ক্ষমাপ্রার্থনা যথেষ্ট নয়! সুপ্রিম কোর্টে রামদেবদের জন্য অপেক্ষা করছে যে বিপদ

Ramdev at Supreme Court: এর আগেও ক্ষমা চেয়েছিলেন রামদেব। সুপ্রিম কোর্টে হলফনামা দিয়ে দ্বিতীয়বার ফের ক্ষমা চেয়েছেন পতঞ্জলিকর্তা বাবা রামদেব এবং আচার্য বালকৃষ্ণন।

Sohini Das
৪ মিনিট
ক্ষমাপ্রার্থনা যথেষ্ট নয়! সুপ্রিম কোর্টে রামদেবদের জন্য অপেক্ষা করছে যে বিপদ

বাবা রামদেবের সমস্যা যেন আর শেষই হচ্ছে না। ইতিমধ্যেই ভুয়ো এবং বিভ্রান্তিকর বিজ্ঞাপন মামলায় সুপ্রিম কোর্টে মুখ পুড়েছে পতঞ্জলি আয়ুর্বেদের। সংস্থার সহ-প্রতিষ্ঠাতা তথা যোগগুরু রামদেবকে আদালত অবমাননার দায়ে সুপ্রিম কোর্টে তলবও করেছিল বেঞ্চ। শেষপর্যন্ত আদালতে সশরীরে হাজিরা দিয়ে নিঃশর্ত ক্ষমা চান বাবা রামদেব। তবে যোগগুরুর ক্ষমাপ্রার্থনাতেও সন্তুষ্ট নয় সুপ্রিম কোর্ট। বরং রামদেবের নিঃশর্ত ক্ষমা চেয়ে হলফনামা শুধু একটা কাগজের টুকরো ছাড়া কিছুই নয়, এবার এমনটাই স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে দেশের শীর্ষ আদালত।

এর আগেও ক্ষমা চেয়েছিলেন রামদেব। সুপ্রিম কোর্টে হলফনামা দিয়ে দ্বিতীয়বার ফের ক্ষমা চেয়েছেন পতঞ্জলিকর্তা বাবা রামদেব এবং আচার্য বালকৃষ্ণন। তবে সেই ক্ষমাপ্রার্থনা সরাসির নাকচ করে দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। বাতিল করা হয়েছে হলফনামাও। একই সঙ্গে সুপ্রিম কোর্ট সতর্ক করে দিয়েছে, আরও বড় দুঃখ নাচছে রামদেব ও বালকৃষ্ণের কপালে। এ নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি হিমা কোহলি জানান, এখন তাঁদের দেওয়ালে পিঠ ঠেকে গিয়েছে। তাঁদের এই ক্ষমাপ্রার্থনা গ্রহণ করা হচ্ছে না। হলফনামা বাতিলের পর যা হবে, তার জন্য প্রস্তুত থাকুন।

বরাবরই বিজেপি ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত বাবা রামদেব। পতঞ্জলির বিভিন্ন অনুষ্ঠানে প্রায়শই বিজেপির নানা নেতা-মন্ত্রীকে দেখা গিয়েছে। সেই বিজেপি ঘনিষ্ঠ রামদেব ও তার সংস্থা যে সুপ্রিম কোর্টে এমন বিপাকে পড়তে পারে, তা কি কল্পনাও করেছিলেন কেউ!

