ধূম জ্বর গায়েই পুজো! বেলুড় মঠের দুর্গাপুজোয় দ্বিতীয়বার রইতে পারেননি খোদ স্বামীজিই

Belur Math Durgapuja: স্বামীজির খুব ইচ্ছে পশুবলি হয়। কিন্তু সারদার প্রবল অমতে সেটি বাদ দিতে হল। এখনও বেলুড় মঠের পুজোতে ফলবলি হয়, কিন্তু পশুবলি নিষিদ্ধ।

Sindhu Som
৪ মিনিট
ধূম জ্বর গায়েই পুজো! বেলুড় মঠের দুর্গাপুজোয় দ্বিতীয়বার রইতে পারেননি খোদ স্বামীজিই

বেলুড়মঠ। স্বামীজির বহু পরিশ্রমে তৈরি এই মঠটিতে সংবৎসর দুর্গাপুজো হয়ে আসছে। সেও আজ থেকে না, প্রায় একশো বিশ বছরের ওপর। বাংলার যে সমস্ত দুর্গাপুজো থিমের বাইরেও দীর্ঘ ঐতিহ্য বহন করে, এটা তার মধ্যে অন্যতম। এখনও সেই একই রীতিনীতি মেনে পুজো হয়। পুজো হয় যথেষ্ট জাঁকজমকের সঙ্গে। বেলুড়ের বর্তমান মন্দিরটিতে মিশে গিয়েছে মন্দির, মসজিদ, গির্জার স্থাপত্যরীতি। যদিও মন্দিরের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয় ১৯৩৫-এ, তবে মঠটি স্থাপিত হয়েছিল তার অনেকদিন আগেই। বিবেকানন্দের হাত ধরেই এ মঠে দুর্গাপুজোর শুরু। আজ খানিক সেই ইতিহাস আলোচনা করা যাক।

১৮৯৭-এ কলম্বো হয়ে ভারতে ফিরলেন স্বামীজি। লক্ষ্য তখন দু’টি। দু’টি মঠ। আলমোড়ার কাছে হিমালয়ের কোলে মায়াবতী। সেখানে অদ্বৈত আশ্রম গড়ে তুললেন এবং বাংলার বেলুড়ে গড়ে তুললেন একটি মঠ। রামকৃষ্ণ যেমন বাঙালি সংস্কৃতি বুঝতেন পূর্বাপর, স্বামীজি তাঁরই সুযোগ্য শিষ্য। শক্তির আরাধনা, সে যে রূপেই হোক না কেন। কাজেই মঠে দুর্গাপুজো করার একটা ইচ্ছে তাঁর দীর্ঘদিন ছিল। শরীরে নানান রোগ। খুব বেশিদিন বাঁচবেন না বোধহয় অনুভব করছিলেন সে সময়েই। প্রিয় বেলগছতলাটিতে এসে বসতেন মাঝে মাঝে। সামনেই গঙ্গা। সেদিকে তাকিয়ে নাকি গাইতেন—

“বিল্ববৃক্ষমূলে পাতিয়া বোধন

গণেশের কল্যাণে গৌরীর আগমন

ঘরে আনব চণ্ডী, কর্ণে শুনব চণ্ডী

আসবে কত দণ্ডী, জটাজুটধারী।”

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
কেন ইনকিলাব ধ্বনি দিচ্ছেন ইরানের মেয়েরা! কীভাবে পাড়ি দিল ভগতের স্লোগান

Iran Inquilab Zindabad: ইরানের মানুষের মুখে শোনা যাচ্ছে ‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ’, পিছু হটছে পুলিশের গাড়ি, পিছু হটছে গাস্ত-ই এরশাদের অত্যাচারী ‘পৌরুষ’।

দিন যায়। কাজের ভিড়ে মনের সাধ আর পূরণ হয় না। এই করতে করতে বছর চারেক কেটে গেল। ১৯০১ সালের মে কী জুন মাস। স্বামীজির পরম প্রিয় গৃহীশিষ্য শরচ্চন্দ্র চক্রবর্তী এলেন মঠে। আলাপ আলোচনা চলছে। ইতিমধ্যে তাঁকে ডেকে বিবেকানন্দ বললেন, রঘুনন্দনের ‘অষ্টবিংশতি’ বইটি তাঁর চাই। যেভাবেই হোক, জোগাড় করে দিতে হবে। শরচ্চন্দ্রের কৌতূহল হল। “শিক্ষিত লোকে তো ও বই এখন ছোঁয়ই না, নাকি কুসংস্কারের ঝুড়ি! ও বই নিয়ে আপনি কী করবেন?” তখন স্বামীজি জানালেন, “এবার মঠে দুর্গোৎসব করবার ইচ্ছে হচ্ছে। যদি খরচ সংকুলান হয় তো মহামায়ার পুজো করব। তাই দুর্গোৎসব বিধি পড়বার ইচ্ছে হয়েছে। তুই আগামী রবিবার যখন আসবি ওই পুস্তকখানি সংগ্রহ করে নিয়ে আসবি।” তা শরতবাবু যথাসময়ে বইটি এনে দিলেন। চার পাঁচ দিনের মধ্যেই পড়া শেষ। শরতকে বলেছিলেন, “রঘুনন্দনের স্মৃতি বইখানি সব পড়ে ফেলেছি, যদি পারি তো এবার মার পূজা করব।”

