মেয়েদের রাতমিছিলে মানবিক মুখের সারি! সাধ্যমতো সাহায্য নিয়ে পাশে অধ্যাপক থেকে অটোচালক

R G Kar Hospital Incident Protest: ১৪ অগস্ট পথে নামছে শহরের মেয়েরা, লড়তে চলেছে আর এক স্বাধীনতার লড়াই। প্রায় সব শ্রেণির, সব স্তরের মানবিক মুখেরা সেই লড়াইয়ে আরও এগিয়ে দিতে চাইছেন মেয়েদের।

Sohini Das
৫ মিনিট
মেয়েদের রাতমিছিলে মানবিক মুখের সারি! সাধ্যমতো সাহায্য নিয়ে পাশে অধ্যাপক থেকে অটোচালক

আরজি কর মেডিক্য়াল কলেজের ভিতরে ধর্ষণ করে খুন করা হয়েছে এক চিকিৎসককে। হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চার তলার সেমিনার রুম থেকে যার ক্ষতবিক্ষত দেহ উদ্ধারের পর কলেজের অধ্যক্ষর মুখে ফুটে উঠেছে অবধারিত সেই বুলি! এত রাতে সেমিনার রুমে একা কী করছিলেন ওই চিকিৎসক? অথচ সে রাতে নাইট ডিউটিতেই বহাল ছিলেন ওই চিকিৎসক। বিগত ৩৬ ঘণ্টা টানা ডিউটি করার পর অবসন্ন শরীরটাকে সামান্য জিরোতেই গিয়েছিলেন হয়তো। যৌনহেনস্থা হোক বা ধর্ষণ, ধর্ষকাম 'পুরুষ'টির বিকৃতির থেকেও প্রতিবার বড় হয়ে উঠেছে নির্যাতিতার পোশাক, বেপরোয়া ভাব কিংবা রাতে ঘুরে বেড়ানোর মতো অপ্রাসঙ্গিক কথাবার্থাই। সমাজ এ ভাবেই অভ্যস্ত হতে শিখিয়েছে আসলে। তাই চোখে ঠুলি পড়ে থাকা সমাজ দেখতে পায় না আপাদমস্তক বোরখা পরা নারীশরীরকেও কীভাবে চোখের দৃষ্টি দিয়ে ধর্ষণ করা যায় প্রতিনিয়ত। আসলে পোশাক, রাতের শহরে একা কিংবা বেপরোয়া ভাব- কোনও কিছু দিয়েই যে এই ধর্ষকামকে রুখে দেওয়া সম্ভব নয়, তা প্রমাণ হয়ে গিয়েছে বারংবার। সেই ভাবনার মুখে প্রশ্ন ছুড়ে দিতেই ১৪ অগস্ট, বুধবার, রাতের শহর দখল করতে নামছেন মেয়েরা।

সেই আন্দোলনের ঢেউ ছড়িয়ে গিয়েছে কলকাতা থেকে মফসসল, জেলায় জেলায়, এমনকী তা ছড়িয়ে গিয়েছে দেশের আনাচেকানাচেও। সোশ্যাল মিডিয়ায় চোখ রাখলেই দেখা যাচ্ছে শত শত পোস্টার। মিছিলে হাঁটার ডাক। রাতের শহরে যে সমান অধিকার মেয়েদেরও, সেই অধিকার ছিনিয়ে নিতেই এদিন রাতে শহরে, রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে জমায়েত করবেন মেয়েরা। শহরের দু'তিনটি জায়গার কথাই ভাবা হয়েছিল প্রথমে। কিন্তু সেই আন্দোলন ক্রমশ ছড়িয়ে গিয়েছে গোটা শহর এমনকী জেলাতেও। আরজি কর কাণ্ডের পর প্রথম যে পোস্টারটি ছড়িয়েছিল সোশ্যাল মিডিয়ায়, সেখানে স্বাধীনতা দিবসের আগে, অর্থাৎ ১৪ অগস্ট (বুধবার) রাত ১১টা ৫৫ মিনিট থেকে মেয়েদের রাস্তায় নামার আহ্বান জানানো হয়। সোমবার রাত থেকেই তা অন্য মাত্রা পেতে শুরু করে। কার্যত গোটা রাজ্যের মানচিত্র জুড়েই ছড়িয়ে যায় সেই ঢেউ। উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন এলাকা থেকে দক্ষিণবঙ্গের বৃহত্তর কলকাতা থেকে শুরু করে বিভিন্ন জেলা শহর এবং মফসসল সাড়া দিয়েছে সেই আন্দোলনে। বিভিন্ন এলাকায় নিজেদের মতো করে মহিলারা ওই আন্দোলনে সংহতি জানাচ্ছেন। জমায়েত করতে উদ্যোগী হচ্ছেন।

