স্নেহ না সৌজন্য! শুভেন্দু অধিকারীকে কেন 'ক্ষমা' করে দিলেন মমতা?

Mamata Banerjee: বিজেপিকে যিনি হামেশাই মঞ্চে, জনসভায় তুলোধনা করেন সেই মমতাই হঠাৎ ক্ষমার পরাকাষ্ঠা হয়ে আগলে নিলেন প্রাক্তন তৃণমূল-অধুনা বিজেপি নেতাকে।

inscript
৩ মিনিট
স্নেহ না সৌজন্য! শুভেন্দু অধিকারীকে কেন 'ক্ষমা' করে দিলেন মমতা?

দলের এককালের বিশ্বস্ত সেনার প্রতি পুরাতন স্নেহ? নাকি বিরোধীদের দীর্ঘদিনের "যাহা বিজেপি, তাহাই তৃণমূল" ধারণাকেই মান্যতা? শুভেন্দু অধিকারীকে যেভাবে বাঁচালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাতে এই প্রশ্ন নতুন করে বাংলার রাজনীতির আকাশে ছন্নছাড়া মেঘের মতোই ভেসে উঠেছে। মুখ্যমন্ত্রীর হস্তক্ষেপেই বাংলার প্রধান বিরোধী দলের নেতা শুভেন্দু অধিকারী বিধানসভায় সাসপেনশন থেকে রক্ষা পেয়েছেন। বিজেপিকে যিনি হামেশাই মঞ্চে, জনসভায় তুলোধনা করেন সেই মমতাই হঠাৎ ক্ষমার পরাকাষ্ঠা হয়ে আগলে নিলেন প্রাক্তন তৃণমূল-অধুনা বিজেপি নেতাকে। স্পিকারকে 'অপমান' করার পরেও শুভেন্দুর হয়ে ক্ষমা চেয়ে নেন খোদ মমতা! শুধু তাই নয়, মুখ্যমন্ত্রী নিজের রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বীর আচরণের নিন্দা করার সময়ও তেমন কড়া কথা শোনাননি, ক্ষমা করেছেন, ক্ষমা করতেই বলেছেন।

বিধানসভায় সোমবার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী অভিযোগ করেন, “রাজ্যপালকে দিয়ে মিথ্যা তথ্য দেওয়ানো হচ্ছে।” পাশাপাশি তৃণমূলের ত্রুটি ঢাকতে রাজ্যপাল নিরপেক্ষ থাকছেন না এবং রাজ্যপালের বক্তব্যে দুর্নীতি, সন্ত্রাসের প্রসঙ্গও উঠে আসছে না বলে অভিযোগ করেন তিনি। শুভেন্দুর এই বক্তব্য রাখার সময়েই তাঁর সঙ্গে কথা কাটাকাটি হয় স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়ের। ‘পিসি চোর, ভাইপো চোর’ স্লোগান দিতে দিতেই গেরুয়া শিবিরের বিধায়করা বিধানসভা থেকে বেরিয়ে যান।

স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ তোলেন, তাঁর সঙ্গে দুর্ব্যবহার করেছেন বিরোধী দলনেতা। শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে স্বাধিকার ভঙ্গের প্রস্তাব আনার কথা ঘোষণা করেন বিমান। অন্যদিকে পাল্টা স্পিকারের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব আনার কথা জানান শুভেন্দু। এর পরেই মঞ্চে মুশকিল আসান হয়ে অবতীর্ণ হন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, ক্ষমার বাণী নিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করতে চান তিনি। প্রথমে জানা গিয়েছিল, ২০ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত শুভেন্দুকে সাসপেন্ড করেছেন স্পিকার। মুখ্যমন্ত্রী বিরোধী দলনেতার হয়ে ক্ষমা চাওয়ায় ওই সাপপেনশন প্রত্যাহার করে নেন স্পিকার। শুভেন্দুকে সাসপেন্ড করার প্রস্তাব এনেছিলেন তৃণমূল বিধায়ক তাপস রায়। পরে তিনিও সেই প্রস্তাব প্রত্যাহার করে নেন।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই ভারতের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার যোগ্য! কেন এমনটা বললেন অমর্ত্য সেন?