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
বাগবাজারের পুজোয় ৫০০ টাকা চাঁদা দেন নেতাজি, লাঠিখেলার যে ইতিহাস অনেকেরই অজানা

Kolkata Durgapuja 2022: ১৯০৫ সালে বঙ্গভঙ্গ ঘোষণার পরেই সম্ভবত দুর্গাপুজোয় গুরুত্বপূর্ণ বদল আসে। স্বদেশী আন্দোলনের ব্যপ্তি বাড়াতে এই উৎসবই বিপ্লবীদের কাছে হয়ে ওঠে প্রয়োজনীয় হাতিয়ার।

এরপরে আর কোনও কথা হয়নি এ নিয়ে। দীর্ঘদিন গেল। পুজোর সময় প্রায় আসন্ন। হপ্তাখানেক আগে পর্যন্ত মঠে কোনও সাড়াশব্দ নেই, প্রস্তুতি নেই। পুজোর যখন আর চার-পাঁচদিন বাকি, স্বামীজি কলকাতা থেকে নৌকায় বেলুড়ে ফিরেই হঠাৎ “রাজা কোথায়? রাজা কোথায়?” বলে ব্যস্ত হয়ে উঠলেন। স্বামী ব্রহ্মানন্দ মঠেই ছিলেন। তাঁকে দেখতে পেয়েই বললেন, “এবার মঠে প্রতিমা এনে দুর্গাপুজো করতে হবে। তুমি সব আয়োজন করে ফেল।” ব্রহ্মানন্দের মাথায় হাত। মাত্র চার পাঁচটা দিন। ওই বিপুল আয়োজনের সময় বা সুযোগ— কোনওটাই তো দেখতে পাচ্ছেন না। এখন প্রতিমাই বা কোথায় পাওয়া যাবে, আর অনুষ্ঠানের আয়োজনই বা কীভাবে হবে!

শুরুর বিহ্বল ভাব কাটতে ব্রহ্মানন্দ স্বামীজির কাছে দুটো দিন সময় চাইলেন। তাতে আপত্তি নেই স্বামীজির। বললেন, “আমি ভাব-চক্ষে দেখেছি এবার মঠে দুর্গোৎসব হচ্ছে, প্রতিমায় মার পূজা হচ্ছে।” এ কথা শুনে ব্রহ্মানন্দ চমকে উঠলেন। সে কী! তিনিও যে সেদিন… দিন চারেক আগেই সেই বেলতলায় বসেছিলেন ব্রহ্মানন্দ। হঠাৎ দক্ষিণেশ্বরের দিকে থেকে একটি মেয়েকে আসতে দেখলেন। গঙ্গা পেরিয়ে ঠিক বেলতলায় এসে নারীমূর্তি মিলিয়ে গেল। তবে কি…? এইসব কথা শুনে মঠের সন্ন্যাসীরা নড়েচড়ে বসলেন। ব্রহ্মানন্দ নিজের দায়িত্বে ব্রহ্মচারী কৃষ্ণলালকে পাঠালেন প্রতিমার খোঁজে। যদিও আশা নেই। কিন্তু প্রতিমা ঠিকই মিলল। একটি অসামান্য প্রতিমা সেবার বাড়তি পড়েছিল। যাঁর বায়নায় গড়া, সে ভদ্রলোক আর খোঁজখবর নেননি। কাজেই সে প্রতিমাটিই আর একটা দিন দেখে, বায়না করে নিয়ে এলেন কৃষ্ণলাল।

