বহিরাগত দেখলে শাঁখ বাজানোর নির্দেশ! সন্দেশখালি থেকে যে বার্তা দিলেন বিরোধীনেতা শুভেন্দু

Suvendu Adhikari in Sandeshkhali: এর আগে দু-দু'বার পিছু হঠতে বাধ্য হয়েছেন বিজেপি নেতা শুভেন্দু। মঙ্গলবার সন্দেশখালিতে যাওয়ার জন্য হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির কাছ থেকে অনুমতি নেন শুভেন্দু।

Sohini Das
৫ মিনিট
বহিরাগত দেখলে শাঁখ বাজানোর নির্দেশ! সন্দেশখালি থেকে যে বার্তা দিলেন বিরোধীনেতা শুভেন্দু

জোর করে জমি জবরদখল, মেয়েদের উপর অকথ্য অত্যাচার, যৌন হেনস্থা। সময় মতো বাড়ির মেয়ে-বউদের পাঠাতে হল এলাকার ত্রাস শেখ শাহজাহান ও তার সাঙ্গপাঙ্গদের কাছে। ওজরআপত্তি করলেই বাড়ির পুরুষদের ধরে মার, অত্যাচার। শাসকদল তৃণমূলের স্থানীয় নেতা কার্যত ভয়ের আবহ গড়ে তুলেছিল সন্দেশখালি জুড়ে। পুলিশ-প্রশাসন কারওর কাছে কোনও অভিযোগ করেই ফল মেলেনি। অবশেষে একদিন পথে নামেন স্থানীয় মহিলারা। রুখে দিতে চান শেখ শাহজাহানদের। খবরের কাগজের শিরোনামে উঠে আসে সন্দেশখালি। যেখানের আন্দোলনকে অনেকেই সিঙ্গুর-নন্দীগ্রামের জমি আন্দোলনের সঙ্গে তুলনা করেছেন। সেই সন্দেশখালিতে তিনবারের চেষ্টায় অবশেষে প্রবেশ করেছেন রাজ্যের বিরোধী নেতা শুভেন্দু অধিকারী।

আদালতের থেকে অনুমতি নিয়ে তবে মিলেছে সন্দেশখালিতে প্রবেশের ছাড়পত্র। এর আগে দু-দু'বার পিছু হঠতে বাধ্য হয়েছেন বিজেপি নেতা শুভেন্দু। মঙ্গলবার সন্দেশখালিতে যাওয়ার জন্য হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির কাছ থেকে অনুমতি নেন শুভেন্দু। তবে কোনও সমর্থক বা দলীয় কর্মী যাতে তাঁর সঙ্গে না যায় ঘটনাস্থলে, তা নিশ্চিত করার নির্দেশ দিয়েছিল কোর্ট। আদালতের নির্দেশ অনুসারেই শুভেন্দু ও শঙ্কর ঘোষ পৌঁছন সন্দেশখালিতে।

যদিও ধামাখালিতেই পুলিশের বিশাল বাহিনী তাঁকে আটকায়। বাধা দেওয়া হয় সিপিএম নেত্রী বৃন্দা কারাতকেও। ইতিমধ্যে নতুন করে ১৪৪ ধারা জারি করেছে প্রশাসন। ধামাখালি ঘাট , সন্দেশখালি ঘাট , ভোলাখালি ঘাট , খুলনা ঘাট, জেলেখালি ঘাট। মোট ১২ জায়গায় ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে। তবে আদালতের অনুমতিপত্র দেখালে ধামাখালিতে ব্যারিকেড সরায় পুলিশ। কালো ব্যাজ পরে সন্দেশখালিতে ঢোকেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী ও বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ। জানা গিয়েছে, শুভেন্দু এলাকায় পৌঁছতেই 'জয় শ্রীরাম' ধ্বনি ওঠে চারদিক থেকে। স্থানীয় বাসিন্দাদের কাছে গিয়ে গিয়ে আশ্বাস দিতে দেখা গিয়েছে শুভেন্দুকে।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
সন্দেশখালি ঘুরে কেন রাষ্ট্রপতি শাসন চাইছেন জাতীয় মহিলা কমিশনের চেয়ারপার্সন?

