সব লড়াই শেষ, চলে গেলেন ঐন্দ্রিলা, অমর হয়ে থাকল প্রেমের রূপকথা

Aindrila Sharma: কোনও লড়াই আর কাজে দিল না মেয়েটির জীবনে। কার্ডিয়াক অ্যারেস্টের আক্রমণ নেমে এল অচিরেই।

Ramen Das
৫ মিনিট
সব লড়াই শেষ, চলে গেলেন ঐন্দ্রিলা, অমর হয়ে থাকল প্রেমের রূপকথা

'আমার সামনে শুয়ে থেকেও হয়তো কয়েক সহস্র মাইল দূরে আছে, কিন্তু ঠিক ফিরে আসবে। ওর একা থাকতে বিরক্ত লাগে।' সপ্তাহখানেক আগে নিজের সামাজিক পাতায় লিখেছিলেন ঐন্দ্রিলা-প্রিয় অভিনেতা সব্যসাচী চৌধুরী। জনতার আদরের 'বামাক্ষ্যাপা' প্রার্থনা করছিলেন বারবার। সঙ্গে অগণিত ভক্তকূল!

কিন্তু আর ফিরলেন কই! একা থাকার বিরক্তিকে বন্ধু করেই জাঁকজমকের হাসপাতালেই চিরনিদ্রায় সমাহিত হলেন অভিনেত্রী ঐন্দ্রিলা শর্মা (Aidrila Sharma) । দু'সপ্তাহের বেশি হাওড়ার এক বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকার মাত্র ২৩ বছর বয়সেই জীবন পথের শেষ করলেন অভিনেত্রী ঐন্দ্রিলা (Aindrila Sharma Demise) । এ রাজ্য তো বটেই দেশের ভালোবাসার ইতিহাসে নজির সৃষ্টি করে চলে গেলেন সম্ভাবনাময়ী এই অভিনেত্রী।

জীবনের মারাত্মক দুই কঠিন লড়াইয়ে জয় পেলেও ঐন্দ্রিলা হেরে গেলেন অবশেষে। অনেকেই বলছেন, তিনি চলে গিয়েছেন শারীরিকভাবে, কিন্তু মাত্র ২৩ বছরের জীবনীশক্তিতে যা দেখিয়ে দিয়ে গিয়েছেন তা ব্যতিক্রম! তা চিরঞ্জীবী!

'ফিনিক্স পাখি' ঐন্দ্রিলা

বারবার তীব্র লড়াই আর প্রবল প্রতিবন্ধকতা কাটিয়ে ফিরে এসেছেন নতুন করে। ফিরে এসেছেন নতুন উদ্যোগে আর উদ্যমেও। কিন্তু সেই অভিনেত্রীই ফের মুখোমুখি হন অগ্নিপরীক্ষার। ১ নভেম্বর থেকে লড়তে শুরু করেন এক নতুন লড়াই। জীবন আর মৃত্যুর টানাপড়েনে হাওড়ার এক বেসরকারি হাসপাতালের বেডে শুয়ে কৃত্রিম যন্ত্রে চলে তাঁর শরীর, তাঁর শ্বাসপ্রশ্বাস। হঠাৎ মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ তাঁকে কাবু করে ফের। আর এই খবরেই সোশ্যাল-দুনিয়ায় ঝড় ওঠে। নজিরবিহীনভাবে অভিনেত্রী ঐন্দ্রিলার জন্য প্রার্থনায় সরব হয় সোশ্যাল-দুনিয়া। ফিরে আসতেই হবে তাঁকে, ঐন্দ্রিলা জিতবেনই, বলতে থাকেন সকলেই। কিন্তু আর ফিরলেন কই!