কিন্তু এই সব জমায়েত, রাত দখলের ডাকের মধ্যেও সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যতিক্রমী কিছু পোস্ট, যা চোখ টেনেছে সকলের। ১৯৪৭ সালের এমনই এক ১৪ অগস্টের রাত দেশকে স্বাধীনতার সুঘ্রাণ এনে দিয়েছিল। নিজের অধিকার, সর্বত্র ভয়হীন আশঙ্কাহীন ভাবে বাঁচার স্বাধীনতাটুকু ছিনিয়ে নিতে আরও এক ১৪ অগস্ট রাতে পথে নামছে বাংলা। এই আন্দোলনকে অরাজনৈতিক করার ডাক দিয়েছেন কেউ কেউ, কেউ কেউ চেয়েছেন এই লড়াই হোক শুধু নারীদের। রয়েছে এর ভিন্নমতও। শুধু মেয়েদের রেখে আন্দোলনের পরিসরকে সঙ্কুচিত করতে চাইছেন না অনেকেই। এর মধ্যে থেকেই যাঁরা নেপথ্যে থেকে মেয়েদের স্বাধীনতার পথটুকুকে একটু প্রশস্ত করার উদ্যোগে নেমেছেন, তাঁদের কথাও আজ না বললেই নয়।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
নারীসুরক্ষার দাবিতে রাত দখল অভিযানে গোটা বাংলা! দেখে নিন কোথায় কোথায় রাতমিছিল?

R G Kar Hospital Incident Protest: আন্দোলনের প্রাথমিক আহ্বানে ওই জমায়েতের স্থান হিসেবে তিনটি জায়গার কথা বলা হয়েছিল— কলেজ স্ট্রিট, অ্যাকাডেমি অফ ফাইন আর্টস এবং যাদবপুর এইটবি বাস স্ট্যান্ড।

পেশায় বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্য়ালয়ের অধ্যাপক বিশ্বজিৎ রায়। এই আন্দোলনে সংহতি জানিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় তিনি দিয়েছেন একটি ব্যতিক্রমী বার্তা। জানিয়েছেন, জমায়েত থেকে একটু দূরে ওষুধের দোকানের উল্টোদিকে তিনি গাড়ি নিয়ে হাজির থাকবেন। যদি কাউকে বাড়িতে পৌঁছে দেওয়ার প্রয়োজন হয়, তাহলে সে কাজটি দায়িত্বের সঙ্গে করে দেবেন তিনি। তাঁকে এ সম্পর্কে প্রশ্ন করা হলে বিশ্বজিৎবাবু জানালেন, "সমাজের মধ্যে একটা সহযোগিতার সম্পর্ক তো স্বাভাবিক ভাবেই থাকার কথা। আর তাতে আলাদা করে কোনও কৃতিত্ব রয়েছে বলে মনে হয় না। আসলে সমাজের স্বাভাবিক সহযোগিতার ক্ষেত্রগুলো হারিয়ে গিয়েছে। সকলে নিজের অবস্থানে থেকে নিজেদের সাধ্যের মধ্যে পরস্পর পরস্পর সাহায্য করি, তবেই বোধহয় পৃথিবীর বাসযোগ্যতা বৃদ্ধি পাবে।" তাই তাঁর এই পদক্ষেপকে ব্যতিক্রমী কিছু বলে আলাদা করে দেখছেন না অধ্যাপক।

