মাস্টারস্ট্রোক না ষড়যন্ত্র! ভারত-পাক হাইভোল্ট ম্যাচের আগে আরও ৪ লক্ষ টিকিট কেন বিলোচ্ছে BCCI?

ODI World Cup: শুধুই কি জনগণের চাপে পড়ে নতুন করে টিকিট রিলিজের সিদ্ধান্ত নিলো বিসিসিআই? নাকি এর পিছনে রয়েছে অন্য কোনও সমীকরণ?

Sourish Das
৪ মিনিট
মাস্টারস্ট্রোক না ষড়যন্ত্র! ভারত-পাক হাইভোল্ট ম্যাচের আগে আরও ৪ লক্ষ টিকিট কেন বিলোচ্ছে BCCI?

ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ মানেই যেন আলাদা উত্তেজনা! অফিস-কাছারি, হাজের চোদ্দটা কাজ তাড়াতাড়ি সেরে টিভির সামনে ভিড় জমে ওঠা। বাইশ গজের যুদ্ধে ভারত-পাকিস্তান, তায় আবার বিশ্বকাপে। স্বাভাবিক ভাবেই এর আবেদন আলাদা। আর সেই ম্যাচের টিকিট নিয়ে কাড়াকাড়ি পড়বে না, তা আবার হয় নাকি! শুধু ভারতে বলে নয়, পাকিস্তানের দর্শকদের কাছেও এই ম্যাচের আবেদন যেন অনেকটা আলাদা। এমনিতেই ভারত এবং পাকিস্তানের মধ্যে ম্যাচ তেমন একটা হয় না। রাজনৈতিক বৈরিতার কারণে দুই দলের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক প্রতিযোগিতা প্রায় দশ বছর ধরে বন্ধ। ফলে বাইশ গজে ভারত-পাকিস্তান দ্বৈরথ দেখার জন্য অপেক্ষা করে থাকতে হয় আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্ট বা মহাদেশীয় টুর্নামেন্টের জন্য। তাই যখনই এরকম একটা ম্যাচের আয়োজন হয়, তার উন্মাদনা থাকে তুঙ্গে। তার মধ্যে সে যদি হয় বিশ্বকাপের ম্যাচ, তাহলে তো কথাই নেই। উত্তেজনা বাড়লেই বাড়ে টিকিটের চাপও।

টিকিটের এই ক্রমবর্ধমান চাহিদা দেখে এবার ৪ লক্ষ অতিরিক্ত টিকিট বিক্রির ঘোষণা করেছে বোর্ড অফ কন্ট্রোল ফর ক্রিকেট ইন ইন্ডিয়া ওরফে বিসিসিআই। আগামী ৮ সেপ্টেম্বর ভারতীয় সময় সকাল ৮টা থেকে শুরু হবে টিকিট বিক্রি। আইসিসি আগেই জানিয়ে দিয়েছিল, ভারতের সমস্ত প্রস্তুতিম্যাচ ও লীগের ম্যাচের পাশাপাশি বিশ্বকাপের বাকি দলগুলির যাবতীয় ম্যাচের টিকিট বিক্রি শুরু হবে ২৫ আগস্ট থেকে, চলবে ৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। কিন্তু, পরবর্তীতে বিষয়টা পাল্টে যায়। আগে বিসিসিআই পর্যায়ক্রমে টিকিট বিক্রি শুরু করেছিল। কিন্তু, সেখানে শুরু হয় আরও এক সমস্যা। টিকিটের চাহিদা এতটাই আকাশছোঁয়া ছিল যে চাপের মুখে পড়ে বিসিসিআই। সেই চাপ সামলাতে এবার ৪ লক্ষ নতুন টিকিট নিয়ে বিক্রির কথা ঘোষণা করে দিল বিসিসিআই।

বিসিসিআইয়ের প্রাথমিক পর্যায়ের টিকিট বিক্রি শুরু হতে না হতেই ক্রিকেট ভক্তরা সোশ্যাল মিডিয়ায় তাঁদের ক্ষোভ উগড়ে দিতে থাকেন। হবে না-ই বা কেন! বিসিসিআইয়ের পোস্ট দেখে টিকিট কাটতে গিয়ে যে অভিজ্ঞতার মুখোমুখি তাঁদের হতে হয়েছে, তাতে হতাশ না-হওয়াটাই অস্বাভাবিক। ভারতে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপের ম্যাচের টিকিট মূলত বিক্রি হয় 'বুক মাই শো' ওয়েবসাইটে। কিন্তু এই বড় ম্যাচের আগে ভিড়ের চাপে রীতিমত ক্র্যাশ করে যায় ওয়েবসাইট। ঘন্টার পর ঘন্টা অপেক্ষা করেও মেলেনি টিকিট। অভিযোগ ওঠে দুর্নীতিরও। আর এ ব্যাপারটি ঘিরে ঘরে বাইরে সব জায়গাতেই চাপের মুখে পড়তে হয় বিসিসিআইকে। শেষমেশ তাই সিদ্ধান্তে বদল আনতে বাধ্য হয় ক্রিকেট নিয়ামক সংস্থা।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
ক্রিকেটের শেষ ঈশ্বর, আমজনতার শেষ ভরসা সচিনই?