কেন? কী কারণে ঐন্দ্রিলার ফেরার প্রার্থনায় মশগুল হয় সোশ্যাল-দুনিয়া! এই প্রশ্নের জবাব খুঁজতে বসলে পিছিয়ে যেতে হয় সব্যসাচীর (Sabyasachi Chowdhury) ভালবাসার জিয়নকাঠির লড়াইয়ের ইতিহাসে। যে লড়াই শুধু এই রাজ্য বা এই দেশ নয়, প্রতিমুহূর্তে বিবর্তিত করেছে, বিরচিত করেছে এক ফিরে আসার কাহিনিকেও।

'সবই তোমায় ছাড়া বৃথা...'

মুর্শিদাবাদের বহরমপুরে বেড়ে ওঠা ঐন্দ্রিলার। মা শিখা শর্মা, একটি নার্সিং হোস্টেলের ওয়ার্ডেন। বাবা উত্তম শর্মা, মুর্শিদাবাদের পাঁচগ্রাম হাসপাতালের চিকিৎসক। বহরমপুর বাসস্ট্যান্ডের কাছে ইন্দ্রপ্রস্থ মোড় এলাকার শর্মা বাড়ির সদস্যরা বরাবর জড়িত চিকিৎসা পরিষেবার সঙ্গে। তাঁর দিদিও চিকিৎসক। কিন্তু ঐন্দ্রিলা ছিলেন ছোট থেকেই ভিন্ন। মাত্র তিন বছর বয়স থেকে নাচ শেখা শুরু করেন তিনি। ছোট থেকে পড়াশুনায় মেধাবী ঐন্দ্রিলা বড় নৃত্যশিল্পী হতে চেয়েছিলেন বরাবর। প্রতিমুহূর্তে বাবা-মায়ের সমর্থন এবং অসাধারণ ভালো মনের উপর ভর করে এগোচ্ছিলেন ঐন্দ্রিলা শর্মা।

মারণরোগের বিপদ

কিন্তু মেধাবী ছাত্রী ঐন্দ্রিলার জীবন বদলে গেল ২০১৫ সাল নাগাদ! উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা দেওয়ার মাত্র এক বছর আগে, একাদশ শ্রেণীতে পড়ার সময় টের পেলেন মারাত্মক বিপদের! সুখের সংসারে নেমে এলো আকস্মিক বিপদ! মাত্র ১৮ বছর বয়সে ঐন্দ্রিলার জীবযুদ্ধে এসে হাজির হয় মারণরোগ ক্যান্সার। তাঁর ফুসফুসে ক্যান্সার বাঁধে বাসা। তখনও অভিনয় জগতে তেমনভাবে পা রাখেননি তিনি। শুরু হয় নতুন লড়াই। বেঁচে থাকার তাগিদ আর বড় হওয়ার ইচ্ছায় ভর করে দেড় বছরের টানা লড়াই চালান তিনি। অবশেষে বহরমপুরের হাসিখুশি মেয়েটা ওই যন্ত্রণাময় তীব্র লড়াই শেষে, কঠিন চিকিৎসা-পর্ব কাটিয়ে ফের ফিরে আসেন নতুন করে।

অভিনেত্রী-জীবনে ঐন্দ্রিলা

২০১৭ সালে নতুন মোড় নেয় তাঁর জীবন। ক্যান্সার জয় করে ঐন্দ্রিলার স্বপ্নপূরণের পথ খোলে ফের। টেলিভিশন জগতে পা দেন তিনি। ততদিনে বহরমপুরের ঐন্দ্রিলার যাতায়াত বেড়েছে টালিগঞ্জে। একাধিক অডিশনের পর ২০১৭ সাল নাগাদ শুরু করেন 'ঝুমুর' ধারাবাহিকে কাজ। অভিনয়ে দর্শকের মনজয়ে শীর্ষে উঠতে থাকেন প্রথম থেকেই। একদিকে ওষুধ, চিকিৎসার জন্য ভিনরাজ্যে যাওয়া, আবার অভিনয়! জীবনের প্রত্যেক মুহুর্তের লড়াইয়ে টিকে থাকার চেষ্টা করছেন তিনি। কাছের মানুষ হিসেবে ততদিনে পেয়ে গিয়েছেন 'বামাক্ষ্যাপা' সব্যসাচী চৌধুরীকে। এর সঙ্গেই একাধিক ধারাবাহিকেও কাজ করতে থাকেন ঐন্দ্রিলা।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
ঠিক কী হয়েছে ঐন্দ্রিলার, প্রাণঘাতী এই রোগ হানা দিতে পারে যখনতখন, উপসর্গ কী

