কৌরবদের জব্দ করতেই পাশা খেলা! শকুনির সঙ্গে মর্মান্তিক অবিচারের যে কাহিনি অজানাই

Shakuni Mahabharata: রাজা সুবল শেষ নিঃশ্বাসে শকুনির পায়ে ছুরিকাঘাত করেন এবং তাঁকে ব্যথা মনে রাখতে এবং কুরু পরিবারের বিরুদ্ধে প্রতিশোধের কথা স্মরণ করতে বলেন।

tiasa gupta
৫ মিনিট
কৌরবদের জব্দ করতেই পাশা খেলা! শকুনির সঙ্গে মর্মান্তিক অবিচারের যে কাহিনি অজানাই

দ্যুতসভা। শকুনির পাশার চালে যুধিষ্ঠির পথের ভিখারি। পাশাখেলায় সব খোয়া গেছে তাঁর। এমনকী ভাইদের বাজি রেখেও হেরেছেন। তখন সর্বহারা যুধিষ্ঠিরকে শকুনি বললেন, "কেন এবার দ্রৌপদী! তাঁকে পণ রেখে যদি যেতেন!’’ কী সাংঘাতিক চাল! যে চাল ডেকে এনেছে ভ্রাতৃঘাতী যুদ্ধ। যে চালের পরিণতি কুরুবংশের ধ্বংস। কারণ খল শকুনি তো ধ্বংসই চাইতেন। তাঁর কপটতা ঘিরে বারবার আবর্তিত হয়েছে মহাভারতের আখ্যান। সূচনা থেকে এ গল্প সূচিত হোক।

মৃত্যুসজ্জায় শুয়ে রাজা সুবল তাঁর পুত্র সৌবালাকে এই গোপন কথা শুনিয়েছিলেন,

"আমার মৃত্যুর পর আমার হাতের আঙুলগুলি তুমি নেবে, আর অস্থি দিয়ে তোমার দ্যূতক্রীড়ার ঘুঁটি তৈরি করে নেবে। এর মধ্যে আমার সমস্ত ক্রোধ ও প্রতিহিংসার বীজ লুকিয়ে থাকবে। পাশার খেলায় দান তুমি যাই দাও, তোমার ইচ্ছা অনুসারেই জয়ের ফল তুমি পাবে। লোকে তাকে কপট উপায় বললেও তাতে কান দিও না, কারণ এই গূঢ় গুপ্ত কথা কেউ জানবে না। তুমি যত শীঘ্র সম্ভব তোমার ভাগিনেয় সুযোধনের (দুর্যোধনের অপর নাম) সঙ্গে যোগাযোগ করে কৌরবদের পক্ষে মিলিত হও! ভবিষ্যতে এই দ্যূতক্রীড়ার সাহায্যেই তুমি কুরু বংশের ধ্বংসের কারণ হবে। তোমার এই লক্ষ্য থেকে যেন কোনও দিন বিচ্যুত না হও মনে রাখবে।’’

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
শূদ্রের আঙুল কেটে 'সবক' শেখানো! একলব্যের প্রতিভাকে যেভাবে খুন করেন দ্রোণ-অর্জুন

Ekalavya in Mahabharat: ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে একলব্যের আঙুল যদি সেদিন না কাটানো হত, তবে কে হত শ্রেষ্ঠ ধনুর্ধর? বলা মুশকিল। অর্জুনের প্রতিদ্বন্দ্বিতার পাশে কি লেখা হত না একলব্যের নাম?

তাঁর কপট বুদ্ধিতেই শেষ পর্যন্ত কুরুবংশ ধ্বংস হয়েছিল। শকুনিকে কেন্দ্র করে মহাভারতের কাহিনি আবর্তিত হয়েছে। ধূর্ত, কূট, কপট, ষড়যন্ত্রকারী হিসেবে শুধুমাত্র মহাভারতের উল্লেখযোগ্য চরিত্রই নন তিনি, সমকালের আলোয় যদি মহাকাব্যকে বিশ্লেষণ করা হয়, তাহলে সর্বকালের ধ্বংসের প্রতীক এই খল শকুনি মামা।