Sachin Tendulkar: সচিনও বহুদিন ৯৯-এর গেরোয় আটকে ছিলেন। তারপর ১০০তম সেঞ্চুরি। হাঁফ ছেড়ে বেঁচেছিল দেশ।

শুধু যে ক্রিকেট ভক্তদের তোপের মুখে পড়েছে বিসিসিআই, তাই নয়, ভারতের প্রাক্তন খেলোয়ারেরাও ব্যাপারটি নিয়ে তুলোধোনা করেছে তাদের। এমনিতেই ওয়ানডে বিশ্বকাপে এই দুই দলের ম্যাচের টিকিটের যা দাম উঠেছে তা ভাবনার বাইরে। হাইভোল্টেজ এই ম্যাচের একটি টিকিট কালোবাজারে বিক্রি হচ্ছে প্রায় ৫৭ লক্ষ টাকায়! টিকিট তো নয়, এ যেন একেবারে 'সোনার হরিণ'!

গত ২৯ আগস্ট এবং ৩ সেপ্টেম্বর দুই দফায় ভারত পাকিস্তান ম্যাচের টিকিট বাজারে ছাড়া হয়েছিল। প্রতিবারই মাত্র এক ঘন্টার মধ্যেই বহুল প্রতীক্ষিত এই ম্যাচের টিকিট পুরোপুরি ফুরিয়ে যায়। আর তখনই শুরু হয় কালোবাজারি। 'বুক মাই শো' থেকে টিকিট কিনে অনেকেই চড়া দামে বিক্রি করতে শুরু করেন টিকিট। অনলাইনে রীতিমতো নিলামে উঠতে থাকে ম্যাচ টিকিট। জানা গিয়েছে, 'ভিয়াগোগো' নামে তেমনই একটি ওয়েবসাইট নাকি মাঠের এক অংশের টিকিট ২১ লক্ষ টাকায় বিক্রি করতে শুরু করে, অন্য অংশের টিকিট মূল্য রাখা হয় ৫৭ লক্ষ টাকার মতো। ফলে মূল ওয়েবসাইটে টিকিট না পেয়ে অন্য উপায় টিকিট সংগ্রহ করতে মরিয়া হয়ে ওঠেন অনেকে। ফলে কালোবাজারির ব্যবসাও ফুলে ফেঁপে ওঠে।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
মাঠে নামলেই ছয়ের বন্যা! আইপিএলে সেরা ছক্কা হাঁকিয়েছেন কোন ক্রিকেটাররা, জানেন?

Players With Most Sixes IPL : একের পর এক ছয় মেরে সেরার পুরস্কার ছিনিয়ে নিয়েছেন। এক নজরে সেই ‘ছক্কাবাজ’দেরই নজরে রাখা যাক।

কিন্তু দেখতে গেলে, যে গুজরাটের মোতেরা তথা নরেন্দ্র মোদী স্টেডিয়ামে এক লক্ষেরও বেশি আসন রয়েছে দর্শকদের জন্য। তবে এত কম সংখ্যক টিকিট রিলিজ কেন করল বিসিসিআই! বিষয়টা প্রথম থেকেই বেশ সন্দেহের চোখে দেখেছিলেন অনেকে। ভারতের প্রাক্তন পেসার ভেঙ্কটেশ প্রসাদ বিসিসিআইকে একপ্রকার ধমকই দিয়ে ফেললেন এই বিষয়ে কথা বলতে গিয়ে। কেন মাত্র হাতে গোনা কয়েকটা আসনই সাধারণ মানুষের জন্য বরাদ্দ করবে বিসিসিআই? তাহলে কি প্রথম থেকেই কালোবাজারির ছক কষা ছিল? এমনকী ভিয়াগোগোর মতো ওয়েবসাইটগুলির সঙ্গে সরাসরি যোগসাজসের তত্ত্বও উঠে এসেছে? নাকি নেপথ্যে রয়েছে অন্য কারণ? কেন গোড়া থেকেই টিকিট বিক্রিতে স্বচ্ছতা দেখায়নি বিসিসিআই? যেখানে ন্যূনতম ৮৫০০ সিট ভক্তদের জন্য রাখার কথা, সেখানে কেন এই গাফিলতি? আপাতত ক্রিকেটপ্রেমীদের মনে ঘুরপাক খাচ্ছে এমনই হাজারটা প্রশ্ন।

