিখ্যাত মানুষদের ডিএনএ ও দেহাশ্ম চাঁদে পাঠানোর ধূম উঠেছে. তাতে তেমনটাই মনে হচ্ছে। বছর কুড়ি আগে লুনার প্রসপেক্টর প্রোব-এ করে চাঁদে ইউজিন শুমাখারের দেহাশ্ম পৌঁছে দেওয়ার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছিল। তবে নাভোজা সম্প্রদায়ের মানুষজন তা নিয়ে প্রবল বিরোধিতা করেন। তাঁদের কাছে চাঁদ খুবই পবিত্র জায়গায়। তাকে স্মারকস্থান বা সমাধিক্ষেত্র বানিয়ে তোলা মোটেই যথাযথ কাজ নয় বলেই দাবি তাঁদের। যদিও নাসার দাবি, পেরেগ্রিনের উপর তাদের সরাসরি কোনও নিয়ন্ত্রণ নেই।

তবে কি বেসরকারিকরণের মুখে এখন চাঁদও। ক্রমেই চাঁদ হয়ে উঠবে পৃথিবীর বর্ধিত শ্মশান? কারণ চাঁদে দেহাংশ বা ডিএনএ পাঠাতে গেলে কিন্তু বিপুল খরচ করতে হতে পারে। কম করে হলেও সেই ব্যায় ১৩ হাজার ডলারের মতো তো হবেই। যদিও আমেরিকার মাটি থেকে বাণিজ্যিক পেলোড লঞ্চ করতে হলে আমেরিকার অনুমোদন প্রয়োজন। তবে তা সুরক্ষা, জাতীয় নিরাপত্তা ও বিদেশনীতির প্রয়োজনে। পেরিগ্রিনই প্রথম বাণিজ্যিক লুনার বারিয়াল সংস্থা। ইন্দোনেশিয়া ও নিউজিল্যান্ডের মতো বেশ কয়েকটি দেশে মহাকাশ আইন থাকলেও, আমেরিকায় তেমনটা নেই। আর সেই আইনের ফাঁকই চাঁদ বিকিয়ে যাবে না তো? উঠেছে প্রশ্ন। অ্যাপোলো মহাকাশচারীরা অনেকেই চাঁদে আনুষ্ঠানিক স্মৃতিচিহ্ন রেখে এসেছেন। কেউ কেউ রেখে এসেছেন ফলক কিংবা ব্যক্তিত স্মৃতিচিহ্ন। পরবর্তীকালে চাঁদজয়ী মানুষজন কি অসুবিধায় পড়বে না এই দেহাশ্ম চাঁদে পাঠানোর ঘনঘটায়! তবে ভবিষ্য়তে যা-ই হোক না কেন, এই ঘটনা মানুষের সামনে খুলে দিয়েছে 'অমর' হওয়ার নতুন রাস্তা, মৃত্য়ুর পরেও চাঁদের মাটি ছোঁয়ার অভিনব সুযোগ।

লিখেছেন
Sohini Das
Sohini Das
0 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

২০২৫ যে শব্দগুলির সঙ্গে পরিচয় করাল

Word of the year: গুগল ইন্ডিয়ার তথ্য অনুযায়ী, ভারতীয়রা ২০২৫ সালে যেসব শব্দের অর্থ সবচেয়ে বেশি খুঁজেছে, তা তাদের মানসিক অবস্থার প্রতিফলন। যেমন—সিজফায়ার অর্থাৎ যুদ্ধবিরতি, মক ড্রিল অর্থাৎ নিরাপত্তার জন্য মহড়া।

জ্যোতির্ময় দত্ত: লেখালেখির বাইরে এক খ্যাপাটে মানবতাবাদী

Jyotirmoy Dutta: বামপন্থার সমালোচক ছিলেন জ্যোতির্ময় দত্ত। তাঁর আদর্শ ছিল রবীন্দ্রনাথ ও মহাত্মা গান্ধীর মানবতা।

ঘৃণার রাজনীতি: এখন লক্ষ্য খ্রিস্টান?

Anti-Christian violence India: মিচেলের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালে দেশে খ্রিস্টান নিগ্রহের ঘটনা ঘটেছে ৮৩৪টি (গড়ে মাসে ৭০ টি)। ২০২৫ সালে নভেম্বর মাস পর্যন্ত নিগ্রহের ঘটনা ঘটেছে ৭০৬ টি।

এক বাঙালির জেদে জুড়ল দুই বাংলা: টেলিগ্রাফ ম্যান শিবচন্দ্র নন্দী

Seebchunder Nandy: ১৮৫১ সালে কলকাতা-ডায়মন্ড হারবার লাইনের প্রথম সংকেত প্রেরণের সময় শিব চন্দ্র নন্দী ডায়মন্ড হারবার থেকে বার্তা পাঠান, অন্য প্রান্তে ও'শাগনেসির সঙ্গে ছিলেন লর্ড ডালহৌসি।

অন্যের দুঃখে কেন আমাদের মিষ্টি হাসি? শ্যাডনফ্রয়ডার মনস্তত্ত্ব

Schadenfreude: বর্তমান যুগে এই অনুভূতি আগুনের মতো ছড়িয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ার হাত ধরে। আমরা এখন যাকে 'ট্রোলিং' বলি, তার মূলে রয়েছে এই শ্যাডনফ্রয়ডা।

দেশে দেশে নানাবেশে আছেন সে এক সান্তা ক্লজ

Santa Claus Across Cultures: ১৮৬৯ সালে প্রকাশিত রঙিন চিত্র সংকলনে জর্জ ওয়েবস্টার লিখেছিলেন, সান্তা ক্লজের বাড়ি "নর্থ পোলের নিকটে"।

বিপন্ন ভারতের প্রাচীন পর্বতমালা‍! যেভাবে ধ্বংসের মুখে আরাবল্লী

Aravalli Hills Under Threat: পরিবেশবিদদের মতে, আরাবল্লী কেটে ফেললে দিল্লির দূষণ পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ আকার নেবে।

শৈশবের ‘রিওয়্যারিং’: স্ক্রিনের নীল আলো গিলে খাচ্ছে ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে?

Screen Addiction Destroying the Mental Health: বাস্তব জগত থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে ডিজিটাল জগতে ডুবে থাকায় শিশুদের মানসিক কাঠামোর এক আমূল পরিবর্তন ঘটে যাচ্ছে।