আদালতের রায়ে নাজেহাল যুবরাজ! কেন ফের সিবিআইয়ের তলব অভিষেককে?

Abhishek Banerjee: শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় তাঁর নাম জড়িয়ে যেতেই মামলা থেকে অব্যহতি চেয়ে আদালতে আবেদন করেছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।

inscript
২ মিনিট
আদালতের রায়ে নাজেহাল যুবরাজ! কেন ফের সিবিআইয়ের তলব অভিষেককে?

নবজোয়ারে ভেসেছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু জনস্রোত নয়, তাঁকে পিছনে টানছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার ডাক। অভিষেক ও কুন্তলকে যে চাইলেই ইডি ও সিবিআই জেরা করতে পারে এই রায় আগেই দিয়েছিলেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। পরে তাঁকেই সরিয়ে দেওয়া হয় এই মামলার রায়দান থেকে। যদিও বৃহস্পতিবারই এই মামলার নয়া বিচারপতি অমৃতা সিনহা অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের রায় বহাল রাখেন। পাশাপাশি অভিষেক ও কুন্তলের ২৫ লক্ষ টাকা করে জরিমানাও করেন! সেই রায়ের ২৪ ঘণ্টা পেরতে না পেরোতেই কুন্তল ঘোষের চিঠি কাণ্ডে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে তলব করল সিবিআই। শনিবার সকালে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডাক পড়েছে নিজাম প্যালেসে।

সিবিআইয়ের এই নির্দেশ পালন করতে তাই নবজোয়ার স্থগিত রেখে কলকাতায় ফিরছেন অভিষেক। গতকালই বিচারপতি অমৃতা সিনহা নির্দেশ দেন, শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ধৃত কুন্তল ঘোষের চিঠির প্রেক্ষিতে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ইডি ও সিবিআই জেরা করতে পারবে। এর আগে কুন্তলের চিঠি কাণ্ডে বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় এই একই নির্দেশ দিয়েছিলেন। কিন্তু সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টে গিয়েছিলেন অভিষেক। বিচারাধীন মামলা নিয়ে অভিজিৎ সংবাদমাধ্যমে মন্তব্য করছেন বলে প্রশ্ন ওঠে। অভিষেক ও কুন্তলের মামলাটি বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের এজলাস থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। তবে নতুন বিচারপতির এসেও অভিজিতের রায়ই বহাল রাখেন।

I have received a summon from the CBI to appear before them tomorrow, on 20th May'23 for examination.

Despite not being given even a day’s prior notice, I will still abide by the summon.

I will give my full cooperation during the course of the investigation. (1/2)

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
হাইকোর্টে বিপাকে তৃণমূল! কেন মোটা অঙ্কের জরিমানা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, কুন্তল ঘোষের?

Abhishek Banerjee-Kuntal Ghosh: কোনও মামলার আবেদনকে যদি আদালত ভিত্তিহীন মনে করে তাহলে আবেদনকারীর জরিমানা ধার্য হতে পারে।

— Abhishek Banerjee (@abhishekaitc)

শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় তাঁর নাম জড়িয়ে যেতেই মামলা থেকে অব্যহতি চেয়ে আদালতে আবেদন করেছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। আদালত সেই আবেদন খারিজ করে দেয়। ইডি বা সিবিআই কেনই বা চাইলেই তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারবে এই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করেছিলেন অভিষেক। এই চ্যালেঞ্জের কোনও ভিত্তিই খুঁজে পায়নি আদালত। হাইকোর্টে এই আবেদন খারিজ হওয়ায় অভিষেককে ২৫ লাখ টাকা জরিমানার নির্দেশ দেন বিচারপতি অমৃতা সিনহা।

অভিষেক দাবি করেছিলেন, শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতিতে তাঁর নাম বলিয়ে নেওয়ার জন্য চাপ দিচ্ছে ইডি, সিবিআই। অভিষেকের এই অভিযোগের পরেই কুন্তল ঘোষ প্রেসিডেন্সি জেলের সুপারকে দিয়েএকটি চিঠি পাঠান হেস্টিংস থানায়। সেখানে তিনি লেখেন, তাঁকেও নাকি অভিষেকের নাম বলানোর জন্য চাপ দিচ্ছে ইডি, সিবিআই। মামলা আদালতে এলে বিচারপতি অভিজিৎ জানান, ইডি সিবিআই চাইলে জেরা করতেই পারে। অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে যান অভিষেক। শুনানিতে অভিষেকের আইনজীবী জানান, বিচারাধীন মামলা নিয়ে বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় টেলিভিশনে সাক্ষাৎকার দিচ্ছেন এবং তাতে অভিষেক সম্পর্কে এমন কিছু কথা বলছেন যা পক্ষপাতদুষ্ট।

সুপ্রিম কোর্ট নিয়োগ দুর্নীতি সংক্রান্ত মামলাটি বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের এজলাস থেকে সরিয়ে দেয় রাতারাতি। তবে মামলার নতুন বিচারপতি অমৃতা সিনহাও ইডি, সিবিআইয়ের জেরার পক্ষেই নির্দেশ দেন।

লিখেছেন
inscript
inscript
16 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

এসআইআর বির্তক: যে খবর স্বাভাবিক হওয়ার কথা, সেটাই আজ বিস্ময়

Gyanesh Kumar, SIR and Election Commission: এসআইআর নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে আপত্তি থাকা সত্ত্বেও কেন প্রক্রিয়া চালানো হল? জ্ঞানেশ কুমার কীভাবে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার হলেন? ২০২৩ সালে আইন বদলে প্রধান বিচারপতিকে নির্বাচন কমিশনার বাছাইয়ের কমিটি থেকে সরানো হল কেন? এতদিন এই প্রশ্নগুলি গণমাধ্যম তুলল না কেন?

