অস্পৃশ্যদের মুক্তি আন্দোলনের পথিকৃৎ সাবিত্রীবাই

Anasuya Sen
৫ মিনিট
অস্পৃশ্যদের মুক্তি আন্দোলনের পথিকৃৎ সাবিত্রীবাই

তখনও সিপাহী বিদ্রোহ হয়নি | দেশে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির শাসন | ভারতবর্ষ তখন জাতপাতের বিচার, ছুঁতমার্গে ইত্যাদি ঘোরতর কুসংস্কারের মোহনিদ্রায় সমাচ্ছন্ন | জাতির মনুষ্যত্বের চেতনার আকাশ প্রায়ান্ধকার | এইরকম দমবন্ধকরা সময়ে মহারাষ্ট্রের উচ্চবর্ণ প্রভাবিত পুণে শহরের ভিদেওয়ারায় খোলা রাস্তা দিয়ে চলেছে নিম্নবর্ণের অচ্ছুত সম্প্রদায়ের এক কিশোরী, সঙ্গে স্বামী | কিশোরীটির বয়স ১৭, পরনে একটি শতছিন্ন শাড়ি | তার চলার পথে বাধা সৃষ্টির জন্য, তাকে আটকানোর জন্য | উৎসাহ দমিয়ে দেওয়ার জন্য উচ্চবর্ণের মুরুব্বিরা তার গায়ে ছুঁড়ে মারছে ঢিল -পাটকেল- কাদা-বিষ্ঠা | অশ্রাব্য গালাগাল বর্ষণ করছে তার ওপর | তার অপরাধ সে তার স্বামীর সঙ্গে বানিয়েছে একটি স্কুল, যেখানে নিচু জাত ও অস্পৃশ্য সমাজের বালিকারা লেখাপড়া শেখার সুযোগ পায়, যেখানে সে নিজে পড়ায় | এই কাজ করতে সে লজ্জা শরমের বালাই ভেঙে মেয়ে হয়ে রাস্তায় নেমেছে, এই তার অপরাধ | সে নিচু জাতের মানুষদের শিক্ষিত করে সবার সমান করার চেষ্টা করছে, এই তার অপরাধ | এ তো শুধু অপরাধ নয়, এ ঔদ্ধত্য, এ স্পর্ধা ! একটা নিচু জাতের মেয়ে হয়ে যে পথে তার চলাচল করার অধিকার নেই, সেই পথ ধরেই সে কি না যাতায়াত করছে, তাও আবার স্কুলে পড়াতে ! তার তো উচিত ছিল নিজেদের মহল্লায় শুদ্রপাড়ায় বসে অচ্ছুতদের করণীয় নিচ কাজগুলি করা ! এই দুর্বিনীত আচরণ মেনে নেওয়া যায় না, এই স্পর্ধা ভেঙ্গে দিতে হয় |

তাই মেয়েটির কপালে রোজ জুটতো এইরকম লাঞ্ছনা | স্কুলে যাওয়ার পথে প্রতিদিন সে ঝোলায় করে নিয়ে যেত একটি কাচা শাড়ি | স্কুলে যাওয়ার পর নোংরা হয়ে যাওয়া শাড়িটি বদলে সে পরে নিতো কাচা শাড়িটি | স্কুলে পড়ানো হয়ে গেলে, ছুটির পর সে আবার কাচা শাড়ি বদলে পরে নিতো নোংরা শাড়িটি | কারণ ফেরার পথে আর একবার হেনস্থা হওয়া বাকী আছে যে! হতোও তাই, প্রতিদিন | কিন্তু শত লাঞ্চনাতেও মেয়েটি নিজের সঙ্কল্পে অবিচলিত থাকত | এই সর্বংসহা মেয়েটির নাম সাবিত্রীবাই ফুলে | আর তার স্বামীর নাম জ্যোতিরাও ফুলে | শুধু স্বামী নন, সহকর্মী, সহযোদ্ধা | প্রকৃত অর্থেই তাঁর সহধর্মিনী সাবিত্রীবাই সমাজপতিদের বলেছিলেন ----- আমার বোনেদের অশিক্ষার অন্ধকার থেকে উদ্ধার করে আনার কঠিন ব্রত নিয়েছি আমি | আপনাদের ছুঁড়ে মারা ঢিল আর নোংরা আমার গায়ে এসে ফুল হয়ে যায় | ঈশ্বর আপনাদের মঙ্গোল করুন | ঘটনাটির কালপর্ব ১৮৪৮ সাল | ভারতের ইতিহাসে সেই প্রথম নিচু জাত আর অস্পৃশ্য সমাজের মেয়েদের জন্য খুলে গেল স্কুল |