CM Mamata Banerjee Amartya Sen : তৃণমূলের বিধায়ক থেকে শুরু করে সাংসদ-মন্ত্রী, সাধারণ কর্মী, প্রত্যেকের বক্তব্য একটাই। ‘ভারত এবার মেয়েকে চায়’।

মমতা শুরুতেই বলেন, "বিরোধী দলের নেতার কী লজ্জাজনক আচরণ। ওরা সবসময়ই এমন করে। ওরা সর্বত্র এই ধরনের ভাষা ব্যবহার করে। আমাদের বিরুদ্ধেও। আমি ওর পক্ষ থেকে ক্ষমা চাই। দয়া করে ওকে ক্ষমা করুন, ওদের ক্ষমা করুন।" বিধানসভায় রাজ্যপালের ভাষণের প্রেক্ষিতে মুখ্যমন্ত্রী এবং বিরোধীদলীয় নেতার প্রতিক্রিয়া জানতে চাওয়া হলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কোনওরকম আক্রমণে না গিয়ে শুভেন্দু তো বটেই, বিজেপিকেও ক্ষমা করে দেওয়ার আর্জি জানান।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজের ভাষণে পরে বলেন, "একজন বিরোধী নেতা কি ইডি এবং সিবিআই সম্পর্কে এই ধরনের কথা বলতে পারেন এবং নির্দেশ দিতে পারেন যে তারা কোথায় অভিযান চালাবেন? তিনি কি রাজ্যপাল সম্পর্কে এমন কথা বলতে পারেন?"

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
দলে টানতে চেয়েছেন মমতা! শুভেন্দুর যে বিস্ফোরক দাবি ঘিরে হুলুস্থূল বঙ্গরাজনীতিতে

Suvendu Adhikari: শুভেন্দুই বলে ফেললেন 'সেটিং-কথা'। আর এই বিস্ফোরক অভিযোগের কেন্দ্রে আবার তিনিই, অর্থাৎ মমতা।

রাজ্যে শিক্ষক নিয়োগ সংক্রান্ত দুর্নীতি থেকে শুরু করে কেন্দ্রীয় অনুদান অন্য খাতে খরচ করার অভিযোগ তুলেছিলেন শুভেন্দু। অথচ দুর্নীতির প্রসঙ্গে রাজ্যপাল কেন নীরব সেই নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তিনি। তহবিলের অপব্যবহার এবং ঊর্ধ্বতন আমলা ও পুলিশ আধিকারিকদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করছিলেন শুভেন্দু, যা স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় গুরুত্ব দেননি। তাতে যারপরনাই চটে যান শুভেন্দু, মেজাজও হারান। বিজেপি বিধায়কদের নিয়ে ওয়াকআউটের পথে যান বিরোধী নেতা।

মুখ্যমন্ত্রীর এককালীন স্নেহধন্য শুভেন্দুকে ক্ষমা করার বিষয়ে এমন সিদ্ধান্ত বিষয়ে বিরোধী নেতা অবশ্য বলছেন, "ওদের বোধের উদয় হোক। আমার কথা শুনুন। ওরা আমার কথা শুনলে বাংলার জন্য খারাপ হবে না, ভালোই হবে"। শুভেন্দু কিন্তু কড়া কথা, অভিযোগের দিক থেকে সরে আসেননি। তিনি জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা শুভেন্দুরে বক্তৃতায় বাধা দিতেই তাঁর বিধায়কদের উত্সাহিত করছেন, এমন পরিস্থিতি তৈরি করেছেন।

