ফ্যাসিস্টদের বিচার চাই বাংলাদেশের মাটিতেই! বিক্ষোভের শিখাকে জ্বালিয়ে রাখার বার্তা বৈষম্যবিরোধীদের

Bangladesh Protest: সোমবার হাসিনার পদত্যাগের পর বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের তরফ থেকে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, অভ্যুত্থানকারী ছাত্র নাগরিকের প্রস্তাবিত অন্তর্বর্তীকালীন জাতীয় সরকারের কাছেই ক্ষমতা হস্তান্তর করতে হবে।

Sohini Das
৪ মিনিট
ফ্যাসিস্টদের বিচার চাই বাংলাদেশের মাটিতেই! বিক্ষোভের শিখাকে জ্বালিয়ে রাখার বার্তা বৈষম্যবিরোধীদের

স্বৈরাচারী সরকারের নির্দেশে বাংলাদেশে গত কয়েকদিনের আন্দোলনে প্রাণ গিয়েছে অন্তত তিনশো জনের। সংরক্ষণবিরোধী ছাত্র আন্দোলন বড় হতে হতে বিরাট আকার ধারণ করেছিল বাংলাদেশে। সেই আন্দোলনের হাতেনাতে ফল দেখা গিয়েছে সোমবার। অবশেষে পদ থেকে ইস্তফা দিতে বাধ্য হলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আন্দোলনের শুরুটা পড়ুয়াদের দিয়ে শুরু হল কার্যত গণবিক্ষোভের রূপ নিতে দেখা গেল বাংলাদেশের সাম্প্রতিক এই আন্দোলনকে। সোমবার তার ফলই মিলল হাতেনাতে। গণবিক্ষোভের মুখে পিছু হঠতে বাধ্য হলেন হাসিনা সরকার। এদিন পদত্যাগ করে কপ্টারে করে বোনের সঙ্গে দেশ ছাড়লেন শেখ হাসিনা। জাতির উদ্দেশ্যে বার্তায় বাংলাদেশের সেনাপ্রধান ওয়াকার-উজ-জামান। জানালেন অন্তর্বর্তী সরকার গড়ে দেশ শাসনের কথা। তার আগে বাংলাদেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করেন বাংলাদেশের সেনাপ্রধান। যদিও সেখানে আওয়ামী পার্টির কোনও সদস্য ছিলেন না। আর ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক আসিফ নজরুল।

এদিন জাতির উদ্দেশে ভাষণে দেশের মানুষকে শান্ত ও সংযত থাকার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি। একই সঙ্গে তিনি জানিয়ে দেন, বাংলাদেশের প্রতিটি হত্যার বিচার হবে। সংরক্ষণ বিরোধী আন্দোলন দিয়ে যে লড়াই শুরু হয়েছিল, সেই লড়াই শেষপর্যন্ত ছড়িয়ে গিয়েছে বাংলাদেশের প্রতিটি স্তরের মানুষের কাছে। ফ্য়াসিবাদমুক্ত এক সরকারের দাবিতে পথে নামেন তাঁরা। সংরক্ষণবিরোধী আন্দোলনকে দমন করতে নেমে পুলিশ, বাহিনী ও আওয়ামী লীগের ছাত্রসংগঠন ছাত্রলীগের হাতে যেভাবে বিক্ষোভকারী ও সাধারণ মানুষের মৃত্যু হয়েছে, তার বিরুদ্ধে গর্জে ওঠে গোটা দেশ। পথে নামেন বিভিন্ন তারকা ও বিশিষ্ট মানুষেরাও। সংরক্ষণবিরোধী আন্দোলনে প্রাণ গিয়েছিল অন্তত দু'শো জন নিরপরাধ মানুষের। যাদের মধ্যে বেশিরভাগই পড়ুয়া। সেই সব নিহতদের জন্য সুবিচার চেয়ে ফের পথে নেমেছিল মানুষ। গোটা বাংলাদেশের রাজপথ উপচে পড়ে। সেই আন্দোলনে নেমে ফের মৃত্যু হয় শতাধিক মানুষের। সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করে সোমবার উত্তাল হয়ে ওঠে বাংলাদেশ।

