তিক্ততা ভুলে নতুন শুরু, জেলায় জেলায় ঘুরে ঘর গোছাচ্ছেন দিলীপ ঘোষ

Dilip Ghosh: শোনা যাচ্ছে, উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় বিজেপির কর্মীদের সঙ্গে বসে এই লোকসভা ভোটের ফলাফল পর্যালোচনা করেন বিজেপি নেতা। সোমবার সকালে উঠেই বেরিয়ে পড়েছিলেন তিনি। প্রথমেই মালদহ শহরের শুভঙ্কর বাঁধে প্রাতঃভ্রমণ সারেন দিলীপবাবু।

Sohini Das
৪ মিনিট
তিক্ততা ভুলে নতুন শুরু, জেলায় জেলায় ঘুরে ঘর গোছাচ্ছেন দিলীপ ঘোষ

সোমবার থেকে শুরু হচ্ছে লোকসভার অধিবেশন। দেশে নয়া সরকার গঠনের পর প্রথম লোকসভার বৈঠক। গোটা দেশ থেকে নির্বাচিত সাংসদেরা ছুটেছেন দিল্লিতে। তবে এবার আর দিল্লি যাওয়ার তাড়া নেই বিজেপির বরিষ্ঠ নেতা দিলীপ ঘোষের। গত লোকসভা ভোটে তাঁকে বর্ধমান-দুর্গাপুর কেন্দ্র থেকে দাঁড় করানোর সিদ্ধান্ত নেয় বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্ব। যে মেদিনীপুর থেকে দীর্ঘদিন ধরে জিতে আসছেন দিলীপ, সেখান থেকে সরিয়ে দেওয়া হয় বিজেপির এই প্রাক্তন রাজ্য সভাপতিকে। স্বাভাবিক ভাবেই এই লোকসভা ভোটে একই সঙ্গে দুটি আসনই হাতছাড়া হয় বিজেপির অঙ্কের ভুলে। এর পরেই প্রশ্ন উঠে যায় বিজেপির সিদ্ধান্ত ঘিরে। নাম না করেই এর নেপথ্যে দলের বিশেষ কারওর হাত রয়েছে বলেও তোপ দেগেছিলেন দিলীপ ঘোষ। এমনকী দলের নির্দেশে প্রয়োজনে নিজের জায়গা ছেড়ে দিয়ে চলে যেতে পারেন বলেও জানিয়েছিলেন দিলীপ।

সঙ্ঘের কড়া অনুশাসনে দীক্ষিত দিলীপ যে জমি ছাড়ার পাত্র নন, তা অবশ্য এর আগেও তিনি বুঝিয়ে দিয়েছেন। দলের মেম্বারশিপ ক্যাম্পেন শুরু হচ্ছে জুলাই মাস থেকে। তা চলবে আরও ৬ মাস। তার আগেই ময়দানে নামলেন দিলীপ। ঘরের মাঠে ব্যাট করতে না পারায় কার্যত এ বছর মুখ থুবড়ে পড়েছে দিলীপ ঘোষের ভোটপূর্ব সমস্ত হিসেবনিকেশ। সারা বছর ধরে মেদিনীপুরের প্রতিটি কেন্দ্র চষে রেখেছিলেন তিনি। কিন্তু শেষমুহূর্তে তাঁকে প্রার্থী করা হয়েছিল বর্ধমান-দুর্গাপুর কেন্দ্রে। যেখানে দিলীপ ঘোষের তেমন প্রভাব নেই বললেই চলে। ভোট মিটতেই নিজের হার স্বীকার করে জনসংযোগ বাড়ানোর কাজ শুরু করে দিলেন দিলীপ ঘোষ। রাজ্য বিজেপির নেতাদের কাছে স্পষ্ট খবর নেই, কোথায় দিলীপ। কিন্তু সোশ্যাল মিডিয়ায় চোখ রাখতেই দেখা গেল, কার্যত জেলাসফরে বেরিয়ে পড়েছেন বিজেপির এই বরিষ্ঠ নেতা।

