বাংলাদেশ শাটডাউন, হাসিনার পুলিশের নিশানায় সেই বিএনপি

Bangladesh job quota protest: এদিকে শাসক দল এই বিশৃঙ্খলার দায় চাপিয়েছে বিরোধী দল বিএনপির উপরেই। প্রশাসনের তরফে দাবি, শিক্ষার্থীদের ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে স্থানীয় বিএনপি এবং জামাত-ই-ইসলামির কর্মীরা হামলার পরিস্থিতি তৈরি করেছে।

Sohini Das
৪ মিনিট
বাংলাদেশ শাটডাউন, হাসিনার পুলিশের নিশানায় সেই বিএনপি

দু'দিন আগেই ছাত্রবিক্ষোভ চলাকালীন ভয়াবহ বিক্ষোভে প্রাণ গিয়েছে ৬ কলেজ পড়ুয়ার। গত কয়েকদিন ধরেই কোটা বিরোধী বিক্ষোভে তোলপাড় বাংলাদেশ। গত বৃহস্পতিবার থেকেই সেই আন্দোলন চরমে ওঠে। বাংলাদেশের বিভিন্ন এলাকা জুড়ে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন ছাত্রছাত্রী ও চাকরিপ্রার্থীরা। বৈষম্যমূলক কোটা ব্যবস্থায় সংস্কার চান তাঁরা। কিন্তু সেই আন্দোলনকে ঘিরে যে ভয়াবহ পরিস্থিতি দেখল বাংলাদেশ, তা কার্যত নজিরবিহীন।

বুধবার সন্ধেবেলা জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জানান, দোষীদের শাস্তি দেওয়ার ব্যবস্থা করবে সরকার। ইতিমধ্যেই অনির্দিষ্টকালের জন্য বাংলাদেশের স্কুল-কলেজ-সহ সমস্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। জায়গায় জায়গায় বন্ধ ইন্টারনেট পরিষেবা। এরই মধ্যে বৃহস্পতিবার দেশ জুড়ে কমপ্লিট শাটডাউন কর্মসূচীর ডাক দিয়েছে বিক্ষোভকারীরা। সংরক্ষণবিরোধী ছাত্রযুবদের এই সর্বাত্মক অবরোধে কার্যত স্তব্ধ হয়ে গিয়েছে বাংলাদেশ। রাজধানী ঢাকা তো বটেই, গোটা দেশের বিভিন্ন শহরেই বৃহস্পতিবার ধর্মঘটের আকার নিয়েছে। খোলা বলতে শুধু হাসপাতাল, সংবাদমাধ্যমের মতো জরুরি পরিষেবা। তা বাদ দিয়ে সমস্ত বেসরকারি দফতর থেকে শুরু করে দোকান-বাজার সমস্ত বন্ধ।

মঙ্গলবারের ঘটনার প্রতিবাদে কার্যত গর্জে উঠেছে গোটা দেশ। সংরক্ষণবিরোধী পড়ুয়াদের শান্তিপূর্ণ জমায়েতে যেভাবে গুলি চালিয়েছে পুলিশ ও আধাসেনা, যেভাবে নিরস্ত্র আন্দোলনকারীদের উপর ছোড়া হয়েছে পাথর, তা দেখে নিন্দায় সরব গোটা বিশ্ব। এই পরিস্থিতিতে নিরপরাধ পড়ুয়াদের মৃত্যুর প্রতিবাদ, খুনিদের বিচার, সন্ত্রাসমুক্ত ক্যাম্পাস নিশ্চিত করা এবং সংরক্ষণ ব্যবস্থা শেষ করার দাবি তুলে বৃহস্পতিবার সর্বাত্মক অবরোধ পালনের ডাক দিয়েছেন আন্দোলনকারীরা।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
বন্ধ স্কুল-কলেজ, বিকল ইন্টারনেট! যে অন্ধকারের দিকে এগোচ্ছে বাংলাদেশ

Bangladesh quota protest: ঢাকার নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে তালা ঝুলতে দেখা যায় এ দিন সকাল থেকেই। এমনকী সেই অফিসের মূল ফটকের সামনে ক্রাইম সিন লিখে সিলও করে দিয়েছে পুলিশ।