হাসিনা পদত্যাগ করে দেশ ছেড়েছেন। কার্যত পূরণ হয়েছে বিক্ষোভকারীদের দাবি। ফ্যাসিবাদী সরকারকে ফেলে দিতে পেরেছে বাংলাদেশের গণবিক্ষোভ। আপাল অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গড়েই দেশচালনা করা হবে বলে জানিয়েছেন সেনাপ্রধান। তার জন্য রাষ্ট্রপতির দরবারেও গিয়েছেন সেনাপ্রধান। তবে হাসিনার পদত্যাগের পরেও কিন্তু আন্দোলন থামানোর কথা ভাবছেন না বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনকারীরা। বরং তাঁদের আরও একগুচ্ছ দাবি রয়েছে, যা পূরণ না হওয়া পর্যন্ত রাজপথ না ছাড়ার কথাই জানিয়েছেন তাঁরা। কোটা বিরোধী আন্দোলনে অজস্র মানুষকে বন্দি করেছিল বাংলাদেশ সরকার। তার মধ্যে অসংখ্য পড়ুয়া তো বটেই। কিছুদিন আগেই উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষায় বসতে চলা কয়েক জন বন্দিকে মুক্তি দিয়েছিল হাসিনা সরকার। যে সরকারের আমলে বাংলাদেশের এত উত্তাল পরিস্থিতি, সেই হাসিনা দেশ ছেড়েছেন ইতিমধ্যেই। আর কিছুক্ষণের মধ্যেই ভারতবর্ষের মাটিতে নামতে চলেছে হাসিনার কপ্টার।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
অন্তর্বর্তী সরকার গড়ে আপাতত চলবে দেশ, জাতির উদ্দেশে ভাষণে যে বার্তা বাংলাদেশের সেনাপ্রধানের

Bangladesh Unrest: শেখ হাসিনার  পদত্যাগের পরই সেনাপ্রধান জাতির উদ্দেশে ভাষণে জানিয়েছেন, বাংলাদেশে এই আন্দোলনে প্রতিটি হত্যার বিচার হবে।

তবে হাসিনা গদি ছাড়লেও দাবি এখনও শেষ হয়নি বিক্ষোভরতদের। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের পক্ষ থেকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, তাঁদের একগুচ্ছ দাবি এখনও রয়ে যাচ্ছে। সেসব না মেটা পর্যন্ত রাজপথ ছাড়বেন না তারা। যদিও এই রক্তক্ষয়ী আন্দোলনের পথ থেকে বিক্ষোভকারীদের সরে আসার পরামর্শ দিয়েছেন সেনাপ্রধান। তিনি বলেছেন, ‘‘ভাঙচুর, মারামারি, সংঘর্ষ থেকে বিরত থাকুন। ধৈর্য হারাবেন না। আমি নিশ্চিত, আপনারা যদি আমাদের কথামতো চলেন, আমরা যদি একসঙ্গে কাজ করি, তা হলে আমরা একটা সুন্দর পরিণতির দিকে এগোতে পারব।’’ দেশ শান্ত হলে কার্ফুর প্রয়োজন নেই বলেও জানান তিনি। কিন্তু পড়ুয়ারা যে এখনই আন্দোলনের পথ থেকে সরে আসছে না, তা কার্যত পরিষ্কার।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
অবশেষে ইস্তফা হাসিনার! বাংলাদেশ ছেড়ে বোনের সঙ্গে কোন দেশে আশ্রয়?