শনিবার তাঁকে দেখা গিয়েছিল ভাটপাড়ায়। দলীয় কর্মীদের সঙ্গে বহাল তবিয়তে ক্যারাম খেলেছেন দিলীপ। সোমবার দেখা গেল, তিনি মালদহে। শোনা যাচ্ছে, উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় বিজেপির কর্মীদের সঙ্গে বসে এই লোকসভা ভোটের ফলাফল পর্যালোচনা করেন বিজেপি নেতা। সোমবার সকালে উঠেই বেরিয়ে পড়েছিলেন তিনি। প্রথমেই মালদহ শহরের শুভঙ্কর বাঁধে প্রাতঃভ্রমণ সারেন দিলীপবাবু। তার পর সেখানেই একটা চায়ের দোকান বেছে নিয়ে বসে পড়েন পুরনো কায়দায়। পুরনো স্টাইলেই মন দেন চায়ে পে চর্চায়। সাংবাদিকরা ঘিরে ধরলেও সেসব কোনও কথাতেই কোনও উত্তর দিতে চাননি দিলীপবাবু। তার পর তিনি চলেছ যান মালদা ইংরেজবাজার পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের গ্রীন পার্ক মনসা তলা বস্তিতে। সদ্য আইআইটি পরীক্ষায় সফল ছাত্র অভিজিৎ রায়ের বাড়ি পৌঁছে যান বিজেপি নেতা। দেখা করেন মেধাবী যুবকের সঙ্গে। আর্থিক অনটন সামলে বহু কষ্টে বড় হতে হয়েছে অভিজিৎকে। দাদু বিক্রি করতেন কয়লা, বাবা চালাতেন টোটো। সেই সমস্ত বাধা-প্রতিবন্ধকতাকে জয় করেই সাফল্যের মুখ দেখেছেন অভিজিৎ। এদিকে, দিলীপের পুরনো এলাকা খড়্গপুর। কোনও ভাবে অভিজিৎ যদি খড়্গপুর আইআইটি-তে ভর্তি হন, সেক্ষেত্রে ওই ছাত্রের যাতে কোনও সমস্যা না হয়, তাকে সবরকম সাহায্যের আশ্বাসও দেন দিলীপ ঘোষ। বাড়িতে বরিষ্ঠ বিজেপি নেতাকে পেয়ে স্বাভাবিক ভাবেই খুশি অভিজিতের পরিবার।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
‘কাঠিবাজী’ই কি কাঁটা জয়ের মুখে! কীসের আভাস দিতে চাইলেন বেসুরো দিলীপ

Dilip Ghosh: বুধবার সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে দিলীপ ঘোষ জানালেন, 'চক্রান্ত, কাঠিবাজি রাজনীতির অঙ্গ। আমি সেভাবেই নিয়েছি। আমি পুরো পরিশ্রম করেছি, কিন্তু সফলতা আসেনি।'

তবে এই প্রথম নয়। দিন কয়েক ধরেই বিভিন্ন জেলায় ঘুরে ঘুরে এই জনসংযোগের কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন দিলীপ। ইতিমধ্যেই সেরে ফেলেছেন মেদিনীপুর, ব্যারাকপুর, মুর্শিদাবাদ সফর। তার পর মালদহ দক্ষিণ এবং মালদহ উত্তর হয়ে সোমবার পৌঁছন রাজ্যসভাপতি সুকান্ত মজুমদারের লোকসভা কেন্দ্র বালুরঘাটে। এদিন সন্ধেয় দিলীপবাবু যাবেন জলপাইগুড়ি এলাকায়। কেন এক জেলা থেকে অন্য জেলায় এমন ঘুরে বেড়াচ্ছেন দিলীপ? দিলীপবাবু অবশ্য বলছেন, নতুন কিছু নয়। অতীতের মতোই বিভিন্ন জেলায় ঘুরছেন তিনি।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
বহিরাগতর কাছে শোচনীয় পরাজয়! অধীর আর দিলীপকে হারাল তাঁদের দলই?

Adhir Chowdhury Dilip Ghosh: এত বছরে অধীরের মূল প্রতিপক্ষ কখনও সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ছিলেনই না।

অথচ দিলীপের এই একগুচ্ছ সফরকর্মসূচী নিয়ে সম্পূর্ণ অন্ধকারে রাজ্যনেতৃত্ব। রাজ্য়বিজেপির কাছে এ সংক্রান্ত কোনও খবরাখবর নেই। এমনকী কবে কোথায় যাচ্ছেন, তা নিয়ে রাজ্যনেতৃত্বকে কোনও কিছুই আগাম জানানো হয়নি। স্বাভাবিক ভাবেই দিলীপের এই জেলাসফর ঘিরে উস্কে উঠেছে জল্পনা। অনেকেই মনে করছে, বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের থেকে কোনও বিশেষ নির্দেশ পেয়েছেন দিলীপ। এমনকী তাঁর তৎপরতা দেখে অনেকেই মনে করছেন, এ রাজ্যে হারের পর স্তিমিত হয়ে পড়া বিজেপিকে তুলে আনতে বড় কোনও গুরুদায়িত্বও দেওয়া হতে পারে দিলীপ ঘোষকে। তবে কি দিল্লি থেকে তেমনই কোনও বার্তা পেয়েছেন দিলীপ? নানা মহলে শুরু হয়েছে চর্চা।

