'হামাস হঠাও'! কেন প্যালেস্টাইন জুড়ে ছড়াচ্ছে হামাসবিরোধী বিক্ষোভ?

Anti Hamas Protest in Gaza: হামাসের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বাসেম নাইম বলছেন, হঠাৎ করে এই বিক্ষোভ শুরু হওয়া, এবং তা সারা বিশ্বে প্রচার হওয়া আসলে 'সন্দেহজনক রাজনৈতিক এজেন্ডা'।

inscript
৪ মিনিট
'হামাস হঠাও'! কেন প্যালেস্টাইন জুড়ে ছড়াচ্ছে হামাসবিরোধী বিক্ষোভ?

গাজাকে স্বাধীন করতে চায় বলে দাবি হামাসের। প্রায় দেড় বছর ধরে হামাসের বিরুদ্ধে আক্রমণ চালিয়ে গাজাকেই কার্যত ধ্বংস করে দিয়েছে ইজরায়েল। এত মৃত্যু, এত লাশ, এত হাহাকার পার করে এবার শত শত ফিলিস্তিনি মানুষ উত্তর গাজায় যুদ্ধ বন্ধের দাবিতে প্রতিবাদে নেমেছেন। তাঁদের সমবেত দাবি "হামাস হাটাও"! গাজার জঙ্গি গোষ্ঠী হামাসের বিরোধিতায় এমন বিরল প্রকাশ্য ক্ষোভ প্রদর্শন স্বাভাবিকভাবেই গাজার মুক্তি আর ইজরায়েলের আগ্রাসনের সমীকরণে এক নতুন বাঁক যোগ করেছে। উল্লেখ্য, উত্তর গাজা হচ্ছে গাজার সবচেয়ে বিধ্বস্ত এলাকাগুলোর একটি। ঘনবসতিপূর্ণ এই এলাকার বেশিরভাগ বাড়িই গুঁড়িয়ে গিয়েছে। মানুষজন প্রাণে বাঁচতে পালিয়েছেন, যারা পারেননি, শেষ হয়ে গিয়েছেন।

সম্প্রতি X-এ একাধিক পোস্টে দেখা গেছে, ২৫ মার্চ গাজার বেইট লাহিয়া অঞ্চল থেকে যুদ্ধে ক্ষতিগ্রস্ত বাড়িগুলোর মধ্যে থেকে ধুলোময় রাস্তায় নেমে আসছেন সাধারণ মানুষ, তারা স্লোগান দিচ্ছেন "আউট, আউট, আউট, হামাস গেট আউট"। যুদ্ধের বিরুদ্ধে এমন স্বতঃস্ফূর্ত সমাবেশ তাও এমন ভয়াবহ পরিস্থিতিতে, সাম্প্রতিককালে গাজা প্রত্যক্ষ করেনি। অনেকেই বলেছেন, দেড় বছরে সব হারিয়ে এবার তারা ক্লান্ত, তাদের আর কোথাও যাওয়ার জায়গা নেই, হারানোরও কিছু বাকি নেই। হয় মৃত্যু বা শেষ প্রতিরোধ। বিক্ষোভের মধ্যে সকলে না হলেও অনেকেই হামাসের বিরুদ্ধে স্লোগান দিয়েছেন। যুদ্ধবিধ্বস্ত মানুষ এখন হামাসবিহীন গাজায় নিরাপদে বাঁচতে চাইছে।

২৫ মার্চ থেকে এই বিক্ষোভের পোস্টগুলি ব্যাপকভাবে প্রচারে আসতে শুরু করে। রয়টার্স ওই অঞ্চলের রাস্তা, নানা খুঁটি এবং বাড়ির অবস্থান দেখে ওই এলাকার স্যাটেলাইট চিত্রের সঙ্গে মিলিয়ে বিক্ষোভের অবস্থান নিশ্চিত করতে পেরেছে। উত্তর গাজার ওই এলাকা থেকে আসা নানা ভিডিওতে দেখা গেছে জনতার হাতে ব্যানারে লেখা ছিল "অনেক যুদ্ধ হলো”, এই মানুষরাই স্লোগান দিয়েছেন, "আমরা আর যুদ্ধ চাই না"। যে হামাস গাজার স্বাধীনতার জন্য লড়ছে, যে হামাসের ইজরায়েল আক্রমণের ভিত্তিতেই ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর থেকে গাজায় এত মানুষের মৃত্যু হলো, সমস্ত গাজাটাই মানচিত্র থেকে মুছে যাওয়ার মুখে, হঠাৎ সেই হামাসকেই কেন গাজা থেকে উৎখাত করতে চাইছেন মানুষ?