গত নভেম্বরেই সুপ্রিম রায়ে জরিমানার মুখে পড়েছিল রামদেবের সংস্থা পতঞ্জলি। ইন্ডিয়ান মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশন (আইএমএ)-এর একটি আবেদনের শুনানি পর্বে মিথ্যা বিজ্ঞাপনী প্রচার পিছু ১ কোটি টাকা জরিমানা করা হতে পারে বলে মৌখিক ভাবে জানিয়েছিল বিচারপতি আহসানউদ্দিন আমানুল্লাহ এবং বিচারপতি প্রশান্তকুমার মিশ্রের বেঞ্চ। কোভিড প্রতিরোধী না-হওয়া সত্ত্বেও শুধু 'করোনিল' কিট বিক্রি করেই আড়াইশো কোটি টাকার বেশি মুনাফা করার অভিযোগ উঠেছিল রামদেবের সংস্থা পতঞ্জলির বিরুদ্ধে।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
পতঞ্জলি মামলায় সুপ্রিম কোর্টে ক্ষমাপ্রার্থনা আচার্য বালকৃষ্ণের, রামদেব কোথায়?

Patanjali Ad Row: গত মঙ্গলবার সেই মামলায় বালকৃষ্ণ ও রামদেবকে ব্যক্তিগতভাবে আদালতে হাজির হওয়ারও নির্দেশ দেয় সুপ্রিম কোর্ট। আর তাতেই টনক নড়ে পতঞ্জলি আয়ুর্বেদের।

২০২০ সালের ২৩ জুন প্রথম বার করোনিল কিট বাজারে এনেছিল পতঞ্জলি। করোনিল এবং শ্বাসারি বটি নামে দু’ধরনের ট্যাবলেট এবং অণু তৈল নামের ২০ মিলিলিটারের একটি তেলের শিশি নিয়ে তৈরি ওই কিটের দাম রাখা হয়েছিল ৫৪৫ টাকা। চাইলে আলাদা ভাবে ট্যাবলেট এবং তেল কেনা যাবে বলেও জানানো হয়েছিল। তার পর ১৮ অক্টোবর পর্যন্ত মোট ২৩ লক্ষ ৫৪ হাজার করোনিল কিট বিক্রি হয়েছে বলে সংস্থার তরফে জানানো হয়। পতঞ্জলির বিরুদ্ধে শীর্ষ আদালতে মিথ্যা বিজ্ঞাপনী প্রচারের অভিযোগ এনেছিল আইএমএ।

গত বছর নভেম্বর মাসে সংস্থাটি সুপ্রিম কোর্টকে আশ্বস্ত করেছিল যে এটি চিকিৎসার কার্যকারিতা বা ওষুধ ব্যবস্থার সমালোচনা সম্পর্কে কোনও বিবৃতি বা অপ্রমাণিত অপ্রমাণিত দাবি করবে না। পরবর্তীকালে এমনটা করলে তাকে জরিমানা করা হবে বলেও জানানো হয় শীর্ষ আদালতের তরফে। এ ব্যাপারে পতঞ্জলি ও সংস্থার ম্যানেজিং ডিরেক্টের বালকৃষ্ণের অবস্থান স্পষ্ট করে আদালতকে জানানোর নির্দেশ জেওয়া হয়েছিল। পতঞ্জলির বিজ্ঞাপনে রামদেবের ছবি থাকার ফলে তাঁকেও মামলার একটি পক্ষ বলে ধরা হয়েছিল। তবে না বন্ধ হয়েছে বিভ্রান্তিমূলক বিজ্ঞাপন ব্যবহার, না ওই মামলায় আদালতকে কোনও জবাব দিয়েছে কোর্ট। এরপরেই গত ফেব্রুয়ারিতে ফের আদালতে ওঠে মামলাটি। সে সময় কেন্দ্র সরকারকেও তীব্র ভর্ৎসনা করেছিল সুপ্রিম কোর্ট। সব জেনে বুঝেও কেন্দ্র চোখ বন্ধ করে রেখেছে বলেও অভিযোগ করে শীর্ষ আদালত। বালকৃষ্ণকে এই সংক্রান্ত নোটিসও পাঠিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট।