Sheikh Hasina Resigns: হাসিনা নয়াদিল্লির সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন। কিন্তু তাঁকে উদ্ধারের জন্য ভারত থেকে বাংলাদেশে বিমান পাঠানো হবে না বলে জানিয়ে দেয় নয়াদিল্লি।

সোমবার হাসিনার পদত্যাগের পর বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের তরফ থেকে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, অভ্যুত্থানকারী ছাত্র নাগরিকের প্রস্তাবিত অন্তর্বর্তীকালীন জাতীয় সরকারের কাছেই ক্ষমতা হস্তান্তর করতে হবে। এর বাইরে কোনও সরকার তারা মেনে নেবে না বলেই স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি এদিন সন্ধের মধ্যে নিরপরাধ ব্যক্তি, রাজবন্দী ও গুমকৃত ব্যক্তিদের মুক্ত করতে হবে। একই সঙ্গে তারা জামিয়ে দিয়েছে, ফ্যাসিস্ট, খুনিদের বিচার এই বাংলাদেশের মাটিতেই করতে হবে। তাঁদের কোথাও পালানোর সুযোগ দেওয়া যাবে না। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের তরফ থেকে সমন্বয়কারীরা জানিয়েছেন, শুধু হাসিনা সরকারের পদত্যাগেই সন্তুষ্ট নয় তাঁরা। একই সঙ্গে ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থার বিলোপ করে নতুন বাংলাদেশ ও রাজনৈতিক বন্দোবস্ত বিনির্মাণ করতে হবে সে দেশে। আর এই সব দাবির উপর যতক্ষণ না পুরোপুরি জয় মিলছে, ততক্ষণ পর্যন্ত রাজপথ ছাড়ছেন না আন্দোলনকারীরা। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক হিসেবে মো. নাহিদ ইসলাম ও আসিফ মাহমুদ এই বার্তা সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেছেন।

তবে এ কথা আগেও জানিয়েছিলেন আন্দোলনকারীরা।বাংলাদেশের সংবাদমাধ্যম ‘প্রথম আলো’ জানাচ্ছে, সাতটি বামপন্থী ছাত্র সংগঠন নিয়ে গঠিত ‘গণতান্ত্রিক ছাত্র জোট’ রবিবারই গণমাধ্যমেএকটি যৌথ বিবৃতি দেন। সেখানে বাংলাদেশের পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে ডাক দিয়েছিলেন অন্তর্বর্তিকালীন গণতান্ত্রিক সরকার গড়ার। আর সেই সরকার গড়বেন দেশের আপামর শ্রেণি-পেশার মানুষেরাই। বিবৃতিটিতে স্বাক্ষর ছিল জোটের সমন্বয়ক ও ছাত্র ইউনিয়নের একাংশের সভাপতি রাগীব নাঈম, সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্টের (মার্ক্সবাদী) সভাপতি সালমান সিদ্দিকী, বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রীর সভাপতি দিলীপ রায়, গণতান্ত্রিক ছাত্র কাউন্সিলের সভাপতি ছায়েদুল হক, ছাত্র ফেডারেশনের সভাপতি মিতু সরকার, বৃহত্তর পার্বত্য চট্টগ্রাম পাহাড়ি ছাত্র পরিষদের সভাপতি অঙ্কন চাকমা এবং বিপ্লবী ছাত্র-যুব আন্দোলনের সভাপতি তাওফিকা মিয়ার।