সেবার দুর্গাপুজোর তিথি কার্তিক মাসে। অক্টোবর মাসে পুজো। কিন্তু কৌপিনধারী সন্ন্যাসীদের পুজো বা ক্রিয়া সংকল্প করার বিধান নেই। মা সারদাকে বেলুড়ে আনলেন স্বামীজি। মা উঠলেন নীলাম্বর মুখোপাধ্যায়ের বাড়িতে। সংকল্প হল তাঁর নামেই। স্বামীজির খুব ইচ্ছে পশুবলি হয়। কিন্তু সারদার প্রবল অমতে সেটি বাদ দিতে হল। এখনও বেলুড় মঠের পুজোতে ফলবলি হয়, কিন্তু পশুবলি নিষিদ্ধ। এদিকে মঠের উত্তরের জমিতে বিরাট মণ্ডপ বাঁধা হয়েছিল। ষষ্ঠীর বিকেলে নৌকায় করে প্রতিমা আসল। কিন্তু এর খানিকবাদেই আকাশ ভেঙে বৃষ্টি নামল। সঙ্গে তুমুল ঝড়। কিন্তু পুজো সেবার হবেই। এত ঝড়বৃষ্টিতেও একফোঁটা ক্ষতি হল না প্রতিমার বা মণ্ডপের। সমস্ত বাধা বিপত্তি অতিক্রম করে পুজো শুরু হল। পুরোহিত হলেন ব্রহ্মচারী কৃষ্ণলাল। আর তন্ত্রধারক হলেন মঠেরই সন্ন্যাসী স্বামী কৃষ্ণানন্দের পিতা ঈশ্বরচন্দ্র ভট্টাচার্য। মা দুর্গাকে চিনির নৈবেদ্য দেওয়া হল, দেওয়া হল প্রচুর‌ মিষ্টিভোগ। সেবার কাঙাল ভোজন চলেছিল দিন তিনেক।

মহাঅষ্টমীর আগের দিন থেকেই ফের প্রবল জ্বর স্বামীজির। মণ্ডপে যেতে পারছেন না। অবশেষে সন্ধিপুজোর সময়ে জ্বর গায়েই এলেন মণ্ডপে। রামলালদাদার কন্যাকে বেছে নিয়েছিলেন কুমারী পূজার জন্য। তাও হল। অসুস্থ শরীরেই পুজো করলেন বিবেকানন্দ। সে পুজোর পর ১০৮টি পদ্ম মা সারদার পায়ে দিয়ে জীবন্ত প্রতিমার পুজো হল। নবমীর দিন শরীর একটু ভালো। এক সময় রামকৃষ্ণ নবমীর দিন যে সব গান গাইতেন, স্বামীজিও সেই সব গানের দু’ একটি গাইতে লাগলেন। নবমীর পুজো শেষ হল। মা সারদা সেদিন যজ্ঞ করলেন। মা সারদার হাত দিয়ে তন্ত্রসাধক ঈশ্বরচন্দ্রকে পঁচিশ টাকা দক্ষিণা দেওয়ালেন স্বামীজি।

নবমী ফুরলো। দশমীর দিন লোকে লোকারণ্য। স্বামীজির শরীর আবার বেশ খারাপ। নিচে নামতেই পারলেন না। সমস্ত নিয়ম মেনে সন্ধেবেলায় সবার সাহায্যে গঙ্গায় দুর্গাপ্রতিমা বিসর্জন হল। সেই শুরু। সেই থেকে আজ অবধি সে নিয়মের ব্যত্যয় হয়নি। স্বামীজির নিজের হাতে শুরু করা বেলুড়ের দুর্গাপুজো একই রীতি মেনে চলে আসছে আজও। বরং ১২১ বছরের ইতিহাস তাকে বাংলায়, বাঙালির বুকে এ অনন্য জায়গা করে দিয়েছে।

লিখেছেন
Sindhu Som
Sindhu Som
0 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

ক্লাইভের মুখে দুগ্গা দুগ্গা, কেমন ছিল শোভাবাজার রাজবাড়ির প্রথম দুর্গাপুজো

Shobhabazar Rajbari Durgapuja: শোভাবাজারের গর্ব সাবেকী এক চালার প্রতিমা। প্রতিমা শিল্পী, মোদক, ঢাকি বংশ পরম্পরায় জড়িয়ে আছেন এই পুজোর সঙ্গে। দশমীর পুজোর অন্যতম নিয়ম ‘কনকাঞ্জলি প্রথা’। লেখাটি প্রথম প্রকাশিত হয় ২০২১ সালের ১১ অক্টোবর।

জিতাষ্টমী থেকে শুরু দেবীর আরাধনা, ঝাড়গ্রাম রাজবাড়ির পুজো চলে পনেরো দিন

Jhargram Rajbari Durga Puja: রাজপুতানার ফতেহপুর সিক্রি থেকে আসা চৌহান বংশের ক্ষত্রিয় বীর সর্বেশ্বর সিংহ চৌহান। মুঘল সেনাপতি মানসিংহের বাংলা অভিযানের সময় তিনি জঙ্গলখণ্ডে আসেন। স্থানীয় জংলি মাল রাজাকে দ্বন্দ্বযুদ্ধে পরাজিত করে তিনি এই জঙ্গলমহলে নিজের রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেন। নামের সঙ্গে জুড়ে নেন 'মল্লদেব' উপাধি। আর ঘন জঙ্গলে ঘেরা সেই জায়গার নাম দেন ঝাড়গ্রাম।

রবীন্দ্রনাথ সত্যিই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করেছিলেন?