হিসেব বলছে, অন্যসব ম্যাচে যেভাবে ভক্তদের জন্য একটা নির্দিষ্ট অংশের টিকিট বরাদ্দ রাখা হয়, ঠিক সেভাবেই এই ম্যাচেও ৮৫০০ সিট ভক্তদের জন্য বরাদ্দ রাখা উচিত ছিল বিসিসিআইয়ের। অনেকেই মনে করছেন, বিগত কয়েক বছর ধরেই কর্পোরেট এবং অন্যান্য ধনী সদস্যদের খুশি করাটা বিসিসিআইয়ের একটা পরম্পরা হয়ে দাঁড়িয়েছে। সব সময়ই কর্পোরেট রিজার্ভেশন তাই একটু বেশি রাখা হয় প্রতিটি খেলার মাঠে। অথচ যারা ক্রিকেট বা টিম ইন্ডিয়ার ডাই হার্ড ফ্যান, তাদের হাতে থেকে যায় পেনসিল। তাঁদের জন্য টিকিট বরাদ্দ থাকে না বললেই চলে। ক্রিকেট ভক্তদের বঞ্চিত করাটাই যেন লক্ষ্য বিসিসিআইয়ের। তোপ দেগেছেন ক্রিকেটপ্রেমীরা।

আর এই ব্যাপক সমালোচনা আর বিতর্কের মুখে পড়েই শেষমেষ হুশ ফিরেছে বিসিসিআইয়ের। তাঁরা রীতিমতো ঘোষণা করে জানিয়ে দিয়েছে, অতিরিক্ত চার লক্ষ টিকিট বিক্রি শুরু হবে আগামীকাল সকাল থেকে। লিগ ম্যাচের মতো গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচগুলির টিকিট সংখ্যাও বাড়ানো হবে বলে জানানো হয়েছে। এমনকী নিজেদের ভুল স্বীকার করে ইতিমধ্যেই অফিসিয়াল বিবৃতিও জারি করেছে বিসিসিআই। তারা জানিয়েছে, ভক্তরাই যে টুর্নামেন্টের হৃদস্পন্দন, তা মনেপ্রাণে বিশ্বাস করে বিসিসিআই। ২০২৩ আইসিসি পুরুষদের বিশ্বকাপে তাঁদের অটুট আবেগ বিসিসিআইকে অনুপ্রাণিত করেছে। টিকিট নিয়ে একটা সমস্যা হয়েছিল। হোস্টিং স্টেট অ্যাসোসিয়েশনের সঙ্গে আলোচনার পরে এই হাই ভোল্টেজ টুর্নামেন্টের জন্য আরও চার লক্ষ টিকিট বিক্রির সিদ্ধান্ত নিয়েছে ক্রিকেট নিয়ামক সংস্থা। আশা করা যাচ্ছে, এই পদক্ষেপের ফলে উৎসাহী ক্রিকেট ভক্তরা এই ঐতিহাসিক ইভেন্টে অংশগ্রহণ করতে পারবে।

প্রশ্ন উঠেছে, শুধুই কি জনগণের চাপে পড়ে নতুন করে টিকিট রিলিজের সিদ্ধান্ত নিলো বিসিসিআই? নাকি এর পিছনে রয়েছে অন্য কোনও সমীকরণ? কালোবাজারি করে যে টাকা আসছে সেটা কি কোনও বিশেষ ফান্ডে জমা পড়ার কথা ছিল? উঠে গিয়েছে সেই প্রশ্নও। কর্পোরেট ভালোবাসা দেখাতে গিয়ে কি সাধারণ মানুষকে একেবারেই ভুলে গেছিলেন জয় শাহ, রজার বিনিরা? নাকি এটাও আবার ভোটের আগে বিজেপি সরকারের অদ্ভুত কোনও এক মাস্টারস্ট্রোক?