Aimdrila Sharma: গত ১ নভেম্বর আচমকা কী হয় এই অভিনেত্রীর? কেন চেতনা হারান তিনি? মাত্র ২৩ বছর বয়সেই এই বিপদ কেন?

ফের মারণযুদ্ধে অভিনেত্রী

কথায় বলে অভাগা যেদিকে চায়, সাগর শুকিয়ে যায়! ঐন্দ্রিলার জীবনপথও বোধহয় ঠিক সেইরকমই! ভালোই-ভালোই সব চলতে থাকার মধ্যেই আবারও ওত পেতে থাকা বিপদের মুখোমুখি হন ঐন্দ্রিলা। ফের ঘিরে ধরে মারণরোগ ক্যান্সার। আবারও আক্রান্ত হলেন অভিনেত্রী। প্রেমিক সব্যসাচী চৌধুরীর সান্নিধ্য, পরিবারের সমর্থনে ফের যুদ্ধ জিতলেন ঐন্দ্রিলা।

২০২১ সালে মারণরোগ ক্যান্সারকে দ্বিতীয়বার প্রায় হারিয়ে ছোটপর্দায় ফিরলেন অভিনেত্রী। তাঁর লড়াই আর ফিরে আসার তাগিদ দেখল দুনিয়া। সব্যসাচী-ঐন্দ্রিলা জুটি ততদিনে জনপ্রিয়তার শিখরে। ২৩ বছরের কন্যার লড়াইয়ের কথার প্রকাশ হয়েছে বিশ্বজুড়ে। ঐন্দ্রিলার যুদ্ধের শরিক হয়েছে সোশ্যাল-দুনিয়াও।

একদা শরীরের জন্য ইঞ্জিনিয়ার হতে না পারা মেয়েটাই দু'বার মারণরোগ জয় করে ফিরলেন মূলস্রোতে। চালিয়ে গেলেন অভিনয়। পর্দায় ফিরলেন জীবনযুদ্ধে জয়ী হওয়া জিয়নকাঠির উপজীব্য ঐন্দ্রিলা। সঙ্গে 'জিয়নকাঠি' ধারাবাহিক।

সব্যসাচীর জীবন-রসদ

প্রিয় বন্ধু, সঙ্গী সব্যসাচী আর ঐন্দ্রিলা আবার ফিরছিলেন। প্রেমিকার জন্য নতুন যুদ্ধে জিতছিলেন সব্যসাচী নিজেও। ক্যান্সার আক্রান্তের মানসিক অবস্থানে বারবার বল আরোপ করছিলেন তিনিও।

আর ঐন্দ্রিলা? ভালো থাকার রসদ আর অভিনয়কে ভর করে এগিয়ে যাচ্ছিলেন ফের। ওয়েব সিরিজ 'ভাগাড়'-এ তাঁদের জুটির তীব্র প্রকোপ পছন্দ করেছিল দর্শকও।

কিন্তু আর পারলেন না! বারবার মৃত্যুকে হারিয়ে দেওয়ার পরেও আবার অবতীর্ণ হতে হয় মৃত্যুর মুখেই! ফের ঐন্দ্রিলাকে যেন ঘিরে ধরে মৃত্যু! প্রতিমুহূর্তে এক উদীয়মান প্রতিভার বিলুপ্তি আশঙ্কার সৃষ্টি করে দেশজুড়ে। প্রতিটি সেকেন্ডে ঐন্দ্রিলার পরিবার শুধু নয়, হাজার হাজার শুভানুধ্যায়ীর প্রার্থনায় উঠে আসে তাঁর ফিরে আসার কথা।

মৃত্যুদূতের আগমন!