মহাভারতের কথা অমৃতসমান, যেমন তার বিস্তার, তেমনই বিচিত্র তার চরিত্রসমূহ। মহাকাব্যটি ধারণ করে আছে বটে পৌরাণিক সময়, কিন্তু আজকের দিনেও তাকে মনে হয় আধুনিক। তাই সমকালের আলোকে শকুনির মতো কপটকে বিশ্লেষণ প্রয়োজন। শকুনি ছিলেন একজন অত্যন্ত চতুর ব্যক্তিত্ব এবং একজন মায়াবাদী, তাঁর একটি আশ্চর্য প্রতিভা ছিল। তিনি যে কোনও পাশা খেলার সময় পাশাকে তাঁর মন অনুযায়ী চালনা করতে পারতেন। যুধিষ্ঠির শকুনির সঙ্গে পাশা খেলায় দুর্যোধনের কাছে সব কিছু হারিয়েছিলেন। এটাই হয়ে ওঠে কুরুক্ষেত্র যুদ্ধের প্রধান কারণ। ফলত কুরুক্ষেত্র যুদ্ধের সঙ্গে শকুনি মামার নাম জড়িয়ে আছে গভীরভাবে।

শকুনি (আক্ষরিক অর্থে- পাখি) হলেন মহাভারতের অন্যতম প্রধান চরিত্র। প্রথমদিকে, তিনি ছিলেন গান্ধার রাজ্যের যুবরাজ। পরবর্তীতে, শকুনি, তাঁর পিতা রাজা সুবলের মৃত্যুতে গান্ধার রাজ্যের রাজা হন। তিনি হলেন হস্তিনাপুরের রাজা ধৃতরাষ্ট্রের রাজমহিষী গান্ধারীর বড় ভাই এবং কৌরবদের মামা। বুদ্ধিমান, ধূর্ত এবং বিপথগামী, কপট, ষড়যন্ত্রকারী হিসেবে চিত্রিত, শকুনি তাঁর ভাগ্নেদের সবসময় সমর্থন করতেন, বিশেষ করে জ্যেষ্ঠভাগ্নে দুর্যোধনকে। মামা শকুনির সঙ্গে মিলে দুর্যোধন তাঁর কাকাতো ভাই পাণ্ডবদের বিরুদ্ধে সকল ষড়যন্ত্র রচনা করতেন। শকুনির পরামর্শেই দুর্যোধন যুধিষ্ঠিরকে পাশা খেলায় আমন্ত্রণ জানান এবং শকুনিই যুধিষ্ঠিরের বিরুদ্ধে কপট পাশা খেলা খেলেন, যা মহাকাব্যের অন্যতম প্রধান ঘটনা। তিনি ভারী পাশা ব্যবহার করে পাশা খেলায় কারসাজি করতে পারদর্শী ছিলেন। ফলে, পাশা খেলায় পরাজিত হয়ে যুধিষ্ঠির সহ অন্য পাণ্ডবগণ কুরু রাজসভায় চরমভাবে অপমানিত, দ্রৌপদীর লাঞ্ছনা ও বস্ত্রহরণ, পাণ্ডবদের ১২ বছরের বনবাস ও ১ বছরের অজ্ঞাতবাস প্রভৃতি ঘটনা ঘটে।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
ভাইদের ছেড়ে পাণ্ডবপক্ষে! ধৃতরাষ্ট্র-পুত্র হয়েও কেন এত অবহেলিত যুযুৎসু

Mahabharat Yuyutsu: ভারতের অস্থির সময়েও, আদর্শহীনতার খোলা মাঠে দাঁড়িয়ে যে চরিত্রের কাছ থেকে আজও ন্যায়পরায়ণতা ও আদর্শে অবিচল থাকার শিক্ষা নেওয়া যায়, তিনি যুযুৎসু।

গান্ধাররাজ সুবলের পুত্র ও গান্ধারীর জ্যেষ্ঠ ভ্রাতা শকুনি। তিনি মহাভারতের প্রধান খলনায়ক। সুবলের কোনও এক পাপের কারণে দেবতাদের অভিশাপে তাঁর বংশে শকুনির জন্ম হয়। শকুনির জন্ম কলির অংশে; তাই তিনি ছিলেন অত্যন্ত ধূর্ত ও কপট। গান্ধারীর বিবাহের পর থেকে শকুনি ধৃতরাষ্ট্রের সংসারেই থাকতেন এবং ভাগিনেয় দুর্যোধনের সঙ্গে ওঁর বিশেষ বন্ধুত্ব ছিল। তাঁর কারণেই মহাভারতের বিচিত্র ঘটনাগুলো আবর্তিত হয়েছে। তিনি অস্ত্রবিদ্যায় পারদর্শী নন; তথাপি তাঁর কপট বুদ্ধিতেই সমগ্র কুরুবংশ ধ্বংস হয়েছিল।