সেই মামলার জল গিয়েছিল অনেকদূর। শেষপর্যন্ত রামদেব ও বালকৃষ্ণের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার অভিযোগ করে তাদের আদালতে তলব করে সুপ্রিম কোর্ট। আদালতে সশরীরে এসে ক্ষমাও চান বাবা রামদেব। মঙ্গলবার ড্রাগ লাইসেন্স সংক্রান্ত একটি ঘটনায় উত্তরাখণ্ড সরকারকে তীব্প ভর্ৎসনা করেছে সুপ্রিম কোর্ট। উত্তরাখণ্ড প্রশাসন কেন এবং কীভাবে রামদেবের সংস্থা পতঞ্জলি দ্বারা প্রচারিত বিভ্রান্তিকর বিজ্ঞাপনগুলির বিরুদ্ধে কোনও পদক্ষেপ করেনি, তা নিয়ে গর্জে উঠেছে কোর্ট। শীর্ষ আদালতের সাফ জবাব, এই ক্ষমাপ্রার্থনা দিয়ে কী হবে। যারা বিশ্বাস করে পতঞ্জলির এই ভুয়ো ওষুধপত্রগুলি খেয়েছে, তাদের কীভাবে সুবিচার দেবে সুপ্রিম কোর্ট।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
সদগুরু থেকে রামদেব: ভেকধারী 'বাবা'দের যেভাবে কাজে লাগায় বিজেপি

Ramdev and BJP: হরিয়ানার একটি বনভূমির অবৈধভাবে দখল নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে রামদেব বাবার সংস্থা 'পতঞ্জলি'-র বিরুদ্ধে। তথ্য বলছে, হরিয়ানার ফরিদাবাদের আরাবল্লি অঞ্চলে ৪০০ একরের জমিতে বেনামী মালিকানা রয়েছে 'পতঞ্জলি'র।

রামদেবদের ক্ষমাপ্রার্থনার বিষয়ে সুপ্রিম কোর্টের ডিভিশন বেঞ্চের বক্তব্য, ‘‘আমরা অন্ধ নই’’। পুরো বিষয়টি নিয়ে আদালত ‘‘উদার হতে চায় না’’ বলেও মন্তব্য করল সুপ্রিম কোর্ট। একই সঙ্গে এ বিষয়ে কেন্দ্রের উত্তরেও যে সন্তুষ্ট নয় শীর্ষ আদালত, এদিন ফের সে কথা মনে করিয়ে দিয়েছে বেঞ্চ। বুধবার মামলার শুনানি চলাকালীন, বিচারপতি হিমা কোহলি এবং বিচারপতি আহসানউদ্দিন আমান্নুলার ডিভিশন বেঞ্চ বলে, ‘‘ক্ষমাপত্র কাগজে-কলমে রয়েছে। ওঁদের পিঠ দেয়ালে ঠেকে গিয়েছে। আমরা এই ক্ষমাপত্র মেনে নিচ্ছি না। আমরা মনে করি ইচ্ছাকৃত ভাবে অঙ্গীকার লঙ্ঘন করা হয়েছে।’’

এখানেই শেষ নয়। রামদেবের ক্ষমাপ্রার্থনার মধ্যেও প্রচারের উদ্দেশ্য জড়িয়ে রয়েছে বলে মন্তব্য করেছে সুপ্রিম কোর্ট। বেঞ্চের দাবি, আদালতে পাঠানোর আগে ক্ষমাপত্র সংবাদপত্রে পাঠান রামদেব। সে ব্যাপারটি মোটেও ভালোভাবে নেয়নি শীর্ষ আদালত। এ ব্যাপারটি নিয়ে যোগগুরু এবং তাঁর সহযোগীর সমালোচনা করেছে শীর্ষ আদালত। সেই প্রসঙ্গে বিচারপতি কোহলি বলেন, "বিষয়টি আদালতে পৌঁছানোর আগে সংবাদমাধ্যমে পাঠানো হয়েছিল। মঙ্গলবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা পর্যন্ত এটি আমাদের জন্য আপলোড করা হয়নি। স্পষ্টতই ওঁরা প্রচারে বিশ্বাসী। তাই এমনটা করা হয়েছে।"