"আমার বক্তৃতার শুরুতেই আমি বলেছিলাম যে, আমাদের রাজ্যপালের উচিত তামিলনাড়ুর রাজ্যপালের পথে চলা। তিনি রাজ্য সরকারের লিখিত বলতে অস্বীকার করেন। স্পিকার যদি সিদ্ধান্ত নেন আমার বক্তৃতায় কী থাকা উচিত, সেক্ষেত্রে তার নিরপেক্ষতা নিয়েই প্রশ্ন রয়েছে," অভিযোগ শুভেন্দুর। যদিও শেষে তিনি বলেন, বিজেপি বিধায়করা সিদ্ধান্ত নিয়েছেন যে তারা নিয়ম মেনেই চলবেন এবং নিজেদের অভিযোগ নিয়ে কথাও বলবেন।"

প্রেম দিবসে গরুকে আলিঙ্গন করতে বলে, পরে তা প্রত্যাহার করার বিষয়েও বিজেপিকে নিয়ে হালকা মশকরা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। "ওরা চায় আমরা ভ্যালেন্টাইনস ডে-তে গরুকে জড়িয়ে ধরি। যদি একটি গরু কাউকে গুঁতিয়ে দেয় তাহলে কী হবে? কে দায়ী হবে? প্রত্যেককে আগে তো তাহলে বীমা দেওয়া উচিত। তারপরে মানুষকে এসব করতে বলা উচিত,” বলেছেন মুখ্যমন্ত্রী। যতই লঘু দিকে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা হোক না কেন, রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশ এবং রাজ্যের অন্য বিরোধীদল বামেদের নেতারা কিন্তু বলছেন, ক্ষমার এই বাণী আসলে রাজনৈতিক এক বড় কৌশল। বিজেপির সঙ্গে বাহ্যিক যতই কাদা ছোঁড়াছুঁড়ি থাক, ভেতরের সমঝোতার নীতি মমতার এই আচরণেই স্পষ্ট। বিজেপিকে চটাতে চান না মমতা। বিশেষ করে শুভেন্দুর মতো নেতাকে তো নয়ই। তাই স্নেহ, না কি রাজনৈতিক সৌজন্য, এ অঙ্কের উত্তর সম্ভবত জানে ভোটের সমীকরণই।

লিখেছেন
inscript
inscript
16 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

এসআইআর: বিশুদ্ধ ভোটার তালিকা তৈরির নামে যা পেল বাঙালি

Real Effect of SIR in bengal: ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় পশ্চিমবঙ্গে ৯১ লক্ষ ভোটার বাদ যান, যারা ছিলেন মোট ভোটারের ১২ শতাংশ। যাদের মধ্যে ৩৪% ছিলেন মুসলিম , নারীরা সংখ্যায় ছিলেন ৬১.৮%, এছাড়াও ছিলেন, মতুয়া ও রাজবংশী সম্প্রদায়ের মানুষেরা, যারা অসামঞ্জস্যপূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন। ফর্ম-৭-এর অপব্যবহার, অ্যালগরিদম-নির্ভর যাচাই, ১৯টি আপিল ট্রাইব্যুনালে ১ লক্ষ মামলা, সব মিলিয়ে ২০২৬-এর ভোটে যোগ্য নাগরিকরাও বাদ পড়েছিলেন।

‘সব নির্বাচনেই কারচুপি’, কেন এমন দাবি রাহুল গান্ধীর?

Rahul Gandhi election rigging claim: রাহুল গান্ধী কেন দাবি করলেন, ভারতের সব নির্বাচনেই কারচুপি হচ্ছে? নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে কী প্রশ্ন তুলেছেন তিনি? সরকারবিরোধী মনোভাব বা অ্যান্টি-ইনকামবেন্সি কীভাবে ভোটের রাজনীতিতে কাজ করে? তাঁর অভিযোগের পক্ষে কী কী তথ্য ও প্রমাণ তুলে ধরা হয়েছে?