১ নভেম্বর। হাসিখুশি মেয়েটির শরীর খারাপ লাগছিল সকাল থেকেই। আচমকা অর্ধচেতন হলেন ঐন্দ্রিলা। তড়িঘড়ি তাঁকে ভর্তি করানো হয় হাওড়ার এক বেসরকারি হাসপাতালে।

২ নভেম্বর। শারীরিক অবস্থা খারাপ হয় ঐন্দ্রিলার। তাঁকে দেওয়া হয় ভেন্টিলেশনে।

৩ নভেম্বর। মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ দিয়ে সমস্যার শুরু হলেও বাড়তে থাকে সংক্রমণ। রক্তের সংক্রমণ ঘেরে অভিনেত্রীকে।

৬ নভেম্বর। খানিকটা আশার আলো দেখিয়ে পরিস্থিতির উন্নতি হয়। রাতের দিকে পরিবারকে আরও আশার কথা শোনান চিকিৎসকরা।

৭ নভেম্বর। ভেন্টিলেশন থেকে বের করা হয় অভিনেত্রী ঐন্দ্রিলাকে। ভালো খবর শোনান সব্যসাচী নিজেই।

১০ নভেম্বর। আশার আলোর মধ্যেই জমে শঙ্কার মেঘ।

১১ নভেম্বর। ফের বাড়তে থাকে সংক্রমণ।

১২ নভেম্বর। আরও খারাপ হয় ঐন্দ্রিলার শারীরিক অবস্থার। বাড়ে সংক্রমণ। আসে জ্বর।

১৪ নভেম্বর। ক্রমশ অবনতির দিকে পরিস্থিতি। ভিন্ন ভিন্ন অঙ্গপ্রতঙ্গ কাজ করতে সমস্ত সৃষ্টি করতে থাকে।

১৭ নভেম্বর। সকাল হতেই খবর আসে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়েছেন অভিনেত্রী। নিস্তব্ধতা নেমে আসে চারিদিকে। তবুও চলে লড়াই। চিকিৎসকদের তৎপরতা আর ঐন্দ্রিলার লড়াই এক হয়ে যায় মুহূর্তে।

১৮ নভেম্বর। মধ্যরাতে সোশ্যাল দুনিয়া উত্তাল। খবর ছড়ায় আচমকা। ঐন্দ্রিলা শর্মা প্রয়াত। একাধিক তারকাও শেয়ার করতে শুরু করেন সেই খবর। অবশেষে সব্যসাচী ফেসবুক পোস্টের মাধ্যমে জানান, এখবর মিথ্যা!

১৯ নভেম্বর। যেন মৃত্যুর খবরেই আয়ু বাড়ল অভিনেত্রীর। দীর্ঘ বার্তায় তাঁর প্রেমিক অভিনেতা সব্যসাচী জানান বিস্তারিত। ঐশ্বরিক শক্তি আর মেয়েটির তীব্র লড়াইয়ের কথা বলে সুখবর দেন সব্যসাচী। ফের ফিরে আসার আভাস পায় জনতা। আশায় বুক বাঁধেন কোটি কোটি মানুষ। ফিরবেনই ঐন্দ্রিলা, এই প্রার্থনায় মশগুল হন সকলেই।

কিন্তু বেশিক্ষণ আর সুখবর রইল কই! ফিরে আসতে আসতেই হারিয়ে গেলেন ফিনিক্স।

ভেন্টিলেশনে আর নেই ঐন্দ্রিলা। খানিকটা বিপদ কমেছে। সব্যসাচীর আশার কথার আবহে মেয়ের ভালো থাকার কথা জানিয়েছিলেন অভিনেত্রীর মা-ও।