রামদেবদের দেওয়া হলফনামা পড়ার সময় বিচারপতি আমান্নুলা রামদেবের আইনজীবী মুকুল রোহতগীকে তীব্র কটাক্ষ করে বলেন, ‘‘আপনারা হলফনামাতেও ফাঁকি দিচ্ছেন। এটা কে তৈরি করেছে, আমি অবাক।’’ তার উত্তরে মুকুল আদালতকে জানান, তাঁর মক্কেল আইনের বিষয়ে পেশাদার নন। তাই ভুল হয়েছে। এর পর রামদেবের ক্ষমাপ্রার্থনা আদৌ আন্তরিক কি না সেই প্রশ্ন তুলে বিচারপতি আমান্নুলা বলেন, ‘‘আমাদের নির্দেশের পরেও ভুল হয় কী করে? আমরা এই ক্ষেত্রে এতটা উদার হতে চাই না।’’ পুরো বিষয়টিতে সমাজে সঠিক বার্তা দিতে হবে বলেই উল্লেখ করেছে সুপ্রিম কোর্ট।

সব মিলিয়ে বেশ বিপাকেই রয়েছেন রামদেব ও তাঁর সংস্থা পতঞ্জলি আয়ুর্বেদ। সংস্থার ব্যাপারে আরও বড় কোনও পদক্ষেপ নিতে চলেছে শীর্ষ আদালত, এমনটাই মনে করছেন ওয়াকিবহাল মহলের একাংশ। মধ্যিখানে পতঞ্জলি সংস্থায় নাম জড়ানো থেকে রেহাই পেতে দূরত্ব তৈরি করতে চেয়েছিলেন বাবা রামদেব। তবে সেই পরিকল্পনা সফল হয়নি। আদালতে ক্ষমাপ্রার্থনার পর মামলা সেখানেই ফুরোবে বলেও মনে করেছিল কেউ কেউ। তবে মামলা যে এখানে শেষ হওয়ার নয়, তা বুঝিয়ে দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। এর পরে কী অপেক্ষা করছে রামদেবদের জন্য, সেটাই এখন দেখার।

লিখেছেন
Sohini Das
Sohini Das
0 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

এসআইআর বির্তক: যে খবর স্বাভাবিক হওয়ার কথা, সেটাই আজ বিস্ময়

Gyanesh Kumar, SIR and Election Commission: এসআইআর নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে আপত্তি থাকা সত্ত্বেও কেন প্রক্রিয়া চালানো হল? জ্ঞানেশ কুমার কীভাবে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার হলেন? ২০২৩ সালে আইন বদলে প্রধান বিচারপতিকে নির্বাচন কমিশনার বাছাইয়ের কমিটি থেকে সরানো হল কেন? এতদিন এই প্রশ্নগুলি গণমাধ্যম তুলল না কেন?

এসআইআর: বিশুদ্ধ ভোটার তালিকা তৈরির নামে যা পেল বাঙালি

Real Effect of SIR in bengal: ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় পশ্চিমবঙ্গে ৯১ লক্ষ ভোটার বাদ যান, যারা ছিলেন মোট ভোটারের ১২ শতাংশ। যাদের মধ্যে ৩৪% ছিলেন মুসলিম , নারীরা সংখ্যায় ছিলেন ৬১.৮%, এছাড়াও ছিলেন, মতুয়া ও রাজবংশী সম্প্রদায়ের মানুষেরা, যারা অসামঞ্জস্যপূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন। ফর্ম-৭-এর অপব্যবহার, অ্যালগরিদম-নির্ভর যাচাই, ১৯টি আপিল ট্রাইব্যুনালে ১ লক্ষ মামলা, সব মিলিয়ে ২০২৬-এর ভোটে যোগ্য নাগরিকরাও বাদ পড়েছিলেন।

‘সব নির্বাচনেই কারচুপি’, কেন এমন দাবি রাহুল গান্ধীর?