যার প্রভাবে বাংলাদেশের গণপরিবহন কার্যত স্তব্ধ হয়ে গিয়েছে। জাতীয় সড়কে আটকে রয়েছে হাজার হাজার যানবাহন। এমনকী ঢাকার মতো ব্যস্ত রাস্তাতেও পুলিশের গাড়ি আর অ্যাম্বুল্যান্স ছাড়া অন্য যানবাহন চোখে না পড়ার মতোই। তার উপরেই চলছে অবরোধ। সংরক্ষণ বিরোধী আন্দোলনকারীদের যৌথমঞ্চ, ‘বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন’-এর অন্যতম সমন্বয়কারী আসিফ মাহমুদ বুধবার রাতে পুলিশি নিপীড়ন এবং শাসকদলের হামলার প্রতিবাদে ‘কমপ্লিট শাটডাউন’-এর ডাক দিয়েছিলেন। সেই ডাকে সাড়া মিলেছে গোটা দেশের তরফেই।

দেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বুধবারই জানিয়েছিলেন, এই সন্ত্রাস দমনে যথাযথ ব্যবস্থা নেবে সরকার। পড়ুয়াদের নিরাপত্তা নিয়েও উদ্বেগের কথা জানিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু বাস্তবে আন্দোলনকারীদের দমনেই বেশি সক্রিয়তা দেখা গিয়েছে প্রশাসনের মধ্যে। বুধবারই বিরোধী দল বিএনপি-র ঢাকার কার্যালয়ে তালা ঝুলতে দেখা গিয়েছিল। জানা যায়, সোমবারই সেই অফিসে তল্লাশি অভিযানও চালিয়েছিল পুলিশ। সেখান থেকে দেশি-বিদেশি অস্ত্র, পাঁচশোর কাছাকাছি লাঠিসোঁটা, কয়েক বোতল পেট্রোল ও ককটেল উদ্ধার হয়েছে বলেও জানিয়েছে পুলিশ।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
বাংলাদেশের কোটা ব্যবস্থা ঠিক কী? কেন এর বিরোধিতায় প্রাণ হারালেন পড়ুয়ারা?

Bangladesh Quota System: পড়ুয়ারা কিন্তু সবরকমের কোটা তুলে দেওয়ার পক্ষে নন। জাতিগত সংখ্যালঘু এবং প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জন্য চাকরি সংরক্ষণে সমর্থন রয়েছে তাঁদের।

সংরক্ষণ বিরোধী আন্দোলনকারীদের সঙ্গে পুলিশ এবং শাসকদল আওয়ামী লীগের ছাত্র সংগঠনের সদস্যদের সংঘর্ষে মঙ্গলবার ছ’জনের মৃত্যু হয়েছিল বাংলাদেশের তিন শহর— ঢাকা, চট্টগ্রাম এবং রংপুরে। তার পরেই বুধবার সমস্ত কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয় ‘অনির্দিষ্ট কালের জন্য বন্ধ’ ঘোষণা করে পড়ুয়াদের ক্যাম্পাস ও হোস্টেল ছাড়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। কিন্তু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়-সহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খালি করতে গিয়ে বুধবার প্রতিরোধের মুখে পড়ে পুলিশ।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় চত্বর জোর করে খালি করতে গেলে বিক্ষোভের মুখ পড়ে পুলিশ। আখড়া এলাকায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ করেন আন্দোলনকারীরা। কাছেই একটি উড়ালপুলের টোল প্লাজ়া এবং পুলিশ কিয়স্কেও আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। চলে ভাঙচুর, এমনকি পথচলতি যানবাহনেও হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগ। পুলিশের দাবি, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে তখনই বলপ্রয়োগে বাধ্য হয় তারা। কাঁদানে গ্যাস, লাঠি, সাউন্ড গ্রেনেডের পাশাপাশি ছররা গুলি ছোড়া হয় বলে অভিযোগ।