Woman Commission in Sandeshkhali: সোমবার সন্দেশখালি পরিদর্শনে যায় জাতীয় মহিলা কমিশন। সন্দেশখালি ঘুরে দেখার পর রেখা শর্মা জানান, রাষ্ট্রপতি শাসন ছাড়া গতি নেই সেখানে।

রাজ্যের বিরোধী দলনেতা জানান, কর্মরত সাংবাদিককে অবৈধভাবে গ্রেফতারির প্রতিবাদেই কালো ব্যাজ পরে সন্দেশখালিতে ঢোকেন তিনি। সন্দেশখালির হাতে গোনা জায়গাতে যাওয়ারই অনুমতি পেয়েছিলেন শুভেন্দুবাবু। এদিকে, বিজেপির অভিযোগ, শুভেন্দুর সঙ্গে দেখা করা নিয়ে এলাকার বাসিন্দাদের হুমকি দিচ্ছে ধৃত উত্তম সর্দার এবং শিবপ্রসাদ হাজরার অনুগামীরা। সন্দেশখালির ঘোষপুর এলাকার বাসিন্দাদের একাংশ অভিযোগ করেছেন, শুভেন্দুর সঙ্গে দেখা করলে বাড়িঘর ভাঙচুর করার হুমকি দেওয়া হচ্ছে! তাঁদের অভিযোগ, শুভেন্দুর সঙ্গে দেখা করলে এলাকায় থাকতে দেওয়া হবে না বলেও হুমকি দেওয়া হচ্ছে।

সোমবারই সন্দেশখালিতে গিয়েছিল জাতীয় মহিলা কমিশনের চেয়ারপার্সন রেখা শর্মা। পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে সন্দেশখালিতে রাষ্ট্রপতি শাসনের দাবি জানান রেখা। দিন কয়েক আগে সন্দেশখালি গিয়েছিল রাজ্যের এসসি কমিশন। রাষ্ট্রপতির কাছে তাদের তরফেও আবেদন জানানো হয়েছে, যাতে রাষ্ট্রপতি শাসন জারি করা হয় সন্দেশখালিতে। তার পরেই মঙ্গলবার সন্দেশখালির মাটিতে পা রাখলেন বিরোধী নেতা শুভেন্দু অধিকারী। সোমবারও সন্দেশখালি যাওয়ার পথে আটকানো হয়েছিল শুভেন্দু অধিকারীকে। রাজ্য সরকার ডিভিশন বেঞ্চে গিয়েছে বলে দাবি করে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা-সহ বিজেপি বিধায়কদের বাধা দেয় পুলিশ। পাঁচ বিধায়ককে নিয়ে সন্দেশখালি যাওয়ার পথে, ধামাখালি ফেরিঘাট এলাকায় আটকে দেওয়া হয় শুভেন্দুকে। তখন তিনি বলেন, এক ঘণ্টা অপেক্ষা করব, তারপর কলকাতায় ফিরে গিয়ে আদালতের দ্বারস্থ হব। রাস্তায় বসে পড়ে শুরু করেন বিক্ষোভ। এর আগে দু’বার সন্দেশখালি যাওয়ার চেষ্টা করেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা। রাজ্য প্রশাসনের বাধায় সম্ভব হয়নি তা। কিন্তু এবার প্রধান বিচারপতি শুভেন্দু অধিকারী ও শঙ্কর ঘোষকে সন্দেশখালি যাওয়ার অনুমতি দেন।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
সন্দেশখালি কি আজকের নন্দীগ্রাম?