বিবৃতিতে এ-ও বলা হয়, কোটা সংস্কারের দাবিকে ঘিরে গড়ে ওঠা ছাত্র আন্দোলন দমন করতে বর্বরোচিত ‘জুলাই হত্যাকাণ্ড’ ঘটিয়েছিল আওয়ামী লীগ সরকার। পুলিশ, বিজিবি এবং র‌্যাবের সম্মিলিত বাহিনী হত্যা করেছে অসংখ্য ছাত্র-জনতাকে। এই সরকারের হাতে ছাত্র-জনতার রক্ত লেগে রয়েছে। তাই গোটা দেশের জনগণের এখন সম্মিলিত এক দফা, এক দাবি— অবিলম্বে পদত্যাগ করতে হবে এই সরকারকে। এর পরেই বিবৃতিতে ‘অন্তর্বর্তিকালীন গণতান্ত্রিক সরকার’ গঠনের ডাক দেন তাঁরা। এই সরকারের প্রাথমিক কাজগুলি হবে আন্দোলনকারীদের নামে দায়ের হওয়া সমস্ত মামলা প্রত্যাহার করা, আটক সকলকে মুক্তি দেওয়া, গণহত্যা ও নির্যাতনের তদন্ত ও বিচার, ছাত্র-জনতা হত্যার সঙ্গে সরাসরি যুক্ত সকলের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি, সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান অবিলম্বে খুলে দেওয়া এবং সর্বোপরি, ‘জুলাই হত্যাকাণ্ডে’ গুম-খুন, নিখোঁজ ও মৃতদের নামের তালিকা এবং প্রকৃত হিসাব প্রকাশ্যে আনা।

‘জুলাই হত্যাকাণ্ডে’র স্মরণে ৩১ জুলাইয়ের পর থেকে ৩২, ৩৩, ৩৪ করে দিন গুনছে বাংলাদেশের ছাত্র-জনতা। অর্থাৎ হিসাব মতো ৫ অগস্ট, ‘৩৬ জুলাই’ ঢাকা গণভবনের দিকে ‘লং মার্চ’-এর ডাক দেছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন। তবে সেই দিনেই গণবিক্ষোভের জেরে গদি ছাড়তে বাধ্য হন শেখ হাসিনা। ইতিমধ্যেই সেনাবাহিনী সেখানে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গড়ার উদ্দেশে রাষ্ট্রপতির দরজায় গিয়েছেন। তবে পূরণ হবে কি বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের তরফে থাকা বিক্ষোভকারীদের দাবি? শান্তি ফিরবে শেষমেশ বাংলাদেশ? ফ্যাসিবিরোধী মানুষের সরকার পাবে শেষমেশ বাংলাদেশের মানুষ? সেটাই এখন দেখার।

লিখেছেন
Sohini Das
Sohini Das
0 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

মোদী জমানায় যেভাবে বেড়েছে ভাই-বেরাদারি পুঁজিবাদ

25 Years of Modi's Economic Legacy: মোদী জমানায় রাজনৈতিক ক্ষমতা ও কর্পোরেট পুঁজির ঘনিষ্ঠতায় কীভাবে বদলে যাচ্ছে ভারতের অর্থনীতির চরিত্র, বেড়েছে ভাই-বেরাদারি পুঁজিবাদ, একচেটিয়া বাজার ও মুষ্টিমেয় শিল্পগোষ্ঠীর আধিপত্য?

বছরে ৫০ দিনের ছুটি কমে ৪০! বাদ পড়তে পারে কোন কোন উৎসবের ছুটি?

West Bengal Government Holidays: পশ্চিমবঙ্গের সরকারি কর্মীদের বছরে ছুটির সংখ্যা প্রায় ৫০ দিন থেকে কমিয়ে ৪০ দিন করার পরিকল্পনা করছে শুভেন্দু সরকার। অর্থসচিবকে নতুন ছুটির তালিকা তৈরির নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তৃণমূল আমলে চালু হওয়া শিবরাত্রি, ভাইফোঁটা, ছটপুজো-সহ একাধিক ছুটি কি তবে এবার বাতিল হতে চলেছে?

দুই কক্ষেই ডেমোক্র্যাটদের জয়, ট্রাম্পের ক্ষমতায় কতটা লাগাম পড়বে?