সাবিত্রীবাই ফুলের জন্ম হয়েছিল ১৮৩১ সালের, ৩রা জানুয়ারী | তার যখন নয় বছর বয়স তখন তার বিয়ে হয় বারো বছর বয়সী জ্যোতিরাও-এর সঙ্গে | জ্যোতিরাও পড়াশুনা করতে খুব ভালবাসতেন | নিজে লেখাপড়া করে যা শিখতেন তা শেখাতেন স্ত্রীকে | সাবিত্রীবাই আগ্রহ সহকারে সেই শিক্ষা গ্রহণ করত | এমনি করেই শুরু হলো দুজনের ভাবের আদানপ্রদান, প্রাণের রসায়ন | ব্রাহ্মণ শাসিত ভারতবর্ষে যুগযুগ ধরে চলে আসা শূদ্র, অতিশূদ্র ও নিচ জাতির মানুষদের ওপর দমন পীড়ন ও অবহেলার বিরুদ্ধে যে সোচ্চার হওয়ার সময় এসেছে | সে কথা সাবিত্রীবাইকে বোঝাতে শুরু করেন জ্যোতিরাও | পরস্পর উপলব্ধি করেন যে নিচু জাতির মানুষদের মধ্যে বিশেষকরে মেয়েদের মধ্যে, শিক্ষার প্রসার ঘটাতে পারলেই ধীরে ধীরে মোচন হবে জন্মসূত্রে পাওয়া শৃঙ্খল | যেমন উপলব্ধি, তেমন কাজ | কিন্তু অস্পৃশ্য সমাজের বালিকাদের জন্য স্কুল খোলার অপরাধে উচ্চবর্ণের মানুষদের চাপে জ্যোতিরাওদের ছাড়তে হলো ভিটে | তখন তাঁদের আশ্রয় দেন এক মুসলমান দম্পতি | ওনারা তখন ব্রিটিশ সরকারের দ্বারস্থ হলেন | দাবী করলেন প্রতিটি গ্রামে যেন অস্পৃশ্য সমাজের বালক-বালিকাদের জন্য প্রাথমিক শিক্ষার ব্যবস্থা করেন সরকার | তারা নিজেদের উদ্যোগে ১৮৫২ সালের মধ্যেই গড়ে তুলেছিলেন তিনটি স্কুল, যাতে অচ্ছুত মাহার ও মাং জাতের বালক বালিকারা শিক্ষালাভ করতে পারে | স্কুলগুলি চলত ইউরোপীয়দের আনুকূল্যে ও সহযোগিতায় |

১৯৭৩ সালে জ্যোতিরাও একটি বই লেখেন, নাম 'গুলামগিরি' | বইটি পড়লে মনে হবে যেন সাবিত্রীবাই-এর সঙ্গে তিনি আলাপচারিতা করছেন | বইটিতে তিনি মতপ্রকাশ করলেন যে, প্রকৃত বিচারে এশিয়া মাইনর থেকে বহিরাগত আর্য্য জাতির মানুষেরা ভারতবর্ষের দেশ ভূমিজাতির ওপর নিজেদের স্থায়ী কর্তৃত্ব কায়েম করার করার উদ্দেশ্যেই সৃষ্টি করেছে জাত-পাতের ভিত্তিতে গড়া উঁচু-নিচুভেদ, দমন-পীড়ন আর অস্পৃশ্যতা | সামাজিক ভেদাভেদের মাধ্যমে নিচু জাতির মানুষদের কাজে শৃঙ্খলিত করে রাখার নির্গূঢ় উদ্দেশ্যে হল তাদের অর্থনৈতিকভাবে দমন করে রাখা | কারণ অস্পৃশ্যদের অর্থনৈতিকভাবে দমন করে রাখলে তারা কখনই সাবলম্বী হতে পারবে না, তাদের চিরকালের জন্য সামাজিকভাবে দমন করা সহজ হবে | আর্য্য - ব্রাহ্মণদের হাতে গড়া সংস্কৃত সাহিত্য এবং বিশেষভাবে 'মনুসংহিতা' গ্রন্থের বিধি - বিধান নিচু জাতের মানুষদের সমাজ জীবনে আষ্ঠে - পৃষ্ঠে বেঁধে রেখেছে | এই শৃঙ্খল ভাঙ্গা দরকার | জ্যোতিরাও বুঝেছিলেন যে ইংরেজ ও ইউরোপীয় সমাজ অস্পৃশ্যদের মধ্যে শিক্ষার আলোক ছড়িয়ে দিতে সাহায্য করবে | তাই তিনি ইংরেজ ভাষায় পড়াশোনা করার ওপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করলেন | তিনি বললেন যে ইংরেজি ভাষায় লেখাপড়া করে বুঝতে হবে মানুষদের অধিকার বলতে কী বোঝায়, সাম্যের ধারণাটা কী | তবেই ব্রাহ্মণ্য সমাজের দমন-পীড়নের সঙ্গে যুঝতে পারা যাবে |