Sandeshkhali : হেরোইন ব্যবসা থেকে শুরু করে গরুপাচার, কাঠপাচার এমনকী মানুষ পাচারের অভিযোগও ওঠে শাহজাহানের বিরুদ্ধে।

এদিন সন্দেশখালি যান সিপিএম নেত্রী বৃন্দা কারাটও। ধামাখালিতেই নেত্রীকে আটকায় পুলিশ। পুলিশের সঙ্গে সিপিএম কর্মীদের বচসাও শুরু হয়। বৃন্দা জানান, মাত্রা চার জনকে নিয়ে তিনি সন্দেশখালি যেতে চান। কিন্তু পুলিশের তরফে অনুমতি দেওয়া হয়নি। বৃন্দা বলেন, ‘‘সন্দেশখালিতে আমাদের ঢুকতে দেওয়া হল না। এটা অগণতান্ত্রিক। পুলিশের যদি এত ক্ষমতা থাকে, তা হলে কেন শাহজাহান শেখকে গ্রেফতার করা যাচ্ছে না? শাহজাহান গ্রেফতার হলে, অনেক সত্যি সামনে আসবে। ওই জন্য ওকে ধরা হচ্ছে না। মেয়েদের অবস্থা শোচনীয়। আমি কল্পনা করতে পারছি না। জাতীয় মহিলা কমিশন এবং এসসি কমিশন উত্তরপ্রদেশ এবং মণিপুর যাচ্ছে না। অথচ বাংলায় তারা রাষ্ট্রপতি শাসনের দাবি করছে। রাষ্ট্রপতি শাসন মানে বিজেপি শাসন। আমরা এর বিরোধিতা করছি। বিকল্প সরকার চায় মানুষ। অগণতান্ত্রিক শাসন বা রাষ্ট্রপতি শাসনের বকলমে বিজেপির শাসন চায় না মানুষ।’’

সন্দেশখালিতে ঘুরে ঘুরে এদিন গ্রামবাসীদের অভিযোগ শুনছেন বিরোধী দলনেতা। সন্দেশখালির ৮ নম্বর মাঝেরপাড়ার বিনাপানি সমাজ কল্যাণের মাঠে বসেও গ্রামবাসীদের সঙ্গে কথা বলেন। প্রসঙ্গ তোলেন নন্দীগ্রামের । বিরোধী দলনেতা বলেছেন, “সন্ধ্যের পর কোনওভাবে বহিরাগতদের দেখেন, তাহলে শাঁখ বাজাবেন। সেই সময় সবাই সতর্ক হয়ে যাবেন। একজোট হয়ে লড়াই করবেন।”সাধারণ মানুষে সঙ্গে কথা বলার সময় শুভেন্দুর আশ্বাস, ‘‘আপনারা সঙ্গে থাকবেন তো? তা হলেই হবে। তা হলেই শাহজাহান ফিনিশ।’’ সন্দেশখালিতে সব পরিবর্তন হয়ে যাবে, শান্তি ফিরে আসবে বলেও এদিন আশ্বাস দিতে দেখা গিয়েছে বিরোধী দলনেতাকে। একই সঙ্গে বিজেপি নেতা বিকাশ সিংহের বাড়িতেও এদিন যান শুভেন্দু। সন্দেশখালিতে অশান্তিতে প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগে গ্রেফতার হয়েছেন বিজেপি নেতা বিকাশ। পরে তাঁকে জামিন দেয় আদালত। কিন্তু আদালত থেকে বেরনোর সঙ্গে সঙ্গেই বিকাশকে আবার গ্রেফতার করে পুলিশ। সেই ধৃত বিজেপি নেতার পরিবারের সঙ্গে এদিন কথা বলেন বিজেপি নেতা। বিকাশ সিংহের বাড়ি থেকে বেরিয়ে শুভেন্দু বলেন, ‘‘গ্রামের সকলকে একটা করে মাইক দেব। কেউ ঘরে এলেই চোর এসেছে, দস্যু এসেছে বলে ওই মাইকে চিৎকার করতে হবে। তখন বাকিরাও ঘর থেকে বেরিয়ে আসবেন।’’