পাণ্ডবদের বিরুদ্ধে শকুনির কোনও বিদ্বেষ ছিল না, শকুনির প্রধান শত্রুতা ছিল ভীষ্ম পিতামহের বিরুদ্ধে । তখন কৌরব মাতা গান্ধারী সংসারে স্বমহিমায় প্রতিষ্ঠিত। একদিন পিতামহ ভীষ্মের কানে পৌঁছে গেল কেমন করে যে, গান্ধার রাজকন্যা বিবাহপূর্বে নাকি বিধবা ছিলেন। চারিদিকে গুপ্তচর ছুটল, জ্যোতিষীদের ডাক পড়ল সত্যাসত্য যাচাই করতে। জানা গেল সত্যিই নাকি গান্ধার রাজ সুবলকে সভার রাজজ্যোতিষী বলেছিলেন, গান্ধারীর প্রথম পতির আয়ু সীমিত, কিন্তু দ্বিতীয় পতির আয়ু হবে অনেক। তাই তড়িঘড়ি একটি ছাগলের সঙ্গে কন্যার বিবাহ দিয়ে সেই দোষ স্খলন করেছিলেন তিনি এবং ছাগ পুঙ্গবটি যথারীতি পরে পরেই সদ্গতি প্রাপ্ত করে। তার কিছুদিন পরেই স্বয়ং ভীষ্ম ধৃতরাষ্ট্রের সঙ্গে গান্ধারীর বিবাহ প্রস্তাব নিয়ে গান্ধার রাজ্যে পৌঁছে যান। আর সুবল দেরি না করে সেই প্রস্তাবে সম্মতি দিয়ে শুভকার্য সম্পন্ন করেন।

এই কথা পরে জানতে পেরে ভীষ্ম প্রতিশোধপরায়ণ হয়ে ওঠেন। ভীষ্ম শকুনির পরিবারকে ভোজনের জন্য আমন্ত্রণ জানান এবং তাঁদের ন্যূনতম খাবার দিয়ে তালাবদ্ধ বা বন্দি করেন। তখন রাজা সুবল সিদ্ধান্ত নেন, ভীষ্মের এই আচরণের জন্য ভীষ্ম এবং কুরু পরিবারের বিরুদ্ধে প্রতিশোধ নেওয়ার জন্য তাঁর পরিবারের একজন সদস্যকে যে কোনও মূল্যে বাঁচতেই হবে। তাই শকুনি, সবচেয়ে ছোট এবং চতুর পুত্র, বেঁচে থাকার জন্য অন্য সকলের খাবার দিয়ে তাঁকেই বেছে নেওয়া হয়েছিল। রাজা সুবল শেষ নিঃশ্বাসে শকুনির পায়ে ছুরিকাঘাত করেন এবং তাঁকে ব্যথা মনে রাখতে এবং কুরু পরিবারের বিরুদ্ধে প্রতিশোধের কথা স্মরণ করতে বলেন।

তাঁর কথায়, "সৌবালা, এখন থেকে তুমি খুঁড়িয়ে হাটবে আর প্রতিবার খোঁড়ানোর সময় মনে পড়ে যাবে কৌরবরা ও ভীষ্ম আমাদের প্রতি কী ভীষণ অন্যায় করেছে, যার ক্ষমা নেই। কৌরবদের বিনাশেই আমার আত্মা শান্তি পাবে, সে কথা বিস্মরণ হয়ো না।" কুরুবংশের ধ্বংসের পেছনের শকুনির চাল যে দায়ী, সেকথা মহাভারতে আখ্যায়িত।

খল শকুনি বস্তুত ধ্বংস চাইতেন, তাই তিনি ভাগিনেয় দুর্যোধনকে নানা কুবিদ্ধি দিতেন। তাঁর কপটতার তালিকা বারবার মোড় ঘুরিয়ে দিয়েছে মহাকাব্যের আখ্যান। কালকূট বিষ প্রয়োগ করে ভীমকে হত্যার চেষ্টা, জতুগৃহে কুন্তী সহ পাণ্ডবদের পুড়িয়ে মারা, ইত্যাদি ষড়যন্ত্রে শকুনির সক্রিয় ভূমিকা ছিল। দ্যূতক্রীড়ায় তিনি ছিলেন সিদ্ধহস্থ। যুধিষ্ঠির দ্যূতপ্রিয় হলেও, ক্রীড়া পটু ছিলেন না। তাই তাঁকে পণ-দ্যূতে আমন্ত্রণ করে সর্বস্বান্ত করার পরামর্শটা তিনিই দুর্যোধনকে দিয়েছিলেন। যুধিষ্ঠির খেলতে এলে কৌরবদের পক্ষ হয়ে দুইবার তিনিই খেলেন। যুদ্ধ শুরু হওয়ার আগে শকুনির পুত্র উলুক দুর্যোধনের দূত হিসেবে দুর্যোধনের শিখিয়ে দেওয়া অভদ্র অশ্লীল কথাগুলো পাণ্ডব পক্ষকে গিয়ে শোনালেন। কনিষ্ঠ পাণ্ডব সহদেব সেই শুনে ক্রোধান্বিত হয়ে শপথ করলেন যে, শকুনির সামনে প্রথমে উলুককে হত্যা করে, তারপর তিনি শকুনিকে বধ করবেন। যুদ্ধের শেষ দিনে সহদেবের হাতেই শকুনি-পুত্র উলুক ও শকুনির মৃত্যু হয়।