এসআইআর: বিশুদ্ধ ভোটার তালিকা তৈরির নামে যা পেল বাঙালি

Real Effect of SIR in bengal: ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় পশ্চিমবঙ্গে ৯১ লক্ষ ভোটার বাদ যান, যারা ছিলেন মোট ভোটারের ১২ শতাংশ। যাদের মধ্যে ৩৪% ছিলেন মুসলিম , নারীরা সংখ্যায় ছিলেন ৬১.৮%, এছাড়াও ছিলেন, মতুয়া ও রাজবংশী সম্প্রদায়ের মানুষেরা, যারা অসামঞ্জস্যপূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন। ফর্ম-৭-এর অপব্যবহার, অ্যালগরিদম-নির্ভর যাচাই, ১৯টি আপিল ট্রাইব্যুনালে ১ লক্ষ মামলা, সব মিলিয়ে ২০২৬-এর ভোটে যোগ্য নাগরিকরাও বাদ পড়েছিলেন।

‘সব নির্বাচনেই কারচুপি’, কেন এমন দাবি রাহুল গান্ধীর?

Rahul Gandhi election rigging claim: রাহুল গান্ধী কেন দাবি করলেন, ভারতের সব নির্বাচনেই কারচুপি হচ্ছে? নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে কী প্রশ্ন তুলেছেন তিনি? সরকারবিরোধী মনোভাব বা অ্যান্টি-ইনকামবেন্সি কীভাবে ভোটের রাজনীতিতে কাজ করে? তাঁর অভিযোগের পক্ষে কী কী তথ্য ও প্রমাণ তুলে ধরা হয়েছে?

সিজেপির তিন দাবি, জ্ঞানেশ কুমার না সরলে ফের বড় আন্দোলন

Election Commission of India: নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা, নির্বাচন পরিচালনার পদ্ধতি এবং ২০২৩ সালের আইনের বৈধতা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের কাছে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি জানিয়েছে সিজেপি। তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ, নির্বাচন প্রক্রিয়া স্থগিত করা এবং ২০২৩ সালের নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ সংক্রান্ত আইন প্রত্যাহার।

থানার গেটেই মারধর প্রাক্তন আইপিএস হুমায়ুন কবীরকে, সাধারণ মানুষ কতটা নিরাপদ?

Humayun Kabir: ঘটনার পর এখনও পর্যন্ত তিনি কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের করতে পারেননি বলেও জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, শারীরিক অসুস্থতার কারণে তখন অভিযোগ করা সম্ভব হয়নি। সুস্থ হয়ে তিনি লিখিত অভিযোগ করবেন।

দুই কমিশনারের আপত্তিতে ফের আলোচনায় সীমা খান্না, কমিশনে ঠিক কী দায়িত্ব তাঁর?

Seema Khanna and ECINet: ভোটার তালিকা ও ইসিআইনেট (ECINet) নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক। দুই নির্বাচন কমিশনারের আপত্তিতে সামনে এসেছে আইটি বিভাগের ভূমিকা এবং ডিরেক্টর জেনারেল (IT) সীমা খান্নার নাম। কে এই সীমা খান্না? নির্বাচন কমিশনে তাঁর দায়িত্ব কী? ভোটার তালিকা পরিচালনায় তাঁর ভূমিকা নিয়েই বা কেন উঠছে প্রশ্ন?

সরকারকে ৪ দিনের সময়সীমা বেধে দিল চা-শ্রমিকরা, ঠিক কী কী দাবি?

Dooars tea workers: ২২ সেপ্টেম্বর বকেয়া মজুরি ও অন্যান্য পাওনা মেটানোর দাবিতে হাঁটাপাড়া, ধুমচিপাড়া ও গারগান্ডার চা-শ্রমিকরা মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পদযাত্রা শুরু করেন। একই দিনে তোর্সার প্রস্তাবিত ল্যান্ড পোর্ট প্রকল্পে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষও জমি ও অধিকার রক্ষার দাবিতে পদযাত্রা করেন। দুই পদযাত্রাই পুলিশ আটকে দেয়।

বিশাখাপত্তনমে গুগলের ডেটা সেন্টার: ডিজিটাল উন্নয়নের দাম দেবে জল ও পরিবেশ?

Digital Thirst of vizag ai data centres: গুগল-আদানি-এয়ারটেলের যৌথ উদ্যোগে বিশাখাপত্তনমে গড়ে উঠছে ১ গিগাওয়াটের এআই ডেটা সেন্টার, বিনিয়োগ ১.২৫ লক্ষ কোটি টাকা। কিন্তু শহরের জলসংকট, কাম্বালাকোন্ডা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যের নৈকট্য আর পরিবেশবাদীদের বিক্ষোভ এই প্রকল্পকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে। 'স্টপ বিশাগ ডেটা সেন্টারস'-এর ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট পর্যন্ত নিষিদ্ধ করেছে ভারত সরকার।