গোড়া থেকেই সন্দেশখালির বিদ্রোহকে এ রাজ্যের শাসকদলের বিরুদ্ধে ব্যবহার করার চেষ্টা করে আসছে বিজেপি। চেষ্টা করা হচ্ছে এর উপর ধর্মীর রং চাপানোরও। সামনেই লোকসভা ভোট। তার আগে সন্দেশখালির মতো ঘটনা এ রাজ্যের প্রধান বিরোধী দল বিজেপির হাতে যে মোক্ষম অস্ত্র তুলে দিয়েছে তাতে আর সন্দেহ কী! আর সেটাকেই এদিন সন্দেশখালি সফরেও কাজে লাগানোর চেষ্টা করেছেন বিরোধী দলনেতা। সন্দেশখালির মাটিতে পা দিয়ে তাঁকে বলতে শোনা গিয়েছে সেই লক্ষ্যের কথাই। আর লক্ষ্য স্থির থাকলে যে জয় আসবেই, সে কথাও এদিন পরিষ্কার করে দেন শুভেন্দু। তাঁর কথায়, ‘‘আমাদের লক্ষ্য স্থির ছিল। তাই সন্দেশখালি পৌঁছে সেখানকার স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলতে পেরেছি। মহিলাদের উপর অত্যাচার হয়েছে। আদিবাসীদের জমি নেওয়া হয়েছে। কাউকে আইন হাতে তুলে নিতে বারণ করেছি। তবে শাহজানান এখানেই ঘোরাফেরা করছে। আর বাংলাদেশ চলে গেলে সেখান থেকে চুলের মুঠি ধরে নিয়ে আসতে হবে। বিএসএফকে সতর্ক থাকতে হবে।’’

শিবু, উত্তমরা গ্রেফতার হয়েছে ইতিমধ্যেই। আপাতত ধরা পড়া বাকি পালের গোদা শেখ শাহজাহানের। শেখ শাহজাহানের গ্রেফতারির দাবিতে পোস্টারে পোস্টারে ছয়লাপ সন্দেশখালি। স্থানীয় মহিলারা তো ঘোষণা করেই দিয়েছেন, শাহজাহান গ্রেফতার হলে পিকনিক হবে সন্দেশখালিতে। আর সেই উত্তপ্ত পরিস্থিতিতেই সন্দেশখালি ঘুরে দেখলেন শুভেন্দু। একই সঙ্গে তাঁর হুঙ্কার, সন্দেশখালিতে তৃণমূল সভা করলে পাল্টা সভা করবে বিজেপিও। ভোটের আগে যে কোনও মতেই সন্দেশখালি ইস্যুকে বৃথা যেতে দেবেন না শুভেন্দু তৃণমূলের বিরুদ্ধে, তা একরকম স্পষ্ট করে দিয়েছেন এদিন তিনি সন্দেশখালি থেকেই।

লিখেছেন
Sohini Das
Sohini Das
0 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

সরবোন থেকে যন্তরমন্তর: যে আগুন বারবার বদলে দেয় পৃথিবীকে

May 1968 France student protests: এই যে ছেলেমেয়েরা যন্তরমন্তরের রাস্তায় স্লোগান দিচ্ছে, ধারাশ্রাবণের ভয় পিছনে ফেলে পার্লামেন্ট স্ট্রিটের দিকে এগিয়ে গেল, দক্ষিণী এক বৃদ্ধ তার ধুতি সামলাতে সামলাতে ছুটছেন তাদের সঙ্গে—কী মনোরম এই বারিপাত! কেমন যেন একটা দুর্দান্ত ফ্ল্যাশব্যাকে ঘুরে গেল সময়।