হামাসের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বাসেম নাইম বলছেন, যুদ্ধের কারণে যে দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে মানুষকে তার প্রতিবাদ করার অধিকারও জনগণের আছে। তবে তাঁর সন্দেহ, হঠাৎ করে এই বিক্ষোভ শুরু হওয়া, এবং তা সারা বিশ্বে প্রচার হওয়া আসলে 'সন্দেহজনক রাজনৈতিক এজেন্ডা'। তাঁর সন্দেহ, যুদ্ধ পরিস্থিতিকে কাজে লাগাচ্ছে ইজরায়েল। বাসেম নাইমের প্রশ্ন, "তারা কোথা থেকে এসেছে, ওয়েস্ট ব্যাঙ্কে কী হচ্ছে? কেন তারা সেখানে আগ্রাসনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করছেন না? এই আগ্রাসনের নিন্দা জানাতে জনগণ রাস্তায় নামছে না কেন?”

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
লড়াইটা কি সত্যিই ইজরায়েল বনাম হামাস-এর?

Israel-Palestine War: ফিলিস্তিন মানেই একমাত্র হামাস? ‘দ্য জয়েন্ট রুম’ তাহলে কী? ‘আবু আলি মুস্তাফা ব্রিগেডস’ বা ‘ন্যাশনাল রেজিস্ট্যান্স ব্রিগেডস’-এর মতো সামরিক শাখাগুলিই বা কাদের?

হামাসের প্রতিদ্বন্দ্বী ফাতাহ হামাসকে "গাজা উপত্যকায় ফিলিস্তিনি জনগণের আহ্বানে সাড়া দেওয়ার" আহ্বান জানিয়েছে। ফাতাহ অধিকৃত ওয়েস্ট ব্যাঙ্কে প্যালেস্টাইন অথরিটির (পিএ) নেতৃত্বে রয়েছে।

উল্লেখ্য, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাস দক্ষিণ ইজরায়েলে হামলা চালিয়ে ১,২০০ জনকে হত্যা করে এবং ২৫১ জনকে বন্দি হিসাবে অপহরণ করার পরই প্রতিশোধ নিতে ইজরায়েল গাজায় আক্রমণ শুরু করে। গাজায় ইজরায়েলি অভিযানে এখনও অবধি ৫০,০০০-এরও বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। গাজার বেশিরভাগ অংশই ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে, লক্ষ লক্ষ মানুষ এখন তাঁবুতে। সেখানেও বোমা হামলা চলেছে। যুদ্ধের সময় গাজার দক্ষিণে পালিয়ে আসা কয়েক লক্ষ বাসিন্দাদের অনেকেই জানুয়ারিতে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর উত্তর গাজায় ধ্বংস হয়ে যাওয়া বাড়িতে ফিরে এসেছেন।

গত ১৮ মার্চ যুদ্ধবিরতি ভেঙে আক্রমণ শুরু করে ইজরায়েল। যুদ্ধবিরতিকালে হামাস ইজরায়েলি কারাগারে ফিলিস্তিনি বন্দিদের বিনিময়ে ইজরায়েলের বন্দিদের মুক্তি দিয়েছে। ফিলিস্তিনি স্বাস্থ্য আধিকারিকদের মতে, ইজরায়েল গাজায় আবার হামলা শুরু করার পর থেকে প্রায় ৭০০ জন নিহত হয়েছেন, যাদের বেশিরভাগই মহিলা এবং শিশু। যুদ্ধবিরতি প্রক্রিয়াটিকে আবার বাস্তবায়িত করার লক্ষ্যে আনুষ্ঠানিক যোগাযোগ অব্যাহত থাকলেও, গাজায় ভবিষ্যতের শাসনক্ষমতা সহ কেন্দ্রীয় নানা বিষয়েই আসলে কোনও অগ্রগতি চোখে পড়েনি।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
দুর্নীতি ঢাকতেই যুদ্ধবিরতি ভেঙে আবার গাজায় আক্রমণ নেতানিয়াহুর?

Netanyahu's Strike on Gaza: প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু তাঁর দুর্নীতি মামলায় নির্ধারিত সাক্ষ্য দিতে পারবেন না, কারণ গাজায় আকস্মিক হামলার ফলে দুই মাসের যুদ্ধবিরতি শেষ হয়েছে।

২০০৭ সালে হামাস ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাসের ফাতাহ গোষ্ঠীকে পরাজিত করে নির্বাচনে জিতে গাজায় নিয়ন্ত্রণ কায়েম করে। ২০০৭ থেকেই গাজার শাসন হামাসের হাতে আর এখানে বিরোধীদের তেমন স্থানই নেই। হামাস এবং ফাতাহ-র মধ্যে বছরের পর বছর ধরেই মতপার্থক্যই প্রাধান্য পেয়ে এসেছে। গাজার যুদ্ধোত্তর ভবিষ্যতের বিষয়ে মতপার্থক্য দূর করতেও ব্যর্থ হয়েছে দুই গোষ্ঠী। হামাস স্পষ্ট জানিয়েছে, আগামীতে যে প্রশাসনই আসুক না কেন তা নির্বাচনের মাধ্যমেই আসবে।