এদিকে শাসক দল এই বিশৃঙ্খলার দায় চাপিয়েছে বিরোধী দল বিএনপির উপরেই। প্রশাসনের তরফে দাবি, শিক্ষার্থীদের ঢাল হিসেবে ব্যবহার করছে স্থানীয় বিএনপি এবং জামাত-ই-ইসলামির কর্মীরা। হামলার পরিস্থিতি তৈরি করেছে। বুধবার বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভাষণেও সেই সন্ত্রাসীদের কথাই বারবার উঠে এসেছে। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্দোলনকারী পড়ুয়াদের হাতে ঘেরাও উপাচার্যকে মুক্ত করতে গিয়েও সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন পুলিশকর্মীরা। হাসিনা বুধবার ছ’জনের মৃত্যুর ঘটনায় বিচার বিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। তাঁক কথায়, ‘‘আমি দ্ব্যর্থহীন ভাবে ঘোষণা করছি, যারা হত্যাকাণ্ড, লুটপাট ও সন্ত্রাসমূলক কর্মকাণ্ড চালিয়েছে, তারা যে-ই হোক না কেন, তারা যেন উপযুক্ত শাস্তি পায়, সে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’’ যদিও নিহত ৬ জনের মধ্যে আন্দোলনকারীদের পাশাপাশি রয়েছেন আওয়ামী লীগের ছাত্র সংগঠনের এক কর্মীও।

মুখে আন্দোলনকারীদের পাশে থাকার কথা বললেও এই কোটা সংস্কার সংক্রান্ত বিষয়টি আদালতের উপরেই ছাড়তে চাইছে শেখ হাসিনা সরকার। বিক্ষোভকারীদের মদত জোগাচ্ছে বিরোধীদল বিএনপি এমন অভিযোগও শোনা গিয়েছে শাসক দল আওয়ামী লিগের তরফ থেকে। বুধবারেই ঢাকায় দলের একটি সভায় আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের করেন, এখন কোটা আন্দোলন সাধারণ পড়ুয়াদের আন্দোলন নয়। বিএনপি, জামায়াত, ছাত্রদল, ছাত্রশিবির আন্দোলনকে সরকার পতনের আন্দোলনে রূপ দিতে চাইছে বলেও মন্তব্য করেন করেন তিনি। বাংলাদেশের বিদেশমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাছান মাহমুদও দাবি করেছেন, বিএনপি-জামায়াত কোটা সংস্কার আন্দোলনে ঢুকে কর্মসূচি ঠিক করে দিচ্ছে এবং পড়ুয়ারা না বুঝেই বিক্ষোভ করছে। সেই অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছে বিএনপি। যদিও এই আন্দোলনে তাঁদের নৈতিক সমর্থন আছে বলেই জানিয়েছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তবে এই আন্দোলনে তাঁরা সরাসরি জড়িত নন বলে দাবি করেন মির্জা ফখরুল।

এই পরিস্থিতিতে ইচ্ছা করেই শাসকদল আওয়ামি লিগের নির্দেশে বিরোধী দল বিএনপিকে নিশানা করছে পুলিশ ও প্রশাসন, এমনটাই মনে করছেন বিএনপি নেতানেত্রীরা। সব মিলিয়ে ক্রমশ পরিস্থিতি খারাপ হচ্ছে বাংলাদেশে। কোটা বিরোধী এই আন্দোলনে ৬ জনের মৃত্যু হয়েছে এখনও পর্যন্ত। জখম প্রায় চারশো। অনির্দিষ্ট কালের জন্য স্কুল কলেজ বন্ধ হয়ে যাওয়ার অন্ধকার পড়ুয়াদের ভবিষ্যত। সব মিলিয়ে এক ভয়ঙ্কর পরিস্থিতির সামনে দাঁড়িয়ে গোটা দেশ।

লিখেছেন
Sohini Das
Sohini Das
0 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

এসআইআর বির্তক: যে খবর স্বাভাবিক হওয়ার কথা, সেটাই আজ বিস্ময়

Gyanesh Kumar, SIR and Election Commission: এসআইআর নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে আপত্তি থাকা সত্ত্বেও কেন প্রক্রিয়া চালানো হল? জ্ঞানেশ কুমার কীভাবে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার হলেন? ২০২৩ সালে আইন বদলে প্রধান বিচারপতিকে নির্বাচন কমিশনার বাছাইয়ের কমিটি থেকে সরানো হল কেন? এতদিন এই প্রশ্নগুলি গণমাধ্যম তুলল না কেন?