সিজেপির তিন দাবি, জ্ঞানেশ কুমার না সরলে ফের বড় আন্দোলন

Election Commission of India: নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা, নির্বাচন পরিচালনার পদ্ধতি এবং ২০২৩ সালের আইনের বৈধতা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের কাছে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি জানিয়েছে সিজেপি। তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ, নির্বাচন প্রক্রিয়া স্থগিত করা এবং ২০২৩ সালের নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ সংক্রান্ত আইন প্রত্যাহার।

থানার গেটেই মারধর প্রাক্তন আইপিএস হুমায়ুন কবীরকে, সাধারণ মানুষ কতটা নিরাপদ?

Humayun Kabir: ঘটনার পর এখনও পর্যন্ত তিনি কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের করতে পারেননি বলেও জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, শারীরিক অসুস্থতার কারণে তখন অভিযোগ করা সম্ভব হয়নি। সুস্থ হয়ে তিনি লিখিত অভিযোগ করবেন।

দুই কমিশনারের আপত্তিতে ফের আলোচনায় সীমা খান্না, কমিশনে ঠিক কী দায়িত্ব তাঁর?

Seema Khanna and ECINet: ভোটার তালিকা ও ইসিআইনেট (ECINet) নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক। দুই নির্বাচন কমিশনারের আপত্তিতে সামনে এসেছে আইটি বিভাগের ভূমিকা এবং ডিরেক্টর জেনারেল (IT) সীমা খান্নার নাম। কে এই সীমা খান্না? নির্বাচন কমিশনে তাঁর দায়িত্ব কী? ভোটার তালিকা পরিচালনায় তাঁর ভূমিকা নিয়েই বা কেন উঠছে প্রশ্ন?

সরকারকে ৪ দিনের সময়সীমা বেধে দিল চা-শ্রমিকরা, ঠিক কী কী দাবি?

Dooars tea workers: ২২ সেপ্টেম্বর বকেয়া মজুরি ও অন্যান্য পাওনা মেটানোর দাবিতে হাঁটাপাড়া, ধুমচিপাড়া ও গারগান্ডার চা-শ্রমিকরা মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পদযাত্রা শুরু করেন। একই দিনে তোর্সার প্রস্তাবিত ল্যান্ড পোর্ট প্রকল্পে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষও জমি ও অধিকার রক্ষার দাবিতে পদযাত্রা করেন। দুই পদযাত্রাই পুলিশ আটকে দেয়।

বিশাখাপত্তনমে গুগলের ডেটা সেন্টার: ডিজিটাল উন্নয়নের দাম দেবে জল ও পরিবেশ?

Digital Thirst of vizag ai data centres: গুগল-আদানি-এয়ারটেলের যৌথ উদ্যোগে বিশাখাপত্তনমে গড়ে উঠছে ১ গিগাওয়াটের এআই ডেটা সেন্টার, বিনিয়োগ ১.২৫ লক্ষ কোটি টাকা। কিন্তু শহরের জলসংকট, কাম্বালাকোন্ডা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যের নৈকট্য আর পরিবেশবাদীদের বিক্ষোভ এই প্রকল্পকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে। 'স্টপ বিশাগ ডেটা সেন্টারস'-এর ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট পর্যন্ত নিষিদ্ধ করেছে ভারত সরকার।

এসআইআর নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরেই আপত্তি, ১০ মাসে দুই কমিশনারের ১৪ বার প্রশ্ন

Election Commission SIR: এসআইআর ঘিরে নির্বাচন কমিশনের অন্দরেই তৈরি হয়েছে মতপার্থক্য। গত ১০ মাসে দুই নির্বাচন কমিশনার ১৪ বার আপত্তি জানিয়েছেন বলে দাবি দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস-এর এক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে। ফর্ম ৬ বদল, ভোটার তথ্যভান্ডারের কেন্দ্রীয়করণ, পশ্চিমবঙ্গের আপিল এবং প্রযুক্তিগত ব্যবস্থাপনা নিয়েও উঠেছে একাধিক প্রশ্ন। ভোটার তালিকা সংশোধনের প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও আইন মেনে চলার বিষয়টি ফের আলোচনায়।