কিন্তু আর হলো কই! কোনও লড়াই আর কাজে দিল না মেয়েটির জীবনে। কার্ডিয়াক অ্যারেস্টের আক্রমণ নেমে এল অচিরেই। অকালেই চিরতরে বন্ধ হলো ঐন্দ্রিলার পার্থিব শরীরের চলাচল! আর তাঁর চলে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই বিমর্ষ হলো বাংলা। শোকে মূহ্যমান তারকা-জগতের মাঝেই একযোগে বেদনায় ভরলেন নেটদুনিয়ার সাধারণ বাসিন্দারাও।

লিখেছেন
Ramen Das
Ramen Das
0 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

২০২৫ যে শব্দগুলির সঙ্গে পরিচয় করাল

Word of the year: গুগল ইন্ডিয়ার তথ্য অনুযায়ী, ভারতীয়রা ২০২৫ সালে যেসব শব্দের অর্থ সবচেয়ে বেশি খুঁজেছে, তা তাদের মানসিক অবস্থার প্রতিফলন। যেমন—সিজফায়ার অর্থাৎ যুদ্ধবিরতি, মক ড্রিল অর্থাৎ নিরাপত্তার জন্য মহড়া।

জ্যোতির্ময় দত্ত: লেখালেখির বাইরে এক খ্যাপাটে মানবতাবাদী

Jyotirmoy Dutta: বামপন্থার সমালোচক ছিলেন জ্যোতির্ময় দত্ত। তাঁর আদর্শ ছিল রবীন্দ্রনাথ ও মহাত্মা গান্ধীর মানবতা।

ঘৃণার রাজনীতি: এখন লক্ষ্য খ্রিস্টান?

Anti-Christian violence India: মিচেলের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালে দেশে খ্রিস্টান নিগ্রহের ঘটনা ঘটেছে ৮৩৪টি (গড়ে মাসে ৭০ টি)। ২০২৫ সালে নভেম্বর মাস পর্যন্ত নিগ্রহের ঘটনা ঘটেছে ৭০৬ টি।

এক বাঙালির জেদে জুড়ল দুই বাংলা: টেলিগ্রাফ ম্যান শিবচন্দ্র নন্দী

Seebchunder Nandy: ১৮৫১ সালে কলকাতা-ডায়মন্ড হারবার লাইনের প্রথম সংকেত প্রেরণের সময় শিব চন্দ্র নন্দী ডায়মন্ড হারবার থেকে বার্তা পাঠান, অন্য প্রান্তে ও'শাগনেসির সঙ্গে ছিলেন লর্ড ডালহৌসি।

অন্যের দুঃখে কেন আমাদের মিষ্টি হাসি? শ্যাডনফ্রয়ডার মনস্তত্ত্ব

Schadenfreude: বর্তমান যুগে এই অনুভূতি আগুনের মতো ছড়িয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ার হাত ধরে। আমরা এখন যাকে 'ট্রোলিং' বলি, তার মূলে রয়েছে এই শ্যাডনফ্রয়ডা।

দেশে দেশে নানাবেশে আছেন সে এক সান্তা ক্লজ

Santa Claus Across Cultures: ১৮৬৯ সালে প্রকাশিত রঙিন চিত্র সংকলনে জর্জ ওয়েবস্টার লিখেছিলেন, সান্তা ক্লজের বাড়ি "নর্থ পোলের নিকটে"।

বিপন্ন ভারতের প্রাচীন পর্বতমালা‍! যেভাবে ধ্বংসের মুখে আরাবল্লী

Aravalli Hills Under Threat: পরিবেশবিদদের মতে, আরাবল্লী কেটে ফেললে দিল্লির দূষণ পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ আকার নেবে।

শৈশবের ‘রিওয়্যারিং’: স্ক্রিনের নীল আলো গিলে খাচ্ছে ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে?

Screen Addiction Destroying the Mental Health: বাস্তব জগত থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে ডিজিটাল জগতে ডুবে থাকায় শিশুদের মানসিক কাঠামোর এক আমূল পরিবর্তন ঘটে যাচ্ছে।