এসআইআর: বিশুদ্ধ ভোটার তালিকা তৈরির নামে যা পেল বাঙালি

Real Effect of SIR in bengal: ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় পশ্চিমবঙ্গে ৯১ লক্ষ ভোটার বাদ যান, যারা ছিলেন মোট ভোটারের ১২ শতাংশ। যাদের মধ্যে ৩৪% ছিলেন মুসলিম , নারীরা সংখ্যায় ছিলেন ৬১.৮%, এছাড়াও ছিলেন, মতুয়া ও রাজবংশী সম্প্রদায়ের মানুষেরা, যারা অসামঞ্জস্যপূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন। ফর্ম-৭-এর অপব্যবহার, অ্যালগরিদম-নির্ভর যাচাই, ১৯টি আপিল ট্রাইব্যুনালে ১ লক্ষ মামলা, সব মিলিয়ে ২০২৬-এর ভোটে যোগ্য নাগরিকরাও বাদ পড়েছিলেন।

‘সব নির্বাচনেই কারচুপি’, কেন এমন দাবি রাহুল গান্ধীর?

Rahul Gandhi election rigging claim: রাহুল গান্ধী কেন দাবি করলেন, ভারতের সব নির্বাচনেই কারচুপি হচ্ছে? নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে কী প্রশ্ন তুলেছেন তিনি? সরকারবিরোধী মনোভাব বা অ্যান্টি-ইনকামবেন্সি কীভাবে ভোটের রাজনীতিতে কাজ করে? তাঁর অভিযোগের পক্ষে কী কী তথ্য ও প্রমাণ তুলে ধরা হয়েছে?

সিজেপির তিন দাবি, জ্ঞানেশ কুমার না সরলে ফের বড় আন্দোলন

Election Commission of India: নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা, নির্বাচন পরিচালনার পদ্ধতি এবং ২০২৩ সালের আইনের বৈধতা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের কাছে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি জানিয়েছে সিজেপি। তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ, নির্বাচন প্রক্রিয়া স্থগিত করা এবং ২০২৩ সালের নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ সংক্রান্ত আইন প্রত্যাহার।

থানার গেটেই মারধর প্রাক্তন আইপিএস হুমায়ুন কবীরকে, সাধারণ মানুষ কতটা নিরাপদ?

Humayun Kabir: ঘটনার পর এখনও পর্যন্ত তিনি কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের করতে পারেননি বলেও জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, শারীরিক অসুস্থতার কারণে তখন অভিযোগ করা সম্ভব হয়নি। সুস্থ হয়ে তিনি লিখিত অভিযোগ করবেন।

দুই কমিশনারের আপত্তিতে ফের আলোচনায় সীমা খান্না, কমিশনে ঠিক কী দায়িত্ব তাঁর?

Seema Khanna and ECINet: ভোটার তালিকা ও ইসিআইনেট (ECINet) নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক। দুই নির্বাচন কমিশনারের আপত্তিতে সামনে এসেছে আইটি বিভাগের ভূমিকা এবং ডিরেক্টর জেনারেল (IT) সীমা খান্নার নাম। কে এই সীমা খান্না? নির্বাচন কমিশনে তাঁর দায়িত্ব কী? ভোটার তালিকা পরিচালনায় তাঁর ভূমিকা নিয়েই বা কেন উঠছে প্রশ্ন?

সরকারকে ৪ দিনের সময়সীমা বেধে দিল চা-শ্রমিকরা, ঠিক কী কী দাবি?

Dooars tea workers: ২২ সেপ্টেম্বর বকেয়া মজুরি ও অন্যান্য পাওনা মেটানোর দাবিতে হাঁটাপাড়া, ধুমচিপাড়া ও গারগান্ডার চা-শ্রমিকরা মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পদযাত্রা শুরু করেন। একই দিনে তোর্সার প্রস্তাবিত ল্যান্ড পোর্ট প্রকল্পে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষও জমি ও অধিকার রক্ষার দাবিতে পদযাত্রা করেন। দুই পদযাত্রাই পুলিশ আটকে দেয়।

বিশাখাপত্তনমে গুগলের ডেটা সেন্টার: ডিজিটাল উন্নয়নের দাম দেবে জল ও পরিবেশ?

Digital Thirst of vizag ai data centres: গুগল-আদানি-এয়ারটেলের যৌথ উদ্যোগে বিশাখাপত্তনমে গড়ে উঠছে ১ গিগাওয়াটের এআই ডেটা সেন্টার, বিনিয়োগ ১.২৫ লক্ষ কোটি টাকা। কিন্তু শহরের জলসংকট, কাম্বালাকোন্ডা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যের নৈকট্য আর পরিবেশবাদীদের বিক্ষোভ এই প্রকল্পকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে। 'স্টপ বিশাগ ডেটা সেন্টারস'-এর ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট পর্যন্ত নিষিদ্ধ করেছে ভারত সরকার।