সরকারের বিরুদ্ধে আওয়াজ তোলার মাশুল! জাফর পানাহির গ্রেপ্তারি নিয়ে উত্তাল বিশ্ব

মোস্তাফা আল মাহমেদ এবং মহম্মদ রাসুলাফ- এই তালিকায় জুড়ে গেল আর একটা নাম। জাফর পানাহি। ইরানের কট্টর মৌলবাদী সরকার এবং নিরাপত্তাবাহিনীর দমনপীড়ন নিয়ে কণ্ঠ ছেড়েছিলেন পানাহি। তাঁকে আবারও গ্রেপ্তার করা হলো।

tiasa gupta
৪ মিনিট
সরকারের বিরুদ্ধে আওয়াজ তোলার মাশুল! জাফর পানাহির গ্রেপ্তারি নিয়ে উত্তাল বিশ্ব

মোস্তাফা আল মাহমেদ এবং মহম্মদ রাসুলাফ- এই তালিকায় জুড়ে গেল আর একটা নাম। জাফর পানাহি। ইরানের কট্টর মৌলবাদী সরকার এবং নিরাপত্তাবাহিনীর দমনপীড়ন নিয়ে কণ্ঠ ছেড়েছিলেন পানাহি। তাঁকে আবারও গ্রেপ্তার করা হলো। একজন চলচ্চিত্র-নির্মাতা যে সরকারের 'বেয়াড়াপনা’-র বিরুদ্ধে আওয়াজ তুলবেন, এ আর কী এমন আশ্চর্যের! পানাহি সেই কাজটাই করেছিলেন। জেলের দরজা দেখিয়ে তাঁকে যে থামানো যায় না, আবারও তা প্রমাণ করলেন তিনি। কারণ কিছুদিন আগেই তাঁকেই গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। এরপর সরকারের তোষণ তো দূর অস্ত! তিনি 'তুঘলকি’ আচরণ নিয়ে সরব হন। আবারও তার মাশুল দিতে হলো তাঁকে। পরিণতি গ্রেপ্তার!

ফ্রান্সের এক সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, ১১ জুলাই তেহরান থেকে 'স্বর্ণভালুক’-জয়ী পরিচালক পানাহিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ইরানের স্বৈরাচারী সরকারের সমালোচক হিসেবে পরিচিত পানাহিকে এর আগেও গ্রেপ্তার করা হয়। সরকার-বিরোধী প্রতিবাদে অংশ নেওয়ার জন্য ২০১০ সালে তিনি গ্রেপ্তার হন। তখন তাঁর ৬ বছরের জেল হয়। সিনেমা তৈরি এবং চিত্রনাট্য লেখার পাশাপাশি তাঁর দেশত্যাগের ওপরও নিষেধাজ্ঞা রয়েছে।

গত সপ্তাহে ইরানের দুই চলচ্চিত্র-নির্মাতা মোস্তাফা আল আফমেদ এবং মহম্মদ রাসুলফকে গ্রেফতার করে ইরানের নিরাপত্তাবাহিনী। তাঁদের মামলার ব্যাপারে খোঁজখবর নিতে আইনজীবীর কাছে গিয়েছিলেন পানাহি। সেখানেই তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয় বলে ফ্রান্সের সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে।

মে মাসে ইরানের দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চলের শহর আবাদানে একটি বাড়ি ধসে ৪৩ জনের মৃত্যু হয়। এর প্রতিবাদে বিক্ষোভ দেখান সাধারণ মানুষ। সেই বিক্ষোভকে সমর্থন করায় আহমেদ এবং রাসুলফকে গ্রেফতার করা হয়। তাঁদের গ্রেপ্তারের প্রতিবাদ নিয়ে আবার সরব হন পানাহি। এর মাশুল দিতে হলো তাঁকেও। `দ্য সার্কল’, 'অফসাইড’, 'ট্যাক্সি’-র মতো ছবি তৈরি করে বিশ্বজুড়ে পরিচিতি পেয়েছেন পানাহি। তাঁকে ইরানের অন্যতম সেরা চলচ্চিত্রকার বলে মনে করা হয়। ফলে তিনি গলা ছাড়লে, তা যে সাধারণ মানুষ গ্রহণ করবে, তা ভালোই বুঝেছিল সরকার। তাই হয়তো ভয় থেকেই তারা পানাহিকে জেলের দরজা দেখিয়ে দিল। কিন্তু এতে কি সমাজের কণ্ঠ রুদ্ধ করা যায়? বোধহয় না। ইতিহাস সেকথা বলে না। যুগে যুগে সমাজকে আলো দেখাতে আসেন পানাহিরা, জেল তাঁদের আওয়াজ দমন করতে পারে না, তা নিরাপত্তাবাহিনী যত বলশালীই হোক না কেন!