একই সঙ্গে এই রাতদখলের মিছিল সম্পর্কে তাঁর বক্তব্য, "এ আসলে আমাদের দৃশ্যমানতার প্রসঙ্গ। উনিশ শতকে একজন মেয়ের গাড়ি চালানোকে ভয়ঙ্কর দৃশ্য হিসেবে ধরা হত। আমাদের কায়েমী যে দৃশ্য, তার বাইরে অন্যরকম ছবি হলেই ব্য়ঙ্গের চোখে দেখা বা প্রচলিত পিতৃতান্ত্রিক অভ্য়েসে মেয়েদের বাইরের অধিকার, কাজের অধিকার এগুলোকে অস্বীকার করার একটা জায়গা রয়ে গিয়েছে সমাজে। ক্রমে ক্রমে মেয়েরা এই ভিজিবিলিটি দখল করেছে। রাত্রিবেলা চল্লিশ জন পুরুষ বাইরে থাকেন, সেটা আমাদের চোখ সওয়া। কিন্তু যখনই রাতে দু'জনকে আমরা বাইরে দেখছি, সে দৃশ্যকে অন্যরকম বোধ হয়। সেই জায়গাতেই যেন মেয়েদের একটু বিপন্নতা তৈরি হয়। একটি মেয়েকে প্রশ্নের মুখে পড়তে হয়, কেন সে এত রাত্তিরে বাইরে? এবং ভিকটিম ব্লেমিংয়ের শুরুটাও কোথাও এখান থেকেই হয়। কার্যত যাদেরকে আমরা নিরাপত্তা দিতে পারছি না, তাঁদের নিয়মের বেড়াজালে ঠেলে দেওয়ার একটা প্রবণতা থেকে যায়। অভিভাবকত্বের নামে, নিরাপত্তার নামে সেই যে নিয়মের বেড়াজালে মেয়েদের ঠেলে দেওয়া, তাকেই সওয়াল করবে এই রাতমিছিল।"

একই ভাবে এদিন কলেজ স্ট্রিটে রাতভর তাঁদের 'বইচাঘর'-টি খুলে রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন প্রকাশনা জগতের সুপরিচিত নাম প্রতিক্ষণ। এই প্রকাশনা সংস্থার তরফে সোশ্যাল মিডিয়ায় জানানো হয়েছে, আন্দোলনকে সংহতি জানাতে এবং রাত জাগা মেয়েদের পাশে থাকতে সারারাত তাঁদের সংস্থার বিপণীটি খুলে রাখা হবে। প্রতিক্ষণের অন্যতম সৈনিক এষা জানালেন, কোনও বিজ্ঞাপন নয়, শুধু রাত জাগা মেয়েদের পাশে থাকতেই এই উদ্যোগ নিয়েছে সুপরিচিত এই প্রকাশনা সংস্থাটি। ইতিমধ্যেই সোশ্যাল মিডিয়া তাঁদের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছে। বিরুদ্ধমতও যে তৈরি হয়নি, তা নয়। তার পরেও এই যে রাত মিছিলে রাত জাগা মেয়েদের পাশে থাকার ক্ষেত্রে তাঁদের এই চেষ্টা, তাঁকে স্বাগত জানিয়েছে শহর কলকাতা।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
রাত দখলের পর নিরাপদে ঘরে ফিরবেন তো মেয়েরা? থাকছে ওলা, উবের

RG Kar Midnight Protest: মধ্যরাতের জমায়েত সেরে মেয়েরা যখন বাড়ি ফিরবেন, তারা নিরাপদ তো?