Rahul Gandhi election rigging claim: রাহুল গান্ধী কেন দাবি করলেন, ভারতের সব নির্বাচনেই কারচুপি হচ্ছে? নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে কী প্রশ্ন তুলেছেন তিনি? সরকারবিরোধী মনোভাব বা অ্যান্টি-ইনকামবেন্সি কীভাবে ভোটের রাজনীতিতে কাজ করে? তাঁর অভিযোগের পক্ষে কী কী তথ্য ও প্রমাণ তুলে ধরা হয়েছে?

সিজেপির তিন দাবি, জ্ঞানেশ কুমার না সরলে ফের বড় আন্দোলন

Election Commission of India: নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা, নির্বাচন পরিচালনার পদ্ধতি এবং ২০২৩ সালের আইনের বৈধতা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের কাছে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি জানিয়েছে সিজেপি। তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ, নির্বাচন প্রক্রিয়া স্থগিত করা এবং ২০২৩ সালের নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ সংক্রান্ত আইন প্রত্যাহার।

থানার গেটেই মারধর প্রাক্তন আইপিএস হুমায়ুন কবীরকে, সাধারণ মানুষ কতটা নিরাপদ?

Humayun Kabir: ঘটনার পর এখনও পর্যন্ত তিনি কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের করতে পারেননি বলেও জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, শারীরিক অসুস্থতার কারণে তখন অভিযোগ করা সম্ভব হয়নি। সুস্থ হয়ে তিনি লিখিত অভিযোগ করবেন।

দুই কমিশনারের আপত্তিতে ফের আলোচনায় সীমা খান্না, কমিশনে ঠিক কী দায়িত্ব তাঁর?

Seema Khanna and ECINet: ভোটার তালিকা ও ইসিআইনেট (ECINet) নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক। দুই নির্বাচন কমিশনারের আপত্তিতে সামনে এসেছে আইটি বিভাগের ভূমিকা এবং ডিরেক্টর জেনারেল (IT) সীমা খান্নার নাম। কে এই সীমা খান্না? নির্বাচন কমিশনে তাঁর দায়িত্ব কী? ভোটার তালিকা পরিচালনায় তাঁর ভূমিকা নিয়েই বা কেন উঠছে প্রশ্ন?

সরকারকে ৪ দিনের সময়সীমা বেধে দিল চা-শ্রমিকরা, ঠিক কী কী দাবি?

Dooars tea workers: ২২ সেপ্টেম্বর বকেয়া মজুরি ও অন্যান্য পাওনা মেটানোর দাবিতে হাঁটাপাড়া, ধুমচিপাড়া ও গারগান্ডার চা-শ্রমিকরা মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পদযাত্রা শুরু করেন। একই দিনে তোর্সার প্রস্তাবিত ল্যান্ড পোর্ট প্রকল্পে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষও জমি ও অধিকার রক্ষার দাবিতে পদযাত্রা করেন। দুই পদযাত্রাই পুলিশ আটকে দেয়।

বিশাখাপত্তনমে গুগলের ডেটা সেন্টার: ডিজিটাল উন্নয়নের দাম দেবে জল ও পরিবেশ?

Digital Thirst of vizag ai data centres: গুগল-আদানি-এয়ারটেলের যৌথ উদ্যোগে বিশাখাপত্তনমে গড়ে উঠছে ১ গিগাওয়াটের এআই ডেটা সেন্টার, বিনিয়োগ ১.২৫ লক্ষ কোটি টাকা। কিন্তু শহরের জলসংকট, কাম্বালাকোন্ডা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যের নৈকট্য আর পরিবেশবাদীদের বিক্ষোভ এই প্রকল্পকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে। 'স্টপ বিশাগ ডেটা সেন্টারস'-এর ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট পর্যন্ত নিষিদ্ধ করেছে ভারত সরকার।