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
বিবেকানন্দই অনুপ্রেরণা ছিলেন নিহত শিনজো আবে-র

২০২১ সালে তাঁকে পদ্মবিভূষণ পুরস্কারে পুরস্কৃতও করে ভারত সরকার। আবের মৃত্যুতে একজন সৎ এবং বিশ্বস্ত বন্ধু হারাল ভারত।

সাপ্তাহিক মার্কিন বিনোদন ম্যাগাজিন 'ভ্যারাইটি'-র অনলাইন ভার্সন এই নিয়ে সরব হয়েছে। 'ভ্যারাইটি' লিখেছে, গত মে মাসে ইরানে শহর আবাদানে একটি ভবন ধসে ৪৩ জনের মৃত্যু হয়। এই নিয়ে সাধারণ জনগণের বিক্ষোভে নিরাপত্তাবাহিনীর দমনপীড়ন নিয়ে সোচ্চার ছিলেন আল আহমেদ ও রাসুলফ। 'পুট ইওর গান ডাউন’- হ্যাশট্যাগে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পোস্ট দেওয়ার পর তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।

এদিকে তাঁদের গ্রেফতারি নিয়ে সরব হন জাফর পানাহি। পানাহি-সহ ইরানের ৭০ জন নির্মাতা গ্রেফতারের প্রতিবাদে বিবৃতি দিয়েছেন। এর মধ্যেই পানাহির গ্রেপ্তারের খবর আসে। অর্থাৎ, ইরানের সরকার যে বাকস্বাধীনতা কেড়ে নিতে সবরকম চেষ্টা চালাচ্ছে, তা বলাই বাহুল্য।

'দ্য সার্কল', 'অফসাইড', 'ট্যাক্সি' তাঁকে বিশ্বজোড়া খ্যাতি দিয়েছে। তাই তাঁর গ্রেপ্তারি নিয়ে তোলপাড় বিশ্ব। সরকারের বিরুদ্ধে নিন্দার ঝড় উঠেছে। ২০০০ সালে `দ্য সার্কল’-এর জন্য গোল্ডেন লায়ন, `ক্রিসন গোল্ড’ সিনেমার জন্য ২০০৩ সালে কান চলচ্চিত্র উৎসবের আঁ সেত্রাঁ রিগা বিভাগে পুরস্কার পান তিনি। ৬২ বছরের এই চলচ্চিত্র-নির্মাতা বহু আন্তর্জাতিক পুরস্কারে সম্মানিত হয়েছেন। এর মধ্যে অন্যতম বার্লিন আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের টপ প্রাইজ, দ্য গোল্ডেন বিয়ার। ২০১৫ সালে 'ট্যাক্সি’-র জন্য এই পুরস্কার পান তিনি। কান চলচ্চিত্র উৎসবে সেরা চিত্রনাট্যের জন্য পুরস্কার পান ২০১৮ সালে। `থ্রি ফেসেস’ ছবির জন্য এই বিশেষ ক্যাটেগরিতে এই পুরস্কার পান তিনি।

পানাহিকে গ্রেপ্তারের খবর প্রকাশ্যে আসতেই কান চলচ্চিত্র উৎসব কর্তৃপক্ষ এক বিবৃতিতে তিন নির্মাতার মুক্তির দাবি তুলেছে। তারা এক বিবৃতিতে বলেছে, গভীরভাবে এই গ্রেপ্তারির নিন্দা করছি। অবিলম্বে এঁদের মুক্তির ব্যবস্থা করুক সরকার। বার্লিনও বিষয়টি নিয়ে সরব হয়েছে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় ঝড় উঠেছে। পানাহি নিজেই সোশ্যাল মিডিয়াকে আশ্রয় করে গলা ছেড়েছিলেন। তাতে সুর মিলিয়েছিলেন দেশের অসংখ্য মানুষ। সংখ্যাটা তাক লাগিয়ে দেওয়ার মতো। প্রায় ৫০০ ইরানিয়ান চলচ্চিত্রকার ও সমাজকর্মী শুধু ইনস্টাগ্রামেই তাঁর পোস্টের সমর্থনে আওয়াজ তুলছেন। তাঁরা বলেছেন, আমরা এর তীব্র নিন্দা করছি। যেভাবে স্বাধীন চলচ্চিত্রকার, মুক্ত চিন্তক এবং স্বাধীন মতাদর্শীদের কণ্ঠ রোধ করা হচ্ছে, সারা বিশ্ব তার বিরুদ্ধে আওয়াজ তুলবে।