তবে শুধু যে মেধাজীবীদের থেকেই এই উদ্যোগ এসেছে, তা নয়। সোদপুরে অটো চালান দীপঙ্কর সাহা। তিনি নিজের ফেসবুকে একটি পোস্ট লিখে জানিয়েছেন, তিনি সোদপুর ট্র্যাফিক মোড়ের একজন অটোচালক। এ দিন রাতের রাতমিছিলে কারওর যদি যানবাহন পেতে অসুবিধা হয়, তাহলে তাঁকে ফোন করতে পারেন। সে ক্ষেত্রে কোনও রকম অর্থবিনিময় ছাড়াই তিনি তাঁদের নিরাপদে বাড়ি পৌঁছে দিয়ে আসবেন। কার্যত তাঁর এই পোস্ট দারুণ ভাবে ছড়িয়ে পড়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়।

প্রসঙ্গত আরজি কর হাসপাতালে নির্যাতিত চিকিৎসকের বাড়িও কিন্তু সোদপুরেই। প্রতিবেশী এই কন্যার সুবিচারের আশায় এবং তাঁর মতো পরিণতি যেন আর কারওর না হয়, তার জন্য যে মানবিক দিকটি দেখিয়েছেন এই দীপঙ্করবাবু, তা কার্যত নজিরবিহীন।

১৪ অগস্ট পথে নামছে শহরের মেয়েরা, লড়তে চলেছে আর এক স্বাধীনতার লড়াই। প্রায় সব শ্রেণির, সব স্তরের মানবিক মুখেরা সেই লড়াইয়ে আরও এগিয়ে দিতে চাইছেন মেয়েদের। সেই লড়াইয়ে যেমন বিশ্বজিৎবাবুর মতো অধ্যাপকেরা সামিল, তেমন ভাবেই সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন দীপঙ্করবাবুর মতো অটোচালকও। মেয়েদের লড়াই সহজ করতে অতিরিক্ত গাড়ি পথে নামানোর কথা বলেছে ট্যাক্সি সংগঠনগুলো। রাত পর্যন্ত চলবে মেট্রো। কার্যত বলাই যায়, এক নজিরবিহীন রাতের সাক্ষী থাকতে চলেছে ১৪ অগস্টের বাংলা। এই রাত দখলের মিছিল কি আদৌ পারবে মেয়েদের স্বাধীনতার শুভ মহরৎ ঘটাতে। উত্তর মিলবে অচিরেই।

লিখেছেন
Sohini Das
Sohini Das
0 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

আবের কাওয়াস: প্রথম ফিলিস্তিনি-আমেরিকান মুসলিম মহিলা নিউ ইয়র্কের সিনেটে

Aber Kawas: নিউ ইয়র্কের ১২ নম্বর সিনেট ডিস্ট্রিক্ট থেকে জয়ী হয়ে ইতিহাস গড়লেন আবের কাওয়াস। নিউ ইয়র্ক স্টেট আইনসভায় তিনি প্রথম ফিলিস্তিনি-আমেরিকান এবং প্রথম হিজাব পরিহিত মুসলিম মহিলা প্রতিনিধি।

প্রতিবেশীর ধর্ম দেখব না! গির্জায় হামলায় যা বলছে বাসন্তী

Basanti church: গির্জার সদস্য প্রদীপ মণ্ডল ইনস্ক্রিপ্টকে জানিয়েছেন, শনিবার সকাল সাড়ে ১০টা নাগাদ চার্চ অফ নর্থ ইন্ডিয়ার (CNI) বিশপ সুব্রত চক্রবর্তী পার্শ্ববর্তী এলাকার কয়েকটি গির্জার যাজকদের নিয়ে শান্তিপূর্ণ শোভাযাত্রা করে নারায়ণতলার নবনির্মিত গির্জায় পৌঁছন। তাঁদের স্বাগত জানাতে গির্জার ভিতরে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল। প্রার্থনা শুরুর ঠিক আগে ৩০-৩৫ জনের একটি দল জোর করে গির্জায় ঢুকে পড়ে বলে দাবি তাঁর।