রাজ্য বিজেপির এক নেতার কথায়, ‘‘জয়ীরা এখন মন্ত্রী আর সাংসদ হিসাবে ব্যস্ত। বাকি পরাজিতেরা যখন ঘরে বসে রয়েছেন, তখন লোকসভা নির্বাচনের বিপর্যয়ে মনোবল ভেঙে যাওয়া নেতা-কর্মীদের কাছে দিলীপের যাওয়া প্রশংসনীয়।’’ কেউ কেউ আবার বলছেন, হাত থেকে ফসকে যাওয়া বিজেপি সভাপতির পদ পুনরায় দখল করতেই রাজ্যের দক্ষিণ থেকে উত্তরে ছুটে মরছেন দিলীপ। যদিও দিলীপ ঘোষ এই সমস্ত জল্পনা উড়িয়ে দিয়ে বলেছেন, "নিজের দলের কর্মীদের সঙ্গে দেখা করতে আবার কারণ লাগে নাকি!" রাজ্য সভাপতি হওয়ার দৌড়ে থাকার জল্পনায় জল ঢেলে তিনি জানান, ‘‘যাঁরা আমার এই সফরে অন্য লক্ষ্য দেখছেন তাঁদের মনে রাখা দরকার, আমি যাঁদের কাছে যাচ্ছি, তাঁরা আমায় রাজ্য সভাপতি বানাতে পারবেন না। সেটা চাইলে দিল্লি গিয়ে বসে থাকতাম। দিলীপ ঘোষ সেই বান্দা নয়।’’

তবে কেন রাজ্যনেতৃত্বকে জানিয়ে এই জেলা সফর সারছেন না বিজেপি নেতা? তার উত্তরে দিলীপ জানান, , ‘‘এতে আবার অনুমতি নেওয়ার কী আছে? ২০১৯ আর ২০২১ সালে নির্বাচনের পরেও গোটা রাজ্যে ঘুরে কর্মীদের খোঁজখবর নিয়েছিলাম। সেটাই করছি। আক্রান্তদের পাশে দাঁড়ানোর কথা বলছি। যাঁদের মনোবল ভেঙে গিয়েছে, তাঁদের নতুন করে লড়াইয়ের কথা বলছি।’’ যেভাবে পরাজয়ের পরেও হাল না ছেড়ে ফের মাঠে নেমেছেন দিলীপ, জনসংযোগ বাড়িয়েছেন, তা এক দিক থেকে শিক্ষনীয় বলেই মনে করছেন দলের অনেকেই।

ভোটে হারার পর স্বাভাবিক ভাবেই ক্ষোভের সুর শোনা গিয়েছিল দিলীপ ঘোষের গলায়। নাম না করলেও তাঁর আকার ইঙ্গিতে ভালোই বোঝা গিয়েছিল, বিরোধী নেতা শুভেন্দু অধিকারীর বাড়বাড়ন্তকে ভালো চোখে দেখছেন না বরিষ্ঠ বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ। তবু তিনি বাক্যনির্বাচনের ক্ষেত্রে সংযত ভাব দেখানোর চেষ্টা করেছেন যতটা সম্ভব। এর মধ্যেই একদিন সেক্টর ফাইভে বিজেপির সদরদফতরে যান দিলীপবাবু। গত ১৫ জুন যোগ দেন বিজেপির কোর কমিটির বৈঠকেও। আর তার ঠিক পরের দিন থেকেই শুরু হয়ে যায় দিলীপের জেলা সফর। প্রথম দিনেই পৌঁছন নিজের আসন বর্ধমান দুর্গাপুরে। জেলা দফতর ছাড়াও গলসি এবং দুর্গাপুর শহরে বিজেপি নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেন। ভোটের পরে ‘আক্রান্ত’ নেতা-কর্মীদের খোঁজ নেন। পরদিন পৌঁছে যান নিজের এলাকা মেদিনীপুরে। সেখান থেকে বিভিন্ন জায়গা ইতিমধ্যেই ঘুরে ফেলেছেন তিনি। তারপর পৌঁছে গিয়েছেন উত্তরবঙ্গে। তবে কি আগামীতে বঙ্গবিজেপিতে ছাই থেকেই ফের জেগে উঠতে চলেছেন দিলীপ? তারই ইঙ্গিত কি দিচ্ছে এই জেলাসফর। উস্কে উঠেছে জল্পনা।

লিখেছেন
Sohini Das
Sohini Das
0 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