US midterms 2026: ২০২৬ সালের মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকান দুর্গে বড় ধস নামিয়ে কংগ্রেসের উভয় কক্ষের নিয়ন্ত্রণ নিল ডেমোক্র্যাটিক পার্টি। জীবনযাত্রার ক্রমবর্ধমান ব্যয়, শুল্কনীতি এবং যুদ্ধ সংক্রান্ত অসন্তোষের জেরে ট্রাম্পের নীতি প্রত্যাখ্যান করল ভোটাররা। বদলের প্রত্যাশা কতটা পূরণ হবে?

মিডটার্ম নির্বাচনে কে কত টাকা ঢাললেন?

US midterm elections 2026: আমেরিকার নির্বাচনে প্রায় ১২ বিলিয়ন ডলারের রেকর্ড ব্যয়। ইলন মাস্ক ও জর্জ সোরোসের মতো ধনকুবেরদের অনুদান, সুপার প্যাক ও ডার্ক মানি কীভাবে আমেরিকার রাজনীতি নিয়ন্ত্রণ করছে?

মানুষ টাকা পেয়ে গেলে ভুলে যাবে, অন্নপূর্ণা যোজনা নিয়ে ক্ষোভ-বিক্ষোভ সম্পর্কে বললেন বিজেপি বিধায়ক সজল

Sajal Ghosh interview: ‘ভয় ছাড়া ভক্তি আসে না’— আইন-শৃঙ্খলা, দুর্গাপূজা বিতর্ক এবং তৃণমূলের দলবদল নিয়ে নিজের মতামত জানালেন বিজেপি নেতা সজল ঘোষ।

ভারতের রাজনীতি কতটা বদলে দিয়েছেন মোদী?

25 years of Narendra Modi: ২৫ বছরে মোদী কতটা বদলে দিয়েছেন ভারতের রাজনীতি? উন্নয়ন, নেতৃত্ব ও রাজনৈতিক প্রচারের ধরন থেকে শুরু করে গণতন্ত্র, ধর্মীয় মেরুকরণ এবং জাতীয় পরিচয়ের ধারণা—কীভাবে বদলেছে দেশের রাজনৈতিক চালচিত্র?

ব্রাজিল থেকে আমেরিকা যে কারণে দক্ষিণপন্থীদের শাস্তি দিচ্ছে শান্তিকামী মানুষ

The Alt - right Tide Turns: বিশ্বজুড়ে দক্ষিণপন্থী জনতুষ্টিবাদের ভিত্তি কেঁপে উঠেছে। হাঙ্গেরিতে ১৬ বছরের অরবান-শাসনের অবসান, সার্বিয়ায় ছাত্র আন্দোলনের নির্বাচনী বিজয়, ব্রাজিলে প্রথম রাউন্ডে পিছিয়ে থেকেও লুলার জয়, আমেরিকায় মিডটার্মে ডেমোক্র্যাটদের সংসদের দুই কক্ষ দখল, সব মিলিয়ে বিশ্বজুড়ে অতি-দক্ষিণপন্থী জোয়ারে ভাটার সুর। তবে ফ্রান্স, পোল্যান্ড, ইতালিতে দক্ষিণপন্থা এখনও টিকে আছে। সেগুলির বিরুদ্ধেও চলছে জেনজিদের, শ্রমজীবী অভিবাসী মানুষদের বিক্ষোভ।

ডানাছাঁটা ট্রাম্প-নেতানিয়াহু, বিশ্ব রাজনীতি কোন দিকে যাবে?

Trump midterm defeat: আমেরিকার মধ্যবর্তী নির্বাচনে ডোনাল্ড ট্রাম্পের রিপাবলিকান পার্টির পরাজয় এবং ইজরায়েলের নির্বাচনে বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারানো—দুটি ঘটনাই আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে নতুন সমীকরণের ইঙ্গিত দিচ্ছে। এই পরাজয়ের পর ইরান যুদ্ধের ভবিষ্যৎ কী হবে? আমেরিকা-ইজরায়েল সম্পর্কের সমীকরণ কি বদলাবে? আর বিশ্ব রাজনীতিতে তার প্রভাবই বা কতটা পড়বে?