মহাভারতের যুদ্ধের ১৮ তম দিনে সহদেব শকুনিকে বধ করেন। দ্রৌপদীর প্রতি সমস্ত দুর্ব্যবহারের নেপথ্যে মূলত যে শকুনিই ছিল, সেকথা অনুভব করেন সহদেব। সেই কারণে তিনি শকুনিকে হত্যা করার প্রতিজ্ঞা করেন। অনেক দেশি-বিদেশি পণ্ডিত মনে করেন, কুরুক্ষেত্র যুদ্ধ আসলে কৌরব ও পাঞ্চালদের যুদ্ধ। কুরুক্ষেত্রের যুদ্ধকে ধর্মযুদ্ধ বলা হলেও এই ভ্রাতৃঘাতী যুদ্ধের নেপথ্যে কতই না কপটতার কাহিনি ডালপালা মেলেছে!

লিখেছেন
tiasa gupta
tiasa gupta
0 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

২০২৫ যে শব্দগুলির সঙ্গে পরিচয় করাল

Word of the year: গুগল ইন্ডিয়ার তথ্য অনুযায়ী, ভারতীয়রা ২০২৫ সালে যেসব শব্দের অর্থ সবচেয়ে বেশি খুঁজেছে, তা তাদের মানসিক অবস্থার প্রতিফলন। যেমন—সিজফায়ার অর্থাৎ যুদ্ধবিরতি, মক ড্রিল অর্থাৎ নিরাপত্তার জন্য মহড়া।

জ্যোতির্ময় দত্ত: লেখালেখির বাইরে এক খ্যাপাটে মানবতাবাদী

Jyotirmoy Dutta: বামপন্থার সমালোচক ছিলেন জ্যোতির্ময় দত্ত। তাঁর আদর্শ ছিল রবীন্দ্রনাথ ও মহাত্মা গান্ধীর মানবতা।

ঘৃণার রাজনীতি: এখন লক্ষ্য খ্রিস্টান?

Anti-Christian violence India: মিচেলের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালে দেশে খ্রিস্টান নিগ্রহের ঘটনা ঘটেছে ৮৩৪টি (গড়ে মাসে ৭০ টি)। ২০২৫ সালে নভেম্বর মাস পর্যন্ত নিগ্রহের ঘটনা ঘটেছে ৭০৬ টি।

এক বাঙালির জেদে জুড়ল দুই বাংলা: টেলিগ্রাফ ম্যান শিবচন্দ্র নন্দী

Seebchunder Nandy: ১৮৫১ সালে কলকাতা-ডায়মন্ড হারবার লাইনের প্রথম সংকেত প্রেরণের সময় শিব চন্দ্র নন্দী ডায়মন্ড হারবার থেকে বার্তা পাঠান, অন্য প্রান্তে ও'শাগনেসির সঙ্গে ছিলেন লর্ড ডালহৌসি।

অন্যের দুঃখে কেন আমাদের মিষ্টি হাসি? শ্যাডনফ্রয়ডার মনস্তত্ত্ব

Schadenfreude: বর্তমান যুগে এই অনুভূতি আগুনের মতো ছড়িয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ার হাত ধরে। আমরা এখন যাকে 'ট্রোলিং' বলি, তার মূলে রয়েছে এই শ্যাডনফ্রয়ডা।

দেশে দেশে নানাবেশে আছেন সে এক সান্তা ক্লজ

Santa Claus Across Cultures: ১৮৬৯ সালে প্রকাশিত রঙিন চিত্র সংকলনে জর্জ ওয়েবস্টার লিখেছিলেন, সান্তা ক্লজের বাড়ি "নর্থ পোলের নিকটে"।

বিপন্ন ভারতের প্রাচীন পর্বতমালা‍! যেভাবে ধ্বংসের মুখে আরাবল্লী

Aravalli Hills Under Threat: পরিবেশবিদদের মতে, আরাবল্লী কেটে ফেললে দিল্লির দূষণ পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ আকার নেবে।

শৈশবের ‘রিওয়্যারিং’: স্ক্রিনের নীল আলো গিলে খাচ্ছে ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে?

Screen Addiction Destroying the Mental Health: বাস্তব জগত থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে ডিজিটাল জগতে ডুবে থাকায় শিশুদের মানসিক কাঠামোর এক আমূল পরিবর্তন ঘটে যাচ্ছে।