The Tagore Myth: ঢাকার শিল্পকলা একাডেমির সামনে রবীন্দ্রনাথের গ্রাফিতিতে চুনকালি দেওয়ার ঘটনায় জামায়াতে ইসলামীর দাবি, 'রবীন্দ্রনাথ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় চাননি।' ফ্যাক্ট-ওয়াচ ও প্রয়াত অধ্যাপক আনিসুজ্জামানের মতে, দাবিটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। ইতিহাসের তথ্য ও তর্কের পরিপ্রেক্ষিতে, দেখে নেওয়া যাক, এই দাবিগুলি কতটা মিথ, কতটা মিথ্যা।

থিম নেই, জাঁকজমক নেই: মানুষের ভালবাসায় গড়া আমার গ্রাম কেশাতড়ার দুর্গাপুজো

Keshatara village Durga Puja: পুজোর সম্পূর্ণ খরচ বহন করেন গ্রামের মানুষই। ইদানীং সরকারি অনুদান মেলে ঠিকই, কিন্তু পুজোর ভোগের চালটা আজও আসে গ্রামের মানুষের দেওয়া টাকা থেকেই।

দুর্গা মুখ তুলে তাকাবেন হকারদের দিকে?

Durga Puja Economy in Bengal: কর্পোরেট পুঁজির প্রভাব, অসংগঠিত অর্থনীতির সংকট, হকার উচ্ছেদ এবং ধর্মীয় বিধিনিষেধের আবহে কতটা সুরক্ষিত থাকবে শারদোৎসবের নিজস্ব চরিত্র? পুজোর জৌলুস বাড়লেও নাগরিক স্বাধীনতা, শিল্পের স্বতঃস্ফূর্ততা এবং সাধারণ মানুষের জীবিকার জায়গা ক্রমশ সংকুচিত হবে?

দুর্গাপুজোর উৎসব, অসুরের শোক: বাংলার ইতিহাসে কার জয়, কার পরাজয়?

Mahishasur Puja: ২০১১-র পুরুলিয়া পার করে ২০১৪-র মালদার গাজল। নিত্যানন্দ হেমব্রমরা শুরু করলেন অসুর আন্দোলন। ততদিনে উত্তরবঙ্গ ও জঙ্গলমহলে অসুর পুজোর সংখ্যা ৬৫০ ছাড়িয়েছে। কেউ মূর্তি বানিয়ে মহিষাসুর স্মরণ করেন, কেউ ফ্লেক্স বানিয়ে আলোচনা সভা।

প্রতিদিন বদলায় মেনু, বদলায় খাবারের দাম: তবু স্বাদে অটুট কলকাতার সিদ্ধেশ্বরী আশ্রম

Hotel Siddheswari Ashram: সিঁড়ি দিয়ে উঠতে উঠতে চোখ পড়বে সুবিশাল মেনু বোর্ডে, যাতে মুদ্রিত আছে হোটেলটির সামগ্রিক খাদ্য সমাহার। বোর্ডটিতে সেই দিনের প্রাপ্ত পদের পাশে চকখড়িতে হাতে লেখা সেই দিনের দাম। আর অতি অবশ্যই বাংলা ও ইংরাজিতে লেখা থাকে তারিখ।

যে দুর্গাবাড়ির পঞ্চমুণ্ডির আসনে আজও বসেন দেবী, সেখানেই একদিন শপথ নিতেন বিপ্লবীরা

Gangarampur Durgabari,: তন্ত্রশাস্ত্র অনুসারে, পঞ্চমুণ্ডি আসন সাধারণ কোনো বেদি নয়। পাঁচটি নির্দিষ্ট খুলি বা করোটি—যেমন চণ্ডাল বা ডোমের, শিয়ালের, বেজি বা নেউলের, বিষধর সাপের এবং হনুমানের খুলি মাটির নিচে নির্দিষ্ট নিয়মে পুঁতে এই আসন তৈরি করা হয়।