এতকাল পরে হামাসের বিরুদ্ধে ভিন্নমতের প্রকাশ্য জমায়েত দেখা যাচ্ছে। এখনও পর্যন্ত বেশিরভাগ বিক্ষোভই ছোট আকারের। তবে প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, আঁচ ক্রমেই ছড়াচ্ছে। গত বুধবার গাজা শহরে, উত্তর এবং মধ্য গাজার অন্তত দু'টি স্থানে - নুসিরাত এবং দেইর আল-বালাহ-তে ছোট ছোট বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়েছিল। দেইর আল-বালাহ-তে প্রায় ৩০০ জন বিক্ষোভে অংশ নিয়েছিলেন।

বিক্ষোভকারীরা বলছেন, “আমাদের দাবিগুলো পরিষ্কার: যেকোনও মূল্যে যুদ্ধ বন্ধ করুন। ‘আমরা বাঁচতে চাই’ এটাই আমাদের স্লোগান। আমাদের আর হারানোর কিছুই নেই। আমরা ইতিমধ্যেই সবকিছু হারিয়ে ফেলেছি, তাই আমরা আর ভয় পাই না।"

দক্ষিণ গাজার বিশিষ্ট ফিলিস্তিনি গোষ্ঠী এবং হামাস বিরোধী নেতারাও হামাসের বিরোধিতা করে একটি যৌথ বিবৃতি জারি করে ফিলিস্তিনিদেরকে "অবিচারের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ শুরু করার" এবং হামাসের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করার আহ্বান জানিয়েছে। ওই বিবৃতিতে বলা হয়েছে, "হামাসকে অবিলম্বে গাজা থেকে হাত তুলে নিতে হবে। যে সিদ্ধান্ত আমাদের নয়ই, যে সিদ্ধান্ত আমাদের উপর চাপিয়ে দেওয়ার কারণে আমরা ভুক্তভোগী, সেই অন্যায়ের অবসান ঘটাতে হবে। আমরা আপনাদের সকলকে রাস্তায় নামার এবং আওয়াজ তোলার আহ্বান জানাই। গাজা কারও কাছে বন্দি নয়। গাজা তার জনগণের ইচ্ছায় মুক্ত হবে।"

গাজায় ফাতাহ-র মুখপাত্র মুনথার আল-হায়েক, হামাসকে গাজায় সরকার থেকে সরে আসার আহ্বান জানিয়েছেন। বুধবার ফিলিস্তিনি রেডিওর এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছেন, হামাসের উচিত ফাতাহ-অধ্যুষিত ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করা। বলেছেন, হামাসের উপস্থিতিই ফিলিস্তিনিদের জন্য বিপজ্জনক হয়ে উঠছে। ইজরায়েলের শাসক নেতানিয়াহুও এই বিষয়ে বলেছেন, "সাম্প্রতিককালে আমরা এমন একটি নতুন পরিবর্তনের সাক্ষী হয়েছি - যা আমরা আগে কখনও দেখিনি। আমরা গাজা উপত্যকায় হামাসের শাসনের বিরুদ্ধে বড়, প্রকাশ্য বিক্ষোভ দেখেছি।"

স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে, যুদ্ধবিধ্বস্ত মানুষের ক্লান্তি, রাগ, প্রতিবাদ স্বাভাবিক। কিন্তু সেই ভঙ্গুর, নিঃস্ব মানুষদের ভয় ও বাঁচার মরিয়া ইচ্ছেকে ব্যবহার করে আখেরে ফাতাহ-র মাধ্যমে ইজরায়েল গাজা দখলই করতে চাইছে না তো? এই আন্দোলনগুলিকে ব্যবহার করে, হামাসকে সরিয়ে ফেলা যায় ঠিকই, তবে তাতে গাজা প্রকৃত স্বাধীন হবে তো?

লিখেছেন
inscript
inscript
16 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

এসআইআর বির্তক: যে খবর স্বাভাবিক হওয়ার কথা, সেটাই আজ বিস্ময়

Gyanesh Kumar, SIR and Election Commission: এসআইআর নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে আপত্তি থাকা সত্ত্বেও কেন প্রক্রিয়া চালানো হল? জ্ঞানেশ কুমার কীভাবে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার হলেন? ২০২৩ সালে আইন বদলে প্রধান বিচারপতিকে নির্বাচন কমিশনার বাছাইয়ের কমিটি থেকে সরানো হল কেন? এতদিন এই প্রশ্নগুলি গণমাধ্যম তুলল না কেন?