অঙ্কিতা ভাণ্ডারী মামলা: তিন অভিযুক্তের সাজা হয়েও মেটেনি ‘ভিআইপি’ রহস্য

Ankita Bhandari case highlights :অঙ্কিতার বাবা-মা অভিযোগ করেছেন, গৌতমই সেই ভিআইপি, যিনি তাঁদের মেয়েকে হত্যার ষড়যন্ত্রে জড়িত ছিলেন। তাঁরা রাষ্ট্রপতির কাছে গৌতমের রাজ্যপাল নিয়োগকে চ্যালেঞ্জ করে আদালতে গিয়েছেন, এই যুক্তিতে যে এই ‘ভিআইপি’কে কোনো পদে বহাল থাকার অনুমতি দেওয়ার আগে সিবিআই তদন্ত শেষ হওয়া উচিত।

জিডিপির বাইরে উন্নয়নের হিসাব, ভারতের অর্থনীতিকে অন্য চোখে দেখতে শিখিয়েছেন জঁ দ্রেজ

Economist Jean Drèze: দিল্লিতে সিজেপি বিক্ষোভের সময় পুলিশ আটক করল অর্থনীতিবিদ জঁ দ্রেজকে। অমর্ত্য সেনের সহযোগী এই অর্থনীতিবিদ MGNREGA ও জাতীয় খাদ্য সুরক্ষা আইনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন। ২০২৬- এ পেয়েছেন গ্লোবাল ইনইকুয়ালিটি রিসার্চ অ্যাওয়ার্ড।

জ্ঞানেশ বিরোধী আন্দোলন: তারুণ্য যা শেখালো ইন্ডিয়া জোটকে

Youth Protests and Opposition Unity: সংসদীয় রাজনীতিতে যেখানে প্রবীণ নেতারা ঐক্যের পথ খুঁজতে গিয়ে হোঁচট খাচ্ছিলেন, সেখানেই নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে ভোটার তালিকা ও বিভিন্ন অনিয়ম সংক্রান্ত ক্ষোভকে কেন্দ্র করে রাজপথে নামা তরুণ প্রজন্ম বিরোধীদের নতুন করে এক ছাতার তলায় আসার পথ তৈরি করছে।

কেন তুলে দিতে হচ্ছে মাদ্রাসা কমিশন? প্রশ্ন শিক্ষামহলের

West Bengal decides to merge Madrasah Service Commission: ১৩ অক্টোবর ২০২৬ জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ৫ অক্টোবরের মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১৯৯৭ সালের পশ্চিমবঙ্গ স্কুল সার্ভিস কমিশনের সঙ্গে মাদ্রাসা সার্ভিস কমিশনকে একীভূত করার উদ্যোগ নিয়েছে রাজ্য সরকার।

আমার উৎসব, ওঁদের আরও একটা দীর্ঘ কাজের দিন

Durga Puja for Gig Workers: গিগ কর্মীদের দুর্গাপুজোর চার দিন কীভাবে কাটে? বাড়তি উপার্জনের আশায় ব্যক্তিগত আনন্দ, উৎসবের আমেজ আর প্রিয়জনদের সঙ্গে কাটানোর সময় থেকে কতটা বিসর্জন দিতে হয় তাঁদের?

বাংলাদেশে রবীন্দ্র-বিরোধিতা নিয়ে কী বলছেন বুদ্ধিজীবীরা?

Tagore graffiti vandalism Bangladesh: বাংলাদেশে কেন টার্গেট রবীন্দ্রনাথ? বুদ্ধিজীবীরা কী বলছেন?

রবীন্দ্রনাথ সত্যিই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করেছিলেন?

The Tagore Myth: ঢাকার শিল্পকলা একাডেমির সামনে রবীন্দ্রনাথের গ্রাফিতিতে চুনকালি দেওয়ার ঘটনায় জামায়াতে ইসলামীর দাবি, 'রবীন্দ্রনাথ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় চাননি।' ফ্যাক্ট-ওয়াচ ও প্রয়াত অধ্যাপক আনিসুজ্জামানের মতে, দাবিটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। ইতিহাসের তথ্য ও তর্কের পরিপ্রেক্ষিতে, দেখে নেওয়া যাক, এই দাবিগুলি কতটা মিথ, কতটা মিথ্যা।