ব্রিটিশ সরকারের হাতে মহারাষ্ট্রে পেশোয়াদের প্রভুত্ব চূর্ণ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সেখানে নিচু জাতের মানুষেরা অনেক সামাজিক প্রতিষ্ঠানে প্রবেশের সুযোগ পেয়েছিল | সুযোগ পেয়ে তারা ব্রিটিশ সরকার ও খ্রিষ্টান মিশনারিদের কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন | তারা বুঝেছিলেন যে ব্রিটিশ সরকার থাকতে থাকতেই যতদূর সম্ভব শিক্ষায়-দীক্ষায় এগিয়ে যেতে হবে, ব্রাহ্মণ্য সমাজ সব সময় প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করবে যাতে 'দলিত' সমাজ উন্নতি করতে না পারে | এই 'দলিত' শব্দটির সৃষ্টি ও প্রয়োগ প্রথম করেছিলেন জ্যোতিরাও |

সামাজিক অবদমনের হাজার ফন্দি-ফিকিরের অন্যতম কায়দা হল গ্রামের কুয়ো থেকে অস্পৃশ্যদের জল নিতে না দেওয়া | সাবিত্রীবাই তাই নিজের বাড়ির প্রাঙ্গনে একটি কূপ খনন করেছিলেন যাতে দলিতরা জল পান | এইরকম বিভিন্ন প্রকারে তিনি উচ্চবর্ণের চাপিয়ে দেওয়া নিপীড়ণের বিরুদ্ধে তীব্র সংগ্রামে জড়িয়ে পড়েছিলেন | একটি দলিত মেয়ে বর্ণ-হিন্দুদের অত্যাচারে বাধ্য হয়েছিল একটি শিশুপুত্রের জন্মদান করতে | সেই পিতৃ - পরিচয়হীন শিশুপুত্রটিকে দত্তক নিয়েছিলেন সাবিত্রীবাই - জ্যোতিরাও | তাঁরা দলিতদের জন্য একটি আশ্রম খুলেছিলেন | সেই আশ্রমেই সব মহিলাদের সম্মান যাতে অটুট থাকে তার জন্য একটি উইল করে জ্যোতিরাও ঘোষণা করেছিলেন যে ওই আশ্রমের সব মহিলাই সাবিত্রীর কন্যা |

১৮৭৩ সালে জ্যোতিরাও প্রতিষ্ঠা করেন 'সত্যশোধক সমাজ' | উদ্দেশ্যে দলিত সমাজের মানুষদের যুক্তি ও ন্যায়পথের শিক্ষা দেওয়া | এই সমাজে গণবিবাহের আয়োজন করা হতো বিবাহযোগ্য দলিত-কন্যাদের সৎপাত্রস্ত করার উদ্দেশ্যে | সেই বিবাহের অনুষ্ঠান হতো ব্রাহ্মণ, অগ্নিসাক্ষী ও দেনা-পাওনা ছাড়া | জ্যোতিরাওয়ের মৃত্যুর পর সাবিত্রীবাই সেই সমাজের দায়িত্ব নিজের কাঁধে তুলে নেন |

এ দেশের দলিত সমাজ আজও অত্যাচারিত হয় | আজও দলিতদের জন্য আলাদা পাতকুয়ো নির্দিষ্ট থাকে | উচ্চবর্ণের মানুষদের যদি মনে হয় যে দলিতরা সীমা লঙ্ঘন করছে, তবে দলিত পুরুষদের গাড়িতে বেঁধে রাস্তার উপর দিয়ে ছেঁচড়ে নিয়ে যাওয়া হয় | সংবাদপত্রের পাতা ওল্টালে প্রায় প্রতিদিন দেশের কোনও না কোনও প্রান্ত থেকে এরকম অত্যাচারের সংবাদ পাওয়া যায় | কিন্তু এই সীমাহীন অন্যায়, অবিচার, অপমান, বঞ্চনা ও নিপীড়নের সমাপ্তি চেয়ে সাবিত্রীবাই - জ্যোতিরাও যে সংগ্রাম চালিয়ে গিয়েছিলেন, যে সংস্কার আন্দোলনের সূচনা করেছিলেন, তার স্বীকৃতি অধরাই থেকে গেল | দেশের ইতিহাসের পাতায় সংস্কারক হিসাবে যাদের উল্লেখ থাকে, সেই পাতায় স্থান হয় না সাবিত্রীবাই-এর, জ্যোতিরাও-এর | তাঁরা বিস্মৃতির গর্ভে লীন হয়ে যান |