এসআইআর: বিশুদ্ধ ভোটার তালিকা তৈরির নামে যা পেল বাঙালি

Real Effect of SIR in bengal: ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় পশ্চিমবঙ্গে ৯১ লক্ষ ভোটার বাদ যান, যারা ছিলেন মোট ভোটারের ১২ শতাংশ। যাদের মধ্যে ৩৪% ছিলেন মুসলিম , নারীরা সংখ্যায় ছিলেন ৬১.৮%, এছাড়াও ছিলেন, মতুয়া ও রাজবংশী সম্প্রদায়ের মানুষেরা, যারা অসামঞ্জস্যপূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন। ফর্ম-৭-এর অপব্যবহার, অ্যালগরিদম-নির্ভর যাচাই, ১৯টি আপিল ট্রাইব্যুনালে ১ লক্ষ মামলা, সব মিলিয়ে ২০২৬-এর ভোটে যোগ্য নাগরিকরাও বাদ পড়েছিলেন।

‘সব নির্বাচনেই কারচুপি’, কেন এমন দাবি রাহুল গান্ধীর?

Rahul Gandhi election rigging claim: রাহুল গান্ধী কেন দাবি করলেন, ভারতের সব নির্বাচনেই কারচুপি হচ্ছে? নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে কী প্রশ্ন তুলেছেন তিনি? সরকারবিরোধী মনোভাব বা অ্যান্টি-ইনকামবেন্সি কীভাবে ভোটের রাজনীতিতে কাজ করে? তাঁর অভিযোগের পক্ষে কী কী তথ্য ও প্রমাণ তুলে ধরা হয়েছে?

সিজেপির তিন দাবি, জ্ঞানেশ কুমার না সরলে ফের বড় আন্দোলন

Election Commission of India: নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা, নির্বাচন পরিচালনার পদ্ধতি এবং ২০২৩ সালের আইনের বৈধতা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের কাছে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি জানিয়েছে সিজেপি। তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ, নির্বাচন প্রক্রিয়া স্থগিত করা এবং ২০২৩ সালের নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ সংক্রান্ত আইন প্রত্যাহার।

থানার গেটেই মারধর প্রাক্তন আইপিএস হুমায়ুন কবীরকে, সাধারণ মানুষ কতটা নিরাপদ?

Humayun Kabir: ঘটনার পর এখনও পর্যন্ত তিনি কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের করতে পারেননি বলেও জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, শারীরিক অসুস্থতার কারণে তখন অভিযোগ করা সম্ভব হয়নি। সুস্থ হয়ে তিনি লিখিত অভিযোগ করবেন।

দুই কমিশনারের আপত্তিতে ফের আলোচনায় সীমা খান্না, কমিশনে ঠিক কী দায়িত্ব তাঁর?

Seema Khanna and ECINet: ভোটার তালিকা ও ইসিআইনেট (ECINet) নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক। দুই নির্বাচন কমিশনারের আপত্তিতে সামনে এসেছে আইটি বিভাগের ভূমিকা এবং ডিরেক্টর জেনারেল (IT) সীমা খান্নার নাম। কে এই সীমা খান্না? নির্বাচন কমিশনে তাঁর দায়িত্ব কী? ভোটার তালিকা পরিচালনায় তাঁর ভূমিকা নিয়েই বা কেন উঠছে প্রশ্ন?

সরকারকে ৪ দিনের সময়সীমা বেধে দিল চা-শ্রমিকরা, ঠিক কী কী দাবি?

Dooars tea workers: ২২ সেপ্টেম্বর বকেয়া মজুরি ও অন্যান্য পাওনা মেটানোর দাবিতে হাঁটাপাড়া, ধুমচিপাড়া ও গারগান্ডার চা-শ্রমিকরা মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পদযাত্রা শুরু করেন। একই দিনে তোর্সার প্রস্তাবিত ল্যান্ড পোর্ট প্রকল্পে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষও জমি ও অধিকার রক্ষার দাবিতে পদযাত্রা করেন। দুই পদযাত্রাই পুলিশ আটকে দেয়।

বিশাখাপত্তনমে গুগলের ডেটা সেন্টার: ডিজিটাল উন্নয়নের দাম দেবে জল ও পরিবেশ?

Digital Thirst of vizag ai data centres: গুগল-আদানি-এয়ারটেলের যৌথ উদ্যোগে বিশাখাপত্তনমে গড়ে উঠছে ১ গিগাওয়াটের এআই ডেটা সেন্টার, বিনিয়োগ ১.২৫ লক্ষ কোটি টাকা। কিন্তু শহরের জলসংকট, কাম্বালাকোন্ডা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যের নৈকট্য আর পরিবেশবাদীদের বিক্ষোভ এই প্রকল্পকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে। 'স্টপ বিশাগ ডেটা সেন্টারস'-এর ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট পর্যন্ত নিষিদ্ধ করেছে ভারত সরকার।