সিজেপির কর্মসূচির আগে ৬ হাজার পুলিশ, দুর্ভেদ্য দুর্গ কনট প্লেস

Connaught Place protest: সিজেপির কর্মসূচির আগে কনট প্লেস এবং তার আশপাশের এলাকায় ব্যাপক নিরাপত্তার ব্যবস্থা করেছে দিল্লি পুলিশ। কনট প্লেসের আশপাশে ৬ হাজারেরও বেশি পুলিশকর্মী মোতায়েন করা হয়েছে।

সরবোন থেকে যন্তরমন্তর: যে আগুন বারবার বদলে দেয় পৃথিবীকে

May 1968 France student protests: এই যে ছেলেমেয়েরা যন্তরমন্তরের রাস্তায় স্লোগান দিচ্ছে, ধারাশ্রাবণের ভয় পিছনে ফেলে পার্লামেন্ট স্ট্রিটের দিকে এগিয়ে গেল, দক্ষিণী এক বৃদ্ধ তার ধুতি সামলাতে সামলাতে ছুটছেন তাদের সঙ্গে—কী মনোরম এই বারিপাত! কেমন যেন একটা দুর্দান্ত ফ্ল্যাশব্যাকে ঘুরে গেল সময়।

অঙ্কিতা ভাণ্ডারী মামলা: তিন অভিযুক্তের সাজা হয়েও মেটেনি ‘ভিআইপি’ রহস্য

Ankita Bhandari case highlights :অঙ্কিতার বাবা-মা অভিযোগ করেছেন, গৌতমই সেই ভিআইপি, যিনি তাঁদের মেয়েকে হত্যার ষড়যন্ত্রে জড়িত ছিলেন। তাঁরা রাষ্ট্রপতির কাছে গৌতমের রাজ্যপাল নিয়োগকে চ্যালেঞ্জ করে আদালতে গিয়েছেন, এই যুক্তিতে যে এই ‘ভিআইপি’কে কোনো পদে বহাল থাকার অনুমতি দেওয়ার আগে সিবিআই তদন্ত শেষ হওয়া উচিত।

জিডিপির বাইরে উন্নয়নের হিসাব, ভারতের অর্থনীতিকে অন্য চোখে দেখতে শিখিয়েছেন জঁ দ্রেজ

Economist Jean Drèze: দিল্লিতে সিজেপি বিক্ষোভের সময় পুলিশ আটক করল অর্থনীতিবিদ জঁ দ্রেজকে। অমর্ত্য সেনের সহযোগী এই অর্থনীতিবিদ MGNREGA ও জাতীয় খাদ্য সুরক্ষা আইনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন। ২০২৬- এ পেয়েছেন গ্লোবাল ইনইকুয়ালিটি রিসার্চ অ্যাওয়ার্ড।

জ্ঞানেশ বিরোধী আন্দোলন: তারুণ্য যা শেখালো ইন্ডিয়া জোটকে

Youth Protests and Opposition Unity: সংসদীয় রাজনীতিতে যেখানে প্রবীণ নেতারা ঐক্যের পথ খুঁজতে গিয়ে হোঁচট খাচ্ছিলেন, সেখানেই নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে ভোটার তালিকা ও বিভিন্ন অনিয়ম সংক্রান্ত ক্ষোভকে কেন্দ্র করে রাজপথে নামা তরুণ প্রজন্ম বিরোধীদের নতুন করে এক ছাতার তলায় আসার পথ তৈরি করছে।

কেন তুলে দিতে হচ্ছে মাদ্রাসা কমিশন? প্রশ্ন শিক্ষামহলের

West Bengal decides to merge Madrasah Service Commission: ১৩ অক্টোবর ২০২৬ জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ৫ অক্টোবরের মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১৯৯৭ সালের পশ্চিমবঙ্গ স্কুল সার্ভিস কমিশনের সঙ্গে মাদ্রাসা সার্ভিস কমিশনকে একীভূত করার উদ্যোগ নিয়েছে রাজ্য সরকার।

আমার উৎসব, ওঁদের আরও একটা দীর্ঘ কাজের দিন

Durga Puja for Gig Workers: গিগ কর্মীদের দুর্গাপুজোর চার দিন কীভাবে কাটে? বাড়তি উপার্জনের আশায় ব্যক্তিগত আনন্দ, উৎসবের আমেজ আর প্রিয়জনদের সঙ্গে কাটানোর সময় থেকে কতটা বিসর্জন দিতে হয় তাঁদের?

বাংলাদেশে রবীন্দ্র-বিরোধিতা নিয়ে কী বলছেন বুদ্ধিজীবীরা?

Tagore graffiti vandalism Bangladesh: বাংলাদেশে কেন টার্গেট রবীন্দ্রনাথ? বুদ্ধিজীবীরা কী বলছেন?