পানাহির স্ত্রী বিবিসি-কে জানিয়েছেন, তিনি খবর পেয়েছেন, তাঁর স্বামী দুই সহকর্মীর গ্রেপ্তারের বিরুদ্ধে যৌথ বিবৃতিতে সই করেছিলেন। তাই তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। এই প্রথম নয়, এর আগেও সরকারের সমালোচনা করায় তাঁকে কারাবরণ করতে হয়েছে। তিনি ভয় পাওয়ার মানুষ নন। তাই তো তাঁর হাতিয়ার চলচ্চিত্রভাষা। তাঁকে একটা সরকারের এই নির্লজ্জ আচরণ দমিয়ে দিতে পারবে না।

সরকারের সমালোচনা করায় গত কয়েক দশকে বহু ভিন্ন-মতাদর্শী ও স্বাধীন চিন্তকদের জেলে ভরেছে তেহরান। এই ব্যাপারে সরকার নিন্দার পরোয়া করে না। ধৃতদের মধ্যে বেশ কয়েকজন চলচ্চিত্র-নির্মাতা ও বুদ্ধিজীবী। অনেকে গ্রেপ্তার না হলেও গৃহবন্দি অবস্থায় দিন কাটাচ্ছেন। কারও কারও বিরুদ্ধে দেশত্যাগের নিষেধাজ্ঞা রয়েছে।

অর্থাৎ একদিকে একটা 'তুঘলকি' সরকার, অন্যদিকে সারা দেশ, রয়েছেন মুক্ত চিন্তকরা, এরপরও স্বাধীন আওয়াজ উঠবে না তেহরানের বুকে?

লিখেছেন
tiasa gupta
tiasa gupta
0 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

কেতকী কুশারী ডাইসনের গবেষণায় রবীন্দ্রনাথের বর্ণান্ধতা: কবির দেখা রঙের পৃথিবীটা কেমন ছিল?

Ketaki Kushari Dyson about Rabindranath Tagore color blindness: ডাইসনের ক্ষেত্রে একটি ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা ‘রঙের রবীন্দ্রনাথ’-এর ইতিহাসে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। তরুণ বয়সে তাঁর নিজের দৃষ্টিশক্তি গুরুতর সংকটের মুখে পড়েছিল। ডাইসনের নিজের বিবরণ অনুযায়ী ১৯৫৯-৬০ সালে তাঁর চোখে দুটি গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্রোপচার হয়।

‘ভারতের সঙ্গে খাপ খায় না ধর্মনিরপেক্ষতা’: মোহন ভাগবতের দাবি কতটা সত্য?

Mohan bhagwat's anti secularism: উজ্জয়নীর যুব ধর্ম সংসদে আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবত বলেন, ধর্মনিরপেক্ষতা পশ্চিমা ধারণা, ভারতের ‘সর্ব-পন্থ-সমভাব’-এর সঙ্গে এটি খাপ খায় না। সত্যিই কি তাই? মোহন ভাগবতের ‘সর্ব-পন্থ-সমভাব’-এর যুক্তি এবং আরএসএসের ধর্মনিরপেক্ষতা নিয়ে অবস্থানের প্রেক্ষিতে নিবেদিতা মেননের ‘মিসডিরেকশন’ তত্ত্ব কী প্রশ্ন তুলছে?

পাতে মাছ, হাতে ‘সনাতনী’ সার্টিফিকেট, কোনটা চায় বাঙালি?