পাঁচ খুনের 'বদলা'? এবার গুয়াহাটিতে এনকাউন্টার পুলিশের

Guwahati Encounter: গুয়াহাটিতে হোটেলে ঢুকে পাঁচ জনকে খুনের অভিযোগে ধৃত ঘনকান্ত গগৈ পুলিশের গুলিতে নিহত। পুলিশের দাবি, হেফাজত থেকে পালিয়ে সার্ভিস রিভলভার ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেছিল সে। একই সময়ে মধ্যপ্রদেশের দেওয়াস ও ভোপালে পৃথক এনকাউন্টারে তিন অভিযুক্ত গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। কয়েক দিন আগেই বাংলায় গাইঘাটা ও সামশেরগঞ্জে দুই অভিযুক্তের মৃত্যু হয়েছিল।

আমেরিকার প্রথম মুসলিম সেনেটর, ট্রাম্পের ইসলামবিদ্বেষী প্রচারকে হারিয়ে ইতিহাস গড়লেন আবদুল এল-সায়েদ

Abdul El-Sayed: নির্বাচনের আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং তাঁর দলের একাধিক নেতা এল-সায়েদের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে ইসলামবিদ্বেষী প্রচার চালিয়েছিলেন। তাঁর ধর্মীয় পরিচয়কে সামনে এনে তাঁকে আমেরিকার নিরাপত্তার পক্ষে বিপজ্জনক হিসেবে তুলে ধরার চেষ্টা হয়েছিল।

কেন মিডটার্ম নির্বাচনে ট্রাম্পের ভরাডুবি? এরপর কোন পথে ওয়াশিংটন?

US Midterm Elections 2026: মার্কিন মিডটার্ম নির্বাচনে রিপাবলিকানদের বড় ধাক্কা। কেন ট্রাম্পের ভরাডুবি? এরপর কোন পথে ওয়াশিংটন?

মিডটার্ম নির্বাচন: সংখ্যাগরিষ্ঠ আসন পেতে চলেছে ট্রাম্পের বিরোধী ডেমোক্র্যাটরা

US Midterm Elections 2026: ভোটের লড়াইয়ে ট্রাম্পের রিপাবলিকান পার্টিকে পিছনে ফেলে এগিয়ে যেতে শুরু করেছে বিরোধী ডেমোক্র্যাটরা।

রামলীলার পর কী? কী করবেন বিরোধীরা?

INDIA bloc Unity Under strain: ‘ভোট বাঁচাও, দেশ বাঁচাও’ স্লোগানে ১ নভেম্বর রামলীলা ময়দানে ২১ দল একজোট হলেও মঞ্চ শেষেই ভেতরের টানাপোড়েন স্পষ্ট। বাম নেতাদের বক্তৃতায় প্রাধান্য, ‘ফ্যাসিবাদ’ বিরোধী সুর। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘জাতীয় ভূমিকা’র সতর্কবার্তা। প্রিয়াঙ্কা, সুপ্রিয়া সুলে, সঞ্জয় রাউত বক্তৃতার সুযোগ না পাওয়ায় শরিক-অসন্তোষ।

ট্রাম্পের অভিবাসন নীতিতে বিপাকে ভারতীয়রা, মিডটার্ম নির্বাচনে কতটা প্রভাব পড়বে?

US Midterm Elections 2026: ২০২৬ সালের মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনে ভারতীয় বংশোদ্ভূত ভোটারদের ৬২% ডেমোক্র্যাটদের পক্ষে। ট্রাম্পের এইচ-১বি ভিসা কড়াকড়ি ও অর্থনৈতিক নীতির জেরে ক্ষোভ বাড়ছে বলে জানাল কার্নেগির সমীক্ষা।