লিখেছেন
Sourish Das
Sourish Das
0 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

সরবোন থেকে যন্তরমন্তর: যে আগুন বারবার বদলে দেয় পৃথিবীকে

May 1968 France student protests: এই যে ছেলেমেয়েরা যন্তরমন্তরের রাস্তায় স্লোগান দিচ্ছে, ধারাশ্রাবণের ভয় পিছনে ফেলে পার্লামেন্ট স্ট্রিটের দিকে এগিয়ে গেল, দক্ষিণী এক বৃদ্ধ তার ধুতি সামলাতে সামলাতে ছুটছেন তাদের সঙ্গে—কী মনোরম এই বারিপাত! কেমন যেন একটা দুর্দান্ত ফ্ল্যাশব্যাকে ঘুরে গেল সময়।

অঙ্কিতা ভাণ্ডারী মামলা: তিন অভিযুক্তের সাজা হয়েও মেটেনি ‘ভিআইপি’ রহস্য

Ankita Bhandari case highlights :অঙ্কিতার বাবা-মা অভিযোগ করেছেন, গৌতমই সেই ভিআইপি, যিনি তাঁদের মেয়েকে হত্যার ষড়যন্ত্রে জড়িত ছিলেন। তাঁরা রাষ্ট্রপতির কাছে গৌতমের রাজ্যপাল নিয়োগকে চ্যালেঞ্জ করে আদালতে গিয়েছেন, এই যুক্তিতে যে এই ‘ভিআইপি’কে কোনো পদে বহাল থাকার অনুমতি দেওয়ার আগে সিবিআই তদন্ত শেষ হওয়া উচিত।

জিডিপির বাইরে উন্নয়নের হিসাব, ভারতের অর্থনীতিকে অন্য চোখে দেখতে শিখিয়েছেন জঁ দ্রেজ

Economist Jean Drèze: দিল্লিতে সিজেপি বিক্ষোভের সময় পুলিশ আটক করল অর্থনীতিবিদ জঁ দ্রেজকে। অমর্ত্য সেনের সহযোগী এই অর্থনীতিবিদ MGNREGA ও জাতীয় খাদ্য সুরক্ষা আইনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন। ২০২৬- এ পেয়েছেন গ্লোবাল ইনইকুয়ালিটি রিসার্চ অ্যাওয়ার্ড।

জ্ঞানেশ বিরোধী আন্দোলন: তারুণ্য যা শেখালো ইন্ডিয়া জোটকে

Youth Protests and Opposition Unity: সংসদীয় রাজনীতিতে যেখানে প্রবীণ নেতারা ঐক্যের পথ খুঁজতে গিয়ে হোঁচট খাচ্ছিলেন, সেখানেই নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে ভোটার তালিকা ও বিভিন্ন অনিয়ম সংক্রান্ত ক্ষোভকে কেন্দ্র করে রাজপথে নামা তরুণ প্রজন্ম বিরোধীদের নতুন করে এক ছাতার তলায় আসার পথ তৈরি করছে।

কেন তুলে দিতে হচ্ছে মাদ্রাসা কমিশন? প্রশ্ন শিক্ষামহলের

West Bengal decides to merge Madrasah Service Commission: ১৩ অক্টোবর ২০২৬ জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ৫ অক্টোবরের মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১৯৯৭ সালের পশ্চিমবঙ্গ স্কুল সার্ভিস কমিশনের সঙ্গে মাদ্রাসা সার্ভিস কমিশনকে একীভূত করার উদ্যোগ নিয়েছে রাজ্য সরকার।

আমার উৎসব, ওঁদের আরও একটা দীর্ঘ কাজের দিন

Durga Puja for Gig Workers: গিগ কর্মীদের দুর্গাপুজোর চার দিন কীভাবে কাটে? বাড়তি উপার্জনের আশায় ব্যক্তিগত আনন্দ, উৎসবের আমেজ আর প্রিয়জনদের সঙ্গে কাটানোর সময় থেকে কতটা বিসর্জন দিতে হয় তাঁদের?

বাংলাদেশে রবীন্দ্র-বিরোধিতা নিয়ে কী বলছেন বুদ্ধিজীবীরা?

Tagore graffiti vandalism Bangladesh: বাংলাদেশে কেন টার্গেট রবীন্দ্রনাথ? বুদ্ধিজীবীরা কী বলছেন?

রবীন্দ্রনাথ সত্যিই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করেছিলেন?

The Tagore Myth: ঢাকার শিল্পকলা একাডেমির সামনে রবীন্দ্রনাথের গ্রাফিতিতে চুনকালি দেওয়ার ঘটনায় জামায়াতে ইসলামীর দাবি, 'রবীন্দ্রনাথ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় চাননি।' ফ্যাক্ট-ওয়াচ ও প্রয়াত অধ্যাপক আনিসুজ্জামানের মতে, দাবিটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। ইতিহাসের তথ্য ও তর্কের পরিপ্রেক্ষিতে, দেখে নেওয়া যাক, এই দাবিগুলি কতটা মিথ, কতটা মিথ্যা।