Dhirendra Shastri fish meat controversy: বিতর্কের সূত্রপাত বাগেশ্বর ধামের ধর্মগুরু ধীরেন্দ্রকৃষ্ণ শাস্ত্রীর মন্তব্যে। তিনি সম্প্রতি বাংলায় এসে দুর্গাপুজোর সময় হিন্দু বাঙালিদের মাছ-মাংস না খাওয়ার আহ্বান জানান। আমিষাশী হিন্দু বাঙালিদের ‘পাখণ্ডী’ বিশেষণ উপহার দেন।

ছবির পরিকল্পনা থেকে পলিফোনিক সুর: মণিদার যে কাজগুলি শেষ পর্যন্ত হলো না

Gautam Chattopadhyay: একদিন মণিদা বলল, ‘চল তো, জয়ন্ত বোসের বাড়ি যাব। ওকে দিয়ে ছবিতে একটা পলিফোনিক আবহ সংগীত তৈরি করাব।’ তখন আমরা দূরদর্শনের জন্য ‘মহুয়া সুন্দরী’ তৈরি করছি—ময়মনসিংহ গীতিকার একটি জনপ্রিয় লোকপালা।

এক রাজকন্যার স্মৃতি যেভাবে হয়ে উঠল রাঢ় বাংলার মেয়েদের নিজস্ব উৎসব

Bhadu Festival: অবিভক্ত মানভূম জেলার পঞ্চকোটের রাজা নীলমণি সিংহদেবের অপরূপা কন্যা ভদ্রেশ্বরী দেবীর অনূঢ়া অবস্থায় অকালে মৃত্যু ঘটে। রাজকন্যার এই আকস্মিক প্রয়াণে রাজার সঙ্গে প্রজাসাধারণও শোকস্তব্ধ হয়ে পড়ে। কন্যার স্মৃতি অমলিন রাখতে শোকার্ত রাজা রাজ্যজুড়ে এক বিশেষ উৎসব পালনের নির্দেশ দেন।

আলো দিয়ে অন্ধকার দেখাতেন, ব্যঙ্গ দিয়ে সমাজের মুখোশ খুলে দিতেন গগনেন্দ্রনাথ ঠাকুর

Gaganendranath Tagore: আধুনিক ভারতীয় শিল্পের প্রেক্ষাপটে গগনেন্দ্রনাথ ঠাকুরের অবদান বুঝতে হলে তাঁকে কেবল ‘ঠাকুরবাড়ির মানুষ’ হিসেবে দেখলে চলবে না; বিচার করতে হবে একজন অনুসন্ধিৎসু ও আধুনিক শিল্পী হিসেবে।

বুদ্ধের হাত, বিশ্বকর্মার যন্ত্র! ইলোরার ১০ নম্বর গুহায় আসলে কে বসে আছেন?

The caste history of vishwakarma's: ইলোরার 'সুতারের ঝোপড়ি' থেকে আধুনিক কারিগরের কর্মশালা, বিশ্বকর্মার হাজার বছরের যাত্রা আজও অব্যাহত। ইলোরার দশ নম্বর গুহায় বুদ্ধের মূর্তিকে ভক্তরা ডাকেন বিশ্বকর্মা বলে, যিনি কারিগরদের পূর্বপুরুষ, দেবতাদের স্থপতি। ঋগ্বেদের 'সর্বকর্তা' থেকে পুরাণের 'দেবশিল্পী', ব্রাহ্মণত্বের দাবি থেকে ওবিসি সংরক্ষণ—বিজয়া রামাস্বামী, জ্যান ব্রাউয়ার ও কিরিন নারায়ণের গবেষণায় উন্মোচিত হয়েছে, বিশ্বকর্মাদের ঘিরে গড়ে ওঠা বর্ণবাদ, কারিগরি ও ক্ষমতাকাঠামোর জটিল ইতিহাস।

লেপচাদের দার্জিলিং যেভাবে হয়ে উঠল ব্রিটিশদের শৈলশহর

Darjeeling history: ভারতের প্রথম ‘জিওগ্রাফিক্যাল ইন্ডিকেশন’ (জিআই) ট্যাগ প্রাপ্ত পণ্য বিশ্বখ্যাত ‘দার্জিলিং টি’। অথচ এই চা গাছ কিন্তু দার্জিলিং-এর ‘ভূমিপুত্র’ নয়। সাহেবরা নিজেদের ব্যবসায়িক কর্মকাণ্ডে শান দিতেই এখানকার আদি বাস্তুতন্ত্রের খোলনলচে বদলে দিয়েছিল। দেশীয় বনভূমি ধ্বংস করে পাইন আর চা রোপণের মাধ্যমেই জন্ম নিয়েছিল আধুনিক পর্যটন মানচিত্রের এই ‘খাদের ধারের দার্জিলিং’।