তথ্যসূত্র:

https://www.google.co.in/url?sa=i&url=https%3A%2F%2Fwww.financialexpress.com%2Findia-news%2Fsavitribai-phule-7-facts-about-indias-first-feminist-icon%2F1432140%2F&psig=AOvVaw1g5drkHwKlzL-Pv3CuXyc6&ust=1631634129908000&source=images&cd=vfe&ved=0CAgQjRxqFwoTCMjWjpin_PICFQAAAAAdAAAAABAD

লিখেছেন
Anasuya Sen
Anasuya Sen
0 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

২০২৫ যে শব্দগুলির সঙ্গে পরিচয় করাল

Word of the year: গুগল ইন্ডিয়ার তথ্য অনুযায়ী, ভারতীয়রা ২০২৫ সালে যেসব শব্দের অর্থ সবচেয়ে বেশি খুঁজেছে, তা তাদের মানসিক অবস্থার প্রতিফলন। যেমন—সিজফায়ার অর্থাৎ যুদ্ধবিরতি, মক ড্রিল অর্থাৎ নিরাপত্তার জন্য মহড়া।

জ্যোতির্ময় দত্ত: লেখালেখির বাইরে এক খ্যাপাটে মানবতাবাদী

Jyotirmoy Dutta: বামপন্থার সমালোচক ছিলেন জ্যোতির্ময় দত্ত। তাঁর আদর্শ ছিল রবীন্দ্রনাথ ও মহাত্মা গান্ধীর মানবতা।

ঘৃণার রাজনীতি: এখন লক্ষ্য খ্রিস্টান?

Anti-Christian violence India: মিচেলের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালে দেশে খ্রিস্টান নিগ্রহের ঘটনা ঘটেছে ৮৩৪টি (গড়ে মাসে ৭০ টি)। ২০২৫ সালে নভেম্বর মাস পর্যন্ত নিগ্রহের ঘটনা ঘটেছে ৭০৬ টি।

এক বাঙালির জেদে জুড়ল দুই বাংলা: টেলিগ্রাফ ম্যান শিবচন্দ্র নন্দী

Seebchunder Nandy: ১৮৫১ সালে কলকাতা-ডায়মন্ড হারবার লাইনের প্রথম সংকেত প্রেরণের সময় শিব চন্দ্র নন্দী ডায়মন্ড হারবার থেকে বার্তা পাঠান, অন্য প্রান্তে ও'শাগনেসির সঙ্গে ছিলেন লর্ড ডালহৌসি।

অন্যের দুঃখে কেন আমাদের মিষ্টি হাসি? শ্যাডনফ্রয়ডার মনস্তত্ত্ব

Schadenfreude: বর্তমান যুগে এই অনুভূতি আগুনের মতো ছড়িয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ার হাত ধরে। আমরা এখন যাকে 'ট্রোলিং' বলি, তার মূলে রয়েছে এই শ্যাডনফ্রয়ডা।

দেশে দেশে নানাবেশে আছেন সে এক সান্তা ক্লজ

Santa Claus Across Cultures: ১৮৬৯ সালে প্রকাশিত রঙিন চিত্র সংকলনে জর্জ ওয়েবস্টার লিখেছিলেন, সান্তা ক্লজের বাড়ি "নর্থ পোলের নিকটে"।

বিপন্ন ভারতের প্রাচীন পর্বতমালা‍! যেভাবে ধ্বংসের মুখে আরাবল্লী

Aravalli Hills Under Threat: পরিবেশবিদদের মতে, আরাবল্লী কেটে ফেললে দিল্লির দূষণ পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ আকার নেবে।

শৈশবের ‘রিওয়্যারিং’: স্ক্রিনের নীল আলো গিলে খাচ্ছে ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে?

Screen Addiction Destroying the Mental Health: বাস্তব জগত থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে ডিজিটাল জগতে ডুবে থাকায় শিশুদের মানসিক কাঠামোর এক আমূল পরিবর্তন ঘটে যাচ্ছে।